Tag: Durand Cup

Durand Cup

  • Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডার্বি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেও চুপচাপ মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) কোচ জুয়ান ফেরান্দো। শুধুই ঠোঁটের কোণে  হালকা হাসির রেখা।  বাকি সময় শান্ত। এটাই কি সেরা ডার্বি জয়? ফেরান্দোর উত্তর, “এটা বলা যাবে না। কারণ গোটা প্রতিযোগিতাতেই অনেক কঠিন দলের বিরুদ্ধে খেলেছি আমরা। মুম্বই সিটি, এফসি গোয়া, আজ ইস্টবেঙ্গল— কারও বিরুদ্ধেই জেতা সহজ হয়নি। নিজেদের বার বার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে আগেও বলেছি এটা প্রাক মরসুম প্রস্তুতি। খেলোয়াড়েরা চাপের মুখে নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। এখনও উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে।”

    কী বললেন কুয়াদ্রাত

    অন্যদিকে, ট্রফি জিততে না পারলেও ক্রমশ হারতে থাকা একটা দলকে সাফল্যের পথ দেখাতে পেরে খুশি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত। ফাইনালে ওঠার জন্য দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব দিলেন তিনি। কুয়াদ্রাতের কথায়, “আমার মনে হয় শেষ বার ইস্টবেঙ্গল কোনও ট্রফি জিতেছে ২০১৯ সালে। তার আগে জাতীয় পর্যায়ের কোনও প্রতিযোগিতায় জিতেছে ২০১২ সালে। তা হলে এত দিন পরে যে একটা প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে পেরেছি আমরা এটাই গর্বের ব্যাপার নয় কি?”এর পরেই পড়শি ক্লাবের উদাহরণ টেনে এনেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। বলেছেন, “যে কোনও প্রোজেক্ট সফল ভাবে দাঁড় করাতে সময় লাগবে। আমরা গত তিন বছর আইএসএল খেলছি। মোহনবাগানও তিন বছর আগে আইএসএলে এসেছে। প্রথম বার ওরা রানার্স হয়েছিল। বেশির ভাগ প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনাল বা ফাইনালে গিয়েই দৌড় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এত দিন পর ট্রফি জিতেছে। আইএসএলের পর ডুরান্ড কাপ। ওদের কাছে আর্থিক শক্তিও বেশি ছিল। তাতেও ওদের সময় লেগেছে। তাই এই পদক জিতে আমি গর্বিত। অনেকের কঠোর পরিশ্রম জড়িয়ে আছে এই ফলের পিছনে। এখনও অনেক কাজ করতে হবে আমাদের।”

    গোটা দলকে কৃতিত্ব দিলেন ফেরান্দো

    ডুরান্ড কাপে (Durand Cup 2023) ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত (Carles Cuadrat) হয়ে উঠেছিলেন স্বপ্নের সওদাগর। কিন্তু ফাইনাল ল্যাপটা আর পার করাতে পারলেন না তিনি। জ্বলন্ত লাল-হলুদ মশাল নিভিয়ে দিল সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। জুয়ান ফেরান্দোর (Juan Ferando) আইএসএল চ্যাম্পিয়ন টিম জিতল ১৭ নম্বর ডুরান্ড কাপ। গঙ্গাপাড়ের শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের লকাররুমে ঐতিহ্যবাহী ট্রফিটি এনে দিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস (Dimitri Petratos)। তাঁর একমাত্র গোলই মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়ন করে দিল। দশ জনে হয়ে যাওয়ার পরে কোনও দল ডার্বির মতো এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিতেছে, এমন উদাহরণ খুব বেশি নেই। কয়েক জন ফুটবলারকে বদলেই বাজিমাত করে গেলেন ফেরান্দো। কী বলেছিলেন ফুটবলারদের? স্প্যানিশ কোচের উত্তর, “দলকে একটা কথা সব সময়েই বলি, কঠিন সময়েই নিজেদের সেরাটা বের করে আনতে হবে। রোজ বলার কারণে এ রকম মুহূর্তে কী করতে হবে সেটা ওরা বুঝে গিয়েছে। তাই আমার কাজ ছিল স্রেফ কৌশলের ব্যাপারটা ঠিক রাখা। বাকিটা ফুটবলারেরাই জানত যে কাকে কী করতে হবে। ও রকম পরিস্থিতিতে থেকেও ম্যাচ বের করার জন্য গোটা কৃতিত্ব দলের।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    লাল কার্ডটাই টার্নিং পয়েন্ট

