Tag: East Bengal

East Bengal

  • ISL Kolkata Derby: ডার্বির রং সবুজ-মেরুন, দ্রুততম গোলে লিগ টেবিলে শীর্ষেই মোহনবাগান

    ISL Kolkata Derby: ডার্বির রং সবুজ-মেরুন, দ্রুততম গোলে লিগ টেবিলে শীর্ষেই মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের কাছে অপরাজিতই রইল মোহনবাগান। এখনও পর্যন্ত আইএসএলে ১০ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। তার মধ্যে ৯ বারই জিতল মোহনবাগান। শনিবার ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারাল মোহনবাগান। ম্যাচের ১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের মাথায় একমাত্র গোলটি করেন জেমি ম্যাকলারেন। থ্রু পাস বাড়িয়েছিলেন মোহনবাগানের আশিস রাই (Asish Rai)। সেই পাস ধরে ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের ফাঁক দিয়ে গোল জেমি ম্যাকলারেনের (Jamie Maclaren)। আইএসএল ডার্বির ইতিহাসে এটাই দ্রুততম গোল। গোটা ম্যাচে বারবার সুযোগ পেলেও সেই গোল আর পরিশোধ করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানও ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করে। ম্যাচে ২টি হলুদ কার্ড দেখে লাল কার্ড দেখেন ইস্টবেঙ্গলের শৌভিক চক্রবর্তী।

    মোহনবাগানের দাপট 

    আইএসএলের প্রথম লেগের ডার্বি জিতেছিল মোহনবাগান। আইএসএলের প্রথম লেগের ডার্বি জিতেছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয় ডার্বি জিতে মোহনবাগান ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেল। ইস্টবেঙ্গল যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই। বেঙ্গালুরুর সঙ্গে সবুজ-মেরুনের ব্যবধান শনিবারের পর আট পয়েন্টের। বাকিদের পক্ষে মোহনবাগানকে ধরা কার্যত অসম্ভব। বেশ কয়েক বছর ধরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে হারটাই দস্তুর হয়ে গিয়েছে লাল হলুদ শিবিরের। আইএসএলে টপ সিক্সে যাওয়ার আশা ইস্টবেঙ্গলের ক্রমশ ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে। এদিন হারের পরে সেই রাস্তা আরও কঠিন হয়ে গেল। ধারে ও ভারে এই মোহনবাগান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের থেকে অনেকটাই শক্তিশালী। মাঠেও তা প্রমাণিত হয়েছে বাংরবার। 

    ছোটদের ডার্বিতেও জয়ী মোহনবাগান 

    শনিবার, বড়দের আগে ছোটদের ডার্বি জেতে মোহনবাগান। ২-১ গোলে জেতে সবুজ-মেরুন। কল্যাণীর মাঠে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলারেরা নেমেছিল। প্রথমে গোল করে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের অনেকটা সময় পর্যন্ত এগিয়ে ছিল লাল-হলুদ। মোহনবাগানের রক্ষাকর্তা হয়ে ওঠে রাজদীপ পাল। নির্ধারিত সময়ের খেলায় সমতা ফেরায় সে। পরে সংযুক্তি সময়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোল করে রাজদীপ। মোহনবাগান সমতা ফেরানোর পরে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু গোল করতে পারেনি লাল-হলুদ ফুটবলার। তার খেসারত দিতে হয় দলকে। রাজদীপ দ্বিতীয় গোল করার পরে আর ফেরার সম্ভাবনা ছিল না ইস্টবেঙ্গলের। ১-২ গোলে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL Kolkata Derby: ডার্বির উন্মাদনার কাছে ফিকে বিশ্বকাপও! গোল করে আপ্লুত সবুজ-মেরুনের ম্যাকলারেন

    ISL Kolkata Derby: ডার্বির উন্মাদনার কাছে ফিকে বিশ্বকাপও! গোল করে আপ্লুত সবুজ-মেরুনের ম্যাকলারেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় দলের জার্সি গায়ে বিশ্বকাপ (ISL Kolkata Derby) খেলার অনুভূতি আলাদা কিন্তু ডার্বির উন্মাদনা সবকিছুকে ছাপিয়ে যায়। আইএসএল ডার্বি জয়ের পর এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে এখনও অবধি দুটো ম্যাচ খেলেছেন তিনি। দুটো ম্যাচেই গোল। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেনকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছেন মোহনবাগান সমর্থকরা। সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে গোল করতে পেরে আপ্লুত ম্যাকলারেনও। তাঁকে নিয়ে মোহনবাগান টিম ম্যানেজমেন্টও উচ্ছ্বসিত। ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আইএসএল টেবলে আপাতত দু’নম্বরে উঠে এসেছে  মোহনবাগান (Mohun Bagan super Giant)।

