Tag: Draupadi Murmu

Draupadi Murmu

  • Draupadi Murmu: নিউজিল্যান্ড-ফিজি-তিমুর সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোর

    Draupadi Murmu: নিউজিল্যান্ড-ফিজি-তিমুর সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ৫ থেকে ১০’ই অগাস্ট পর্যন্ত ফিজি, নিউজিল্যান্ড এবং তিমোর লেস্তে সফর করবেন। নতুন দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ মজুমদার একথা জানান। তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রপতির (President Of India) এটিই প্রথম ফিজি ও তিমোর সফর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি কার্যকর করেছে। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির ওপর বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে।

    ফিজিতে রাষ্ট্রপতির কী কর্মসূচি? (Draupadi Murmu)

    বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) আগামী সপ্তাহে তিন দেশের সফরে যাচ্ছেন। তাঁর প্রথম সফর ফিজি থেকে শুরু হবে। সেই দেশের সংসদে তিনি ভাষণ দেবেন। তাঁর ফিজি সফর ৫ অগাস্ট থেকে শুরু হবে। ৭ তারিখ পর্যন্ত তিনি সেখানেই থাকবেন। ফিজিতে রাষ্ট্রপতি মুর্মু সেই দেশের রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম কাটোনিভের এবং  প্রধানমন্ত্রী সিটিভেনি রাবুকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন। বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ মজুমদার বলেন, “ফিজির সঙ্গে আমাদের জনগণের মধ্যে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। ফিজির জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশেরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং তাঁরা ভারতের ভাষা, রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেছে। এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁদের কথাবার্তা হবে। আমাদের দুই দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য ভারত ও ফিজির সম্পর্ককে আরও সুনিশ্চিত করবে। ভারত-ফিজির একটি শক্তিশালী উন্নয়ন অংশীদার হয়েছে। অনেক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কয়েক বছর আগে ঘোষণা মতো আমরা সুভাতে একটি ১০০-শয্যার তৃতীয় হাসপাতাল তৈরি করব।”

    আরও পড়ুন: ৫০০ টাকা থেকে ৫ কোটির সাম্রাজ্য! কৃষ্ণার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অনুপ্ররণা শত শত নারীর

    তিন দেশের সফর নিয়ে কী বললেন বিদেশ সচিব?

    রাষ্ট্রপতি মুর্মুর (Draupadi Murmu) তিন দেশ সফরের আরও বিশদ বিবরণ দিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ  মজুমদার বলেন, “প্রেসিডেন্ট (President Of India) প্রথমে ফিজি এবং পরে নিউজিল্যান্ড এবং তারপরে তিমুর-লেস্তে যাবেন। ভারতের রাষ্ট্রপতির এই সফরের একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি ঘোষণা করেছিলেন। এই তিনটি অঞ্চলই আমাদের অ্যাক্ট ইস্ট নীতির মধ্যে পড়ে। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের একটি খুব পুরানো এবং শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে, যা আমরা প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশগুলির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rath Yatra in Puri: রথযাত্রা উপলক্ষে পুরীতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, ভিড় নিয়ন্ত্রণই চিন্তা পুলিশের

    Rath Yatra in Puri: রথযাত্রা উপলক্ষে পুরীতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, ভিড় নিয়ন্ত্রণই চিন্তা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র একটা দিনের অপেক্ষা। রবিবার সারা দেশে পালিত হবে রথযাত্রা (Rath Yatra in Puri)। আগামী ৭ জুলাই পুরীতে রথযাত্রা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, দ্রৌপদী শনিবার চার দিনের ওড়িশা সফরে যাচ্ছেন। রবিবার তিনি পুরীতে থাকবেন। রথযাত্রা উপলক্ষে এমনিতেই পুরীতে লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হয়। তার উপর থাকবেন রাষ্ট্রপতি। এখন নিরাপত্তাই চিন্তার কারণ ওড়িশা পুলিশের। 

    পুরীর নিরাপত্তা (Rath Yatra in Puri)

