Tag: Durgapur

Durgapur

  • Durgapur: দুর্গাপুরে নকল একে-৪৭ সহ ভুয়ো সেনা অফিসার গ্রেফতার, এলাকায় চাঞ্চল্য

    Durgapur: দুর্গাপুরে নকল একে-৪৭ সহ ভুয়ো সেনা অফিসার গ্রেফতার, এলাকায় চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন ভুয়ো সেনা অফিসারকে দুর্গাপুর (Durgapur) থানার পুলিশ শনিবার রাতে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের নাম হায়দার বেগলো। সে ছত্তিসগড়ের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে পুলিশ নকল একে-৪৭ সেভেন, একটি পিস্তল, ভারতীয় সেনার পোশাক এবং নকল পরিচয়পত্র উদ্ধার করেছে। কেন এই ব্যক্তি ভুয়ো পরিচয় নিয়ে দুর্গাপুরে বসবাস করছিল, তা নিয়ে পুলিশ তদন্তে নেমেছে।

    দুর্গাপুরে (Durgapur) কীভাবে আটক!

    বাইরে থেকে দুর্গাপুর (Durgapur) শিল্পাঞ্চলে বহু মানুষ কাজ করতে আসেন। এখনে স্থায়ী এবং অস্থায়ী বাসিন্দা প্রচুর বসবাস করে থাকেন। এর মধ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যাটাও প্রচুর। দুর্গাপুর থানা থেকে একটি বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। যার উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক সচেতনতা। পরিযায়ী শ্রমিকদের বেশিরভাগই এখানে ঘরভাড়া নিয়ে বসবাস করে থাকেন। পুলিশের আধিকারিকরা পাড়ায় পাড়ায় ভাড়াটেদের উপর তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছেন বলে জানা যায়। প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে দুর্গাপুর থানা থেকে একটি বিশেষ ফর্মও চালু করা হয়েছে। এরকমই তথ্য পেয়ে ছত্তিসগড়ের ভুয়ো সেনার খোঁজ মিলল দুর্গাপুরে। পরে পুলিশ তথ্য যাচাই করে দুর্গাপুরের সুভাষপল্লির একটি বাড়ি থেকে ভুয়ো ওই অফিসার হায়দার বেগলোকে গ্রেফতার করে বলে জানা গেছে। ভুয়ো অফিসার গ্রেফতারে এলাকায় চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। 

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ জানিয়েছে, হায়দার বেগলো ভারতীয় সেনার অফিসার পরিচয় দিয়ে সুভাষপল্লির বেনাচিতি এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে ছিল। প্রায় দু’মাস ধরে সে সেখানে বসবাস করছিল। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, কেন সে সেনার পোশাক, ভুয়ো পরিচয়পত্র, এয়ারগান অস্ত্র এবং একটি বাইক ব্যবহার করত, কী উদ্দেশ্য ছিল তার, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। অবশ্য হায়দার নিজে পুলিশের কাছে স্বীকার করে নিয়েছে, সে ভুয়ো সেনা অফিসার। পুলিশ আরও জানিয়েছে, হায়দারের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে তার স্ত্রী হায়দারকে আর্মি অফিসার বলেই জানেন। ভুয়ো সেনার অভিসন্ধি কী ছিল, তা জানার জন্য এখনও তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতকে দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুরে বেহাল রাস্তা মেরামতির দাবিতে পথে নামল বিজেপির যুবমোর্চা

    Durgapur: দুর্গাপুরে বেহাল রাস্তা মেরামতির দাবিতে পথে নামল বিজেপির যুবমোর্চা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে এবার পথে নামল বিজেপির যুবমোর্চা।দুর্গাপুরের (Durgapur)২৮ নম্বর ওয়ার্ডের মুচিপাড়া আন্ডারপাস থেকে এফসিআই পর্যন্ত বেহাল রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে হল বিক্ষোভ ও আন্দোলন।

    কেন দুর্গাপুরে (Durgapur) আন্দোলন ?

