Tag: Droupadi Murmu

Droupadi Murmu

  • President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সময় নেই”। ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলের (TMC) এক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে দিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Murmu) দফতর। এর আগে তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি লিখে দলের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। প্রতিনিধি দলটি পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বাস্তবায়িত বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরতে চেয়েছিল। তারই প্রেক্ষিতে সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে তৃণমূলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রথমবার অনুরোধের পর দলটি নাকি পরের সপ্তাহে আর একটি সময় চেয়ে আবেদন করেছিল। সেই প্রস্তাবটিও নাকচ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তৃতীয়বার আবেদন করেছে তৃণমূল।

    রাষ্ট্রপতির অসন্তোষ প্রকাশ (President Murmu)

    এই ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত আদিবাসী কল্যাণ সম্মেলনে মতবিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, প্রশাসন যে জায়গাটি অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন করেছে, তা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসস্থানের থেকে অনেক দূরে। তাই সবাই আসতে পারেননি। তিনি বলেন, “আমি খুব দুঃখিত যে এখানে অনেক মানুষ সম্মেলনে পৌঁছতে পারেননি।  কারণ অনুষ্ঠানটি এত দূরে আয়োজন করা হয়েছিল।” রাষ্ট্রপতির (President Murmu) ইঙ্গিত, “প্রশাসন হয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি জায়গা নির্বাচন করেছে, যাতে মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত হয়।”

    ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি এও জানান, তাঁকে স্বাগত জানাতে রাজ্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সদস্যদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি যখন কোনও জায়গায় যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও সেখানে থাকা উচিত।” নিজেকে ‘বাংলার মেয়ে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি কি ইচ্ছাকৃত ছিল?” বাংলা সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘অসম্মান’ নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরব হন। এক্স হ্যান্ডেলে  প্রধানমন্ত্রী একটি পোস্টে শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগকে ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মন্তব্য দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে। তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) পদকে যথাযথ সম্মান না দেখানোর অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির এহেন (TMC) মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই জাতীয় মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁর পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন মন্তব্য না করেন। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরলেও, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিষয়গুলি উপেক্ষা করেছেন। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় আদিবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। এই বিতর্কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় বিজেপি।  বিধানসভার বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন। নবম  আন্তর্জাতিক সাঁওতালি সম্মেলনের ভেন্যু বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে  লিখেছেন, “সংবিধানিক মর্যাদা ও আদিবাসী সম্মানের প্রতি দৃষ্টান্তহীন আক্রমণ। স্পষ্টতই তৃণমূল সরকারের  শাসনের পতনের চিহ্ন।” বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি কী বলছেন সেটা আমরা সবাই দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন দুটোকে পাশাপাশি রাখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কে দায়ী। বুঝতে পারবেন কে সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে বলেছে, আর কে সংবিধানের বাইরে গিয়ে বলেছে। ভারতবর্ষের মতো রাষ্ট্র বলে হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে যাচ্ছেন। অন্য দেশ হলে এতক্ষণে জেলের ভিতরে থাকতেন।” মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলকে নিশানা করলেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি কত নম্রভাবে বলেছেন, মমতা আমার বোনের মতো। আর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন।” রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানানো হল না বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বলেন, “দ্রৌপদী মুর্মু যখন রাষ্ট্রপতি হন, তখন সবাই কত খুশি হয়েছিলেন। এ রাজ্যের আদিবাসীরাও আনন্দিত হন। আজ সবকিছু ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হল।”

  • BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের একটি দাবিকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে উল্লেখ করে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা সেটির সত্যতা যাচাই করে পাল্টা জবাব দেয়।

    তৃণমূলের দাবি (BJP Fact Checks)

    রাষ্ট্রপতির সফরের সময় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তৃণমূল একটি ভিডিও-সহ পোস্টে দাবি করে, “প্রধানমন্ত্রী বারবার রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান করার বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু এই ছবিটি ভালো করে দেখুন। দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, আর প্রধানমন্ত্রী আরামে চেয়ারে বসে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মানের সব দাবি তখনই ফাঁপা মনে হয়, যখন এমন দৃশ্য তাঁর পদকে অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।” ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটা আপনার জন্য। আপনি কি রাষ্ট্রপতিকে—যিনি একজন নারী এবং একজন আদিবাসী নেতা—সম্মান করেন? তাহলে রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে আছেন কেন? আমি আপনাদের সবাইকে দেখালাম, আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি, কিন্তু তারা করে না। এই ছবিই প্রমাণ করে কে সম্মান করে, আর কে করে না।”

