Tag: Drug

Drug

  • South Kashmir: শিশুদের মধ্যে মাদক ব্যবহার রোধে “সেরা পারফর্মিং” জেলা দক্ষিণ কাশ্মীরের শোপিয়ান

    South Kashmir: শিশুদের মধ্যে মাদক ব্যবহার রোধে “সেরা পারফর্মিং” জেলা দক্ষিণ কাশ্মীরের শোপিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীর উপত্যকায় মাদকাসক্তির ব্যাপকতা একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে কম বয়সীদের মধ্যে মাদকাসক্তির সংখ্যা বেড়েই চলেছিল। জেলা প্রশাসনের অভিনব উদ্যোগের মাধ্যমে দক্ষিণ কাশ্মীরের (South Kashmir) শোপিয়ান শিশুদের মধ্যে মাদক (Drug) ব্যবহার রোধে “সেরা পরফর্মিং” জেলা হয়ে উঠেছে।

    প্রহরী ক্লাবএবং সিসিটিভি ক্যামেরা মোতায়েন (South Kashmir)

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোপিয়ান (South Kashmir) জেলার অধিকাংশ ওষুধের দোকানে মাদক বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নজরদারির জন্য ওষুধের দোকানে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সেই সিসিটিভিতে ক্রমাগত মনিটরিং করা হয়। মাদকে আসক্ত হলে কতটা ক্ষতি হতে পারে তা ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রশাসনের উদ্যোগে “প্রহরী ক্লাব” তৈরি করা হয়েছে। বাছাই করা ছাত্রছাত্রীরা সেখানে রয়েছে। তারা নিজেদের বন্ধুদের মধ্যে মাদকের খারাপ দিক তুলে ধরছে। এছাড়া স্কুল, কলেজের শিক্ষক, অধ্যাপকরা এই বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন। “প্রহরী ক্লাবের” সদস্যরা নেশা মুক্তি নিয়ে ক্রমাগত প্রচার করে চলেছেন। আর তাঁদের এই কার্যকলাপ অন্যদের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। সমাজ কল্যাণ দফতরও এই বিষয়ে জেলাজুড়়ে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    ডেপুটি কমিশনার কী বললেন?

    শোপিয়ানের (South Kashmir) ডেপুটি কমিশনার ফজলুল হাসিব বলেন, গত দুবছর ধরে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আর মাদকের গুণাগুণ রয়েছে এমন ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ৪২০টি ওষুধের দোকানে  সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। আর ওষুধ বিক্রির তথ্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্রমাগত তাতে নজরদারি চালানো হয়।

    মাদক বাজেয়াপ্ত!

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ৪৪টি এনডিপিএস মামলা দায়ের হয়েছিল। ২০২৩ সালে সেটা বেড়ে ৯০টি হয়েছে। আর চলতি বছরে জুলাই মাস পর্যন্ত ৩৯টি মামলা রুজু হয়েছে। আর ২০২২ সালে ১৮৪ কেজি চরস (Drug) বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। ২০২৩ সালে ২২১ কেজি চরস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গত সাত মাসে ৪৯৩ কেজি পোস্তর দানা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narcotics Control Bureau: অপারেশন ‘সমুদ্রগুপ্ত’, বাজেয়াপ্ত ১২ হাজার কোটি টাকার নিষিদ্ধ মাদক

    Narcotics Control Bureau: অপারেশন ‘সমুদ্রগুপ্ত’, বাজেয়াপ্ত ১২ হাজার কোটি টাকার নিষিদ্ধ মাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন ‘সমুদ্রগুপ্ত’। তাতেই মিলল সাফল্য। ভারতীয় জলসীমা থেকে বাজেয়াপ্ত হল ২ হাজার ৫০০ কেজি নিষিদ্ধ মাদক (Drug)। যার বাজারমূল্য ১২ হাজার কোটি টাকা। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে আসে প্রথম সাফল্য। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (Narcotics Control Bureau) এবং ভারতীয় নৌবাহিনী হাসিস ৫২৯ কেজি, মেথামফেটামাইন ২২১ কেজি এবং হেরোইন ১৩ কেজি বাজেয়াপ্ত করে। গুজরাট উপকূলের অদূরে উদ্ধার হয় ওই পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক। জানা গিয়েছে, বালুচিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে পাঠানো হচ্ছিল ওই মাদক। ওই ঘটনায় পাকিস্তানের এক নাগরিককে আটক করা হয়। জলপথে নজরদারি বাড়াতেই ফের মেলে সাফল্য।

    নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (Narcotics Control Bureau)…