    দুর্গাপুরের (Durgapur) বিধাননগর এলাকার সাথে স্টেশনের যাওয়ার যোগাযোগকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা বছর খানেক ধরেই বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ক্রমাগত বাড়ছে দুর্ঘটনা। সামনেই বর্ষাকাল। রাস্তা সারাই না হলে মানুষের দুর্গতি যে আরও বাড়বে তা বলাই বাহুল্য। রাস্তা ঠিক করার দাবিতে মুচিপাড়া থেকে প্রতিবাদ মিছিল করে এফসিআই গেট পর্যন্ত যায় যুবমোর্চার আন্দোলনকারীরা। ভাঙাচোরা রাস্তার উপরে বসে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা। মিছিলে স্লোগান ওঠে, রাস্তা সারাই করার টাকা কে খেয়েছে? তৃণমূল সরকার জবাব দাও। এফসিআই গেটের সামনে বাঁকুড়া-দুর্গাপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ এসে আন্দোলনকারীদের হটিয়ে দেয়। পুলিশ সরিয়ে দিলেও বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সরানোর দাবি উঠেছে। অবিলম্বে রাস্তা সারাই না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন তারা গড়ে তুলবে বলে জানায় বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    দুর্গাপুরের (Durgapur) মুচিপাড়াতে বিশেষভাবে পুলিশের নাকা চেকিং বসানো হয়েছে। নাকাতে নিত্যদিনের চলা যানবাহনের কাছ থেকে প্রচুর টাকা আদায় করে পুলিশ, এমনটাই দাবি বিজেপির। মানুষ এই পুলিশি দৌরাত্ম্য থেকে বাঁচতে বিকল্প হিসাবে স্টেশনের রাস্তাকে বেশি করে ব্যবহার করছে। আর তাই অধিক চলাচলের জন্য বর্তমানে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে পড়েছে। তাই পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক, দুর্গাপুর নগর নিগমের আধিকারিক এবং আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের কাছে এই বিষয়ে বিশেষ অভিযোগ জানানো হয়েছে। অনেক অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ করছে না প্রশাসন। আর তাই রাস্তায় নেমে আন্দোলন। ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার জেলা সভাপতি সন্তোষ মুখার্জির নেতৃত্বে রাস্তায় প্রতীকী প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিজেপি আরও দাবি করে, নবান্ন থেকে দুর্গাপুর নগর নিগমের নির্বাচন না করেই পরিচালনা করা হচ্ছে শুধু মাত্র কয়েকজন তৃণমূল প্রসাশককে দিয়ে। আর প্রশাসকরা এলাকার রাস্তা নিয়ে নিষ্ক্রিয়। তাই অবিলম্বে দুর্গাপুরে বর্ষা আসার আগেই সকল রাস্তাকে ঠিক করতে হবে বলে বিজেপির তরফ থেকে বিশেষ দাবি রাখা হয়। আন্দোলনের ফলে প্রশাসন কতটা কাজ করে তাই এখন দেখার। 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Exotic Birds: বিদেশি পাখি পুষে বেকার যুবকদের রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন দুর্গাপুরের পড়ুয়া

    Exotic Birds: বিদেশি পাখি পুষে বেকার যুবকদের রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন দুর্গাপুরের পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশের রঙবেরঙের পাখি (Exotic Birds) পুষেই ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন দুর্গাপুরের এক পড়ুয়া অভিষেক রাম। নিজের আয়ের পাশাপাশি রাজ্য ও ভিন রাজ্যের বহু যুবককে রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন অভিষেক। বর্তমানে তাঁর পাখির সম্ভার চারশোরও অধিক। লক্ষ টাকা মূল্যের ম্যাকাও সহ আফ্রিকার জঙ্গল থেকে আনিয়েছেন নানা ওয়াইল্ড বার্ড। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে একটি সাদা আমব্রেলা কাকাতুয়া, যার মূল্য প্রায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমায় তাঁর খামারে। ইতিমধ্যেই বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ থেকে ২৫ টি প্রজাতির পাখি সংগ্রহ করে তাক লাগিয়েছেন অভিষেক।