    ডার্বির একমাত্র গোল যাঁর পা থেকে এসেছে, সেই দিমিত্রি পেত্রাতোস ম্যাচের পর আবেগপ্রবণ হয়ে বললেন, “আসলে তখন এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম যে কী করছি নিজেই জানতাম না। মনে হয়েছিল নিজের দলের সমর্থকদের সঙ্গে এই সেলিব্রেশন করা দরকার। তাই ওই দিকে ছুটে গিয়েছি।” ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের মতে, অনিরুদ্ধ থাপার লাল কার্ডটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। বলেছেন, “ওদের কাছে প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। একজন ফুটবলার কমে যাওয়ায় ওদের হারানোর কিছু ছিল না। তাই আক্রমণ করা ছাড়া ওদের কাছে উপায় ছিল না। সেটাই করেছে। আমাদের সেই সময় নিজেদের আরও নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার ছিল। সেটা আমরা পারিনি। তবে এর থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষা নিতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। ১-০ গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে কাপ জিতে নিল মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোল শূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলটি করেন দিমিত্রি প্রেত্রাতোস। খেলার ৭১ মিনিটের মাথায় গোলটি করেন মোহনবাগানের ফরওয়ার্ড। খেলা শুরুর চার মিনিটের মাথায় প্রথম কর্নার পায় মোহনবাগান। যদিও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন বাগানি সেনারা। ১৫ মিনিটের মাথায় ফের কর্নারের সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় সবুজ মেরুন। খেলার ৩০ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। যদিও তা আটকে দেয় সবুজ মেরুনের রক্ষণ।

    ইস্টবেঙ্গল ব্যাকের চোট

    এদিকে, ম্যাচের (Durand Cup) প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল ব্যাক এলসে চোট পান। তাঁর বদলে নামানো হয় পার্দোকে। তবে তাতে অবশ্য কাজ হয়নি। প্রথমার্ধ গোলশূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলের সুযোগ পায় লাল হলুদ। ৪৭ মিনিটের মাথায় আনোয়ার আলির ব্যাক পাস আর একটু হলেই পেয়ে যাচ্ছিলেন সিভেরিয়ো। তবে বিশাল কাইথ বল বের করে দেওয়ায় গোল আর হয়নি। এদিনের ম্যাচে দু’ বার হলুদ কার্ড দেখানো হয়। একবার দেখানো হয় ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতকে।

    অনিরুদ্ধকে লালকার্ড

    দ্বিতীয়বার দেখানো হয় অনিরুদ্ধ থাপাকে। তাঁকে লালকার্ডও দেখানো হয়। এর পরেই মাঠে লড়াইয়ের দায়িত্ব চলে আসে বাগানের ১০ জনের ঘাড়ে। এর পরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সবুজ মেরুন। তার সুফলও ফলে অচিরেই। ৭১ মিনিটের মাথায় গোল করে মোহনবাগান। ১-০ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। যদিও বাগানি সেনারা গোল করার পরে পরেই সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেন নন্দকুমার। মহেশের ক্রসে বক্সের ভিতরে ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করেন তিনি। যদিও বল সরাসরি লাগে বিশালের হাতে।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, উনিশ বছর পর আজ, রবিবার ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। এদিন বাড়তি জয় গেল সবুজ-মেরুন ঝুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোট ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। পাঁচবার জিতেছে বাগান। দুবার ম্যাচ ছিল অমীমাংসীত, যুগ্ম বিজয়ী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Kolkata Derby: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    Kolkata Derby: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহান্তে ক্রীড়াপ্রেমী বাঙালির মন মজেছে ক্রিকেট-ফুটবলে। শনিবারের সন্ধ্যায় এশিয়া কাপে ক্রিকেটের বাইশ গজে ভারত-পাকিস্তান মহারণ। আর রবিবাসরীয় বিকেলে ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। ময়দানে টিকিট নিয়ে হাহাকার। বৃহস্পতিবার মোহনবাগান জেতার পর থেকেই সমর্থকদের মধ্যে টিকিট কাটা নিয়ে উন্মাদনা শুরু হয়ে যায়।

    সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা

    দীর্ঘ ১৯ বছর বাদে ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। এত দিন এই ম্যাচে মোহনবাগানের আধিপত্য ছিল। ফলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ কমে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন কোচের অধীনে ইস্টবেঙ্গল যথেষ্টই ভাল খেলছে। ডুরান্ডের গ্রুপ লিগের ম্যাচেও জয় পেয়েছে লাল-হলুদ শিবির। ফলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আশা জেগেছে। সেই কারণেই দুই প্রধানই টিকিট নিয়ে আগে থেকেও বেশি আগ্রহী বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    কী ভাবছে সবুজ-মেরুন

    চলতি মরসুমের দ্বিতীয় ডার্বি আয়েজিত হতে চলেছে সল্টলেক স্টেডিয়ামে। এবার বদলা নেওয়ার পালা সবুজ-মেরুনের। শেষবার ২০০৪ সালের ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দ্বৈরথ দেখা গিয়েছিল। সেবার ২-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় লাল হলুদ বাহিনী। যদিও বদলার বিষয়টি নিয়ে ফেরান্দো অবশ্য বলেছেন, ‘না। এটা প্রাক মরশুম একটা টু্র্নামেন্ট। এখানে এই বদলার কোনও বিষয় আমাদের মাথাতে নেই। এখানে বিভিন্ন পজিশনে বিভিন্ন ফুটবলারকে খেলিয়ে খেলিয়ে তৈরি করাটাই আসল লক্ষ্য।’ 

    কী ভাবছে লাল-হলুদ

    ডুরান্ড ফাইনালে আরও একটি ডার্বির আগে ইস্টবেঙ্গলের স্পেনের কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য মেনে নিয়েছেন, এ বারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা।  কুয়াদ্রাতের কথায়, “ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে যে মোহনবাগানকে দেখেছিলাম এই দল তার থেকে আলাদা। ওই ম্যাচের পর ওরা অনেক ম্যাচ খেলেছে। ডুরান্ড, এএফসি কাপের ম্যাচ খেলেছে। বাংলাদেশ, নেপালের চ্যাম্পিয়ন দলকে হারিয়েছে। এখানে দেশের সেরা মুম্বই সিটিকে হারিয়েছে। দলের কৌশলও অনেক বদলে গিয়েছে। ওদের কোচ দলের মানসিকতা বদলে দিতে চাইছে। শারীরিক ভাবেও বেশ ফিট ওরা। তবে অনেক ম্যাচেই ওরা খুব কম ব্যবধানে জিতেছে। কখনও একটা পেনাল্টি থেকে খেলার মোড় ঘুরে গিয়েছে। তবে ওদের খেলা ভোঁতা করার জন্যে আমাদের হাতেও অস্ত্র রয়েছে।”

     

  • Durand Cup: রবিবার কলকাতা ডার্বি, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল

    Durand Cup: রবিবার কলকাতা ডার্বি, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ফের মুখোমুখি হতে চলেছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। সৌজন্যে কলকাতা ডার্বি (Durand Cup)। ১৯ বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি সবুজ-মেরুন ও লাল-হলুদ। বৃহস্পতিবার গোয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ওঠে মোহনবাগান। এদিন শুরুতে এক গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে নেয় বাগান। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল ১-১। মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন জেসন কামিন্স ও আর্মান্দো সাদিকু। আর গোয়ার হয়ে গোলটি করেন নোহা। এদিকে, আগের সেমিফাইনালে নর্থইস্টকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল। সেই কারণেই রবিবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।

    আক্রমনাত্মক গোয়া

    এদিন শুরুর দিকে এফসি গোয়াকে আক্রমনাত্মক খেলতে (Durand Cup) দিলেও, ম্যাচ ধরে খেলার দিকে নজর দেয় বাগান। তাই জাঁকিয়ে বসার চেষ্টা করে গোয়া। ১০ মিনিটে একাধিকবার বাগানের সুপার জায়ান্টসের বক্সে ঢুকে যায় গোয়া। মাঝমাঠের দখলও নিয়ে নেয় তারা। ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় আক্রমণ শুরু করে মোহনবাগান। যদিও গোয়ার বক্সে ঢুকে পড়লেও, গোল করতে পারেনি। ১৬ মিনিটের মাথায় ফের আক্রমণ। অবশ্য গোল পায়নি বাগানি সেনারা। ২৩ মিনিটের মাথায় গোল করেন গোয়ার নোহা। ১ গোলে এগিয়ে যায় গোয়া।

