Tag: dvc

dvc

  • Ghatal: মগের মুলুক! ঘাটাল সেচ দফতরের এসডিও-র অফিস রাতারাতি দখল করে নিল পুলিশ!

    Ghatal: মগের মুলুক! ঘাটাল সেচ দফতরের এসডিও-র অফিস রাতারাতি দখল করে নিল পুলিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বানভাসি পশ্চিম মেদিনীপুরে (Ghatal) অবাক কাণ্ড। ঘাটাল সেচ দফতরের এসডিও-র অফিস জোর করে দখল নিয়েছে পুলিশ। এসডিও’র নেমপ্লেট খুলে রাতারাতি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘাটাল থানার ওসি-র নাম। বন্যার সময় উদ্বাস্তু হয়ে গেলেন খোদ সেচ দফতরের অফিসার-কর্মীরাই। বন্যা কবলিত মানুষের পাশে না থেকে তৃণমূল প্রশাসনের এই আচরণকে সামজিক মাধ্যমে তুলে ধরে বিস্ফোরক রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পুলিশ কেন এমন করল? কোনও ষড়যন্ত্র নেই তো? এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে।

    কী বললেন বিজেপি নেতা (Ghatal)?

    তৃণমূল প্রশাসনের বিরুদ্ধে কটাক্ষ হেনে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সামজিক মাধ্যমে  বলেন, “রাজ্যে মগের মুলুক চলছে। ঘাটাল (Ghatal) মাস্টার প্ল্যানের যাবতীয় নথিপত্রও পুলিশ দখল নিয়ে নিয়েছে। বোঝো কাণ্ড। বেচারা সেচ দফতরের কর্তারা এখন নিরুপায় হয়ে দফতরের উচ্চ আধিকারিকদের কাছে অভিযোগ করে বিহিত চেয়েছেন। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কোনও নথি যে আর সেচ দফতরের কাছে নেই, তাও জানিয়ে দিয়েছেন সেচ দফতরের কর্তারা। একেই বলে শাসকের আইন। পুলিশ মানে রাজ্য আর রাজ্য মানে পুলিশ। দেখুন আপনারা সেচ দফতরের ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদার চিঠিটি নীচে দিলাম।”

    আরও পড়ুনঃ মমতা ব্যস্ত উৎসবে, পুজোর মুখে সবজির আগুন বাজারে পুড়ছে আমজনতা!

    তৃণমূল কি বাস্তবে মাস্টার প্ল্যান চায়?

    রাজ্যে নিম্নচাপের কারণে অতিবর্ষণ এবং ডিভিসির জল ছাড়ার কারণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বার বার ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেও রাজ্যকে না জানিয়ে যে জল ছাড়া হয়নি, সেকথা কেন্দ্রীয় সেচ দফতর থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। এদিকে ভোটের আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ঘাটাল মহকুমাকে বন্যামুক্ত করতে মাস্টার প্ল্যানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তা করতে দেখা যায়নি। পরপর তিন বারের তৃণমূল সাংসদ দেব এবারের বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ফের একবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, “আমাকে আরও ৫ বছর সময় দিলে মাস্টার প্ল্যান হবে।” এখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, রাজ্যে মমতার শাসন প্রায় ১৩ বছর ধরে চলছে, তারপরও কেন বন্যা নিয়ন্ত্রণের কোনও পদক্ষেপ নেয়নি সরকার? বিরোধী দল বিজেপির দাবি, তৃণমূল বার বার পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করছে। তৃণমূল সরকারের কোনও ইচ্ছে নেই। এদিকে শাসকের উদাসীন মনোভাবের সামালোচনা করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা সরকার দুর্গতদের পাশে নেই, কেবল ছবি তোলাতে ব্যস্ত। আমারা ঘটাল (Ghatal) মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rachana Banerjee: ‘‘কুইন্টাল-কুইন্টাল জল’’! কিউসকের বদলে নতুন একক তৈরি রচনার, কটাক্ষ বিজেপির