    কী বললেন ম্যাকলারেন

    ডুরান্ড ডার্বি (ISL Kolkata Derby) বাতিল হয়েছিল। স্বাভাবিক ভাবেই আইএসএলে মরসুমের প্রথম ডার্বি ঘিরে উন্মাদনাও ছিল তুঙ্গে। বড় ম্যাচ সব সময়ই নায়কের জন্ম দেয়। প্রথম বার কলকাতা ডার্বিতে নেমেছিলেন ম্যাকলারেন। আর প্রথম বড় ম্যাচেই গোল। আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে বড় ম্যাচের অন্যতম নায়ক অজি বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন বলছেন, ‘বিশ্বকাপে খেলেছি। এ ছাড়াও অনেক বড় ম্যাচেই খেলেছি। কিন্তু এই কলকাতা ডার্বি অসাধারণ। এই ম্যাচে গোল করে সবার সঙ্গে সেলিব্রেশন দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা। সত্যি বলতে আরও সেলিব্রেট করতে চেয়েছিলাম। ইচ্ছে করছিল ফেন্সিং টপকে সমর্থকদের মাঝে চলে যাই। তবে এখনও আরও ম্যাচ বাকি আছে। এমন সুযোগ আরও পাব।’

    মোলিনার চালে মাত

    পরপর দুটো ডার্বি (ISL Kolkata Derby) জয়। ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে মোহনবাগানের (Mohun Bagan super Giant) আইএসএল টেবলে দু’নম্বরে উঠে আসে। এর পিছনে রয়েছে মোহনবাগানের নতুন কোচ মোলিনার ম্যান ম্যানেজমেন্ট নীতি। মোলিনা চার বছর ধরে স্পেনের মতো বিশ্বের সেরা ফুটবল টিমের স্পোর্টিং ডিরেক্টরের কাজ করায় ম্যান ম্যানেজমেন্টে খুব ভালো। তাই তিনি দ্রুত তিন ব্যাকের বদলে মহামেডান ম্যাচ থেকে চার ব্যাকে টিম সাজানো শুরু করেন। যা তাঁর রক্ষণের ছবিটাকেই বদলে দেয়। দুই ডার্বিতে ক্লিনশিট রেখেছে মোলিনার টিম। তাঁর ম্যান ম্যানেজমেন্ট দক্ষতাতেই টিমের তিন অজি বিশ্বকাপার— ম্যাকালারেন, দিমিত্রি, কামিংসরা রিজার্ভ বেঞ্চে বসলেও টিম স্পিরিটে ধাক্কা খাচ্ছে না। অ্যাটাকে বৈচিত্র্য আনতে স্টুয়ার্টকে ফ্রি ফুটবলার হিসেবে খেলানোটাই মোলিনার বড় চাল। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে দাপুটে ফুটবলে মোলিনার মার্কিং নীতিও দারুণভাবে কাজে লেগেছে। তিনি জানতেন, লাল হলুদের দুই মিডফিল্ডার সল ক্রেসপো আর মাদিহ তালাল টিমটাকে চালনা করেন। এই দু’জনেই ক্রমাগত উইংয়ে বল সাপ্লাই করে যান। আর সেই বলেই প্রান্তিক অ্যাটাকে ঝড় তোলেন মহেশ-নন্দরা। মোলিনা তাই শনিবার রাতে ক্রেসপোর পিছনে অনিরুদ্ধ থাপা আর তালালের পিছনে আপুইয়াকে লাগিয়ে দেন। আর তাতেই জারিজুরি শেষ লাল হলুদের মাঝমাঠের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL Kolkata Derby: শনিবার বড় ম্যাচ, প্রস্তুতি তুঙ্গে! ফিরতি লেগে কবে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল?

    ISL Kolkata Derby: শনিবার বড় ম্যাচ, প্রস্তুতি তুঙ্গে! ফিরতি লেগে কবে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের কলকাতা ডার্বির অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। শনিবার বড় ম্যাচে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। আইএসএল-এর চলতি মরসুমে এখনও অবধি মুখোমুখি হয়নি মোহনবাগান (Mohun Bagan) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। আইএসএলে (ISL) কলকাতা ডার্বির (Kolkata Derby) প্রথম ম্যাচের আগেই জানা গেল, এ মরসুমের দ্বিতীয় বড় ম্যাচের দিনক্ষণ। ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি হবে আইএসএলের এ মরসুমের দ্বিতীয় কলকাতা ডার্বি। ফিরতি লেগে বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হবে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের বড় ম্যাচ।

    দুই দলের প্রস্তুতি

    চলতি আইএসএল-এ মোহনবাগানের পারফরম্যান্স ওঠা-নামা করলেও অনেকটা গুছিয়ে নিতে পেরেছে তারা। চোট সারিয়ে দলের সঙ্গে পুরোদমে অনুশীলন করছেন আলবার্তো রডরিগেজ। ডার্বির আগে রাগবি বল নিয়ে খেলায় মাতলেন জেমি, দিমিরা। কোচ মোলিনা ছক কষছেন ডার্বি জয়ের। বড় ম্যাচ জিতে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে চান মোলিনা। অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের এ মরসুমে ৪ ম্যাচে ৪টে-তেই হার ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচ জিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সংকল্প ক্লেটন, ক্রেসপোদের। ডার্বি জিতে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আশায় সৌভিক, তালালরা।