    ঝড় তোলে মোহনবাগান

    তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে মোহানবাগান। তার আগে অবশ্য ৪২ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় বাগান। বক্সে ঢোকার চেষ্টা করেন সাহাল আবদুল সামাদ। তাঁকে ফাউল করেন গোয়ার ডিফেন্ডার। সাদা চোখে মনে হচ্ছিল ফাউল (Durand Cup) হয়েছে বক্সের বাইরে। গোয়ার ফুটবলাররাও সেই দাবি জানান লাইন্সম্যান ও রেফারির কাছে। কিন্তু রেফারি পেনাল্টি দেন। স্পট থেকে গোল করেন কামিংস। ১-১ গোলে বিরতিতে যায় দু দল।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল সমাবেশে বেফাঁস মন্তব্য, চটে লাল রাজবংশী, মতুয়ারা, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুরও

    দ্বিতীয়ার্ধে হুগো বোমাসকে তুলে নামানো হয় সাদিকুকে। নেমেই বাজিমাত করেন তিনি। ৬২ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে জয়সূচক গোলটি করেন তিনি। খেলা শেষের দিকে বক্স থেকে বক্সে খেলা হচ্ছিল। গোল শোধ করে সমতা আনার মরিয়া চেষ্টা করছিল গোয়া। ডিফেন্স করছিল বাগানি সেনারা। শেষতক আর গোল করতে পারেনি গোয়া। ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal: ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ! ২ গোলে পিছিয়ে ম্যাচ জয় ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal: ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ! ২ গোলে পিছিয়ে ম্যাচ জয় ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ফাইনালে উঠল ইস্টবেঙ্গল। চার বছর আগে, ২০১৯-এ গোকুলাম কেরালা এফসি-র কাছে টাইব্রেকারে হেরেই সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal)। সেই অভিশাপ এবার কাটল লাল-হলুদের। ডুরান্ড কাপে অনবদ্য ছন্দে ইস্টবেঙ্গল। আর আগামী শনিবার এশিয়া কাপে ভারত-পাক মহারণের পর রবিবার কলকাতা ডার্বি দেখার আশায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ক্রীড়াপ্রেমীরা।

    গোছানো ফুটবল, তবু পরাস্ত

    গোটা ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল মোটেও ভালো ফুটবল খেলেনি। বরং নর্থইস্ট অনেক গোছানো ফুটবল খেলেছে। মাঝমাঠের দখল পুরোটাই নিজেদের হাতে রেখেছিল নর্থইস্ট। তারা পরিকল্পনা করে ফুটবল খেলেছে। যার ফলও তারা পেয়েছিল হাতেনাতে। প্রথমার্ধেই ১-০ এগিয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ২-০ করে নর্থইস্ট। ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal) তখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেন না। পার্থিব গোগোই, জিতিন এমএসের মতো ভারতীয় ফুটবলার দলের সম্পদ। থাই লিগে খেলা বিদেশি মেলো ও আক্রমণাত্মক ফুটবলার রোমানও দারুণ ছন্দে ছিলেন। সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাইশ মিনিটে এগিয়ে গেল নর্থ ইস্ট। বাঁদিক থেকে ফাল্গুনীর ক্রসে হেডে গোল করে গেলেন মিগুয়েল। ইস্টবেঙ্গলের ২ ডিফেন্ডার একেবারেই জায়গায় ছিলেন না। ৫৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়াল হাইল্যান্ডর। এবার ফাল্গুনি একক প্রচেষ্টায় দেখার মত একটা গোল করলেন।

    আরও পড়ুন: এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের পরের দিনই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে বিসিসিআই?

