Tag: East Bengal

East Bengal

  • ISL 2023-24: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জয়, আইএসএলে প্লে-অফের আশা টিকিয়ে রাখল ইস্টবেঙ্গল

    ISL 2023-24: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জয়, আইএসএলে প্লে-অফের আশা টিকিয়ে রাখল ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ে ফিরল ইস্টবেঙ্গল। সোমবার ঘরের মাঠে তারা হারিয়ে দিল চেন্নাইয়িন এফসি-কে। ১-০ ব্যবধানে জিতে আইএসএলে প্লে-অফে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখল লাল-হলুদ। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের একমাত্র গোল করেন চেন্নাইয়েরই ভূমিপুত্র নন্দকুমার। আইএসএলের প্রথম ছয়ে থাকাই লক্ষ্য কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাতের। এই ম্যাচ জিতে ইস্টবেঙ্গল তালিকায় আটে চলে এল বেঙ্গালুরুকে টপকে।

    আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ

    শেষ ম্যাচে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ৮১ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও ২-১ ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। যার ফলে প্লে অফে যাওযার পথে জোর ধাক্কা খেতে হয়েছিল কার্লোস কুয়াদ্রাতের দলকে। সেই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে কিছুটা ঘুড়ে দাঁড়াল লাল-হলুদ ব্রিগেড। দিন ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ চলে খেলা। ম্যাচর শুরুতেই ফ্রি কিক পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে ক্লেইটন গোলের মুখ খুলতে পারেননি। এরপরও ক্লেইটন, নন্দকুমার, ফোর্বসরা কয়েকবার গোলের কাছে চলে গিয়েছিল। সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে ওঠে ফারুক-সাংওয়ানরা। কিন্তু লাল-হলুদ রক্ষণকে ভাঙতে পারেনি। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় গোল শূন্যভাবে।

    জিততেই হত ইস্টবেঙ্গলকে

    দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি বদল ইস্টবেঙ্গলের খেলায় পরিবর্তন আনে। কোচ নামান নিশু কুমারের বদলে মন্দার রাও দেশাইকে। ফেলিসিও ব্রাউনের জায়গায় নামলেন বিষ্ণু। রাকিপের পরিবর্তে নবাগত প্যান্টিচ। তাতেই আরও আক্রমণ করেছে নন্দকুমার, সিলভারা। ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে একাধিক গোলে জিতলে কোচ ও ফুটবলাররাও আরও খুশিতে থাকতেন। কিন্তু গোল মিস করার প্রবণতা ও আসল সময়ে রক্ষণে কাঁপন কোচকে বাকি ম্যাচেও চিন্তায় রাখবে। প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে ইস্টবেঙ্গলকে এই ম্যাচে জিততেই হত। কারণ এর পরে টানা চারটি কঠিন ম্যাচ খেলতে চলেছে তারা। ওড়িশা, গোয়া, মোহনবাগান এবং কেরলের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। লিগের পয়েন্ট তালিকায় প্রথম পাঁচের মধ্যে রয়েছে সবক’টি দল। এর মধ্যে মোহনবাগান বাদে বাকি সবক’টি বাইরের মাঠে খেলতে হবে লাল-হলুদকে। ফলে সবই কঠিন লড়াই। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জয় কিছুটা হলেও উদ্বুদ্ধ করবে লাল-হলুদ শিবিরকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISL East Bengal: কঠিন হল সুপার সিক্সের লড়াই, এগিয়ে থেকেও হার ইস্টবেঙ্গলের

    ISL East Bengal: কঠিন হল সুপার সিক্সের লড়াই, এগিয়ে থেকেও হার ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএল-এ ব্যাকফুটে ইস্টবেঙ্গল (ISL East Bengal)। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত পরপর ২টি ম্যাচ জিততে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবারও সেই ধারা অব্যাহত। হায়দ্রাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে জয় পাওয়ার পর জামশেদপুর এফসি-র কাছে ১-২ হেরে গেল কার্লোস কুয়াদ্রাতের দল। এই হারের ফলে ১৫ ম্যাচ খেলে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে আইএসএল-এ ৮ নম্বরে লাল-হলুদ। ফলে সুপার সিক্সের লড়াই অত্যন্ত কঠিন হয়ে গেল লাল-হলুদের পক্ষে। ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী ম্যাচ ২৬ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়িন এফসির বিরুদ্ধে।

