Tag: Durga Puja 2023

Durga Puja 2023

  • Amit Shah: বাংলায় পরিবর্তন আনাই লক্ষ্য! ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: বাংলায় পরিবর্তন আনাই লক্ষ্য! ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতিমুক্ত বাংলা চান, তার জন্যই দেবী দুর্গার আশীর্বাদ গ্রহণ করতে গুজরাট থেকে ছত্তিসগড় হয়ে কলকাতায় এসেছেন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে এসে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন আনতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। বাংলা থেকে দুর্নীতি, অন্যায়, অত্যাচার দ্রুত শেষ হোক, এই শক্তি মা আমাদের দিন, এই প্রার্থনা জানাই।”

    কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    শিয়ালদহের কাছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার অর্থাৎ লেবুতলা পার্কে এবারের পুজোর মণ্ডপ তৈরি হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আদলে। সেই মণ্ডপের উদ্বোধন করতে দ্বিতীয়ার সন্ধ্যায় ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসেছিলেন অমিত শাহ। এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ওই পুজোর প্রধান উদ্যোক্তা বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। ছিলেন মঠ ও মন্দিরের সাধু – সন্তরা। এদিন ফিতে কাটার কিছুক্ষণ  পরেই দিল্লির বিমান ধরার উদ্দেশে রওনা হয়ে যান অমিত শাহ। 

    বঙ্গবাসীকে শুভেচ্ছা 

    শুধুমাত্র মা দুর্গার আশীর্বাদ নেওয়ার জন্যই এদিন বাংলায় এসেছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। “রামমন্দির উদ্বোধনের আগে, আজ উত্তর কলকাতার এই মণ্ডপ গোটা বিশ্বের কাছে রাম জন্মভূমির বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে” দাবি শাহের। তিনি বলেন, “আজ আমি কোনও রাজনীতির কথা বলতে আসিনি। আমি পশ্চিমবঙ্গে আসব, রাজনীতির কথাও বলব, আর এখানে পরিবর্তন আনতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। জানুয়ারিতে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগেই উত্তর কলকাতার মানুষ রাম মন্দিরের উদ্বোধন করে দিয়েছেন। সেজন্য আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই। প্যান্ডেলে মায়ের সামনে গিয়ে গোটা দেশের জন্য সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনা করব।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Weather: রাতের পর থেকেই কমবে জলীয় বাষ্প, শীত শীত ভাব পুজোতেই

    Durga Puja Weather: রাতের পর থেকেই কমবে জলীয় বাষ্প, শীত শীত ভাব পুজোতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়েছে। মহালয়ার বিকেল থেকেই চলছে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের পালা। দুর্গা পুজো বাঙালির কাছে এক শিল্পও বটে। নানান সাজে সেজেছে কলকাতা। কোথাও ডিজনি ল্যান্ড তো কোথাও চন্দ্রযান। কোথাও রাম মন্দির, কোথাও কেদার নাথ। শহরের বুকেই নানান দর্শন। পুজো মানেই সকাল থেকে রাত-পাঁচটা দিন চুটিয়ে আনন্দের সময়। ৮ থেকে ৮০ সব ভুলে পুজোর গন্ধে মাতোয়ারা থাকে। তাই পুজোর আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা ভাবিয়ে তোলে উৎসবমুখর বাঙালিকে। তবে মৌসম ভবনমের পূর্বাভাসে (Weather Update) সেই চিন্তার ইতি।

    হালকা শীতের আমেজ

    পুজোর সময় আবহাওয়া (Weather Update) থাকবে মনোরম। এমনকি সেইসময় রাতে পাওয়া যাবে হালকা শীতের আমেজ। দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমবে।ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী অর্থাৎ ২০ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বঙ্গে আবহাওয়া মনোরম থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। নবমী, দশমী অর্থাৎ ২৩ ও ২৪ অক্টোবর আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। কোনও কোনও জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পুজোর কদিন রাজ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দখিনা হাওয়ার পরিবর্তে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব থাকবে। ফলে প্যান্ডেল হপিং, খাওয়া দাওয়া, আড্ডায় বড় বাধা নেই। পাঁচ দিন দুর্যোগের সম্ভাবনা নেই। পুজোর শেষের কদিন আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও ভারী বৃষ্টি হবে না।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি! একসপ্তাহে শহরে নতুন করে আক্রান্ত ১,৩৬৭

    কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া 

    রাজ্যের কোথাও ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। উত্তরে পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে যদিও। নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনের পর থেকে তাও ক্রমশ কমতে শুরু করবে। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী রোদ ঝলমলে আবহাওয়াই থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমাঞ্চল সহ কোনও কোনও জেলায় এই উইকেন্ডে ভোরের দিকে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অনুভূত হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে তৃতীয়া পর্যন্ত জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কিছুটা থাকবে। ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্প  কমবে। শুষ্ক হবে আবহাওয়া। পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলায় চতুর্থী থেকে ভোরের দিকে সামান্য শিরশিরানি ভাব থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের কোথাও।

    উত্তরের জেলায় সামান্য বৃষ্টি

    পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তরাই ডুয়ার্স ও সমতলে বৃষ্টির তেমন আর কোনও সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং,কার্শিয়ং ও কালিম্পং ছাড়া বাকি উত্তরবঙ্গে সোমবার রাতের পর থেকেই জলীয় বাষ্প কমতে শুরু করবে। তৃতীয়া থেকেই ভোরের দিকে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অল্প অল্প করে অনুভূত হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sreebhumi Puja Pandel: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    Sreebhumi Puja Pandel: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়িতে তখন রবিবার সন্ধ্যা ৬টা! যশোর রোড লেকটাউনের মুখ থেকে কোলে শিশু-কন্যাকে নিয়ে নেমে পড়লেন মা। বাস ঢুকবে না ভিআইপি রোডের দিকে। পুলিশ জানাল, রাস্তা বন্ধ। কারণ, শ্রীভূমি! অটোর লাইনে দাঁড়িয়ে শ-দেড়েক মানুষ। রিক্সা নেই! রাস্তায় যেন জনসমুদ্র। প্রতিপদ না সপ্তমীর (Durga Puja 2023) সন্ধ্যা বোঝা দায়! গন্তব্য শ্রীভূমি।

    তীব্র যানজট, দিশেহারা মানুষ

    লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব (Sreebhumi Sporting Club))। শ্রীভূমির এবারের থিম, ডিজনিল্যান্ড। যা দেখতে ইতিমধ্যে লোকের ভিড় (Traffic jam) বাড়তে শুরু করেছে। আর এই ভিড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যান চলাচলেও। বলা ভাল, লেকটাউনে ব্রিজে ওঠার মুখ একেবারে থমকে গিয়েছে। তাই যাঁরা বিমানবন্দর যাবেন, তাঁদের অন্য পথে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে কলকাতা পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি হেলায় উড়িয়ে কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণে ছড়িয়ে পড়ছে ‘শ্রীভূমি’আতঙ্ক। লেকটাউন ব্রিজে ওঠার মুখে তীব্র যানজট। খুব ধীরে গাড়ি এগোচ্ছে। বলা যায়, যে পথ যেতে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে, সেটা পৌঁছতে রবিবার সময় লেগেছে ১ ঘণ্টা। শয়ে-শয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    ঘুরপথে বিমানবন্দরে

    বাইপাস থেকে এয়ারপোর্ট যাওয়ার সহজতম রুট হল লেকটাউন ব্রিজ। কিন্তু, যেরকম যানজট হয়েছে, সেখানে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে অনেকটা বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। তাই এয়ারপোর্ট যেতে হলে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার থেকে নিউ টাউনের রাস্তা ধরার পরামর্শ দিচ্ছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। যদিও সেক্ষেত্রে অনেকটা রাস্তা ঘুরতে হবে। কিন্তু, যানজট এড়াতে এবং সময়ের মধ্যে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে আর কোনও উপায় দেখছে না পুলিশ। বিমানবন্দর মুখী বাইপাস, বা হাডকো মোড় থেকে উল্টোডাঙা মেন রোডের দিকে যান চলাচল সন্ধার পর থেকেই কিছুটা ধীর গতিতে চলতে শুরু করছে।

    আরও পড়ুন:কলকাতায় রামমন্দির! উদ্বোধনে অমিত শাহ, দুপুর ২টোয় বিমানবন্দরে নামবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বন্ধ রাস্তা

    ভিআইপি ব্রিজ থেকে কলকাতা স্টেশন রোড এবং ক্যানাল সার্কুলার রোডের মুখে সন্ধ্যার পর থেকেই প্রচণ্ড জ্যাম হতে শুরু করে দিয়েছে। গাড়ি চলাচলের গতি অনেকটাই কমে গিয়েছে। প্রতিপদের রবিবার যা অবস্থা তাতে আগামী, রবিবার অষ্টমীর দিনে ভিড় সামলানো পুলিশের পক্ষে সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবার্তাও যে শ্রীভূমি-আতঙ্ক কাটাতে পারল না, তা রবিবার প্রতিপদে তালগোল পাকানো যান-ব্যবস্থাতেই পরিষ্কার হয়ে গেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Navaratri 2023: মা দুর্গা ও তাঁর সন্তানরা কীভাবে বেছে নিয়েছিলেন বাহন? জানুন সেই পৌরাণিক গল্প

