Tag: duttapukur

duttapukur

  • Bomb Blast: তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ, উড়ল ছেলের হাতের আঙুল

    Bomb Blast: তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ, উড়ল ছেলের হাতের আঙুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরে ভয়াবহ বাজি বিস্ফোরণে (Bomb Blast) ঘটেছিল। প্রাণ হারিয়েছিলেন অনেকেই। বাজির আড়ালে বোমা তৈরি হত বলে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে। সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকমাস। এবার সেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেই তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধানের বাড়িতে বাজি বিস্ফোরণ হয়। গুরুতর আহত হয় প্রাক্তন প্রধান কৃষ্ণপদ মণ্ডলের ছেলে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মছলন্দপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ফুলতলা দাসপাড়া এলাকায়। এলাকাবাসীরা বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে দৌড়ে যান।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Bomb Blast)

    বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে। শুক্রবার রাতে দাসপাড়া এলাকা তৃণমূল নেতার বাড়ির ছাদ বিস্ফোরণে ঝলসে যায়। তারস্বরে চিৎকার করতে থাকেন তৃণমূল নেতার ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আচমকা বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) মতো আওয়াজ পাই। বাড়ির বাইরে বেরিয়ে দেখি কৃষ্ণদার বাড়ির ছাদে বিস্ফোরণ হয়েছে। আমরা ছুটে সেখানে যাই। প্রাক্তন প্রধানের বাড়ির ছাদের ওপর আহত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তাঁর ছেলে। তার বাঁ হাতের পাঁচটি আঙ্গুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ছাদে শুয়ে কাতরাচ্ছিল সে। দ্রুত তাকে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় বারাসত হাসপাতালে। তবে, এত বাজি কোথা থেকে এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দত্তপুকুরের বাজি বিস্ফোরণের পর এলাকায় বাজি বিক্রি নিষিদ্ধ করা হলেও প্রাক্তন প্রধানের ছেলে এত বাজি কোথা থেকে নিয়ে এসেছে, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন এলাকাবাসীরাও।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    প্রাক্তন প্রধান কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন, এই বাজি কিনে নিয়ে এসেছিল ছেলে। সেগুলি ছাদে রোদে দেওয়া হয়েছিল। এরপরই শুক্রবার রাতে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে, আদতে বিস্ফোরণের (Bomb Blast) কী কারণ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বাজি ছাড়াও সেখানে অন্য কিছু ছিল কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: ব্যাগে মিলল ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র, মহিলা পাচারকারীকে দেখে তাজ্জব পুলিশ

    Duttapukur: ব্যাগে মিলল ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র, মহিলা পাচারকারীকে দেখে তাজ্জব পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আগ্নেয়াস্ত্র সহ অস্ত্র পাচারকারী বা ক্যারিয়ারকে গ্রেফতার করার ঘটনা ঘটছে। এতে নতুন কিছু নয়। তবে, সেই অস্ত্র পাচারকারী যদি মহিলা হয় তাহলে তো অবাক হওয়ার বিষয়। এমনই এক মহিলা অস্ত্র কারবারির হদিশ মিলল উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর (Duttapukur) থানা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম পূজা বিশ্বাস। বছর ৪৫-এর ওই মহিলা উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার বাসিন্দা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Duttapukur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ থেকে ১২টি স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কলকাতা যাচ্ছিল পূজা নামে ওই মহিলা পাচারকারী। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা শনিবার সকাল থেকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে দত্তপুকুর (Duttapukur) থানার আলগরিয়া এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালান। ওই সময় এক মহিলাকে তাঁদের সন্দেহ হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু প্রশ্নের সদুত্তর পাননি শুল্ক আধিকারিকেরা। তাঁরা খবর দেন দত্তপুকুর থানায়। এর পর পুলিশ এসে ওই মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁর কাছে তল্লাশি চালিয়ে একটি ব্যাগ থেকে মেলে ১২টি স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। দেখে পুলিশ কর্মীরা তাজ্জব হয়ে যান। পরে, পুলিশ জানতে পারে, মালদহ থেকে ওই অস্ত্রগুলি আসে মহিলার কাছে । তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় কলকাতায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল তাঁর। শনিবার তাঁকে বারাসত আদালতে তোলা হয়েছে। তাঁকে বারাসাত আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হয়। কিন্তু, বিচারপতি ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক কী বললেন?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন,  কার কাছ থেকে ওই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি পেয়েছে, কাকে বিক্রি করতে যাচ্চিল, এই সব প্রশ্নের কোনও সদুত্তর মেলেনি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে,  মূলত অস্ত্র পাচারের কাজ করত সে। এমনকী, ভিনরাজ্যে আগ্নেয়াস্ত্র পাচারে হাত পাকিয়েছে অভিযুক্তা। ওই মহিলার সঙ্গে বড় কোনও অস্ত্র পাচারচক্র জড়িত থাকতে পারে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত গ্রেফতার, এতদিন কী করছিল পুলিশ?

    Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত গ্রেফতার, এতদিন কী করছিল পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল এলাকা। তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বিস্ফোরণে উড়ে যায় প্রায় আস্ত একটা বাড়ি। ছিন্নভিন্ন দেহাংশ ছিটকে গিয়ে পড়ে প্রায় ২০০ মিটার দূরে। কারও কারও হাত-পা উড়ে যায়। আগুনে ঝলসে যান বেশ কয়েকজন। অনেকেই সেদিন বলেছিলেন, কয়েক কিলোমিটার দূরে বারাসত পর্যন্ত শোনা গিয়েছিল বিস্ফোরণের শব্দ। দত্তপুকুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয় মূল অভিযুক্ত। ২৮ দিন ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত রমজান আলিকে পুলিশ গ্রেফতার করল। তাঁকে কদম্বগাছি থানা এলাকার একটি গ্রাম থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বিস্ফোরণকান্ডে এর আগে আর কে গ্রেফতার হয়েছে? (Duttapukur)

    দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রথম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সফিকুল ইসলাম। বিস্ফোরণ ঘটা বাজি কারখানায় সফিকুলের অংশীদারিত্ব ছিল বলে জানা গিয়েছিল। ধৃত সফিকুল বাজি কারখানার মালিক কেরামত শেখের পার্টনার বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল। তবে কেরামতের  সন্ধান পাওয়া যায় নি। কেউ বলছে, বিস্ফোরণে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কেরামত। আবার একাংশের দাবি ছিল বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে তার। প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণস্থলে নীল ড্রামে মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও পটাসিয়াম ক্লোরাইড। বাজি কারখানার অদূরে হদিশ মিলেছিলো ল্যাবরেটরি। এই প্রেক্ষাপটে দত্তপুকুরে বিস্ফোরণে আরডিএক্স ব্যবহার হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছিলেন এলাকায় গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি অভিযোগ উঠছিল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু পুলিশের তোলা আর তৃণমূল নেতাদের কাটমানি খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। আগে কাটমানি ১০ হাজার হলে, এখন ২০ হাজার টাকা ছিল।  

    বিস্ফোরণকান্ডের অভিযুক্তকে কতদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত?

    দত্তপুকুরে (Duttapukur) বাজি বিস্ফোরণে আগেই এফআইআর এর নাম ছিল এই রমজান আলির। রমজান আইএসএফের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করেছিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। বিস্ফোরণের পর থেকেই এতদিন গা ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল সে। এতদিন পর  তাকে গ্রেফতার করে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। এদিন ওই রমজান আলিকে বারাসত আদালতে তোলা হয়। পুলিশের তরফ থেকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হলে বারাসত জেলা আদালতের বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে সরকারি ছাপ দেওয়া বস্তায় বেআইনি বাজি! সব জেনেও পুলিশ কী করছিল?

