Tag: East Bengal

East Bengal

  • Mohun Bagan: শহরে এলেন কোচ হাবাস, সুপার কাপের শেষ চারে যেতে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে 

    Mohun Bagan: শহরে এলেন কোচ হাবাস, সুপার কাপের শেষ চারে যেতে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় ম্যাচের তিনদিন আগে কলকাতা এসে গেলেন মোহনবাগান (Mohun Bagan) কোচ আন্তনিও লোপেজ হাবাস (Antonio Lopez Habas)। মঙ্গলবার দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। কলিঙ্গ সুপার কাপের ডার্বি শুক্রবার। তার আগে টিমের সঙ্গে হাবাসের যোগ দেওয়া নিশ্চিত ভাবেই মনোবল বাড়াবে সবুজ-মেরুন শিবিরের। সুপার কাপের (Super Cup) সেমিফাইনালে পৌঁছতে হলে ডার্বি জিততেই হবে মোহনবাগানকে। অন্যদিকে  ডার্বি ড্র হলেই শেষ চারে চলে যাবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। 

    ডার্বিতে সুবিধা জনক জায়গায় ইস্টবেঙ্গল

    সুপার কাপে এখনও পর্যন্ত মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল  দু’দলই নিজেদের দু’টি ম্যাচ জিতেছে। ফলে দু’দলেরই পয়েন্ট ৬। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার ডার্বিতে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে যে দল জিতবে তারা যাবে সুপার কাপের সেমিফাইনালে। সহজ হিসাব। কিন্তু ম্যাচ ড্র হলে সেমিফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল। সুপার কাপের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপের দু’দলের পয়েন্ট সমান থাকলে দেখা হয় গোলপার্থক্য। দু’দলেরই গোলপার্থক্য সমান (২)। অর্থাৎ, ডার্বি ড্র হলে গোলপার্থক্য একই থাকবে। তখন দেখা হবে কোন দল বেশি গোল করেছে। আর সেখানেই এগিয়ে লাল-হলুদ। গ্রুপের দুই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল গোল করেছে ৫টি। গোল খেয়েছে ৩টি। ফলে গোলপার্থক্য ২। অন্য দিকে মোহনবাগান গোল করেছে ৪টি। খেয়েছে ২টি। ফলে তাদেরও গোলপার্থক্য ২। যদি ডার্বি ড্র হয় তা হলে বেশি গোল করার নিরিখে মোহনবাগানকে টপকে সুপার কাপের সেমিফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল। 

    আরও পড়ুন: চিন্তায় রাখলেন রোহিত-বিরাট! শিবম-যশস্বীর দাপটে সিরিজ ভারতের

    মোহন-শিবিরে যোগ দিচ্ছেন হাবাস

    কার্যত কোচ ছাড়াই সবুজ-মেরুন সুপার কাপের প্রথম দুটো ম্যাচ খেলেছে। সহকারী কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা টিম সামলেছেন। প্রথম ম্যাচে শ্রীনিদি ডেকানকে ২-১ হারিয়েছিল টিম। পরের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসিকে একই স্কোরলাইনে হারিয়েছে। পর পর দুটো ম্যাচ জেতায় মনোবল তুঙ্গে টিমের। হাবাস যোগ দিলে ডার্বির ছকও সাজিয়ে নিতে পারবেন। সুপার কাপের এই গ্রুপ নিশ্চিত ভাবে কঠিন। গ্রুপ থেকে একটিই টিম যাবে সেমিফাইনালে। মোহনবাগানের কাছে ডার্বি যে কারণে খুব গুরুত্বপূর্ণ।  কলকাতার দুই বড় টিমের পয়েন্ট সমান। এমনকি গোল পার্থক্য দুই টিমের সমান। কিন্তু গোল করার নিরিখে এগিয়ে লাল-হলুদ। তাই কিছুটা হলেও ডার্বিতে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Super Cup 2024: পিছিয়ে পড়েও জয় দিয়েই সুপার কাপ অভিযান শুরু মোহনবাগানের

