Tag: Dry Skin

Dry Skin

  • Dandruff: শীত পড়তেই বাড়ছে খুসকি! কেন‌ হয় এই সমস্যা? কোন ঘরোয়া উপাদানে হবে মুশকিল আসান? 

    Dandruff: শীত পড়তেই বাড়ছে খুসকি! কেন‌ হয় এই সমস্যা? কোন ঘরোয়া উপাদানে হবে মুশকিল আসান? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাড়ির একরত্তি সদস্য হোক কিংবা পরিবারের সবচেয়ে প্রবীণ, শীতের আমেজ শুরু হতেই এক অদ্ভুত সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। কত বয়স, ছেলে না মেয়ে-এই পরিচয় আর তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। এই সমস্যার জেরে নাজেহাল আট থেকে আশি। তাপমাত্রার পারদ নামতেই অনেকেই খুসকির (Dandruff) সমস্যায় কাবু। ঘন ঘন মাথা চুলকানো, অস্বস্তিবোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সমস্যার সহজ সমাধান রয়েছে। নিয়মিত কিছু ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করলেই হবে মুশকিল আসান।

    কেন শীতের শুরুতে বাড়ে খুসকি? (Dandruff)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের চামড়ার অপরিচ্ছন্নতা থেকেই খুসকির সমস্যা তৈরি হয়। অনেকেই নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করেন না। আর ধুলো ও দূষণের জেরে মস্তিষ্কের চামড়া অর্থাৎ চুলের ভিতরের অংশ অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। তার জেরেই তৈরি হয় খুসকির সমস্যা। তবে, এই সমস্যাকে আরও জটিল করে শুষ্ক ত্বক। ত্বক শুষ্ক হলে খুসকির সমস্যা বাড়ে। আর শীতের শুরুতে ত্বকের শুষ্কতা এমনিতেই বাড়ে। আরেক দিকে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণও বেড়ে যায়। তাই শীতের শুরুতে ভোগান্তি বাড়ায় খুসকি। তাছাড়া, অনেকের নানা ধরনের অ্যালার্জি থাকে। যার জেরেও খুসকির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। শীতের প্রথমে অনেক সময়েই তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করার জেরে রক্তে অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ে। শরীরে তৈরি হয় নানান ছত্রাকের সংক্রমণ। এর জেরে খুসকির মতো সমস্যাও বাড়তে থাকে। কিন্তু কীভাবে মুশকিল আসান হবে? বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘরোয়া কিছু উপাদানের মাধ্যমে সহজেই কমতে পারে খুসকির ভোগান্তি।

    রাতভর ভেজানো নিমপাতার মিশ্রণ

    খুসকির সমস্যা কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে নিমপাতা। নিমপাতা শরীরের একাধিক রোগ‌ মোকাবিলায় সাহায্য করে। খুসকি কমাতেও বিশেষ উপকারী এই নিমপাতা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ১০ থেকে ১৫টা নিমপাতা সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপরে সেই ভেজানো নিমপাতা বেটে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। সেই মিশ্রণ মাথায় মাখলে খুসকির (Dandruff) সমস্যা অনেকটাই কমবে‌।

    মেথি বীজ এবং পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চামড়ায় লাগানো (Dandruff)

    মস্তিষ্কের চামড়ায় অর্থাৎ চুলের ফাঁকে ভালো ভাবে মেথির বীজ এবং পাতিলেবুর রসের মিশ্রণ লাগালে দ্রুত খুসকির সমস্যা কমে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সারা রাত মেথির বীজ ভিজিয়ে রেখে তাকে মসৃণ ভাবে বেটে নিতে হবে। তার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে লেবুর রস। পাতিলেবুর রস মেশানো সেই মেথির বীজের মিশ্রন মাথায় সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন মাখলেই কমবে খুসকির (Dandruff) সমস্যা।

    তুলসী পাতা এবং আমলার ব্যবহার

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত তুলসী পাতা এবং আমলা একসঙ্গে বেটে মাথায় মাখলে খুসকি দ্রুত কমে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, আমলা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিতে হবে‌। দশ থেকে বারোটা তুলসী পাতা ভিজিয়ে বেটে নিতে হবে। আমলার গুঁড়ো এবং তুলসী পাতা বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে ভালোভাবে মাথায় মেখে অন্তত তিরিশ মিনিট রাখতে হবে। নিয়মিত এটা ব্যবহার করলেই খুসকির সমস্যা কমবে। 

    তবে এই সব ঘরোয়া উপাদান‌ (Domestic ingredients) ব্যবহারের পাশাপাশি নিয়মিত ভালোভাবে স্নান করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চুল পরিষ্কার থাকলে, মাথার ত্বক পরিষ্কার থাকলে খুসকির সমস্যা সহজেই কমানো যায়। তাই নিয়মিত শ্যাম্পু করা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dry skin: শীতের শিরশিরানি শুরু! ত্বকের শুষ্কতা কাটাতে কোন ঘরোয়া উপাদানে করতে পারেন বাজিমাত?