    Duttapukur: দত্তপুকুরে সরকারি ছাপ দেওয়া বস্তায় বেআইনি বাজি! সব জেনেও পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সরকারি স্ট্যাম্প দেওয়া বস্তায় ভরে বাজি পাচার। দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামে বিস্ফোরণস্থলের একেবারে কাছেই দুটি দোকান ঘরে এরকম কয়েকশো বাজির বস্তার হদিশ। যেগুলির প্রতিটিতেই কোনও না কোনও সরকারি সংস্থার ছাপ দেওয়া রয়েছে। পুলিশের চোখে ধুলো দিতেই বাজি কারবারিরা এই অভিনব কৌশল বেছে নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, তারপরেও পুলিশ সেই সমস্ত বাজি ভর্তি বস্তা বাজেয়াপ্ত কিংবা দোকানঘর থেকে সরাতে কোনও উদ্যোগ নেয়নি, এমনটাই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তাই উঠছে প্রশ্ন।

    ল্যাবরেটরির পর সরকারি ছাপ দেওয়া বস্তার হদিশ

    দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোলে বিস্ফোরণের পর বিভিন্ন জঙ্গল এবং বাঁশঝাড়ে বাজির উপকরণ ফেলে দিয়েই চম্পট দেয় শ্রমিকরা। যা এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আশেপাশে। মঙ্গলবারই নিহত কেরামত আলির রাসায়নিক ভর্তি গোডাউনের হদিশ পাওয়া যায়। তারও আগে বেরুনান পুকুরিয়ার একটি পরিত্যক্ত ইটভাটায় অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরির হদিশ মিলেছিল। সেখান থেকে টেস্টটিউবের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তেমনই অত্যাধুনিক সেই ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন ধরনের বোমা-বাজির পরীক্ষা-নিরীক্ষারও বন্দোবস্ত ছিল। এবার হদিশ মিলল সরকারি ছাপ দেওয়া বাজি মজুতের বস্তা।

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা? (Duttapukur)

    দত্তপুকুর (Duttapukur) থানার ইছাপুর-নীলগঞ্জ পঞ্চায়েতের মোচপোল গ্রাম এবং তার আশপাশে বাজিই যেন কুটির শিল্প। এলাকার যেদিকেই চোখ যাবে সেদিকেই লক্ষ্য করা যাবে ছোট, বড়, মাঝারি মাপের বাজি তৈরির গোডাউন। কেউ কেউ আবার ঘর ভাড়া নিয়ে বাজির কারখানা করে ফেলেছেন। ঘটনাস্থলের ১০-১৫ ফুট দূরে পরপর তিনটি শাটার দেওয়া দোকানঘরের হদিশ পাওয়া যায়। এর দুটিতেই থরে থরে সাজানো ছিল সরকারি ছাপ দেওয়া বাজি ভর্তি বস্তা। কোনও বস্তায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ায় ছাপ দেওয়া, আবার কোনওটায় পাঞ্জাব সরকার, কর্ণাটকের চিনি কলের ছাপ দেওয়া রয়েছে বস্তায়। কার্যত অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে সেগুলো। পুলিশের এই গা-ছাড়া মনোভাব আতঙ্ক বাড়িয়েছে মোচপোল গ্রামের বাসিন্দাদের। এ বিষয়ে একজন এলাকাবাসী বলেন, দোকানঘরগুলি কেরামত আলি ভাড়া দিত। সেখানে বাজি মজুত করত সে। আমরা বললেও আমাদের কথা তারা শুনত না। উল্টে টাকার গরম দেখিয়ে ভয় দেখাত আমাদের। পুলিশেকে টাকা খাইয়ে এই বেআইনি কারবার চালাত। আমরা গরিব, আমাদের টাকাপয়সা নেই। তাই পুলিশ আমাদের কথা শুনতো না। সরকারি স্ট্যাম্প দেওয়া বস্তায় বাজি মজুতের ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল এলাকা জুড়ে। যে বস্তায় খাদ্সামগ্রী থাকার কথা, সেই বস্তায় কীভাবে বাজি মজুত হল, এখন সেটাই সব থেকে বড় দেখার প্রশ্ন। পাশাপাশি কীভাবেই বা সেই সরকারি ছাপ দেওয়া বস্তা বাজি কারবারিদের কাছে পৌঁছে গেল, তা নিয়েই এখন শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে তিন ট্রাক বোঝাই বেআইনি বাজি বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার ২