    রবিবার পুরীতে রথযাত্রা (Rath Yatra in Puri) উৎসবে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। ওড়িশা পুলিশের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) তথা পুরীর রথযাত্রার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক সঞ্জয় কুমার শনিবার বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার জন্য সমস্ত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’’ সাম্প্রতিক হাথরসকাণ্ডের কথা মাথায় রেখে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এবার বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রের খবর। বস্তুত, জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রার রথ ঘিরে গত কয়েক বছর ধরেই কড়া নিরাপত্তা থাকে পুরীতে। কেউ সহজে রথ ছুঁতে পারেন না। 

    আরও পড়ুন: ফের বিপাকে মহুয়া! তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে স্পিকারকে চিঠি জাতীয় মহিলা কমিশনের

    লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম (Rath Yatra in Puri)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এবছর পুরীতে রথযাত্রা (Rath Yatra in Puri) উপলক্ষে লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হবে। পুরীর জেলা আধিকারিক বলেন, “এবারের রথযাত্রার বিশেষ মাহাত্ম্য আছে। কারণ এবারেই নেত্রোৎসব, নবযৌবন উৎসব এবং রথযাত্রা এই তিন রীতিই একই দিনে পড়েছে। ফলে ভিড় অন্যবারের থেকে অনেকটা বেশি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই বছরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মূও (President Draupadi Murmu) রথযাত্রা অনুষ্ঠানের দিন পুরীতে আসবেন। ফলে নিরাপত্তার বিষয়টি নজরে রাখতে হবে”। দ্রৌপদী একদা ওড়িশার রায়রংপুরের বিজেপি বিধায়ক ছিলেন। বিজেডি-বিজেপি জোট সরকারের মন্ত্রীপদেও ছিলেন তিনি। সে সময় প্রায়শই তিনি জগন্নাথদেব দর্শনে যেতেন। ২০২২ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরেও পুরীর মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন দ্রৌপদী। এবছর তিনি যোগ দেবেন রথযাত্রায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: “জরুরি অবস্থা ঘোষণা ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ”, বললেন রাষ্ট্রপতি

    Draupadi Murmu: “জরুরি অবস্থা ঘোষণা ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ”, বললেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পর এবার ‘জরুরি অবস্থা জারি’র খোঁচা রাষ্ট্রপতিরও (Draupadi Murmu)। ২৭ জুন, বৃহস্পতিবার সংসদের যৌথ অধিবেশনে বক্তৃতা দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেখানেই তিনি খোঁচা দেন জরুরি অবস্থা জারির ‘ক্ষতে’।

    জরুরি অবস্থা জারির ‘ক্ষতে’ খোঁচা (Draupadi Murmu)

    তিনি বলেন, “১৯৭৫ সালের ২৫ জুন যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটি ছিল সংবিধানের ওপর আক্রমণ। আমাদের সরকার চেষ্টা করে সংবিধান যেন জনচেতনার অংশ হয়। জম্মু-কাশ্মীরে সংবিধান লাগু হয়েছে।” রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu) বলেন, “আমাদের গণতন্ত্রকে ক্ষতি করার অনেক চেষ্টা হয়েছে। ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়া হত। তার বদলে ইভিএম আনা হয়েছে। আজকের সময়ে প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু প্রযুক্তির অপব্যবহার বিপজ্জনক।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “মানবকেন্দ্রিক অ্যাপ্রোচ রাখে ভারত। বিভিন্ন দেশকে বিপদে সাহায্য করেছে। ভারত সম্পর্কে বদলেছে বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গী। তা সম্প্রতি দেখেছি আমরা জি৭ সম্মেলনে। জি২০ সামিটেও বিশেষ ছাপ রেখেছে ভারত।”

    ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’

