Tag: Durga Puja

Durga Puja

  • Asansol: সামনেই পুজো, বৃষ্টি থামছে না! প্রতিকূল আবহাওয়ায় চরম বিপাকে মৃৎশিল্পীরা

    Asansol: সামনেই পুজো, বৃষ্টি থামছে না! প্রতিকূল আবহাওয়ায় চরম বিপাকে মৃৎশিল্পীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিন ধরে ঝিরঝিরে বৃষ্টি ও মেঘলা আবহাওয়ার ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন আসানসোলের (Asansol) কুমোরটুলির পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। আর কয়েকদিন পরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো, তার আগে রয়েছে গণেশ পুজো ও বিশ্বকর্মা পুজো। তাই বাজারের চাহিদা মেনে আসানসোলের মহিশিলা কলোনিতে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন চরমে। যদিও তাঁদের প্রতিমা তৈরি ও তুলির টানে প্রতিবন্ধকতা শুরু করেছে নিদারুণ আবহাওয়া।

    মৃৎশিল্পীদের প্রতিবন্ধকতা কেমন (Asansol)?

    স্থানীয় (Asansol) সূত্রে জানা গেছে, একদিকে মূর্তি তৈরির কাঁচামালের ক্রমশ মূল্যবৃদ্ধি, অপরদিকে টানা দু-তিনদিনের মেঘলা আবহাওয়া ও বৃষ্টির জেরে, প্রতিমার কিছু অর্ডার বাতিল করতে হয়েছে। মহিশিলা কুমারটুলির মৃৎশিল্পী হরিরঞ্জন পাল বলেন, বর্তমানে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ঠাকুর গড়ার ক্ষেত্রে বাইরে থেকে চড়া দামে মাটি নিয়ে আসতে হচ্ছে। তার উপর বর্ষার কারণে বাইরে প্রতিমা রাখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে ভীষণ ভাবে সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। একদিকে রয়েছে ঠিক সময়ে প্রতিমা গুলি তৈরি করে দেওয়ার চাপ। আবার অন্যদিকে বর্ষণের জেরে কাজে বিড়ম্বনা। সবটা মিলে এক প্রকার সমস্যার মধ্যেই পড়েছেন এই মৃৎশিল্পীরা।

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Asansol) এক মৃৎশিল্পী গীতা রুদ্র পাল জানিয়েছেন, এই বছর খারাপ আবহাওয়ায় অনেক সমস্যায় পড়েছি আমরা। বৃষ্টির জন্য ঠাকুর বাইরে বের করে রৌদ্রে দিতে পারছি না। তাছাড়া ঠাকুরের নতুন বায়না নিতে ভয় লাগছে। কারণ বৃষ্টিতে মাটি ভেজা থাকলে, ঠিক করে মাটি শুকনো না হলে, সময়ে তৈরি করা সম্ভব হবে না মূর্তি। তাছাড়া আগের থেকে ঠাকুরের দাম ঠিক ভাবে মিলছে না এই বছরে। মাটির তৈরি মূর্তির দাম কম দিতে চায় সকলে। তিনি আরও বলেন, বাঁশের দাম অনেক বেশি। ডায়মন্ড হারবার, কালনা থেকে গাড়িতে করে মাটি আনাতে হচ্ছে। এক গাড়ি মাটির দাম প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ প্রতিমার দাম সেই ভাবে মেলে না। তাই তিনি বলেন, সবটা মিলিয়ে সমস্যার মধ্যেই রয়েছি। সরকারের কাছে কিছু সাহায্যের জন্য আবেদন করব ভাবছি।

    সমস্যার মধ্যেও রোজগারের আশা

    আসানসোল (Asansol) শহরের বাজারগুলিতে বিভিন্ন পুজোর সময় চাহিদা অনুযায়ী ঠাকুরের জোগান দিয়ে থাকেন আসানসোল কুমারটুলির এই মৃৎশিল্পীরা। এবারের এই বর্ষণের জেরে প্রতিমা তৈরির ক্ষেত্রে আবহাওয়ার প্রতিকূলতা অনেকটাই সমস্যা তৈরি করেছে। তবে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়েও উৎসবকে সামনে রেখে, রোজগারের পথ দেখছেন আসানসোলের মহিশিলা কলোনির কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    Nadia: চাকদার ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে, উচ্ছ্বসিত জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছরই তাঁর তৈরি দুর্গা প্রতিমা বিদেশে পাড়ি দেয়। এই বছর তাঁর তৈরি ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা নদিয়া (Nadia) থেকে পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। দেশের মূর্তি বিদেশের মাটিতে পূজিত হবে, এটা ভেবেই আপ্লুত জেলাবাসী।

    কীভাবে প্যারিসে যাবে ফাইবারের মূর্তি (Nadia)?  