    দক্ষিণ ভারত থেকেই ভাবনা শুরু

    বাবা অশোক রাম পেশায় ফুচকা বিক্রেতা, মা গৃহবধূ। আর্থিক অনটনের সংসারে অভিষেক ও তাঁর দাদা বিবেক রামের বেড়ে ওঠা। তাঁর দাদা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে গ্রাজুয়েশন করে অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করছেন। অভিষেকও সবেমাত্র গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন। অভিষেক একজন দক্ষ ক্রিকেটার। ক্রিকেটের জন্যই তিনি গিয়েছিলেন দক্ষিণ ভারতে। তখনই তাঁর নজরে পড়ে একটি বার্ডস ফার্ম। যা দেখার পরেই অভিষেকের এমন ভাবনা মাথায় আসে। আগেও তিনি বদ্রি, ককটেল, লাভবার্ডস ইত্যাদি পাখি (Exotic Birds) পালন করতেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই উত্থান

    এই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগে সেই সমস্ত পাখির (Exotic Birds) খাবার-দাবার, পরিচর্যা ইত্যাদির পাশাপাশি সঠিক পরিবেশ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, প্রজনন প্রক্রিয়া, বিভিন্ন রোগের  চিকিৎসা ইত্যাদি ভিডিও’র মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। বছর খানেকের মধ্যেই অভিষেকের তৈরি করা সেইসব ভিডিও অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে পশুপ্রেমীদের পাশাপাশি অসংখ্য দর্শকের কাছে। সেখান থেকেই রোজগারের দিশা দেখেন অভিষেক। আরও অনেকেই রোজগারের পথ খুঁজে পান তাঁর দেখানো রাস্তায়।

    মাসিক আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা!

    এরপর তিনি প্রায় আড়াই বছর ধরে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, পড়াশোনা করেছেন। আর নিজের জমানো টাকায় এক এক করে কিনেছেন নানান নামিদামি পাখি (Exotic Birds)। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে বর্তমানে তাঁর সংগ্রহে রয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার পাখি। সান কনিওর পাখির ব্রিডিং শুরু করে তিনি প্রথম উপার্জন করা শুরু করেন। বয়স অনুযায়ী এই পাখির দাম ৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এখন তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। অভিষেক রাম জানিয়েছেন, তিনি ২০১৪ সাল থেকে পাখি পালন শুরু করেন। ২০২২ সালে তিনি দুর্গাপুরের পারদই গ্রামে একটি বাড়ি তৈরি করেন। সেই বাড়ির ছাদেই তৈরি করেছেন বার্ডস ফার্ম হাউস। সেখানে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। পাখিদের থাকার মতো পরিবেশ তৈরি করেছেন তিনি। একইসঙ্গে সেখানে পাখিদের ব্রিডিংও শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jamtara: দুর্গাপুরেও জামতাড়া যোগ! কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের জালে তিন যুবক

    Jamtara: দুর্গাপুরেও জামতাড়া যোগ! কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের জালে তিন যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধুর কাছে থেকে সিমকার্ড নিয়ে তা থেকে ১ লক্ষ ৩৬ হাজার কল করা হয়েছে। যা দেখে হতবাক তদন্তকারী আধিকারিকরা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই সিমকার্ড থেকে ভুয়ো কল করে কোটি টাকার প্রতারণা করা হয়েছিল। জামতাড়া (Jamtara) গ্যাং যেভাবে অনলাইনে প্রতারণা করে, সেই কায়দায় অনলাইন প্রতারণা করা হত বলে অভিযোগ। এরপরই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুর্গাপুরের তিন যুবককে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ। ধৃতদের ৩ দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে গেল পুলিশ। ধৃতদের নাম দীপঙ্কর আঁকুড়ে, অনিকেত দাস ও অর্ঘ্য মজুমদার। ধৃতরা কোকওভেন থানার বীরভানপুর ও ডিপিএলের ক্ষুদিরাম কলোনির বাসিন্দা। মঙ্গলবার তিন যুবককে গ্রেফতার করার পর বুধবার ধৃতদের দুর্গাপুর আদালতে পেশ করে দিল্লি পুলিশ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ধৃত দীপঙ্কর আঁকুড়ে ও অনিকেত দাসের কাছ থেকে সিম কার্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার চক্র চালাত অর্ঘ্য মজুমদার। দুটি সিম কার্ড থেকে লক্ষাধিক কল করা হয়েছিল।

    ধৃতদের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে?