    স্বপ্ন দেখার শুরু 

    ম্যাচের ৭৭ মিনিটে ক্লেটন সিলভার ক্রস থেকে নওরেমের শট দীনেশের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলে ঢুকে যায়। এটা হয় প্রথম টার্নিং পয়েন্ট। আর ম্যাচের ইনজুরি টাইমে জাবাকোর লালকার্ড (ডবল ইয়েলো) হয়ে যায় দ্বিতীয় টার্নিং পয়েন্ট। নর্থইস্ট দশ জন হওয়ার পরের মুহূর্তেই নন্দর গোলে ২-২ করে ফেলে লাল-হলুদ। তখন ইনজুরি টাইমের মিনিট খানেক বাকি। নর্থইস্টের আর কিছু করার ছিল না। খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুট আউটে মিস করলেন নর্থইস্টের পার্থিব। নন্দকুমারের শট জালে জড়াতেই ১৯ বছর পর ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। ভালো খেলেও ছিটকে যেতে হল পাহাড়ের দলটিকে। এবার কোচ কুয়াদ্রাতের হাত ধরে স্বপ্ন দেখার শুরু লাল-হলুদ জনতার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল আগেই ডুরান্ড কাপের সেমি ফাইনালে জায়গা পাকা করেছিল। রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে বড় গাঁট মুম্বই সিটিকে হারিয়ে শেষ চারের টিকিট পাকা করেছে মোহনবাগান। এক্ষেত্রে  ১৯ বছর পর ফের ডুরান্ড ফাইনালে মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গলের (Kolkata Derby) লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০৪ সালে ওই ম্যাচ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল।

    সেমিফাইনালে কার প্রতিপক্ষ কে

    মঙ্গলবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হচ্ছে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। বিশেষজ্ঞদের মতে পাল্লা ভারী কার্লোস কুয়াদ্রতের দলের। আর মুম্বই সিটিকে হারিয়ে টগবগ করছে কামিংসরা। বৃহস্পতিবার সবুজ মেরুন ব্রিগেড শেষ চারে খেলবে গোয়া এফসির বিরুদ্ধে। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ফাইনালে খেলা উচিত মোহনবাগানের। সেক্ষেত্রে রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আরও এক মহারণ দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবল প্রেমীরা। উল্লেখ্য, মরশুমের প্রথম ডার্বিতে আন্ডারডগ হয়েও মোহনবাগানকে হারিয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বিশাল বাজেটের টিম নিয়ে জিততে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল মোহন কোচ হুয়ান ফেরান্দোকে। তবে ফাইনালে যদি ফের ইস্ট বেঙ্গলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় মোহনবাগান, তাহলে অবশ্যই বদলা নেওয়ার চেষ্টা করবে ফেরান্দোর ছেলেরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সবকিছু করতে পারি…’’! বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতে আরও কঠোর প্রতিজ্ঞা নীরজের

    কাপ জয়ের হাতছানি

    ইস্ট বেঙ্গল শেষ বার ডুরান্ড জিতেছিল ২০০৪ সালে। সেটাই ছিল শেষ বার। তারপর আর লাল হলুদ ব্রিগেড ফাইনালেই উঠতে পারেনি। মোহনবাগানের অবস্থা আরও খারাপ। ১৯৯৯-২০০০ সালে তারা মাহিন্দ্রা ইউনাইটেডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।  ২০১৯ সলে ফাইনালে উঠলেও খালি হতে ফিরতে হয়েছিল সবুজ মেরুন বাহিনীকে। এবার সেই আপসোস মেটানোর সুযোগ রয়েছে সবুজ-মেরুনের কাছে।।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুটা দেখে মনে হয়নি সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। কিন্তু বড় ম্যাচে মোহনবাগানকে হারানোর পর বদলে যায় সব কিছু। কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেদের মনোবল তুঙ্গে। যার প্রমাণ মিলল আরও একবার। বুধবার গ্রুপ “এ” ম্যাচে রাউন্ড গ্লাস পাঞ্জাব এফসিকে ১-০ গোলে হারালো লাল হলুদ ব্রিগেড। একমাত্র গোলটি করেন জেভিয়ার সিভেরিও।

    ঝুলে মোহনবাগানের ভাগ্য

    ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) শেষ আটে জায়গা পাকা করলেও, ঝুলে রইলো মোহনবাগানের ভাগ্য। কারণ, ডুরান্ড কাপের নিয়ম অনুযায়ী ছটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। আর গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির মধ্যে সেরা দুটি দল শেষ আটে খেলার সুযোগ পাবে। তাই সবুজ মেরুন ব্রিগেডকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দল গুলির দিকে।