    শুরু থেকেই ছন্দহীন

    জেআরডি টাটা স্পোর্টস কমপ্লেকে এদিনের ম্যাচে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল না ইস্টবেঙ্গল (ISL East Bengal)। লাল হলুদ জার্সি গায়ে এদিন প্রথম ম্যাচটি খেললেন আলেকজান্ডার প্যান্টিচ। তবে তেমন নজর কাড়তে পারলেন না। নন্দ কুমার গোল করলেও তাঁর এবং নওরেম মহেশের খেলা খুশি করতে পারেনি লাল হলুদ ভক্তদের। মহেশ বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেন। সেই সুযোগ নষ্টেরই খেসারত দিতে হয় দলকে। ঘরের মাঠে শুরু থেকে দাপট দেখায় জামশেদপুর এফসি। ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার হাভিয়ের সিভেরিও এখন জামশেদপুর এফসিতে। প্রাক্তন দল ইস্টবেঙ্গলকে প্রবল চাপে রাখেন সিভেরিও। শুরু থেকে গোলের সুযোগও বেশি তৈরি করেছে খালিদ জামিলের প্রশিক্ষণাধীন জামশেদপুর।

    প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলকে (ISL East Bengal) কার্যত খুঁজে পাওয়া যায়নি। শেষ দিকে জামশেদপুরের ভুলে তারা গোল দিয়ে এগিয়ে যায়। সেই গোল এবং দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক সুযোগ তাদের তিন পয়েন্ট এনে দিতেই পারত। কিন্তু ৮০ মিনিটে জামিলের তিন পরিবর্তন কাজে লাগল। নিখিল বারলা, তাচিকাওয়া এবং স্টেভানোভিচকে নামিয়ে দেন। পরের মিনিটেই বারলার পাস থেকে হেডে সমতা ফেরান তাচিকাওয়া। তবে জয়সূচক গোল মানজোরোর। এই ফুটবলারই আগের ম্যাচে পঞ্জাব এফসি-র বিরুদ্ধে দু’টি ফ্রিকিক পেয়ে দু’টিতেই গোল করেছিলেন। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধেও তার অন্যথা হল না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: শীর্ষে ওঠার সুযোগ মোহনবাগানের সামনে, ছয় নম্বরে চলে আসতে পারে লাল-হলুদ

    ISL 2023-24: শীর্ষে ওঠার সুযোগ মোহনবাগানের সামনে, ছয় নম্বরে চলে আসতে পারে লাল-হলুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন কোচ হাবাসের হাত ধরে ঘুৱে দাঁড়িয়েছে মোহনবাগান। ১৪ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছেন দিমিত্রি পেত্রাতোস, শুভাশিস বসুরা। গত বারের আইএসএল চ্যাম্পিয়নদের ঘিরে ফের স্বপ্ন দেখা শুরু সবুজ-মেরুন জনতার। অন্যদিকে, আইএসএলে শেষ ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। দুই হারের পরে ফের জয়। একটি জয়ই বদলে দিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে।  ইস্টবেঙ্গলের পাখির চোখ এখন জামশেদপুর ম্যাচ। গত ম্যাচে তিন পয়েন্ট পাওয়ায় সুপার সিক্সে যাওয়ার দৌড়ে চলে এসেছে ইস্টবেঙ্গল। 

    মোহনবাগানের প্রস্তুতি

    চেনা ছন্দে ফিরেছে সবুজ-মেরুন।  লিগ জেতার দাবিদার হয়ে উঠেছে মোহনবাগান। সামনে শুধু ওড়িশা এফসি। হাবাসের হাতে পড়তেই চেনা মোহনবাগানকে দেখা যাচ্ছে মাঠে। স্প্যানিশ কোচের অনুশাসনে ভাল খেলছে দল। কাকে কখন দরকার, কাকে কোথায় দরকার সেটাও তিনি জানেন। শনিবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ। নর্থ ইস্ট ম্যাচ জেতার পর ফুটবলারদের দুদিনের ছুটি দিয়েছেন হাবাস। ওড়িশাকে হারালে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে যাবে মোহনবাগান। ১৫ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ওড়িশা। ১৪ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে ২ নম্বরে বাগান। গত ৩ ফেব্রুয়ারি বড় ম্যাচে আনোয়ারের মতোই চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন ব্রেন্ডন হ্যামিল। এরপর তিনটি ম্যাচ কেটে গেলেও মাঠে নামা তো দূর সবুজ মেরুনের স্কোয়াডেও জায়গা করে নিতে পারেনি এই বিদেশি ‌ডিফেন্ডার। ফলে হ্যামিল না থাকায় রক্ষণে চাপ বাড়ছে। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে একা খেলছেন হেক্টর। সম্ভবত ওড়িশা ম্যাচেও তারকা বিদেশির সার্ভিস পাবে না দল।

    ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতি

    আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি জামশেদপুরের ঘরের মাঠে খেলা ইস্টবেঙ্গলের। তিন দিন আগেই জামশেদপুর পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। সোমবারই হায়দরাবাদ থেকে জামশেদপুরে পৌঁছেছে ইস্টবেঙ্গল। সেখানেই দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন নতুন বিদেশি ডিফেন্ডার সার্বিয়ার আলেকজান্ডার পান্তিচ। হোসে পার্দোর পরিবর্তে তাঁকে নেওয়া হয়েছে। পার্দো, ডিফেন্স ও মিডফিল্ড দু’জায়গাতেই সাবলীল ছিলেন। কোচ পার্দোকে দলের পরিস্থিতি অনুযায়ী কখনও রক্ষণে, কখনও মাঝমাঠে ব্যবহার করেছেন। পার্দোও নিজের সেরাটাও দিয়েছেন। সেই একই কাজটা করতে হবে পান্তিচকে। জামশেদপুর ম্যাচে কার্ড সমস্যা কাটিয়ে দলে ফিরবেন নাওরেম মহেশ সিং, লালচুংনুঙ্গা। পূর্ণশক্তির দল নিয়ে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে নামতে পারবে ইস্টবেঙ্গল। ১৪ ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট ১৫। জামশেদপুরকে হারালে হবে ১৮। ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের আগের দিন খেলা রয়েছে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। প্রতিপক্ষ গোয়া এফসি। নর্থ ইস্ট হারলে আর ইস্টবেঙ্গল জিতলে ১৫ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে চলে আসবে লাল-হলুদ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: অপরাজিত গোয়াকে হারিয়ে আইএসএল-এ তিন নম্বরে মোহনবাগান

    ISL 2023-24: অপরাজিত গোয়াকে হারিয়ে আইএসএল-এ তিন নম্বরে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) জয়ের নৌকা এগিয়ে চলেছে। বুধবার, গোয়ার মাঠেই চলতি আইএসএল-এ (ISL 2023-24) অপরাজিত গোয়াকে হারায় মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় সবুজ-মেরুন। এই জয়ের ফলে লিগ টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এল কলকাতার শতাব্দী প্রাচীন দলটি। 

    সুযোগ সন্ধানী পেত্রোতাস

    আইএসএলে (ISL 2023-24) প্রথম বার হারল এফসি গোয়া। ১২টি ম্যাচের মধ্যে আটটি জিতেছিল। ড্র করেছিল দু’টিতে।  বুধবার মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের (Mohun Bagan Super Giant) বিরুদ্ধে হেরে যায় তারা। খেলার ৭৪ মিনিটের মাথায় গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। সেই গোলেই জয় সবুজ মেরুনের। পেত্রাতোসের গোলটা যদিও হয় গোয়ার রক্ষণের ক্ষণিকের ভুলে। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে পেত্রাতোসের পায়ে তুলে দেন গোয়ার গোলরক্ষক। সুযোগ কাজে লাগান মোহনবাগানের সুযোগ সন্ধানী স্ট্রাইকার। ম্যাচের শুরুর দিকে চাপ তৈরি করছিল গোয়া। মোহনবাগান রক্ষণে বার বার আক্রমণ করছিলেন কার্লোস মার্তিনেসেরা। কিন্তু সেই আক্রমণ বার বার ধাক্কা খাচ্ছিল শুভাশিস বসুদের রক্ষণে। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলহীন ভাবেই। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা পাল্টে যায় খেলা। আক্রমণের ঝাঁঝ বৃদ্ধি করে মোহনবাগান। জয়সূচক গোল ও পায় তারা।

