Tag: Draupadi Murmu

Draupadi Murmu

  • ICC Champions Trophy: শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে অবসর জল্পনায় জল রোহিতের

    ICC Champions Trophy: শুভেচ্ছা বার্তা প্রধানমন্ত্রীর, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতে অবসর জল্পনায় জল রোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনই খেলা ছাড়ছেন না, বিশেষ করে একদিনের ক্রিকেট। এটাই তাঁর সবচেয়ে পছন্দের ফরম্যাট। খেলতে পারেন ২০২৭ বিশ্বকাপেও। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) জিতে অবসরের জল্পনায় জল ঢাললেন রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। সেরা ছেলেদের হাতেই রেখে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটের দায়িত্ব, ম্যাচ শেষে শুভমন গিলকে পাশে নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা কিং কোহলির (Virat Kohli)। অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতল ভারত। রোহিত শর্মারা জেতার পরেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাবার্তা

    ভারত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, “একটা অসাধারণ খেলা। একটা অসাধারণ ফল। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দেশে নিয়ে আসায় ক্রিকেট দলকে নিয়ে গর্বিত। গোটা প্রতিযোগিতায় সকলে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে। এই সাফল্যের জন্য দলের প্রত্যেককে অনেক শুভেচ্ছা।” প্রধানমন্ত্রী মোদির ক্রিকেট প্রেমের কথা আগেও চোখে পড়েছে। এবারও রোহিতদের সাফল্য উচ্ছ্বসিত মোদি।

    ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) জয়ের কৃতিত্ব দলের সকলকে ভাগ করে দিয়েছেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি সমাজমাধ্যমে লেখেন, “আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতার জন্য ভারতীয় দলকে হৃদয় থেকে শুভেচ্ছা। ভারত একমাত্র দল যারা তিন বার এই প্রতিযোগিতা জিতল। এই ইতিহাস তৈরি করার জন্য দলের ক্রিকেটার, ম্যানেজমেন্ট, সাপোর্ট স্টাফদের ধন্যবাদ। ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল।” আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ (Jay Shah) টুইটারে দলের এই সাফল্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “একটি অত্যন্ত দৃঢ়সংকল্পিত নিউজিল্যান্ড (India vs New Zealand) দলের বিরুদ্ধে ভারতের অসাধারণ পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়। পুরুষদের ক্রিকেটে পরপর দুটি আইসিসি ট্রফি জয়ের জন্য অধিনায়ক রোহিত শর্মাকেও অভিনন্দন, গত বছরের টি২০ বিশ্বকাপের পর।”

    আগ্রাসী ক্রিকেটই পছন্দ রোহিতের

    সঞ্চালক ইয়ান বিশপের প্রশ্নের উত্তরে রোহিত বললেন, “দারুণ লাগছে জিততে পেরে। গোটা প্রতিযোগিতা জুড়েই আমরা ভালো খেলেছি। ফাইনালেও জেতার অনুভূতিটা বাকিগুলোর থেকে আলাদা। যে ভাবে খেলেছি সেটা বাড়তি তৃপ্তি দিচ্ছে। আগ্রাসী ক্রিকেটই পছন্দ।” এদিন এক সময় টানা উইকেট পড়লেও যে ভাবে কেএল রাহুল শেষ পর্যন্ত থেকে ম্যাচ বার করে দিয়েছেন তার প্রশংসা করেছেন রোহিত। একইসঙ্গে বোলার বরুণ চক্রবর্তীর প্রশংসাও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। রোহিতের কথায়, “কেএলের মানসিকতা নিয়ে কী আর বলব। চাপে পড়লে কখনও সেটা দেখাতে ভালোবাসে না। আজ একাই ম্যাচটা শেষ করে এল। চাপের মুখে ঠিক যে শটটা খেলতে হবে সেটাই খেলে। বাকিদের স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ করে দেয়। আজ যে রকম হার্দিককে খোলা মনে খেলতে দিল। আর, বরুণের মধ্যে আলাদা একটা ব্যাপার রয়েছে। এ ধরনের পিচে খেলতে গেলে ওর মতো বোলারদেরই দরকার।” কৃতজ্ঞতা জানালেন দুবাইয়ের দর্শকদেরও। রোহিত বললেন, “যাঁরা মাঠে এসে আমাদের সমর্থন করেছেন তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এখানকার দর্শকরা বরাবরই অসাধারণ। দুবাই আমাদের ঘরের মাঠ নয়। কিন্তু সমর্থকদের জন্যই এটা ঘরের মাঠ হয়ে উঠেছিল।”