    Duttapukur: দত্তপুকুরে তিন ট্রাক বোঝাই বেআইনি বাজি বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোলে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছে ৯ জন। তালিকায় শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই রয়েছেন। যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মৃতের সংখ্যাটা অনেক বেশি। মঙ্গলবারই বিস্ফোরণস্থলের পাশে দুটি গোডাউন থেকে প্রায় ১৩ হাজার বাজি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তারপরও বেপরোয়া অসাধু ব্যবসায়ীরা। এবার এসটিএফের হাতে মঙ্গলবার রাতে আমডাঙা এলাকা থেকে আটক হল বাজি বোঝাই ৩ টি ট্রাক।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Duttapukur)  

    দত্তপুকুরে (Duttapukur) ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। আর তাতেই বেআইনি বাজি কারবারিদের মাথ হাত পড়েছে। মোচপোলে মঙ্গলবার ১৩ হাজার কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত হতেই রাতের অন্ধকারে বেআইনি বাজি পাচার করার চেষ্টা করছিল একদল অসাধু ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার রাতে মজুত করা বাজি পাচারের আগেই  তিনটি ফুল পাঞ্জাব ট্রাক সহ একজন বাজি ব্যবসায়ী ও একজন ট্রাক মালিককে গ্রেফতার করল রাজ্য এসটিএফ। জানা গিয়েছে, ট্রাক ভর্তি করে বাজি নিয়ে পালানোর সময় বেড়াবেড়িয়া এলাকায় একটি ওজন পরিমাপের কেন্দ্র ধরমকাঁটায় ট্রাকে তিনটি আস্তরণ দিয়ে ঢাকা ছিল এই বেআইনি বাজিগুলি। সেখানে ওজন করা হচ্ছিল বাজি ভর্তি ট্রাকের। খবর পেয়ে এসটিএফ আধিকারিকরা সেখানে হানা দেয়। ট্রাকের ঢাকা সরাতেই চক্ষু চড়কগাছ এসটিএফ আধিকারিকদের। ৩ টি ট্রাকেই প্রচুর নিষিদ্ধ বাজি যা বাজেয়াপ্ত করে বাজি ব্যবসায়ী বিমল ধারা ও ট্রাক মালিক সরিফ আলিকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি মোচপোলের বাজি বিস্ফোরণের দুদিন পরে অবৈধ কারবারিরা লাগোয়া এলাকা থেকে ট্রাক ভর্তি করে বাজি নিয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে যায়। এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজি ভর্তি ট্রাক রাখা থাকলেও ড্রাইভার ও খালাসি ট্রাক রেখে পালিয়ে যায়। এই চক্রের সঙ্গে আর কে কে জড়িত রয়েছে তার খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে এসটিএফ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bomb Blast: দত্তপুকুরে আরও তিনটি গোডাউনের হদিশ, মজুত প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক, বাজি

    Bomb Blast: দত্তপুকুরে আরও তিনটি গোডাউনের হদিশ, মজুত প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক, বাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারখানার মালিক কেরামত আলির আরও একটি গোডাউনের হদিশ মিলল। সেখানে বোমা তৈরির সরঞ্জাম থরে থরে সাজানো ছিল। মঙ্গলবার সকালেই পুলিশ সেই গোডাউনের হদিশ পায়। এছাড়়াও এদিন বিস্ফোরণস্থলের (Bomb Blast) পাশেই আরও দুটি গোডাউনের পুলিশ হদিশ পায়। গোডাউন দুটিতে সাটার দেওয়া ছিল। এদিন সাটার খুলতেই থরে থরে সাজানো বাজি উদ্ধার করে পুলিশ।

    পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে কত বাজি বাজেয়াপ্ত করল?

    দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের (Bomb Blast) দিন কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও একটি বেআইনি কারখানার হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। পাঁচিল ঘেরা পরিত্যক্ত জমিতেই বেআইনি বাজি কারখানা গজিয়ে উঠেছিল। সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার হয়েছিল শক্তিশালী বোমা তৈরির রাসায়নিক। রীতিমতো ল্যাবরেটরি তৈরি করে এই বেআইনি কারবার চলত। উত্তেজিত জনতা সেদিন সেই বেআইনি কারখানা ভাঙচুর করে দেয়। কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রাইভেট গাড়ি ভাঙচুর করে গুঁড়িয়ে দেয়। ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর পর টনক নড়েছে পুলিশের। সোমবার রাতে দত্তপুকুরের মোচপোল, কাঠুরিয়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১২ হাজার ৯৪০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ। রাতেই ৫-৬টি গাড়ি করে উদ্ধার হওয়া বাজি নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। বেআইনি বাজি কারখানার মালিক কেরামত আলির আরও একটি গোডাউনের হদিশ মিলল।

    কেরমাতের গোডাউন থেকে কী কী মিলল?

    বাজি উদ্ধারে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি, এফআইআরে নাম থাকা রমজান আলি ওরফে কালোর খোঁজ করছে পুলিশ। মূল অভিযোগকারী প্রভাস চক্রবর্তীর অভিযোগে নাম রয়েছে এই আইএসএফ কর্মীর। তাঁর বিরুদ্ধে কেরামত আলির সঙ্গে যোগসাজশে বেআইনি বাজি কারবারে মদত জোগানোর অভিযোগ রয়েছে। দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে রমরমিয়ে চলত কেরামত আলির বেআইনি বাজি কারবার। বিস্ফোরণস্থলের (Bomb Blast)  কয়েকশো মিটার দূরে মজুত করা রয়েছে বাজি ও রাসায়নিক। ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেরামত ও তার ছেলে-সহ ৯ জনের মৃত্যুর ২ দিন পর মোচপোল গ্রামে ফের বাজির পাহাড়ের খোঁজ। বিস্ফোরণস্থল থেকে কিছুটা দূরে বাঁশ বাগানের মধ্যে কেরামতের আরও একটি গোডাউনের হদিশ মিলল। গোডাউনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ক্লোরাইড উদ্ধার হল। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বাড়ি ভাড়া নিয়ে বেআইনি বাজির কারবার ফেঁদে বসেছিল কেরামত আলি। গুদামে এখনও মজুত রয়েছে প্রচুর রাসায়নিক। পাশেই আরও একটি বন্ধ ঘরে বাজি ঠাসা রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘন জনবসতি এলাকায় এ ধরনের গুদাম থাকায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এর আগেও গুদাম ভাড়া করে বাজির কারবার চালাত কেরামত। বসতি এলাকায় বিপজ্জনক ব্যবসা নিয়ে আপত্তি জানালে কেরামত আলি হুমকিও দিত বলে অভিযোগ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণে উড়ল বাড়ির চাল, মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় হামিদ আলি

    Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণে উড়ল বাড়ির চাল, মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় হামিদ আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণে ডুবল হামিদ আলির পরিবারে সুখের দিন। ছোট মেয়ের বিয়ের দিন ঠিক হয়ে গিয়েছে। বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠানের আনন্দেই মেতেছিলেন হামিদসাহেব ও তাঁর স্ত্রী মা মহিনুর বিবি। কিন্তু,  বিস্ফোরণের জেরে তাঁদের বাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উড়ে গিয়েছে বাড়ির চাল। এখন জমানো অর্থে তাঁরা বাড়ি ঠিক করবেন, না মেয়ের বিয়ে দেবেন, সেই নিয়ে এখন প্রবল চিন্তায় হামিদসাহেব।

    বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার নিয়ে কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, হামিদসাহেব চাষবাস করেই সংসার চালান। তাঁদের ছোট মেয়ের বিয়ে নিয়ে নানান পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরা। সেইমতো প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। ছোট মেয়ের বিয়ে ঠিক হয় উত্তর ২৪ পরগনার বিরা’র এক ছেলের সঙ্গে। হবু জামাই মুদি ব্যবসায়ী। বিয়ের দিন ধার্য হয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর। কিন্তু, তার আগেই ঘটে গেল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আকস্মিকভাবে ২৭ অগাস্ট বিস্ফোরণের ঘটনায় তাদের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে গেল একনিমেষে। জমানো অর্থে এখন বাড়ি ঠিক করবেন, না মেয়ের বিয়ে দেবেন, তা নিয়ে প্রবল চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। উল্লেখ্য, রবিবার সকাল দশটা নাগাদ ইছাপুর নীলগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল এলাকায় অবৈধ বাজি কারখানায় হওয়া তীব্র বিস্ফোরণে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি বাড়ি প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভেঙে পড়ে কারও বাড়ির ছাদ। কারও বাড়ির দেওয়াল ভেঙেচুরে যায়। তছনছ হয় বাড়ির সরঞ্জাম। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির তালিকায় রয়েছে হামিদসাহেবের বাড়িও। ছোট মেয়ের বিয়ের আনন্দ এক লহমায় ম্লান হয়ে গিয়েছে। এ প্রসঙ্গে হামিদসাহেবের স্ত্রী মহিনুর বিবি বলেন, আর্থিকভাবে আমরা এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে, বাড়ি ঠিক করলে সমস্ত উপার্জন বাড়ি ঠিক করতে খরচ হবে। ছোট মেয়ের বিয়ে নিয়ে খুব চিন্তায় রয়েছি। অর্থ সাহায্যের আশা করে বাবা হামিদসাহেব বলেন, এখন যে পরিস্থিতিতে আমরা দাঁড়িয়ে, সেখানে মেয়ের বিয়ে নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছি। সরকার যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে উপকার হয়।

    প্রতিবেশীরা কী বললেন?

    হামিদসাহেবের ছোট মেয়ের বিয়ের কথা দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামের সকলেই জানেন। প্রতিবেশীরা বলেন, যদি একান্তই দেখা যায় তিনি প্রবল অর্থ সংকটে পড়েছে এবং সরকারের পক্ষ কোনও সাহায্য না পেলে হামিদসাহেবের মেয়ের বিয়ে নিয়ে তাঁকে চিন্তা করতে হবে না। আমরা গ্রামের সবাই চাঁদা তুলে তাঁদেরকে অর্থ সাহায্য করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: বিস্ফোরণকাণ্ডে চাপে পড়ে দত্তপুকুর থানার আইসি, নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি সাসপেন্ড

    Duttapukur: বিস্ফোরণকাণ্ডে চাপে পড়ে দত্তপুকুর থানার আইসি, নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর (Duttapukur) বোমা বিস্ফোরণের পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের দিকে বাব বার আঙুল তুলছিলেন। নিয়মিত মাসোহারা নিয়ে পুলিশ এই এলাকায় বেআইনি বাজি কারখানা চালাতে দিত। রাজ্যপাল থেকে বিরোধী দলনেতা সকলের কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা এই অভিযোগ করে আসছিলেন। অবশেষে চাপে পড়ে দত্তপুকুর থানার আইসি শুভব্রত ঘোষ এবং নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি হিমাদ্রি ডোগরাকে প্রথমে ক্লোজ করা হয়। পরে, তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়।

    নতুন ওসি কে হলেন?

    দত্তপুকুরে (Duttapukur) বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে নির্দেশ অমান্য করায় শাস্তি হিসেবে প্রথমে হিমাদ্রি ডোগরাকে ক্লোজ করা হয়। পরে, কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সোমবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। দত্তপুকুর থানার নীলগঞ্জ ফাঁড়ির নতুন ওসি হন সঞ্জয় বিশ্বাস। তবে, ফাঁড়ির ওসি শুধু নয় দত্তপুকুর থানার আইসি শুভব্রত ঘোষকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    ফাঁড়ির ওসি সাসপেন্ড হওয়া নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী?