    Rachana Banerjee: ‘‘কুইন্টাল-কুইন্টাল জল’’! কিউসকের বদলে নতুন একক তৈরি রচনার, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আলটপকা মন্তব্য করলেন তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)। হুগলির বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে সাংসদের মন্তব্যে ফের হাসির রোল পড়ে গিয়েছে। নেটদুনিয়ায় ভাইরালও হয়েছে তাঁর মন্তব্য। সোমবার হুগলির বলাগড়ের বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যান স্থানীয় সাংসদ। সেখানেই ডিভিসি-কে নিশানা করতে গিয়ে ‘কুইন্টাল কুইন্টাল’ জল ছাড়ার অভিযোগ তোলেন। কিউসকের সঙ্গে কুইন্টালকে গুলিয়ে ফেলেন হুগলির (Hooghly) তৃণমূল সাংসদ। কেউ কেউ কটাক্ষ করে দাবিও তুলেছেন, রচনাকে মিউজিয়ামে রাখা হোক! প্রসঙ্গত বুধবার ডিভিসিকে দোষারোপ করার সময় একক গুলিয়ে ফেলে রচনা বলেন, ‘‘কুইন্টাল কুইন্টাল জল বেরিয়ে আসছে। মানুষের বাড়িঘর কিচ্ছু নেই। সবাই রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছেন। আর ওরা বলছে জানিয়ে পাঠিয়েছে!’’

    ভুলভাল বকছেন উনি (Rachana Banerjee)! কটাক্ষ বিজেপির

    জলের একক গুলিয়ে ফেলায় তাঁকে রীতিমত কটাক্ষ শুরু করেছে রাজ্য বাজেপি। খোঁচা দিয়ে কটাক্ষ করে হুগলি (Hooghly) বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ওঁকে মিউজিয়ামে রাখা উচিত। একজন সাংসদ হয়ে বলছেন কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ছে! কুইন্টালে কবে থেকে জল মাপা শুরু হল? কোনও জ্ঞান নেই তাই এসব ভুলভাল বকছন।’’ প্রসঙ্গত রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার হুগলির বন্যা বিধ্বস্থ এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। চাঁদরা, মিলনগর, ইত্যাদি জায়গায় পৌঁছান তিনি। সেখানেই ডিভিসিকে আক্রমণ করতে গিয়ে ফের একবার আলটপকা মন্তব্য করে বসেন সাংসদ।

    একাধিক মন্তব্যে হাসির খোরাক সাংসদ (Rachana Banerjee)

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালেই রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছেন রচনা (Rachana Banerjee)। তার পর থেকে একাধিকবার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন রচনা (Rachana Banerjee) শুধুমাত্র তাঁর আলটপকা মন্তব্যের কারণে। কখনও তাঁর ‘ধোঁয়া ধোঁয়া’ মন্তব্য নিয়ে হাসির রোল উঠেছে। কখনও আবার সিঙ্গুরের দই কেন ভালো সেটার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েও হাসির খোরাক হয়েছেন তিনি। সমাজমাধ্যমের পাতায় এই নিয়ে প্রচুর মিমও ছড়িয়ে পড়ে সেসময়। এবার কিউসেকের বদলে জল মাপার একক কুইন্টাল বলতেই তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengal Governor: ‘‘ডিভিসি নয়, কংসাবতীর জলেই বন্যা’’, মমতার তত্ত্ব খারিজ করে দাবি রাজ্যপালের

    Bengal Governor: ‘‘ডিভিসি নয়, কংসাবতীর জলেই বন্যা’’, মমতার তত্ত্ব খারিজ করে দাবি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ডিভিসি তত্ত্বের বিরোধিতা করলেন রাজ্যপাল (Bengal Governor)। তাঁর দাবি, ডিভিসি (দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন) নয়, রাজ্যের বন্যার জন্য দায়ী রাজ্য নিজেই। এর ব্যাখ্যাও করেন সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন কংসাবতী বাঁধের জল ছাড়ার কারণেই এই বন্যা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এখানেই থেমে থাকেননি রাজ্যপাল। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছেন বোস (Bengal Governor)। 

    ডিভিসির ওপর দায় না চাপিয়ে বন্যা মোকাবিলা করুন, মন্তব্য রাজ্যপালের (Bengal Governor)