    Navaratri 2023: মা দুর্গা ও তাঁর সন্তানরা কীভাবে বেছে নিয়েছিলেন বাহন? জানুন সেই পৌরাণিক গল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎকালে প্রতি বছর মা দুর্গা বাপের বাড়িতে আসেন সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে (Navaratri 2023)। মা দুর্গা এবং তাঁর সন্তানদের সঙ্গে আসে তাঁদের বাহনগুলিও। গণেশের সঙ্গে ইঁদুর আসে, মা সরস্বতীর সঙ্গে আসে হাঁস, মা লক্ষ্মীর সঙ্গে প্যাঁচা আসে, কার্তিকের সঙ্গে ময়ূর আসে এবং স্বয়ং মা দুর্গার সঙ্গে আসে সিংহ। বাহনগুলির পৌরাণিক কাহিনিতে যাওয়ার আগে বলা দরকার ভারতীয় উপমহাদেশে প্রকৃতি পুজোর রীতি বৈদিক আমল থেকেই। মাটি, অগ্নি, বায়ু, নদী, গাছ সবকিছুর পুজো হয় এই সভ্যতায়। ভারতীয় সভ্যতায় গাছপালা, নদ-নদীর সঙ্গে সঙ্গে জীবজন্তুও মানুষের দৈনন্দিন কাজে উপকারী বলেই গণ্য করা হয়। এই ধারণা থেকেই হয়ত বাহন হিসেবে তারাও পুজো পায়। এবার আসা যাক পৌরাণিক কাহিনিগুলিতে।

    মা দুর্গার বাহন কেন সিংহ?

    পুরাণ (Navaratri 2023) অনুযায়ী, দেবী পার্বতী হাজার বছর ধরে তপস্যা করেছিলেন শিবকে তাঁর স্বামী হিসাবে পাওয়ার জন্য। তপস্যার কারণে দেবী অন্ধকারে মিশে যান। বিয়ের পর পার্বতীকে মহাদেব ‘কালী’ বলে সম্বোধন করলে দেবী তৎক্ষণাৎ কৈলাস ত্যাগ করে ফের তপস্যায় মগ্ন হয়ে যান। তপস্যারত দেবীকে শিকার করার ইচ্ছায় এক ক্ষুধার্ত সিংহ তাঁর দিকে আসতে শুরু করে। কিন্তু দেবীকে দেখে সেখানেই চুপ করে বসে পড়ে। এর মধ্যে বহু বছর কেটে যায়, কিন্তু সিংহ তার নিজের জায়গা থেকে নড়ে না। এদিকে দেবী পার্বতীর তপস্যা সম্পন্ন হওয়ার পর মহাদেব আবির্ভূত হলে পার্বতীকে গৌরবর্ণ (Navaratri 2023) বলে বর্ণনা করেন। যে সিংহটি দেবীকে শিকার করতে এসেছিল, তাকেই বাহন হিসেবে গ্রহণ করেন দেবী। কারণ দেবীর জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করেছিল সে। সিংহের এই কর্মকাণ্ডের জন্য দেবী পার্বতীর বাহনকে সিংহ বলে মনে করা হয়। আবার কালিকাপুরাণ অনুযায়ী, শ্রীহরি দেবীকে বহন করছেন। এই হরি শব্দের এক অর্থ সিংহ। আবার শ্রীশ্রীচণ্ডীতে উল্লেখ আছে, গিরিরাজ হিমালয় দেবীকে সিংহ দান করেন। শিবপুরাণ মতে, ব্রহ্মা দুর্গাকে বাহনরূপে সিংহ দান করেছেন। সিংহ হল শৌর্য, পরাক্রম, শক্তির প্রতীক। অসুরদের ধ্বংসকারী মাতার বাহন তাই সিংহ। এটাই পণ্ডিত মহলের মতামত।

    গণেশের বাহন ইঁদুর কেন? 

