Tag: Drinking Water

Drinking Water

  • Drinking Water: কল আছে, জল নেই! অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্ষোভ

    Drinking Water: কল আছে, জল নেই! অভিযোগ জানিয়েও কাজ না হওয়ায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল আছে, জল নেই। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল (Drinking Water) প্রকল্পে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খিদিরপুর এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ করতে বাড়ি বাড়ি পাইপলাইন পৌঁছে গিয়েছে। প্রতি বাড়িতে একটি করে ট্যাপও লাগানো হয়েছে। কিন্তু ট্যাপকল থাকলেও, জলের দেখা নেই। প্রথম প্রথম জল এলেও দীর্ঘদিন ধরে ট্যাপে জল আসে না বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। 

    সমস্যা নিয়ে কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত থেকে প্রতিটি বাড়িতে ট্যাপ লাগানো হয়েছে। ট্যাপ লাগানোর পর কিছুদিন জল (Drinking Water) আসত। কিন্তু তারপর দীর্ঘদিন ধরে আর জল আসে না। পঞ্চায়েতকে জানালে পঞ্চায়েত বলে, আমাদের হাতে এটা নেই, এটাপিএইচই-র হাতে। এলাকাবাসী পিএইচই দফতরে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি বলে তাঁদের অভিযোগ। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, ট্যাপে জল না আসায়, পঞ্চায়েতে জানানো হয়েছে। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরেও (পি এইচ ই) এলাকার বাসিন্দারা মাস পিটিশন দিয়েছেন। তবুও কোন সুরাহা হয়নি।

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপির যুব সভাপতি শুভ চক্রবর্তী জানান, তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাপ দিলেও, জল আসে না। এই দাবদাহে মানুষকে প্রচণ্ড সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি পঞ্চায়েত সমিতি এবং পিএইচইকে জানানো হয়েছে। একে অন্যের অপর দোষ চাপাচ্ছে। আমরা তো জানি এটা পঞ্চেয়েতেরই কাজ।

    তৃণমূলের কী বক্তব্য?

    এলাকার তৃণমূল সদস্য দীপা উপাধ্যায় জানান, জলস্তর কমে যাওয়ায় জল (Drinking Water) আসছে না। বিষয়টি পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পিএইচই দফতরে জানানো হয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন, এই সমস্যা তাঁর নিজের বাড়িতেও। এলাকার মানুষের ক্ষোভের ব্যাপারে তিনি বলেন, সরকারের পক্ষে তো সব সমস্যা মেটানো সম্ভব হয় না। পঞ্চায়েত ভোট মিটে গেলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Block: রাজ্যে পানীয় জলের সমস্যা কী ভয়াবহ, রাস্তায় বেরিয়ে টের পেলেন মন্ত্রী, মুক্তি মিলল আশ্বাস দিয়ে

    Road Block: রাজ্যে পানীয় জলের সমস্যা কী ভয়াবহ, রাস্তায় বেরিয়ে টের পেলেন মন্ত্রী, মুক্তি মিলল আশ্বাস দিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের কাবলে এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধের (Road Block) জেরে আরামবাগ-কলকাতা রাজ্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেল। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ ওই রাস্তায় যানবাহনের লাইন পড়ে যায়। ওই সময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। অবরোধের জেরে আটকে পড়েন তিনিও।  

    কী দাবিতে গ্রামবাসীদের এই অবরোধ?

    অবরোধকারীদের অভিযোগ, হরিণখোলা ২ নং সুলতানপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন বাসিন্দারা। প্রায় ৩০০ টি পরিবারের ভরসা মাত্র একটি টিউওয়েল। এলাকায় রাস্তার কাজ হওয়ার সময় জলের পাইপলাইন নষ্ট হয়ে যায়। তারপর থেকে জলের সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে অভিযোগ। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের ক্ষোভ, বারবার পঞ্চায়েত ও প্রশাসনিক দফতরে জানানোর পরেও কোনও কাজ হয়নি। তাই বাধ্য হয়েই কাবলে এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধ (Road Block) করেন গ্রামবাসীরা।

    কী আশ্বাস দিলেন পরিবহণমন্ত্রী?
     
