Tag: Durga Puja Food

Durga Puja Food

  • Durga Puja Food: দশমী মানেই মিষ্টিমুখ! উৎসবের শেষ প্রহরের মিষ্টি বিপদ ডেকে আনবে না তো?

    Durga Puja Food: দশমী মানেই মিষ্টিমুখ! উৎসবের শেষ প্রহরের মিষ্টি বিপদ ডেকে আনবে না তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শেষ! আবার আরেকটা বছরের অপেক্ষা। আর এই অপেক্ষার মুহূর্ত শুরু হয় মিষ্টিমুখে! উমাকে বিদায় জানানোর পরে পরিবারের ছোট থেকে বড়, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ান। এই রেওয়াজ চিরকালীন। তাই তো কলকাতার নামিদামি মিষ্টির দোকান হোক কিংবা মফস্বলের কোনও গলির দোকান, মিষ্টি কেনার ভিড় সর্বত্র। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মিষ্টিমুখের (Durga Puja Food) পর্বে বিপদ বাড়ছে শরীরের। তাই সতর্ক থাকা জরুরি।

    কাদের জন্য বাড়তি উদ্বেগ? (Durga Puja Food) 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মিষ্টি একাধিক খেলে বিপদ বাড়তে পারে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের। বাঙালিদের মধ্যে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। তাই সতর্ক থাকা জরুরি। পুজোর মরশুমে অনেকেই খাওয়ায় অনিয়ম করেন। তার উপরে দশমীতে মিষ্টি খেলে বিপদ আরও বাড়বে। রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত ওঠা-নামা করতে পারে। এর ফলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। 
    ডায়াবেটিস আক্রান্তদের পাশাপাশি কিডনির রোগে আক্রান্তদের অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া বিপদ বাড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কিডনির কোনও রকম সমস্যা থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। মিষ্টি (Durga Puja Food) রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই কিডনির কোনও রোগে আক্রান্ত হলে দশমীতে মিষ্টি খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া দরকার বলেই পরামর্শ চিকিৎসকদের। 
    হৃদ সমস্যা থাকলে কিংবা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলেও মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। কারণ, মিষ্টি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় মিষ্টি। তাই রসগোল্লা হোক কিংবা সন্দেশ, একাধিক খেলেই বিপদ বাড়তে পারে। 
    পাশপাশি স্থুলতার সমস্যায় জর্জরিত তরুণ প্রজন্মের বড় অংশ। তাই দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে একেবারেই মিষ্টি খাওয়া চলবে না বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, মিষ্টিতে ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে। তাই মিষ্টিতে রাশ জরুরি।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা? (Durga Puja Food) 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, মিষ্টি খাওয়া যেমন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, তেমনি কৃত্রিম মিষ্টি একেবারেই চলবে না। অনেকেই চিনির পরিবর্তে নানান কৃত্রিম মিষ্টি দিয়ে নানান খাবার তৈরি করেন। এই কৃত্রিম মিষ্টি (Durga Puja Food) শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। তাই কৃত্রিম মিষ্টি খাবার একেবারেই চলবে না। রসগোল্লা, পান্তুয়া কিংবা কেশরীভোগের মতো রসে ভেজা মিষ্টি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, এতে চিনির পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে। উৎসবের সময় হলেও একাধিক মিষ্টি একেবারেই খাওয়া উচিত নয় বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন তাঁরা। পাশাপাশি বাড়িতে চিনির পরিবর্তে সামান্য পরিমাণ মধু ব্যবহার করে নানান ধরনের মিষ্টি তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে, জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Food: নবমী মানেই পাতে মটন! ভুরিভোজের সময় শরীরের কথা মাথায় রেখেছেন?

    Durga Puja Food: নবমী মানেই পাতে মটন! ভুরিভোজের সময় শরীরের কথা মাথায় রেখেছেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নবমী মানেই পুজো শেষের প্রহর গোনা। বছরভর অপেক্ষার জন্য প্রস্তুতিপর্ব শুরু। নবমী মানেই উৎসবের শেষ মুহূর্তের সবটুকু উপভোগ করা। আর বাঙালির উৎসব উদযাপনের সঙ্গে ভুরিভোজ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে। তাই নবমীতে বাঙালির বিশেষ ভুরিভোজ। কেউ বাঙালি রেস্তরাঁয় আগে থেকেই টেবিল বুক করে রাখেন, আবার কেউ বাড়ির হেঁশেলেই জমিয়ে রান্না করেন। তবে, খাওয়া বাড়িতে হোক কিংবা রেস্তরাঁয়, বাঙালির নবমীর মেনুতে মটন থাকবেই (Durga Puja Food)। কিন্তু ষষ্ঠী থেকে উৎসবের উদযাপনে যে হারে ভুরিভোজ চলে, নবমীর মটন কারি কিংবা কষা, স্বাস্থ্যের জন্য বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করে কি? চিকিৎসকরা কিন্তু বলছেন, ভুরিভোজে সাবধান! উৎসবের স্রোতে গা ভাসিয়ে বড় বিপদ ডেকে আনলে মুশকিল।

