Tag: duttapukur

duttapukur

  • CV Ananda Bose: ‘‘প্রাণ হাতে করে গ্রামে বাস করছি’’, দত্তপুকুরে রাজ্যপালকে নালিশ মহিলাদের

    CV Ananda Bose: ‘‘প্রাণ হাতে করে গ্রামে বাস করছি’’, দত্তপুকুরে রাজ্যপালকে নালিশ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। আর সেখান থেকে ফিরেই রবিবার রাতে সোজা দত্তপুকুরে। রবিবার সাতসকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে দত্তপুকুরের জগন্নাথপুরের মোচপোল এলাকা। কাটা কব্জি, পোড়া পা, ঝলসানো শরীর ছড়িয়ে ছিটিয়ে গ্রামের আনাচে কানাচে পড়েছিল। একাধিক বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। বিস্ফোরণস্থল ঘুরে দেখেন তিনি। এদিন বিস্ফোরণের নানা দিক নিয়ে খোঁজ নেন তিনি। বেসরকারি মতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। উড়ে গিয়েছে একাধিক বাড়ির ছাদ। সেই ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল।

    রাজ্যপালকে (CV Ananda Bose) ঘিরে ধরে কী বললেন মহিলারা?

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) যখন বিস্ফোরণস্থল ঘুরে দেখে বেরোচ্ছেন, গ্রামেরই একদল মহিলা তাঁকে ঘিরে ধরেন। উগরে দেন একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ। যে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে, অভিযোগ, তা কেয়ামত আলি নামে এক ব্যক্তির। এলাকার মহিলাদের দাবি, শুধু কেয়ামত আলির কারখানা নয়, গ্রামজুড়ে এরকম একাধিক বেআইনি বাজি কারখানা রয়েছে। অভিযোগ, বাজির গোডাউন রয়েছে এবং কার্যত প্রাণ হাতে করে বাস করছেন এলাকার লোকজন। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ফলে, বাজির ব্যবসার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত নন, তাঁরাও এ গ্রামে নিরাপদ নন বলে দাবি করেন মহিলারা। রবিবারের বিস্ফোরণের পর সেই আশঙ্কা আরও জোরালো হচ্ছে। গ্রামের মহিলারা অনুরোধ করেন, রাজ্যপাল যেন একবার এরকমই একটি গোডাউন বা বেআইনি বাজির গুদাম ঘুরে দেখেন। এরপর রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস গ্রামের অন্ধকার রাস্তা ধরেই ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০০ মিটার পথ এগিয়ে আসেন। সঙ্গে ছিলেন গ্রামের লোকজনও। গ্রামবাসীরা একটি বাড়ি দেখিয়ে তা বাজির গুদাম বলে অভিযোগ করেন। রাজ্যপাল সেই বাড়ির সামনে আসেন এবং সেই মহিলাদের সঙ্গে কথাও বলেন। পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। রাজ্যপাল এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। এতগুলো তাজা প্রাণ চলে গেল। আমি এখান থেকে হাসপাতালে যাব। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তারপর বলব। এরপরই বারাসত জেলা হাসপাতালে পৌঁছন তিনি। এরপর তিনি বলেন, শুধু দুর্ঘটনা এটা নয়, এটা বড় ঘটনা। সেই সঙ্গেই তিনি বলেন, পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তারা সত্য খুঁজে বের করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের পরই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানায় তাণ্ডব এলাকাবাসীর

    Bomb Blast: দত্তপুকুরে বিস্ফোরণের পরই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানায় তাণ্ডব এলাকাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের জগন্নাথপুরে মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (Bomb Blast) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরও একটি বোমা তৈরির কারখানার হদিশ পেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোঁড়়া দুরত্বে পাঁচিল ঘেরা পরিত্যক্ত জমিতে কারখানাটি চলত। সেখানে তিনটি ঘরের মধ্যেই বোমা তৈরির সরঞ্জাম মিলেছে। অনেক রাসায়নিক জিনিস মিলেছে। আর একটি প্রাইভেট গাড়ি ছিল। এখানে রমরমিয়ে বোমা তৈরি হত। বিস্ফোরণের পর পরই এই জায়গা ছেড়ে সকলেই পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা ওই কারখানায় এসে তাণ্ডব চালায়। কারখানার ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা? (Bomb Blast)