    লিগ টেবিলে কে কোথায়

    আইএসএলে (ISL 2023-24) মোট ১২টি দল খেলে। লিগে প্রতিটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে দু’টি করে ম্যাচ খেলবে। একটি নিজেদের মাঠে, অন্যটি প্রতিপক্ষের মাঠে। অর্থাৎ প্রতিটি দল ২২টি করে ম্যাচ খেলবে। মোহনবাগান খেলেছে ১৩টি ম্যাচ। ফলে এখনও লিগের অনেক খেলাই বাকি। ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে মোহনবাগান রয়েছে তিন নম্বরে। শীর্ষে থাকা ওড়িশার ১৫ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানে এফসি গোয়া। ১৩ ম্যাচে পেয়েছে ২৮ পয়েন্ট। ইস্টবেঙ্গল রয়েছে দশম স্থানে। ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট তাদের। আইএসএলে টানা ছ’টি ম্যাচে জয়হীন লাল-হলুদ ব্রিগেড। শনিবার হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে খেলবে ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগান খেলবে নর্থইস্ট এফসি-র বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: ছন্দে মোহনবাগান, ছন্নছাড়া ফুটবল ইস্টবেঙ্গলের! আইএসএলে দুই দলের ভিন্ন চিত্র

    Mohun Bagan: ছন্দে মোহনবাগান, ছন্নছাড়া ফুটবল ইস্টবেঙ্গলের! আইএসএলে দুই দলের ভিন্ন চিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাল কাটল ইস্টবেঙ্গলের, ফের পুরনো ছন্দে সবুজ মেরুন। শনিবার আইএসএলে খেলা ছিল দুই প্রধানের। অ্যাওয়ে ম্যাচে নর্থ ইস্টের কাছে ৩-২ গোলে পরাস্ত হয় ইস্টবেঙ্গল। হঠাতই যেন হারিয়ে গেল লাল হলুদ। এদিন তাঁদের খেলা দেখে হতাশ সমর্থক থেকে স্বয়ং কোচ কুয়াদ্রাতও। অন্যদিকে নতুন কোচ হাবাসের মন্ত্রে যেন ফের চাঙ্গা হয়ে উঠেছে গত বারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। এদিন স্বদেশি ও বিদেশি ফুটবলারের মেলবন্ধনে পুরনো ছন্দে দেখা যায় সবুজ-মেরুনকে। এদিন হায়দ্রাবাদ এফসি-কে ২-০ গোলে হারায় মোহনবাগান।

    দুরন্ত মোহনবাগান

    শনিবার রাতে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে হায়দরাবাদ এফসিকে ২-০ গোলে হারাল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। এদিন ম্যাচে ১২ মিনিটের মাথায় অনিরুদ্ধ থাপার গোলে ১-০ এগিয়ে যায় মোহনবাগান। কর্ণার থেকে ভাসানো বল হায়দরাবাদের একেবারে গোলমুখে পেয়ে যান অনিরুদ্ধ। বল জালে জড়িয়ে দিতে ভুল করেননি তিনি। তিন মিনিট পরেই কামিন্সের সামনে গোলের সুযোগ চলে এসেছিল, তিনি তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বাইরে মারেন। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমেই মনবীর সিংয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে তা জালে জড়িয়ে দেন বিশ্বকাপার জেসন কামিংস। ১২ ম্যাচে নিজেদের সাত নম্বর জয় তুলে নেয় মোহনবাগান এবং লিগ টেবিলের চার নম্বরে উঠে আসে।

    হারিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল

    সুপার কাপ এবং কলকাতা ডার্বিতে যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল, তার সঙ্গে কোনও মিলই ছিল না শনিবারের খেলায়। এত খারাপ রক্ষণ ইস্টবেঙ্গলের খেলায় সাম্প্রতিক কালে দেখা যায়নি। প্রথম দু’টি গোলই হয়েছে রক্ষণের ভুলে। ওখানেই ফোকাস নড়ে যায় ইস্টবেঙ্গলের। প্রথম ১৪ মিনিটেই দু’গোলে পিছিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। চার মিনিটেই গোল করে নর্থইস্টকে এগিয়ে দেন টমি জুরিচ। এরপর ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডারদের এড়িয়ে হালকা টাচে গোল করেন নেস্টর। দু’গোলে পিছিয়ে পড়ে ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। ২৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন ক্লেটন। তিনি পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না।