    আরও পড়ুন: ২৫ অগাস্ট থেকেই বিশ্বকাপের টিকিট! জেনে নিন কীভাবে পাবেন

    ম্যাচ-এর রিপোর্ট-কার্ড

    পাঞ্জাবের দলটির বিরুদ্ধে জয় পেলেও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কিন্তু সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারেনি। প্রথম ১৫ মিনিটে গোল করার একাধিক সুযোগ পেয়েছিল পাঞ্জাবের দলটি। পর পর আক্রমণ আছড়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সে। কিন্তু অধিনায়ক হরমোনজ্যোত খাবরা ও গোলকিপারের প্রচেষ্টায় সেই আক্রমণ সফল হয়নি। তবে প্রাথমিক ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়ায় ইস্ট বেঙ্গল। ২২ মিনিটে পাঞ্জাব এফসি-র বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু পাঞ্জাবের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল বাইরে গেলে কর্নার হয়। সেই কর্নার থেকে হেডে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন জেভিয়ার সিভেরিও। গোটা ম্যাচে আর গোল হয়নি। তবে দুই দল অনেক সুযোগ পেয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ডার্বি জিতল ইস্ট বেঙ্গল। ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল লাল হলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের নায়ক নন্দকুমার শেখর। সাড়ে চার বছর পর নন্দকুমারের গোলে ডার্বি জয় লাল হলুদ শিবিরের। এর আগে টানা আটটি ডার্বি জিতেছিল মোহনবাগান। ম্যাচের শুরু থেকেই তাগিদ স্পষ্ট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। মোহনবাগান অনেকবার পেনাল্টি বক্সের কাছে পৌঁছলেও বক্সের ভিতরে ঢুকতে পারছিল না প্রতিবার। উগো বুমো কয়েকটা শট নেন বক্সের বাইরে থেকেই। ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স বেশ জমাট দেখায় প্রথম থেকেই। উল্টো দিকে, ইস্টবেঙ্গল প্রথমার্ধেই কয়েকবার পৌঁছে গিয়েছিল গোলের কাছে। কখনও ডিফেন্ডাররা বের করে দেন। কখনও কিপার বাঁচান। তবে সাকুল্যে গোলের লক্ষ্যে শট ছিল মাত্র দুটি। মোহনবাগান ১১টা শট নিলেও তার বেশিরভাগই ছিল গোলের বাইরে। 

    ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়

    আবেগের বড় ম্যাচে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অনেকটাই এগিয়ে ছিল সবুজ মেরুন। অন্য দিকে, আন্ডারডগ তকমাই যেন অ্যাডভান্টেজ ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচে কাউকেই এগিয়ে পিছিয়ে রাখা যায় না। এ বারও পরিস্থিতি অন্যথা হল না। সিলেবাসের বাইরে থেকে ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়। শনিবার কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়লাভ করেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ২৭ বছর বয়সি চেন্নাইয়ের ফুটবলার নন্দকুমার শনিবারই প্রথম ডার্বি ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে তিনি ইস্টবেঙ্গল দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দিলেন। জয়সূচক গোলও সেটাই। ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি জয়ের নায়ক বললেন, “বলে বোঝাতে পারব না। এখানে আসার পর থেকেই সমর্থকদের উৎসাহ চোখে পড়ছে। আর আজকের মত পরিবেশে খেলা তো যে কোনো ফুটবলারের স্বপ্ন।”

    কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচের দিকে নজর দিচ্ছেন বেশি করে। জানালেন, সমর্থকদের জন্য খুব খুশি। গত দু বছর খুব একটা সাফল্য পায়নি ক্লাব তা সত্ত্বেও এই সমর্থন উৎসাহ দিয়েছে খেলোয়াড়দের। কুয়াদ্রাত আরও বলেন, মোহনবাগানের সামনে বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে, সে কারণে হয়তো অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে চেয়েছিল ওরা। আমি শুধু ফুটবলারদের বলেছিলাম কাউন্টার অ্যাটাক আর সেটপিস গুলো কাজে লাগাতে।

    আরও পড়ুন: গোল খেয়ে ধরাশায়ী জাপান! এশীয় হকির ফাইনালে ভারত

    অন্যদিকে , ডার্বিতে হার মেনে নিতে পারছেন না মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন। আটটা ম্যাচ পর তারা জয় পেল। এটা অত্যন্ত ভালো ওদের জন্য। ম্যাচের পর ম্যাচ একটা দল হারতে পারে না। একদিন না একদিন তো জিততেই হত। ওরা ভালো খেলেছে। আজ অনেক ভালো খেলেছে। আমরা যে খেলা খেলেছি তাতে জেতার যোগ্যতা ছিল না। ওরা অনেক ভালো ফুটবল খেলেছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Derby: মরশুমের প্রথম ডার্বি শনিবার! টিকিট নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে, কোন ব্লকের টিকিটের দাম কত?