    বিজেপির জবাব

    এর জবাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “টিএমসির ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি আবার সক্রিয়। টিএমসির তৈরি করা ক্ষোভের আসল সত্য হল, ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানের সময় সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, পুরস্কার প্রদান চলাকালীন উপস্থিত অন্যরা বসে থাকেন। এখানে শিষ্টাচার ভঙ্গের কোনও ঘটনা ঘটেনি।” তারা আরও বলে, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতরত্ন এলকে আডবাণীকে ঘিরে একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তকে তুচ্ছ রাজনৈতিক লাভের জন্য বিকৃত করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভুয়ো তথ্য ছড়াবেন না।” এ কথা বলার সময় বিজেপি প্রায় দু’বছরের পুরানো একটি ভিডিও-ও শেয়ার করে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ মার্চ ২০২৪-এ, যখন রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী মোদি এলকে আডবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির উষ্মা

    শনিবার রাষ্ট্রপতি দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলে শুরু হয় বিতর্ক। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না? তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত উপস্থিত থেকে স্বাগত জানানো, এবং অন্য মন্ত্রীরাও থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল বদল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। তবে তারিখ নির্ধারিত থাকায় আমি এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। তিনি কেন অসন্তুষ্ট, তা আমি জানি না।” অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এও বলেন, “আমি জানি না কেন রাজ্য প্রশাসন সেখানে সভা করার অনুমতি দেয়নি। আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। হয়তো রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না!”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যাঁরা গণতন্ত্র ও আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই হতাশ। নিজে আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশ করা বেদনা ও ক্ষোভ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে।” ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাষ্ট্রপতির সফরে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অনুষ্ঠানস্থলের দুর্বল প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতির দফতরকে।

     

  • Droupadi Murmu: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

    Droupadi Murmu: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। তিনি বলেন, “শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত নারীরাই একটি প্রগতিশীল জাতির প্রধান স্তম্ভ।” এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি বলেন, “নারীরা যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছে এবং সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তখন তারা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ সমাজের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছে (International Womens Day)।”

    নারী দিবসের শুভেচ্ছা (Droupadi Murmu)

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত নারীরা একটি প্রগতিশীল জাতির স্তম্ভ। নারী শক্তি যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছে এবং সাহসের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তখন তা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ সমাজের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে।” তিনি আরও বলেন, “এমন একটি সমাজ গড়ে তোলার জন্য আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা দরকার, যেখানে প্রত্যেক নারী সমান সুযোগ পাবে এবং স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “এই উপলক্ষে আসুন আমরা আবারও আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করি, একটি এমন সমাজ গড়ে তুলতে, যেখানে প্রত্যেক নারী উন্নতি করার সমান সুযোগ পাবে এবং মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার সঙ্গে বেঁচে থাকবে। আসুন আমরা একসঙ্গে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করি, যেখানে নারীদের স্বপ্ন ও সাফল্য একটি আরও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে (Droupadi Murmu)।”

    জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের বক্তব্য

    এদিকে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকরও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশবাসীকে। প্রশংসা করেছেন কর্তব্যপথে আয়োজিত ‘শক্তি ওয়াক’ উদ্যোগেরও। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ নারীদের জন্য প্রণীত বিভিন্ন নীতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে।” এর পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে মহিলাদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন (Droupadi Murmu)। চেয়ারপার্সন বলেন, “আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই উপলক্ষে সবাইকে আমার শুভেচ্ছা। আজ ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রক অত্যন্ত সুন্দরভাবে কার্তব্যপথে একটি পদযাত্রার আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে নারীদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন নীতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হবে। নারীদের জন্য উন্নত তহবিল গঠন করা হচ্ছে, তাদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হচ্ছে এবং শিক্ষাক্ষেত্রেও তারা আজ খুব ভালো জায়গায় রয়েছে। নারীরা এই সুযোগগুলি কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসবে (International Womens Day)।”