    চাপের মুখে খেলার জন্য মুখিয়ে তরুণরা

    মিনি বিশ্বকাপ জেতার পর বিরাট কোহলি বলেন, “এই জয়ের অনুভূতি অসাধারণ। আমরা অস্ট্রেলিয়া সফরের পর ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। একগুচ্ছ তরুণদের সঙ্গে খেলতে পেরে দারুণ লাগছে। ওরা ভালো ছন্দে রয়েছে। টিম ইন্ডিয়াকে সঠিক পথে নিয়ে যাচ্ছে। এতদিন ধরে খেলার পরও চাপের মুখে খেলার জন্য মুখিয়ে থাকি। খেতাব জেতার জন্য পুরো টিম বিভিন্ন ম্যাচে নানাভাবে এগিয়ে এসেছে। এই ধরণের টুর্নামেন্ট এলে দলের সকলে জেতার কথাই ভাবে। আমাদের দলগত প্রচেষ্টার ফলে এই ট্রফি জিতলাম।” দলে একগুচ্ছ তরুণ ক্রিকেটার, এরাই ভারতের ভবিষ্যত। বিরাট বললেন, “দলের তরুণদের সঙ্গে আমি আমার অভিজ্ঞতা বরাবর শেয়ার করি। কীভাবে এতগুলো বছর ধরে আমি খেলেছি, কোন পরিস্থিতিতে কী করি, সবই ওদের সঙ্গে শেয়ার করি।”

    অবসরের ভাবনা জাদেজার!

    রোহিত-কোহলি (Rohit-Kohli) ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) আগে অবসরের জল্পনা চলছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে নিয়েও। দুবাইয়ে ১০ ওভার বল করেছেন জাডেজা। মাত্র ৩০ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন তিনি। টম লাথামকে আউট করেন জাডেজা। তার পরেই দেখা যায়, কোহলি গিয়ে জাডেজাকে জড়িয়ে ধরেছেন। দু’জনের মধ্যে কিছু কথা হয়। সেই দৃশ্য নজরে পড়ে দর্শকদের। তার পরেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। এর আগে খেলা চলাকালীন অশ্বিন ও স্মিথকেও জড়িয়ে ধরেছিলেন কোহলি। তারপরই তাঁরা অবসরের কথা জানান। তাই এদিন কোহলি-জাদেজা আলিঙ্গনেও বাড়ে জল্পনা। গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পরের দিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই ফরম্যাটকে বিদায় জানিয়েছেন জাদেজা। ভারতের টেস্ট দলে নিয়মিত খেলেন তিনি।

  • President Draupadi Murmu: ‘‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতিতে ভবিষ্যৎ হবে নাটকীয়’’, মন্তব্য রাষ্ট্রপতির

    President Draupadi Murmu: ‘‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতিতে ভবিষ্যৎ হবে নাটকীয়’’, মন্তব্য রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের ভবিষ্যৎ আরও নাটকীয় হতে চলেছে, এমনটাই জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি মুর্মু বর্তমানে রয়েছে ঝাড়খণ্ড সফরে। সেখানেই তাঁকে এমন মন্তব্য করতে শোনা যায়। নিজের বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘সময় যত গড়াচ্ছে, ততই পাল্লা দিয়ে উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি। আর সেই প্রযুক্তিতেই ভর করে উন্নত হচ্ছে আমাদের সমাজ।’’ এদিন এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি আরও জানান, কেন্দ্রের মোদি সরকার উচ্চশিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে অন্তর্ভুক্ত করার পদক্ষেপ করছে।

    বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান ছিল

    শনিবারই রাঁচির মেসরায় অবস্থিত বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাষ্ট্রপতি (President Draupadi Murmu) বলেন, ‘‘কেন্দ্র উচ্চশিক্ষার কথা মাথায় রেখে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এমনকি ২০২৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে কোর্সও চালু হয়েছে।’’ নিজের ভাষণে রাষ্ট্রপতি (President Draupadi Murmu) আরও জানান, প্রযুক্তি হাতেকলমে শেখার কারণে বহু সুযোগ তৈরি হচ্ছে আজকের দিনে। সমাজে যে সমস্ত মানুষজন পিছিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও বিষয়টি বোঝানো উচিত বলেই মনে করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আরও জানান, প্রযুক্তি সবার ভালো কাজে ব্যবহার হোক।

    কখনও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাকে উপেক্ষা করা উচিত নয়

