Tag: East Bengal

East Bengal

  • East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    East Bengal: ডার্বি জয়ে ফিরেছে ভাগ্য! ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুটা দেখে মনে হয়নি সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। কিন্তু বড় ম্যাচে মোহনবাগানকে হারানোর পর বদলে যায় সব কিছু। কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেদের মনোবল তুঙ্গে। যার প্রমাণ মিলল আরও একবার। বুধবার গ্রুপ “এ” ম্যাচে রাউন্ড গ্লাস পাঞ্জাব এফসিকে ১-০ গোলে হারালো লাল হলুদ ব্রিগেড। একমাত্র গোলটি করেন জেভিয়ার সিভেরিও।

    ঝুলে মোহনবাগানের ভাগ্য

    ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) শেষ আটে জায়গা পাকা করলেও, ঝুলে রইলো মোহনবাগানের ভাগ্য। কারণ, ডুরান্ড কাপের নিয়ম অনুযায়ী ছটি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। আর গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির মধ্যে সেরা দুটি দল শেষ আটে খেলার সুযোগ পাবে। তাই সবুজ মেরুন ব্রিগেডকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দল গুলির দিকে।

    আরও পড়ুন: ২৫ অগাস্ট থেকেই বিশ্বকাপের টিকিট! জেনে নিন কীভাবে পাবেন

    ম্যাচ-এর রিপোর্ট-কার্ড

    পাঞ্জাবের দলটির বিরুদ্ধে জয় পেলেও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) কিন্তু সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারেনি। প্রথম ১৫ মিনিটে গোল করার একাধিক সুযোগ পেয়েছিল পাঞ্জাবের দলটি। পর পর আক্রমণ আছড়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সে। কিন্তু অধিনায়ক হরমোনজ্যোত খাবরা ও গোলকিপারের প্রচেষ্টায় সেই আক্রমণ সফল হয়নি। তবে প্রাথমিক ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়ায় ইস্ট বেঙ্গল। ২২ মিনিটে পাঞ্জাব এফসি-র বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু পাঞ্জাবের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল বাইরে গেলে কর্নার হয়। সেই কর্নার থেকে হেডে গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন জেভিয়ার সিভেরিও। গোটা ম্যাচে আর গোল হয়নি। তবে দুই দল অনেক সুযোগ পেয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Football: স্বাধীনতা দিবসে নক্ষত্র পতন! প্রয়াত প্রাক্তন ফুটবলার মহম্মদ হাবিব

    Kolkata Football: স্বাধীনতা দিবসে নক্ষত্র পতন! প্রয়াত প্রাক্তন ফুটবলার মহম্মদ হাবিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে নক্ষত্র পতন! প্রয়াত হলেন মহম্মদ হাবিব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হায়দ্রাবাদে নিজের বাড়িতে মৃত্যু হয় এই প্রাক্তন ফুটবলারের (Kolkata Football)। বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায়। ইদানিং ঠিকঠাক কথা পর্যন্ত বলতে পারছিলেন না। ভুলে গিয়েছিলেন সব কিছু। এদিন সন্ধ্যায় হাবিবের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তাঁর মৃত্যু সংবাদ।

    উজ্জ্বল নক্ষত্র

    কলকাতা ময়দানের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হাবিব। ১৯৬৬ সালে হায়দ্রাবাদ থেকে এসেছিলেন কলকাতায়। মাত্র সতের বছর বয়সে তিনি যোগ দেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। এই ক্লাবের হয়ে হাবিব খেলেছিলেন আট বছর। যদিও কলকাতা ময়দানে তাঁর ফুটবল কেরিয়ার (Kolkata Football) আঠারো বছরের। তাই আদতে হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা হলেও, হাবিব হয়ে উঠেছিলেন বাংলার ঘরের ছেলে। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে হাবিব করেছিলেন ১১৩টি গোল। ১৯৭০-৭৪ সালে হাবিব যখন ইস্টবেঙ্গলে ছিলেন, তখন লাল হলুদ শিবির ঘরে তুলেছিল ১৩টি ট্রফি। কলকাতা ডার্বিতে হাবিব করেছেন ১০টি গোল। দশ বছর ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। বাংলার হয়ে খেলেছেন সন্তোষ ট্রফিতেও। হাবিব অর্জুন পুরস্কার পেয়েছেন ১৯৮০ সালে। ২০১৫ সালে তাঁকে ভারত গৌরব সম্মানে ভূষিত করে ইস্টবেঙ্গল।

    ক্ষয়ে যাচ্ছিল স্মৃতি শক্তি

    গত কয়েক বছর ধরে হাবিব ভুগছিলেন স্নায়ুর রোগে। ক্রমেই ক্ষয়ে যাচ্ছিল স্মৃতি শক্তি। ইদানিং আর চিনতে পারছিলেন না কাছের মানুষদেরও। মনে করতে পারছিলেন না ময়দান কাঁপানো তাঁর বিখ্যাত সেই সব শটের (Kolkata Football) কথা। কথা জড়িয়ে যাচ্ছিল। হাঁটাচলাও করতে পারছিলেন না। হাবিবের চিকিৎসায় এগিয়ে আসে ইস্টেবেঙ্গল ক্লাব। ক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রথমে সাহায্য করা হয় এক লক্ষ টাকা। এর পরেও করা হয়েছে সাহায্য।

    আরও পড়ুুন: আয়ারল্যান্ড উড়ে গেল টিম ইন্ডিয়া, তরুণ দলে কারা রয়েছেন জানেন?