    নদিয়ার (Nadia) চাকদার মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী। ছোট থেকেই বিভিন্ন প্রতিমার মূর্তি তৈরি করেছেন তিনি। প্রথমে মাটি দিয়ে বিভিন্ন পূজোর ঠাকুর তৈরি করতেন। পরবর্তীকালে তাঁর হাতের সুন্দর কারুকার্য দেখে হঠাৎ করে বিদেশ থেকে কাজের অর্ডার আসতে শুরু করে। মাটির তৈরি মূর্তি ওজনে অনেকটাই বেশি। অন্যদিকে মজবুতের দিক থেকে কিছুটা দুর্বল। সেই কারণে মাটির তৈরি মূর্তি বিদেশে নিয়ে যেতে অনেকটাই সমস্যায় পড়তে হয়। তাই তিনি বর্তমানে ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছেন। এবার সেই ফাইবারের দুর্গা প্রতিমা পাড়ি দিচ্ছে প্যারিসে। এর আগেও অনুপ গোস্বামীর তৈরি মূর্তি অস্ট্রেলিয়া সহ একাধিক দেশে পাড়ি দিয়েছে।

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    মৃৎশিল্পী অনুপ গোস্বামী (Nadia) জানান, কখনও জাহাজে কখনও ফ্লাইটে দুর্গা প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়। যেহেতু বাঙালিরা বর্তমানে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে রয়েছে, সেই কারণে দুর্গা পুজো বিদেশেও কমবেশি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসুবিধায় পড়তে হয়েছে শিল্পীদের। লাভের মূল্য আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গেছে বলে জানান তিনি। তাঁর তৈরি করা মূর্তি গতব ছর বাহারিন, প্যারিস এবং চিলিতে গিয়েছিল। সেখানে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বছর দুর্গা মূর্তি যাবে প্যারিসে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, শুধু দুর্গা প্রতিমা নয়, বিভিন্ন মুনিঋষির মূর্তি তৈরি করে থাকেন। তাঁর তৈরি মূর্তি অন্যান্য রাজ্য সহ দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রোঞ্জ,পাথর এবং ফাইবার দিয়ে মূর্তি তৈরি করে থাকেন তিনি। এই বছর রথযাত্রার পরেই বিদেশ থেকে বিশেষ অর্ডার দেওয়া হয়। এই মূর্তি তৈরি করতে প্রায় দুই মাস সময় লেগেছে। তিনি মূর্তি তৈরি প্রসঙ্গে আরও বলেন, প্রথমে সব মূর্তি মাটির তৈরি হয়, এরপর হলোকাস্টিং করে ফাইবারের ছাঁচে তৈরি করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেন বাতিল দু’ মাসের জন্য! কেন জানেন?

    Toy Train: এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেন বাতিল দু’ মাসের জন্য! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনজেপি রেল স্টেশনে নেমে টয় ট্রেনে (Toy Train) চেপে দার্জিলিং যাবেন? আপাতত এমন ট্যুর প্রোগ্রাম থেকে বিরত থাকুন। কেননা এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ওই ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। তবে বরাবরের জন্য নয়। দু’ মাসের জন্য এই রুটে টয় ট্রেন পরিষেবা বাতিল করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল।

    কেন টয় ট্রেন (Toy Train) বাতিলের সিদ্ধান্ত?

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেনে (Toy Train) যাত্রী না হওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। আগামী ২ অগাস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই রুটে ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এর আগে ২০ জুলাই থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের ট্রয় ট্রেনের চারটি জয় রাইড বাতিল করে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। বর্ষার জন্য আগেই দার্জিলিংয়ে চারটি জয় রাইড ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাতিল করা হয়।