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu) এদিন নিজের ভাষণে বলেন, ‘‘কখনও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।’’ এদিন ঝাড়খণ্ডের ওই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বিজ্ঞান, প্রযুক্তির উপর আয়োজিত একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধনও করেন। এই প্রদর্শনীতেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্বলিত নানা জিনিস ছিল। প্রদর্শনীতে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সক্ষম রোবট এবং স্ব-চালিত গাড়ি-সহ একাধিক জিনিস ছিল। শুক্রবারই রাষ্ট্রপতি পা রাখেন ঝাড়খণ্ডে। তাঁর সফরকে সামনে রেখে ঝাড়খণ্ডের রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে।

  • One Nation One Election: এবার এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রপতিও

    One Nation One Election: এবার এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রপতিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এক দেশ, এক নির্বাচনের (One Nation One Election) পক্ষে সওয়াল করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও (Draupadi Murmu)। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক-সন্ধ্যায় তিনি বলেন, “নীতিপঙ্গুত্ব এড়াতে এ ধরনের সাহসী পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সুর চড়িয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর যুক্তি, লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন এক সঙ্গে করা হলে এক দিকে যেমন কমবে নির্বাচনী ব্যয়, তেমনি অন্যদিকে বার বার ভোটের জন্য আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হওয়ার দরুণ যে উন্নয়নমূলক কাজকর্ম ব্যাহত হয়, তা আর হবে না। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন এক সঙ্গে করানোর ব্যাপারে কেন্দ্র যে উদ্যোগী হয়েছে, তার প্রশংসা করলেন রাষ্ট্রপতি।

    কেন্দ্রের উদ্যোগের প্রশংসা (One Nation One Election)

    কেন্দ্রের উদ্যোগের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “এ ধাঁচের বড় মাপের সংস্কারমুখী পদক্ষেপ করার জন্য সাহসী ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন হয়।” তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ সুসাসনকে নতুন মাত্রা দিতে সক্ষম। এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election) ব্যবস্থা কার্যকর হলে এক দিকে যেমন অর্থের অপচয় রোখা সম্ভব হবে, আর্থিক বোঝা হ্রাস হবে, অন্যদিকে তেমনই নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে জড়তা সৃষ্টি হয়, তা দূর হতে পারে।” রাষ্ট্রপতি পুরনো ফৌজদারি আইন প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্তেরও প্রশংসা করেছেন। গত বছরের জুলাই মাসে কার্যকর হয়েছে এই নয়া আইনগুলি।

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    তিনি বলেন, “আমরা ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, কিন্তু ঔপনিবেশিক মানসিকতার অনেক নিদর্শন দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মধ্যে রয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি, আমরা সেই মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রত্যক্ষ করছি। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টাগুলির মধ্যে ছিল ভারতীয় দণ্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি এবং ভারতীয় প্রমাণ আইনকে যথাক্রমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম দ্বারা প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত।”

    সংবিধানের ৭৫ বছরের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেন, “এটি আমাদের অগ্রগতির পথকে পথনির্দেশ করেছে। “আমাদের গণপরিষদের গঠনও আমাদের প্রজাতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রমাণ (One Nation One Election)।”

  • Chhattisgarh: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ছত্তিশগড়ের বাইগারা, কী বলছেন ‘পিছিয়ে পড়া’রা?

    Chhattisgarh: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ছত্তিশগড়ের বাইগারা, কী বলছেন ‘পিছিয়ে পড়া’রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৬ জানুয়ারি নয়াদিল্লির কর্তব্য পথে প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day) উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রস্তুত বাইগা সম্প্রদায়ের ৬ প্রতিনিধি। এঁরা ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিশেষভাবে দুর্বল আদিবাসী গোষ্ঠীগুলির একটি। যে ছ’জন, এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, তাঁরা প্রত্যেকেই কবিরধাম জেলার বাসিন্দা।

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নৈশভোজ (Chhattisgarh)

    প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন জগতিন বাই বাইগা ও তাঁর স্বামী ফুল সিং বাইগা। এঁরা পানডারিয়া ব্লকের কাডওয়ানি পঞ্চায়েতের পাটপারি গ্রামের বাসিন্দা। আমন্ত্রণ পেয়েছেন বালি বাই বাইগা ও তাঁর স্বামী সোনু রাম বাইগা, তিতরি বাই বাইগা ও তাঁর স্বামী বুধ সিং বাইগা। এঁরা টেলিয়াপানি গ্রামের বাসিন্দা। এই প্রথম তাঁরা দেশের রাজধানীতে যাবেন। সেখানে এঁরা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আয়োজিত নৈশভোজেও যোগ দেবেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতি ভবন, সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করবেন।