    তৃণমূলের মদতেই দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামে বেআইনি বাজি কারখানা গড়ে উঠেছিল। তবে, শুধু একটা নয়, গোটা গ্রাম জুড়েই বেআইনি বাজি কারখানা রয়েছে। একাধিক গোডাউন রয়েছে বাজির। আর বাজির আড়ালেই রমরমিয়ে বোমা তৈরি চলত। মুর্শিদাবাদ থেকে মোটা টাকা দিয়ে শ্রমিক নিয়ে এসে চলত বোমা তৈরি। বোমা বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই সরকারি তথ্য অনুযায়ী ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেসরকারি মতে সেই সংখ্যাটি-১০। এরমধ্যে মুর্শিদাবাদের চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রবিবার রাতে রাজ্যপাল ঘটনাস্থলে আসলে স্থানীয় বাসিন্দারা গোটা গ্রাম ঘুরিয়ে বেআইনি বাজি কারখানার রমরমার বিষয়টি তুলে ধরেন। সোমবার দিনভর বিরোধী দলনেতা সহ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, সিপিএমের রাজ্য নেতা মহম্মদ সেলিম সহ একাধিক রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা ঘটনাস্থলে যান। রাজনৈতিক নেতাদের কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ জানিয়েছিলেন, পুলিশ মাসোহার নিয়ে এই কারবার চালাত। বেআইনি বাজি কারখানা নিয়ে পুলিশের কাছে বলতে গেলে তারা ভয় দেখাতো। বিস্ফোরণ হবার পরও পুলিশ ভয় দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এতজনের তরতাজা প্রাণ যাওয়ার পর রাজ্য সরকারের টনক নড়ল। আগে ব্যবস্থা নেওয়া হলে অকালে প্রাণ যেত না। এরজন্য রাজ্য সরকারি দায়ী। শুধু নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি বা দত্তপুকুর থানার আইসি-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে হবে না। এই চক্রের সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘দত্তপুকুর বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল আরডিএক্স,’’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘দত্তপুকুর বিস্ফোরণে ব্যবহার করা হয়েছিল আরডিএক্স,’’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে সোমবার দুপুরে মোচপোল গ্রামে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিস্ফোরণে  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। বিরোধী দলনেতাকে সামনে পেয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ  উগরে দেন এলাকাবাসী।

    বিরোধী দলনেতাকে (Suvendu Adhikari) কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    এদিন বেলা তিনটে নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দত্তপুকুর গ্রামে যান।  বিস্ফোরণস্থল থেকে এক কিলোমিটার দূরে তিনি গাড়ি থেকে নামেন।  সেখান থেকে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থলে যান। রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন। তিনি সকলকে বলেন, ভরসা রাখুন, বোমা বিস্ফোরণের এনআইএ তদন্ত হবে। এরপর তিনি বিস্ফোরণস্থলে যান। বোমা বিস্ফোরণের উল্টো দিকে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির  ছাদে ওঠেন তিনি। সেখান থেকে দুর্ঘটনাস্থল তিনি খতিয়ে দেখেন। সেখানে থেকে নীচে নেমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বিরোধী দলনেতাকে  সামনে পেয়ে বলেন, তৃণমূলের মদতেই বেআইনি বাজি কারখানা চলতো।  পুলিশ নিয়মিত মাসোয়ারা নিত। তাদের কাছে অভিযোগ জানালে উল্টে তারা আমাদের ধমক দিত। ঘটনার দিনও পুলিশ মাসোহারা নিয়ে যায়। বোমা বিস্ফোরণে  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের এক সদস্য বলেন, বিস্ফোরণ আমাদের বাড়ির সমস্ত কিছু ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। বিষয়টি দেখবেন। তিনি এ বিষয়ে আশ্বাস দেন এবং একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি তিনি ঘুরে দেখেন।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    দত্তপুকুরে বিস্ফোরণস্থলে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, বিস্ফোরণে আরডিএক্স ব্যবহার করা ছিল। আমরা এই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিস্ফোরণে যাদের ক্ষতি হয়েছে তাদেরকে ক্ষতিপূরণও দিতে হবে। গ্রামবাসীরা প্রত্যেকেই চাইছেন এনআইএ তদন্ত হোক তার সঙ্গে সহমত পোষণ করছি। পাশাপাশি তিনি এদিন আরও জানান রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ ও দত্তপুকুর থানার আইসি দুজন মিলিত হয়ে এই ব্যবসা চালাচ্ছিলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে ফের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    Duttapukur: বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে ফের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার, গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের মোচপোলে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (Duttapukur) ঘটনায় ঘটনাস্থলেই অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা গুরুতর জখম রয়েছেন। ফলে, কথা বলার অবস্থায় অনেকেই নেই। বিস্ফোরণকাণ্ডে ইতিমধ্যেই পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে নীলগঞ্জ এলাকা থেকে কেরামত আলির ‘সহযোগী’ শফিক আলি ওরফে শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তি তৃণমূল করত, দাবি পরিবারের লোকজনের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেরামতের ‘বাজি’র ব্যবসায় ‘অংশীদারিত্ব’ ছিল শফিকের। সূত্রের খবর, বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হয়ে মৃত্যু হয়েছে কেরামতের। তাঁর ছেলেরও মৃত্যু হয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, সোমবার সকালে ফের দত্তপুকুরে ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হল। বিস্ফোরণস্থল থেকে ৩০০ মিটার দূরে একটি পুকুরে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হল। তার মাথা ফাটা, কোমর থেকে পায়ের কোনও চিহ্ন নেই। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    কী বললেন ধৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজন?