    কলকাতা ময়দান হাবিবকে চেনে ‘বড়ে মিঞা’ নামে। এমন অনেক ম্যাচ, যেখানে তাঁর সতীর্থরা চাপে থাকতেন, তখনও হাবিব থাকতেন দিলখুশ। সতীর্থ ফুটবলারদের অভয় দিয়ে বলতেন, “ময়দান মে চলো, ওহি দেখ লেঙ্গে।” বস্তুত, হাবিব যখন যে দলে ছিলেন, সেই দলই ঘরে তুলেছে সোনার ফসল। তবে ফুটবলার হিসেবে মাঠের সবুজ ঘাস দাপিয়ে বেড়ালেও, কোচ হিসেবে ততটা সাফল্য পাননি হাবিব। বেশ কয়েকবার মহমেডান ক্লাবের কোচ (Kolkata Football) হলেও, পাননি কাঙ্খিত সাফল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    Durand Derby: সাড়ে চার বছর পরে ডার্বি জয়! মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ডার্বি জিতল ইস্ট বেঙ্গল। ডুরান্ড কাপে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল লাল হলুদ ব্রিগেড। ম্যাচের নায়ক নন্দকুমার শেখর। সাড়ে চার বছর পর নন্দকুমারের গোলে ডার্বি জয় লাল হলুদ শিবিরের। এর আগে টানা আটটি ডার্বি জিতেছিল মোহনবাগান। ম্যাচের শুরু থেকেই তাগিদ স্পষ্ট ছিল ইস্টবেঙ্গলের। মোহনবাগান অনেকবার পেনাল্টি বক্সের কাছে পৌঁছলেও বক্সের ভিতরে ঢুকতে পারছিল না প্রতিবার। উগো বুমো কয়েকটা শট নেন বক্সের বাইরে থেকেই। ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স বেশ জমাট দেখায় প্রথম থেকেই। উল্টো দিকে, ইস্টবেঙ্গল প্রথমার্ধেই কয়েকবার পৌঁছে গিয়েছিল গোলের কাছে। কখনও ডিফেন্ডাররা বের করে দেন। কখনও কিপার বাঁচান। তবে সাকুল্যে গোলের লক্ষ্যে শট ছিল মাত্র দুটি। মোহনবাগান ১১টা শট নিলেও তার বেশিরভাগই ছিল গোলের বাইরে। 

    ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়

    আবেগের বড় ম্যাচে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অনেকটাই এগিয়ে ছিল সবুজ মেরুন। অন্য দিকে, আন্ডারডগ তকমাই যেন অ্যাডভান্টেজ ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচে কাউকেই এগিয়ে পিছিয়ে রাখা যায় না। এ বারও পরিস্থিতি অন্যথা হল না। সিলেবাসের বাইরে থেকে ইস্টবেঙ্গলের অনবদ্য জয়। শনিবার কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়লাভ করেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ২৭ বছর বয়সি চেন্নাইয়ের ফুটবলার নন্দকুমার শনিবারই প্রথম ডার্বি ম্যাচ খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে তিনি ইস্টবেঙ্গল দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দিলেন। জয়সূচক গোলও সেটাই। ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি জয়ের নায়ক বললেন, “বলে বোঝাতে পারব না। এখানে আসার পর থেকেই সমর্থকদের উৎসাহ চোখে পড়ছে। আর আজকের মত পরিবেশে খেলা তো যে কোনো ফুটবলারের স্বপ্ন।”

    কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচের দিকে নজর দিচ্ছেন বেশি করে। জানালেন, সমর্থকদের জন্য খুব খুশি। গত দু বছর খুব একটা সাফল্য পায়নি ক্লাব তা সত্ত্বেও এই সমর্থন উৎসাহ দিয়েছে খেলোয়াড়দের। কুয়াদ্রাত আরও বলেন, মোহনবাগানের সামনে বড় টুর্নামেন্ট রয়েছে, সে কারণে হয়তো অনেক বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে চেয়েছিল ওরা। আমি শুধু ফুটবলারদের বলেছিলাম কাউন্টার অ্যাটাক আর সেটপিস গুলো কাজে লাগাতে।