    আনন্দ বোসের মতে, কোনও বাঁধই বন্যা পুরোপুরি আটকাতে পারে না, যদি জমা জলের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে। রাজ্যপাল (Bengal Governor) চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাফ জানিয়েছেন যে, কংসাবতী, শিলাবতী ও দ্বারকেশ্বর নদী এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং কংসাবতী নদীর ওপর মুকুটমণিপুর বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে এইসব জায়গা প্লাবিত হয়েছে। রাজ্যপালের মতে, বাঁকুড়া, বীরভূম, মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলি কোনওভাবেই ডিভিসি-এর আওতাভুক্ত নয়। ডিভিসির ওপর দায় না চাপিয়ে বন্যা মোকাবিলা করুন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অভিযোগ, রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়া হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবিকে নস্যাৎ করেছে। 

    ডিভিসি (DVC) ইস্যুতে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করার সময় ডিভিসির (DVC) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মমতার মন্তব্যে পাল্টা তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘উনি কি জানেন যে পশ্চিম বাংলার পশ্চিমাঞ্চলের ৭ থেকে ৮টি জেলায় আলো জ্বলে, কারখানা চলে, ট্রেন যায় ডিভিসির বিদ্যুতে। একটা পাওয়ার প্ল্যান্ট করতে পারেননি, এক ইউনিট বিদ্যুৎ নতুন করে জেনারেট করতে পারেননি, ডিভিসির ওপর নির্ভর করেন, আবার ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন বলেছেন, আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি। আপনার যদি সাহস থাকে তাহলে ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেখান। রাজ্যের ৮টা জেলা অন্ধকারে ডুববে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ‘‘৮ জেলা অন্ধকারে ডুবে যাবে’’, ডিভিসি-সম্পর্ক ছেদ করতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘৮ জেলা অন্ধকারে ডুবে যাবে’’, ডিভিসি-সম্পর্ক ছেদ করতে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ‘ম্যান মেড বন্যা’ বলে কেন্দ্রকে দায়ী করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিভিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজ্য সরকারের দায় তিনি এড়িয়ে যেতে চান বলে বিরোধীদের অভিযোগ। উল্টে, ডিভিসি-র সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার তিনি হুমকি দিয়েছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে তুলোধনা করেন।

    ডিভিসি ইস্যুতে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার বরানগরে প্রয়াত প্রাক্তন সাংসদ তপন সিকদারের স্মৃতিতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রয়াত দলীয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে মমতার নাম না করে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘উনি কালকে বলেছেন না ডিভিসির (DVC) সঙ্গে কাট-আপ করে দিতে। উনি কি জানেন রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের সাত থেকে আটটি জেলার আলো জ্বলে, কারখানা চলে, ট্রেন যায় ডিভিসির বিদ্যুতে। একটা নতুন পাওয়ার স্টেশন করতে পারেননি, এক ইউনিট বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারেননি। ডিভিসির উপর নির্ভর করেন আবার ডিভিসিকেই কাট-আপ করবেন বলেছেন। আমি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলছি, এক্ষুনি ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে দেখান মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের আটটি জেলা অন্ধকারে ডুবে যাবে।’’

    আরও পড়ুন: থ্রেট কালচার! কল্যাণী মেডিক্যালে ৩৯ জন ডাক্তারি পড়ুয়াকে বহিষ্কার

    ঝাড়খণ্ড বর্ডার সিল করা নিয়ে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    শুধু তাই নয়। ঝাড়খণ্ডের সীমান্ত বন্ধ করা নিয়েও মমতাকে তুলোধনা করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে গত চারদিন ধরে অনবরত জল ছাড়ায় বাংলার বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির জন্য আগামী তিনদিন বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত সিল করারও নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সেই নির্দেশের পরেই বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বাংলা ও ঝাড়খণ্ড বর্ডার সিল করে দেওয়া হয়। এই নিয়েই এদিন ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন,  ‘‘ঝাড়খণ্ড বর্ডার আটকে দেওয়া হলে নাসিক থেকে পেঁয়াজ আসতে পারবে না। উত্তর পূর্বাঞ্চলের পণ্য পরিবহণও আটকে যাবে। ঝাড়খণ্ড সীমানা খুলে যদি না দেওয়া হয়, তাহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখব। জাতীয় সড়ক বন্ধ করা যায় না। রাজ্যপালকেও গোটা বিষয়টা জানাব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood In Bengal: খাবার নেই, নেই পানীয় জল! তৃণমূল সাংসদ যেতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন বানভাসিরা