    পুজোর পর্যটন নিয়ে চিন্তার কারণ নেই

    এভাবে পর পর টয় ট্রেন (Toy Train) বাতিলের খবরে পর্যটকরা চিন্তিত হতেই পারেন, পুজোর সময় টয় ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে না তো? তবে এ ধরনের আশঙ্কার কোনও জায়গা নেই। টয় ট্রেন এখন লাভজনক। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মে মাসে ৩০ হাজার ৩০৩ জন যাত্রী টয় ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন। মোট ৩ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষার সময় প্রত্যেক বছরই পাহাড়ে বিভিন্ন জায়গায় ধস নামে। এই ধসের কারণে টয় ট্রেনের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার ক্রমাগত বৃষ্টি ও ধসের কারণে টয় ট্রেনের লাইনের তলার মাটি ও পাথর কিছুটা নড়বড়ে হয়ে পড়ে। সে কারণে ঝুঁকি এড়াতে এবং লাইনের উপর চাপ কমাতে চারটি জয় রাইড বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আবার রেলের আর একটি সূত্র জানিয়েছে, পুজোর পর্যটন মরশুমের প্রস্তুতির জন্য এই সিদ্ধান্ত। কেননা বর্ষার সময় পাহাড়ে পর্যটক সংখ্যা অনেক কম থাকে। ফলে টয় ট্রেনের চাহিদাও কমে যায়। সেই হিসেব করে এই সময়টা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টয় ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mangla Haat: মঙ্গলাহাটে পুড়ে ছাই হাজারের বেশি দোকান, পুজোর মুখে মাথায় হাত ব্যবসায়ী, কারিগরদের

    Mangla Haat: মঙ্গলাহাটে পুড়ে ছাই হাজারের বেশি দোকান, পুজোর মুখে মাথায় হাত ব্যবসায়ী, কারিগরদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত হাওড়ার মঙ্গলাহাট (Mangla Haat)। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে হাজারের বেশি দোকান। পুজোর আগে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা। মাথায় হাত হাটের উপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ী, দর্জি ও অন্যান্য কারিগরদের। তাঁরা ভেবে পাচ্ছেন না, কী ভাবে এই ক্ষতি পূরণ করবেন।

    পুজো এলেই বাড়ে ব্যস্ততা (Mangla Haat)

    হাওড়ায় ঘরে ঘরে তৈরি হয় নানা রঙের পোশাক। দিন-রাত কাজ করে চলেছেন দর্জি, কারিগররা। হাওড়ার বাঁকড়া, উনসানি, ডোমজুড়, জগৎবল্লভপুর, পাঁচলা ও উলুবেড়িয়ায় বাড়ি বাড়ি দেখা যায় এই ছবি। পুজো এলে তাঁদের বাড়ে ব্যস্ততা। হাওড়ার মঙ্গলাহাটে (Mangla Haat) যে পোশাক আসে, তা তৈরির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন কয়েক লক্ষ শ্রমিক। বড় বড় দোকান থেকে কাপড় এনে তৈরি হয় জামা-প্যান্ট, সালওয়ার, ফ্রক। কেউ পোশাকে ডিজাইন করেন, কেউ কাপড় কাটেন, কেউ সেলাই করেন, আবার কেউ জামায় বোতাম বসান। অনেকে আবার প্যাকিংয়ের কাজ করেন। এটাই একমাত্র উপার্জনের পথ। তাই রুটি-রুজির টানে পুরুষদের সঙ্গে হাত লাগান বাড়ির মহিলারাও।

    কী বলছেন ব্যবসায়ী এবং কারিগররা (Mangla Haat)

    মঙ্গলাহাটে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে রাতের ঘুম উড়েছে পোশাক ব্যবসায়ীদের। এরকমই এক ব্যবসায়ী শ্যামসুদ্দিন পিয়াদা বলেন, আমরা কী ভাবে সংসার চালাব, ভেবে পাচ্ছি না। পুজোর জন্য অনেক মাল তৈরি হয়ে গেছে। এত কাজ হয়ে গেছে, এদের পয়সা কী করে দেব, মাল বেচব কী করে, সেই নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছি। তিনি বলেন, তাঁর ৪০ বছরের পুরনো দোকান (Mangla Haat)। এখানে ১৫-১৬ জন দর্জি আছে। এখন মাল বিক্রি না হলে তাঁদের বেতন দেব কী ভাবে, সেটাই ভেবে পাচ্ছি না। দর্জি কারিগর শেখ হাবিব বলেন, ‘কী করে চলবে আমাদের? কী করে খাব? ছোট ছোট বাচ্চা রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ২-৩ জন ওস্তাগারে কাজ করি। হাওড়া হাটে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে, এখন তাঁদের মাল বিক্রি হচ্ছে না। খুব চিন্তায় পড়ে গেছি কী করব, কোথায় মাল বিক্রি করব।