    পয়েন্ট টেবলে কে কোথায়

    ইন্ডিয়ান সুপার লিগের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ বছরের ৩০ ডিসেম্বরের পরবর্তী আইএসএল সূচি ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের চলতি মরসুমে পয়েন্ট টেবলের শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। তাদের পয়েন্ট ১০। ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পঞ্জাব এফসি। তিনে জামশেদপুর এফসি। ৭ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে মোহনবাগান। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে মহমেডান। আর ৪টি ম্যাচ খেলে ৪টিতেই হেরে শূন্য ঝুলি লাল-হলুদের। পয়েন্ট টেবলের ১৩ নম্বরে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amitabh Bachchan: ইস্টবেঙ্গল নাকি মোহনবাগান! জানেন কাকে বেশি পছন্দ অমিতাভ বচ্চনের?

    Amitabh Bachchan: ইস্টবেঙ্গল নাকি মোহনবাগান! জানেন কাকে বেশি পছন্দ অমিতাভ বচ্চনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবুজ-মেরুনই তাঁর পছন্দের ক্লাব। বাংলার জামাই হিসেবে গর্বিত বচ্চন সাবের প্রিয় ফুটবল ক্লাবও মোহনবাগান। ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র (Kaun Banega Crorepati 16) ষোড়শতম সিজন নিয়ে এই মুহূর্তে ব্যস্ত অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। সেই সেটেই এক প্রতিযোগীর প্রশ্নের উত্তরে নিজের পছন্দের কথা জানালেন অমিতাভ। 

    মোহনবাগান-ই আবেগ

    ভারতের শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব মোহনবাগান। (Mohun Bagan) আর সবুজ-মেরুনের ফ্যান স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)! একাধিকবার প্রকাশ্যে সেকথা বলেছেন বলিউড শাহেনশা। সম্প্রতি বিগ বি তাঁর সিগনেচার শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র (Kaun Banega Crorepati 16) হট-সিটে বসেও বলেছেন যে, মোহনবাগানই তাঁর সবচেয়ে প্রিয় টিম। ইস্টবেঙ্গল নাকি মোহনবাগান? এই প্রশ্নে চিরকাল দ্বিধাবিভক্ত বাঙালি। ইলিশ-চিংড়ি কোনও কোনও বাঙালির এই দুই মাছই প্রিয় তবে ইস্টবেঙ্গল না মোহনবাগান তা নিয়ে বরাবর বিতর্ক বঙ্গসমাজে। বলিউডের ‘শাহেনশা’ হিসেবে প্রতিপত্তি থাকলেও, কলকাতায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। বিবাহসূত্রে আবার বাঙালির জামাইও তিনি। তাই চিরাচরিত প্রশ্ন থেকে রক্ষা পেলেন না তিনিও। কলকাতায় থাকাকালীন অমিতাভ ফুটবল নিয়ে এই উন্মাদনার সাক্ষী থেকেছেন বলেই মনে করছেন তাঁর অনুরাগীরা। 

    আরও পড়ুন: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    সম্প্রতি অনুষ্ঠান (Kaun Banega Crorepati 16)  চলাকালীন হুগলি নিবাসী বাঙালি যুবক বাচ্চু সাঁতরার সঙ্গে আলাপচারিতা সারেন অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। ক্রিকেট ভাল লাগে বলে অমিতাভকে জানান বাচ্চু। এতে অমিতাভ জানতে চান, বাচ্চু কখনও ফুটবল খেলেছেন কি না। নিজেই জানান, বাঙালিদের ফুটবল নিয়ে এমন প্রশ্ন করাই উচিত নয়। কারণ বাঙালি মাত্রই ফুটবল খেলেছেন। তাই বাচ্চুর পছন্দের ক্লাব কোনটি জানতে চান অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। জবাবে বাচ্চু জানান, মোহনবাগানের ভক্ত তিনি। এতে যারপরনাই খুশি হন অমিতাভ। বলেন, “আরে সাবাশ! আমিও মোহনবাগান সমর্থক।” অমিতাভ মোহনবাগানের সমর্থক জেনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বাচ্চুও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anwar Ali: চার মাস নির্বাসিত ফুটবলার আনোয়ার আলি, শাস্তির কবলে ইস্টবেঙ্গলও, কী কারণ?