    পাতে মটন পড়লে কাদের বিপদ বেশি? (Durga Puja Food) 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মটনের যে কোনও পদ সহজপাচ্য হয় না। এটি চর্বিযুক্ত মাংস। তাই কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগীদের মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ, মটনে থাকে অতিরিক্ত ফ্যাট আর এই প্রাণীজ প্রোটিন হজম করাও বেশ কঠিন। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। 
    পাশপাশি যাদের কোলেস্টেরল আছে, তাদের ক্ষেত্রেও মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকছে (Durga Puja Food)। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মটন খেলে কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আরও তৈরি হয়। তাই মটনে না হোক হাই কোলেস্টেরলে আক্রান্তদের। 
    রক্তচাপ যাদের বেশি তাদের একেবারেই মটন খাওয়া যাবে না বলে সাফ জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা বলছেন, মটনে অতিরিক্ত চর্বি থাকে। আর এই চর্বি রক্তচাপ বাড়ায়। হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত শরীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করে। তাই উচ্চ রক্তচাপ থাকলে মটন একেবারেই পাতে নেওয়া চলবে না। 
    স্থূলতার সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, মটনে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি। যথেষ্ট ফ্যাট থাকে। তাই স্থুলতার সমস্যায় যারা ভুগছেন, মটন খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা রাখতে হবে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। পরিমাণের দিকে নজরদারি খুবই জরুরি।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল? (Durga Puja Food)

    বছরের বিশেষ দিনে অনেক সময়ই নিয়মের বাইরে খাওয়া চলে। নবমীর দিন একেবারেই মটন মেনু থেকে বাদ দেওয়াও হয়তো কঠিন। কিন্তু কিছু সতর্কতা অবশ্যই মেনে চলতে হবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 
    হৃদরোগ কিংবা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তরা কখনই দুই পিসের বেশি মটন খাবেন না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পরিমিত খাবার খুব জরুরি। তাই খুব সামান্য পরিমাণে খেলে অনেক ক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা কমে। নবমীতে ভারী খাবার খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে পুজোর অন্য দিনগুলোতে সহজপাচ্য, কম ফ্যাট জাতীয় খাবারের পরিকল্পনা করা জরুরি। বিশেষত যাদের উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়বেটিস, হৃদসমস্যা রয়েছে, তাদের রাত জেগে ঠাকুর দেখা কিংবা লাগাতার বাইরের অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার একেবারেই চলবে না (Durga Puja Food)। 
    স্থুলতার সমস্যায় ভুক্তভোগীরা পুজোর চার দিন যোগাভ্যাস কিংবা হাঁটাহাঁটি একেবারেই ছাড়বেন না। এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পুজোর সময়ে খাবার অনেক সময়েই মেপে খাওয়া হয় না। বাইরের খাবারের পাশপাশি বাড়ির খাবারেও অতিরিক্ত মশলা কিংবা তেল ব্যবহার হয়। তাই শারীরিক কসরত কমানো যাবে না। তাহলেই কিছুটা হলেও ভারসাম্য বজায় রাখা যেতে পারে। তবে, পরিমাণের দিকে নজর দিতেই হবে। ভালো লাগছে বলেই অতিরিক্ত পরিমাণ খাবার খেলে কিন্তু শরীর সুস্থ রাখা কঠিন হয়ে যাবে। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Food: ঢাকে কাঠি পড়তেই জমিয়ে ভুরিভোজ? স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখেছেন তো?

    Durga Puja Food: ঢাকে কাঠি পড়তেই জমিয়ে ভুরিভোজ? স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখেছেন তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছরভর নানা উৎসব আর উদযাপন চললেও, বছরের এই ক’দিন সবার থেকে আলাদা। আট থেকে আশি, সব বয়সের জন্যই দুর্গাপুজোর চারদিন বিশেষ দিন! আর বিশেষ উৎসব উদযাপনে খাওয়া-দাওয়াও বিশেষ হয় (Durga Puja Food)। কিন্তু এই লাগাতার জমিয়ে ভুরিভোজ স্বাস্থ্যের জন্য কতখানি বিপজ্জনক, সে নিয়ে দুশ্চিন্তা তো থাকেই। তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দুর্গাপুজোর বিশেষ খাবারেও থাকুক সুস্বাস্থ্যের ছোঁয়া, তবেই সুস্থ শরীরে উৎসব উদযাপন সম্ভব।