    সবাই তাকিয়ে সরকারের দিকে

    বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে গেছে মঙ্গলাহাট (Mangla Haat)। হাট আবার কবে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে, জানা নেই কারও। সামনে পুজো। এই পরিস্থিতিতে সরকারের দিকে তাকিয়ে ব্য়বসায়ী, দর্জি ও কারিগররা। দর্জিমিস্ত্রি সাহেব আলি পিয়াদা বলেন, এই মাল তাঁদের  হাটে যায় প্রতি সপ্তাহে। হাট পুড়ে গেছে। মাল আর হাটে যাবে না। ওস্তাগর আমাদের পয়সা দিতে পারবেন না। এই করে আমরা খাই। কী করে আমাদের সংসার চলবে। ওস্তাগররা এখন কিছু বলছে না। দিদি তো গিয়েছিল দেখলাম। দিদির উপর আশা আছে।

    পুজো আসছে। এই সময় ঘরে ঘরে কাজ যখন বাড়ার কথা, তখন অগ্নিকাণ্ড কেড়ে নিয়েছে সব কিছু। পুজোর আগে কবে আবার আগের ছন্দে ফিরবে মঙ্গলাহাট, সেই অপেক্ষায় সকলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু! কীসে আসছেন দেবী? গমনই বা কীসে?

    Durga Puja: দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু! কীসে আসছেন দেবী? গমনই বা কীসে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। রথের দিন থেকেই দুর্গাপুজোর (Durga Puja) প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। সেদিন কাঠামো পুজো হয়। কলকাতা সহ রাজ্যের বেশ কিছু জনপ্রিয় পুজোতে খুঁটি পুজোর কাজও সম্পন্ন হয় সেদিন। এবারের দুর্গাপুজোর মহালয়া ১৪ অক্টোবর। সেসময় প্রকৃতি সাজবে নতুন ভাবে। কাশফুলে ভরে যাবে চারিদিক। প্রকৃতি জানান দেবে ‘মা আসছেন’।

    ২০২৩ সালে দেবীর আগমন ও গমন কীসে হবে? এর ফলাফলই বা কী?

    হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০২৩ সালে দেবী দুর্গার আগমন হবে ঘোড়ায়। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘোড়ায় আগমন খুব একটা শুভ বার্তা দেয় না। পঞ্জিকা অনুসারে ঘোড়ায় আগমন ‘ছত্রভঙ্গ’এর প্রতীক। ফলে দেবীর আগমন কালে ধ্বংস ও অস্থিরতার বার্তা রয়েছে। আবার মা উমার (Durga Puja) গমনও হবে ঘোড়ায়। অর্থাৎ ফলাফল সেই একই থাকছে। অস্থিরতা ও ধ্বংস।

    দেবীর (Durga Puja) আগমন ও গমনে সপ্তমী তিথি তাৎপর্যপূর্ণ কেন?

    হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে, প্রতি বছর দেবীর আগমন ও গমনের বাহন নিয়ে নির্দিষ্ট ব্যাখা রয়েছে। কোনওটাতে শুভফল এবং কোনওটাতে অশুভ! শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘প্রতি বছরের দুর্গাপুজোয় সপ্তমীর দিনটি সপ্তাহের কোন বারে পড়ছে তার ওপর নির্ধারিত হয় দেবী কোন বাহনে আসছেন, সেই বিষয়টি। চলতি বছরে দুর্গাপুজোর সপ্তমী পড়েছে শনিবার।’’ চলতি বছরে দেবীর আগমন ও গমন দুটোই ঘোড়াতে। ঘোড়ায় আগমন বা গমন এমনিতেই অশুভ মানা হয়। তার উপর দেবীর আগমন ও গমন একই বাহনে হলে, তা খুব একটা শুভ ফল দেয় না বলেই জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা।

    ২০২৩ সালের দুর্গা পুজোর (Durga Puja) নির্ঘণ্ট

    মহালয়া- ১৪ অক্টোবর। এদিন পিতৃপক্ষের অবসান ঘটে। দেবীপক্ষের সূচনা হয় সেদিন থেকেই। মহালয়ার পরের দিন দেবীপক্ষের প্রতিপদ তিথি শুরু হয়।