    কেরলের উপকূলের অদূরে ইরানের একটি নৌকা থেকে বাজেয়াপ্ত হয় ২০০ কেজি উচ্চমানের হেরোইন। এই মাদকও আসছিল আফগানিস্তান থেকে। ইরানের ছয় মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতারও করা হয়। অপারেশন সমুদ্রগুপ্ত চালানোর পাশাপাশি নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (Narcotics Control Bureau) নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলে দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে। তার জেরে গত ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী বাজেয়াপ্ত করে ২৮৬ কেজি হেরোইন এবং ১২৮ কেজি মেথামফেটামাইন। গ্রেফতার করা হয় ১৯ জন পাচারকারীকে। চলতি মাসের এপ্রিলে মালদ্বীপ পুলিশ গ্রেফতার করে ৫ পাচারকারীকে। তাদের কাছে মেলে ৪ কেজি হেরোইন।

    আরও পড়ুুন: উত্তর প্রদেশে ফের জয়জয়কার বিজেপির, পুরভোটে ব্যাপক ফল পদ্ম শিবিরের

    ভারত মহাসাগরের জলপথে নিষিদ্ধ মাদক পাচার রুখতে চালু হয় অপারেশন সমুদ্রগুপ্ত। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর ডিরেক্টর জেনারেল চালু করেন এটি। অপারেশন সমুদ্রগুপ্তর মাথায় রয়েছেন নরকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল সঞ্জয় কুমার সিংহ। নরকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অপারেশন ব্রাঞ্চের আধিকারিকদেরও শামিল করা হয় ওই অপারেশনে। অপারেশন সমুদ্রগুপ্তর প্রাথমিক লক্ষ্যই ছিল জলপথে পাচার হওয়া নিষিদ্ধ (Narcotics Control Bureau) মাদক ব্যবসার রমরমা রোখা। তার জেরেই মিলেছে সাফল্য। প্রচুর নিষিদ্ধ মাদক বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজন মাদক পাচারকারীকেও।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • STF: ছাগল ব্যবসার আড়ালে মাদকের কারবার! শহরে উদ্ধার কোটি কোটি টাকার মাদক, গ্রেফতার দম্পতি

    STF: ছাগল ব্যবসার আড়ালে মাদকের কারবার! শহরে উদ্ধার কোটি কোটি টাকার মাদক, গ্রেফতার দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শহরে উদ্ধার টাকা ও প্রায় ৫ কোটি টাকার মাদক। জানা গিয়েছে, ছাগলের ব্যবসার আড়ালে চলছিল মাদকের কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে সল্টলেকের সুকান্তনগরের নওভাঙা এলাকার একটি পাঁচ তলার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে ৫ কেজি ব্রাউন সুগার ও লক্ষাধিক টাকা। এরপর এক মহিলা-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা মোমিন খান। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি ও তাঁর স্ত্রী এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, মাদক চক্রের পাণ্ডা মহম্মদ মোমিন খান ও তাঁর স্ত্রী মেহতাব। বিশেষ করে মোমিনের স্ত্রী মেহতাবই এই মাদকচক্রের কিংপিন। এর আগেও মাদককাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন মেহতাব। ওই দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ(STF)।

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় সুকান্তনগরে মোমিনের ৫ তলার ফ্ল্যাটে হানা দেয় এসটিএফ। ফ্ল্যাটের বিভিন্ন জায়গা থেকে লুকনো মাদক ও টাকা উদ্ধার করে। এই মাদক কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কোথায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সূত্রের খবর, ১৫ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফ্ল্যাটটিতে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন গোয়েন্দারা। এসটিএফ সূত্রে খবর, প্রায় সাড়ে ৩ কিলোগ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মিলেছে হেরোইন এবং ব্রাউন সুগারের মত মাদক তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় দেড় কিলোগ্রাম রাসায়নিক। এছাড়াও প্রায় নগদ ৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকাগুলিকে গোয়েন্দারা ট্রাঙ্কে করে নিয়ে গিয়েছেন। বাজেয়াপ্ত হয়েছে বেশ কিছু নথি (STF)।

    কীভাবে খোঁজ পেল এসটিএফ?

    এসটিএফ সূ্ত্রে খবর, এই ঘটনার আগে পার্কসার্কাস এলাকার একটি বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় গোয়েন্দারা। সেই জায়গা থেকেই প্রথমে বেনিয়াপুকুর থানা এবং তারপরে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর (STF) নার্কোটিক শাখার কাছে বিধাননগর দক্ষিণ থানা এলাকার, সল্টলেক সেক্টর চারের, ৫বি, নওভাঙার এই বাড়ির দিকে নজর পরে। এরপরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে করতে এই বিষয়ে ক্রমশ এসটিএফ নিশ্চিত হয় যে, এই ফ্ল্যাটে এমন কিছু লোকের যাতায়াত আছে যাদের গতিবিধি অত্যন্ত সন্দেহজনক। তখনই জানতে পারে, ছাগলের ব্যবসার আড়ালেই মাদকের ব্যবসা চালাত ওই ব্যক্তি। ধৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের রবিবার আদালতে তোলা হবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NCB Raid: মুম্বইয়ের গুদাম থেকে ১২০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার এনসিবির