    Super Cup 2024: পিছিয়ে পড়েও জয় দিয়েই সুপার কাপ অভিযান শুরু মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গলের মতোই জয় দিয়েই সুপার কাপ (Super Cup 2024) অভিযান শুরু করল মোহনবাগান। মঙ্গলবার কলকাতার দুই প্রধানের দিনটা মন্দ গেল না। নিজেদের প্রথম ম্যাচে কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে শ্রীনিধি ডেকানকে ২-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। প্রথমে পিছিয়ে পড়েছিল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। সেখান থেকে দলকে টেনে তুললেন জেসন কামিংস ও আর্মান্দো সাদিকু। দুই বিদেশির গোলে পালে হাওয়া লাগল বাগানের। ম্যাচের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন আশিস রাই।

    পিছিয়ে পড়ে প্রত্যাবর্তন

    এদিন খাতায়-কলমে শক্তিশালী মোহনবাগানের বিরুদ্ধে শুরুটা ভাল করে শ্রীনিধি। তারাই বেশি আক্রমণ করতে থাকে। বাগানকে প্রথম ধাক্কা দেয় শ্রীনিধিই। ২৭ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে লালরোমাওয়াইয়াকে ফাউল করেন সুমিত রাঠি। পেনাল্টি পায় শ্রীনিধি। গোল করেন উইলিয়াম অলিভিয়েরা। গোল খাওয়ার পরে শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। ৩৯ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরান কামিংস। অভিষেক সূর্যবংশীর শট বারে লেগে ফেরে। ফিরতি বল জালে জড়িয়ে দেন কামিংস। দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল শুরু করে বাগান। ৭১ মিনিটের মাথায় সাদিকুর গোলে ২-১ এগিয়ে যায় মোহনবাগান।

    কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে সরিয়ে দেওয়ার পরে এদিন প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান। নতুন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস এখনও দলের সঙ্গে যোগ দেননি। তাই কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে শ্রীনিধি ডেকানের বিরুদ্ধে কোচের দায়িত্ব সামলান সহকারী কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডা। আগামী ১৪ জানুয়ারি, অর্থাৎ রবিবার সুপার কাপে (Super Cup 2024) এ-গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মোহনবাগান মাঠে নামবে হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে। একই দিনে ম্যাচ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলেরও।

     

    আরও পড়ুন: ক্লেটনের জোড়া গোল, সুপার কাপে জয় দিয়ে শুরু ইস্টবেঙ্গলের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Super Cup 2024: ক্লেটনের জোড়া গোল, সুপার কাপে জয় দিয়ে শুরু ইস্টবেঙ্গলের

    Super Cup 2024: ক্লেটনের জোড়া গোল, সুপার কাপে জয় দিয়ে শুরু ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয় দিয়ে সুপার কাপে (Super Cup 2024) যাত্রা শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে হায়দ্রাবাদ এফসিকে ৩-২ গোলে হারাল লাল-হলুদ। গোটা ম্যাচে দাপট দেখাল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদের হয়ে জোড়া গোল করলেন ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়ক ক্লেটন সিলভা। একটি গোল সউল ক্রেসপোর। ম্য়াচের সেরা হন ক্লেটন। 

    দুরন্ত ইস্টবেঙ্গল

    তবে এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) যতগুলো সুযোগ নষ্ট করেছে সেগুলো থেকে গোল করতে পারলে সংখ্যাটা আরও বাড়ত। ম্য়াচ জিতে সুপার কাপ শুরু হলেও গোলের সুযোগ নষ্ট করাটা চিন্তায় রাখবে কুয়াদ্রাতকে। ক্লেটন, নন্দকুমাররা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক শুরু করেন। ম্যাচের ৮ মিনিটের মাথায় নন্দকুমারের শট পোস্টে লেগে ফেরে। নইলে প্রথমেই এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল। দু’মিনিট পরে ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে পারেননি ক্লেটন। ৩৩ মিনিটের মাথায় সেই ক্লেটনের গোলেই এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। রাকিপের ক্রসে শরীর ছুড়ে ডান পায়ের টোকায় গোল করেন ক্লেটন। ৪৪ মিনিটের মাথায় গোল শোধ করে হায়দ্রাবাদ। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৩ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে ফের গোল করে ক্লেটন। ৭৭ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় হায়দরাবাদ। সেখান থেকে গোল করে সমতা ফেরান নিম। ৭৯ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া দুর্দান্ত বলে হেড দিয়ে গোল করে স্কোর ৩-২ করেন সাউল ক্রেস্পো। 

