Tag: Dry Fruits

Dry Fruits

  • Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    Dry Fruits: সন্তানকে প্রতিদিন কিসমিস‌ খাওয়ান? কতটা খাওয়া উচিত? কী হতে পারে বেশি খেলে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছর খানেক বয়স পার হলেই শিশুদের কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া হয়। অনেক সময়েই সন্তানকে নিয়মিত কিসমিস দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে তার গভীর প্রভাব পড়ে। তাই যাঁরা নিয়মিত কিসমিস খান, তাঁদের সচেতন থাকা জরুরি।

    নিয়মিত কিসমিস খেলে কী হতে পারে? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে (Raisins) রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই শিশুদের নিয়মিত কিসমিস খাওয়ালে রক্তাল্পতার সমস্যা হবে না। পাশপাশি কিসমিসে রয়েছে তামা। তাই রক্তে লোহিত কণিকার উপাদান তৈরিতে কিসমিস বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ‌্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত কিসমিস খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। তাই শিশুদের সুস্থ রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়ানো জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। দূষণ বাড়ছে। পরিবেশ দূষণের জেরে স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস (Dry Fruits) শরীরে দূষণের জেরে তৈরি হওয়া সমস্যা কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। কিসমিসে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম,‌ ফাইবারের মতো একাধিক খনিজ পদার্থ। তাই নিয়মিত কিসমিস খেলে শরীরে খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ হবে। শিশুদের ক্লান্তি বোধ কম হবে। এনার্জির জোগান থাকবে। পাশপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস‌্যাও কমবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কত পরিমাণ কিসমিস খাওয়া উচিত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিস খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদের নিয়মিত ৭ থেকে ১০টা কিসমিস (Dry Fruits) দেওয়া যেতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। প্রাপ্তবয়স্কেরা নিয়মিত ২০ থেকে ২৫ গ্রামের বেশি কিসমিস খেতে পারেন। তবে এর বেশি পরিমাণ কিসমিস খেলে তা শরীরের জন‌্য বিপজ্জনক হতে পারে।

    কেন অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক? (Dry Fruits)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা। এর জেরেই ঘটতে পারে বিপত্তি। ডায়বেটিস আক্রান্তেরা অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। যার জেরে একাধিক সমস্যা হতে পারে। আবার শিশুদের জন্যও অতিরিক্ত কিসমিস বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিসমিসে থাকে প্রচুর ফাইবার। তাই অতিরিক্ত কিসমিস খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য ও অতিরিক্ত কিসমিস খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই খাওয়ার সময় পরিমাণ (Dry Fruits) নিয়ে সতর্কতা জরুরি বলেই তাদের পরামর্শ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    Dry Fruits: দিনে খান চারেক খেজুরই মোক্ষম দাওয়াই! কোন‌ কোন‌ রোগ থেকে মিলবে রেহাই? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রত্যেক দিনের খাবারের তালিকায় থাকুক খেজুর।‌ দিনে খান চারেক খেজুর খেলেই একাধিক রোগ থেকে মুক্তি সহজেই পাওয়া যাবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই কাজের চাপে দীর্ঘ সময় ভারী খাবার খাওয়ার সুযোগ পান না।‌ খাবারের মাঝে সময়ের ব্যবধান বেড়ে যাওয়ার ফলে নানান শারীরিক জটিলতাও দেখা দেয়। সেই সময়ে সঙ্গে থাকুক খেজুর। অন্তত কয়েকটা খেজুর খেয়ে নিলে সমস্যা কমবে। নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে এমন অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কোন কোন রোগের দাওয়াই খেজুর?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই যে কোনও বয়সের মানুষের রক্তাল্পতা দূর করতে নিয়মিত খেজুর খাওয়া জরুরি। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা মেয়েদের নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এ দেশে বহু মহিলা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভোগেন। তাই নিয়মিত খেজুর খেতে হবে। খেজুরে থাকে ল্যাক্সাটিভ। তাই নিয়মিত খেজুর (Dry Fruits) খেলে পাকস্থলীর একাধিক সমস্যার সমাধান হয়। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, হজমের গোলমাল কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করার পাশপাশি পাকস্থলীর আলসারের মতো গুরুতর সমস্যার মোকাবিলাতেও খেজুর খুব কার্যকর ভূমিকা নেয়। 
    হাড়ের ক্ষয়-রোগ রুখতে খেজুর বিশেষ কার্যকর। বিশেষত অস্ট্রিয়পোরেসিসের মতো রোগ মোকাবিলায় খেজুর (Dates) সাহায্য করে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুরে থাকে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, তামা, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। তাই খেজুর হাড় সুস্থ রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

    প্রচুর পরিমাণে শক্তি (Dry Fruits) 

    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে শক্তি থাকে। একশো গ্রাম খেজুরে ২৮২ কিলোক্যালোরি শক্তি থাকে। তাই শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য খেজুর বিশেষ কার্যকর। কারণ, এদের দেহে বাড়তি শক্তি জোগান দেওয়া প্রয়োজন। তাই দরকার খেজুর। নিয়মিত খেজুর খেলে শক্তির ঘাটতি হবে না। ক্লান্তি সহজেই দূর হবে। অনিদ্রার সমস্যা মোকাবিলায় খেজুর বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া, খেজুরে থাকে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। তাই হৃদযন্ত্রের পেশিকে কার্যকর করতে খেজুর (Dry Fruits) বিশেষ সাহায্য করে। পাশপাশি খেজুর শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খেজুর পেশি ও হাড়ের পাশাপাশি শরীরের স্নায়ু সচল রাখতেও বিশেষ সাহায্য করে। তাই মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা কমবে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Healthy Food: খামখেয়ালি আবহাওয়া! শরীর সুস্থ রাখতে কোন পাঁচ ঘরোয়া উপাদানকে নিত্যসঙ্গী করবেন? 