    ২০২৩ সালে ১১ই মার্চ দিল্লি সাইবার ক্রাইম থানায় আর্থিক প্রতারণার একটি অভিযোগ দায়ের হয়। প্রতারকদের বিরুদ্ধে ৪২০/১২০ বি ধারায় মামলা রুজু করে দিল্লি সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। দিল্লি পুলিশের আধিকারিক জয়দেব মোড়ার নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল দুর্গাপুরে আসে। ফোন কল ট্র্যাক করে কোকওভেন থানা এলাকা থেকে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়। এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন যুক্ত থাকতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশ মুখ খুলতে রাজি হয়নি। তাদের সন্ধানেও তারা তল্লাশি চালাচ্ছে। প্রতারকদের সঙ্গে জামতারা (Jamtara) গ্যাংকের কী ভূমিকা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী?

    সরকারী আইনজীবি সিদ্ধার্থ বসু বলেন, জামতাড়া (Jamtara)  গ্যাংয়ের সঙ্গে তারা জড়িত ছিল। তারা ভুয়ো কল করে অনেকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। কখনও ব্যাঙ্কের কর্মী পরিচয় দিয়ে, কখনও বিদ্যুৎ দফতরের কর্মী পরিচয় দিয়ে অপরাধ করেছিল। সাইবার ক্রাইমে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়।

    ধৃত এক যুবকের বাবা কী বললেন?

    আমার ছেলে ডিএসপিতে কাজ করে। ৫০০ টাকার বিনিময়ে ও তার বন্ধুকে নিজের সিমকার্ড তুলে দিয়েছিল। সেই সিমকার্ডেই চলত এই ধরনের অপরাধ। অর্ঘ্য এসব করত। আমার ছেলে জড়িত নয়। আসলে সিমকার্ড দেওয়া ওর অপরাধ। ডিএসপিতে আমার ছেলে কাজে গিয়েছিল। সেখান থেকেই পুলিশ ওকে ধরেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SIT: রাজু ঝা খুনের তদন্তে এক ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চালাল সিট, কী মিলল?

    SIT: রাজু ঝা খুনের তদন্তে এক ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চালাল সিট, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় ফের কয়লা মাফিয়া নারায়ণ খারকার দুর্গাপুর সিটি সেন্টার অফিসে ফের হানা দিল স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট (SIT)। প্রথমে সিটের (SIT)  আধিকারিকেরা নারায়ণ খারকার অফিসের পিছনে থাকা একটি বলেরো গাড়িতে অভিযান চালান। সেখান থেকে ল্যাপটপ এবং বেশকিছু নথিপত্র সংগ্রহ করে সিট। পরে, রাজু ঝা খুনে ধৃত অভিজিত্ মণ্ডলকে সঙ্গে নিয়ে কয়লা মাফিয়ার অফিসে তল্লাশি চালান সিটের আধিকারিকেরা।

    নারায়ণ খারকার অফিস থেকে কী বাজেয়াপ্ত করল সিট (SIT)?

    রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় অভিজিত্ মণ্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এই খুনের পিছনে আর কারা রয়েছে, তা নিয়ে তদন্ত করছে সিটের (SIT) আধিকারিকেরা। অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই খুনের ঘটনায় সিটের (SIT) সদস্যরা এর আগে পৌঁছে গিয়েছিলেন নারায়ণ খারকার অফিসে। ধৃত অভিজিৎ মণ্ডলকে নিয়ে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের দুটি দোকানে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিটের (SIT)  তদন্তকারী আধিকারিকরা। যদিও ওই বন্ধ দোকান দুটির চাবি না মেলায় পুলিশ সিল করে। পরে, অভিজিত্ মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেন সিটের আধিকারিকেরা। সেখানেও বেশ কিছু নথি সংগ্রহ করেছিলেন তাঁরা। আদালতের নির্দেশে ওই ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশির অনুমতি নিয়ে সোমবার ফের আসেন তদন্তকারী দল। ঘটনাস্থলে ছিলেন নারায়ণ খারকার আইনজীবীরা। অফিসের সিল খুলে সিটের আধিকারিকরা তল্লাশি শুরু করেন। ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। অভিজিত্ মণ্ডলকে সঙ্গে নিয়ে অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। নারায়ণ খারকার আইনজীবী পূজা কুর্মি বলেন, আমরা তদন্তকারী আধিকারিকদের সমস্তরকম সহযোগিতা করেছি। তাঁরা অফিসের ভিতরে সিসি টিভি ফুটেজের নথি সংগ্রহ করেছেন। আরও কিছু নথি তাঁরা নিয়ে গিয়েছেন। তবে, অভিজিত্ এই অফিসে কোনওদিনই কাজ করতেন না। প্রসঙ্গত, ১ এপ্রিল দুর্গাপুর থেকে কলকাতার উদ্দেশ্য রওনা দেন রাজু ঝা। সঙ্গে ছিল ব্রতীন ও আবদুল লতিফ। শক্তিগড়ে তাঁরা ঝালমুড়ি খেতে গাড়ি থেকে নীচে নামেন। সেই মুহূর্তে একটি নীল গাড়িতে করে আসা দুই জন শার্প শ্যুটার গাড়ির প্রথম সিটে বসে থাকা রাজুকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজু ঝা খুনের শার্প শ্যুটারদের দুর্গাপুরে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল ধৃত অভিজিৎ মণ্ডল। এবার তার সূত্র ধরেই প্রকৃত খুনির নাগাল পেতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SIT: রাজু ঝা খুনে ধৃত অভিজিতের বাড়িতে হানা দিল সিট! কেন?