    Derby: মরশুমের প্রথম ডার্বি শনিবার! টিকিট নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে, কোন ব্লকের টিকিটের দাম কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে মরশুমের প্রথম ডার্বি। মুখোমুখি ইস্ট বেঙ্গল ও মোহন বাগান। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের লড়াই ঘিরে বরাবরের মতো এবারও সমর্থকদের উন্মাদনা তুঙ্গে। বাড়ছে টিকিটের চাহিদা। ডুরান্ড (Durand Cup) কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে টিকিটের দাম। ডুরান্ড কাপে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গল শিবিরের ছবিটা একেবারেই ভিন্ন।

    কোন ব্লকের টিকিটের দাম কত

    যুবভারতীতে বিভিন্ন ব্লকে টিকিটের দাম আলাদা। তবে ১০০ টাকার টিকিটই বেশি। বি১, বি২ ও বি৩ ব্লকে টিকিটের দাম ১০০ টাকা। ডি১, ডি২ ও ডি৩ ব্লকেও ১০০ টাকায় টিকিট পাওয়া যাবে। ঠিক একই ভাবে সি১ ও সি৩ ব্লকেও প্রতিটি টিকিটের দাম ১০০ টাকা। শুধুমাত্র সি২ ব্লকে প্রতিটি টিকিটের দাম ২০০ টাকা করা হয়েছে। ডুরান্ড কাপে দুরুন্ত ছন্দে মোহন বাগান। তারা এখনও অপরাজিত। সেদিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে ইস্ট বেঙ্গল। গত ম্যাচে পাঞ্জাব এফসি তাদের আটকে দিয়েছে। তবে অতীতের পারফরম্যান্স দিয়ে ডার্বির ভবিষৎ নির্ধারণ করতে যাওয়া ভুল। স্নায়ুর চাপ নিয়ে যারা সেরাটা মেলে ধরতে পারবে, তাদের জেতার সম্ভাবনা বেশি।

    আরও পড়ুন: কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর! ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে ভারতের ঝুলিতে ২৬টি মেডেল

    দুই শিবিরে দুই ছবি

    টিকিট বণ্টন নিয়ে ক্ষুব্ধ ইস্ট বেঙ্গল। ক্লাবের পক্ষ থেকে ডার্বির টিকিট বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে উদ্যোগী কর্তৃপক্ষ। ডুরান্ড কাপে (Durand Cup) দুরন্ত ছন্দে রয়েছে মোহনবাগান। গ্রুপের প্রথম ম্যাচে স্বদেশী ব্রিগেড নিয়ে সবুজ মেরুন জার্সিধারীরা ৫-০ গোলে বস মানিয়েছিল বাংলাদেশ আর্মিকে। মোহনবাগান জয়ের ধারা অব্যাহত রাখে পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে। যদিও কোচ ওয়ান ফেরান্দো বড় ম্যাচের কথা মাথায় রেখে দলে বেশ কিছু পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি নামিয়েছিলেন হুগো দুমাস দ্বিমিত্রির মত বিদেশীদের। প্রত্যাশা মতোই পাঞ্জাব এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মোহনবাগান যা ডার্বির আগে সবুজ মেরুন ফুটবলারদের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। উল্টোদিকে ইস্টবেঙ্গল শিবিরের ছবিটা একেবারেই ভিন্ন। যে বাংলাদেশ আর্মিকে মোহনবাগান গোলের মালা পরিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে জিততে ব্যর্থ হয় লাল হলুদ ব্রিগেড। কারলস কুয়াদরাতে ছেলেরা ড্র করেই মাঠ ছাড়েন। পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে জেতার সুবর্ণ সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। দু গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরেও রক্ষণের ভুলে ম্যাচটি ড্র হয়। পয়েন্ট নষ্ট করে ইস্টবেঙ্গল। স্বাভাবিকভাবেই কার্লোস কুয়াদরাতের ওপর বাড়তি চাপ রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mohun Bagan: ডার্বি নিয়ে চিন্তিত নই! ফুটবলারদের ফিট রাখাটাই আসল, দাবি মোহন-কোচের