    নামছে মোহনবাগানও

    শ্রীনিধি ডেকানের বিরুদ্ধে আজ, মঙ্গলবার মুখোমুখি হবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ম্যাচ শুরু সন্ধ্যে ৭.৩০। সরাসরি সম্প্রচার ও টিভিতে স্ট্রিমিং হবে স্পোর্টস ১৮-এ। এ ছাড়াও ম্যাচটি লাইভ স্ট্রিমিং হবে জিও সিনেমায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: আইএসএল-এর শুরুতেই শীর্ষে মোহনবাগান! কত নম্বরে ইস্টবেঙ্গল? 

    ISL 2023-24: আইএসএল-এর শুরুতেই শীর্ষে মোহনবাগান! কত নম্বরে ইস্টবেঙ্গল? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) প্রথম রাউন্ডের শেষে শীর্ষে মোহনবাগান। দুরন্ত শুরু করেছে সবুজ-মেরুন। মোহনবাগান (Mohun Bagan) দলটিকে দারুণভাবে সাজিয়েছেন কোচ জুয়ান ফেরান্দো। অনবদ্য খেলেছে বাগান জার্সিধারীরা। ঘরের মাঠে সারাক্ষণ চাপে রেখে দিচ্ছে বিপক্ষ দলকে। মাঠের দুটি প্রান্ত ধরে খেলেছে তারা। যদিও দলের রক্ষণ এখনও জমাট নয়। দ্বিতীয় রাউন্ড শুরুর আগে সেদিকেই লক্ষ্য কোচের। 

     শীর্ষে মোহনবাগান

    আইএসএল-এর প্রথম রাউন্ডের সব ম্যাচ হয়ে গিয়েছে। সব দলই একটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ম্যাচ স্থগিত হয়ে যাওয়ায় শুধুমাত্র এফসি গোয়া এবং হায়দরাবাদ এফসি এখনও মাঠে নামেনি। বাকি ১০টি দলের মধ্যে জিতেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট, ওড়িশা এফসি,  কেরল ব্লাস্টার্স এবং মুম্বই সিটি এফসি। ড্র করেছে ইস্টবেঙ্গল এবং জামশেদপুর এফসি। হেরে গিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি, নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড, রাউন্ডগ্লাস পঞ্জাব এফসি এবং চেন্নাইয়িন এফসি। আইএসএলের প্রথম রাউন্ডের শেষে লিগ টেবিলে শীর্ষে রয়েছে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচ ড্র করে লিগ তালিকায় পাঁচ নম্বরে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ওড়িশা এফসি, কেরল ব্লাস্টার্স, মুম্বই সিটি এফসি।

    ডুরান্ড কাপে রক্ষণভাগে প্রভাবিত করা দুই ইস্টবেঙ্গল তারকা লালচুংনুঙ্গা ও জর্ডন এলসের ইস্টবেঙ্গলের হয়ে আইএসএলের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামেননি। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করেছে লাল হলুদ। একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করলেও, গোল করতে ব্যর্থ হয় ইস্টবেঙ্গল। তবে ড্র করলেও কিন্তু দলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত (Carles Cuadrat) বেশ খুশি। একাধিক গোলের সুযোগ হাতছাড়া হলেও, সেটা খেলারই অঙ্গ বলেই মনে করেন কুয়াদ্রাত।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandesh Jhingan: শক্তি বাড়ল ব্লু টাইগার্সদের! জাতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন সন্দেশ