    ‘শক্তি ওয়াক’

    প্রসঙ্গত, ভারতের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে এদিন নয়াদিল্লির কর্তব্যপথে “শক্তি ওয়াক#শিলিডসভারত” নামে একটি নারী-নেতৃত্বাধীন পদযাত্রার আয়োজন করে (Droupadi Murmu)। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল একটি প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত গঠনে মহিলাদের মুখ্য ভূমিকার কথা তুলে ধরা। ‘শক্তি ওয়াকে’র লক্ষ্য হল বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের নেতৃত্ব ও অবদান উদযাপন করা, নারীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা, নারীদের জন্য চালু বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের কথা তুলে ধরা, বিভিন্ন পটভূমি থেকে উঠে আসা নারীদের মধ্যে ঐক্য ও গর্বের অনুভূতি তৈরি করা এবং নারী-নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন যে জাতীয় অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু, সেই বার্তা প্রচার করা (International Womens Day)। ফি বছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। এই দিনটি সমাজের সব ক্ষেত্রেই নারীদের সাফল্য, নেতৃত্ব এবং অবদানকে উদযাপন করে এবং লিঙ্গসমতা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকে ফের সুদৃঢ় করে (Droupadi Murmu)।

     

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

  • Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ছত্তিশগড়ের বস্তারের বিভাগীয় সদর দফতর জগদলপুরে ২০২৬ সালের বস্তার পাণ্ডুম উৎসবের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) রাজ্যপাল রমেন ডেকা, মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তোখন সাহু।

    মাওবাদীরা ব্যাপক কষ্ট দিয়েছে (Droupadi Murmu)

    অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি (Droupadi Murmu) বলেন, “দুই দিনের এই অনুষ্ঠানটি বস্তার অঞ্চলের (Chhattisgarh)  সমৃদ্ধ আদিবাসী সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষ, বিশেষ করে দলিতরা, কয়েক দশক ধরে মাওবাদী চরমপন্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট ভোগ করে আসছে। এই অঞ্চল থেকে মাওবাদী মতাদর্শকে উৎখাত এবং বাস্তারের জনগণকে একটি নিরাপদ পরিবেশ প্রদানের জন্য সরকারের নীতিকে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জনাাই।”

    ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু (Droupadi Murmu) বলেন, “বাস্তারের (Chhattisgarh) ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সবসময়ই মানুষকে আকর্ষণ করেছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই অঞ্চলটি চার দশক ধরে মাওবাদ দ্বারা জর্জরিত ছিল। ফলস্বরূপ, এখানকার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। যুবসমাজ, আদিবাসী এবং দলিত ভাই-বোনেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু, মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপের ফলে, বছরের পর বছর ধরে বিরাজমান নিরাপত্তাহীনতা, ভয় এবং অবিশ্বাসের পরিবেশ এখন শেষ হয়ে আসছে। মাওবাদের সঙ্গে যুক্তরা হিংসার পথ ত্যাগ করছে, নাগরিকদের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনছে।” রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “এলাকার জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজ্য সরকারের ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’ গ্রামবাসীদের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট এবং জলের সুবিধা সহজলভ্য হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে বন্ধ থাকা স্কুলগুলি আবার চালু হচ্ছে এবং শিশুরা ক্লাসে যোগ দিচ্ছে। এটি একটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক চিত্র যা সকল নাগরিকের জন্য আনন্দ বয়ে আনছে।”

    একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশংসা করে বলেন, “এই অঞ্চলের আদিবাসীদের উন্নয়নের প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী-জনমান যোজনা এবং ধরতি আবা জনজাতিয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযানের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে, উন্নয়নের সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত আদিবাসী গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছে। উপজাতি এলাকায় একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে যাতে এই অঞ্চলের শিশুরা ভালো শিক্ষা লাভ করতে পারে। এভাবেই ছত্তিশগড় এবং ভারতের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে।”

    বস্তার দশেরা কী?