    Flood In Bengal: খাবার নেই, নেই পানীয় জল! তৃণমূল সাংসদ যেতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন বানভাসিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপের জেরে একটানা বৃষ্টিতে ডিভিসির ছাড়া জলে ভাসছে হুগলির আরামবাগ মহকুমার খানাকুল। মুণ্ডেশ্বরী, দামোদর, দ্বারকেশ্বর ও রূপনারায়ণের জল ঢুকে খানাকুলের ১ ও ২ ব্লকের ২৪টির মধ্যে ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত। বহু মাটির বাড়ি জল ঢুকে পড়ে গেছে (Flood In Bengal)। বহু পাকা বাড়িতেও জল ঢুকে পড়েছে। এলাকায় পানীয় জলের কলগুলি বন্যার জলে ডুবে গিয়ে চরম সমস্যা দেখা দিয়েছে। হাজার হাজার একর চাষের জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। বহু মানুষ নিচু এলাকা ছেড়ে অন্যত্র উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন, কেউ রয়েছেন বাড়ির ছাদে, কেউ আবার ত্রাণ শিবিরে। এখনও জল যেভাবে বাড়ছে, বড়সড় বন্যার আশঙ্কা করছেন খানাকুলের বন্যাদুর্গত মানুষ।

    ত্রাণ মিলছে না (Flood In Bengal)

    মানুষের অভিযোগ, গত তিনদিন ধরে তাঁরা জলযন্ত্রণায় ভুগছেন। অথচ প্রশাসনের দেখা নেই। এমনকি জনপ্রতিনিধিদেরও সেভাবে দেখা পাওয়া যায়নি। অনেকেই জলবন্দি হয়ে পড়েছেন বাড়ির মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছেন না। ফলে পানীয় জল ও বাচ্চাদের খাবারের অভাব দেখা দিয়েছে। এমনকি রাস্তাঘাট ডুবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় তাঁদের নৌকাই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে এলাকায় কোনও নৌকাও এসে পৌঁছায়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে। প্রশাসনকে বললেও কোনও কাজ হচ্ছে না। তাঁদের সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি। অসহায় ভাবে দিন কাটাচ্ছেন খানাকুলের বিভিন্ন এলাকার মানুষজন। জলযন্ত্রণায় (Flood In Bengal) ভুগছেন বানভাসি সাধারণ মানুষ।

    অপরূপাকে ঘিরে ক্ষোভ (Flood In Bengal)

    বৃহস্পতিবার সেই বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সাংসদকে। দুপুরে খানাকুলের সুলুট গ্রামে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই এলাকাবাসী তাঁদের বিভিন্ন দাবিদাওয়াকে সামনে রেখে ক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। যদিও বানভাসি মানুষদের ক্ষোভের মুখে পড়ে অপরূপা দাবি করেন, বাড়ির টাকা আনতেই দিল্লিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। বিজেপি নেতারা দিল্লি গিয়ে বলে আসছে টাকা দিতে হবে না, দাবি সাংসদের। আর এই বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও অপরূপা বলেন, বিজেপি নেতারা ডিভিসিকে বলে জল ছাড়ছে। সে কারণেই খানাকুল ডুবছে (Flood In Bengal)। বিক্ষোভের দাবি উড়িয়ে অপরূপা পোদ্দার বলেন, “কোনও বিক্ষোভই নেই। বিজেপির বিধায়করা তো ভোটের সময় আসেন, মানুষের বিপদে তো আসেন না। আমরা সবসময় মানুষের পাশেই থাকি।

    সাংসদ তো আসেনই না, তোপ বিজেপির

    খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, “আরামবাগের সাংসদ তো এলাকায় আসেনই না। খানাকুলের কী পরিস্থিতি উনি তো জানেনই না। উনি আসতেই মানুষ তাঁদের বহুদিনের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ঠাকুরানিচক, ঘোষপুর, কিশোরপুর-১, কিশোরপুর-২ প্রভৃতি এলাকায় মানুষ ত্রাণ (Flood In Bengal) পাচ্ছেন না। পঞ্চায়েত প্রধানরা ফিরিয়ে দিচ্ছেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DVC: পুজোর আনন্দ ম্লান! ভাসছে দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলা, কী করছে রাজ্য সরকার?