    Sandesh Jhingan: শক্তি বাড়ল ব্লু টাইগার্সদের! জাতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন সন্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসের স্কোয়াডে এ বার সন্দেশ ঝিঙ্গান (Sandesh Jhingan)। সঙ্গে আরও দুই ফুটবলারকে যোগ করা হল। এশিয়ান গেমসের সঙ্গে চলবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগও। প্লেয়ার ছাড়া নিয়ে ক্লাবগুলির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে ফেডারেশনের। তবে জাতীয় দলের (Indian Squad) স্বার্থে এবার ফুটবলারদের ছাড়ার কথা জানাল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)।

    স্কোয়াডের শক্তি বাড়ল

    বুধবার এশিয়ান গেমসের (Asian Games) জন্য চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছিল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সিনিয়র প্লেয়ারদের মধ্যে সেই স্কোয়াডে ছিলেন একমাত্র সুনীল ছেত্রী। ভারতের আক্রমণ ভাগে সুনীলের মতো অভিজ্ঞ প্লেয়ারকে পাওয়ায় স্বস্তি ছিল। কিন্তু চিন্তা ছিল রক্ষণ নিয়ে। সন্দেশ যোগ দেওয়াতে সেই চিন্তা কিছুটা হলেও মিটল। এশিয়ান গেমস মূলত অনূর্ধ্ব ২৩ টুর্নামেন্ট হলেও তিনজন সিনিয়র প্লেয়ার রাখা যায়। প্রত্যাশা ছিল সুনীল ছেত্রী, সন্দেশ (Sandesh Jhingan) ঝিঙ্গান এবং গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধুকে রাখা হবে। ক্লাব ছাড়তে চাইছিল না তাঁদের। বুধবার দল ঘোষণায় দেখা যায়, স্কোয়াডে রয়েছেন সুনীল ছেত্রী। এ দিন যোগ করা হল সন্দেশ ঝিঙ্গানকে। স্কোয়াডে শক্তি বাড়ল। এশিয়ান গেমসের দলে যোগ করা হয়েছে চিংলেনসানা এবং লালচুননুঙ্গাকেও।

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    সাড়া দিল ইস্টবেঙ্গল

    সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে এফএসডিএল-কে অনুরোধ করেছিল এশিয়ান গেমসের পর যাতে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু করা যায়। সেই অনুরোধ যদিও রাখা হয়নি। এশিয়ান গেমস ফিফার নিয়মের আওতায় না থাকায় ক্লাবগুলি প্লেয়ার ছাড়তে বাধ্য নয়। সুতরাং, আলোচনা ছাড়া কোনও পথ ছিল না। একঝাঁক তরুণ ফুটবলারকে পেলেও সিনিয়রদের পাওয়া নিয়ে জটিলতা ছিল। অবশেষে সাড়া দিল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। লাল-হলুদ শিবির থেকে এশিয়ান গেমসের দলে যোগ দিতে চলেছেন লালচুননুঙ্গা।  এ ছাড়া, ফেডারেশনের তরফে নাওরেম মহেশ সিংহের শারীরিক পরীক্ষা চলছে। তাঁকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। গোয়া থেকে দলে যোগ দিচ্ছেন সন্দেশ। আগেই তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গোয়া তাঁকে ছাড়তে রাজি হয়নি। শেষ মুহূর্তে সমস্যার সমাধান হয়েছে। একই জিনিস দেখা গিয়েছে হায়দরাবাদের চিংলেসানার ক্ষেত্রেও। আলোচনার পর সমাধানসূত্র মেলে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Kolkata Derby: লক্ষ্মীপুজোর দিন আইএসএলে কলকাতা ডার্বি! ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা

    Kolkata Derby: লক্ষ্মীপুজোর দিন আইএসএলে কলকাতা ডার্বি! ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে (ISL 2023-24) কলকাতা ডার্বি (Kolkata Derby) ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ দেওয়া হয়েছে ২৮ অক্টোবর। সে দিন লক্ষ্মীপুজো। সে দিনই আবার ইডেন গার্ডেন্সে নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের মধ্যে বিশ্বকাপের ম্যাচ রয়েছে। সে দিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলা আয়োজন করা যাবে কি না তা নিশ্চিত নয় রাজ্য ক্রীড়া দফতর। এর ফলে ম্যাচ পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    মাঠ পাওয়া যাবে না

    মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby)  ইস্টবেঙ্গল হারিয়ে দেয় মোহনবাগানকে। ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে বদলা নেয় মোহনবাগান। এবার আইএসএলের বড় ম্যাচের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা। আইএসএলের মোহন-ইস্ট লড়াইয়ের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ অক্টোবর। স্বাভাবিকভাবেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ম্যাচটি। তবে ওই দিন মাঠই পাওয়া যাবে না। রাজ্যের ক্রীড়া দফতরের সচিব মুকেশ সিংহ জানিয়েছেন, ২৮ অক্টোবর ডার্বি আয়োজন নিয়ে দুই প্রধান চিঠি দিয়েছিল ক্রীড়া দফতরে। জবাবে তিনি মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলকে জানিয়ে দিয়েছেন, দুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত সব দফতরে ছুটি থাকে। তাই ওই সময় যুবভারতী দেওয়া সম্ভব নয়। 

    আরও পড়ুন: পুরোটাই গিমিক! লা লিগার অ্যাকাডেমি করে কি আদৌ লাভ হবে বাংলার ফুটবলের?

    সমস্যা আরও দুটি ম্যাচ নিয়ে

    ওই দিন ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হবে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাংলাদেশ বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচ। ইডেনের ম্যাচের সঙ্গে আইএসএলের (ISL 2023-24) ম্যাচ আয়োজনের কোনও সম্পর্ক না থাকলেও উৎসবের মাঝে ছুটির মেজাজে থাকবে সারা বাংলা। এই সময়ে আরও কয়েকটি ম্যাচ ঘিরে সমস্যা তৈরি হয়েছে। ২১ অক্টোবর সল্টলেকে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা এফসি গোয়ার। সেই দিন আবার দুর্গাপুজোর সপ্তমী। ২৪ অক্টোবর, দশমীর দিন আবার এএফসি কাপে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে খেলা রয়েছে মোহনবাগানের। দু’টি খেলা যুবভারতীতে হওয়ার কথা। পুজোর সময় এই দু’টি ম্যাচ ঘিরেও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    Mohun Bagan vs East Bengal: ডার্বি হেরে মোহনবাগানকে খোঁচা ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের! জবাব ফেরান্দোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডার্বি এবং ডুরান্ড কাপ জিতেও চুপচাপ মোহনবাগানের (Mohun Bagan Super Giant) কোচ জুয়ান ফেরান্দো। শুধুই ঠোঁটের কোণে  হালকা হাসির রেখা।  বাকি সময় শান্ত। এটাই কি সেরা ডার্বি জয়? ফেরান্দোর উত্তর, “এটা বলা যাবে না। কারণ গোটা প্রতিযোগিতাতেই অনেক কঠিন দলের বিরুদ্ধে খেলেছি আমরা। মুম্বই সিটি, এফসি গোয়া, আজ ইস্টবেঙ্গল— কারও বিরুদ্ধেই জেতা সহজ হয়নি। নিজেদের বার বার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে আগেও বলেছি এটা প্রাক মরসুম প্রস্তুতি। খেলোয়াড়েরা চাপের মুখে নিজেদের সেরাটা দিয়েছে। এখনও উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে।”

    কী বললেন কুয়াদ্রাত

    অন্যদিকে, ট্রফি জিততে না পারলেও ক্রমশ হারতে থাকা একটা দলকে সাফল্যের পথ দেখাতে পেরে খুশি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত। ফাইনালে ওঠার জন্য দলের ফুটবলারদের কৃতিত্ব দিলেন তিনি। কুয়াদ্রাতের কথায়, “আমার মনে হয় শেষ বার ইস্টবেঙ্গল কোনও ট্রফি জিতেছে ২০১৯ সালে। তার আগে জাতীয় পর্যায়ের কোনও প্রতিযোগিতায় জিতেছে ২০১২ সালে। তা হলে এত দিন পরে যে একটা প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে পেরেছি আমরা এটাই গর্বের ব্যাপার নয় কি?”এর পরেই পড়শি ক্লাবের উদাহরণ টেনে এনেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। বলেছেন, “যে কোনও প্রোজেক্ট সফল ভাবে দাঁড় করাতে সময় লাগবে। আমরা গত তিন বছর আইএসএল খেলছি। মোহনবাগানও তিন বছর আগে আইএসএলে এসেছে। প্রথম বার ওরা রানার্স হয়েছিল। বেশির ভাগ প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনাল বা ফাইনালে গিয়েই দৌড় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। এত দিন পর ট্রফি জিতেছে। আইএসএলের পর ডুরান্ড কাপ। ওদের কাছে আর্থিক শক্তিও বেশি ছিল। তাতেও ওদের সময় লেগেছে। তাই এই পদক জিতে আমি গর্বিত। অনেকের কঠোর পরিশ্রম জড়িয়ে আছে এই ফলের পিছনে। এখনও অনেক কাজ করতে হবে আমাদের।”