    NCB Raid: মুম্বইয়ের গুদাম থেকে ১২০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার এনসিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের একটি গুদাম থেকে উদ্ধার ১২০ কোটি টাকার মাদক (Drug) উদ্ধার করল নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)। মোট ৬০ কেজি মেফোড্রন উদ্ধার হয়েছে। জানা গিয়েছে, মোট ২২৫ কেজি মাদক বাজারে বিক্রি করেছিল কারবারিরা। ঘটনায় এয়ার ইন্ডিয়ার এক প্রাক্তন বিমানচালককে গ্রেফতার করেছে এনসিবি। তাছাড়াও ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।      

    এনসিবি জানিয়েছে, ধৃত প্রাক্তন বিমানচালকের নাম সোহেল গাফফার মাহিদা। এর আগে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিমানচালক হিসাবে এয়ার ইন্ডিয়ায় কাজ করেন। পরে অসুস্থতার কথা জানিয়ে চাকরি ছেড়ে দেন। এছাড়া মুথু পিচাইদাস, এসএম চৌধুরী, এমআই আলি এবং এমএফ চিস্তি নামে চারজনকে মুম্বই থেকে এবং ভাস্কর ভি নামক একজনকে গুজরাটের জামনগর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০০১ সালে অন্য এক মাদক মামলাতেও পিচাইদাসের নাম জড়িয়েছি। ২০০৮ সাল থেকে জামিনে মুক্ত আছে সে।

    আরও পড়ুন: কমলা বোঝাই ট্রাক থেকে উদ্ধার করা হল ১৪৭৬ কোটি টাকার কোকেন!     

    এর আগে চলতি বছরের অগস্ট মাসে ভদোদরা থেকে ২০০ কেজি মেফোড্রন বাজেয়াপ্ত করে এনসিবি। এপ্রিল মাসে কান্দলা থেকে উদ্ধার হয় ২৬০ কেজি মাদক। এই মাদক বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় এই চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট ২২৫ কেজি মাদক বাজারে বিক্রি করেছে এই চক্র। 

    এনসিবির তরফে জানানো হয়, নৌবাহিনীর গেয়েন্দাদের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তল্লাশি চালানো হয়েছিল। এই আবহে গুজরাট থেকে ১০.৫ কেজি মাদক অন্য রাজ্যে পাচার করার সময় ৩ অক্টোবর বাজেয়াপ্ত করেছিল এনসিবি। সেই সময় ভাস্করকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেদিনই গ্রেফতার করা হয়েছিল পিচাইদাস, মুথু পিচাইদাস, এসএম চৌধুরী, গাফফার মাহিদাকে। এই চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও অনেক তথ্য পান তদন্তকারীরা। এরপর বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের এক গোডাউন থেকে ৫০ কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং এমআই আলি এবং এমএফ চিস্তি নামক দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Operation Garuda: অপারেশন গরুড়, সিবিআইয়ের জালে ১৭৫ জন, বাজেয়াপ্ত বিপুল মাদক

    Operation Garuda: অপারেশন গরুড়, সিবিআইয়ের জালে ১৭৫ জন, বাজেয়াপ্ত বিপুল মাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাদক বিরোধী অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Central Investigation agency) সিবিআই। ‘অপারেশন গরুড়’ (Operation Garuda) নামে বিশেষ অভিযানটিতে এখনও পর্যন্ত ১৭৫ জনকে গ্রেফতার (Arrest) করা হয়েছে। এই অভিযানটি আন্তর্জাতিক অপরাধদমন মূলক পুলিশ সংস্থা (International Criminal Police Organization) এবং এনসিবি (Narcotics Control Bureau)-র সঙ্গে যৌথভাবে চালানো হচ্ছে। মূলত ভারত মহাসাগরের (Indian Ocean) ওপর দিয়েই চলত মাদক পাচার, চোরাচালান। এর বিরুদ্ধেই চলছে অভিযান। 

    আরও পড়ুন: মহা পঞ্চমীর মাহাত্ম্য: জানুন তারকাসুর বধ ও স্কন্দমাতার আখ্যান

    অপারেশন গরুড় চালানো হয়েছে ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। সেই রাজ্যের পুলিশবাহিনীর (State Police) সাহায্যে চালানো হয়েছে অভিযান। এখনও পর্যন্ত সিবিআই এবং এনসিবি ছাড়াও পাঞ্জাব, হিমাচলপ্রদেশ,গুজরাট, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি এবং মণিপুর সহ একাধিক রাজ্যের পুলিশও অপারেশন (Operation) চালিয়েছে।