    Healthy Food: খামখেয়ালি আবহাওয়া! শরীর সুস্থ রাখতে কোন পাঁচ ঘরোয়া উপাদানকে নিত্যসঙ্গী করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীত ছুটি নিয়েছে। গরমের আমেজ ইতিমধ্যেই হাজির। কিন্তু তার মধ্যেই রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি। তাপমাত্রার পারদ অনেকটাই নেমে গিয়েছে। সব মিলিয়ে খামখেয়ালি আবহাওয়ায় জেরবার বঙ্গবাসী। আর আবহাওয়ার এই যখন-তখন পরিবর্তনের জেরে সবচেয়ে গভীর প্রভাব পড়ছে শরীরে। সর্দি-কাশি আর জ্বরে কাবু সকলেই। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশু আর বয়স্কদের মধ্যে ফুসফুসের সংক্রমণ বাড়ছে। বক্ষঃরোগের সমস্যায় জেরবার অনেকেই। পাশপাশি শ্বাসনালীতেও সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ভাইরাস ঘটিত জ্বরে অনেকেই কাবু হচ্ছে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কয়েকটি ঘরোয়া জিনিস (Healthy Food) নিয়মিত সঙ্গী করলেই ভোগান্তির ঝুঁকি কমবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন ঘরোয়া উপাদানের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    নিয়মিত সঙ্গী হোক মধু আর তুলসী পাতা

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সকালে দু’চামচ মধু আর তুলসী পাতা নিয়মিত খেলে এই পরিবেশে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। তুলসী পাতা এবং মধু শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। বিশেষত সর্দি-কাশি মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত মধু আর তুলসী পাতা খেলে শরীর সুস্থ থাকে। পাশপাশি, তুলসী পাতা ফুসফুসের জন্য খুবই উপকারী। তাই ফুসফুসের সংক্রমণ রুখতে নিয়মিত তুলসী পাতা (Healthy Food) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    প্রত্যেক দিন প্রাতঃরাশের পরে অন্তত একখানা লেবু থাকুক (Healthy Food)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়া খুবই শুষ্ক। শীতের শেষ আর গরমের শুরুর এই সময়ে প্রত্যেক বছর একাধিক ভাইরাসের দাপট বাড়ে। নানান রোগে মানুষ কাবু হন। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো জরুরি। তাই নিয়মিত লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, লেবুতে থাকে ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম। যার জেরে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি এই সময়ে সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়ছে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেলে সর্দি-কাশির সমস্যা কমে। তবে খালি পেটে লেবু খেলে হজমের গোলমাল হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সকালের জলখাবারের পরে নিয়মিত একটা করে লেবু (Healthy Food) খাওয়া দরকার। এর জেরে একদিকে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। আবার লেবুর রস শরীরে জলের জোগান দেবে। ফলে শুষ্ক আবহাওয়ায় ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমবে।

    ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে তরকারিতে থাকুক এলাচ
     
    তরকারিতে অনেকেই এলাচ দেন। এতে খাবারের স্বাদ বাড়ে। সুন্দর গন্ধ হয়। তবে শুধু স্বাদের জন্য নয়। এলাচ স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুবই উপকারী। তাই এই আবহাওয়ায় নিয়মিত তরকারিতে এলাচ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত এলাচ (Healthy Food) খেলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। এলাচ ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়।

    নিয়মিত চারখানা খেজুর কমাতে পারে ভোগান্তি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে খনিজ পদার্থের জোগান‌ ঠিকমতো থাকলে আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন ঘটলেও শরীরে রোগের প্রকোপ কম হয়। আর খেজুর থেকে সহজেই শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ পাওয়া যায়। ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম সহ একাধিক খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ থাকে খেজুর (Healthy Food)। তাই ঋতু পরিবর্তনের এই মরশুমে শরীরের ক্লান্তি দূর করতে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে নিয়মিত চারখানা খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধে এক চিমটি হলুদ (Healthy Food)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত এক গ্লাস দুধে এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, দুধ হল সুষম খাবার। অর্থাৎ, শরীরের প্রয়োজনীয় সমস্ত উপাদান দুধে থাকে। আবার হলুদ অ্যান্টিসেপটিক। তাই এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে এতে শরীরের একাধিক উপকার পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ সহজ হয়। রাতে এই খাবার খেলে ঘুম ভালো হয়। ফলে শরীরের হরমোন ভালোভাবে কাজ করতে পারে। তাই নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share