    Anwar Ali: চার মাস নির্বাসিত ফুটবলার আনোয়ার আলি, শাস্তির কবলে ইস্টবেঙ্গলও, কী কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনোয়ার আলি (Anwar Ali) বিতর্কে জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। জানা গিয়েছে, ভারতীয় এই ডিফেন্ডারকে চার মাসের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে। শাস্তি হয়েছে ইস্টবেঙ্গলেরও। আগামী দু’টি ট্রান্সফার উইন্ডোয় কোনও ফুটবলার সই করাতে পারবে না লাল-হলুদ শিবির। এই শাস্তিকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে বলা হচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল ও দিল্লি এফসিকে দুটো ট্রান্সফার উইন্ডোতে ব্যানের পাশাপাশি, আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। 

    আনোয়ারের দলবদল নিয়ে বিতর্ক

    চলতি মরশুম শুরুর আগে থেকেই আনোয়ারের (Anwar Ali) দলবদল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। দিল্লি এফসি থেকে গত মরশুমে লোনে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টে সই করেন আনোয়ার আলি। চলতি মরশুমের আগে তিনি ইস্টবেঙ্গলে সই করেন। অভিযোগ, নিয়ম ভেঙে আনোয়ার আলিকে সই করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ বার ট্রান্সফার মার্কেট উত্তাল হয়েছিল। বিষয়টি গড়ায় প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি পর্যন্ত। সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা ও প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল আনোয়ার ও মোহনবাগানের। সেই বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানানো হয়েছিল, পাঞ্জাবের ফুটবলার যে প্রক্রিয়ায় মোহনবাগানের সঙ্গে লোন চুক্তি ভেঙেছেন, তা অনৈতিক। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি। 

    আরও পড়ুন: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দাপটে শুরু! চিনের পর জাপান, হকিতে অপ্রতিরোধ্য ভারত

    আইএসএল-এর প্রথমে নেই আনোয়ার

    ভারতের হয়ে ২২টি ম্যাচ খেলা আনোয়ার (Anwar Ali) ২০২১ থেকে দিল্লি এফসি-র ফুটবলার। তবে লোনে তিনি খেলেন গোয়া এবং মোহনবাগানের হয়ে। এই বছর ইস্টবেঙ্গলে সই করেন আনোয়ার। কিন্তু আপাতত চার মাসের জন্য নির্বাসিত ভারতীয় ডিফেন্ডার। এই ব্যান শুরু হবে আইএসএল-এর আসন্ন মরশুমের প্রথম ম্যাচ থেকে। তবে চাইলে আনোয়ার তাঁর শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করে ফিফার কাছে যেতে পারেন। এ প্রসঙ্গে  আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ও আনোয়ার আলিকে। মোট ১২ কোটি ৯০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে দুই পক্ষকে। এই টাকা পাবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। এই বিষয়ে ইস্টবেঙ্গলের ও দিল্লি এফসির কাছে রাস্তা আছে। সূত্রের খবর, লাল হলুদ আইনি পথে হাঁটতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    RG Kar Incident: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা থেকে পদ্মা পার, ঘটি-বাঙালের লড়াই, ইলিশ না চিংড়ি এ সব তর্ক এখন ঊর্ধ্বে। ডার্বির ময়দানে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের গলায় একটাই স্বর, ‘বিচার চায় আরজি কর’। কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সবুজ মেরুন বা লাল-হলুদ সমর্থকদের এক সুর ‘ডার্বি নিয়ে লড়াই নাই, আরজি করের বিচার চাই’। রবিবার যুবভারতীতে হওয়ার কথা ছিল ডুরান্ড ডার্বির। যদিও আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসকরে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত শহরে ডার্বি বাতিল করে দেয় পুলিশ। তবুও যুবভারতীর বাইরে প্রতিবাদের ঝড় তুলল ফুটবল প্রিয় বাঙালি। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহমেডান সমর্থকদের প্রতিবাদে চার ঘণ্টার বেশি অবরুদ্ধ হয়ে থাকল বাইপাস। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে খেতে হল পুলিশের লাঠি। সমর্থকদের বাঁচাতে এগিয়ে এলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে ইস্ট-মোহন বা মহামেডান সমর্থকদের পুলিশের হাত থেকে বাঁচালেন কল্যাণ।

    সমর্থকদের পাশে কল্যাণ

    রবিবার যুবভারতী সংলগ্ন এলাকায় যখন দুই দলের সমর্থক ও পুলিশের মধ্য বচসা চলছে তখনই ঘটনাস্থলে পৌঁছন সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার সভাপতি কল্যাণ চৌবে। কল্যাণ জানান,  সমর্থকদের দাবিকে সমর্থন জানাতেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। পুলিশের ভূমিকার তীব্র নিন্দা করেন তিনি। কল্যাণ বলেন, ‘‘সমর্থকদের দাবিকে সমর্থন জানাতেই এখানে এসেছি। পুলিশ কী বলবে? যে ১০টা ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়েছি। কেন? তাঁরা ফুটবল খেলা দেখতে এসেছিলেন। ফুটবল খেলা দেখায় কী অপরাধ আছে? আমি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে। ফুটবল খেলা দেখার জন্য কাউকে অ্যারেস্ট হতে দিতে পারব না।’’ 