    মহাষষ্ঠী- ২০ অক্টোবর, ২০২৩, শুক্রবার

    মহাসপ্তমী- ২১ অক্টোবর, ২০২৩, শনিবার

    মহাঅষ্টমী – ২২ অক্টোবর, ২৩২৩, রবিবার

    মহানবমী- ২৩ অক্টোবর, ২০২৩, সোমবার

    বিজয়া দশমী- ২৪ অক্টোবর, ২০২৩, মঙ্গলবার

    কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো- ২৮ অক্টোবর, ২০২৩, শনিবার

    কালীপুজো – ১২ নভেম্বর, ২০২৩, রবিবার

    ভাইফোঁটা- ১৪ নভেম্বর, ২০২৩, মঙ্গলবার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: পুজোর আনন্দে মাতলেন রানি-সুস্মিতা! রাত পোহালেই দশমী, জেনে নিন দেবী বরণের নিয়ম

    Durga Puja: পুজোর আনন্দে মাতলেন রানি-সুস্মিতা! রাত পোহালেই দশমী, জেনে নিন দেবী বরণের নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের পলকে কেটে গেল পুজোর দিনগুলি। এসে গেল নবমীর বিকেল। রাত পোহালেই বিজয়া দশমী। এবার উমা ফিরবেন শিবের ঘরে। আবার একটা বছরের লম্বা অপেক্ষায় দিন গুনবে বাঙালি। মঙ্গলবার ২৪ অক্টোবর ৬ কার্তিক বিজয়া দশমী। বিসর্জন হবে সকাল ৮টা ৩২ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত। ভাসানের পুজো শেষ হওয়ার পরই সিঁদুর খেলা শুরু হবে। এটিকে সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করা হয়। 

    কীভাবে বরণ করবেন 

    দশমীর দিন থালায় দুটো পান পাতা, ফুল, ধান-দুর্বা, সিঁদুর, রুপো ও সোনা, মিষ্টি, পানের খিলি, ঠাকুরের গ্লাসে জল নিয়ে ঠাকুর বরণে যান মহিলারা। প্রথমে পান পাতা দিয়ে আলতা-সিঁদুর পরে সধবা স্ত্রীরা মাকে বরণ করেন। লাল বস্ত্র পরে বরণের কাজ করা হয়। চলতি বছরে দেবীর গমন হবে ঘোটকে। যা খুব একটা শুভ হিসেবে ধরা হয় না। এই সময় ছত্রভঙ্গ পরিস্থিতি হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে। দেবী বরণের পর অনেক জায়াগায় শুরু হয় ধুনুচি নাচ। নবমীর রাতেও চলে ধুনুচি নাচের প্রতিযোগিতা। ইতিমধ্যেই চলতি বছরের পুজোয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের ধুনুচি নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। মেয়ে আলিসাকে নিয়ে তিনি মুম্বইয়ের একটি পুজো মণ্ডপে যান। গোলাপি শাড়ির সঙ্গে ম্যাচ করে কানের দুল ও পনিটেলে খুব সুন্দর লাগছিল তাঁকে।

    পুজোয় মাতলেন রানি-কাজল

    বম্বে সার্বজনীন দুর্গাপুজো প্যান্ডেলে বলি তারকা রানি মুখার্জি, কাজল, বিদ্যা ব্যালান থেকে শুরু করে একাধিক অভিনেত্রী ভিড় করেছিলেন। বাঙালিয়ানায় ভরপুর থাকে এই পুজো মণ্ডপের পরিবেশ। পুজোর পাশাপাশি ভোগ খাওয়াও থাকে এখানকার বিশেষ আকর্ষণ। শনিবার সকালে একফ্রেমে ধরা দিয়েছিলেন রানি, তানিশা, সর্বানী মুখোপাধ্যায়রা। শনিবার সকাল থেকেই রানির সঙ্গে দেখা গিয়েছিল কিয়ারাকেও। ওইদিন রানির সঙ্গে বসে পুজোর ভোগও খান কিয়ারা। চামচ নয়, হাতে করেই চেটেপুটে ভোগ খেতে দেখা গেল তাঁদের। খাওয়ার সঙ্গে চলল গল্প ও আড্ডা। এরই মাঝে নজর কাড়ে কুমার শানুর দুর্গাপুজো। শোভাবাজার রাজবাড়ির আদেলে তৈরি হয়েছিল এই পুজোর মণ্ডপ। বাণিজ্যনগরীতে কলকাতার ছোঁয়া এনে দিতেই এই পরিকল্পনা বলে মনে করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘বাংলায় সুরাজ্য স্থাপনের জন্য ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রয়োজন’, বললেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ

