Tag: Earth Rotation

Earth Rotation

  • Earth Rotation: পৃথিবীর ঘূর্ণন বন্ধ হলে কী হবে জানেন?

    Earth Rotation: পৃথিবীর ঘূর্ণন বন্ধ হলে কী হবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবী ঘুরছে (Earth Rotation) অনবরত ভাবে। সঙ্গে সঙ্গে আমরাও ঘুরছি। প্রশ্ন হল যদি হঠাৎ করে পৃথিবীর ঘুর্ণন (Earth Rotation) বন্ধ হয়ে যায় তাহলে কী হবে? বিজ্ঞানীরা বলছেন পৃথিবী নিজের কেন্দ্রে প্রতি ঘন্টায় প্রায় ১৬৭৫ কিলোমিটার বেগে  ঘুরছে। পৃথিবীর সাপেক্ষে আমরা খুবই ক্ষুদ্র হওয়ায় এই ঘূর্ণন বুঝতে পারিনা। নিরক্ষরেখায় ঘূর্ণনের বেগ সব থেকে বেশি এবং মেরু অঞ্চলে সব থেকে কম। পৃথিবী পশ্চিম থেকে পুর্ব দিকে ঘোরে (Earth Rotation)।

    পৃথিবী হঠাৎ থেমে গেলে কী হবে?  

    ১) প্রথমেই পৃথিবী পৃষ্ঠে থাকা সমস্ত  কিছু একই সঙ্গে উড়তে শুরু করবে ঠিক পশ্চিম দিকে। মানুষ, জন্তু, জানোয়ার, বাড়ি, গাছপালা, পাহাড়, পর্বত সব কিছু। বিজ্ঞানীরা বলছেন ওড়ার গতি হবে ঘন্টায় ১০০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। কোন কিছুই দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না। 

    ২) প্রথম কয়েক সেকেন্ডে অবশ্য বেঁচে যাবে বিমানের যাত্রীরা এবং একেবারে মেরু অঞ্চলের লোকেরা। কিন্তু ওই কয়েক সেকেন্ডের জন্যই। কারণ পৃথিবীর থেমে যাওয়ার (Earth Rotation) কয়েক সেকেন্ড পরেই শুরু হবে ভয়ানক ঝড় এবং প্রচন্ড বজ্রপাত।

     

    ৩) ঘূর্ণন (Earth Rotation) বন্ধ হলেই বায়ুর গতিবেগ তখন হয়ে যাবে কমবেশি ১৭০০ কিমি প্রতি ঘন্টা। স্বাভাবিকভাবেই বায়ু এত বেগে বইতে শুরু করলে ঘর্ষণের ফলে সব কিছুতে আগুন লেগে যাবে। 

    ৪) এর সঙ্গেই শুরু হবে প্রবল সুনামি। সেই সুনামিতে পৃথিবীর সকল স্থলভাগ ডুবে যাবে। মানে জলভাগের জল উঠে আসবে স্থলভাগে, এককথায় প্রলয় শুরু হবে চারিদিকে।  

    ৫) পৃথিবীর ঘূর্ণন (Earth Rotation) বন্ধ হয়ে গেলে সূর্য স্থির হয়ে থাকবে আকাশে। কারন সূর্যের উদয় এবং অস্ত নির্ভর করে পৃথিবীর ঘোরার উপর। সূর্য স্থির হওয়া মাত্রই পৃথিবীর একপৃষ্ঠে স্থায়ীভাবে দিন হয়ে যাবে অন্যপৃষ্ঠে স্থায়ী রাত। 

    ৬) ঘূর্ণন বন্ধ (Earth Rotation) হয়ে গেলেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। শুধু তাই নয় অন্যান্য গ্রহগুলিও কক্ষচ্যুত হয়ে যাবে। এমনটাই মত বিজ্ঞানীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Earth Rotation: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    Earth Rotation: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ২৪ ঘণ্টার থেকে কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ (Rotation) করেছে পৃথিবী (Earth)। ৫০ বছরে এটাই আপাতত সব থেকে ছোট দিনের (Shortest Day) রেকর্ড। এক দিন সম্পন্ন হতে ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৫৯ মিলি সেকেন্ড কম সময় লেগেছে। 

    বিজ্ঞানীদের মতে সম্প্রতি নিজের গতি বাড়িয়েছে পৃথিবী। ১৯৬০ সালের পরে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই ছিল পৃথিবীর সব থেকে ছোট দিন। সেই দিন পৃথিবীর নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করতে ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৪৭ মিলি সেকেন্ড কম সময় লেগেছিল। 

    আরও পড়ুন: প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়ল চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! ভাইরাল ভিডিও

    পৃথিবীর গতি বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার কারণ এখনও বিজ্ঞানীদের অজানা। বিজ্ঞানীদের অনুমান, পৃথিবীর এই ভিন্ন ঘূর্ণন গতি হতে পারে অভ্যন্তরীণ কারণে, আবার হতে পারে বাইরের স্তরের কারণেও। আবার মহাসাগরের জোয়ার-ভাটা কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে। গবেষকরা বলেন, পৃথিবীর উপরিভাগ চ্যান্ডলার ওয়াবল নামে পরিচিত। ওই জায়গা থেকেই গতি পেতে শুরু করে পৃথিবী। সেখানকার কোনও কারণেও গতি কম বা বেশি হতে পারে। 

    মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২৯ জুলাই পৃথিবী ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেছে। আর একইসঙ্গে ভেঙে দিয়েছে সবথেকে ছোটো দিনের আগের সব রেকর্ড। 
     
    পৃথিবী অবিরত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। তারই জেরে হচ্ছে দিন-রাত। পুরো একটা দিন অর্থাৎ পৃথিবী নিজের কক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। তাই আমরা ২৪ ঘণ্টাকে এক দিন বুঝি।

    আরও পড়ুন: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    পৃথিবীর প্রদক্ষিণের গতি যখন এমন বেড়ে যায়, তখন পরের বছরও তা সাধারণত বর্ধিত হারে ঘুরতে থাকে। কিন্তু ২০২১ সালে পৃথিবীর গতি কোনও রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। কিন্তু কেন এমনটা হয়? পৃথিবীর ঘূর্ণনের ভিন্ন গতির কারণ এখনও অজানা।  

    পৃথিবী যদি ক্রমবর্ধমানে হারে ঘুরতে ঘুরতে লিপ সেকেন্ডের প্রবর্তন করে, তবে পারমানবিক ঘড়ির পরিমাপের সঙ্গে সমাঞ্জস্য রেখে চলবে। তা হলে লিপ সেকেন্ড স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এই লিপ সেকেন্ড ভালোর থেকে বেশি ক্ষতি করতে পারে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এটি টাইমারের সফটওয়ারের উপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলবে। এর ফলে একটি নেতিবাচক লিপ সেকেন্ড যোগ করতে হতে পার। যাকে বলে ড্রপ সেকেন্ড। 

LinkedIn
Share