    তিনি বলেন, “ভারতের গৌরবের প্রমাণ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ফের চালু করা হয়েছে। ভগবান বীরসা মুন্ডার জন্মদিনকে জনজাতি দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ধারণায় কাজ চলছে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “আজ অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে ভারত। ডিজিটাল পেমেন্টে বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছেছে। চন্দ্রাভিযানের সাফল্য নিয়ে গর্ব হওয়া উচিত। এতবড় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করার জন্যও গর্ব করা উচিত।” তিনি বলেন, “পয়লা জুলাই থেকে ন্যায় সংহিতা চালু হবে। ব্রিটিশরাজে গোলামি ব্যবস্থায় শাস্তির বিধান ছিল। সেই আইন বদলে সাহস দেখিয়েছে সরকার। এবার শাস্তির বদলে বিশেষ জোর দেওয়া হবে ন্যায়ে।”

    আর পড়ুন: অমরনাথ যাত্রা শুরু ২৯ জুন, জানুন যাত্রার খুঁটিনাটি

    তিনি বলেন, “সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্বও দেওয়া হচ্ছে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেশের শত্রুদের মুখে ছাই দিয়ে কাশ্মীরের ভোটাররা ব্যাপক সাড়া দিয়ে ভোট দিয়েছেন। লোকসভা ও বিধানসভায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ায় বাড়ছে নারীর সশক্তিকরণ।” তিনি (Draupadi Murmu) বলেন, “আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেট দেশের ভবিষ্যৎ দিশা দেখাবে। ভারত দ্রুত তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের পথে এগিয়ে চলেছে। বিশ্বের মানুষ দেখছেন, এনডিএ টানা তৃতীয়বার স্থায়ী সরকার গঠনে সক্ষম হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Draupadi Murmu: রাহুলের মুখে ঝামা! রাম-সন্দর্শনে রাষ্ট্রপতি মুর্মু, করলেন আরতিও

    Draupadi Murmu: রাহুলের মুখে ঝামা! রাম-সন্দর্শনে রাষ্ট্রপতি মুর্মু, করলেন আরতিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রোটোকল থাকায় উপস্থিত থাকতে পারেননি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। ১ মে রাম দর্শন সারলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি আরতিও করেন রাষ্ট্রপতি। পুজো করেন হনুমানজির মন্দিরেও।

    রাহুলের অভিযোগ (Draupadi Murmu)

    দ্রৌপদী তফশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের। প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে তিনি যোগ না দেওয়ায় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, উপজাতি সম্প্রদায়ের হওয়ায় রাম মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন না রাষ্ট্রপতি। রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে এদিন বাধাহীনভাবেই মন্দিরে ঢোকেন রাষ্ট্রপতি। করেন প্রার্থনা। কেবল তাই নয়, উপজাতি সম্প্রদায়ের হওয়া সত্ত্বেও হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে যে তাঁর নাড়ির টান, তাও রাম-সন্দর্শনে গিয়ে প্রমাণ করে দিলেন রাষ্ট্রপতি (Draupadi Murmu)।

    কী বলছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ?

    প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি যোগ না দেওয়ায় রাহুল বলেছিলেন রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রাষ্ট্রপতিকে। কারণ তিনি আদিবাসী। এর প্রেক্ষিতে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেছিলেন, “গুজরাটে একটা সমাবেশে রাহুলজি বলেছিলেন, রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রাষ্ট্রপতিকে। কারণ তিনি উপজাতি সম্প্রদায়ের। রাহুলজির এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করছি আমি। এই অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিপথগামী। প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্য পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষের পাশাপাশি হতদরিদ্র মানুষদেরও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁরা এসেওছিলেন।”

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ছড়ানো এই তথ্য যে নিতান্তই ভুল ছিল, এদিন রাষ্ট্রপতির রাম-দর্শনে তা প্রমাণ হয়ে গেল। কেবল তাই নয়, ভারতে যে আজও বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য বেঁচে রয়েছে, এদিনের ঘটনা তারও প্রমাণ বলেও অভিমত সংশ্লিষ্ট মহলের (Draupadi Murmu)।