    Birbhum: ‘বাংলায় সুরাজ্য স্থাপনের জন্য ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রয়োজন’, বললেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় সুরাজ্য স্থাপনের জন্য ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রয়োজন। শুক্রবার বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিয়ে একথা বললেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত। তিনি বলেন, বাংলায় সুরাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন। তারজন্য এখানে ডবল ইঞ্জিন সরকার চাই। আমি মায়ের কাছে প্রার্থনা করলাম, বাংলায় সুরাজ্য এনে দাও। বাংলায় বদল আনতে হবে। মোদীর সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা এখানকার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। যতদিন বাংলায় বদল না আসবে ততদিন সুদিন ফিরবে না। মানুষের কল্যাণে এখানকার সরকার বদলের প্রয়োজন। বাংলার মানুষের উচিত এই সরকার বদল করে কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত সুবিধা ভোগ করা।

    তৃণমূল সরকার নিয়ে কী বললেন প্রমোদ?

    গোয়া নির্বাচনে তৃণমূল অংশগ্রহণ করে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে এদিন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ তৃণমূলের নাম না করে বলেন, গোয়ার প্রচুর পর্যটক যান। সেরকমই কিছু রাজনৈতিক পর্যটক ২০২২ সালে গোয়া গিয়েছিলেন। সেখানে নতুন সকালের ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু, গোয়াতে নয়, এবার এই বাংলায় নতুন সূর্য উঠবে।

    কেষ্ট গড়ে (Birbhum) পুজো উদ্ধোধনে গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী

    কেষ্ট গড় বলে পরিচিত বীরভূম (Birbhum)। কিন্তু গত বছর থেকে তাঁর ঠিকানা তিহাড়েই। এবারও যা ভাবগতি, সেখান থেকে তার ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এবার কেষ্ট গড়েই পুজোর উদ্বোধনে এসেছেন বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। জেলার একাধিক পুজোর উদ্বোধন করেন তিনি। শুক্রবার অন্ডাল বিমানবন্দরে নেমে গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত সোজা চলে যান বক্রেশ্বর মন্দির। সেখান থেকে বেরিয়ে তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ একাধিক জেলা নেতৃত্ব। এরপর বিকেল চারটে নাগাদ বিজেপি বীরভূম জেলা কার্যালয়ে চায়ের আসরে যোগ দেন তিনি। পরে, বীরভূম শ্যামাপ্রসাদ স্মারক সমিতির দুর্গাপুজো উদ্বোধন করেন তিনি। সিউড়ি, দুবরাজপুরের একাধিক পুজো উদ্বোধন করে রানিগঞ্জের উদ্দেশে তিনি বেরিয়ে যান। সেখানেও একাধিক পুজো উদ্বোধনের কথা রয়েছে তাঁর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sreebhumi Puja Pandel: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    Sreebhumi Puja Pandel: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়িতে তখন রবিবার সন্ধ্যা ৬টা! যশোর রোড লেকটাউনের মুখ থেকে কোলে শিশু-কন্যাকে নিয়ে নেমে পড়লেন মা। বাস ঢুকবে না ভিআইপি রোডের দিকে। পুলিশ জানাল, রাস্তা বন্ধ। কারণ, শ্রীভূমি! অটোর লাইনে দাঁড়িয়ে শ-দেড়েক মানুষ। রিক্সা নেই! রাস্তায় যেন জনসমুদ্র। প্রতিপদ না সপ্তমীর (Durga Puja 2023) সন্ধ্যা বোঝা দায়! গন্তব্য শ্রীভূমি।