    গোটা দলকে কৃতিত্ব দিলেন ফেরান্দো

    ডুরান্ড কাপে (Durand Cup 2023) ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত (Carles Cuadrat) হয়ে উঠেছিলেন স্বপ্নের সওদাগর। কিন্তু ফাইনাল ল্যাপটা আর পার করাতে পারলেন না তিনি। জ্বলন্ত লাল-হলুদ মশাল নিভিয়ে দিল সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। জুয়ান ফেরান্দোর (Juan Ferando) আইএসএল চ্যাম্পিয়ন টিম জিতল ১৭ নম্বর ডুরান্ড কাপ। গঙ্গাপাড়ের শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের লকাররুমে ঐতিহ্যবাহী ট্রফিটি এনে দিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস (Dimitri Petratos)। তাঁর একমাত্র গোলই মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়ন করে দিল। দশ জনে হয়ে যাওয়ার পরে কোনও দল ডার্বির মতো এত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিতেছে, এমন উদাহরণ খুব বেশি নেই। কয়েক জন ফুটবলারকে বদলেই বাজিমাত করে গেলেন ফেরান্দো। কী বলেছিলেন ফুটবলারদের? স্প্যানিশ কোচের উত্তর, “দলকে একটা কথা সব সময়েই বলি, কঠিন সময়েই নিজেদের সেরাটা বের করে আনতে হবে। রোজ বলার কারণে এ রকম মুহূর্তে কী করতে হবে সেটা ওরা বুঝে গিয়েছে। তাই আমার কাজ ছিল স্রেফ কৌশলের ব্যাপারটা ঠিক রাখা। বাকিটা ফুটবলারেরাই জানত যে কাকে কী করতে হবে। ও রকম পরিস্থিতিতে থেকেও ম্যাচ বের করার জন্য গোটা কৃতিত্ব দলের।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    লাল কার্ডটাই টার্নিং পয়েন্ট

    ডার্বির একমাত্র গোল যাঁর পা থেকে এসেছে, সেই দিমিত্রি পেত্রাতোস ম্যাচের পর আবেগপ্রবণ হয়ে বললেন, “আসলে তখন এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম যে কী করছি নিজেই জানতাম না। মনে হয়েছিল নিজের দলের সমর্থকদের সঙ্গে এই সেলিব্রেশন করা দরকার। তাই ওই দিকে ছুটে গিয়েছি।” ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাতের মতে, অনিরুদ্ধ থাপার লাল কার্ডটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। বলেছেন, “ওদের কাছে প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। একজন ফুটবলার কমে যাওয়ায় ওদের হারানোর কিছু ছিল না। তাই আক্রমণ করা ছাড়া ওদের কাছে উপায় ছিল না। সেটাই করেছে। আমাদের সেই সময় নিজেদের আরও নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার ছিল। সেটা আমরা পারিনি। তবে এর থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষা নিতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    Durand Cup: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। ১-০ গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে কাপ জিতে নিল মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোল শূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলটি করেন দিমিত্রি প্রেত্রাতোস। খেলার ৭১ মিনিটের মাথায় গোলটি করেন মোহনবাগানের ফরওয়ার্ড। খেলা শুরুর চার মিনিটের মাথায় প্রথম কর্নার পায় মোহনবাগান। যদিও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন বাগানি সেনারা। ১৫ মিনিটের মাথায় ফের কর্নারের সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় সবুজ মেরুন। খেলার ৩০ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। যদিও তা আটকে দেয় সবুজ মেরুনের রক্ষণ।