    আরও পড়ুুন: “সংবিধান বদলের মতো পাপ করতে জন্মাইনি”, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bharat Ratna: মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হল প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী সহ চারজনকে

    Bharat Ratna: মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হল প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী সহ চারজনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিরার ভারতরত্ন সম্মানে (Bharat Ratna) ভূষিত করা হবে প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী এলকে আডবাণীকে। তার আগের দিন শনিবার দেওয়া হল মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান। দেশের সর্বোচ্চ এই নাগরিক সম্মানে ভূষিত করা হল দেশের নবম প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাও, দেশের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংহ, বিহারের দু’বারের মুখ্যমন্ত্রী কর্পূরী ঠাকুর এবং ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথন।

    মরণোত্তর সম্মান (Bharat Ratna)

    শনিবার মরণোত্তর এই সম্মান তুলে দেওয়া হয় এই চারজনের পরিবারের সদস্যদের হাতে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে মরণোত্তর এই সম্মান নেন পিভি নরসিমহা রাওয়ের ছেলে পিভি প্রভাকর রাও, চৌধুরি চরণ সিংহের তরফে পুরস্কার নেন তাঁর নাতি জয়ন্ত চৌধুরি। কর্পূরী ঠাকুরের ছেলে রামনাথ ঠাকুর এবং বিজ্ঞানী স্বামীনাথনের মেয়ে নিত্যা রাও-ও এদিন (Bharat Ratna) রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে নিয়ে আসেন ভারতরত্ন পুরস্কার। ছয়ের দশকে ভারতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছিল কৃষিক্ষেত্রে। সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিজ্ঞানী স্বামীনাথন।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    এদিনের ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, রাজ্যসভার বিরোধী নেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই উত্তরপ্রদেশে জয়ন্ত চৌধুরির রাষ্ট্রীয় লোকদলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে বিজেপি। চলতি বছর ভারত সরকার পাঁচজনকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করার কথা ঘোষণা করে।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকে ভাবছি না”, বললেন অমৃতা রায়

    এর মধ্যে চারজনই পেয়েছেন মরণোত্তর ভারতরত্ন পুরস্কার। এঁদের মধ্যে জীবিত রয়েছেন বিজেপির দ্বিতীয় সভাপতি তথা প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী এলকে আডবাণী। তাঁকে সম্মানিত করা হবে রবিবার। যেহেতু আডবাণী অসুস্থ, তাই তাঁর বাড়িতে গিয়ে ভারতরত্ন পুরস্কার দিয়ে আসবেন রাষ্ট্রপতি স্বয়ং। এদিনের ঘরোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ১৯৫৪ সাল থেকে ভারতরত্ন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রতি বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হয় এই সম্মান। দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান এটি (Bharat Ratna)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • LK Advani: রবিবারই ভারতরত্ন দেওয়া হবে আডবাণীকে, বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসবেন রাষ্ট্রপতি

    LK Advani: রবিবারই ভারতরত্ন দেওয়া হবে আডবাণীকে, বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসবেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ রাজনীতিক এলকে আডবাণীকে (LK Advani) ভারতরত্ন সম্মান দেওয়া হবে রবিবার। যদিও তাঁকে যে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হবে, তা জানানো হয়েছিল চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ার দিকে। আডবাণীকে যে ভারতরত্ন পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে, সে খবর দেশবাসীকে শোনান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে তিনি নিজে গিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন আডবাণীকে। করেছিলেন ট্যুইটও। রাত পোহালে রবিবার সেই সম্মানই তুলে দেওয়া হবে প্রবীণ এই রাজনীতিকের হাতে।

    আডবাণীকে ভারতরত্ন (LK Advani)

    সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু স্বয়ং যাবেন আডবাণীর (LK Advani) বাসভবনে। সেখানেই দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে সম্মানিত করা হবে তাঁকে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ আডবাণীকে সম্মানিত করতেই তাঁর বাসভবনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একান্তই ঘরোয়া এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    আডবাণীর অবদান