    তীব্র যানজট, দিশেহারা মানুষ

    লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব (Sreebhumi Sporting Club))। শ্রীভূমির এবারের থিম, ডিজনিল্যান্ড। যা দেখতে ইতিমধ্যে লোকের ভিড় (Traffic jam) বাড়তে শুরু করেছে। আর এই ভিড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যান চলাচলেও। বলা ভাল, লেকটাউনে ব্রিজে ওঠার মুখ একেবারে থমকে গিয়েছে। তাই যাঁরা বিমানবন্দর যাবেন, তাঁদের অন্য পথে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে কলকাতা পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি হেলায় উড়িয়ে কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণে ছড়িয়ে পড়ছে ‘শ্রীভূমি’আতঙ্ক। লেকটাউন ব্রিজে ওঠার মুখে তীব্র যানজট। খুব ধীরে গাড়ি এগোচ্ছে। বলা যায়, যে পথ যেতে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে, সেটা পৌঁছতে রবিবার সময় লেগেছে ১ ঘণ্টা। শয়ে-শয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    ঘুরপথে বিমানবন্দরে

    বাইপাস থেকে এয়ারপোর্ট যাওয়ার সহজতম রুট হল লেকটাউন ব্রিজ। কিন্তু, যেরকম যানজট হয়েছে, সেখানে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে অনেকটা বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। তাই এয়ারপোর্ট যেতে হলে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার থেকে নিউ টাউনের রাস্তা ধরার পরামর্শ দিচ্ছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। যদিও সেক্ষেত্রে অনেকটা রাস্তা ঘুরতে হবে। কিন্তু, যানজট এড়াতে এবং সময়ের মধ্যে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে আর কোনও উপায় দেখছে না পুলিশ। বিমানবন্দর মুখী বাইপাস, বা হাডকো মোড় থেকে উল্টোডাঙা মেন রোডের দিকে যান চলাচল সন্ধার পর থেকেই কিছুটা ধীর গতিতে চলতে শুরু করছে।

    আরও পড়ুন:কলকাতায় রামমন্দির! উদ্বোধনে অমিত শাহ, দুপুর ২টোয় বিমানবন্দরে নামবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বন্ধ রাস্তা

    ভিআইপি ব্রিজ থেকে কলকাতা স্টেশন রোড এবং ক্যানাল সার্কুলার রোডের মুখে সন্ধ্যার পর থেকেই প্রচণ্ড জ্যাম হতে শুরু করে দিয়েছে। গাড়ি চলাচলের গতি অনেকটাই কমে গিয়েছে। প্রতিপদের রবিবার যা অবস্থা তাতে আগামী, রবিবার অষ্টমীর দিনে ভিড় সামলানো পুলিশের পক্ষে সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবার্তাও যে শ্রীভূমি-আতঙ্ক কাটাতে পারল না, তা রবিবার প্রতিপদে তালগোল পাকানো যান-ব্যবস্থাতেই পরিষ্কার হয়ে গেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: রোদ ঝলমলে আকাশ পুজোয়, মনোরম আবহাওয়ায় জমবে মজা

    Weather Report: রোদ ঝলমলে আকাশ পুজোয়, মনোরম আবহাওয়ায় জমবে মজা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় হয়ে গিয়েছে বর্ষা বিদায়ের। তবে ঠিক কবে রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নেবে, তা এখনও জানানো (Weather Report) হয়নি সরকারিভাবে। তবে পুজোয় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। পঞ্চমী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত আবহাওয়া থাকবে মনোরম। নবমী এবং দশমীতেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে কিছু অঞ্চলে আকাশ থাকবে আংশিক মেঘাচ্ছন্ন। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অনুভূত হবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভোরের দিকে ও সন্ধে নামার পর হালকা শীতের অনুভূতি হতে পারে।

    মেঘমুক্ত আকাশ দক্ষিণে

    রাত পোহালেই মহালয়া। এদিন আকাশ থাকবে মেঘমুক্ত। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির আবহাওয়া থাকবে মনোরম। দু এক জায়গায় দেখা যেতে পারে আংশিক মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। আজ, শুক্রবার থেকেই কমতে থাকবে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। ক্রমশ প্রভাব বিস্তার করতে থাকবে উত্তুরে হাওয়া। শনিবার (Weather Report) দক্ষিণবঙ্গে রোদ ঝলমলে আকাশ থাকলেও, হালকা বৃষ্টি হতে পারে উত্তরে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। তবে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।

    বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

    পুজো-পর্বে অবশ্য গোটা বাংলায়ই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ষষ্ঠী থেকে মহাষ্টমী পর্যন্ত দিনগুলি থাকবে রোদ ঝলমলে। তাই চুটিয়ে উপভোগ করা যাবে ঠাকুর দেখার আনন্দ। রাতে এবং ভোরের দিকে কয়েকটি জেলায় হালকা শীত অনুভূত হবে। তাই যাঁরা রাতের বেলায় ঠাকুর দেখতে বেরোন, তাঁদের ক্লান্তি হবে কম। নবমী, দশমীতেও একই রকম আবহাওয়া থাকার কথা।