    সেই অবরোধে আটকে পড়ে মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর গাড়ি। তাঁকে ঘিরেও অভিযোগ জানাতে শুরু করেন অবরোধকারীরা। পরে মন্ত্রী দ্রুত সমস্যার সমাধান করার আশ্বাস দিলে অবরোধ (Road Block) ওঠে। ঘটনাস্থলে যায় আরামবাগ থানার পুলিশ। এ বিষয়ে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, জল সংকটের মুখে পড়েছে বলেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। তবে দ্রুত এই সমস্যা মেটানোর জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আপাতত দুটো পাম্প বসিয়ে যাতে পানীয় জলের সমস্যা মেটানো যায়, সেই ব্যবস্থা করছি।

    বিজেপির বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি রাজ্য সম্পাদক তথা পুরশুড়া বিধানসভার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, সুলতানপুর এলাকাটি আমার পুরশুড়া বিধানসভা এলাকার মধ্যেই পড়ছে। এলাকার মানুষ আমাকে জানিয়েছিল, আমি গিয়েছিলাম। ওখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার যেটা করণীয়, এমএলএ ল্যাডের টাকা দিয়ে আমি ওই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরকে জানিয়েছি। কিন্তু এই রাজ্য সরকারের গাফিলতিতে ওই এলাকায় কাজটি এখনও হয়ে ওঠেনি। যার ফলে আজকে ওই বিক্ষোভ চলাকালীন মন্ত্রীর গাড়ি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে আটকে (Road Block) ছিল। সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আর মন্ত্রী সেই অবরোধের মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য মিথ্যে কথা ও নাটক করে গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gangarampur: ট্যাপকলের কাদামাখা জলেই স্নান, বাসনমাজা! ক্ষোভের পারদ চড়ছে আদিবাসী গ্রামে

    Gangarampur: ট্যাপকলের কাদামাখা জলেই স্নান, বাসনমাজা! ক্ষোভের পারদ চড়ছে আদিবাসী গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিবাসী গ্রামে জলের জন্য হাহাকার। এ দৃশ্য গঙ্গারামপুরের (Gangarampur) রামচণ্ডীপুরের। ফুটো পাইপ থেকে কাদাগোলা জল বেরচ্ছে। সেই জল সংগ্রহের জন্যও হুড়োহুড়ি গ্রামের মা-কাকিমাদের। সঙ্গে রয়েছে খুদেরাও। তবে এই জল পান করেন না অনেকেই। গেরস্থালির কাজে ব্যবহার করে থাকেন। পানীয় জলের ট্যাপকলের পাইপের ফুটো দিয়ে নোংরা, কাদা মিশছে। তবে বাধ্য হয়ে এই অস্বাস্থ্যকর জল পান করেই অসুস্থ হচ্ছেন কেউ কেউ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তীব্র সঙ্কটে দমদমা পঞ্চায়েতের রামচন্দ্রপুরের ৬০-৭০টি আদিবাসী পরিবারের দিকে নজর নেই কোনও কর্তার।

    মূল সমস্যা কী?

    দীর্ঘদিন ধরে রামচণ্ডীপুর এলাকায় (Gangarampur) চার-চারটি নলকূপ অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। টাইমকল রয়েছে। তবে সেই কলের পাইপ ফুটো হয়ে গিয়েছে। ফলে ফুটো পাইপ দিয়ে নোংরা ও মাটি ঢুকে কলের জলে মিশছে। অথচ অপরিশ্রুত ওই জল দিয়েই দৈনন্দিন কাজকর্ম চালাতে হচ্ছে গ্রামের বাসিন্দাদের। নোংরা জল পান করার ফলে অনেকে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন। এমন অবস্থায় প্রশাসনের কাছে পানীয় জলের সঙ্কট দূর করতে সরকারি নলকূপ সংস্কারের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কালদিঘি রামচন্দ্রপুরের একাংশে জলকষ্ট এমন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে, স্থানীয় বাসিন্দারা টাইমকলের পাইপের ফুটো অংশ থেকে নির্গত হওয়া কাদামাখা জলই নিরুপায় হয়ে সংগ্রহ করছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, টাইমকলে প্রতিদিন ঠিকমতো জল আসে না। যদিও বা জল পাওয়া যায়, তাও এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে পর্যাপ্ত নয়। তীব্র গরমের মধ্যে জল নিতে হুড়োহুড়ি পড়ছে। এই কাদা জলে চলছে স্নান করা, বাসন মাজার মতো দৈনন্দিন কাজকর্ম। তাই সঙ্কট বেশ তীব্র এলাকায়।