    আরও পড়ুন: গোল খেয়ে ধরাশায়ী জাপান! এশীয় হকির ফাইনালে ভারত

    অন্যদিকে , ডার্বিতে হার মেনে নিতে পারছেন না মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত। তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন। আটটা ম্যাচ পর তারা জয় পেল। এটা অত্যন্ত ভালো ওদের জন্য। ম্যাচের পর ম্যাচ একটা দল হারতে পারে না। একদিন না একদিন তো জিততেই হত। ওরা ভালো খেলেছে। আজ অনেক ভালো খেলেছে। আমরা যে খেলা খেলেছি তাতে জেতার যোগ্যতা ছিল না। ওরা অনেক ভালো ফুটবল খেলেছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Kolkata Derby: শনিবার ডার্বিতে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল, লড়াই আদতে দুই স্প্যানিশ কোচের?

    Kolkata Derby: শনিবার ডার্বিতে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল, লড়াই আদতে দুই স্প্যানিশ কোচের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার মহারণ। কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby) মুখোমুখি হচ্ছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। শেষ আটটি ডার্বিতে অবশ্য জয় পেয়েছে মোহনবাগানই। গতবারের চেয়ে এবার দল আরও শক্তিশালী। তাই জয়ের আশাও বেশি মোহনবাগান কর্তাদের। ডার্বি জয়ের ক্ষেত্রে নিজেদের এগিয়েও রাখছেন মোহনবাগানের স্প্যানিশ কোচ জুয়ান ফেরান্দোর। তবে ইস্টবেঙ্গলের আর এক স্প্যানিশ কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাতকেও অবহেলা করছেন না ফেরান্দো।

    ইস্টবেঙ্গলের কাছে সম্মানরক্ষার লড়াই

    শনিবার কলকাতা ডার্বির প্রথম বড় ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গলের কাছে সম্মানরক্ষার লড়াই। কারণ শেষ আটটি ডার্বিতে হেরেছে দল। শুক্রবার কুয়াদ্রাত বলেন, “আমি জানি ইতিহাস আছে ডার্বির। মাঠের পরিবেশ দারুন হবে। প্রচুর সমর্থক আসবেন। আমাদের পুরো দল নেই। এটা প্রাক মরশুম ম্যাচ। ভবিষ্যতের জন্য ভাল করে তৈরি করছি টিমটাকে।” তিনি (Kolkata Derby) বলেন, “মানসিকভাবে এগিয়ে মোহনবাগান। ওরা আটটি ডার্বি জিতেছে। মোহনবাগান এএফসি কাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনেক বেশি পাওয়ার আছে ওদের। চেষ্টা করব ওদের থামানোর। তার ওপর ওরা ৬ পয়েন্টে রয়েছে। আমাদের পয়েন্ট ১। আমাদের নতুন দল, প্রস্তুতি চলছে।”

    “ডার্বি নিয়ে স্টাডি করেছি”

    ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, “ডার্বি নিয়ে স্টাডি করেছি। পুরো দল পাইনি। কাজ করছি আমি। আগামিকাল খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক একটা ম্যাচ হবে। ওদের প্রস্তুতি খুব ভাল হয়েছে। আমাদের ছয় থেকে সাতজন ফুটবলার পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য তৈরি। বাকিদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করতে হবে।” লাল হলুদ কোচ যখন মোহনবাগানকে (Kolkata Derby) সমীহ করছেন, তখন সবুজ মেরুনের কোচ ফেরান্দোর মুখেও ইস্টবেঙ্গল প্রশস্তি। মোহনবাগানের কোচ বলেন, “ইস্টবেঙ্গল ভাল ফুটবলার সই করিয়েছে। বিদেশি এবং ঘরোয়া ফুটবলাররাও ভাল। মন্দারকে গোয়ায় দেখেছি। গতবার মুম্বইয়ে খেলেছে। ইস্টবেঙ্গলের দল বেশ ভাল। এই মুহূর্তে ওদের ছোট করে দেখার দরকার নেই। ওরা দেরিতে শুরু করেছে। তাই সময় লাগবে। পরে কী হয়, দেখা যাক। তবে ডার্বি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। দুই দলই জিততে চায়। আমরাও ডার্বি জিতেই পরের রাউন্ডে যেতে চাই।”

    আরও পড়ুুন: গণপিটুনিতে মৃত্যুদণ্ড, গণধর্ষণে ২০ বছরের জেল, আইনের ভারতীয়করণে নয়া বিল পেশ শাহের

    তিনি বলেন, “ফুটবলাররা যাতে চোট-আঘাত না পান, সেটা শুরু থেকেই দেখতে হবে। সামনে লম্বা মরশুম পড়ে রয়েছে। একটা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ধরে এগোব। ফুটবলারদেরও (Kolkata Derby) সেটা বুঝিয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব সেরা একাদশ তৈরি করে ফেলার চেষ্টা করব। প্রতি ম্যাচে সেরা ফুটবলারদেরই নামাতে চাই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Derby: মরশুমের প্রথম ডার্বি শনিবার! টিকিট নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে, কোন ব্লকের টিকিটের দাম কত?