    ৫৩ মিনিটে একটি গোল শোধ করে ইস্টবেঙ্গল। ক্লেটন পাস দেন নন্দকুমারকে। তিনি বক্সে ঢুকে পড়েন এবং ঠান্ডা মাথায় নর্থইস্ট গোলকিপার মিরশাদ মিচুকে পরাস্ত করে গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে ফের গোল করেন জুরিচ। ৮২ মিনিটে আরও একটি গোল শোধ করে ইস্টবেঙ্গল। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে পরাস্ত হয় লাল-হলুদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: আবেগের কাছ হার মানলেন রেফারি! আইএসএল ডার্বি ড্র, কী বলছেন দুই কোচ?

    East Bengal vs Mohun Bagan: আবেগের কাছ হার মানলেন রেফারি! আইএসএল ডার্বি ড্র, কী বলছেন দুই কোচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু-বার পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেছে সবুজ মেরুন। ড্র করেই মাঠ ছেড়েছে মোহনবাগান। খুশি কোচ আন্তোনিও হাবাস। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে প্রথম বার ডার্বি থেকে পয়েন্ট ঘরে তুলেছে ইস্টবেঙ্গল। শনিবার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত বড় ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং ইস্টবেঙ্গল এফসি দুই দলই ২-২ গোলে ড্র করে। 

    কোচ কুয়াদ্রাতের আস্থা

    শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু যে গোলে সমতা ফিরিয়েছে মোহনবাগান তা নিয়ে একেবারেই খুশি হতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে কুয়াদ্রাত বলেন, “আমাদের কাছে গোলের কয়েকটা পরিষ্কার সুযোগ এসেছিল। আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। নন্দকুমারের সুযোগটা গোল করা উচিত ছিল। আমরাই তিন পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিলাম।”  বলেছেন, “আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই খেলছিলাম। প্রথম থেকেই গোল করার চেষ্টা করছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত সাউল চোট পেয়ে গেল। একটা বিদেশিকে হারালে তার প্রভাব ম্যাচে পড়েই। কিন্তু বাকি ফুটবলারেরা দারুণ খেলেছে। আমরা ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছি অনেকটা সময়।”

    না-পসন্দ হাবাসের

    রেফারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ মোহনবাগানও। সবুজ মেরুন কোচ বলেন, ‘এত সময় নষ্টের পর মাত্র ৭ মিনিট অতিরিক্ত দেওয়া হল। অন্তত ১২-১৪ মিনিট দেওয়া উচিত ছিল। আর ইস্টবেঙ্গলকে যেটা পেনাল্টি দেওয়া হল, ওটা মোটেও পেনাল্টি ছিল না।’ দলের ড্রয়ে শুরুর ধাক্কাও ভুলছেন না হাবাস। বলছেন, ‘চোটের জন্য শুরুতেই আনোয়ারকে তুলে নিতে হল। দ্বিতীয়ার্ধে ব্রেন্ডন হ্যামিলকেও পরিবর্তন করতে হল।’ 

    শনিবাসরীয় কলকাতা ডার্বিতে দুই দলের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেল। ম্যাচের শুরুতেই ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অজয় ছেত্রী। তবে মাত্র ১৭ মিনিটে সেই গোল শোধ করলেন মোহনবাগানের আলবেনিয়ান স্ট্রাইকার আর্মান্দো সাদিকু। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ইস্টবেঙ্গল অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যায়। দীপক টাংরির ভুলে পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। আর ৫৫ মিনিটে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন লাল-হলুদ অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা। তবে শেষ মুহূর্তে দিমি পেত্রাতোসের গোলে মুখ রক্ষা হয় মোহনবাগানের।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বির আগে সরগরম ময়দান! আজ ফের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান

    East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বির আগে সরগরম ময়দান! আজ ফের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে আজ, শনিবার বড় ম্যাচ। কলকাতা ডার্বিতে সরগরম ময়দান। লিগ তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ। কয়েক কদম এগিয়ে রয়েছে মোহনবাগান। দলে ফিরেছেন জাতীয় দলে খেলা সাত ফুটবলার। সাহাল সামাদ, অনিরুদ্ধ থাপা প্রথম একাদশে থাকতে পারেন। সঙ্গে মনবীর সিংহও রয়েছেন। আশিস রাই খেলতে পারবেন না। তবে আনোয়ার আলি এবং সাহালকে নিয়ে সমস্যা নেই। ম্যাচের আগে কঠোর অনুশীলন করেছে দুই দল। কোনওভাবেই হার মানতে নারাজ কোনও পক্ষ।

    কী বললেন ইস্টবেঙ্গল কোচ

    শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই কুয়াদ্রাত বললেন, “ইস্টবেঙ্গল একটা বড় ক্লাব। এত সমর্থক তাদের। অনেক দিন পরে ক্লাব একটা ট্রফি জিতেছে। সমর্থকেরা আনন্দ করার একটা সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার জিততে পারলে ওরা আবার আনন্দ করতে পারবেন। এখন ওঁরা গর্বিত। এখন ওঁরা অন্য ক্লাবের সমর্থকদের সামনে গিয়ে গর্ব করে বলতে পারবেন, আমরাও চ্যাম্পিয়ন।” অন্য ক্লাব বলতে, তিনি যে মোহনবাগানকে বুঝিয়েছেন তা বলাই যায়। বড় ম্যাচ জয়ের পর পরের ম্যাচে হার মানতে হলে ভাল লাগবে না। এ বিষয়ে সাবধানী কোচ বলেন, “বড় ম্যাচের পর ঠোক্কর খাওয়ার কথা জানি। এমনিতে কোনও একটা ট্রফি জিতে পরের ম্যাচেও ঠোক্কর খাওয়ার কথাও জানি। ২০১৯ সালে বেঙ্গালুরুর হয়ে আইএসএল জেতার পর সুপার কাপে আই লিগের একটা দলের কাছে হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফুটবলারদের মনঃসংযোগ ঠিক রাখাই আমার কাজ। ওরা আইএসএলের জন্য তৈরি। আরও একটা কঠিন ম্যাচ খেলতে নামবে। আমাদের কাছে তিন পয়েন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ।”

    মোহনবাগান কোচের দাবি

    সুপার কাপে হারের কথা ভুলে নতুন লক্ষ্য নিয়ে শুরু কলকাতা ডার্বি। দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মোহন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। মোহনবাগানের কোচ হিসাবে প্রথম ম্যাচেই কড়া পরীক্ষার মুখে হাবাস। তিনি বলেন, “কোনও ম্যাচে হারার কথা ভেবে খেলতে নামি না। মনে রাখবেন, আমি এখনও ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারিনি। ট্রফির জন্য লড়াই করতে নামলে সব ম্যাচে জয়ের কথা ভেবেই নামতে হয়।” জাতীয় দলে থাকা সাত ফুটবলার ফিরেছেন। অতীতে মোহনবাগানকে কোচিং করানো হাবাস মেনে নিচ্ছেন, আগের বারের থেকে ভারতীয় ফুটবলারদের অনেক উন্নতি হয়েছে। বলেছেন, “গত বারের থেকে এ বার ভারতীয় ফুটবলারের মান ভাল হয়েছে। বিশেষত মোহনবাগানের কথা বলব। অনেকেই জাতীয় দলের হয়ে ভাল খেলেছে। আমাদের দলটা খুবই ভাল। অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার রয়েছে।”