    স্থানীয় মানুষের অভিযোগ

    স্থানীয় এক গৃহবধূর বক্তব্য, রামচন্দ্রপুর এলাকায় (Gangarampur) চারটি নলকূপ দীর্ঘদিন ধরে খারাপ হয়ে পড়ে আছে। প্রশাসন, গ্রাম পঞ্চায়েতে বিষয়টি জানালেও নলকূপ সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। টাইমকলের উপর নির্ভর করেই আমাদের চলতে হচ্ছে। কিন্তু সেখানেও নিয়মিত জল আসে না। চরম দুর্বিসহ অবস্থায় দিন কাটছে আমাদের। আমরা এই পানীয় জলের সমস্যা থেকে মুক্তি চাই। স্থানীয় গৃহবধূ পূর্ণিমা দেবনাথের বক্তব্য, ‘নলকূপ দীর্ঘদিন ধরে খারাপ রয়েছে। আমাদের এলাকার অধিকাংশ মানুষের নলকূপ বসানোর মতো সামর্থ্য নেই। এলাকা থেকে বহু দূরে টাইমকল অবস্থিত হওয়ায় জল আনতে খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাতেও ঠিকমতো জল পাওয়া যায় না। তাই বাধ্য হয়ে ট্যাপকলের কাদামাখা জল আমাদের সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এই কাদামাখা জলে স্নান, বাসন মাজা সহ অন্যান্য দৈনন্দিন কাজ করছি। আশপাশে কোনও জলাশয় না থাকায় সঙ্কট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। এবিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। স্থানীয় মানুষ বলেন, ভোটের সময় সকলে আসেন। তারপর আর সঙ্কটের সময় কাউকে দেখা যায় না।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    এবিষয়ে গঙ্গারামপুরের (Gangarampur) বিডিও দাওয়া শেরপা জানান, ভূগর্ভস্থ জলস্তর নীচে নেমে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন জায়গায় জলের সমস্যা হচ্ছে। তবে সরকারি নলকূপ সংস্কারের জন্য লোক যাচ্ছে। আশা করছি, খুব দ্রুত ওই এলাকায় নলকূপ সংস্কার করে সমস্যার সমাধান করা হবে। প্রশাসনের আশ্বাস মিললেও কবে সমস্যার সমাধান হবে, তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন মহিলারা, কেন জানেন?

    Arambagh: রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন মহিলারা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচণ্ড গরমে তীব্র জল সঙ্কটে অতিষ্ঠ হয়ে হুগলির আরামবাগের (Arambagh) গড়বাড়ি এলাকায় রাজ্য সরকার অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন মহিলারা। তবে, শুধু বুধবার নয়, মঙ্গলবারও এলাকাবাসী রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিলেন। বাড়ির সব কাজ ফেলে মহিলারা জোটবদ্ধ হয়ে এদিন বালতি হাতে নিয়ে অবরোধে সামিল হন। অবরোধের জেরে আরামবাগ (Arambagh) – কলকাতা রাজ্য সড়কে তীব্র যানজট তৈরি হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের গড়বাড়ি এলাকায় পানীয় জলের জন্য জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের মাধ্যমে ট্যাঙ্ক বসানো হয়। পরে গ্রামে গ্রামে সেই প্রকল্পের কলও বসানো হয়। কিন্তু অভিযোগ, সেই কল থেকে জল পাননি গড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দারা। যার জেরে ওই গ্রামে তীব্র জল সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়েই আরামবাগের (Arambagh) গড়বাড়ি এলাকার মানুষ মঙ্গলবার বেশ কিছুক্ষণ রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। কিন্তু, সমস্যার সমাধান হয়নি। এদিন ফের ওই এলাকায় আরামবাগ (Arambagh) – কলকাতা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন গ্রামবাসীরা।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ঘটা করে গ্রামে জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে কল বসানো হয়। কিন্তু, সেখান থেকে পানীয় জলের পরিষেবা পাওয়া যায় না। প্রকল্প নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। এই তীব্র গরমে এলাকাবাসীকে জল কিনে খেতে হচ্ছে। অনেকে দূরের কোনও এলাকা থেকে জল নিয়ে এসে প্রয়োজন মেটাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে বহুবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। বাধ্য হয়েই জলের দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা অবরোধ করেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই নিয়ে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুশান্ত বেড়া বলেন, ঘটা করে জলপ্রকল্প করে কী লাভ হল। আসলে তৃণমূলের নাটক এবার শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই মানুষ বুঝতে পেরে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এভাবে আর বেশি দিন নয়। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ তার যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: গরম পড়তেই জলসঙ্কট! বালতি হাতে আন্দোলনে এলাকাবাসী