    বেআইনি বাজি কারখানার মালিক আজিবর রহমান। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিল। ঘটনার পর থেকে তার হদিশ পাওয়া যায়নি। এদিন বিকেলের পর নতুন যে বোমা তৈরির কারখানার খোঁজ মিলেছে, সেই কারখানার কয়েকজন মালিক রয়েছে। সকলেই শাসক দলের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তৃণমূল নেতাদের মাথায় হাত থাকায় তারা রংবাজি করত। এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে কারও মুখ খোলার সাহস ছিল না। এখন বিস্ফোরণ (Bomb Blast) হতেই সকলেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের সকলকে গ্রেফতার করতে হবে। এই এলাকায় তৃণমূলের মদতেই এই সব বেআইনি কারখানা চলত। পুলিশকে হাত করেই এখানে এসব কারবার চলত।

    ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক দল?

    এদিন বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ফলে কারখানাটি প্রায় ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপের মতো গোটা এলাকা হয়ে রয়েছে। এদিন পুলিশ, দমকল বাহিনীর পর ঘটনাস্থলে বোম্ব স্কোয়ার্ডের লোকজন আসে। সিআইডি আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। বিকেলের দিকে এলাকায় ফরেন্সিক টিম ঢোকে। তাঁরা কারখানার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে নমুনা সংগ্রহ করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগণার দত্তপুকুরের (Duttapukur) জগন্নাথপুর মোচপোলে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকেই গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ এলে তাঁদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর এদিন দুপুরে বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র সহ দলীয় নেতারা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Duttapukur)

    স্থানীয় সূত্রের খবর, রবিবার সকালে ভয়াবহ দত্তপুকুরে (Duttapukur) এই এলাকার বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান নীলগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার খুদে নামের এক বাজি ব্যবসায়ীর কারখানায় এই বিস্ফোরণ হয় বলে জানা গিয়েছে৷ উড়ে যায় তার কারখানার বাড়ির ছাদ। চারিদিকে ছড়িয়ে যায় বারুদ-সহ বাজি বানানোর অন্যান্য সরঞ্জাম। এদিক ওদিকে ছড়িয়ে পড়ে রক্তাক্ত দেহ। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরেও শোনা গিয়েছিল এই বিস্ফোরণের শব্দ বলে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার পর পরই একাধিক বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জেসিবি এনে উদ্ধার কাজ করা হয়। এদিন ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে এলাকায় ঢুকতে গেলে পুলিশ প্রথমে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে, তাঁরা এলাকায় গেলে স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁদের বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, নিয়মিত পুলিশ টাকা তুলত বলেই রমরমিয়ে এই বেআইনি কারবার চলত। পুলিশ কিছু বলত না।

    বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্ত নিয়ে কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র বলেন, জেসিবি দিয়ে তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হচ্ছে। আর তাই আমাদের ঘটনাস্থলে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আসলে পুলিশ মাসোহারা পেত বলেই চুপ ছিল। দু কিলোমিটার দুরে পুলিশ সুপারের অফিস। সেখানে এই ধরনের বেআইনি কারবার পুলিশ জানে না, এটা হতে পারে না। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। বারুদের স্তূপে রয়েছে গোটা রাজ্য। তৃণমূল নেতাদের মদত রয়েছে। এই এলাকার বিধায়ক খাদ্যমন্ত্রী। তিনি এই বেআইনি বাজি কারখানার বিষয়ে সব জানেন। পঞ্চায়েত নির্বাতচনের সময় এখান থেকে বোমা সরবরাহ হয়েছে। দত্তপুকুরের (Duttapukur) এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করছি। রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হবে না।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    প্রদেশ কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী এদিন ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, এই ঘটনার জন্য স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। পাশাপাশি এই ঘটনার আমরা এনআইএ তদন্তের দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মহিলাকে ব্যাপক বাঁশপেটা করলেন  তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য! মারধরের ভিডিও ভাইরাল