    SIT: রাজু ঝা খুনে ধৃত অভিজিতের বাড়িতে হানা দিল সিট! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শুক্রবার কাঁকসার বামুনারায়  রাজু ঝা খুনের ঘটনায়  ধৃত অভিজিৎ মণ্ডলের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে হানা দিল সিট (SIT) -এর সদস্যরা। রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় অভিজিত্ মণ্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এই খুনের পিছনে আর কারা রয়েছে, তা নিয়ে চর্চা চলছে সর্বত্র। অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই খুনের ঘটনার তদন্তে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিটের (SIT) সদস্যরা পৌঁছে যান দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের অন্য এক ব্যবসায়ী নারায়ণ খারকার অফিসে। ধৃত অভিজিৎ মণ্ডলকে নিয়ে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের দুটি দোকানে তল্লাশি চালান সিটের (SIT)  তদন্তকারী আধিকারিকরা। যদিও ওই বন্ধ দোকান দুটির চাবি না মেলায় পুলিশ সিল করে। এবার সিসি টিভি খতিয়ে দেখতে অভিজিতের বাড়িতে পৌঁছাল সিট (SIT)।

    সিসি টিভি খতিয়ে দেখে কী পেল সিট (SIT)?

    নারায়ণ খারকার দোকানের পর এবার ধৃত অভিজিত্ মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিল সিট (SIT) । তার বাড়ির সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। তবে, সেখানে শেষ ২৪ ঘণ্টার  ভিডিও ছাড়া আর কিছুই মেলেনি। নেই ২৪ ঘণ্টার আগের কোনও ভিডিও ফুটেজ, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। তবে, কী কোনও বিশেষ প্রমাণ লোপাট করতেই মুছে ফেলা হয়েছে সেই সমস্ত ফুটেজ? মূলত তারসঙ্গে কার ওঠাবসা ছিল, তার বাড়িতে কারা কারা আসত তা খতিয়ে দেখতেই সিটের আধিকারিকরা সিসি টিভি খতিয়ে দেখেন। পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, রাজু ঝা খুনের শার্প শুটারদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল অভিজিত্। কয়েকমাস ধরেই শুটাররা টার্গেট করছিল রাজুকে। অবশেষে ১ এপ্রিল দুর্গাপুর থেকে কলকাতার উদ্দেশ্য রওনা দেন রাজু ঝা। সঙ্গে ছিল ব্রতীন ও আবদুল লতিফ। শক্তিগড়ে তাঁরা ঝালমুড়ি খেতে গাড়ি থেকে নীচে নামেন। সেই মুহূর্তে একটি নীল রংয়ের গাড়িতে করে আসা দুই জন শার্প শুটার গাড়ির প্রথম সিটে বসে থাকা রাজুকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। এই ঘটনার ১৮ দিনের মাথায় অভিজিৎ মণ্ডল গ্রেফতার হয়। পুলিশ তাকে হেপাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (ডিএসপি) তৃণমূলের (TMC) ঠিকা শ্রমিক সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল হয়ে উঠল এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে বেশ কয়েকজন ঠিকা শ্রমিক কারখানার গেটে কাজে যোগদান করতে গেলে তাঁদের উপরে ইটবৃষ্টি করে তৃণমূলেরই একাংশ, এমনই অভিযোগ। এই ঘটনায় মাথা ফেটে যায় শেখ সামসুদ্দিন নামক এক ঠিকা শ্রমিকের। তাঁকে তড়িঘড়ি ডিএসপি মেন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, এদিন যখন তাঁরা কাজে যোগদান করতে যাচ্ছিলেন, সেই সময় শেখ গোলাম রসুলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাঁদের উপর হামলা চালায়। সূত্রের খবর, এই গোলাম রসুল তৃণমূল করেন। দিনকয়েক আগে জেলার নেতৃত্ব ডিএসপির সাত শ্রমিক নেতাকে বহিষ্কার করে। এই ঘটনা তারই জের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিন পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসি-র ডাকে বিশাল শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা দুপুর সাড়ে তিনটের সময় দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের মেন গেট এলাকায়। সমাবেশের প্রধান বক্তা আইএনটিটিইউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই এদিন সকালে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আহত হন তৃণমূল নেতা।