    Jalpaiguri: গরম পড়তেই জলসঙ্কট! বালতি হাতে আন্দোলনে এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহ। জলস্তর নীচে নেমে গিয়েছে। পাতকুয়ো থেকেও জল উঠছে না।  জলের লাইন অনেকদিন আগেই পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু সেই পাইপ বেয়ে আজও জল পড়েনি।  তীব্র দাবদাহে  জলের জন্য হাহাকার করছেন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিস্তীর্ণ  এলাকার মানুষ। আট থেকে আশি, সব বয়সের মানুষ বালতি, ড্রাম, মগ হাতে রাস্তায় নেমে তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে  দিচ্ছেন।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, মাঝে দু’দিন মেঘলা আকাশ ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টিতে স্বস্তি মিললেও গত সোমবার থেকে আবার তাপমাত্রার পারদ চড়তে শুরু করেছে। তীব্র তাপদাহে জলের  সঙ্কট চরমে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা মায়া দাস, মণি বিশ্বাসদের  অভিযোগ, প্রধানকে বার বার বলেও এই সমস্যার সমাধান হয়নি।  জল নিয়ে তৃণমূল রাজনীতি করছে। সোমবার থেকে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ডাবগ্রাম-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের শান্তিনগরের অরবিন্দ পল্লিসহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির ডাবগ্রম – ফুলবাড়ি বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) এই এলাকা প্রথম থেকেই তৃণমূলের দখলে রয়েছে।  গত ১০  বছর তৃণমূলের গৌতম দেব এখানকার বিধায়ক এবং রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু এলাকার কোনও উন্নয়ন হয়নি। জলের সঙ্কটের পাশাপাশি রাস্তা, ড্রেন, লাইট নেই। সেকারণেই গত বিধানসভা নির্বাচনে এখানকার মানুষ বিজেপির প্রতি আস্থা রেখেছেন। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই তৃণমূল এই এলাকায় কোনও উন্নয়ন করছে না।  তাই কেন্দ্রীয় সরকার জল প্রকল্পের জন্য ঢালাও অর্থ দেওয়ার পরও সেই অর্থে এখন কাজ হচ্ছে না।  এলাকার মানুষকে শিক্ষা দিতে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত এই এলাকার পানীয় জল সহ অন্যান্য উন্নয়নে কোনও নজরই দিচ্ছে না। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে হয়তো  কিছু কিছু এলাকায় জল সরবরাহ শুরু হবে ভোটের অঙ্ক কষে।

    পানীয় জলের পরিষেবা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল প্রধান?

    তৃণমূল পরিচালিত ডাবগ্রাম -২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায়ের বলেন, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরকে আমরা চিঠি দিয়েছি। ২০২৪ এর মধ্যে সব জায়গায় জল পৌঁছে যাবে। প্রধানের এই বক্তব্যে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন, বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় জল সঙ্কটে রেখে এলাকার মানুষকে বোঝাতে চাইছে তৃণমূলকে ভোট না দিলে সঙ্কট মিটবে না বাড়বে। লোকসভা নির্বাচনের আগে  জল পৌঁছে দিয়ে ভোট নিশ্চিত করতে চাইবে তৃণমূল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে কারও দাঁত উড়ে যাচ্ছে, কারও ফাটছে কপাল!

    Drinking Water: নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে কারও দাঁত উড়ে যাচ্ছে, কারও ফাটছে কপাল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলের জন্য কারও উড়ে গেছে দাঁত, আবার কারও ফেটে গেছে কপাল, নাক ও ঠোঁট। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। কেন এই অবস্থা? চলুন জেনে নেওয়া যাক আসল ঘটনা কী। ভরা গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের মধ্যে জলকষ্টে ভুগছেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের কিসমত বড়োল গ্ৰামের মানুষজন। প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে গ্রামের নলকূপগুলিতে জল উঠছে না। তীব্র পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে ওই গ্রামে। বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে মাঠের মিনি পাম্প থেকে পানীয় জল বয়ে নিয়ে আসতে হচ্ছে গ্রামের বধূদের। পুকুরের ঘোলাটে জলে স্নান, কাপড় কাচা ও বাসন ধোয়ার কাজ করে থাকেন তাঁরা। বাড়ির নলকূপ চাপতে গিয়ে হাতল ছিটকে ঘটছে দুর্ঘটনা। নলকূপের হাতলের আঘাতে গ্ৰামের অনেক মহিলার দাঁত ভেঙে গেছে, আবার কেউ কপাল, নাক ও ঠোঁট ফেটে জখম হয়েছেন।

    কী বলছেন গ্রামবাসীরা?