    North 24 Parganas: মহিলাকে ব্যাপক বাঁশপেটা করলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য! মারধরের ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি। জমি সংক্রান্ত বিবাদের মীমাংসা করতে গিয়ে খোদ শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধেই উঠল মহিলাকে বাঁশপেটানোর অভিযোগ। চলল সেই সঙ্গে লাথি এবং ঘুষিও। মহিলাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁর মেয়েও। তৃণমূল নেতার মারধরের সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) দত্তপুকুরে।

    বাঁশ তুলে মার মহিলাকে (North 24 Parganas)

    দত্তপুকুর (North 24 Parganas) দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়পুল মেঠোপাড়া এলাকার ২৪২ নম্বর পার্টির তৃণমূল পঞ্চায়েত মেম্বারকে দেখা যায়, এই তৃণমূল নেতা কীভাবে তেড়ে গিয়ে মহিলাকে ধাক্কা মারতে মারতে নিয়ে যাচ্ছেন জমির মধ্যে। এরপর রেগেমেগে জমির মধ্যে পড়ে থাকা একটি বাঁশও তুলে নিয়ে কার্যত নিজের হাতেই মহিলাকে ব্যাপক মারধর শুরু করেন। আর সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    কে এই তৃণমূল নেতা?

    স্থানীয় (North 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিয়োয় মহিলাকে প্রকাশ্যে মারধর করছেন যে তৃণমূল নেতা, তিনি হলেন তাজউদ্দিন। তিনি দত্তপুকুরের জয়পুল মেঠোপাড়ার বাসিন্দা। তিনি শাসকদলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য। সূত্রের আরও খবর, মোসলেমা বিবির স্বামী নাসিরউদ্দিন মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর ভাইদের জমি সংক্রান্ত বিবাদ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। পৈতৃক জমি নাসিরউদ্দিনকে না জানিয়ে সেই জমির বিক্রি বাবদ অগ্রিম টাকা নিয়ে নেয় তাঁর ভাইয়েরা। সেই কথা জানতে পেরে জমি ঘিরতে বাঁধা দেয় নাসিরউদ্দিনের পরিবার। এরপর বিবাদের উত্তাপ পৌঁছায় স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং থানাতেও।

    বিরোধী দলনেতার তীব্র আক্রমণ

    স্থানীয় (North 24 Parganas) তৃণমূল নেতার এই দাদাগিরির ভিডিয়ো নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করে শাসকদলকে রীতিমতো বিঁধেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি টুইট করে লিখেছেন, “ওরাই তৃণমূলের রত্ন। দত্তপুকুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তাজউদ্দিন কীভাবে একজন মহিলাকে মারধর করছে দেখুন! এটা ভাবাই যায় না। ঘটনার পরেও আক্রান্ত মহিলা মোসলেমা বিবিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। তারপরও দত্তপুকুর থানার পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি এখনও পর্যন্ত। যার জেরে ভয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে এখন অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন মহিলার পরিবারের সদস্যরা।”

    আক্রান্তের বক্তব্য

    ঘটনায় অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত মোসলেমা বিবি ও তাঁর মেয়ে হাসিনা বেগম। তাঁরা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ঘটনার সুবিচার চাই আমরা।” পালটা যদিও মারধরের ঘটনা স্বীকার করেও গোটা পরিস্থিতির জন্য ওই মহিলাকেই দায়ী করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা তাজউদ্দিন। ঘটনার পরেও এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেয়নি ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ফলে মহিলাকে মারধরের পরেও সে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায় (North 24 Parganas)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে ফের ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ কী করছিল?