    এদিকে, বর্ষা বিদায় রেখা গিয়েছে রক্সৌল, ডালটনগঞ্জ এবং বিজাপুরের ওপর দিয়ে। তাই বর্ষা বিদায়ের পরিস্থিত অনুকূল। যে কোনও মুহুর্তে বর্ষা বিদায় নিতে শুরু করবে বাংলা ও ওড়িশা থেকে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্ষা বিদায় নেবে তেলঙ্গনা, মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটক থেকে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের (Weather Report) পার্বত্য এলাকায় শুক্রবার ঢুকবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। শনিবার সেটি প্রভাব বিস্তার করবে সমতলের রাজ্যগুলিতে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অন্তঃসত্ত্বার পেট ফালা ফালা করা, পাশে পড়ে গর্ভস্থ শিশু’’! প্রকাশ্যে হামাস জঙ্গিদের বর্বরোচিত হামলা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আগামী তিন-চারদিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া শুকনো থাকবে। শুধুমাত্র সমুদ্র উপকূলবর্তী জেলাগুলোর আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি চলবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “কয়েকজন জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো উদ্বোধন”! মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: “কয়েকজন জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজো উদ্বোধন”! মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহালয়ার আগে পিতৃপক্ষেই আজ, বৃহস্পতিবার কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেশ কিছু পুজোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে মহালয়া থেকে শুরু হত দুর্গা পুজোর উদ্বোধন। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে মাতৃপক্ষের সূচনা হলেই মূলত পুজো উদ্বোধন হত। 

    কী বললেন শুভেন্দু

    সনাতন হিন্দু ধর্মে পিতৃপক্ষে কোনও শুভ কাজ করা উচিত নয়। কিন্তু মাতৃপক্ষ বা দেবীপক্ষের আগেই পুজোর উদ্বোধন করায় সমালোচনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, “কোনো কালচারাল অনুষ্ঠান নয় দুর্গাপুজো। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু জালি হিন্দুর জন্য পিতৃপক্ষে দুর্গা পুজোর উদ্বোধন করবেন।” বিজেপির স্পোর্টস অ্যান্ড ক্লাব রিলেশন সেলের অনুষ্ঠানে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী আজ জানান, “মুখ্যমন্ত্রী বাড়ি বসে পুজোর ফিতে কাটবেন পিতৃপক্ষে। ১২ তারিখ থেকে সব করবেন। পারেও বটে। আগের বছরও এটা করেছিলেন।” এরই সাথে বিরোধী দলনেতার সংযোজন, “অন্য ধর্মের জন্য উনি যদি এটা করতেন তাহলে ট্রেন বন্ধ হয়ে যেত, ইট পড়ত বাসে। ৩৭ টা বাস পোড়ানো হত সাঁতরাগাছিতে। গোটা একটা ট্রেন জ্বলে যেত হাজারদুয়ারিতে। আমরা মনে করি দুর্গাপুজো হবে শাস্ত্রমতে। আমি যদি সঠিক হিন্দু হই, বিশুদ্ধ সনাতনী হই, বিশুদ্ধ রাষ্ট্রবাদী হই তাহলে শুভ কাজ করব না পিতৃপক্ষে।”

    আরও পড়ুন: লেনদেন কত? টাকার উৎস কী? সাড়ে ৮ ঘণ্টা ধরে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

    কী করবেন মুখ্যমন্ত্রী

    বিকেল চারটে নাগাদ প্রথমে শ্রীভূমির পুজো ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর একে-একে অন্যগুলি। চলতি বছর সাড়ে আটশো পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। হাঁটুতে চোটের কারণে সশীরে উপস্থিত থাকতে পারছেন না তিনি। তার বদলে ভার্চুয়ালি প্রায় ৮০০-র বেশি পুজো উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। প্রথম দিন শ্রীভূমি-সহ কলকাতার ৬টি পুজোর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মহালয়ার দুদিন আগে কিছু পুজোর উদ্বোধন করেন। পিতৃপক্ষে পুজো উদ্বোধন নিয়ে সেবার তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। এবারও পিতৃপক্ষের মধ্যে দুর্গাপুজো উদ্বোধন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share