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার অঞ্চলে উপজাতিদের দ্বারা পালিত ৭৫ দিনব্যাপী বস্তার দশেরা উৎসব । দীর্ঘতম দশেরা উৎসবগুলির মধ্যে একটি হওয়ার কারণে এই উৎসবটি অনন্য। এটি হিন্দু শ্রাবণ মাসের অমাবস্যার দিনে শুরু হয় এবং আশ্বিন মাসে শেষ হয়। রামের হাতে রাবণকে পরাজিত করার জনপ্রিয় দশেরা উৎসবের বিপরীতে, বস্তারের দশেরা বস্তারের অধিষ্ঠাত্রী দেবী দান্তেশ্বরী দেবী এবং বস্তার রাজপরিবারের কুলদেবীকে পুজো করা হয়। এই উৎসবটি বিভিন্ন জটিল আচার-অনুষ্ঠান, প্রাণবন্ত শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে চিহ্নিত হয়।

    ৬০০ বছরের পুরাতন উৎসব

    এই উৎসবটি দেশের প্রাচীনতম উৎসবগুলির মধ্যে একটি যার ইতিহাস ৬০০ বছরেরও বেশি। এটি কাকাতীয় রাজবংশ দ্বারা শুরু হয়েছিল এবং তখন থেকেই স্থানীয় উপজাতি সম্প্রদায়গুলি এটি সংরক্ষণ এবং প্রচার করে আসছে। এই উৎসবটি বস্তারের উপজাতিদের আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সাথে গভীরভাবে জড়িত। এতে পদযাত্রা, রথযাত্রা, কাচন গাদি এবং মুরিয়া দরবারের মতো বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান জড়িত।

  • Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Santhali Language: ঝাড়খণ্ডে অলচিকি লিপির শতবর্ষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জামশেদপুরে অনুষ্ঠিত হল ২২তম পারসি মহা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। একই সঙ্গে পালিত হল সাঁওতালি ভাষার (Santhali Language) ‘অলচিকি’ লিপির শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মাতৃভাষার গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, অন্যান্য ভাষা শেখা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। তবে নিজের মাতৃভাষা শেখা এবং তা চর্চা করা প্রত্যেক মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    মাতৃভাষার গুরুত্ব (Santhali Language)

    রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষায় বক্তব্য রাখেন। বলেন, “সব ভাষা শেখায় কোনও ক্ষতি নেই। কিন্তু কখনওই নিজের মাতৃভাষাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। নিজের মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় সব সময় মাতৃভাষায়ই কথা বলার চেষ্টা করা উচিত।” রাষ্ট্রপতি সাঁওতালি ভাষার অলচিকি লিপির স্রষ্টা পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মুকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সাঁওতালিদের নিজস্ব ভাষা থাকা সত্ত্বেও ১৯২৫ সালের আগে উপযুক্ত লিপির অভাবে বিভিন্ন লিপি ব্যবহার করতে হত। এর ফলে অলচিকি ব্যতীত অন্য লিপিতে বহু সাঁওতালি শব্দের সঠিক উচ্চারণ করা সম্ভব হত না। তিনি বলেন, অলচিকি লিপি শুধু একটি লিখন পদ্ধতি নয়, এটি সাঁওতালি সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। এই লিপির শতবর্ষ উদযাপন সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণে এক গুরুত্বপূর্ণ (Santhali Language)  মাইলফলক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আদিবাসী সমাজের জাগরণ

    রাষ্ট্রপতি বলেন, অলচিকি লিপি চালু হওয়ার পর থেকে এটি সাঁওতালি জনগোষ্ঠীর পরিচয়ের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছে। সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে এই লিপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Jharkhand)। তিনি জানান, সম্প্রতি তিনি অলচিকি লিপিতে লেখা সাঁওতালি ভাষায় ভারতের সংবিধান প্রকাশ করার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর ফলে সাঁওতালি ভাষাভাষী মানুষরা এবার তাঁদের মাতৃভাষায় ভারতের সংবিধান পড়তে ও বুঝতে পারবেন, যা গণতান্ত্রিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক (Santhali Language) হবে। আদিবাসী সমাজের জাগরণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই সম্প্রদায়গুলিকে সচেতন করার ক্ষেত্রে লেখক ও সাহিত্যিকদের বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি লেখকদের তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে আদিবাসী সমাজকে জাগ্রত করার আহ্বানও জানান (Jharkhand)।