    দত্তপুকুরকাণ্ডে (Duttapukur) গ্রেফতার শফিকুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা বিবি বলেন, রবিবার বিকালে আমার স্বামীকে একজন ফোন করে। স্বামী বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গেলেই তাকে গ্রেফতার করে। এই ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত নয় আমার স্বামী। কেরামতের সঙ্গে পাড়ার লোক হিসাবে কথাবার্তা হতো। বাজি কারবারের যে অভিযোগে স্বামীকে গ্রেফতার করা হল পুরোটাই চক্রান্ত। ধৃতের দাদা বাবলু ইসলাম বলেন, আমার ভাই তৃণমূল করত। ওই দলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এই ঘটনায় ভাইয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। ভাইকে ফাঁসানো হল।

    বাজি কারবারে মুর্শিদাবাদের একজন জড়িত, দাবি এলাকাবাসীর

    কেরামত আলির সহযোগী ছিল শফিক আলি। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের জিরাত শেখ নামে একজনের নাম উঠে আসছে। দত্তপুকুরে (Duttapukur) বাজি কারখানায় জিরাতের অন্যতম ভুমিকা রয়েছে, দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঘটনার সময় সে ঘটনাস্থলে ছিল না মুর্শিদাবাদে ছিল, তা পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। তবে, পুলিশ মুর্শিদাবাদের এই ব্যক্তির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, কেরামত মোচপোল গ্রামে একজনের বাড়ি ভাড়া নিয়ে বেআইনি বাজি কারখানা গড়ে তুলেছিল। বাড়ির মালিকও এই কারখানায় কাজ করত। বিস্ফোরণের ঘটনায় তারও মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। শফিক আলিকে জেরা করার পর আরও অনেক তথ্য জানা যাবে বলে পুলিশ আধিকারিকরা মনে করছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এমনিতেই বাজি তৈরির কারখানা ছিল বেআইনি। সেখানে আতসবাজি শুধু নয়, বোমা তৈরি হয়। কেরামতের কারখানা থেকে কিছুটা দূরেই আরও একটি বেআইনি কারখানার হদিশ পায় এলাকাবাসী। পাঁচিল ঘেরা সেই জমিতেই বেআইনি বাজি ও বোমা তৈরি করা হত। রীতিমতো গবেষণাগার তৈরি করা হয়েছিল। এলাকাবাসী ভাঙচুর করার সময় দেখতে পায়, সেখানে পটাশিয়াম ক্লোরাইড মজুত করে রাখা রয়েছে। ফলে, সেখানে যে বোমা তৈরি হত, তার জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে কেউ না থাকায় সেই কারখানা ভাঙচুর করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share