    ম্যাচের আগে নিজেকে চাপে ফেলতে চাইছেন না হাবাস। তাঁর কথায়, “নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। কাল আমাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। আমাদের ফোকাসে শুধু কালকের ম্যাচে। ডার্বির আগে নিজের উপরে চাপ কমানোর চেষ্টা করছি। সব সময়েই আমার লক্ষ্য থাকে দলকে সেরা ফর্মে রাখা। এত বড় ম্যাচের আমরা নিজেদের সব রকম ভাবে তৈরি রাখছি। জানি যে আমরা বিপক্ষের থেকে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে। কিন্তু অন্য দল নিয়ে নয়, আমি ভালবাসি নিজের দলকে নিয়ে ভাবতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। এক যুগ পর আবার ট্রফি নিয়ে শহরে ফিরল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। সুপার কাপে টিমকে চ্যাম্পিয়ন করলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। সোমবার বিকেলে লাল-হলুদ টিম কলকাতায় পা দিতেই শুরু হয়ে গেল মাত্রাছাড়া উৎসব। বিমানবন্দরের রঙ লাল-হলুদ। টিমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য় লাল-হলুদ আবির, স্মোকবম্ব,পতাকায় ছেয়ে দেওয়া হয় বিমানবন্দর। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকরা। প্রায় হাজার দশেক সমর্থক ভিড় করেছিলেন বিমানবন্দরে। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় কুয়াদ্রাত, ক্লেটন, গিলদের। অবশেষে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশি তৎপরতায় এক-একজনকে এসকর্ট করে বের করে নিয়ে আসা হয় বিমানবন্দর থেকে।

    লক্ষ্য ডার্বি

    সবেমাত্র সুপার কাপ জয় করেছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু, এখন দলের আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই। কারণ সামনেই আবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ডার্বি। জয়ের আনন্দেও ডার্বি ম্যাচের চিন্তা লাল-হলুদের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতের। তিনি বলেন, “মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য আমাদের একেবারে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা আপাতত খুব ভালো পারফরম্যান্স করছি। অনেকদিন পর আমরা আবার জিততে পেরেছি। তবে এরপর কলকাতায় ঘরের মাঠে মোহনবাগানের সামনে আমদের লড়াই যে কঠিন হবে, সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। ডার্বি ম্যাচে জয়লাভ করা সত্যিই খুব কঠিন। তবে আমরা এই ম্য়াচটা জেতার আপ্রাণ চেষ্টা করব।”

    ক্লাব তাঁবুতে বিশৃঙ্খলা

    সোমবার সন্ধ্যায় ইস্টবেঙ্গল মাঠের উৎসব ক্ষণিকেই মিলিয়ে গেল। সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর ক্লাব কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার অভাবে দ্রুত উৎসব শেষ করতে বাধ্য হলেন ক্লাব কর্তারা। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল মাঠে পা রাখেন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। তার চার মিনিট আগে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার (নিতু) সুপার কাপ ট্রফিটি নিয়ে গিয়ে রাখেন সাজানো চারটি টেবিলের মাঝখানে। কোচের পিছু পিছুই মাঠে ঢোকেন ক্লেটন সিলভা, সৌভিক চক্রবর্তী, সাউল ক্রেসপোরা। ব্যস! অমনি দেখা যায় র‌্যাম্পার্টের দিকের কর্নার ফ্ল্যাগের সামনে দিয়ে কিছু ইস্টেবঙ্গল সমর্থক মাঠে ঢুকছেন। কয়েক সেকেন্ডের ম‌ধ্যে তা যেন গ্যালারিতে সংক্রামিত হয়ে যায়। কেউ ফেন্সিং টপকান, তো কেউ উচ্ছ্বাসের ঠেলায় গ্রিলে লাগানো পলকা তালা ভেঙে দেন। বাঁধ ভেঙে যায়। কুয়াদ্রাতদের ঘিরে ফেলেন কয়েক হাজার ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। কোনওরকমে কেক কেটে উৎসবে ইতি টানেন কর্তারা। তবে চার মিনিটের মধ্যে ইস্টবেঙ্গল টিম মাঠ থেকে তাঁবুতে চলে গেলেও আবেগের উদযাপন চলতেই থাকে। আতসবাজি, আবিরে দোল-দীপাবলী একাকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় স্তরে ১২ বছর পর  ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সুপার কাপের ফাইনালে ৩-২ গোলে ওড়িশার বিপক্ষে জয়লাভ করে লাল-হলুদ শিবির। মশাল জ্বলে সমর্থকদের ঘরে ঘরে। ওডিশার হয়ে গোল করলেন দিয়েগো মরিশিও এবং জাহু। আর ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটি করে গোল করেন নন্দকুমার এবং সাউল ক্রেসপো এবং অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা।