    আদিবাসী সমাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ

    রাষ্ট্রপতি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষভাবে সংবেদনশীল আদিবাসী গোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য ২৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থ আদিবাসী সমাজের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা তাঁর (Santhali Language)। পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের জন্য আদিবাসী সমাজের প্রশংসায়ও পঞ্চমুখ রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হবে ঠিকই, তবে সেই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার এবং মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে পণ্ডিত রঘুনাথ মুর্মু ১৯২৫ সালে শুরু করা ঐতিহাসিক অল চিকি আন্দোলনের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয় (Santhali Language)। দিনের পরবর্তী পর্বে রাষ্ট্রপতি জামশেদপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ১৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানেও যোগ দেন।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে তিন দিনের ঝাড়খণ্ড সফরে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রবিবার তিনি পৌঁছন ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে। সফরের শেষ দিন (Jharkhand), আজ মঙ্গলবারে গুমলায় আন্তঃরাজ্য জনসাংস্কৃতিক সমাগম সমারোহ–কার্তিক যাত্রা অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার কথা (Santhali Language) রয়েছে তাঁর।

  • Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    Droupadi Murmu: কাছাকাছি ভারত-চিন! মার্চে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘গোপন’ চিঠি লেখেন চিনা প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (Droupadi Murmu) একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চিঠির মাধ্যমে ভারত-চিন সম্পর্ক নতুন করে কোন পথে এগোতে পারে, তার সম্ভাবনা যাচাই করতে চেয়েছিল বেজিং। ভারতের এক শীর্ষ প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

    চিঠি পৌঁছায় মোদির হাতে

    প্রতিবেদন অনুসারে, রাষ্ট্রপতির দফতকে (Droupadi Murmu) পাঠানো সেই চিঠি পরে পৌঁছে যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে। তার কয়েক মাসের মধ্যেই, জুন মাসে, ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাতের উত্তাপ কিছুটা কমে আসে এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগে নামে উভয় দেশ। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সম্প্রীতির পিছনে বড় একটি ভূমিকায় ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসনের শুল্কনীতি।

    শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত

    চিনের বার্তা ছিল স্পষ্ট (Droupadi Murmu)— যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে ভারত ও চিনের একসঙ্গে কাজ করা উচিত, কারণ এই দুই দেশেরই সামনে অভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ দাঁড় করিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সেই বার্তাই পরোক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে শি জিনপিংয়ের (Chinese President) চিঠিতে। চিঠি প্রকাশ্যে আসার কিছুদিন পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলনে যোগ দিতে চিন সফরে যান। প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, সম্মেলনের পাশাপাশি মোদির সঙ্গে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা রবিবার অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    ভারতের ওপর শুল্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আমেরিকার বিরোধী দল

    মার্চ থেকে অগাস্ট— এই কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক কূটনীতির পরিমণ্ডলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির কারণে ভারতের পণ্যের উপর প্রায় ৫০ শতাংশ আমেরিকান শুল্ক চাপানো হয়, যা মোদি প্রশাসনের জন্য চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, চিন (Chinese President) রাশিয়া থেকে ভারতের তুলনায় অনেক বেশি তেল আমদানি করলেও, তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেনি ট্রাম্প প্রশাসন। এই বৈষম্য নিয়ে আমেরিকার বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে। কারণ, গত দুই দশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চিনের প্রভাব ঠেকাতে ভারতকে কৌশলগতভাবে পাশে চেয়েছিল আমেরিকা। এখন সেই ভারতই যদি বাণিজ্য নীতিতে কোণঠাসা হয়, তা হলে সেই কৌশলগত বোঝাপড়ার ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    চিন তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে

    চিন বারবার তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকার ‘দাদাগিরি’র বিরোধিতা করে আসছে। ভারতও একইসঙ্গে বিশ্ব কূটনীতিতে নিজস্ব ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। এই প্রেক্ষাপটে, দু’দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করা, কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু করা এবং সীমান্ত সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মতো বিষয়গুলিতে সাম্প্রতিক সময়ে অগ্রগতি হয়েছে। কয়েক দিন আগেই চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্জীবিত করতে চাইছে এবং এর পেছনে তাদের স্পষ্ট ও কৌশলগত স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।