    অধুনা পাকিস্তানের করাচিতে জন্ম আডবাণীর। তিন দশকের কাছাকাছি সময় যুক্ত ছিলেন সংসদীয় রাজনীতিতে। প্রথমে হয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে একবার উপপ্রধানমন্ত্রী  হন। অটল বিহারী বাজপেয়ী যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখনই উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন আডবাণী। আডবানিকে ভারতরত্ন পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করার সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে আডবাণীর তোলা একটি পুরানো ছবিও শেয়ার করেছিলেন।

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, শ্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীজিকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে। আমি তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। তিনি দেশের অন্যতম সম্মানীয় রাষ্ট্রনায়ক। দেশের উন্নতির প্রতি তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।” প্রধানমন্ত্রী এও লিখেছিলেন, “তৃণমূল স্তর থেকে কাজ শুরু করে তিনি (আডবাণী) দেশের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীর পদ সামলেছেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তাঁর সংসদীয় পরামর্শ চিরকালই মহামূল্যবান। অন্তর্দৃষ্টিতে পূর্ণ সেই পরামর্শ বরাবরই আমাদের সমৃদ্ধ করে।”

    আরও পড়ুুন: “ভারত এমন দেশ নয়, যাকে অন্যের উপদেশ নিতে হবে”, বললেন ধনখড়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: দিল্লির সেনা হাসপাতালে হল রাষ্ট্রপতির চোখের অস্ত্রোপচার, কেমন আছেন দ্রৌপদী মুর্মু?

    Draupadi Murmu: দিল্লির সেনা হাসপাতালে হল রাষ্ট্রপতির চোখের অস্ত্রোপচার, কেমন আছেন দ্রৌপদী মুর্মু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল দিল্লির সেনা হাসপাতালে ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। হঠাৎ কী হল তাঁর, এই নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। পরে জানা যায়, গতকাল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বাঁ চোখের ছানির অস্ত্রোপচার হয়। দিল্লির সেনা হাসপাতালে সকাল সাড়ে ১১টায় এই অস্ত্রোপচার হয়। রাষ্ট্রপতির সফলভাবেই ছানির অস্ত্রোপচার হয় বলে আর্মি হাসপাতাল রিসার্চ অ্যান্ড রেফারেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    জানা গিয়েছে যে, গত কয়েক মাস ধরেই ছানির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবশেষে তাঁর (Draupadi Murmu) চোখের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এই আর্মি হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই অস্ত্রোপচার করেন। ব্রিগেডিয়ার সঞ্জয় কুমার মিশ্রর নেতৃত্বে ও চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই এই অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা যায়।

    আরও পড়ুন: শাখার সংখ্যা নিয়ে যেতে হবে লাখে, কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠকে পথ খুঁজছেন আরএসএস কর্তারা

    গতকাল অপারেশনের কিছুক্ষণের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভবনের মুখপাত্রর তরফ থেকে জানানো হয়, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং রবিবারই দুপুর ১:৩০ মিনিটে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) । তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবশ্য ডাক্তারদের পক্ষ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন তিনি কিন্তু তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। পরে ডান চোখেরও অস্ত্রোপচার হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন দ্রৌপদী মুর্মু। বয়স হয়েছে ৬৪ বছর। শপথ নেওয়ার আড়াই মাসের মধ্যেই চোখের অস্ত্রোপচার হল তাঁর।

    উল্লেখ্য, গত বছরই কোভিডের সময় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের স্ত্রী সবিতা কোবিন্দের একই অস্ত্রোপচার হয়েছিল। সেই অস্ত্রোপচারও করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা ব্রিগেডিয়ার সঞ্জয় কুমার মিশ্র। পরবর্তীকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির থেকে সেই অস্ত্রোপচারের জন্য বিশেষ প্রশংসাপত্রও পেয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার মিশ্র।