    ইস্টবেঙ্গল ব্যাকের চোট

    এদিকে, ম্যাচের (Durand Cup) প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল ব্যাক এলসে চোট পান। তাঁর বদলে নামানো হয় পার্দোকে। তবে তাতে অবশ্য কাজ হয়নি। প্রথমার্ধ গোলশূন্যই থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে গোলের সুযোগ পায় লাল হলুদ। ৪৭ মিনিটের মাথায় আনোয়ার আলির ব্যাক পাস আর একটু হলেই পেয়ে যাচ্ছিলেন সিভেরিয়ো। তবে বিশাল কাইথ বল বের করে দেওয়ায় গোল আর হয়নি। এদিনের ম্যাচে দু’ বার হলুদ কার্ড দেখানো হয়। একবার দেখানো হয় ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতকে।

    অনিরুদ্ধকে লালকার্ড

    দ্বিতীয়বার দেখানো হয় অনিরুদ্ধ থাপাকে। তাঁকে লালকার্ডও দেখানো হয়। এর পরেই মাঠে লড়াইয়ের দায়িত্ব চলে আসে বাগানের ১০ জনের ঘাড়ে। এর পরেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সবুজ মেরুন। তার সুফলও ফলে অচিরেই। ৭১ মিনিটের মাথায় গোল করে মোহনবাগান। ১-০ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। যদিও বাগানি সেনারা গোল করার পরে পরেই সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেন নন্দকুমার। মহেশের ক্রসে বক্সের ভিতরে ফাঁকা জায়গা থেকে হেড করেন তিনি। যদিও বল সরাসরি লাগে বিশালের হাতে।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, উনিশ বছর পর আজ, রবিবার ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। এদিন বাড়তি জয় গেল সবুজ-মেরুন ঝুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোট ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। পাঁচবার জিতেছে বাগান। দুবার ম্যাচ ছিল অমীমাংসীত, যুগ্ম বিজয়ী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • East Bengal: ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ! ২ গোলে পিছিয়ে ম্যাচ জয় ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal: ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ! ২ গোলে পিছিয়ে ম্যাচ জয় ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ফাইনালে উঠল ইস্টবেঙ্গল। চার বছর আগে, ২০১৯-এ গোকুলাম কেরালা এফসি-র কাছে টাইব্রেকারে হেরেই সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal)। সেই অভিশাপ এবার কাটল লাল-হলুদের। ডুরান্ড কাপে অনবদ্য ছন্দে ইস্টবেঙ্গল। আর আগামী শনিবার এশিয়া কাপে ভারত-পাক মহারণের পর রবিবার কলকাতা ডার্বি দেখার আশায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ক্রীড়াপ্রেমীরা।

    গোছানো ফুটবল, তবু পরাস্ত

    গোটা ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল মোটেও ভালো ফুটবল খেলেনি। বরং নর্থইস্ট অনেক গোছানো ফুটবল খেলেছে। মাঝমাঠের দখল পুরোটাই নিজেদের হাতে রেখেছিল নর্থইস্ট। তারা পরিকল্পনা করে ফুটবল খেলেছে। যার ফলও তারা পেয়েছিল হাতেনাতে। প্রথমার্ধেই ১-০ এগিয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ২-০ করে নর্থইস্ট। ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal) তখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেন না। পার্থিব গোগোই, জিতিন এমএসের মতো ভারতীয় ফুটবলার দলের সম্পদ। থাই লিগে খেলা বিদেশি মেলো ও আক্রমণাত্মক ফুটবলার রোমানও দারুণ ছন্দে ছিলেন। সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাইশ মিনিটে এগিয়ে গেল নর্থ ইস্ট। বাঁদিক থেকে ফাল্গুনীর ক্রসে হেডে গোল করে গেলেন মিগুয়েল। ইস্টবেঙ্গলের ২ ডিফেন্ডার একেবারেই জায়গায় ছিলেন না। ৫৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়াল হাইল্যান্ডর। এবার ফাল্গুনি একক প্রচেষ্টায় দেখার মত একটা গোল করলেন।

    আরও পড়ুন: এশিয়া কাপে ভারত-পাক ম্যাচের পরের দিনই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে বিসিসিআই?