    এই গ্রামেরই বাসিন্দা বন্দনা প্রামাণিক বললেন, তিনমাস হল কল থেকে জল মিলছে না। আধ মাইল দূর থেকে জল (Drinking Water) আনতে হচ্ছে। সবাইকেই জানানো হয়েছে। নলকূপ থেকে জল নিতে গিয়ে দাঁত ভেঙে গেছে, খেতে পারছি না। খুবই সমস্যার মধ্যে দিয়ে দিন কাটছে। আরেক মহিলা পুতুল দাস বললেন, নলকূপ থেকে জল নিতে গেলেই হাতল ছিটকে আসছে। অনেক দূর থেকে জল আনতে হচ্ছে। বাসিন্দা কল্যাণ দাস বললেন, আমাদের আটটা পাড়ার কোথাও জল ওঠে না। প্রতি গ্রামে পাইপলাইন বসছে, এখানে কেন হবে না? সবাইকে জানিয়েছি। তা সত্ত্বেও জল পাচ্ছি না। আমাদের দাবি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হোক। 

    বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য থেকে শুরু করে প্রশাসনিক দফতরের কাছে বারবার লিখিত আবেদন জানিয়েও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা গ্রামবাসী। মূলত নলকূপের উপরেই ভরসা এখানকার মানুষের। কিন্তু এই গ্রীষ্মে জলস্তর মাটির অনেকটা নিচে নেমে যাওয়ায় নলকূপ থেকে জল (Drinking Water) বেরোচ্ছে না। তাই গ্রামবাসীরা এলাকায় সাবমার্সিবল বসানোর দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু এই সমস্যা কবে দূর হবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন গ্রামবাসীরা। শীঘ্রই সমস্যা দূর না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরম পড়তেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও রাস্তার ট্যাপকল আছে, তাতে ঠিকমতো জল পড়ে না, আবার কোথাও জল আসে অনিয়মিত। উখড়া পাঠকপাড়া, চ্যাটার্জীপাড়া এবং রুইদাসপাড়াতে সপ্তাহখানেক ধরে ট্যাপকলে জল পড়ছে না বলে অভিযোগ। এরপরই শুক্রবার উখড়া-মাধাইগঞ্জ রোডের আনন্দমোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ গিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়। ঘণ্টা দুয়েক পর অবরোধ ওঠে। কিন্তু, সেই অবরোধ করেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে, ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে এই এলাকায় কয়েক বছর আগে রাস্তার ধারে প্রায় ৭ হাজার ট্যাপ বসানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার নতুন করে পানীয় জলের (Drinking Water) সংযোগ দেওয়া হয়। তবে, মেন লাইনের সঙ্গে এখনও সংযোগ না দেওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি জল সরবরাহ শুরু হয়নি। আর রাস্তায় যে সাত হাজার ট্যাপ রয়েছে, সেখান দিয়ে ঠিকমতো জল সরবরাহ হচ্ছে না বলেও এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গরমে পর্যাপ্ত পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না থাকার কারণে বাইরে থেকে জল কিনে খেতে হচ্ছে। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জল সরবরাহ করার কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন জানানো হয়েছে। তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই, এলাকার মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিল। এখন পঞ্চায়েত কী উদ্যোগ নেয় সেদিকে আমরা তাকিয়ে রয়েছি।

    কী বললেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান?