    স্বর্গে দেবলোকের সভায় গান গেয়ে সকলের মনোরঞ্জন করতেন ক্রঞ্চ নামে এক গন্ধর্ব। এক দিন বামদেব নামে এক ঋষি এসে উপস্থিত হন সেই সভায়। তিনি গান করতে থাকেন। সেই গান শুনে নিজের হাসি চাপতে পারেননি গন্ধর্ব ক্রঞ্চ। সেই হাসি দেখে ফেলেন বামদেব। সঙ্গে সঙ্গে ক্রোধান্বিত হয়ে পড়েন বামদেব। তিনি  ক্রঞ্চকে অভিশাপ দেন। অভিশাপের ফলে ক্রঞ্চ ইঁদুর হয়ে যান। ঋষি অভিশাপ দেন, কোনও দিন আর গান গাইতে পারবেন না ক্রঞ্চ। ক্রঞ্চ নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান। কিন্তু তাতে বিশেষ কোনও ফল হয় না। তিনি ইঁদুর হয়ে যান এবং মর্ত্যে নেমে আসেন। তবে মুনি বলেছিলেন, কোনও দিন যদি গণেশ তাঁকে বাহন করেন, তা হলে মুক্তি মিলবে। মর্ত্যলোকে তিনি যেখানে নেমেছিলেন, কাছেই ছিল পরাশর মুনির কুটির। ইঁদুর ক্রঞ্চ সেখানেই নিজের খাদ্যের সন্ধানে যেতে  শুরু করেন। এ দিকে ইঁদুরের উৎপাতে অতিষ্ট হয়ে ওঠে কুটিরবাসীরা। এক দিন গণেশ সেই মুনির কুটিরে পৌঁছান। জানতে পারেন ইঁদুরের কুকীর্তির কথা। তখন তাকে ধরতে উদ্যত হন গণেশ। অবশেষে ধরেও ফেলেন। কিন্তু ক্রঞ্চ নিজের পরিচয় দিয়ে সব কথা বলেন গণেশকে। এ কথা শুনে ইঁদুরকেই তিনি নিজের বাহন করে নেন (Navaratri 2023)।

    মা লক্ষ্মীর বাহন প্যাঁচা কেন?

    পৌরাণিক গল্প অনুযায়ী, যখন দেব-দেবীরা প্রাণীজগতের সৃষ্টি করেন, তখন তাঁরা পৃথিবী ভ্রমণে আসেন। সেই সময় পশু ও পাখিরা দেবতাদের ধন্যবাদ জানায় তাদের প্রাণী হিসেবে তৈরি করার জন্য। পশু ও পাখিরা বলতে থাকে, ‘‘আপনারা যেহেতু আমাদের তৈরি করেছেন তাই আপনাদের বাহন হয়ে আমরা পৃথিবীতে থাকব।’’ সেই সময় দেবতারা নিজেদের বাহন পছন্দ করে নেন। যখন দেবী লক্ষ্মীর নিজের বাহন (Navaratri 2023) বেছে নেওয়ার সময় আসে, তখন তিনি বলেন আমি যেহেতু রাতে পৃথিবীতে আসি, তাই রাতে যে প্রাণী দেখতে পায় সেই হবে আমার বাহন। এখান থেকেই প্যাঁচা হয়ে ওঠে দেবী লক্ষ্মীর বাহন। লক্ষ্মীমাতা ধানের দেবী, ইঁদুর ধান খেয়ে ফেলে। তাই এই ধারণা থেকেও লক্ষ্মীর বাহন প্যাঁচা হতে পারে।

    কার্তিকের বাহন ময়ূর কেন?

    তারকাসুরকে বধ করেছিলেন (Navaratri 2023) দেবসেনাপতি কার্তিক। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে তারকাসুর কার্তিকের বাহন হিসেবে থাকতে চেয়েছিলেন। ময়ূরের ছদ্মবেশে কার্তিককে আক্রমণও করেছিল যুদ্ধ ক্ষেত্রে তারকাসুর। কথিত আছে ওই ময়ূরটিই হল কার্তিকের বাহন, যা আসলে তারকাসুর।

    সরস্বতীর বাহন হাঁস কেন?

    হাঁস নাকি জল, স্থল, অন্তরীক্ষে থাকতে পারে। জ্ঞান ও বিদ্যার দেবীকেও এই তিনটি জায়গায় থাকতে হয় জ্ঞান ও বিদ্যাদানের জন্য। তাই বাহন হিসেবে হাঁসকেই বেছে নিয়েছেন মা সরস্বতী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Goddess Durga: দেবী দুর্গার নয়টি রূপ কী কী? জেনে নিন তাঁদের মাহাত্ম্য

    Goddess Durga: দেবী দুর্গার নয়টি রূপ কী কী? জেনে নিন তাঁদের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রী রামচন্দ্র রাবণকে বধ করার জন্য দেবী দুর্গার অকালবোধন করেছিলেন। এই নিয়ম বা প্রথা মেনে শারদীয়া দুর্গাপুজো করে থাকে বাঙালি সমাজ। কিন্তু দুর্গাপুজোর আসল সময় হল বসন্ত ঋতুতে, যা দেবী বাসন্তীর পুজো হিসেবে পরিচিত। নবরাত্রির সঙ্গে দেবী দশভূজার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তিথি-নক্ষত্র মিলিয়ে রীতিনীতির মধ্যেই পুজো করা হয়। বসন্ত ঋতুতে চৈত্র মাসে যে নবরাত্রি পালন করা হয়, তাতে দেবী দুর্গাকে (Goddess Durga) নয়টি অবতারে পুজো করা হয়।

    কবে পালিত হয়?