    তিনি এখন বর্তমানে দিল্লির সেনা হাসপাতালের চোখের বিভাগের প্রধান চিকিৎসক। তাঁর জন্ম উত্তরপ্রদেশের মাও জেলায়। পরে লখনউয়ের বাসিন্দা হন। পুনের আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা ও পরে দিল্লির এইমস থেকেও রেটিনা অস্ত্রোপচারের ডিগ্রি নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে লখনউয়ের কমান্ড হাসপাতালে রেটিনা বিভাগ চালু করেছিলেন ব্রিগেডিয়ার সঞ্জয় কুমার মিশ্র। ২০১৮ সালে এই হাসপাতালেই তিনি রেটিনা বিভাগ চালু করেছিলেন। কর্মজীবনে একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন এই চিকিৎসক সেনা অফিসার। ২০২১-এ প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের থেকে চতুর্থ বারের জন্য সেনা মেডেল পেয়েছিলেন তিনি।

     

  • Vijay Diwas 2023: “দেশ এবং জাতির জন্য এটা একটা গৌরবময় দিন” , বিজয় দিবস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    Vijay Diwas 2023: “দেশ এবং জাতির জন্য এটা একটা গৌরবময় দিন” , বিজয় দিবস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৯৭১ সালে আজকের দিনেই ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানকে হারিয়েছিল। তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই দিনের কথা স্মরণ করে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘দেশ এবং জাতির জন্য এটা একটা গৌরবময় দিন। যেভাবে এই যুদ্ধের জন্য দেশের জওয়ানরা আত্মত্যাগ করেছিল সেজন্য তারা সর্বদাই দেশের মানুষের হৃদয়ে থাকবে। ভারত আজকের দিনে এই বীর সেনানিদের সেলাম করে তাদের সাহসের জন্য।’ 

    বিজয় দিবসের কাহিনী

    প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের আজকের দিনেই ভারতীয় সেনার হাতে পাকিস্তান পরাস্ত হয়েছিল। সেবার নিজেদের হার মেনে নিয়েছিল পাক সেনাবাহিনী। ১৯৭১ সালে এই দিনে পরাজিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ্‌ খান নিয়াজি ঢাকার রমনা রেসকোর্সে ৯৩,০০০ সেনাদলের সঙ্গে জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। যুদ্ধের সমাপ্তিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একতরফা ও নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে। জন্ম হয় বাংলাদেশের। এই দিনটিকে স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও।

    নানা প্রান্তে শ্রদ্ধার্ঘ্য সেনাদের

    ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডে, আইএএফ ভাইস চিফ এয়ার মার্শাল অমর প্রীত সিং এবং নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার নিহত সৈন্যদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানান। ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে একটি শ্রদ্ধাঞ্জলিতে, প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাটও বিজয় দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে নিহত সৈন্যদের শ্রদ্ধার্ঘ্য জ্ঞাপন করেন। কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মেও দিনটি পালন করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

        

  • Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতের মুঠোয় চাঁদ-মামা! ঘড়ির কাঁটায় সন্ধ্যা ৬.০৪ বাজতেই ইতিহাস গড়ল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল ইসরোর তৈরি চন্দ্রযান-৩। ল্যান্ডার বিক্রমের সফল অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই ইসরোর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, ‘আজ এমন একটি দিন, যেদিন ইতিহাস তৈরি হল। আজ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে চন্দ্রযান-৩। ইসরোর বিজ্ঞানীরা শুধুমাত্র ইতিহাস গড়েছেন তাই নয়, সঙ্গে ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করেছে। এটা দেশবাসীর কাছে এক গর্বের বিষয়। ইসরো এবং এই মিশনে যুক্ত সকল বিজ্ঞানীকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানাই’