    আক্রান্ত এক নেতা কী বলছেন?

    আজ আমি গাড়ি করে যখন প্ল্যান্টে ঢুকছিলাম, তখন বহিরাগত ২৫-৩০ জন আমাদের উপর হামলা চালায়। এদের মধ্যে কর্মীও ছিল, ছিল গোলাম রসুলও। গাড়ি ঘুরিয়ে যখন চলে যেতে উদ্যোগী হই, তখন পিছন থেকে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। চালকের মাথায় আঘাত লাগে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় চিকিৎসার জন্য। গাড়িচালক হামলাকারীদের সবাইকে চেনে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেই সবার নাম জানা যাবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গেটে ঢোকার সময় আমাদের কর্মীদের সঙ্গে কারও কোনও বচসা হয়নি। তাঁর দাবি, দলের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি তৃণমূল করেন। ২০০৪ সালের পর থেকে আইএনটিটিইউসির (TMC) সদস্য। তারপরেও এই ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    কী জবাব দিলেন অভিযুক্ত?

    যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই গোলাম রসুল বলেন, আমি তো এসব কিছুই জানি না। এখানে ছেলেরা সব ঝান্ডা বাঁধছিল। আমিও ছিলাম। এখানে আজ একটা (TMC) প্রোগ্রাম আছে। ওরা এটা নিয়ে একটা নোংরা রাজনীতি করছে। আমার নামে যে ওরা অভিযোগ করেছে, আমি তা এখনও শুনিনি। এমনকি কাকে মারধর করা হয়েছে, সে খবরও আমরা জানি না। সাংবাদিকদের মুখ থেকেই যা শোনার শুনছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • SIT: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় দুর্গাপুরের এক ব্যবসায়ীর অফিস সিল করল সিট, কেন?

    SIT: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় দুর্গাপুরের এক ব্যবসায়ীর অফিস সিল করল সিট, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবসায়ী রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় অভিজিত্ মণ্ডল নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে। এবার এই খুনের পিছনে আর কারা রয়েছে, তা নিয়ে চর্চা চলছে সর্বত্র। অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই খুনের ঘটনার তদন্তে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিটের (SIT) সদস্যরা পৌঁছে গেলেন দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের অন্য এক ব্যবসায়ী নারায়ণ খারকার অফিসে। তাকে দেখা করার জন্য নোটিশও দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই ব্যবসায়ীর আইনজীবী নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেননি।

    নারায়ণ খারকার অফিসে হানা দিয়ে কী করল সিট (SIT)?

    মঙ্গলবার রাতে দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে হানা দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের সিট (SIT)। একদম ভরা বাজার থেকে অভিজিৎকে পাকড়াও করে পুলিশ। একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সেই সময় নারায়ণ অম্বুজা কলোনিতে তাঁর অফিসেই ছিলেন। অভিজিৎকে পুলিশ ধরার সঙ্গে সঙ্গেই খবর পৌঁছে গিয়েছিল অফিসে। স্করপিও গাড়িতে করে চম্পট দেন ‘কয়লা মাফিয়া’ নারায়ণ। যদিও অন্য একটি সূত্রের দাবি, কয়েকদিন ধরেই নারায়ণ এলাকাতে নেই। বুধবার রাত ৮টা নাগাদ সিটের আধিকারিকরা ফের দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে নারায়ণের অফিসে হানা দেন। সঙ্গে ১০টি গাড়িতে ছিল পুলিশ। নারায়ণের অফিস পুলিশে ছয়লাপ হয়ে যায়। অফিসে তল্লাশির জন্য ধৃত অভিজিত্ মণ্ডলকেও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন সিটের (SIT) আধিকারিকরা। কিন্তু, অফিসে কারও দেখা মেলেনি। এরপরই অফিস সিল করে দেওয়া হয়।

    কে এই নারায়ণ খারকা?