    চৈত্র নবরাত্রি পালিত হয় চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের প্রতিপদ তিথিতে। এই সময় মা দুর্গা (Goddess Durga) নয় রকম অবতারে পূজিতা হন। এই পুজো পশ্চিমবঙ্গে যেমন বাসন্তী পুজো নামে পরিচিত, ঠিক তেমনি মহারাষ্ট্রের কোঙ্কণে চৈত্র নবরাত্রিকে গুড়ি পদওয়া বলা হয়। আবার দক্ষিণ ভারতে নবরাত্রি উগাদি নামেও পরিচিত। নবরাত্রি পালনের সঙ্গে বসন্তকালীন চৈতালি ফসল কাটার একটা সম্পর্ক রয়েছে। এতে ভক্তের মনের বাসনা পূর্ণ হয় বলে বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে।

    দেবীর নয় অবতার

    দেবী বাসন্তীর ন’টি অবতার হল, দেবী শৈলপুত্রী, দেবী ব্রহ্মচারিণী, দেবী চন্দ্রঘণ্টা, দেবী কুস্মাণ্ডা, দেবী স্কন্ধমাতা, দেবী কাত্যায়নী, দেবী কালরাত্রি, দেবী মহাগৌরী, দেবী সিদ্ধিদাত্রী। নয় দিন ধরে পুজো করে মায়ের কাছে বর চেয়ে অশুভ শক্তির পরাজয় এবং শুভ শক্তির জাগরণের জন্য কামনা করা হয়। সংসারের শ্রীবৃদ্ধি, অর্থধন লাভ, সন্তানদের সাফল্য, পারবারিক সুখ সমৃদ্ধি এবং নারী শক্তির জাগরণের আশায় ভক্তরা এই নবরূপে দেবী বাসন্তী মায়ের পুজো করে থাকেন। বলা হয়ে থাকে, দেবী দুর্গা (Goddess Durga) মা নৌকাতে করে পরিবারের সঙ্গে মর্ত্যে বাপের বাড়িতে আসেন। নবরাত্রির পর আবার কৈলাসে পাড়ি দেন মা দুর্গা।

    দেবী শৈলপুত্রী

    দেবী শৈলপুত্রী হলেন হিমালয়ের কন্যা। তাঁর স্বামী হলেন ভগবান শিব। তাঁর দুই সন্তান কার্তিক এবং গণেশ। দক্ষরাজের কন্যা হলেন সতী। সতীর অপর নাম শৈলপুত্রী। এই দেবীর পুজো করা হয় নবরাত্রির (Chaitra Navratri 2023) প্রথম দিনে।

    দেবী ব্রহ্মচারিণী

    দেবী ব্রহ্মচারিণী হলেন মা দুর্গার (Goddess Durga) অবতার। তাঁর পুজো করা হয় নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে। দেবী দুর্গার তপস্যার প্রতীক হলেন দেবী ব্রহ্মচারিণী। তিনি ভগবান ব্রহ্মার চলার পথে সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন।

    দেবী চন্দ্রঘণ্টা

    দেবী চন্দ্রঘণ্টা হলেন দেবী দুর্গার (Goddess Durga) আরেক রূপ। বাঘের উপর উপবিষ্ট থাকেন। অসুর বিনাশিনী দেবী। দশ হাতে পদ্ম, গদা, ত্রিশূল, তলোয়ার, তীরধনুক ইত্যাদি দশ অস্ত্রে সুসজ্জিত থাকেন। দেবীর মস্তকে অর্ধচন্দ্র অবস্থান করে। তাই দেবীকে চন্দ্রঘণ্টা নামে ডাকা হয়।

    দেবী কুস্মাণ্ডা

    দেবী কুস্মাণ্ডা হলেন চতুর্থ অবতার। এই দেবী স্বয়ং ব্রহ্মাণ্ডকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁর অনাহত চক্রে মানুষকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করেন।