    Dry skin: শীতের শিরশিরানি শুরু! ত্বকের শুষ্কতা কাটাতে কোন ঘরোয়া উপাদানে করতে পারেন বাজিমাত?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাতাসে ঠান্ডার আমেজ শুরু হয়ে গিয়েছে। একটানা ফ্যানের হাওয়া এখন আর আরাম দিচ্ছে না। বরং একটা শিরশিরানি ভাব হচ্ছে। সন্ধ্যার পরে বেশ আরাম দেওয়া আবহাওয়া। সব মিলিয়ে পরিবেশ জানান দিচ্ছে, শীতের শুরু হবে শিগগিরই! কয়েক বছর ধরেই বাঙালির হেমন্ত ঋতু চোখের নিমিষেই মিলিয়ে যায়। বর্ষার পরে একেবারে শীতের দাপট। তবে এ বছরে দুর্গাপুজোর পরে আবহাওয়ায় হেমন্তের টের পাওয়া যাচ্ছে। দীপাবলির এখনও দিন কয়েক বাকি। কিন্তু তার আগেই পরিবেশে বেশ শীতের আমেজ। কিন্তু বছরের এই সময় থেকেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। শীতকাল শুষ্ক। তাই ত্বকেও শুষ্কতা (Dry skin) দেখা যায়। বিশেষত, যাদের ত্বক অতিরিক্ত সেনসেটিভ, তাদের এই সময় থেকেই বিশেষ যত্ন না নিলে শীতে ত্বকের নানান রোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে‌। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বিশেষত, শিশুদের ত্বক অতিরিক্ত সেনসেটিভ হয়। তাই শিশুত্বকের বিশেষ‌ যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে অতিরিক্ত কৃত্রিম জিনিস নয়, বরং ঘরোয়া কিছু উপাদান করবে বাজিমাত। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত কিছু ঘরোয়া উপাদান (Household ingredients) ব্যবহার করলেই শীতের শুষ্কতা সহ একাধিক ত্বকের সমস্যাকে কাবু করা যাবে‌। এবার দেখা যাক, কোন ঘরোয়া উপাদান মুশকিল আসান করবে?

    নিয়মিত লেবুর ব্যবহার (Dry skin)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর সুস্থ থাকলেই ত্বক ভালো থাকবে। শরীরে ভিটামিন সি-র জোগান ঠিকমতো থাকলে ত্বক মসৃণ এবং ময়েশ্চারাইজার পর্যাপ্ত থাকবে। তাই শীতের শুরু থেকেই দরকার নিয়মিত লেবু খাওয়া। যে কোনও লেবু জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে শরীরে ভিটামিন‌ সি পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়। তাই ত্বক ভালো থাকে।

    জল পর্যাপ্ত খাওয়া জরুরি

    ত্বকের শুষ্কতা (Dry skin) হোক কিংবা ব্রণ, যে কোনও রোগের মোকাবিলা সহজেই করে জল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই শীতে জল খুব কম পরিমাণে খান। আর এর জেরেই নানান ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়মিত পাঁচ থেকে ছয় লিটার জল খাওয়া দরকার। শিশুদের প্রয়োজন অন্তত দেড় থেকে দু লিটার জল। তবেই ত্বক ভালো থাকবে। ত্বকের একাধিক সমস্যা কমবে।

    প্রতি সপ্তাহে মধু ত্বকে লাগালে শুষ্কতা কমবে (Dry skin)

    শীতের সবচেয়ে বড় সমস্যা ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখা। অনেকের ত্বকের শুষ্কতা মারাত্মক বেড়ে যায়। এর ফলে একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সপ্তাহে অন্তত একদিন ত্বকে মধু লাগালো দরকার। মধু প্রাকৃতিকভাবেই ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে টক দইয়ের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মাখলে বাড়তি গুণ পাওয়া যায়। এতে ত্বকের একাধিক সমস্যা কমে।