  • Operation Sindoor: “অপারেশন সিঁদুর ঐতিহাসিক”, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু

    Operation Sindoor: “অপারেশন সিঁদুর ঐতিহাসিক”, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বললেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Droupadi Murmu) ‘অপারেশন সিঁদুর’-কে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের এক ‘ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত’ হিসেবে বর্ণনা করলেন। তিনি বলেন, এই অপারেশন (Operation Sindoor) প্রমাণ করেছে যে দেশের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনও পরিস্থিতিতে দেশের সুরক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রাষ্ট্রপতি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত এপ্রিল মাসে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে যে নৃশংস সন্ত্রাসবাদী হামলায় ২৬ জন নিরীহ ভারতীয় প্রাণ হারান, তা ছিল এক কাপুরুষোচিত আঘাত। সেই ঘটনার পর ভারতের প্রতিক্রিয়া ছিল ‘দৃঢ় ও সঠিক’—এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর কেবল একটি সামরিক অভিযান নয়, এটি মানবতার পক্ষে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা। এই অভিযান ইতিহাসে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

    অপারেশন সিঁদুর আসলে আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, “পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর গোটা দেশ একসঙ্গে দাঁড়িয়ে যে ঐক্য দেখিয়েছে, তা ভারতের শক্তির প্রমাণ। যারা আমাদের মধ্যে বিভাজনের চেষ্টা করেছিল, তাদের এটাই ছিল উপযুক্ত উত্তর।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে যে ভারত কখনও আগ্রাসী নয়, তবে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবে না।” রাষ্ট্রপতির মতে, “অপারেশন সিঁদুর আসলে আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক (Operation Sindoor)।” তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, “এই অভিযানের সাফল্য দেখিয়ে দিয়েছে, আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি।”

    পহেলগাঁওয়ে হামলা

    প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় ঘটে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ৭ মে ভারত চালায় ‘অপারেশন সিঁদুর’। অভিযানে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ৯টি সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিতে চালানো হয় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা (Operation Sindoor)। ভারতীয় বায়ুসেনার নিখুঁত স্ট্রাইকে নিহত হয় একশোরও বেশি জঙ্গি। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীরের নিরীহ নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালায় ড্রোন ও মিসাইল হামলা, কিন্তু ভারতের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তা সফলভাবে প্রতিহত করে। শুধু তাই নয়, ভারত পাল্টা আঘাত হানে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি বিমান ঘাঁটিতে। এই অভিযানে ভারতের স্বনির্ভর প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির কার্যকারিতা বিশ্বের সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘ব্রহ্মোস’-এর মতো অস্ত্র ব্যবহার করে ভারতীয় বায়ুসেনা এই অভিযান (Operation Sindoor) সম্পন্ন করে।

  • Padma Awards 2025: পদ্মশ্রী অরিজিৎ-অশ্বিন! ৭১ জনের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Padma Awards 2025: পদ্মশ্রী অরিজিৎ-অশ্বিন! ৭১ জনের হাতে পদ্ম পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়েছিল আগেই। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ৭১ জনের হাতে পদ্ম-সম্মান (Padma Awards 2025) তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এদিন বিকেলে রাষ্ট্রপতি ভবনে হয় পদ্ম সম্মান বিতরণ অনুষ্ঠান। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান প্রদান করা হয় সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতিদের। এদিন চারটি পদ্মবিভূষণ, ১০টি পদ্মভূষণ এবং ৫৭টি পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপকদের হাতে সম্মান তুলে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। পদ্মভূষণ গ্রহণের অনুষ্ঠানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভারতীয় তারকারা এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনে।

    সোমবার সম্মানিত ৭১ জন

    ২০২৫ সালের মোট ১৩৯ জন পদ্ম সম্মান (Padma Awards 2025) প্রাপকের মধ্যে ৭১ জন সোমবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে তাঁদের সম্মান গ্রহণ করলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সোমবার ৪ জনকে পদ্মবিভূষণ, ১০ জনকে পদ্মভূষণ এবং ৫৭ জনকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেছেন।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বহু বিশিষ্ট সদস্য এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    পদ্মবিভূষণে সম্মানিত