    Duttapukur: দত্তপুকুরে ফের ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে কিছুদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। সেই বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছিল আস্ত একটি তিনতলা বাড়ি। এবার সেই বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর (Duttapukur) থানার কদম্বগাছি উলা মাঝেরপাড়া গ্রামে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, কী করে বিস্ফোরণ ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Duttapukur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ দত্তপুকুরের (Duttapukur) কদম্বগাছি উলা মাঝেরপাড়া গ্রামে একটি জমির পাশে প্রচুর পরিমাণে  বোমা মজুদ করে রাখা হয়েছিল। আর সেই বোমা ফেটে এবার আবারও বোমা বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে তার জেরে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কম্পনের তীব্রতা অনুভব করেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি এদিন যে স্থানে বিস্ফোরণ হয় সেই স্থানে মাটি বহুদূর উড়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই স্থানে এর আগেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ করেন, এই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বোমা বাধার কাজ চলতো।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে বোমা বিস্ফোরণের আওয়াজ আমরা শুনতে পাই। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বাড়িঘর পুরো কেঁপে ওঠে, এমনই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তারপরেই এলাকার লোকজন সবাই মিলে বেরিয়ে সেখানে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, প্লাস্টিকের ড্রামে করে বোমা মাটির মধ্যে গর্ত করে রাখা ছিল। আর সেখানেই বিস্ফোরণ হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনই প্রায় এখানে বোমা বাধার কাজ চলে। এলাকাবাসী আরও বলেন,  আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের উপরে আক্রমণ হয়। এলাকায় কিছু দুষ্কৃতী তারা প্রতিনিয়ত আমাদেরকে হুমকি দিতে থাকে। পুলিশের একাংশকে হাত করেই এখানে দুষ্কৃতীরা বোমা বাঁধার কাজ করত। পঞ্চায়েত নির্বাচনে আগে থেকে এসব চলত। দত্তপুকুরের (Duttapukur) ঘটনার পর কিছুদিন সব কিছু বন্ধ ছিল। ফের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় পুলিশের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারবারে টাকা ঢালত মোহিত, বিস্ফোরণের পর থেকে ফেরার

    Duttapukur: দত্তপুকুরে বেআইনি বাজি কারবারে টাকা ঢালত মোহিত, বিস্ফোরণের পর থেকে ফেরার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুর (Duttapukur) বিস্ফোরণে নিহত কেরামত আলি, সামসুল আলিদের বাজি কারবার কয়েক বছরের মধ্যেই ফুলে ফেঁপে উঠেছিল। এই কারবারে আব্দুল মোহিত ওরফে মহম্মদ আলির নাম উঠে আসছে। বেআইনি কারবারে তিনি কিংপিনও বলা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে অবশ্য খোঁজ নেই এই মোহিতের।

    কে এই আব্দুল মোহিত?

    ২৭ অগাস্ট রবিবার সকালে দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের কয়েক মিনিটের মধ্যেই সপরিবার গা-ঢাকা দেন মোহিত। কেরামত, সামসুলের বেআইনি বাজি সাম্রাজ্যে মূলত টাকা ঢালতেন তিনি। সেখান থেকে বছরে তিনি বিরাট অঙ্কের টাকা মুনাফাও করতেন, এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এক সময় মোচপোল গ্রামের আশপাশের ইটভাটায় মাটি সরবরাহের কাজ করতেন এই আব্দুল মোহিত। ধীরে ধীরে এলাকার একজন মাটি ব্যবসায়ী হয়ে ওঠেন তিনি। পরে তিনি জমির দালালি মারফত কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেন। হাতে কাঁচা টাকা আসায় প্রোমোটিংয়ের কাজও শুরু করেছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়-সহ আরও কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পর থেকেই জগন্নাথপুর, মোচপোল গ্রামের আশপাশে জমির দর একলাফে কয়েক গুণ বাড়তে শুরু করে। এলাকা সূত্রে জানা যায়, সেই সুযোগে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের আশপাশের অধিকাংশ জমিরই লেনদেন হয়েছিল এই আব্দুল মোহিতের হাত ধরে। বাম আমলে তিনি সিপিএম ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তখন মাটি এবং জমির কারবার করতেন। পরে, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই মোহিত তৃণমূলে যোগ দেন। এরপর তিনি শাসক ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন।

    কেন বাজি কারবার শুরু করেন মোহিত?