    অবরোধের পর পরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজু মুখোপাধ্যায়। তাঁর হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। রাজুবাবু বলেন, সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রতিদিন পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাঙ্ক পাঠানো হবে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, পাইপ লাইনের কাজ অনেক বাকি রয়েছে। ঠিকাদার কেন পাইপ লাইনের কাজ বাকি রেখেছে সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কারণ, এই ঠিকাদারের জন্যই হাজার হাজার বাসিন্দাকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে ঠিকাদার উদ্যোগ না নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: চেয়েছিলেন জল, মিলল তৃণমূল নেতার অকথ্য ভাষায় হুমকি? ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    Drinking Water: চেয়েছিলেন জল, মিলল তৃণমূল নেতার অকথ্য ভাষায় হুমকি? ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর দোষ, পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না পেয়ে অভিযোগ করেছিলেন। আর তার জেরেই অভিযোগকারী ওই উপভোক্তাকে অকথ্য ভাষায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু নানুরের বাসাপাড়া। সেখানে একটি ওয়াটার এটিএম পরিষেবা চালু করা হয়েছে। যেখানে টাকার বিনিময়ে জল মেলে৷ কিন্তু টাকা দিয়েও পর্যাপ্ত জল মিলছে না বলে অভিযোগ করেন এক বাসিন্দা। এরপরেই বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান অভিযোগকারীকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় হুমকি দেন এবং গ্রেফতার করিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ।

    পানীয় জল নিয়ে মূল সমস্যা কী?

    নানুর ব্লকের বাসাপাড়ায় বছর দুই আগে সরকারি টাকায় তৈরি হয়েছে ওই ওয়াটার এটিএম। এটি আধুনিক মানের, যা সাধারণত থাকে এয়ারপোর্ট, মডেল রেল স্টেশন বা মেট্রো স্টেশনগুলিতে। এই ওয়াটার এটিএম থেকে ২ টাকার বিনিময়ে মেলে ২ লিটার পরিশ্রুত পানীয় জল (Drinking Water)৷ কিন্তু অভিযোগ, কয়েক দিন ধরে এই পরিষেবা ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছিল না৷ ২ টাকা দিলে এই ওয়াটার এটিএম থেকে অল্প জল বের হচ্ছিল৷ যিনি এই ওয়াটার এটিএমের দায়িত্বে ছিলেন, সেই ব্যক্তিকে ফোন করে অভিযোগ করেন সুশান ভৌমিক নামে এক ব্যক্তি৷ তাঁর বাড়ি নানুরের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে৷ কিন্তু ওই ব্যক্তি জানিয়ে দেন, তিনি সেটির দায়িত্বে নেই।  

    কার ফোন থেকে কী হুমকি দেওয়া হলো?

    সুশান ভৌমিকের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, জল (Drinking Water) পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এক ব্যক্তির ফোন থেকে ফোন আসে৷ ফোনে কথা বলেন বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা নানুরের তৃণমূল নেতা আব্দুল কেরিম খান। এই কথোপকথনের একটি অডিও প্রকাশ্যে এসেছে (যার সত্যতা ‘মাধ্যম’ যাচাই করেনি)। এই অডিও ক্লিপে শোনা যাচ্ছে, অভিযোগকারী ব্যক্তিকে অকথ্য ভাষায় হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল নেতা আব্দুল কেরিম খান। শুধু হুমকি নয়, পুলিশকে দিয়ে তুলে এনে মারধর করার হুমকিও দিতে শোনা যাচ্ছে৷ 

    কে এই তৃণমূল নেতা?

    প্রসঙ্গত, পানীয় জল (Drinking Water) নিয়ে হুমকি দেওয়া ওই নেতা বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ। এই নেতা গরু পাচার মামলায় ইডি ও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর নানুরের বাড়িতে হানা দিয়ে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এমনকী, তাঁকে কলকাতার নিজাম প্যালেস ও দিল্লিতে ডেকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Road Block: রাস্তা বেহাল, নেই পানীয় জল, ক্ষোভে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    Road Block: রাস্তা বেহাল, নেই পানীয় জল, ক্ষোভে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা প্রবল। জল আনতে যেতে হয় বেশ কিছুটা দূরে। এছাড়া চলাচলের একমাত্র রাস্তাও বেহাল। আর এইসব দাবিকে সামনে রেখে পথ অবরোধ (Road Block) করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তপন ব্লকের জিটিহার মোড় এলাকার ঘটনা। এদিন সকাল আটটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত এই পথ অবরোধ চলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে তপন থানার পুলিশ। তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেও অবরোধ তুলতে পারেনি। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন তপন ব্লকের জয়েন্ট বিডিও সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। ব্লক আধিকারিকদের আশ্বাসের পর পথ অবরোধ তুলে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  

    জল ও রাস্তা নিয়ে কী অভিযোগ বাসিন্দাদের?

    বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় দরবার করেও এই সমস্যার সমাধান হয়নি। সেই ক্ষোভেই এদিন তাঁরা একত্রিত হয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ (Road Block) করেন। এর ফলে সকাল থেকেই রাজ্য সড়কে ব্যাপক যানজট লক্ষ্য করা যায়‌। উল্লেখ্য, তপন ব্লকের আওটিনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কিরণ স্কুলপাড়া ও আদিবাসীপাড়া এলাকায় প্রায় এক হাজার মানুষের বসবাস। তিন কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা হওয়ার জন্য বর্ষাকালে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়া গরম শুরু হতেই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা এতটাই সঙ্গীন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যে, মেশিন দিয়েও জল ওঠে না। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘ কয়েক কিলোমিটার পথ পেরিয়ে জল নিয়ে আসতে বাধ্য হন। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে তাঁরা জানান। অবরোধকারীরা বলেন, এখানে একটা জলের বড় ট্যাংকি করা হয়েছে। কিন্তু তা থেকে জল মেলে না। সাব-মার্শিবল থেকেও জল ওঠে না। আমরা অনেক কষ্টে রয়েছি। তাই রাস্তা এবং জলের দাবিতে আমরা এদিন পথ অবরোধ করেছি। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে আমরা আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন করবো।

    কী বললেন জয়েন্ট বিডিও?

    এই বিষয়ে (Road Block) জয়েন্ট বিডিও জয়ন্ত পাঠক বলেন, এদের এই রাস্তা পথশ্রী প্রকল্পে ধরা আছে। রাস্তার কাজ এই মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আর জলের একটা সমস্যা রয়েছে। তা মেটানোর জন্য আমরা দুটি গ্রামের মাঝখানে একটি একটি ট্যাংকি বসিয়ে দিয়েছি। সেই সমস্যাটাও এই মাসের মধ্যে মিটে যাবে। আর গ্রামের মাঝখানে কিছু কাঁচা রাস্তা আছে। সেগুলোকে আমরা পাকা করে দিচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    BJP Demonstration: ‘তীব্র গরমে পানীয় জলের জন্য হাহাকার’, আসানসোলে অগ্নিমিত্রার নেতৃত্বে বিক্ষোভে বিজেপির যুব মোর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে রাজ্যজুড়ে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। রাজ্যবাসী চাতক পাখির মতো অপেক্ষায়, কখন বৃষ্টি নামবে। ঠিক এরকমই একটা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়ে গিয়েছে পানীয় জলের তীব্র সংকট। প্রচণ্ড গরমে একটু পানীয় জলের জন্য মাথা খুঁড়ে মরলেও তা মিলছে না। এমনই করুণ অবস্থা চলছে আসানসোলের বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এমনই। তাঁদের আরও অভিযোগ, এই সমস্যার কথা পুর কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও তারা কর্ণপাত করছে না। ফলে প্রচণ্ড গরমে অশেষ দুর্ভোগের মধ্য দিয়েই তাঁদের দিন কাটাতে হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি (BJP Demonstration)। 

    আন্দোলনে বিজেপি, নেতৃত্বে অগ্নিমিত্রা পল

    পানীয় জল সহ একাধিক দাবি নিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার পক্ষ থেকে বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বুধবার ঘেরাও করা হল (BJP Demonstration) আসানসোল পৌর নিগমের ৭ নম্বর বরো অফিস। বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করে আসেন ৭ নম্বর বরো অফিসের সামনে। পুলিশ সেই সময় ব্যারিকেড তৈরি করে তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। যদিও পুলিশের সেই ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিস চত্বরে ঢুকে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের পক্ষ থেকে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

    এদিনের এই ঘেরাও কর্মসূচিতে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল বলেন, বার্নপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সংকট রয়েছে। ওই সমস্যা মেটাচ্ছে না পৌরসভা। পাশাপাশি এদিন পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বরো অফিসের সামনে চলে আসার ঘটনাটিও অস্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি কখনও নিয়ম ভাঙে না। বিজেপি নেত্রী বলেন, মানুষ জল পাচ্ছে না। হাহাকার পড়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার দূরে গিয়ে জল আনতে হচ্ছে। সারাদিনে একবার হয়ত জল আসে। অনেক সময় তাও আসে না। মানুষ কেন জল পাচ্ছে না, তার জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে। প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা চুরি করছেন, দুর্নীতি করছেন, জায়গায় জায়গায় কেন্দ্রীয় সরকারের জমি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ সামান্য জলটুকুও পাচ্ছে না। এসবের জবাব চাইতেই আমরা এসেছি (BJP Demonstration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share