    পুষ্টিবিদরা কোন ধরনের খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন? (Durga Puja Food)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূর্গাপুজোর চারদিন কমবেশি সকলেই একটু অন্যরকম খাবার খেতে চান। কিন্তু স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, উৎসবের মরশুম হলেও সকালের জলখাবার বাদ দেওয়া যাবে না। অনেকেই রাত পর্যন্ত ঠাকুর দেখেন। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ ছুটির মরশুমে অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমোন। ব্রেকফাস্ট বাদ পড়ে। একেবারেই দুপুরে জমিয়ে খাওয়া হয়। অনেক সময়েই দিনের প্রথম খাবার হয় কোনও রেস্তোরাঁর অতিরিক্ত তেলমশলা যুক্ত খাবার। আর এতেই বিপদ বাড়ে। হজমের গোলমাল কিংবা পেটের সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই পুজোর সময় পুষ্টিসমৃদ্ধ জলখাবার খাওয়া দরকার। দুধ, কর্নফ্লেক্স, ড্রাই ফ্রুটস কিংবা ডিম সেদ্ধ, ফল বা রুটি, সব্জির মতো খাবার জলখাবারের মেনুতে থাকলে পাকস্থলী সুস্থ থাকবে। হজমের সমস্যার ঝুঁকি কমবে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দুপুর-রাত একদিনে দুবেলা বাইরের খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। উৎসবের মরশুমে অনেকেই রেস্তোরাঁয় খাওয়া পছন্দ করেন। কিন্তু দুবেলা বাইরের খাবারে নানান শারীরিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।
    খাবার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের (Durga Puja Food) খেয়াল রাখা জরুরি বলেই মনে করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাড়ির খাবারের মেনুতে থাকুক নানান রকমের স্যালাড, বেকড খাবার। পুজোর দিনে নানা রকমের ফল দিয়ে নতুন নতুন স্যালাড বানানো যেতে পারে। এতে স্বাদ বদল হয়। আবার পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। আবার মাছ কিংবা চিকেনের নানান বেকড আইটেম রান্না করা যায়। যাতে খুব কম পরিমাণ তেল আর মশলার ব্যবহার হয়। অথচ অন্যরকম খাবারে মন ভরে। শরীর ভালো থাকে।

    কোন ধরনের খাবার এড়িয়ে যাওয়া জরুরি? (Durga Puja Food)

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পুজোর মরশুমে দেদার খাবার খাওয়ার সময়, স্থূলতা আর হৃদরোগের বিষয় ভুলে গেলে চলবে না। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিরিয়ানি, মোগলাই, পিৎজা, বার্গার, হটডগ, কিংবা অতিরিক্ত ভাজা খাওয়ার জেরে অনেকের মাত্রাতিরিক্ত ওজন বেড়ে যায়। আর স্থূলতা নানা রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই কী খাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সচেতনতা জরুরি। পাশপাশি এই সময় অনেকেই লাগামহীন চর্বিযুক্ত খাবার খান। ফলে, কোলেস্টেরল আর রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই হৃদরোগে আক্রান্তের ঝুঁকিও বাড়ে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, বিরিয়ানি, মোগলাই কিংবা পিৎজার মতো খাবার খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। 
    তবে, খাবারের পাশপাশি পানীয়ের বিষয়েও সচেতনতা দরকার। পুজোর সময়ে অনেকেই প্যাকেটজাত নরম ঠান্ডা পানীয় খান। অতিরিক্ত প্যাকেটজাত নরম ঠান্ডা পানীয় কিন্তু স্থূলতার কারণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তাছাড়া, আইসক্রিম আর নরম ঠান্ডা পানীয়ের জেরে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশনের ঝুঁকিও বাড়ে বলে জানাচ্ছেন বক্ষঃরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই অতিরিক্ত ঘাম হলে কিংবা রোদের মধ্যে লাগাতার ঘুরলে আইসক্রিম, নরম ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    পুজোর সময়ে আবার উদযাপনের অংশ হিসাবে অনেকেই মদ্যপান করেন। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, মদ্যপান শরীরের একাধিক ক্ষতি করে। লিভার, কিডনি, হৃদযন্ত্রে নানান রোগের কারণ মদ্যপান। তাই প্রয়োজন সচেতনতার। 
    শরীর সুস্থ রাখতে সতর্ক ও সচেতনভাবে ভুরিভোজ (Durga Puja Food) হোক। তবেই দুর্গাপুজোর উদযাপন সুন্দর হবে, এমনই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share