    Derby: মরশুমের প্রথম ডার্বি শনিবার! টিকিট নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে, কোন ব্লকের টিকিটের দাম কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে মরশুমের প্রথম ডার্বি। মুখোমুখি ইস্ট বেঙ্গল ও মোহন বাগান। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের লড়াই ঘিরে বরাবরের মতো এবারও সমর্থকদের উন্মাদনা তুঙ্গে। বাড়ছে টিকিটের চাহিদা। ডুরান্ড (Durand Cup) কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে টিকিটের দাম। ডুরান্ড কাপে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গল শিবিরের ছবিটা একেবারেই ভিন্ন।

    কোন ব্লকের টিকিটের দাম কত

    যুবভারতীতে বিভিন্ন ব্লকে টিকিটের দাম আলাদা। তবে ১০০ টাকার টিকিটই বেশি। বি১, বি২ ও বি৩ ব্লকে টিকিটের দাম ১০০ টাকা। ডি১, ডি২ ও ডি৩ ব্লকেও ১০০ টাকায় টিকিট পাওয়া যাবে। ঠিক একই ভাবে সি১ ও সি৩ ব্লকেও প্রতিটি টিকিটের দাম ১০০ টাকা। শুধুমাত্র সি২ ব্লকে প্রতিটি টিকিটের দাম ২০০ টাকা করা হয়েছে। ডুরান্ড কাপে দুরুন্ত ছন্দে মোহন বাগান। তারা এখনও অপরাজিত। সেদিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে ইস্ট বেঙ্গল। গত ম্যাচে পাঞ্জাব এফসি তাদের আটকে দিয়েছে। তবে অতীতের পারফরম্যান্স দিয়ে ডার্বির ভবিষৎ নির্ধারণ করতে যাওয়া ভুল। স্নায়ুর চাপ নিয়ে যারা সেরাটা মেলে ধরতে পারবে, তাদের জেতার সম্ভাবনা বেশি।

    আরও পড়ুন: কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রীর! ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে ভারতের ঝুলিতে ২৬টি মেডেল

    দুই শিবিরে দুই ছবি

    টিকিট বণ্টন নিয়ে ক্ষুব্ধ ইস্ট বেঙ্গল। ক্লাবের পক্ষ থেকে ডার্বির টিকিট বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে উদ্যোগী কর্তৃপক্ষ। ডুরান্ড কাপে (Durand Cup) দুরন্ত ছন্দে রয়েছে মোহনবাগান। গ্রুপের প্রথম ম্যাচে স্বদেশী ব্রিগেড নিয়ে সবুজ মেরুন জার্সিধারীরা ৫-০ গোলে বস মানিয়েছিল বাংলাদেশ আর্মিকে। মোহনবাগান জয়ের ধারা অব্যাহত রাখে পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে। যদিও কোচ ওয়ান ফেরান্দো বড় ম্যাচের কথা মাথায় রেখে দলে বেশ কিছু পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি নামিয়েছিলেন হুগো দুমাস দ্বিমিত্রির মত বিদেশীদের। প্রত্যাশা মতোই পাঞ্জাব এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মোহনবাগান যা ডার্বির আগে সবুজ মেরুন ফুটবলারদের মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। উল্টোদিকে ইস্টবেঙ্গল শিবিরের ছবিটা একেবারেই ভিন্ন। যে বাংলাদেশ আর্মিকে মোহনবাগান গোলের মালা পরিয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে জিততে ব্যর্থ হয় লাল হলুদ ব্রিগেড। কারলস কুয়াদরাতে ছেলেরা ড্র করেই মাঠ ছাড়েন। পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে জেতার সুবর্ণ সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। দু গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরেও রক্ষণের ভুলে ম্যাচটি ড্র হয়। পয়েন্ট নষ্ট করে ইস্টবেঙ্গল। স্বাভাবিকভাবেই কার্লোস কুয়াদরাতের ওপর বাড়তি চাপ রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • East Bengal: সাফল্যের স্বপ্ন দেখছে লাল হলুদ ব্রিগেড! ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব পেয়ে গর্বিত কারলেস কুয়াদ্র