    স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ

    এদিন পুলিশের ভূমিকার বিরোধিতা করে ফেডারেশন সভাপতি জানান, টা স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ। স্বাধীনতার আগে বা পরে এ রকম প্রতিবাদ কখনও হয়নি। ডার্বির অপেক্ষা সবাই করে থাকে। ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে খেলোয়াড়, সদস্য-সমর্থক সবাই এই ম্যাচের অপেক্ষা করে থাকেন। এই জন্যে আজ সবাই এগিয়ে এসেছেন। লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন, সাদা-কালো সবাই এক হয়ে গিয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ মোটেই ভাল কাজ হল না। পতাকা নিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলছিল। সমর্থকদের কথায়, এদিন ফেডারেশন সভাপতি যা করেছেন তা এক কথায় প্রশংসনীয়। একজন বলেন, ‘‘ওনাকে ধন্যবাদ, উনি আজ সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কোনও সমর্থককে গ্রেফতার হতে দেননি। কার্যত পুলিশের প্রিজন ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন কল্যাণ। ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের কোনও দলের সমর্থককেই গ্রেফতার হতে দেননি।’’  

    শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের বাধা 

    রবিবাসরীয় বিকেলে বৃষ্টির মধ্যেই তিলোত্তমার হয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন অগণিত সমর্থক। বিকেল ৪টে থেকে যুবভারতীর বাইরে অল্প অল্প করে জমায়েত শুরু হয়। পুলিশ আগে থেকেই তৈরি ছিল। গার্ডরেল দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল সমর্থকদের আটকাতে। মিছিল বড় হতেই পুলিশ আটকায়। মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকেরা প্রশ্ন তুলছিলেন, যদি নিরাপত্তার দাবি তুলে ডার্বি বাতিল করা হয়, তা হলে প্রতিবাদ আটকাতে এত পুলিশ মোতায়েন করা হল কেন? এর থেকে কম পুলিশে তো ডার্বি হয়ে যেত? আসলে কি পুলিশ তথা রাজ্য সরকার ভয় পেয়েছিল? সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ডুরান্ড ডার্বির গ্যালারি জুড়ে যদি আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ-পোস্টার দেখা যেত সারা ভারতে, তাহলে তা সরকারের পক্ষে ভালো হত না, বলা বাহুল্য। তাই কি সংগঠকদের ওপর ম্যাচ বাতিল করার চাপ দেওয়া হয়েছে? এমনই সব প্রশ্ন তুলেছেন দুই প্রধানের সমর্থকরা।

    ডার্বির ময়দানে সরকার-বিরোধী স্লোগান

    বাঙালি দুই ভাগ হয়ে যায় ডার্বির লড়াই নিয়ে। ফিফার বিচারেও ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানের ম্যাচ এশিয়ার অন্যতম সেরা ফুটবল দ্বৈরথ। তবে রবিবারের (১৮ অগস্ট) ডার্বি এক নতুন ছবির জন্ম দিল। এদিন আর কেউ লাল-হলুদ নয়, সবুজ-মেরুন নয়, সব রঙ মিশে গেল প্রতিবাদের রঙে। কেউ বললেন, ‘তুমি আমি একই স্বর, জাস্টিস ফর আরজি কর’, কেউ বললেন, চিংড়ি-ইলিশ এক স্বর, জাস্টিস ফর আরজি কর, ‘ঘটি বাঙাল দিয়েছে ডাক, তিলোত্তমা বিচার পাক’। প্রতিবাদ মিছিল থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিও উঠল। চেনা স্লোগান, যতবার ডার্বি… একটু বদলে হল, ‘যতবার ডার্বি, স্বৈরাচারী হারবি।’ স্লোগান উঠল, ‘এক হয়েছে বাঙাল-ঘটি, ভয় পেয়েছে হাওয়াই চটি।’ এমনকি, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে কেউ কেউ স্লোগান দিলেন, ‘ইস্ট-মোহনের দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। মিছিল করে হাঁটতে হাঁটতে বিক্ষোভকারীদের এদিন জাতীয় সঙ্গীত গাইতেও দেখা যায়। দেখা যায়, আশেপাশে দাঁড়িয়ে যাঁরা গোটা ব্যাপারটি দেখছিলেন, তাঁরাও জাতীয় সঙ্গীতে গলা মেলান। স্লোগান উঠল ‘ডার্বি কাড়বি কেড়ে নে, মেয়েটাকে ফিরিয়ে দে’, ‘খেলার মাঠ বন্ধ তবে, খেলার বদলে বিচার হবে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durand Derby: আরজি করকাণ্ডের জেরে বাতিল কলকাতা ডার্বি, দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগ

    Durand Derby: আরজি করকাণ্ডের জেরে বাতিল কলকাতা ডার্বি, দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে পড়ুয়া চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তপ্ত শহর থেকে রাজ্য। সারা দেশে প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে। সরকারের গাফিলতি ঠেকাতে তৎপর পুলিশ প্রশাসন। তাই পর্যাপ্ত পুলিশের অভাবে বাতিল হয়ে গেল রবিবারের ডুরান্ড কাপের ডার্বি (Durand Derby)। রবিবারের ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ডার্বিতে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছে পুলিশ। ডার্বির স্রোতে আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার জন্য সুবিচার চাইবেন ভেবেছিলেন ইস্ট-মোহন সমর্থকরা। তাতে বাধ সাধল কলকাতা পুলিশ।