    DVC: পুজোর আনন্দ ম্লান! ভাসছে দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলা, কী করছে রাজ্য সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার থেকেই ডিভিসি-র (DVC) বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়া শুরু হয়েছিল। গত দুদিন ধরে সেই জল ছাড়ার পরিমাণ ক্রমশ বেড়েছে। আর তার দোসর নাগাড়ে বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে এই বৃষ্টি চলবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। ফলে, পুজোর আগেই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, হাওড়া, দুই মেদিনীপুর জেলায়। ফলে, দক্ষিণবঙ্গের এই সাতটি জেলার মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছেন। পুজোর আনন্দ একেবারে ম্নান হয়ে গিয়েছে। পুজোর মণ্ডপ তৈরির পরিবর্তে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হচ্ছে প্লাবিত এলাকার বাসিন্দাদের। রাজ্য সরকার ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    জলাধারগুলি থেকে কত পরিমাণ জলা ছাড়া হল? (DVC)

    দীর্ঘদিন রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকার পরেও পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে নিকাশি ব্যবস্থার স্থানীয় কোনও সমাধান করতে পারল না। ফলে, ডিভিসি-র (DVC) মাইথন এবং পাঞ্চেত জলাধারের ছাড়া জল আর বৃষ্টির কারণে ঘাটাল মহকুমার অনেক জায়গায় জল ঢুকে গিয়েছে। এমনিতেই পুজোর কারণে পাড়ায় পাড়ায় সব প্রস্তুতি চলছিল। এখন বন্যা হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী। অতিবর্ষণে সবং ব্লকের ছয়-সাতটি অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ১১ নম্বর মহাড় অঞ্চলের কানুচক বুথে বেশ কয়েক’টি পরিবারকে তুলে এনে একটি স্কুলের ত্রাণ শিবিরে করে রাখা হয়েছে। একই অবস্থা দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। বকখালি, বালিয়াড়া-সহ গঙ্গাসাগরের সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার বিকেল থেকে অবশ্য ডিভিসির জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়েছে। মাইথন জলাধার থেকে ২০ হাজার কিউসেক এবং পঞ্চায়েত জলাধার থেকে ৫৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ৭৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে।

    পুজোর আগে বন্যার আশঙ্কা

    পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় আবার বন্যার আতঙ্ক শুরু হয়েছে। ডিভিসির (DVC) ছাড়া জলে পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা প্লাবিত। বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়ায় কেলেঘাই, চণ্ডীয়া, হলদি, রূপনারায়ণ-সহ নদী তীরবর্তী এলাকাগুলিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না, ভগবানপুর, পাঁশকুড়া, কোলাঘাট, তমলুক, খেজুরি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জমা জলের সমস্যা রয়েছে। ঝাড়খণ্ডের গালুডি ব্যারেজে জল ছাড়়ার কারণে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর-১ এবং ২ ব্লক, সাঁকরাইল এবং নয়াগ্রাম ব্লক প্রশাসন নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের পুজোর আনন্দ উধাও হয়ে গিয়েছে। বন্যার আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে। অনেকে ঘরের চারিদিকে জল থাকায় বের হতে পারছেন না। চরম নাকাল হতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।

    হাওড়ার কোন কোন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা?

    হাওড়়ার আমতা এবং উদয়নারায়ণপুরের পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই আশঙ্কাজনক। দফায় দফায় বৃষ্টিতে মুণ্ডেশ্বরী, রূপনারায়ণ এবং দামোদরের জল বাড়ছে। আমতা-২ ব্লকের ভাটোরা এবং ঘোড়াবেড়িয়া চিতনান গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু গ্রামের মানুষজন বন্যার আতঙ্কে রয়েছেন। এলাকায় জল ঢুকতে শুরু করেছে। দামোদর নদের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় উদয়নারায়ণপুরের হরালি, দাসপুর, সীতাপুর, সুলতানপুর, গজা, কুড়চি, হরিহরপুর, হোদল, রামপুর বালিচক, শিবপুর, বিনোদবাটি, জঙ্গলপাড়া, শিবানীপুর, পাঁচারুল-সহ বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    সেতুর উপর দিয়ে বইয়ে জল