    Mohun Bagan: ডার্বি নিয়ে চিন্তিত নই! ফুটবলারদের ফিট রাখাটাই আসল, দাবি মোহন-কোচের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানের জয়ের ধারা অব্যাহত। সোমবার কিশোরভারাতী স্টেডিয়ামে সবুজ মেরুন ব্রিগেড ২-০ গোলে হারালো পাঞ্জাব এফ সি কে। প্রথম গোলটি আত্মঘাতী। দ্বিতীয় গোলটি করেন হুগো বোমাস। এই জয়ের সুবাদে গ্রুপ শীর্ষে চলে গেল মোহনবাগান। যা শনিবার ডার্বির আগে ফেরান্দোর ফুটবলারদের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে।

    আক্রমণাত্মক ফুটবল

    তবে স্কোরলাইন থেকে যদি মনে হয় ম্যাচটা একতরফা হয়েছে তাহলে ভুল হবে। শুরুতে দুই দল একে অপরকে মেপে নেওয়ার চেষ্টা করে। তার মধ্যে গড়ে ওঠে কিছু বিক্ষিপ্ত আক্রমণ। মনবীরের ক্রস থেকে প্রথম গোলটি হয়। ডান দিক থেকে আসা ক্রসটি ক্লিয়ার করতে গিয়ে পিছলে পড়ে যান পাঞ্জাব এফ সির মেলরয় আসিসি। বল তাঁর পায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায় (১-০)। দ্বিতীয়ার্ধে  ব্যবধান বাড়ান হুগো বোমাস। বাঁ দিক থেকে বিপক্ষের বক্সে বল ভাসান লিস্টন কোলাসো। যা ধরে গোল করার চেষ্টা করেন বোমাস। কিন্তু পাঞ্জাবের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ফিরতি বল গোলে ঠেলতে ভুল করেননি মোহনবাগনের তারকা স্ট্রাইকার।

    তবে বৃষ্টি ভেজা মাঠে পাসিং ফুটবল খেলতে বেশ সমস্যায় পড়েন দুই দলের ফুটবলাররা। মোহনবাগান কোচ হুগো ফেরান্দো এই মরশুমে প্রথমবার বিদেশীদের মাঠে নামালেন। অভিষেক হল আনোয়ার আলিরও। মোহনবাগানের এই জয় প্রত্যাশিত। কারণ দল গঠনের ক্ষেত্রে এবার কার্পণ্য করেননি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। কোটি কোটি টাকা খরচ করে শক্তিশালী দল গড়ে তুলেছেন। নিয়েছেন দেশের প্রথম সারির এক ঝাঁক ফুটবলারকে।

    চিন্তামুক্ত নন কোচ ফেরান্দো

    তবে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে মোহনবাগান জয় পেলেও চিন্তামুক্ত থাকতে পারলেন না কোচ ফেরান্দো। গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাঞ্জাব এফসি। ভাগ্য তাদের সহায় হলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতেও পারতো। জোয়ান মিরার শর্ট ক্রস পিসে লেগে প্রতিহত না হলে ব্যবধান কমাতে পারতো পাঞ্জাব। ৫৬ মিনিটে লুকাসের চকিত শট দক্ষতার সঙ্গে সেভ করেন মোহনবাগানে গোলরক্ষক বিশাল কেইথ। প্রিয় দলের জয় খুশির হাওয়া মোহনবাগান শিবিরে। সমর্থকদের উচ্ছাস ছিল চোখে পড়ার মতো। কারণ শনিবার মরশুমের প্রথম ডার্বি। অশ্বমেধ ঘোড়ার মতো ছুটছে সবুজ মেরুন ব্রিগেড। উল্টোদিকে ধুঁকছে ইস্টবেঙ্গল। তবে ফেরান্দো জানেন ডার্বির গুরুত্ব কতটা অপরিসীম। তাই ছেলেদের চাপ মুক্ত রাখতে তিনি বলছেন, “আমি শুধু ডার্বি নিয়ে ভাবছি না। একইসঙ্গে কলকাতা লিগ এবং এফসি কাপকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছি। সেই কারণেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হচ্ছে ছেলেদের। যাতে ক্লান্তি গ্রাস না করতে পারে। সামনে অনেক ম্যাচ। অবশ্যই ডার্বিকে বাড়তি প্রাধান্য দিতে হবে। তাই ফুটবলারদের ফিট রাখাটাও জরুরী।”

LinkedIn
Share