    East Bengal: সাফল্যের স্বপ্ন দেখছে লাল হলুদ ব্রিগেড! ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব পেয়ে গর্বিত কারলেস কুয়াদ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু বছরের চুক্তিতে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) কোচ হলেন কারলেস কুয়াদ্র (Carles Cuadrat)। যা লাল হলুদ সমর্থকদের মনে আশার সঞ্চার ঘটিয়েছে। কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব জাতীয় স্তরে কোনও বড় সাফল্য পায়নি। তার উপর ক্লাব ও ইনভেস্টর ঝামেলা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর ইমামী ইনভেস্টর হয়ে স্টিফেন কনস্ট্যান্ট টাইনকে কোচ করেছিল। কিন্তু সাফল্য তো দূরে থাক, আই এস এল এ খুব খারাপ পারফরম্যান্স করে ইস্টবেঙ্গল। তার ফলে হতাশা ক্রমশ বাড়ছিল সমর্থকদের। সেই কারণেই কোচ বদলের পথে হাঁটে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। স্টিফেন কনস্ট্যান্ট টাইনকে আগে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তার চাকরির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। সেইমতো মঙ্গলবার ব্রিটিশ কোচের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই দিনই নতুন কোচ হিসেবে কারলেস কুয়াদ্র-র নাম ঘোষণা করা হয়। 

    কারলেস কুয়াদ্র-এর সাফল্য

    অতীতে কারলেস কোচিং করিয়েছেন বেঙ্গালুরু এফসিতে। ২০১৬ সালে আলবার্ট রোকার সরকারি হিসেবে সুনীল ছেত্রীদের সঙ্গে ভারতের মাটিতে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বেঙ্গালুরু এফসির হেড কোচ ছিলেন কুয়াদ্র। তাঁর কোচিংয়ে ২০১৮-১৯ মরসুমে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বেঙ্গালুরু এফসি। শুধু তাই নয় এএফসি কাপের ফাইনালে বেঙ্গালুরুকে তুলে ভারতীয় ফুটবলে নজির গড়েছিলেন তিনি। সুপার কাপ জয়ী বেঙ্গালুরু এফসি দলের সঙ্গেও ছিলেন কুয়াদ্র। এমনকী তাঁর কোচিংয়ে এএফসি কাপের বাছাই পর্বের ম্যাচে পারো এফ সি কে ৯-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল বেঙ্গালুরুর দলটি। সেবার ও সুনীল ছেত্রীদের হেড স্যারের ভূমিকায় ছিলেন এই কোচ।

    আরও পড়ুন: ভারতের উচ্চতম ফুটবল ময়দান নিয়ে ট্যুইট মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যানের! কোথায় জানেন?

    ২০২১ সালে সাইপ্রাসের একটি ক্লাবে যোগ দেন কুয়াদ্র। পরে সরকারি কোচ হিসেবে ডেনমার্কের একটি দলে যোগ দেন। ফের ভারতে ফিরছেন কুয়াদ্র। ইস্টবেঙ্গলের কোচ হয়ে। হাইপ্রোফাইল এই কোচকে ঘিরে সাফল্যের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে লাল হলুদ ব্রিগেড। কুয়াদ্র বলেছেন, ‘আগামী দু’বছরের জন্য ইস্টবেঙ্গলের কোচ হতে পেরে আমি সত্যিই খুব গর্বিত। ভারতের এত বড় একটা ক্লাব, যারা এত বছরে এতগুলি ট্রফি জিতেছে, তাদের থেকে কোচিংয়ের প্রস্তাব পাওয়া খুব সম্মানের বিষয়। ভারতে ফিরতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। এই দেশটিকে খুব ভালবাসি এবং বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে ভারতে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কোটি কোটি সমর্থকের মুখে হাসি ফেরানোর চেষ্টা করব। কাজ শুরু করার জন্য অপেক্ষা করছি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • East Bengal: ডেঙ্গি এবার ময়দানেও! আক্রান্ত ইস্টবেঙ্গল এফসির অধিনায়ক, হাসপাতালে ভর্তি সৌভিক চক্রবর্তী

    East Bengal: ডেঙ্গি এবার ময়দানেও! আক্রান্ত ইস্টবেঙ্গল এফসির অধিনায়ক, হাসপাতালে ভর্তি সৌভিক চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণ রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়াবহ। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, খাস কলকাতাতেই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজারের বেশি মানুষ। গোটা রাজ্যে সংখ্যাটা ৫০ হাজার  ছুঁইছুঁই! রাজ্যের তুলনায় কলকাতায় পজিটিভি রেট দ্বিগুণ। ডেঙ্গি এবার হানা দিল ময়দানেও। ডেঙ্গি (Dengue) আক্রান্ত হলেন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) অধিনায়ক,দলের নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তী।  চলতি মরসুমে টানা সাতটি ডার্বি হেরেছে লাল হলুদ শিবির। গত পাঁচ ম্যাচে চারটি ম্যাচ হারতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। এর মধ্যে অধিনায়কের অসুস্থতা চিন্তায় ফেলেছে দলকে।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, কেন্দ্রকে পাঠানো রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ রাজ্যের

    দলীয় সূত্রে খবর, ২ দিন আগে জ্বরের উপসর্গ নিয়ে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি ধরা পড়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গেছে। এর আগে, গত বছর গোড়ালিতে চোটের জন্য় ইস্টবেঙ্গল দলে ছিলেন না সৌভিক। এবার কি খেলতে পারবেন? আপাতত বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল অধিনায়কের খেলা অনিশ্চিত। পুজোর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন সৌভিক। 