    ফুঁসছে বাঁকুড়ার দ্বারকেশ্বর। এই নদের উপর বাঁকুড়া শহর লাগোয়া মীনাপুর ও ভাদুল সেতুর উপর প্রায় চার ফুট উচ্চতা দিয়ে প্রবল বেগে জল বইছে। সেতুর উপর দিয়ে জল বইতে থাকায় মীনাপুর ও ভাদুল সেতু দিয়ে যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র বাঁকুড়া জেলার ৯৭০ জন বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বীরভূমের কাদরকুলা থেকে বাগসীনা যাওয়ার রাস্তা জলের তলায় গিয়েছে। আরও জল বৃদ্ধি হলে কীর্ণাহারের সঙ্গে লাভপুরের প্রায় ১৫টি গ্রামের  যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DVC: টানা বৃষ্টি আর ডিভিসি-র জলাধার থেকে ছাড়া হচ্ছে জল, পুজোর আগে সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতি

    DVC: টানা বৃষ্টি আর ডিভিসি-র জলাধার থেকে ছাড়া হচ্ছে জল, পুজোর আগে সাত জেলায় বন্যা পরিস্থিতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন বাকি। টানা বৃষ্টি পুজোর বাজারে অনেকটাই ধাক্কা দিয়েছে। এবার বৃষ্টির পাশাপাশি ডিভিসি-র (DVC) বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়ার কারণে পুজোর আগে রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    মঙ্গলবারও বিভিন্ন জলাধার থেকে কত জল ছাড়া হয়েছে? (DVC)

    দামোদর ভ্যালি রিভার রেগুলেটরি কমিশন বা ডিভিআরআরসির তরফে টানা কয়েকদিন বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়াকে মাথায় রেখে সতর্কতা জারি করা হল। মাইথন, পাঞ্চেত ও দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ছাড়া হয়েছিল প্রায় ২ লক্ষ কিউসেক জল। রবিবার কমলা বা অরেঞ্জ সতর্কতা জারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, সোমবার সকালের পরে জল ছাড়ার পরিমাণ বেড়ে এক লক্ষ কিউসেক হওয়ায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। মঙ্গলবার ডিভিসি নতুন করে ১ লক্ষ ১০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। এরমধ্যে মাইথন থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়়া হয়েছে। দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৫৭৫ কিউসেক জল ছা়ড়া হয়েছে।

    দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর কী বললেন?

    এদিন দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের (DVC) এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর (সিভিল) অঞ্জনকুমার দুবে বলেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে মাইথন এবং পাঞ্চেতে জলস্তর বেশ কয়েক ফুট বেড়েছে। ফলে, প্রয়োজনে ধাপে ধাপে জল ছাড়া হবে।’ জানা গিয়েছে, ডিভিসির কাছ থেকে জল ছাড়ার একটা বার্তা সোমবার সকালে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক গোন্নাবলন এসকে পাঠানো হয়েছে। সেই মতো জেলাশাসক জেলার দুই পুরনিগম আসানসোল ও দুর্গাপুরকে তা জানিয়েছেন। নির্দেশে বলা হয়েছে, মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে পরবর্তী কালে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হলে দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়তে পারে।

    পুজোর আগে সাতটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি

    পুজোর আনন্দে এলাকার মানুষ এখন থেকে মেতে উঠবেন। ক্লাবগুলিতে মণ্ডপ তৈরির কাজ চলবে। এটাই এখন ছিল চেনা চিত্র। কিন্তু, তার পরিবর্তে ডিভিসির ছাড়া জলে ঘুম উড়েছে পূর্ব বর্ধমানের দামোদর সংলগ্ন এলাকার মানুষজনের। জল আরও বাড়লে প্লাবনের আশঙ্কায় শঙ্কিত নিম্ন দামোদরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অধিবাসীরা। ডিভিসি (DVC) থেকে দফায় দফায় জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক বাড়ছে নদীবাঁধ সংলগ্ন এলাকায়। জল ছাড়ার পরিমাণ আরও বাড়লে জেলার রায়না ও জামালপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষজন। এছাড়়াও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও পশ্চিম বর্ধমান-সহ সাতটি জেলার পার্শ্ববর্তী এলাকায়। যে কারণে এই সব জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে তাঁরা কীভাবে সামলাবেন, বুঝে উঠতে পারছেন না নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষজন। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে জেলা প্রশাসনের তরফে একদফা বৈঠকও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share