    আরও বেশি টাকা মুনাফার আশায় দত্তপুকুরে (Duttapukur) বাজির কারবারে সরাসরি টাকা লেনদেন করতে শুরু করেন মোহিত। মোচপোলে যে বাড়িটিতে বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় একাধিক দেহ, সেই বাড়িতে মজুত বাজি কারবারে টাকা ঢেলেছিলেন এই মোহিত, এমনই শোনা যায় এলাকাবাসীর মুখ থেকে। এভাবেই তিনি এলাকার বাজি কারবারের মাস্টারমাইন্ড হয়ে উঠেছিলেন। বিস্ফোরণের পর এক পরিত্যক্ত ইটভাটাতেই হদিশ মেলে। সেই ইটভাটার মধ্যে গিয়ে দেখা যায় অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরির, যা নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। একইভাবে মোচপোল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে জামতাগড়ে রাস্তার ধারে আব্দুল মোহিতের প্রোমোটিং করা ফ্ল্যাট ঘিরেও রয়েছে নানা বিতর্ক। তিন বছর আগে এই ফ্ল্যাটটি তৈরি করেই প্রোমোটিংয়ে হাতেখড়ি হয় মোহিতের। পাশাপাশি আরো জানা যায়, বেশ কয়েকটি জমিও তিনি নিয়েছিলেন প্রমোটিং করবেন বলে। সঙ্গে জোরকদমে চলে বেআইনি বাজির কারবার। আর তৃণমূলের নেতাদের হাত থাকায় বেআইনি বাজি কারবারে সব জেনেও পুলিশ তাঁর সাম্রাজ্যে পা দিত না। মোটা টাকা দিয়ে পুলিশের মুখ বন্ধ করে রাখতেন তিনি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকাবাসীদের বক্তব্য, তৃণমূল আমল থেকেই মোহিতের বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়। তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রীর সঙ্গে ওঠাবসা ছিল তাঁর। যদিও বিপদে পড়ে এখন সেই অভিযোগ অস্বীকার করছে শাসকদল। এমনকী বাজি বিস্ফোরণের ক’দিন আগেও জামতাগড়ের ফ্ল্যাটে মোহিতকে দেখা গিয়েছিল, এমনই জানিয়েছেন ওই ফ্ল্যাটের আবাসিকরা। সব মিলিয়ে এখন পুলিশের কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই বাজি বিস্ফোরণের কিংপিং মোহিতকে খুঁজে বার করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃতদের মধ্যে মুর্শিদাবাদের ৪, নিখোঁজ আরও কতজন?

    Murshidabad: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃতদের মধ্যে মুর্শিদাবাদের ৪, নিখোঁজ আরও কতজন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দত্তপুকুরের মোচপোলে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে সোমবার দুপুর পর্যন্ত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি থানার নতুন চাঁদরা এলাকার চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলেই খবর। নিখোঁজ আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিক। মৃত্যুর খবর পৌঁছাতেই কার্যত কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। সোমবার সকাল থেকে নতুন চাঁদরা গ্রাম কার্যত থমথমে পরিস্থিতি রয়েছে।