    আরও পড়ুন: ফের করোনার দাপট ভারতে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬

    শীত পড়তে এখনও বেশ দেরি। তার আগে শহরে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে কলকাতা ও সল্টলেকের তিনজনের মৃত্য়ু হয়েছে। এদিকে জেলাগুলিতেও ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। হাওড়ায় ডেঙ্গি বাড়ছে, হুগলির কিছু এলাকা ক্রমেই ডেঙ্গির হটস্পট হয়ে উঠছে। ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে নবান্নে। তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। জানা গেছে, কলকাতা পুরসভা মাস্টার প্ল্যান তৈরি করছে। এবার থেকে শহরের আনাচ কানাচে কোন বাড়ির চারপাশে আবর্জনা, জল জমছে তা চিহ্নিত করা হবে। ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি চালানো হবে। আক্রান্ত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে মানুষজনকে সচেতন করার কাজ শুরু হবে। কিন্তু কবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Atk Mohun Bagan vs East Bengal: ফের ২-০ গোলে হারল ইস্টবেঙ্গল, ডার্বি জয়ের স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়লেন সবুজমেরুন সমর্থকরা

    Atk Mohun Bagan vs East Bengal: ফের ২-০ গোলে হারল ইস্টবেঙ্গল, ডার্বি জয়ের স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়লেন সবুজমেরুন সমর্থকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই নিয়ে টানা সপ্তম ডার্বি ম্যাচ (Derby match) হারলেন ইস্টবেঙ্গল দল। ২-০ গোলে জিতল মোহনবাগান (Mohun Bagan), এ বারও ভাগ্য ফিরল না ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal)। এবারের ডার্বি যে একতরফা হবে না তা নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ স্টিফেন। কিন্তু  তা সত্ত্বেও অনেক বিশেষজ্ঞ এবছরের আইএসএলের প্রথম ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানকেই এগিয়ে রেখেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের ধারণা যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিল সবুজমেরুণ ফুটবলাররা।
    দু’মাস আগেও অল্পের জন্য হেরে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আইএসএলের ডার্বি ম্যাচে (Derby match) কিছুতেই ভাগ্য বদল হচ্ছে না লাল হলুদের।
    প্রথম ম্যাচে মোহনবাগানের হার দেখে অনেক সমর্থকই শাপশাপান্ত করছিলেন কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। কেন তিনি রয় কৃষ্ণ, ডেভিড উইলিয়ামসকে ছেড়ে দিলেন? গোল করবেন কে? শনিবারের পর থেকে মনে হয় না সেই আওয়াজ আর উঠবে। ফেরান্দো বার বার বলেছেন, তাঁর দলে গোল করার লোক অনেক।
    আজকের ম্যাচের শুরু থেকে দাপট ছিল মোহনবাগানের (East Bengal Vs MohunBagan)। প্রথম ১৫ মিনিট আক্রমণে ঝড় তুলেছিলেন হুগো বুমোসরা। ৫ মিনিটে প্রথম গোল করার সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। বাঁদিক থেকে ঢুকে মাপা মাইনাস করেছিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস।ওভারল্যাপে উঠে আসা শুভাশিসের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর রক্ষণাত্মক মানসিকতা ঝেড়ে ফেলে আক্রমণে উঠে আসে ইস্টবেঙ্গল। ১৫ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত লালহলুদ। বাঁদিক থেকে মহেশ সিং বাঁদিক থেকে মাপা সেন্টার করেন। শরীর বাঁকিয়ে দুরন্ত হেড করেন সেমবই হাওকিপ। বল গোলে ঢোকার মুখে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বাঁচান এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার বিশাল কাইথ। ২৩ মিনিটে জর্ডনকে নিজেদের বক্সের মধ্যে ফেলে দেন এটিকে মোহনবাগানের আশিস রাই। পেনাল্টির আবেদন করেছিলেন জর্ডন। রেফারি শ্রীকৃষ্ণ কর্ণপাত করেননি।
    ম্যাচের ৩১ মিনিটে গোল করার সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে (East Bengal Vs MohunBagan)। হুগো বুমোস বক্সের মধ্যে তিনজনকে ড্রিবল করেও গোলে রাখতে পারেননি। ৪২ মিনিটে বক্সের মধ্যে ক্লেইটন সিলভাকে ফেলে দেন প্রীতম কোটাল। ইস্টবেঙ্গল পেনাল্টি পেতে পারত। রেফারি আবার এড়িয়ে যান। ৪৫ মিনিটে হুগো বুমোস একক প্রচেষ্টায় বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন। কিন্তু তাঁর দুর্বল শট ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার কমলজিতের হাতে চলে যায়। গোলের জন্য জুয়ান ফেরান্দোর অন্যতম ভরসা ছিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। প্রথমার্ধে একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন সবুজমেরুণের এই স্ট্রাইকার। তাঁকে বল ধরার সুযোগ দিচ্ছিলেন না জর্ডন ডোহার্টি। ফলে সবুজমেরুণের গোলও আসেনি।