    গ্রামে এসেছে আলো

    কবীরধামের দুর্গম অঞ্চলে বসবাসকারী এই গ্রামবাসীরা (Chhattisgarh) ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিদ্যুতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। তবে, জেলা কালেক্টর গোপাল ভার্মা ছত্তিসগড় রাজ্য নবীকরণযোগ্য শক্তি উন্নয়ন সংস্থার কর্তাদের নির্দেশ দেন, পাটপারি গ্রামের ২৫টি বাড়িতে দ্রুত বৈদ্যুতিকীকরণের কাজ সম্পন্ন করতে। তার পরেই শুরু হয় কাজ। তড়িঘড়ি প্রতিটি বাড়িতে ৩০০ মেগাওয়াট সোলার হোম লাইটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়। গ্রামবাসীরা প্রথমবারের মতো বিদ্যুতের সুবিধা পান। এই বিদ্যুত ব্যবহারের জন্য তাঁদের পয়সা দিতে হয় না।

    আরও পড়ুন: গোধরা হত্যাকাণ্ড মামলার আপিলের শুনানি ১৩ ফেব্রুয়ারি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    গ্রামে উন্নয়ন ও রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ পেয়ে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত গ্রামবাসীরা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর আমন্ত্রণ পেয়েছেন জগতিন বাই। তিনি বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতিকে দেখার কথা আমরা কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি। আমাদের গ্রাম ছিল অন্ধকারে ঢাকা। এখন তা আলোকিত হয়ে উঠেছে। এ সবই সরকার ও কালেক্টর স্যারের কারণে।’’ রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ডাক পেয়েছেন তিতরি বাইও। তিনি বলেন, ‘‘এটি আমাদের জীবনের (Republic Day) সবচেয়ে বড় সুযোগ। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করা এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে অংশ নেওয়া আমাদের এবং আমাদের গ্রামের জন্য গর্বের (Chhattisgarh)।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget Session: বেতন বৃদ্ধি থেকে আয়কর ছাড়ের প্রত্যাশা, সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু ৩১ জানুয়ারি

    Budget Session: বেতন বৃদ্ধি থেকে আয়কর ছাড়ের প্রত্যাশা, সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু ৩১ জানুয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের শেষ দিন থেকেই শুরু হবে সংসদের (Parliament) বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। দু’দফায় অধিবেশন চলবে দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে৷ বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি৷  শেষ হবে ৪ এপ্রিল৷ এর মধ্যে চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী ১ ফেব্রুয়ারি দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাজেট পেশ করবেন৷ রীতি মেনে সংসদীয় বাজেট অধিবেশনের সূচনা হবে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণ দিয়ে৷

    সংসদে কবে কী

    সংসদ (Parliament) সূত্রে খবর, বাজেট অধিবেশনের (Budget Session) প্রথম অংশটি ৩১ জানুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বাজেট অধিবেশনের প্রথম ভাগে সংসদ বন্ধ থাকবে ২, ৫, ৮, ৯ এবং ১২ ফেব্রয়ারি। ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন। এরপর ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি বাজেট সংক্রান্ত আলোচনায় ওঠা নানা প্রশ্নের উত্তরও দেবেন তিনি৷ তারপরে অধিবেশনের প্রথম অংশ জুড়ে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর আলোচনা হবে উভয় কক্ষে। সংসদের উভয় কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জবাব দিয়ে শেষ হবে এই অধিবেশন। এরপর ২৪ দিনের বিরতি৷ এই বিরতিতে বাজেটের নানাবিধ প্রস্তাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে৷ সংসদে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় ভাগ শুরু হতে পারে ১০ মার্চ থেকে। তা চলতে পারে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এর মাঝে সংসদ বন্ধ থাকবে ১৪ থেকে ১৬ মার্চ, ২ থেকে ২৩ মার্চ, ২৯ থেকে ৩১ মার্চ। এই পর্বে বিভিন্ন মন্ত্রকের ত্রাণ মঞ্জুর থেকে আরম্ভ করে বাজেট প্রক্রিয়ার সমাপ্তি হবে৷ পুরো সংসদীয় বাজেট অধিবেশনে ২৭টি অধিবেশন হবে বলে জানা গিয়েছে৷

    আরও পড়ুন: জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে সিমকার্ড কেনার সময় বায়োমেট্রিক যাচাই হবে বাধ্যতামূলক