    দেবী স্কন্দমাতা

    দেবী স্কন্ধ হলেন পঞ্চম অবতার। তিনি ভক্তের কাছে মুক্তি এবং শক্তির প্রতীক। তিনি এই রূপে সিংহবাহনা। ত্রিনয়নী এবং চারটি মস্তকে সজ্জিত। স্কন্দের জননী হওয়ায় তাঁকে স্কন্দমাতা বলা হয়।

    দেবী কাত্যায়নী

    দেবী কাত্যায়নী হলেন মহিষাসুরমর্দিনী। তিনি হলেন মায়ের ষষ্ঠ অবতার। সকল অশুভ শক্তিকে পরাজয় করে অসুরদের বিনাশ করে থাকেন। বৈদিক যুগে কাত্যায়ন নামে এক ঋষি ছিলেন। তাঁর সূত্রেই এই নাম।

    দেবী কালরাত্রি

    দেবী কালরাত্রি হলেন দুর্গার (Goddess Durga) সপ্তম অবতার। সব রকম রাক্ষস এবং ভূতেদের বিনাশ করে থাকেন এই দেবী।

    দেবী মহাগৌরী

    মহাগৌরী হলেন দেবীর অষ্টম অবতার। তিনি হলেন ভক্তের সমৃদ্ধি এবং সুখ প্রদানের দেবী।

    দেবী সিদ্ধিদাত্রী

    সিদ্ধিদাত্রী দেবী হলেন মহা সিদ্ধি প্রদানের দেবী। নবরাত্রির নবম অবতার এবং ভগবান শিবের পত্নী। সিদ্ধিদাত্রীকে বলা হয় শিবের অর্ধাঙ্গিনী দেবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: চন্দ্রযান ৩-এর যা খরচ, মমতা তার ৫৭ শতাংশ বিলিয়ে দিচ্ছেন পুজো কমিটিগুলিকে!

    Durga Puja 2023: চন্দ্রযান ৩-এর যা খরচ, মমতা তার ৫৭ শতাংশ বিলিয়ে দিচ্ছেন পুজো কমিটিগুলিকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩ পাঠাতে কত টাকা খরচ হয়েছে, জানেন কি? তবে এটা জানলে অবাকই হবেন যে, চন্দ্রযান ৩ তৈরির যা বাজেট, তার ৫৭ শতাংশ মমতা বিলিয়েছেন পুজো কমিটিগুলিকে। দেশ যেখানে কম খরচে চাঁদে যান পাঠাচ্ছে, সেখানে রাজ্য সরকার এভাবে কোটি কোটি টাকা ডোল দিল স্রেফ ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে? বাজারে অন্তত এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, প্রত্যেক দুর্গাপুজো কমিটিকে (Durga Puja 2023) দেওয়া হচ্ছে ৭০ হাজার টাকা করে। ইসরো এত কম খরচে চাঁদে চন্দ্রযান ৩ পাঠাল, অথচ এই রাজ্যে সাধারণ মানুষের করের টাকা খরচ হচ্ছে পুজোর ক্লাবগুলির পিছনে। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, দুর্গাপুজো কেবল উৎসব নয়! প্রচুর বিনিয়োগ এবং ব্যবসার সুযোগ রয়েছে, তাই এই অনুদান। পাল্টা রাজ্যের অনুদান বিতরণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। তারা বলছে, ক্লাবের নামে তৃণমূলের চোরেদের টাকা দিচ্ছে সরকার। এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্যে। বিরোধীদের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার অর্থ সঙ্কটের কথা বলছেন। তাহলে এই টাকা আসছে কোথা থেকে?

    মোট কত অনুদান দেওয়া হচ্ছে (Durga Puja 2023)?

    রাজ্যের সব দুর্গাপুজো কমিটির জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষ অনুদান ঘোষণা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এই বছর প্রত্যেক দুর্গাপুজো কমিটিকে (Durga Puja 2023)  ১০ হাজার করে টাকা বৃদ্ধি করে, মোট অনুদান দেওয়া হবে ৭০ হাজার টাকা। অর্থ দফতরের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতার ৪ হাজার সহ রাজ্যের মোট ৪০ হাজার পুজোর জন্য সরকারি কোষাগার থেকে এক কথায় বেরিয়ে যাবে ২৮০ কোটি টাকা। এছাড়া বিজ্ঞাপন ইত্যাদি বাবদ ৭০ কোটি ধরলে সব মিলিয়ে খরচের পরিমাণ হবে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। উল্লেখ্য চন্দ্রযান ৩ উৎক্ষেপণে খরচ হয়েছিল ৬১৫ কোটি টাকা। আর রাজ্যের পুজো কমিটিকে অনুদানের পরিমাণ ৩৫০ কোটি টাকা! ফলে সব মিলিয়ে হিসাব দাঁড়াচ্ছে চন্দ্রযান তৈরি করতে যত টাকা খরচ হয়েছে, তার ৫৭ শতাংশ টাকা মুখ্যমন্ত্রী খরচ করছেন পুজোর ক্লাবগুলির জন্য। অথচ রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা মিলছে না। তাই একে কটাক্ষ করছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশও। যে টাকায় ভারতের চন্দ্রযান ৩ চাঁদে পৌঁছেছে, সেই টাকার একটা বড় অংশ খরচ হচ্ছে উন্নয়নের জন্য নয়, ক্লাবগুলির জন্য। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। এই বেলাগাম অনুদানে সরব হয়েছে বিজেপিও।