    আবেগাপ্লুত নেতা-মন্ত্রীরা

    বিশ্ববাসীর সামনে নজির সৃষ্টি করল ভারত। চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যের পর এমনই অভিমত প্রকাশ করলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তিনি বলেন, ‘এটা একটা গর্বের বিষয় যে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় করল ভারত। আমি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পেরে গর্বিত অনুভব করছি। ইসরোর টিম এবং সকল বিজ্ঞানীকে অসংখ্য শুচেচ্ছা’।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছনো বিশ্বের প্রথম দেশ ভারত। ঐতিহাসিক এই সাফল্যের পর অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতের বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের জন্যই এই সাফল্য এসেছে। শুভেচ্ছাবার্তায় জানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ চন্দ্রযান ৩-এর। এই সফল অভিযানের জন্য ইসরোর সকল বিজ্ঞানী ও ভারতীয়দের শুভেচ্ছা জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    INS Vindhyagiri: কতটা শক্তিশালী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’? চিনে নিন এই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার কলকাতায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) হাতে শুভ সূচনা হলো ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) নতুন যুদ্ধজাহাজের। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) নামের ওই স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট গোত্রের রণতরীকে নির্মাণ করেছে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স। ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের আওতায় ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হয়েছে দেশে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে জিআরএসই-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ হলো প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া বরাতের তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য ‘স্টেলথ’

    প্রজেক্ট-১৭ আলফা-র আওতায় নির্মিত জাহাজগুলোর নকশা করেছে নৌসেনার (Indian Navy) অধীনস্থ সংস্থা ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো (পূর্বতন ডিরেক্টরেট অফ নেভাল ডিজাইন)। ডিজেল-ইলেক্ট্রিক শক্তিচালিত এই জাহাজের মূল বৈশিষ্ট্য হল এগুলো ‘স্টেলথ’ (Stealth Missile Frigate) প্রকৃতির। অর্থাৎ, শত্রুর রেডারে এই জাহাজগুলো সহজে ধরা পড়ে না। এর প্রধান কারণ হলো, জাহাজের নকশা এমনভাবে করা হয়, যাতে ধারালো কোণ থাকে না। এই জাহাজগুলোর নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে কম্পোজিট মেটিরিয়াল। এছাড়া, এদের রঙের আস্তরণ এমন থাকে, যা রেডারের তরঙ্গ প্রতিফলিত করে না। ফলত, এই শ্রেণির জাহাজগুলোর রেডার-ক্রস সেকশন অত্যন্ত নগন্য।

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র (INS Vindhyagiri) মূল চালিকাশক্তি হলো চারটি ইঞ্জিন। ২টি ডিজেল ও ২টি ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিন চালিত এই জাহাজটি দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৫০ মিটার। এর ওজন প্রায় ৬ হাজার ৬৭০ টন। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩২ নট। (প্রায় ৬০ কিমি/ঘণ্টা)। এই জাহাজটি ২৮ নট গতিতে একটানা ২,৫০০ নটিক্যাল মাইল অতিক্রম করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ১৬-১৮ নট গতিতে এটির পাল্লা বেড়ে যায় ৫,৫০০ নটিক্যাল মাইল। জাহাজে ৩৫ অফিসার সহ ২২৬ জনের থাকার সংস্থান রয়েছে।

    যুদ্ধজাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা

    জাহাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত মজবুত। এতে রয়েছে একাধিক সেন্সর, রেডার ইডব্লিউ সুইট। ‘আইএনএস বিন্ধ্যাগিরি’-তে রয়েছে অত্যাধুনিক এমএফ-স্টার আয়সা রেডার। আকাশ হোক বা ভূমি— শত্রুর যে কোনও জাহাজ, ড্রোন, বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র, তা সে যত ছোটই হোক না কেন, ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি চালানোর ক্ষমতাসম্পন্ন এই রেডারে সব ধরা পড়বে। ৪৫০ কিমি দূরত্ব পর্যন্ত যে কোনও নিশানাকে ট্র্যাক করতে সক্ষম এই বিশেষ রেডার। এছাড়া, এতে রয়েছে দ্বিতীয় সারফেস-সার্চ রেডার, যা ৪৬০ কিমি পর্যন্ত যে কোনও যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রকে ট্র্যাক করতে সক্ষম। 

    এই জাহাজে সোনার ও রেডারের ক্ষমতা কেমন?

    ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে রয়েছে ডিআরডিও-নির্মিত সোনার, যা জলের নিচে থাকা সাবমেরিন ও টর্পিডোকে বা আন্ডার-ওয়াটার মাইনকে ট্র্যাক ও ট্র্যাক করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি, এতে লাগানো হয়েছে অত্যাধুনিক ‘শক্তি’ ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুইট (ইডব্লিউ স্যুইট)। দেশীয় ওই বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা একদিকে যেমন যে কোনও জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা চিহ্নিত করতে সক্ষম, তেমন ভাবেই প্রথাগত রেডারের সিগন্যাল জ্যাম করতে বা নিরস্ত্র করতেও পারে। শুধু তাই নয়, শত্রু যদি চায় এই জাহাজের সিগন্যাল ব্লক করতে, তখন এই ইডব্লিউ স্যুইট পাল্টা তাকে রুখে দিতে সক্ষম, যাতে জাহাজের নিজস্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

    অস্ত্রের বৈচিত্র্যে ভরপুর ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    এবার নজর দেওয়া যাক এই ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’-র অস্ত্রসম্ভারের দিকে। ‘পি-১৭এ’ ফ্রিগেটগুলোতে বিভিন্ন বিপদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র মজুত করা হয়েছে। স্থলে বা জলে (ভাসমান) যে কোনও হামলা প্রতিহত করার জন্য এতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এই জাহাজে রয়েছে ৮টি ‘ব্রহ্মোস’ জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গতি শব্দের ৩ গুণ। এছাড়া রয়েছে একটি ৭৬ এমএম ‘ওটো মেলারা’ নেভাল গান এবং ১টি ৩০ এমএম ‘একে-৬৩০’ ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লিউএস)।

    আকাশপথে হামলা প্রতিহত করার জন্য এই জাহাজে রয়েছে ৩২টি ‘বারাক-৮’ ইআর মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। ১৫০ কিমি পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র যে কোনও যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, জাহাজ-বিধ্বংসী মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংস করতে পারদর্শী। ইজরায়েলের এই মিসাইল বর্তমানে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতেই উৎপাদন করা হচ্ছে। 

    ভূমি ও জলের ওপরের মতোই জলের নিচে দিয়ে করা হামলার জবাব দিতেও পারদর্শী ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri)। সাবমেরিন বা টর্পিডো ধ্বংস করতে এতে রয়েছে ২টি টর্পিডো লঞ্চার। এক-একটি লঞ্চারে ৩টি করে টর্পিডো তৈরি থাকে। এছাড়া রয়েছে, সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার যা ১ কিমি পর্যন্ত যে কোনও বস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। 

    আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার

    প্রতিঘাতের পাশাপাশি ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri) জাহাজে আছে অত্যাধুনিক আত্ম-সুরক্ষা ব্যবস্থা। যার মধ্যে রয়েছে ২টি ‘মারীচ’ টর্পিডো-কাউন্টার মেজার ডিকয় সিস্টেম এবং চারটি ‘কবচ’ ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ডিকয় লঞ্চার। শত্রুর টর্পিডো বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলে এই মারীচ ও কবচ জাহাজের ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। তখন, শত্রু টর্পিডো-ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এদের টার্গেট ভেবে ধ্বংস করে, বেঁচে যায় জাহাজ। অন্যদিকে, এই জাহাজে ২টি হেলিকপ্টার থাকতে পারে। হ্যাঙ্গারে থাকে একটি, অন্যটি থাকতে পারে ডেকে। সম্ভবত, অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (এএলএইচ) ‘ধ্রুব মার্ক-৩’ বা ‘ওয়েস্টল্যান্ড সি-কিং’ হেলিকপ্টার থাকবে। পরবর্তীকালে, উল্লেখিত হেলিকপ্টারের জায়গায় আসবে সিকর্সকি ‘এমএইচ-৬০ রোমিও’ হেলিকপ্টার (Indian Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share