    কী কী ঘোষণা হতে পারে

    গত শীতকালীন অধিবেশনে (Budget Session) প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত নানাবিধ ইস্যুতে উত্তপ্ত ছিল সংসদ৷ লোকসভায় (Parliament) পেশ হয় ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল৷ এবার বাজেট নিয়েও সংসদে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারেন বিরোধীরা, এমনই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। এই নিয়ে টানা আটবার সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেটে আয়কর ছাড় থেকে শুরু অষ্টম বেতন কমিশন সংক্রান্ত ঘোষণা করা হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত উপার্জন করা করদাতাদের ছাড় দেওয়া হতে পারে বাজেটে। এর ফলে বিশেষত শহরের মধ্যবিত্ত চাকরিজীবীরা উপকৃত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vijay Diwas: ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে বিজয় দিবস পালন! বীর যোদ্ধাদের স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর, সেনার সঙ্গে সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতির

    Vijay Diwas: ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে বিজয় দিবস পালন! বীর যোদ্ধাদের স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর, সেনার সঙ্গে সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনটা ছিল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বাংলাদেশের (India-Bangladesh) স্থানীয় সময় অনুযায়ী ঘড়ির কাঁটায় তখন ৪ টে ৩১ মিনিট, ভারতে ৪টে। ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন পাকিস্তানের ৯৩,০০০ ফৌজি। ভারতের দাপটে ১৩ দিনের মধ্যেই অস্ত্র নামিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছে পাক বাহিনী। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার পাশে বসে আত্মসমর্পণের দলিলে সাক্ষর করছেন পাকিস্তানি সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের লেফটেন্যান্ট জেনারেল এএকে নিয়াজি। ভারতের সাহায্যেই স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ। ১৯৭১’য়ের সেই যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াই করেছিল ভারতীয় সেনা। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের আজ ৫৩ বছর (Vijay Diwas) পূর্ণ হল। চলতি সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের রসায়ন কিছুটা অন্যরকম। তবুও এই দিনটিকে একই সঙ্গে স্মরণ করবে ঢাকা ও দিল্লি। 

    একই সঙ্গে বিজয় দিবস উদযাপন 

    রবিবার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক থেকেও জানানো হয়, বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা বিজয় দিবস উপলক্ষে (Vijay Diwas) এবারও হাজির থাকবেন। রবিবার জানানো হয়েছে, সে দেশের প্রতিনিধিরা কলকাতায় চলে এসেছেন। সেনার পক্ষ থেকে তাঁদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে। আবার ঢাকায় গিয়েছেন ভারতীয় সেনার আটজন প্রাক্তন আধিকারিক। ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা কলকাতা এবং ঢাকায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন। বিজয় দিবসকে স্মরণ করে সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বীর সৈন্যদের সাহস ও আত্মত্যাগকে সম্মান জানিয়েছেন। 

    বিজয় দিবস স্মরণে রাষ্ট্রপতি-প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    বিজয় দিবসের (Vijay Diwas) আগের সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আর্মি হাউসে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদি, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং উপরাষ্ট্রপতি বীর সেনানী, কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, আশা স্কুলের শিশুদের এবং বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সেনার ৩,৯০০ জন জওয়ান শহিদ হন এবং ৯,৮৫১ জন আহত হন। ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে যে এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও উপরাষ্ট্রপতি বিভিন্ন যুদ্ধ বীর, কূটনৈতিক প্রতিনিধি, ক্রীড়াবিদ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Chess Championship: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    World Chess Championship: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে দাবায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেন ডি গুকেশ। বিশ্বনাথন আনন্দের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতলেন তিনি। মাত্র আঠেরো বছর বয়সে দাবায় বিশ্বসেরার মুকুট পরলেন চেন্নাইয়ের এই দাবাড়ু। তাঁকে অভিনন্দনে ভরালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ক্রিকেট মাঠের কিংবদন্তী সচিন তেন্ডুলকররা।

    বিশ্ব রেকর্ড গুকেশের

    বৃহস্পতিবার চিনের ডিং লিরেনকে হারিয়ে ১৪ নম্বর ম্যাচে গুকেশ জিততেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলেন তিনি। এদিন কালো ঘুঁটিতে খেলা ছিল গুকেশের। সাধারণত যিনি সাদা ঘুঁটিতে খেলেন, তিনি কিছুটা এগিয়ে থাকেন। গুকেশ যদিও এর আগে লিরেনকে কালো ঘুঁটি নিয়ে হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার জিততেই গুকেশকে কাঁদতে দেখা যায়। আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। গ্যারি ক্যাসপারভ ২২ বছর বয়সে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তাঁর রেকর্ড ভেঙে দিলেন ভারতের তরুণ দাবাড়ু। 