    এক টুকরো কাঁচা হলুদ

    শীতে ত্বকে নানান ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দেখা যায়। ত্বকের সংক্রমণ রুখতে নিয়মিত কাঁচা হলুদ (Household ingredients) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন হলুদ অ্যান্টিসেপটিক। নিয়মিত সকালে এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেলে শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।‌ এতে ত্বক ভালো থাকে।

    অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারে রাশ

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক ভালো রাখার জন্য অন্ত্র ভালো রাখা জরুরি। হজমের গোলমাল ত্বকের সমস্যাও বাড়িয়ে দেয়। উৎসবের মরশুমে অনেকেই খাবারে রাশ টানেন না। অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার নিয়মিত খান। যা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। এতে ত্বকের নানান সমস্যা (Dry skin) বাড়তে পারে। তাই স্বাস্থ‌্যকর খাবার নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি! কোন পাঁচ রোগের দাপট বাড়ছে? কীভাবে করবেন মোকাবিলা? 

    Heatwave: তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি! কোন পাঁচ রোগের দাপট বাড়ছে? কীভাবে করবেন মোকাবিলা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরম বাড়ছে! তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি। আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগামী কয়েক দিন এই অস্বস্তিকর গরম (Heatwave) থাকবে। রাজ্যের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা আরও বাড়বে। কলকাতা, হাওড়া সহ একাধিক শহরে গরমে মানুষের নাজেহাল হওয়াও অব্যাহত থাকবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই পরিস্থিতিতে বাড়বে একাধিক রোগের ঝুঁকি! তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি। না হলে সমস্যা আরও বাড়বে‌। তাই স্বাস্থ্য নিয়ে আগাম সচেতনতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয় নজরে রাখলেই বিপদ কমবে। এই গরমেও শরীর সুস্থ থাকবে।

    কোন কোন রোগের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা? (Heatwave)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে বাড়ছে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি। গরমে শরীরে জলের পরিমাণ কমবে। বিশেষত যাঁরা বাইরে যাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের জেরে শরীরে জলের পরিমাণ আরও কমছে। এর ফলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ডিহাইড্রেশন হলে হাত-পায়ে খিঁচুনি হয়। মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছয় না। আর তার জেরে প্রাণনাশের আশঙ্কা তৈরি হয়। ডিহাইড্রেশনের পাশাপাশি এই গরমে বাড়ে পেটের সমস্যা। যা যথেষ্ট বিপজ্জনক। বিশেষ করে পেটের সমস্যা শিশুদের জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে, এমনই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বারবার পায়খানা হলে একদিকে যেমন শরীরে দুর্বলতা বাড়ে, ক্লান্তি আরও বাড়ে।

    তেমন আরেক দিকে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও বাড়ে। তাই গরমে পেটের গোলমাল যাতে না হয়, সেদিকে বাড়তি গুরুত্ব নেওয়া দরকার। গরমে হজমের গোলমাল এবং বমি হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। শরীরে অস্বস্তি বাড়ে। তাই এই গরমে (Heatwave) অনেক সময়েই ঠিকমতো খাবার হজম হয় না। তার জেরেই বমি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে ত্বকে এক ধরনের চুলকানি আর শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

    তাঁরা জানাচ্ছেন, এই গরমে অনেক সময়ে কোনও ভাইরাস ঘটিত সমস্যা না থাকলেও, শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে পারে‌। আবার ঘামের জেরে দেহের বিভিন্ন জায়গায় চুলকানির সমস্যা হতে পারে। গরমের জেরে গায়ে লাল চাকা দাগও দেখা দিতে পারে‌।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন এইসব সমস্যার? (Heatwave)