    তৃণমূলের চোরেদের পকেটেই টাকা দেওয়া হল!

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ইদ্রিশ আলির মতো মানুষরা ভারতের চন্দ্রযান ৩ উৎক্ষেপণ নিয়ে অবিবেচকের মতো মন্তব্য করেছেন। তাঁর কাছে চন্দ্রযান উৎক্ষেপণ মানে অর্থের অপচয় করা মাত্র। রাজ্য সরকার যে অর্থ অপচয় করে পুজো কমিটিগুলিকে দিতে চলেছে, তা তো সাধারণ মানুষের করের টাকা। রাজ্য সরকার এইভাবে সাধারণ মানুষের টাকা খরচ করতে পারে কি? রাজ্যে যেভাবে তৃণমূলের নেতারা টাকা চুরি করেছেন, এই পুজোর ক্লাবে অনুদান, কার্যত কিছু তৃণমূলের চোরেদের পকেটেই টাকা দেওয়ারই সমান। এছাড়াও বিজেপির কাউন্সিলার সজল ঘোষ বলেন, আমাদের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো (Durga Puja 2023) বেশ বড় পুজো। লাখ লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হয়। আমরা গত দুই বছর ধরে সরকারের এই অনুদান গ্রহণ করছি না।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023 : উৎসবের অধিকার সবার! নিউটাউনে বিজেপির দুর্গাপুজোয় অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    Durga Puja 2023 : উৎসবের অধিকার সবার! নিউটাউনে বিজেপির দুর্গাপুজোয় অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দুর্গাপুজো পুজো হলেও শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, আসলে এটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব।’ দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। একটি মেলার মাঠে কলকাতার এক পুজো সংগঠন দুর্গাপুজো করার অনুমতি পাবে কিনা সেই মামলায় শুনানি চলাকালীন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টচার্য এই মত দেন।

    পুজোর অনুমতি

    জনসাধারণের জন্য নির্দিষ্ট মেলার মাঠ, পার্কে পুজো (Durga Puja 2023) করা যাবে কিনা এবং পুজোর অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিল এক পুজো কমিটি। ওই কমিটির লোকেরা বিজেপি কর্মী বলে এলাকায় পরিচিত। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মেলার জন্য নির্দিষ্ট অনুমতি না পেয়ে হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করেন ‘মানবজাতি কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ নামে সংগঠন। শুক্রবার সেই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে। বিচারপতি জানান, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯ মোতাবেক সকল নাগরিকের স্বাধীন ভাবে চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। সেই অধিকারের মধ্যে দুর্গাপুজোর মতো উৎসবও রয়েছে। ফলে এই অধিকার খর্ব করা যায় না। হাই কোর্টের নির্দেশ, নিউটাউন মেলা গ্রাউন্ডে পুজো করতে পারবে ‘মানবজাতি কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ নামে মামলকারী সংগঠনটি। এলাকায় এই সংগঠনের সদস্যেরা বিজেপিকর্মী হিসাবেই পরিচিত।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    কর্তৃপক্ষের তরফে আদালতে (Calcutta High Court) দাবি করা হয়, সংবিধানে ২৫ ধারা অনুযায়ী জনসাধারণের জন্য তৈরি পার্ক, রাস্তা এবং ফুটপাতে কোনও ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান করা যাবে না। এই দাবি সম্পূর্ণ খারিজ করে বিচারপতি ভট্টাচার্য পর্যবেক্ষণে জানান, ‘একথা সর্বজনবিদিত, যে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) শুধু ধর্মীয় পুজোর্চনা নয়, এটি আসলে নারী শক্তির উদযাপন। দুর্গাপুজো শুধু পুজো নয়, বিভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধন। পুজোর্চনার থেকেও সেখানে উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আনন্দের ভাগটা অনেকটা বেশি। পুজোর থেকেও উদযাপনটাই প্রত্যক্ষ। এই সমস্ত কিছুর কারণেই দুর্গাপুজোকে শুধুই একটা সম্প্রদায়ের ধর্মীয় আচরণ বা রীতিনীতি পালন হিসেবে দেখা ঠিক হবে না, এর প্রকৃতি আদতে ধর্মনিরপেক্ষ। অতএব একে শুধু এক সম্প্রদায়ের ধর্মীয় রীতিনীতি পালন বলে দাগিয়ে দেওয়া আসলে দুর্গাপুজোর মান হ্রাস করবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ODI World Cup 2023: উৎসবের দিনে বিশ্বকাপ! সমস্যা হবে না, দাবি সিএবি কর্তাদের