    আরও পড়ুন: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদে ভারতকে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর 

    পাঞ্জাব, দিল্লি, হিমাচলপ্রদেশ, মণিপুর সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে সন্দেহভাজন (Suspects person) প্রায় ৬ হাজার ৬০০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। ১২৭টি নতুন মামলা সহ ১৭৫ জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস সভাপতির নির্বাচন লড়বেন না অশোক গেহলট, সোনিয়ার কাছে চাইলেন ক্ষমা 

    ধৃতদের কাছ থেকে ৫ কেজির মতো হেরোইন (Heroin), ৩৪ কেজির মতো গাঁজা, ৩ কেজি ২৯ গ্রামের মতো চরস (Charas), প্রায় ৮৭টি নেশা জাতীয় ট্যাবলেট, ১২২টি মাদক ইঞ্জেকশন, প্রায় ২ কেজি আফিম, ৩০ কেজির মতো পোস্তর খোসা (Poppy Husk), ১ কেজি ৪৩০ গ্রামের মতো নেশা জাতীয় পাউডার (Intoxicant powder) উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও এমন আরও নানা নেশাজাতীয় দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মাঝে মধ্যেই মাদক বিরোধী অভিযান করে সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Sonali Phogat Death: সোনালিকে জোর করে খাওয়ানো হয়েছিল মাদক, চাঞ্চল্যকর দাবি গোয়া পুলিশের 

    Sonali Phogat Death: সোনালিকে জোর করে খাওয়ানো হয়েছিল মাদক, চাঞ্চল্যকর দাবি গোয়া পুলিশের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বিজেপি নেত্রী এবং টিকটক স্টার সোনালি ফোগাটের (Sonali Phogat) মৃত্যুর তদন্তে নেমে পুলিশ পরতে পরতে রহস্যের গন্ধ পাচ্ছে। এবার এক চাঞ্চল্যকর দাবি করল গোয়া পুলিশ। পুলিশের দাবি, সোনালিকে একটি বোতলের মধ্যে ১.৫ গ্রাম এমডিএমএ নামক মাদক (Drug) দেওয়া হয়েছিল। তাঁর আপ্তসহায়ক অভিযুক্ত সুধীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একথা জানতে পেরেছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: সোনালি ফোগাটের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে ঘনীভূত রহস্য, গ্রেফতার দুই সহকারী

    তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ (Goa Police) জানতে পেরেছে, সোনালিকে জোর করে  এই মাদক খাওয়ানো হয়েছিল। ইতিমধ্যেই সোনালির সহকারী সুধীর ও সুখবিন্দরকে গ্রেফতার করেছে গোয়া পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা সুধীরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করেছেন। পুলিশের তদন্তেও উঠে এসেছে সেরকমই কিছু তথ্য। একটি নতুন সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে। তাতে দেখা গিয়েছে, সোনালিকে বোতল থেকে কিছু একটা দিচ্ছেন সুধীর। সোনালি বার বার বাঁধা দিচ্ছিলেন তাঁকে। খেতে চাইছিলেন না তিনি। পুলিশের অনুমান, সেটাই ছিল সেই মাদক। নিশ্চিত করতে রাসায়নিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।   

    পুলিশের মাদকতত্ত্ব মেনে নিয়েছেন অভিযুক্তও। স্বীকার করেছেন, সোনালিকে মাদক দেওয়া হয়েছিল। তবে মাদকের কারণে সোনালির মৃত্যু হয়েছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোনালির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে ভোঁতা কোনও অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ খুনের ধারায় এফআইআর করেছে।  

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ করে খুন বিজেপি নেত্রীকে! বিস্ফোরক অভিযোগ সোনালি ফোগাটের পরিবারের

    এদিকে শনিবার সকালে পুলিশ সোনালি যে রেস্তোরাঁর শেষবার খেয়েছিলেন তার মালিককে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কার্লিস রেস্তোরাঁর (Goa Curlis Restaurant) মালিক এডউই নানসকে প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বক্তব্য একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ায় এবং রেস্তোরাঁর শৌচালয় থেকে মাদক উদ্ধার হওয়ার পরই গ্রেফতার করা হয় মালিককে। মাদক পাচারকারী সন্দেহে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের অনুমান, এই ধৃত ব্যক্তিই ওইদিন সোনালি ফোগাটকে খাওয়ানোর জন্য মাদক সরবরাহ করেছিলেন রেস্তরাঁয়। 

    পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গ্রেফতার হওয়া দুই আপ্তসহায়কের একজনের নথিতে সোনালি ফোগাটকে তাঁর স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যত দিন যাচ্ছে, তত ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। উল্লেখ্য, এই দুই আপ্ত সহায়ককে আরও ১০ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share