    একসময় রাজু ঝায়ের সঙ্গে কয়লার কারবারে যুক্ত ছিলেন নারায়ণ। একসঙ্গে তাঁরা ব্যবসা করতেন। রাজ্যে পালাবদল হওয়ার পরই নারায়ণের প্রভাব বাড়তে শুরু করে। জেলে যেতে হয় রাজুকে। বহুদিনের জুটি ভেঙে যায়। কারবারের দ্বন্দ্ব চরম শত্রুতার পর্যায়ে চলে যায়। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর খনি অঞ্চলে ইসিএলের কয়লা পরিবহণের ‘ডিস্ট্রিবিউশন অর্ডার’ পাওয়া সংস্থার উপর তোলা আদায় করার কারবার শুরু করেছিল রাজু। প্রতি টন কয়লার জন্য ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা ডান্ডা ট্যাক্স চালু করেছিল সে। এই নিয়ে নারায়ণের সঙ্গে শত্রুতা বাড়তে থাকে রাজুর। ইসিএলের কয়লা নিলাম হলে কোনও সংস্থা তা কিনত। সেখানেও থাবা বসিয়েছিল রাজু। তার জেরেও অনেকেরই সঙ্গে শত্রুতা বাড়ছিল রাজুবাহিনীর। নারায়ণের সঙ্গে রাজু-র দুরত্ব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। ধৃত অভিজিত্ মণ্ডল নারায়ণের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাই, অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার অর্থ নারায়ণকে বার্তা দেওয়া। বুধবার রাতে দুর্গাপুর অফিসে সিল করে সিট (SIT) আধিকারিকরা সেই বার্তা আরও স্পষ্ট করলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপি নেত্রীর ছেলেকে নগ্ন করে বেধড়ক মার ও মাথার চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ! কেন এই নির্যাতন?

    BJP: বিজেপি নেত্রীর ছেলেকে নগ্ন করে বেধড়ক মার ও মাথার চুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ! কেন এই নির্যাতন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোটেলের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার মাশুল! চুরির অপবাদ দিয়ে মোবাইল কেড়ে বিজেপি (BJP) নেত্রীর ছেলেকে নগ্ন করে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, মাথার চুল কেটে নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ। ১৪ এপ্রিল রাতে এমনই অমানবিক ঘটনা ঘটেছে দুর্গাপুরের মুচিপাড়া এলাকায়। আক্রান্ত রাজীব ভট্টাচার্য্য নামে ওই যুবক সুবিচারের দাবিতে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাঁকসা থানার পুলিশ। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজীব ভট্টাচার্য্য দুর্গাপুর পুরসভার ১ নং ওয়ার্ডের ধোবিঘাট এলাকার বাসিন্দা। তার মা সুমনা ভট্টাচার্য বিজেপি-র (BJP) আসানসোল সাংগঠনিক জেলার মহিলা মোর্চার সহ সভাপতি। বছরখানেক ধরে রাজীববাবু দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার এক হোটেলে কাজ করতেন। সম্প্রতি অন্য একটি হোটেলে ভালো মাইনের সুযোগ পাওয়ায় ওই কাজ তিনি ছেড়ে দেন। নতুন ওই হোটেলের কাজে তিনি যোগও দেন। পুরানো ওই হোটেলের মালিক আই কার্ড, ব্যাগ, ডায়েরি ফেরত দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। সেইমতো ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় মুচিপাড়ার ওই হোটেলে দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি (BJP) নেত্রী যান। অভিযোগ, সেখানে সব ফেরত দেওয়ার পর, আচমকা হোটেল মালিক হিরন্ময় দাস ও তাঁর ছেলে রাজীববাবুকে মারধর শুরু করেন। টেনে হিঁচড়ে হোটেলের পিছনে নিয়ে যান। সেখানে চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মোবাইল কেড়ে হোটেলের কয়েকজন কর্মীকে দিয়ে তাঁকে নগ্ন করে নির্মমভাবে মারধর শুরু করা হয়। রাজীববাবুর ভাই বাঁচাতে গেলে, তাঁকেও মারধর করা হয়। বিজেপি (BJP) নেত্রীর সামনেই এই ঘটনা ঘটে। তিনি রাস্তায় এসে আর্তনাদ করেন। কিন্তু, বাইরের লোককে হোটেলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রাজীববাবুকে তালাবন্ধ করে রাখা হয়। রাজীববাবুর মাথার চুল কেটে  অমানবিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ।