    [tw]


    [/tw]

    দ্বিতীয়ার্ধে পুরো অন্য ছবি। শুরু থেকেই ইস্টবেঙ্গলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এটিকে মোহনবাগান (East Bengal Vs MohunBagan)। হুগো বুমোসের নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। এরই মাঝে ম্যাচের ৫৬ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার কমলজিতের ভুলে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। ৫৬ মিনিটে অবশেষে সেই কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে অনেকটা এগিয়ে যান হুগো বুমোস। কিরিয়াকু বাধা দিতে এগিয়ে যাননি। ফলে বিনা বাধায় এগিয়ে গিয়ে শট নেন হুগো বুমো। বল কমলজিতের সামনে ড্রপ খেয়ে হাতে লেগে গোলে ঢুকে যায়।

    এগিয়ে গিয়ে মনোবল বেড়ে যায় এটিকে মোহবাগান ফুটবলারদের। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় (East Bengal Vs MohunBagan)। ৬৫ মিনিটে পেত্রাতোসের সঙ্গে ওয়াল খেলে গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছিলেন হুগো বুমোস। একজন লালহলুদ ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে মনবীরের কাছে যায়। তাঁর শট আর এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। পরের দিকে অ্যালেক্স লিমা, এলিয়ান্দ্রোকে নামিয়েও কাজের কাজ হয়নি। ইস্টবেঙ্গলের কাছে একটাই সান্তনা ম্যাচের ইনজুরি সময়ে তুহিন দাসের একটা শট পোস্টে লাগা। যা এটিকে মোহনবাগানে গোলকিপার বিশাল কাইথের হাতে লেগে বল পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়।

    এ দিন ইস্টবেঙ্গল বনাম এটিকে মোহনবাগান ম্যাচ (East Bengal Vs MohunBagan) শুরু হয় সন্ধে ৭.৫০ মিনিটে। ২০ মিনিট পিছিয়ে যায় ম্যাচ। হায়দরাবাদ বনাম গোয়া ম্যাচে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হওয়ার কারণে ম্যাচটি বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ ছিল। এই ম্যাচে দেরিতে শেষ হওয়ায় ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানের ডার্বিও শুরু হতে কিছুটা বেশি সময় লাগে। সম্প্রচারের কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Durand Cup 2022: ঝড়-বৃষ্টি বাধা নয় কোনওটাই! উত্তেজনা তুঙ্গে, ডুরান্ড ডার্বি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়

    Durand Cup 2022: ঝড়-বৃষ্টি বাধা নয় কোনওটাই! উত্তেজনা তুঙ্গে, ডুরান্ড ডার্বি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। আজ, রবিবার সন্ধ্যা ছ’টায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের (Durand Cup 2022) মঞ্চে মুখোমুখি এটিকে মোহন বাগান ও ইমামি ইস্ট বেঙ্গল। প্রায় আড়াই বছর পর কলকাতায় ফিরছে ডার্বি। স্বভাবতই টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে। সরকারিভাবে ডার্বিতে ৬০ হাজার দর্শক উপস্থিতির অনুমতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতেও টিকিটের হাহাকার কমানো যায়নি। ইস্ট-মোহন (Mohun Bagan) দুই শিবিরে টিকিটের জন্য রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষে করে লম্বা লাইন দুই প্রধানের তাঁবুর সামনে। যে ছবি কলকাতা ময়দান দেখতে অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু করোনার ফলে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীরা ঘটি-বাঙালের চিরাচরিত লড়াইয়ের স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিল বহুদিন। শেষ দুই ডার্বি হয়েছিল গোয়ায় আইএসএলে। ক্লোজড ডোরে। আড়াই বছর পর গ্যালারি ভর্তি স্টেডিয়ামে নামবে দুই দল। তাই উত্তেজনা তুঙ্গে। শুধু কলকাতা নয়, শিলিগুড়ি, কোচবিহার সহ জেলার শহর থেকেও সমর্থকদের আগমন ঘটেছে ডার্বি উপলক্ষ্যে।

    শুধু টিকিট পেলেই হবে না, মাঠে ঢুকতে বেশ কিছু নিয়মও মানতে হবে সমর্থকদের। বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দাহ্য প্রদার্থ, সিগারেট, লাইটার, দেশলাই, আতসবাজি, জলের বোতল, বড় ব্যাগ, হেলমেট নিয়ে মাঠে ঢোকা যাবে না। তবে রাখা যাবে মোবাইল, ছাতা