    কী বললেন বিস্ফোরণে মৃতের পরিবারের লোকজন? (Murshidabad)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি থানার নতুন চাঁদরা গ্রাম থেকে প্রায় দশজন শ্রমিক দত্তপুকুরে যান। মোটা টাকার বিনিময়ে সকলকেই বাজি কারখানায় কাজ করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে খবর। তাদের কাজে নিয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের উপর বোমা হামলা কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া ঈশা শেখের দাদা জেরাত আলি। রবিবার দত্তপুকুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় নতুন চাঁদরা গ্রামেরই চারজন বাসিন্দার। তাঁদের নাম কলেজ শেখ, রণি শেখ, আন্দাজ শেখ এবং ছোটন শেখ। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন জেরাত আলি সহ ৬ জন। উল্লেখ করা যেতে পারে, তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের উপর বোমা হামলাকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া ঈশা শেখের বড় দাদা জেরাত আলি। সম্প্রতি মাস কয়েক আগে একই মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে জেরাত আলিও। মুক্তি পাওয়ার পরেই গ্রামের শ্রমিকদের নিয়ে মোটা টাকার অফার দিয়ে বাজি কারখানায় নিয়ে যায় সে। তারপরেই সেখানেই কার্যত বিস্ফোরণে মৃত্যু হল চার শ্রমিকের। এর আগেও পিংলায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল নতুন চাঁদরা গ্রামের ১১ জন শ্রমিকের। ফের একবার একই গ্রাম থেকে আরও চার শ্রমিকের মৃত্যু এবং কয়েকজন শ্রমিকের নিখোঁজের ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, রাজমিস্ত্রির কাজ করানোর নাম করেই নিয়ে যাওয়া হয়ছিল। পরে, তাঁদের দিয়ে বাজি তৈরি করানো হত। এভাবে অকালে চলে যাবে তা আমরা ভাবতে পারিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fire Crackers: বিস্ফোরণের পর টনক নড়ল, ফের উদ্ধার বিপুল পরিমাণ বাজি

    Fire Crackers: বিস্ফোরণের পর টনক নড়ল, ফের উদ্ধার বিপুল পরিমাণ বাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরা, বজবজে ভয়াবহ বিস্ফোরণকাণ্ডের পর টনক নড়ল পুলিশের। জেলায় জেলায় শুরু হল পুলিশি অভিযান। আর সেই অভিযানে নেমে নদিয়ার কৃষ্ণনগর এবং উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণে বাজি (Fire Crackers) বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, একের পর এক বিস্ফোরণ না হলে এত বাজি মজুত রয়েছে তা জানা যেত না।

    দত্তপুকুর এলাকা থেকে কত বাজি (Fire Crackers) বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ?

    সোমবার দত্তপুকুর থানার নীলগঞ্জের ইছাপুর পঞ্চায়েতের কাঠুরিয়া এলাকায় ইবাদত মণ্ডল নামে একজনের বাড়িতে প্রচুর বাজি (Fire Crackers) মজুত ছিল। বিষয়টি জানার পরই দত্তপুকুর থানার পুলিশ অভিযান চালায়। প্রচুর বাজি সেখান থেকে পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। ইবাদতের খোঁজ মেলেনি। তবে, জাকির হোসেন নামে একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া বাজির পরিমাণ প্রায় ২০০ কুইন্টাল। এত পরিমাণ বাজি বাড়িতে কীভাবে মজুত ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: বজবজের পর মালদা! বাজির গুদামে বিস্ফোরণ, মৃত ২

    কৃষ্ণনগর থেকে বিপুল পরিমাণ বাজি (Fire Crackers) উদ্ধার করল পুলিশ

    নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার পুলিশ কালিনগরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে নিষিদ্ধ বাজি (Fire Crackers) উদ্ধার করল। কালিনগর এলাকার সাহা স্টোরের গোডাউন থেকে আনুমানিক ২৫ পেটি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করে। ২৫ পেটি বাজির আনুমানিক ওজন প্রায় আড়াই কুইন্টাল। স্টোরের মালিক অভিযুক্ত উত্তমকুমার সাহা ঘটনার পর থেকে পলাতক। নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বিপুল পরিমাণে নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করে জলে ভিজিয়ে নিষ্ক্রিয় করে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। কিছুদিন আগেই রাজ্যের এগরা সহ একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণের মতো ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে মানুষ। কালিনগরে বিপুল পরিমাণে নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধারের ঘটনায় একপ্রকার ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। তবে, কীভাবে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ বাজি (Fire Crackers) জমায়েত করা হয়েছিল এবং এই ঘটনার সঙ্গে কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share