    কেন বন্ধ ডার্বি

    রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে শনিবার ডুরান্ড কাপের আয়োজক কমিটির দফায় দফায় বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, আরজি করকাণ্ডের (RG Kar) জেরে আয়োজকদের সঙ্গে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কর্তাদের বৈঠকে ডার্বি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে ডার্বি (Durand Derby) আয়োজনের ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। বৈঠক এখনও শেষ হয়নি। বড় ম্যাচের সমস্ত টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকেই ডার্বি ম্যাচ বাতিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। পুলিশের অনুমান, আরজি কর ঘটনার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে গ্যালারিতে। যে কারণে বাতিল করে দেওয়া হল ডুরান্ড ডার্বি।

    পুলিশের যুক্তি

    শহরের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুলিশের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়, শহরের বিভিন্ন জায়গায় এত পরিমাণে পুলিশকর্মী দেওয়া হয়েছে, যে ডার্বির (Durand Derby) জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা সম্ভব নয়। আসলে,গত কয়েক দিন ধরে সমাজমাধ্যমে দু’দলের সমর্থকেরাই আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। ফুটবল সমর্থকদের একাংশ আরজি করের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ টিফোর পরিকল্পনা করেছিলেন। কয়েকটি সমর্থক দলের তরফে ঘোষণাও করা হয়, ম্যাচের দিন ব্যানার, টিফোর মাধ্যমে ঘটনার প্রতিবাদ করা হবে। এই ধরনের টিফো পরিস্থিতি জটিল করতে পারে বলেও আশঙ্কা পুলিশ-প্রশাসনের। সব মিলিয়েই রবিবার ডুরান্ডের ডার্বি নিয়ে আপত্তি জানানো হয় পুলিশ-প্রশাসনের তরফে। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডের জের! ডাক্তারদের ওপর হামলা হলেই কঠোর সাজা, আইন আনছে কেন্দ্র

    জামশেদপুরে সরছে অন্য ম্যাচ

    ম্যাচ না হওয়ায় দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান দু’দলই পাচ্ছে এক পয়েন্ট করে। প্রতিযোগিতায় গ্রুপগুলির পয়েন্ট তালিকায় যা অবস্থা, তাতে দু’দলই চলে যাচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালে। বিক্রি হওয়া টিকিটের পুরো টাকা ফুটবলপ্রেমীদের ফেরত দেওয়া হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কলকাতায় প্রতিযোগিতার আর কোনও ম্যাচ হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  শোনা যাচ্ছে জামশেদপুরে ডার্বির (Durand Derby) বাকি ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Kolkata Football League:  শততম বর্ষে কলকাতা ফুটবল লিগ ডার্বি, দাপটে জয় ইস্টবেঙ্গলের

    Kolkata Football League: শততম বর্ষে কলকাতা ফুটবল লিগ ডার্বি, দাপটে জয় ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরশুমের প্রথম ডার্বিতে ২-১ এ হার মোহনবাগানের (East Bengal vs Mohun Bagan)। শনিবার শততম বর্ষে পা দিল কলকাতা ফুটবল লিগের (Kolkata Football League) ডার্বি। পাঁচ বছর পর কলকাতা ফুটবল লিগের ডার্বিতে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হয়েছিল। আর মরশুমের প্রথম ডার্বিতে জিতল লাল-হলুদ। এমনিতেই লিগের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে ছিল, এই জয়ের ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে গেল লাল হলুদ বাহিনী। 

    দুরন্ত ফুটবল ইস্টবেঙ্গলের

    এদিন, ৫০ মিনিটের মাথায় বিষ্ণুর গোলে এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal vs Mohun Bagan)। মাঝমাঠ থেকে সার্থক গলুইয়ের বাড়ানো বল ধরেন বিষ্ণু। তিনি বল রিসিভ করতেই মোহনবাগানের দুজন ফুটবলার কেটে যান। এর পর গোলকিপারকে প্রায় দাঁড় করিয়ে বাঁ পায়ে বল জালে জড়ান বিষ্ণু। ৬৪ মিনিটে গোল করেন জেসিন। পরিবর্ত হিসেবে নেমেই ইস্টবেঙ্গলকে ২ গোলে এগিয়ে দেন তিনি। ৭৬ মিনিটে জঘন্য ফাউল করেন জোসেফ। লাল কার্ড দেখেন। ইস্টবেঙ্গল ১০ জনে খেলে। সেই সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন সুহেল ভাট। মোহনবাগান এক গোল শোধ করে।