    তবে ডার্বিতে নামার আগে দুই দলের অবস্থা মোটেও ভালো নয়। গ্রুপে দু’টি ম্যাচ খেলেও জয়ের মুখ দেখতে পায়নি মোহন বাগান ও ইস্ট বেঙ্গল। সবুজ-মেরুন ব্রিগেড প্রথম ম্যাচে রাজস্থান এফসি’র কাছে হেরেছিল। ড্র করে পরের ম্যাচে। ইস্ট বেঙ্গল দু’টি ম্যাচেই ড্র করেছে। তাই পরের রাউন্ডে ওঠার ক্ষেত্রে এই ডার্বি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুই প্রধানের কাছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের জবাব দিতেই আজ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের মুখোমুখি ভারত! জেনে নিন কখন, কোথায় দেখবেন ম্যাচ

    ইমামি ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের আশ্বস্ত করতে পারে তাদের মাঝমাঠ। হায়দরাবাদ থেকে আসা অনিকেত যাদব এবং শৌভিক চক্রবর্তী ছন্দেই রয়েছেন। অবাক করেছেন তুহিন দাস। বাঁ দিক থেকে তাঁর উইং ধরে উঠে আসা এবং বল ভাসানো অনেকেরই নজর কেড়েছে। রক্ষণে জেরি লালরিনজুয়ালা এবং লালচুংনুঙ্গা ভরসা দিয়েছেন। মহম্মদ রাকিপকে খেলানো হলে তিনিও ভরসা দিতে পারেন। অন্যদিকে, আপফ্রন্টে প্রতিভাবান কিয়ান নাসিরি, লিস্টন কোলাসো, আশিক কুরুনিয়ানদের বাগান কোচ ব্যবহার করলেও এখনই রয় কৃষ্ণদের বিকল্প হয়ে ওঠার হদিশ দিতে পারেননি। প্ৰথম ম্যাচে রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে হার এবং মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে ড্র-য়ের ম্যাচেই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

    তবে এই ম্যাচের গুরুত্ব অন্যরকম। দল জিতলে সমর্থকরা অতীতের যাবতীয় ব্যর্থতা ভুলে প্রিয় ফুটবলারদের মাথায় তুলে নাচবেন। তাই মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে মোহন বাগান কোচ হুয়ান ফেরান্দো না ইস্ট বেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন, কে কাকে টেক্কা দেন সেটাই দেখার!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Emami East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া ইমামির, নাখুশ সমর্থকদের একাংশ

    Emami East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া ইমামির, নাখুশ সমর্থকদের একাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে মিটল ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) বিনিয়োগ সমস্যা। ইমামি গ্রুপের (Emami Group) সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল ইস্টবেঙ্গল। বুধবার নবান্নে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata)। এই বিনিয়োগ জট মেটায় আইএসএল (ISL) খেলায় আর কোনও বাধা রইল না লাল-হলুদ দলের।

    শ্রী সিমেন্ট বিনিয়োগ তুলে নেওয়ায় সমস্যায় পড়েছিল এই ক্লাব। বিনিয়োগকারী না থাকায় আইএসএল খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু এদিন ক্লাবকর্তা দেবব্রত সরকার এবং ইমামি গ্রুপের কর্ণধারদের সামনে ইস্টবেঙ্গল-ইমামি গাঁটছড়া ঘোষণা হওয়ায় হাঁফ ছাড়লেন সমর্থকরা। আইএসএল খেলা নিয়ে অনেকে যেমন খুশি, তেমনই ইমামির সাথে সম্পর্ক জুড়ে যাওয়ায় অখুশিও অনেক সমর্থক।   

    আরও পড়ুন: চিনে নিন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী খেলোয়াড়দের

    মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ইমামি যেভাবে বিনিয়োগে রাজি হয়ে গেল তাতে অনেক সমর্থকই নাখুশ। তাঁদের কথায়, ক্লাবের এমন একটি পদক্ষেপ আসলে সৌরভকে অপমানিতই করল। শোনা যাচ্ছিল, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মধ্যস্থতায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এই ক্লাবে বিনিয়োগ করতে পারে। তার মাঝেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। এমনকী মঙ্গলবার সকালবেলাও একটি অনুষ্ঠানে এসে সৌরভ আশার কথাই জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “হ্যাঁ, ওঁদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। বাকি অনেকের সঙ্গেই কথা হচ্ছে। যতক্ষণ না ফাইনাল হচ্ছে, ততক্ষণ কিছু বলা যাবে না। ১০-১২ দিনের মধ্যে সব কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।” 

    ইমামি গ্রুপের অন্যতম কর্তা হলেন রাধে শ্যাম আগারওয়াল। আর অপর জন রাধে শ্যাম গোয়েঙ্কা। ইমামিদের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্কও পুরনো। বিজয় মালিয়ার কিংফিশার স্পনসর হিসেবে আসার আগেও ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করেছিল ইমামি গোষ্ঠী। তারা ইনভেস্টর হিসেবে আসার পরেই সেই পুরনো জার্সির ছবিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

LinkedIn
Share