    চিকিৎসকদের পরামর্শ, কয়েকটি বিষয়ে নজরদারি দিলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে‌। বড় বিপদের ঝুঁকিও কমানো যাবে। তাই তাঁদের পরামর্শ, ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন অতিরিক্ত জল খাওয়া। সাধারণত পাঁচ-ছয় লিটার জল নিয়মিত খাওয়া উচিত। কিন্তু এই গরমে আরও অতিরিক্ত দেড় থেকে দু’লিটার জল খাওয়া দরকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে যে জলের পরিমাণ কমছে, সেই ঘাটতি পূরণ করতেই এই জল খাওয়ার দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। 
    পাশপাশি খাবারের মেনুতেও নজর দেওয়া দরকার। কারণ, এই গরমে (Heatwave) অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। বমি এবং পেটের গোলমালের ঝুঁকিও বাড়ে‌। তাই পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, অতিরিক্ত প্রোটিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। পাশপাশি সবুজ সব্জি খাওয়া দরকার। পটল, পেঁপে, কাঁচকলা, লাউয়ের মতো সব্জি সহজপাচ্য।‌ তাই এই ধরনের সব্জি নিয়মিত খেলে পেট ভালো থাকবে। 
    গরমে ত্বকের সমস্যা কমাতে বারবার ঠান্ডা জলে শরীর পরিষ্কার করা জরুরি। ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্তত দিনে দু’বার স্নান জরুরি। তাহলে গরম থেকে ত্বকে যে সংক্রমণ হয়, তা হওয়ার ঝুঁকি কমবে। তাই নিয়মিত সাবান দিয়ে দু’বার স্নানের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। পাশপাশি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুব দরকার না হলে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dandruff: শ্যাম্পু করেও খুশকি যাচ্ছে না? ঘরোয়া উপাদানেই হতে পারে অসাধ্য সাধন

    Dandruff: শ্যাম্পু করেও খুশকি যাচ্ছে না? ঘরোয়া উপাদানেই হতে পারে অসাধ্য সাধন

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শ্যাম্পু করেও কমছে না সমস্যা। বিশেষত বছরের এই সময়ে খুশকির (Dandruff) সমস্যা আরও বাড়ে।‌ তাই বাড়তি ভোগান্তি। শীতের শুরু থেকেই খুশকির সমস্যা বাড়ে। বছরের এই সময়ে অর্থাৎ শীতের শেষে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘরেই আছে খুশকিকে‌ মোকাবিলা করার উপাদান।

    কেন হয় খুশকি?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুষ্কতার কারণেই মূলত খুশকি হয়। খুশকি আসলে এক ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন। মালাসেজিয়া নামে এক ফাঙ্গাসের কারণে খুশকি বাড়ে। তবে খুশকি হওয়ার আরেক কারণ অপরিচ্ছন্নতা। মাথার ত্বক‌ নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এই ফাঙ্গাস বাসা বাঁধে। আর সেখান থেকেই খুশকির সমস্যা তৈরি হয়‌। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত শ্যাম্পু করা এবং মাথার চামড়া যাতে শুষ্ক না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাহলেই খুশকির (Dandruff) সমস্যা মোকাবিলা সহজ হবে।

    কোন ঘরোয়া উপাদান খুশকি কমাতে পারে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাথার চামড়ার যত্ন নিলেই খুশকি কমবে। তাই নিয়মিত মাথার চামড়া পরিষ্কার রাখা জরুরি। খুশকি ফাঙ্গাস থেকে হয়। তাই জরুরি ফাঙ্গাসের মোকাবিলা করা। আর এই কাজে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে নিমপাতা। সপ্তাহে তিন-চার দিন নিমপাতার রস মাথার চামড়ার লাগিয়ে আধঘণ্টা রাখার পরে, শ্যাম্পু করলে খুশকি কমবে‌। ফাঙ্গাসের প্রকোপ কমবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, বারো থেকে পনেরোটা নিমপাতা বেটে সামান্য অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় মাখলে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি উপকার পাওয়া যাবে। নিমপাতার অ্যান্টি ফাঙ্গাস উপাদান খুশকি (Dandruff) কমাতে সাহায্য করে।

    লেবুর রস

    নিমপাতার পাশপাশি খুশকি (Dandruff) কমাতে সাহায্য করে লেবুর রস। সপ্তাহে অন্তত একদিন লেবুর রস মাথায় মাখলে খুশকি কমবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাথার চামড়া শুষ্ক হয়ে গেলে খুশকির রস মাথায় মাখলে সেই সমস্যা কমে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, সপ্তাহে একদিন লেবুর রস মাথায় লাগিয়ে পনেরো মিনিট থাকতে হবে। তারপরে শ্যাম্পু্ করলে চুল ভালো থাকবে। লেবুর রসে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি। আর ভিটামিন সি মাথার চামড়া শুষ্ক হতে দেয় না। তাই খুশকি মোকাবিলায় লেবু্র রস বিশেষ উপকারী।

    পেঁয়াজ (Dandruff)