    দাপট লাল-হলুদের

    এদিন পুরো ম্যাচেই ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal vs Mohun Bagan) দাপট ছিল দেখার মতো। এদিন প্রথম একাদশে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাখেননি ইস্টবেঙ্গলের কোচ বিনো জর্জ। ফলে লেফট উইং দিয়ে আক্রমণ সেভাবে দানা বাঁধছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সায়নকে নামান বিনো। মাঠে নেমেই মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট রক্ষণে চাপ তৈরি করেন সায়ন। এই চাপে ভেঙে পড়ল সবুজ-মেরুন রক্ষণ।

    মাঠে হাজির কুয়াদ্রাত

    কলকাতা লিগের (Kolkata Football League) প্রথম ম্যাচ জিতে হ্যাটট্রিক করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল, অন্যদিকে প্রথম দুই ম্যাচে ড্র করার পর তৃতীয় ম্যাচে হারতে হল মোহনবাগানকে। ফলে শুরুতেই চাপে পড়ে গেল গঙ্গাপারের ক্লাব। মোহনবাগান সিনিয়র দলের স্প্যানিশ কোচ হোসে মোলিনা এখনও কলকাতায় না পৌঁছলেও কুয়াদ্রাত এসে গিয়েছেন। শনিবার যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন তিনি, জুনিয়র ফুটবলারদের দেখে নিতেই ডার্বিতে হাজির হলেন লাল হলুদের হেডস্যার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ

  • AFC Champions League: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কঠিন পরীক্ষার সামনে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান

    AFC Champions League: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কঠিন পরীক্ষার সামনে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে (AFC Champions League) খেলার ছাডপত্র পেয়েছে কলকাতার দুই প্রধান মোহনবাগান (Mohun Bagan) ও ইস্টবেঙ্গল (ast Bengal)। আইএসএলের লিগ-শিল্ড জেতার সুবাদে মোহনবাগান সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-তে খেলবে। ইস্টবেঙ্গল সুপার কাপ জেতায় তাদের যোগ্যতা অর্জন পর্বে খেলতে হবে। এএফসি চ্যম্পিয়ন্স লিগের কথা মাথায় রেখেই দল গঠন করেছে দুই প্রধান। 

    কবে খেলবে ইস্টবেঙ্গল

    আগামী ১৪ অগস্ট ইস্টবেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (AFC Champions League) প্রাথমিক পর্বের ম্যাচ খেলবে তুর্কমেনিস্তানের আলটিন আসিরের বিরুদ্ধে। খেলাটি হবে  কলকাতায় ইস্টবেঙ্গলের ঘরের মাঠে। ওই একই দলের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে তুর্কমেনিস্তান যাবে লাল হলুদ। প্রায় ১১ বছর পর ইস্টবেঙ্গল ফের এএফসি টুর্নামেন্ট খেলবে। ২০১২ সালে ফেডারেশন কাপ জিতেছিল লাল হলুদ এবং ২০১৩ সালে এএফসি কাপে শেষবার অংশগ্রহণ করেছিল। এরপর শুধুই ব্যর্থতা আর অন্ধকার অধ্যায়। কিন্ত সুপার কাপ জিতে ফের এশিয়ার সেরা মঞ্চে ইস্টবেঙ্গল। 

    ইস্টবেঙ্গলে দিমিত্রিয়স 

    এএফসি-র কথা মনে রেখেই চলতি মরশুমে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) সই করাল দিমিত্রিয়স দিয়ামানতোকোসকে। আইএসএলের সোনার বুট জয়ী স্ট্রাইকার দু’বছরের জন্য লাল হলুদ জার্সি পরছেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের হয়ে গত দু’বছরে ৪৪টি ম্যাচ খেলেছেন গ্রিসের এই স্ট্রাইকার। ২৮টি গোল করেছেন। ২০১২ সালে নিজের দেশ গ্রিসের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ দলে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন দিমিত্রিয়স। এই বিষয়ে কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত বলেছেন, “দিয়ামানতোকোসের যোগদানে দলের আক্রমণ ভাগ শক্তিশালী হবে। আমাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তাঁকে আমরা রাজি করাতে পেরেছি। একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব থাকলেও দিয়ামানতোকোস ইস্টবেঙ্গলকেই বেছে নিয়েছেন।” গত মরশুমে ক্লেটন সিলভার উপর নির্ভর করেছিল ইস্টবেঙ্গল। গোল করার প্রকৃত বক্স স্ট্রাইকার ছিল না। নতুন মরশুমে সেই অভাব দূর হল দিয়ামানতোকোসের যোগদানে। লাল হলুদ জার্সি পরার সুযোগ পেয়ে খুশি গ্রিসের এই স্ট্রাইকার। তাঁর কথায়,”প্রত্যেকেই জানে ইস্টবেঙ্গল এশিয়ার সবচেয়ে বড় সমর্থক পুষ্ট ক্লাব। আমি সেই দলের হয়ে খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। দলের সাফল্যের জন্য নিজেকে নিংড়ে দেব।”