    অভিনন্দন বার্তা

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু লিখেছেন, ‘গুকেশকে আন্তরিক অভিনন্দন। বিশ্বের কনিষ্ঠতম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দাবাড়ু। ভারতকে গর্বিত করেছো। দাবায় ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করেছো। খুব ভাল করেছো গুকেশ। প্রত্যেক ভারতীয় হয়ে তোমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘অবিস্মরণীয় সাফল্যের জন্য অনেক অভিনন্দন গুকেশ। প্রতিভা, পরিশ্রম আর সংকল্পের পুরস্কার পেয়েছে। ওর সাফল্য শুধু দাবায় ওর নামটা অমর করে রাখল তাই নয়, নতুন প্রজন্মকে খেলাটার প্রতি আরও আকৃষ্ট করল।’

    তবে সেরা বার্তাটা হয়তো পাঠিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার সচিন। তিনি লিখেছেন, ‘চৌষট্টি খোপের দুনিয়ায় সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত খুলে দিলে। অভিনন্দন গুকেশ। ১৮ বছরে ১৮তম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য।’

    কত টাকা পেলেন গুকেশ

    বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের মোট পুরস্কার মূল্য ২৫ লক্ষ ডলার। এর মধ্যে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিটি ক্ল্যাসিকাল ম্যাচ জেতার জন্য পাওয়া যায় ২ লক্ষ ডলার করে। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা। গুকেশ মোট তিনটি ম্যাচ জেতেন। ফলে তিনি ৬ লক্ষ ডলার, অর্থাৎ, প্রায় ৫ কোটি ৭ লক্ষ টাকা জিতে নেন। অন্য দিকে, দু’টি ম্যাচ জেতেন লিরেন। ফলে তিনি পান ৩ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা (চার লক্ষ ডলার)। মোট পুরস্কার মূল্যের মধ্যে দুই প্রতিযোগী ১০ লক্ষ ডলার জিতে নেন। বাকি ১৫ লক্ষ ডলার তাঁদের দু’জনের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। ফলে গুকেশের মোট প্রাপ্তি ১৩.৫ লক্ষ ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: সুস্থ জীবনে ফেরার আশায় দান্তেওয়াড়ায় আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের

    Chhattisgarh: সুস্থ জীবনে ফেরার আশায় দান্তেওয়াড়ায় আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দান্তেওয়াড়া জেলায় রবিবার ৪ জন মাওবাদী, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender) করেছে। এদের নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ১৯৭ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করল। সুস্থ জীবনে ফেরার বাসনায় এরা সরকারি সাহায্য নিয়ে নিজেদের গ্রামে ফিরেছে। দান্তেওয়াড়া (Dantewada) পুলিশের প্রচার অভিযান, সরকারের সমর্থন এবং কেন্দ্রের মোদি সরকারের নানা নীতির জেরেই এই সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।

    কিসের ভিত্তিতে আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender)

    পুলিশ সুপার গৌরব রাই বলেছেন, রবিবার হুঙ্গা তমো ওরফে তমো সূর্য (৩৭) ও তার স্ত্রী আয়তি তাতি (৩৫) আত্মসমর্পণ করে। এদের প্রত্যেকের মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ টাকা। এরা ২০১৮ সালে ছত্তিশগড়-তেলঙ্গানা (Chhattisgarh) আন্তঃরাজ্য পামদে (বিজাপুর) জঙ্গলে নিরাপত্তা কর্মীদের উপর হামলায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্য দুই মহিলা মাওবাদী দেব ওরফে ভিজে এবং মাদভির মাথার দাম যথাক্রমে ৩ লক্ষ এবং ১ লক্ষ টাকা। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের (Maoists Surrender) প্রত্যেককে পুনর্বাসনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। পুলিশের ‘লন ভারাটু’ প্রচার অভিযানের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮০০ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে, বলে জানা যায়। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও মাওবাদীদের হিংসার পথ ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ জানান। 