    চলতি বছরের পদ্মবিভূষণ সম্মানপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক এমটি বাসুদেবন নায়ার (মরণোত্তর), যাঁর হয়ে স্ত্রী সরস্বতী এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। বাণিজ্য ও শিল্পে অবদানের জন্য মরণোত্তর পদ্মবিভূষণে ভূষিত হয়েছেন সুজুকি মোটর কর্পোরেশনের প্রাক্তন সিইও প্রয়াত ওসামু সুজুকি। তাঁর হয়ে কিংবদন্তির পুত্র বর্তমান সিইও তোশিহিরো সুজুকি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। এছাড়া শিল্পক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী অবদানের জন্য প্রখ্যাত বেহালাবাদক এল. সুব্রহ্মণ্যমকে পদ্মবিভূষণে ভূষিত করা হয় এদিন। এছাড়া পদ্মবিভূষণ পান ডঃ দুব্বুর নাগেশ্বর রেড্ডি।

    পদ্মভূষণ যাঁরা

    পদ্মভূষণ প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন হকি কিংবদন্তি পিআর শ্রীজেশ, চলচ্চিত্র নির্মাতা শেখর কাপুর, বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমার মোদি (মরণোত্তর), যাঁর হয়ে এই সম্মান গ্রহণ করেন স্ত্রী জেসি সুশীল মোদি। এদিন পদ্ম অনুষ্ঠানের (Padma Awards 2025) মঞ্চ থেকে কিংবদন্তি গজল শিল্পী পঙ্কজ উধাসকে মরণোত্তর সম্মানে সম্মানিত করা হয়। তাঁর স্ত্রী ফারিদা উধাস এই সম্মান গ্রহণ করেন। নন্দমুরি বালকৃষ্ণকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হয়। তিনি বিশেষ এই দিনে অন্ধ্রপ্রদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে উঠেছিলেন। অজিত কুমারও পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হন। তাঁর পরনে ছিল স্যুট। তাছাড়াও শেখর কাপুর এবং শোভনাও পেয়েছেন পদ্মভূষণ।

    সম্মানের জন্য কৃতজ্ঞ

    জানুয়ারিতে যখন পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন অজিত কুমার একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তাতে লেখা ছিল, ‘ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে সম্মানিত পদ্ম পুরষ্কার পেয়ে আমি গভীর ভাবে বিনীত এবং সম্মানিত বোধ করছি। এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মানের জন্য আমি ভারতের মাননীয় রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এমন একটি স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য খুব সৌভাগ্যের বিষয় এবং আমাদের জাতির প্রতি আমার অবদানের এই স্বীকৃতির জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।’ অন্যদিকে, শেখর কাপুর এক্সে পোস্ট করেছিলেন, ‘ভারত সরকার আমাকে পদ্মভূষণের যোগ্য বলে বিবেচনা করেছে বলে আমি কৃতজ্ঞ। আশা করি এই পুরষ্কার আমাকে আমার শিল্পের সেবা করার জন্য আরও কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহ দেবে। আমাদের ভারতীয় ছবির দর্শকদেরও ধন্যবাদ, কারণ আমি আছি, আপনারা আছেন বলেই।

    ক্রীড়াজগত থেকে সম্মানিত

    ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন সহ ৫৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এদিন পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন অশ্বিন। তবে আইপিএলে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে পদ্মশ্রী পুরস্কার গ্রহণ করলেন অশ্বিন। শুধু অশ্বিন নয় পদ্ম পুরস্কার পেলেন ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক পিআর শ্রীজেশ। ভারতের হয়ে দুটি অলিম্পিক পদক জেতা শ্রীজেশ পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হলেন। শ্রীজেশ ভারতীয় সাবেকি পোশাক পাঞ্জাবি পরেছিলেন। গত ২৫ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে শ্রীজেশ-অশ্বিনদের নাম ঘোষণা করা হয়। পদ্মভূষণ পেলেন প্রাক্তন ফুটবলার বিজয়নও।