    ছেলেকে মারধর করা নিয়ে কী বললেন বিজেপি (BJP) নেত্রী?

    বিজেপি (BJP) নেত্রী তথা আক্রান্ত রাজীববাবুর মা সুমনা ভট্টাচার্য বলেন, আমার সামনেই হোটেল মালিক ছেলের ওপর নির্যাতন চালায়। ছেলের মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়। এই ঘটনা নিয়ে পুলিশে খবর দিই। মলানদিঘি ফাঁড়ির পুলিশ এসে ছেলেকে উদ্ধার করে। অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে থানায় অভিযোগ দায়ের করি।

    কী বললেন অভিযুক্ত হোটেলের মালিক?

    যদিও এবিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন হোটেল মালিক হিরন্ময় দাস। তিনি বলেন, হোটেলের গেটের বাইরে চুরি করার বিষয় জানতে পেরে জনতা মারধর করেছে। চুল কেটে দিয়েছে। আমি উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Home: আবাসিককে বেধড়ক মার! ভাইরাল ভিডিও, হোম পরিদর্শনে প্রশাসনের আধিকারিকরা, কোথায় জানেন?

    Home: আবাসিককে বেধড়ক মার! ভাইরাল ভিডিও, হোম পরিদর্শনে প্রশাসনের আধিকারিকরা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হোমের (Home) এক আবাসিকের ওপর চলছে শারীরিক নির্যাতন। আর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর থানা এলাকার ইস্পাত নগরীর এ জোন হর্ষবর্ধনে “দুর্গাপুর হ্যান্ডিকাপ্ড হ্যাপি হোম” নামে একটি হোম (Home)  নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হতেই দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায় সমাজ কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিকদের তদন্ত করতে পাঠান।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? Home

    এই হোমে অনেক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চা রয়েছে। হোমের (Home) বারান্দায়, উঠানের চারিদিকে সকলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে রয়েছে। কেউ আবার শুয়ে রয়েছে। উঠানের পাশে এক আবাসিক গেঞ্জি পড়ে বসে রয়েছে। তার পরনে প্যান্ট নেই। একজন পরিচারিকা তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।  হোমের (Home)  ভিতরেই একজন সেই ছবি মোবাইল বন্দি করছেন। আর এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা নড়েচড়ে বসেন। শুরু হয় তদন্ত।

    হোম পরিদর্শন করে কী বললেন সমাজ কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক? Home

     হোমের (Home) আবাসিককে মারধর করার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই প্রশাসনের বিষয়টি নজর আসে। এদিন সমাজ কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক দেব দুর্লভ ঘোষাল হোম (Home)  পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনের পর দেব দুর্লভ বাবু জানান, এই ভিডিও সম্ভবতঃ পুরানো। তাছাড়া হোমে (Home)  সব আবাসিকের সঙ্গে কথা বলেছি। কেউ মারধর করার কথা বলেনি।  তবুও, বিষয়টি খতিয়ে দেখব।

    কী বলল হোম কর্তৃপক্ষ? Home

    এই হোমে ৪১ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চা রয়েছে। হোমের (Home) সম্পাদক পাপিয়া মুখোপাধ্যায় বলেন, এই ভিডিও ফুটেজটি ২০১৭ সালের। এই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। যার সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছিল, সেই আবাসিকও নেই। তবে, এই হোমের সুপারভাইজার আমির হাসান বলেন, এই হোমের (Home)  অনেক রকম দুর্নীতি আছে। এমনকি বাইরে কিছু ফাঁস করলে প্রাণ নাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share