    কবে খেলবে মোহনবাগান

    মোহনবাগানের বিপক্ষ দল ঠিক না হলেও তারাও লড়বে এশিয়ার মহা শক্তিধর দেশের ক্লাব দলের বিরুদ্ধে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (AFC Champions League) মূল পর্ব শুরু হবে। তাই সবুজ-মেরুনের প্রতিপক্ষ জানতে আর একটু অপেক্ষা করতে হবে সমর্থকদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: মোহনবাগানের পথ কঠিন! ৩২ সেকেন্ডে গোল করেও ওড়িশার বিরুদ্ধে হার ইস্টবেঙ্গলের

    ISL 2023-24: মোহনবাগানের পথ কঠিন! ৩২ সেকেন্ডে গোল করেও ওড়িশার বিরুদ্ধে হার ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিগের শীর্ষে থাকা ওড়িশার বিরুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার পরেও জেতা হল না লাল-হলুদের (ISL 2023-24)। ওড়িশার বিরুদ্ধে ৩২ সেকেন্ডে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আইএসএলে সেটাই ইস্টবেঙ্গলের দ্রুততম গোল। কিন্তু জয় অধরাই থেকে গেল। ২-১ গোলে ওড়িশার কাছে হেরে আইএসএ প্লে-অফ থেকে ছিটকে গেল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ শিবিরের হতাশা দেখা গিয়েছে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যেও। আইএসএলে ওড়িশার বিপক্ষে এই ম্যাচ ইস্টবেঙ্গল জিতলে পয়েন্ট তালিকায় লাভ হতো মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের।

    ইতিহাস গড়েও জয় অধরা

    বৃহস্পতিবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচ শুরু হতেই সকলকে চমকে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। পিভি বিষ্ণু ৩২ সেকেন্ডের মাথায় একক দক্ষতায় দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেও তাঁর এই মনে রাখার মতো গোল দলের কাজে এল না। ৪০ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা আনেন ওডিশার দলের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড দিয়েগো মরিসিও ও ৬১ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে গোল করে দলকে জয় এনে দেন ম্যাচের সেরা ফুটবলার মিডফিল্ডার প্রিন্সটন রেবেলো। ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডারদের ভুল কাজে লাগিয়েই এই দু’টি গোল পায় ওডিশা এফসি।

    প্লে-অফের পথ কঠিন

    এই ম্যাচ হারের ফলে ইস্টবেঙ্গলের সামনে সমূহ বিপদ। গত ম্যাচে জিতে ছ’নম্বর জায়গাটার দৌড়ে তারা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার ওড়িশার কাছে হেরে তাদের সেরা ছয়ে যাওয়ার রাস্তা ফের বেশ কঠিন হয়ে গেল। তাদের পরবর্তী তিনটি ম্যাচ এফসি গোয়া, মোহনবাগান এসজি ও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে। পরের তিন ম্যাচেই তাদের সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ। এই তিন ম্যাচে অসাধ্য সাধন করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামতে হবে ক্লেটন সিলভাদের। সেই চ্যালেঞ্জ জিততে পারলে তবেই তাদের প্লে-অফে জায়গা পাকা হতে পারে। 

    মোহনবাগানেরও শক্ত লড়াই

    বৃহস্পতিবার ম্যাচে চলতি লিগের দশ নম্বর জয় পেয়ে ১৭ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের শীর্ষেই রয়ে গেল সের্খিও লোবেরার দল। শনিবার পাঞ্জাব এফসি যদি মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে হেরে যায়, তা হলে সে দিনই প্লে-অফে জায়গা পাকা করে ফেলবে ওড়িশা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। তারা ১৬টা খেলে ৩২ পয়েন্ট পেয়েছে। এরপর রয়েছে মোহনবাগান। ১৫ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট তাদের। ওড়িশার বিপক্ষে যদি ইস্টবেঙ্গল জিতত তাহলে মোহনবাগানের কাছে সুযোগ থাকত মার্চের প্রথম দিনেই তালিকায় শীর্ষে উঠে যাওয়ার।

    মোহনবাগান ১ মার্চ তাদের ১৬তম ম্যাচ খেলতে নামবে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচটা জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ৩৩। আর কলিঙ্গবাহিনী যদি ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারত তাহলে তাদের পয়েন্ট হত ৩২। সেক্ষেত্রে শীর্ষে উঠে যেত মোহনবাগান। যদি ওড়িশা ড্র করত, তাহলে তাদের পয়েন্ট হতো ৩৩। সেক্ষেত্রে দেখা হত গোল পার্থক্য। কিন্তু এখন জামশেদপুর এফসিকে হারাতে পারলে মোহনবাগান দ্বিতীয় স্থানে উঠে যাবে। তবে মোহনবাগান শীর্ষে উঠতে না পারলেও তারা ওড়িশার থেকে একটা ম্যাচ কম খেলেছে। ফলে একটা সুযোগ থাকবে সবুজ-মেরুনের। সেক্ষেত্রে বাকি ম্যাচগুলোতে জিতলে লিগ তালিকার শীর্ষে উঠতে পারবে মোহনবাগান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share