    স্বপ্ন দেখার শুরু 

    ম্যাচের ৭৭ মিনিটে ক্লেটন সিলভার ক্রস থেকে নওরেমের শট দীনেশের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলে ঢুকে যায়। এটা হয় প্রথম টার্নিং পয়েন্ট। আর ম্যাচের ইনজুরি টাইমে জাবাকোর লালকার্ড (ডবল ইয়েলো) হয়ে যায় দ্বিতীয় টার্নিং পয়েন্ট। নর্থইস্ট দশ জন হওয়ার পরের মুহূর্তেই নন্দর গোলে ২-২ করে ফেলে লাল-হলুদ। তখন ইনজুরি টাইমের মিনিট খানেক বাকি। নর্থইস্টের আর কিছু করার ছিল না। খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুট আউটে মিস করলেন নর্থইস্টের পার্থিব। নন্দকুমারের শট জালে জড়াতেই ১৯ বছর পর ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ফাইনালে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল। ভালো খেলেও ছিটকে যেতে হল পাহাড়ের দলটিকে। এবার কোচ কুয়াদ্রাতের হাত ধরে স্বপ্ন দেখার শুরু লাল-হলুদ জনতার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    Kolkata Derby: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ডের শেষ চারে, ফাইনালে কি ফের কলকাতা ডার্বি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্টবেঙ্গল আগেই ডুরান্ড কাপের সেমি ফাইনালে জায়গা পাকা করেছিল। রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে বড় গাঁট মুম্বই সিটিকে হারিয়ে শেষ চারের টিকিট পাকা করেছে মোহনবাগান। এক্ষেত্রে  ১৯ বছর পর ফের ডুরান্ড ফাইনালে মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গলের (Kolkata Derby) লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০০৪ সালে ওই ম্যাচ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল।

    সেমিফাইনালে কার প্রতিপক্ষ কে

    মঙ্গলবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হচ্ছে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। বিশেষজ্ঞদের মতে পাল্লা ভারী কার্লোস কুয়াদ্রতের দলের। আর মুম্বই সিটিকে হারিয়ে টগবগ করছে কামিংসরা। বৃহস্পতিবার সবুজ মেরুন ব্রিগেড শেষ চারে খেলবে গোয়া এফসির বিরুদ্ধে। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে ফাইনালে খেলা উচিত মোহনবাগানের। সেক্ষেত্রে রবিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আরও এক মহারণ দেখার সুযোগ পাবেন ফুটবল প্রেমীরা। উল্লেখ্য, মরশুমের প্রথম ডার্বিতে আন্ডারডগ হয়েও মোহনবাগানকে হারিয়ে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বিশাল বাজেটের টিম নিয়ে জিততে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল মোহন কোচ হুয়ান ফেরান্দোকে। তবে ফাইনালে যদি ফের ইস্ট বেঙ্গলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় মোহনবাগান, তাহলে অবশ্যই বদলা নেওয়ার চেষ্টা করবে ফেরান্দোর ছেলেরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সবকিছু করতে পারি…’’! বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতে আরও কঠোর প্রতিজ্ঞা নীরজের

    কাপ জয়ের হাতছানি

    ইস্ট বেঙ্গল শেষ বার ডুরান্ড জিতেছিল ২০০৪ সালে। সেটাই ছিল শেষ বার। তারপর আর লাল হলুদ ব্রিগেড ফাইনালেই উঠতে পারেনি। মোহনবাগানের অবস্থা আরও খারাপ। ১৯৯৯-২০০০ সালে তারা মাহিন্দ্রা ইউনাইটেডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।  ২০১৯ সলে ফাইনালে উঠলেও খালি হতে ফিরতে হয়েছিল সবুজ মেরুন বাহিনীকে। এবার সেই আপসোস মেটানোর সুযোগ রয়েছে সবুজ-মেরুনের কাছে।।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share