    খুশকি কমাতে পেঁয়াজ বিশেষভাবে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পেঁয়াজের রসে থাকে অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এই দুই উপাদান খুশকি কমাতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই সপ্তাহে একদিন পেঁয়াজ বেটে তার রস মাথার চামড়ায় লাগালে উপকার পাওয়া যাবে। তবে পেঁয়াজের রস মাথায় মিনিট দশেকের বেশি রাখা উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারপরেই ভালোভাবে শ্যাম্পু করে চুল পরিষ্কার করে নেওয়া জরুরি। 
    এগুলোর পাশপাশি আপেল ভিনিগারে চুবিয়ে মিনিট দশেক মাথায় লাগিয়ে রাখলে খুশকি (Dandruff) কমতে পারে। তবে ভিনিগারে চুবিয়ে রাখা আপেল চুলে বেশি‌ ব্যবহার না‌ করাই ভালো বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, এতে অনেক সময়েই চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Skin: শীতে রুক্ষ ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন? দেখে নিন, এগুলো করছেন না তো?

    Dry Skin: শীতে রুক্ষ ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন? দেখে নিন, এগুলো করছেন না তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতকাল শুরু হয়েছে। ঠান্ডা বাতাসে এই সময় ত্বক রুক্ষ (Dry Skin) হয়ে যায়। পা ফাটা তো এক বড় সমস্যা। প্রতি ঘরেই রয়েছে। রুক্ষ ত্বককে তেলতেলে বানাতে বাজারে বডি লোশনের অভাব নেই।

    কিন্তু বডি লোশন বা আরও যেকোনও প্রসাধনী ব্যবহার করলেই কি রুক্ষ ত্বকের সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়? রুক্ষ ত্বকের (Dry Skin) জন্য দায়ী থাকে সাধারণত পাঁচ ধরনের অভ্যাস। সেগুলি জেনে নিন—

    ১) জল কম পান করা 

    যদি ঠিক পরিমাণ মতো জল না খেয়ে থাকেন, তাহলে ত্বক রুক্ষ (Dry Skin) হবেই। পরিমাণ মতো জল পান না করলে ডিহাইড্রেশনও হতে পারে। রুক্ষ ত্বকের (Dry Skin) সঙ্গে ডিহাইড্রেশনের যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যেকোনও ডাক্তার বলুন অথবা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, তাঁরা পরিমাণ মতো জল খাওয়ার পরামর্শ দেন।

    ২) পরিমাণ মতো মাছ রাখতে হবে খাবার পাতে

    স্বাস্থ্য বিশারদরা নির্দিষ্ট পরিমাণ মাছ খাদ্য তালিকায় রাখতে বলছেন। DHA এবং EPA omega-3 fatty acid, ‘Healthy fat’ মাছে থাকে। যার ফলে দৃষ্টিশক্তি ভাল হয়, মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে এবং হার্টের পক্ষেও ভাল। খাবার পাতে তৈলাক্ত মাছ ত্বককে আর্দ্র রাখে।

    আরও পড়ুন: এই পাঁচ খাদ্যাভ্যাসে আপনার ওজন কমবে, শরীর ফিট থাকবে 

    ৩) প্রচুর পরিমাণে মদ্যপান ত্বককে শুষ্ক (Dry Skin) করে দেয়

    মদ্যপান যদি কারও অভ্যাসে পরিণত হয় তবে তা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং ডিহাইড্রেশনের কারণ বলেও মনে করেন ডাক্তাররা। অতিরিক্ত মদ্যপানে ত্বক রুক্ষ (Dry Skin) হয়ে যায়।

    ৪) ডিম খাওয়ার সময় কুসুম বাদ দেবেন না

    ডিমের কুসুম হল পুষ্টির উৎস, ভিটামিন-ডি থাকে ডিমের কুসুমে। ভিটামিন-ডি আবার ত্বককে উজ্জ্বল এবং আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। তাই ত্বককে আর্দ্র রাখতে  ডিমের কুসুম কখনও এড়িয়ে যাবেন না। 

    ৫) বাজার চলতি হেল্থ সাপ্লিমেন্ট এড়িয়ে চলুন

    দৈহিক ওজন বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যের বিকাশের জন্য অনেকেই বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট নেন। খাবার অথবা পানীয়ের সঙ্গে। এগুলি শরীরকে রুক্ষ (Dry Skin) করে দেয়। অন্তত বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share