    মাওবাদী দমনে নয়া নীতি

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই মাওবাদী দমন বিষয়ে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইয়ের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সমন্বয় বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানেই আভাস দেওয়া হয়, মাওবাদীদের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য এর মধ্যেই নানা পরিকল্পনা ছকতে শুরু করেছে কেন্দ্র। বৈঠকে অমিত জানিয়ে দেন, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে নির্মূল হবে মাওবাদীরা। এর জন্য আগামী দু’মাসের মধ্যেই মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender) নীতিতে পরিবর্তন আনতে চলেছে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) সরকার। সূত্রের খবর, মাওবাদী-অধ্যুষিত এলাকায় পুনর্বাসন এবং তিন বছরের দক্ষতা-উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শিবিরেরও (স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্স) ব্যবস্থা করতে পারে সরকার। নতুন আত্মসমর্পণ নীতিতে (Dantewada) মাওবাদী সংগঠনের রাজ্য কমিটি, আঞ্চলিক কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিটব্যুরোর সদস্যদের মতো উচ্চপদস্থ ক্যাডারদের এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা এবং নিম্ন পদের ক্যাডারদের (Maoists Surrender) এককালীন তিন লক্ষ টাকা অনুদানও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    Draupadi Murmu: ‘বাইরে অপরাধীরা, ভয়ে নির্যাতিতারা’, ধর্ষণের মামলার বিলম্ব নিয়ে সরব রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্যাতিতারা সমাজ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা পান না, এবার এমনই দাবি করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে আগেই মুখ খুলেছিলেন তিনি। রবিবার নয়াদিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের ৭৫ বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে এবার বিচারবিভাগের কাছে তিনি প্রশ্ন করলেন, ধর্ষণের মতো সংবেদনশীল ঘটনায় কেন দেরিতে বিচার পাবেন নির্যাতিতারা? কেন মামলা ঝুলে থাকবে মাসের পর মাস? (President on Woman Safety)

    ‘ভয়ে কাটাচ্ছেন নির্যাতিতারা

    সুপ্রিম কোর্টের ৭৫ তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেন, ‘‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যের যে আমাদের সামাজিক জীবনে একজন অপরাধী অপরাধ করার পরও নির্ভয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর তাদের অপরাধের শিকার যাঁরা, তাঁরা ভয়ে রয়েছেন। যেন তাঁরাই কোনও অপরাধ করেছেন। অপরাধের শিকার হওয়া মহিলাদের অবস্থা তো আরও খারাপ। কারণ, সমাজের মানুষজনও তাঁকে সমর্থন করেন না।’’ তাঁর (President on Woman Safety) কথায়, ‘‘ধর্ষণের মতো মামলায় যখন বহু দেরিতে বিচার মেলে, তখন বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন সাধারণ মানুষ। তখন তাঁদের মনে ধারণা হয়, বিচার প্রক্রিয়া এমনই অসংবেদনশীল।’’

    বিচারালয় মন্দির

    রাষ্ট্রপতির (Draupadi Murmu) মত, গ্রামের মানুষের কাছে বিচার বিভাগ ‘ঈশ্বরের সমান’। কারণ তাঁরা সেখানে ন্যায়বিচার খুঁজে পান। এর পরেই দ্রৌপদী বলেন, ‘‘একটা কথা আছে, ‘ভগবান কা ঘর দের হ্যায়, অন্ধের নেহি’। অর্থাৎ ভগবানের বিচারে বিলম্ব হতে পারে, কিন্তু অন্যায় হতে পারে না। এখন প্রশ্ন হল, কত বিলম্ব? বিচার পেতে কত দিন অপেক্ষা করবেন মানুষ? আমাদের এ বিষয়ে ভাবা উচিত। যত দিনে মানুষ শেষমেশ বিচার পান, তত দিনে তাঁর জীবন থেকে হাসি মুছে গিয়েছে। কেউ কেউ হয়তো বেঁচেও নেই। এ বার এই ধরনের ঘটনায় দ্রুত এবং সুষ্ঠু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কথা ভাবতে হবে বিচার ব্যবস্থাকে।’’

    মামলায় বারবার স্থগিতাদেশ নয়

    আরজি কর কাণ্ডে আগে রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেছিলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। ছাত্র, ডাক্তার এবং নাগরিকরা যখন কলকাতায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তখন অপরাধীরা অন্যত্র ঘাপটি মেরে আছে। কোন সভ্য সমাজে মেয়ে-বোনদের উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চলতে পারে না।” বলেছিলেন, মহিলাদের (President on Woman Safety) বিরুদ্ধে এই ধরনের জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক পরিবর্তনের আশু প্রয়োজন। এদিন তিনি এই সূত্র ধরেই বলেন, ‘‘সবার আগে বদলাতে হবে এই ‘স্থগিতাদেশের সংস্কৃতি’কে। মামলায় বারবার স্থগিতাদেশ জারি করার এই রীতি এ বার বদলানোর সময় এসেছে।’’

    আরও পড়ুন: ১৫৬টি ককটেল ওষুধ নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র, জানেন তালিকায় কী কী?