    কোচের পছন্দে নতুন প্লেয়ার

    ইস্টবেঙ্গল সুপার কাপ জেতার দিনেই লাল-হলুদ থেকে সরে যাওয়া নিশ্চিত হল বোরহা হেরেরার। ইস্টবেঙ্গল থেকে লোনে এফসি গোয়া দলে যোগ দিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্প্যানিশ বোরহার বদলে আর এক স্প্যানিশ ফুটবলারকে সই করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। গত বছর তিনি খেলেছেন আমেরিকার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস), যে লিগে এখন খেলেন লিয়োনেল মেসি, লুই সুয়ারেসরা। বোরহার মতোই তিনি মিডফিল্ডার। কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত এই ফুটবলারকে বেছে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    রবিবার সুপার কাপের ফাইনাল ম্যাচে কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল ওডিশা এফসি’র বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন দিয়েগো মরিশিয়ো। প্রথমার্ধে ওড়িশা ১-০ গোলে লিড নিয়ে নেয়। ৫২ মিনিটে ম্য়াচে সমতা ফেরান নন্দকুমার। মহেশ তাঁর দিকে গোল করার জন্য বলটা একেবারে সাজিয়ে দিয়েছিলেন।

    ৬২ মিনিটে ম্যাচের স্কোর কার্ড ২-১ করে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বোরহাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ফাউল করে মোর্তাদা ফল। সেকারণে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে পেনাল্টি দেওয়া হয়। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে বিন্দুমাত্র ভুল করলেন না সাউল ক্রেসপো। ম্যাচের একেবারে শেষবেলায় পেনাল্টি পায় ওড়িশা। সমতা ফেরান জাহু। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অবশেষে ১১০ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ক্লেইটন সিলভা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan vs East Bengal: মোহনবাগানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে সুপার কাপের শেষ চারে ইস্টবেঙ্গল

    Mohun Bagan vs East Bengal: মোহনবাগানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে সুপার কাপের শেষ চারে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলিঙ্গ সুপার কাপে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ৩-১ গোলে গুঁড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। পৌঁছে গেল সুপার কাপের সেমিফাইনালে। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল মোহনবাগান। লাল-হলুদ মশালে পুড়ে খাক হয়ে গেল পালতোলা নৌকা। ০-১ থেকে ৩-১ গোলে জিতলেন কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেরা। জোড়া গোল করেন ক্লেইটন সিলভা। একটি গোল করেন নন্দকুমার।

    মশাল জ্বলল সুপার কাপে

    এদিন চলতি মরসুমের তৃতীয় ও বছরের প্রথম ডার্বিতে মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড কাপে দুটো ডার্বি হয়েছিল। ডুরান্ডে গ্রুপ পর্বের ডার্বি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। টানা আটটি ডার্বি হারের পর অবশেষে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল লাল-হলুদ শিবির। ডুরান্ড ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান (East Bengal vs Mohun Bagan)। বদলা নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সবুজ মেরুন। এ বার যেন ইস্টবেঙ্গলের বদলার পালা ছিল। মরসুমে তিনটির মধ্যে দুটো ডার্বি জিতল ইস্টবেঙ্গল।

    প্রথম সারির সাত ফুটবলার না থাকার ফল টের পেল সবুজ-মেরুন। সব বিদেশি থাকা সত্ত্বেও ইস্টবেঙ্গলকে টেক্কা দিতে পারল না তারা। অগস্টে ডুরান্ড কাপের গ্রুপ পর্বের পর সেই প্রতিযোগিতারই ফাইনালে মোহনবাগানের কাছে হেরেছিল ইস্টবেঙ্গল। আবার ডার্বিতে জিতল তারা। ইস্টবেঙ্গলের জয়ের নায়ক ক্লেটন সিলভা। জোড়া গোল করলেন তিনি। অপর গোলটি করেন নন্দকুমার। মোহনবাগানের গোলদাতা হেক্টর ইয়ুস্তে। ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকে মোহনবাগান। প্রথম গোলও দেয় সবুজ মেরুন। কিন্তু তারপর থেকেই যেন বদলে যায় ইস্টবেঙ্গল। গোল শোধ করতে মাত্র পাঁচ মিনিট নেয় তারা। গোল পেয়ে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গলের খেলা। মোহনবাগানের মাঝমাঠ ক্রমশ ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে। আর খেলায় ফিরতে পারেনি তারা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share