    অরিজিৎ, মমতাশঙ্কর-সহ ৯ বঙ্গ সন্তান সম্মানিত

    সঙ্গীতে নিজের অবদানের জন্য পদ্ম সম্মান পেলেন প্লেব্যাক গায়িকা জসবিন্দর নারুলা। এ ছাড়াও কিংবদন্তি সরোদ বাদক পন্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণও বাংলা থেকে পেলেন পদ্মশ্রী। নয় বঙ্গ সন্তানের সঙ্গেই পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হলেন অরিজিৎ সিং। এবারের পদ্ম সম্মানের তালিকায় ছিল অরিজিৎ, মমতাশঙ্কর-সহ ৯ বঙ্গ সন্তানের নাম। তবে এদিন ছিল পদ্ম সম্মান প্রদানের প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান। উল্লেখ্য, বিশিষ্ট বৈদিক পন্ডিত গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়কেও পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়। অযোধ্যার রাম জন্মভূমি মন্দিরে রাম লালার অভিষেক এবং বারাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ করিডোরের ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানের শুভ সময় নির্ধারণ করেছিলেন তিনি।

  • PM Modi: দেশবাসীকে রামনবমীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির, অযোধ্যায় ভক্তের ঢল

    PM Modi: দেশবাসীকে রামনবমীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির, অযোধ্যায় ভক্তের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশবাসীর জীবনে নতুন উদ্দীপনা কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “রামনবমী উপলক্ষে সমস্ত দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। ভগবান শ্রী রামের জন্মোৎসবের এই পবিত্র সময় যেন আপনাদের সকলের জীবনে নয়া চেতনা ও সজীব উদ্দীপনা আনে এবং একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও সক্ষম ভারত গঠনের সঙ্কল্পকে অবিরাম নতুন শক্তি প্রদান করে। জয় শ্রী রাম।” এদিন, রাম নবমী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী যাবেন তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের রামনাথস্বামীর মন্দিরে। পরে সেখানে তিনি একটি সেতুর উদ্বোধন করবেন।

    দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতিরও

    দেশবাসীকে রামনবমীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “রামনবমীর পবিত্র উৎসবে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। এই উৎসব ধর্ম, ন্যায় ও কর্তব্যবোধের বার্তা বহন করে।” তিনি লিখেছেন, “মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম মানবজাতির জন্য ত্যাগ, প্রতিশ্রুতি, সম্প্রীতি ও বীরত্বের সর্বোচ্চ আদর্শ (PM Modi) উপস্থাপন করেছেন। তাঁর সুশাসনের ধারণা, যা রামরাজ্য নামে পরিচিত, তা আদর্শ হিসেবে বিবেচিত। আমার শুভ কামনা যে এই শুভদিন উপলক্ষে সব দেশবাসী একটি উন্নত ভারত গঠনের জন্য একত্রিত হয়ে কাজ করার সঙ্কল্প গ্রহণ করবেন।”

    এদিকে, রামনবমী উপলক্ষে অযোধ্যার রাম মন্দিরে কার্যত ঢল নেমেছে ভক্তদের। সরযূ নদীতে স্নান সেরে পুণ্যার্থীরা লাইন দিয়েছেন দেবদর্শন করতে। ব্যাপক ভিড় হয়েছে অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দিরেও। এই মন্দিরের পুরোহিত মহন্ত রাজু দাস বলেন, “রামনবমী উপলক্ষে আমি সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। এদিন ভোর ৩টেয় মঙ্গল আরতি হয়েছে। রামনবমী উপলক্ষে মন্দিরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভক্তরা পুজো দিচ্ছেন। আজ ভগবান শ্রী রামের জন্মদিন। আমি সমস্ত ভক্তকে শুভকামনা জানাই। আমি বিশ্বের মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করব।”

    এদিন ভোর থেকে বেলা ৯টা পর্যন্ত লাইনে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন এক ভক্ত। তিনি বলেন, “এখানে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ব্যবস্থাপনা খুব ভালো।” বারাণসী থেকে আসা আর এক পুণ্যার্থী বলেন, “আমি রামনবমী (Ram Navami) উপলক্ষে শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দিরে পুজো দিতে এসেছি। খুব ভালো লাগছে। দেবদর্শনের পর মনে প্রশান্তি এসেছে (PM Modi)।”

LinkedIn
Share