    বিচারবিভাগে মহিলারা

    এদিন শুধু সমালোচনাই নয়, সেই সঙ্গে বিচার ব্যবস্থায় মহিলাদের সংখ্যা বৃদ্ধি হতে দেখে খুশি রাষ্ট্রপতি। প্রসঙ্গত, রবিবারের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। ছিলেন কেন্দ্রীয় আইন ও বিচার প্রতিমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালও। এদিন সুপ্রিম কোর্টের পতাকা ও প্রতীকেরও উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি (President Draupadi Murmu)। একই সঙ্গে বিচারবিভাগীয় ব্যবস্থা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, সবাইকে একজোট হয়ে তার মোকাবিলা করার কথাও বলেন রাষ্ট্রপতি President on Woman Safety। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: ‘‘আমি হতাশ এবং আতঙ্কিত, যথেষ্ট হয়েছে’’, আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: ‘‘আমি হতাশ এবং আতঙ্কিত, যথেষ্ট হয়েছে’’, আরজি কর কাণ্ডে ক্ষুব্ধ দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মহিলাদের উপর অপরাধ আর বরদাস্ত করা যাচ্ছে না। কোনও সভ্য সমাজ মা-বোনেদের ওপর নৃশংস নির্যাতন চলতে পারে না। অনেক হয়েছে, এবার জেগে উঠতে হবে।’’ আরজি করে পড়ুয়া চিকিৎসককে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় মুখ খুললেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। 

    অনেক হয়েছে, আর না…

    আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনার ২০ দিন পার হয়েছে। তবে বিচারের জন্য আমজনতার আন্দোলন এতটুকু কমেনি। গোটা দেশজুড়ে উঠেছে প্রতিবাদের ঝড়। এই আবহে এমন ঘটনায় নিজের হতাশা ব্যক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি। বুধবার, সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরজি করের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। তাঁর মতে, মহিলাদের বিরুদ্ধে এই ধরনের জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক পরিবর্তনের আশু প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমি খুবই হতাশ এবং আতঙ্কিত। মহিলাদের বিরুদ্ধে এমন অপরাধ কোন ভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। যথেষ্ট হয়েছে। ছাত্র, ডাক্তার এবং নাগরিকরা যখন কলকাতায় প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তখন অপরাধীরা অন্যত্র ঘাপটি মেরে আছে। কোনও সভ্য সমাজে মেয়ে-বোনদের উপর এমন নৃশংস নির্যাতন চলতে পারে না। সমাজকে সৎভাবে, ন্যায্যভাবে এবং নিরপেক্ষভাবে আত্মদর্শন করতে হবে এবং নিজেদের কিছু কঠিন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে হবে। প্রায়শই মহিলাদের কম শক্তিশালী, কম সক্ষম, কম বুদ্ধিমান হিসাবে দেখা হয়। এই শোচনীয় মানসিকতা রয়েছে সমাজে।”

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার ৭ দিনের ধর্না বিজেপির, ঘোষণা সুকান্তর

    নির্ভয়াকে স্মরণ

    তিলোত্তমা কাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে প্রথম মুখ খোলার দিনে, নির্ভয়া মামলার কথাও স্মরণ করেছেন রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu)। তিনি বলেন, “নির্ভয়া ঘটনার পর থেকে ১২ বছরে, অগণিত ধর্ষণ হয়েছে, যা সমাজ ভুলে গিয়েছে। এই সম্মিলিতভাবে ভুলে যাওয়া অত্যন্ত আপত্তিকর। যে সমাজ ইতিহাসের মুখোমুখি হতে ভয় পায়, তারাই এই সম্মিলিত স্মৃতিভ্রংশের পথ অবলম্বন করে। এখন ভারতেরও ইতিহাসের মুখোমুখি হওয়ার সময় এসেছে।” মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের বিষয়ে ক্ষুব্ধ রাষ্ট্রপতি বলেছেন, সমাজের সৎ এবং নিরপেক্ষ আত্মদর্শন প্রয়োজন। তাঁর আহ্বান, সময় এসেছে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধের “বিকৃত প্রবৃত্তি” থেকে জেগে ওঠার এবং সেই মানসিকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার। যারা এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন তারা নারীকে ‘বস্তু’ হিসেবে দেখেন। ভয় থেকে মুক্তি পাওয়ার পথে যে সকল বাধা রয়েছে তা দূর করে নারীদের এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share