    ODI World Cup 2023: উৎসবের দিনে বিশ্বকাপ! সমস্যা হবে না, দাবি সিএবি কর্তাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাথায় হাত বাঙালির! ঠাকুর দেখবেন না খেলা বুঝেই উঠতে পারছেন না! নতুন জামা না নতুন জার্সি? বিশ্বকাপের (ODI World Cup 2023) সম্ভাব্য সূচি ঘোষণা হওয়ার পরে সেটাই বড় প্রশ্ন। সারা বছর দুর্গাপুজোর চারদিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকে বাঙালি। কিন্তু এবার সেই উৎসবের দিনেই ক্রিকেটের মহাযুদ্ধ। মহালয়া ১৪ অক্টোবর। আর বিশ্বকাপ শুরু হয়ে যাবে ৫ অক্টোবর থেকে। 

    কলকাতায় কবে খেলা

    কলকাতায় বিশ্বকাপের খেলা রয়েছে ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশ-কোয়ালিফায়ার ১, ৩১ অক্টোবর পাকিস্তান-বাংলাদেশ, ৫ নভেম্বর ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা, ১২ নভেম্বর ইংল্যান্ড-পাকিস্তান, ১৬ নভেম্বর দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। অর্থাৎ, দুর্গা পুজো থেকে ভাই ফোঁটা— উৎসবের গোটা মরসুম জুড়েই হবে বিশ্বকাপের খেলাগুলি। বিশ্বকাপের (ODI World Cup 2023) ম্যাচ আয়োজন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সিএবি কর্তারা। তাঁদের আশা,পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা যাবে। কলকাতা পুলিশের সহযোগিতা পেতে কোনও সমস্যা হবে না। সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, ‘‘আমরা গঙ্গাসাগর মেলার সময়ও ইডেনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করেছি। কোনও সমস্যা হয়নি। পর্যাপ্ত পুলিশি ব্যবস্থা ছিল। আশা করছি পুজোর মরসুমেও বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করতে সমস্যা হবে না।’’

    পুজোর দিনে কোন কোন ম্যাচ 

    অক্টোবর-নভেম্বর মাসটা গোটা দেশজুড়ে চলে উৎসব। এই উৎসবের মরশুমে মানুষ কতটা বিশ্বকাপমুখী হবে সেটা সময় বলবে। তবে, বিশ্বকাপের (ODI World Cup 2023) সূচিতে গ্রুপস্তরের মধ্যে কোনও ফাঁক নেই। দুর্গাপুজো নির্ঘণ্ট আর বিশ্বকাপের দিনের মধ্যে মিল আছে অনেক। সবথেকে বড় দিন হচ্ছে অষ্টমী। কারণ এই দিনে খেলতে নামবে ভারত। প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। আর কালীপুজোর দিন রয়েছে কলকাতায় ম্যাচ। খেলা হবে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় সেমিফাইনাল, ফাইনাল গুজরাটে! ঘোষিত বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি

    ১৪ অক্টোবর মহালয়া- ইংল্যান্ড বনাম আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ
    ২০ অক্টোবর মহাষষ্ঠী- অস্ট্রেলিয়া বনাম পাকিস্তান
    ২১ অক্টোবর মহাসপ্তমী- মুখোমুখি হবে কোয়ালিফাই করা দুই দল (নাম জানা যাবে ৯ জুলাইয়ের পর)
    ২২ অক্টোবর মহাষ্টমী- ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড
    ২৩ অক্টোবর মহানবমী- পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান
    ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমী- দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ
    ২৮ অক্টোবর লক্ষ্মীপুজো- প্রথম কোয়ালিফায়ার দল ও বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া বনাম নিউজিল্যান্ড।
    ১২ নভেম্বর কালীপুজো- ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান (ম্যাচ হবে ইডেনে), অস্ট্রেলিয়া বনাম বাংলাদেশ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share