Tag: east medinipur

east medinipur

  • Snakes: ঘরে মাটির কলসিতে রাখা কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া! সাপের বিষ পাচারের হদিশ পূর্ব মেদিনীপুরে

    Snakes: ঘরে মাটির কলসিতে রাখা কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া! সাপের বিষ পাচারের হদিশ পূর্ব মেদিনীপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ (Snakes) এবং সাপের বিষ পাচারের কয়েক কোটি টাকার চোরাকারবারের খোঁজ মিলেছে তদন্তকারী অফিসারদের হাতে। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর ব্লকের গাজীপুর ও দামোদরপুর গ্রামের বেশকিছু বাড়িতে, জেলার বনবিভাগের বাজকুল রেঞ্জের অফিসারেরা হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ সাপের হদিশ পেয়েছেন। এই উদ্ধারের কাজে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছে জীববৈচিত্র সংরক্ষণ মঞ্চ নামে এক সংগঠন। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কোটি টাকার সাপ ও সাপের বিষ উদ্ধার (Snakes)!

    ঘরের মধ্যে মাটির কলসি, ট্রাঙ্ক ও ঝুপির মধ্যে রাখা অসংখ্য বিষধর সাপ! কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া সব মিলিয়ে গোটা পঁচিশ হবে। ঘরেই সাপের খাবারের মধ্যে রাখা রয়েছে ল্যাটা মাছ, ব্যাঙ ইত্যাদি। এই সাপ উদ্ধারের ফলে কয়েক কোটি টাকার সাপ ও সাপের (Snakes) বিষ পাচারের বেআইনি কারবারের কথা উঠে এসেছে। একাধিক রাজ্যে এই পাচারের জাল ছড়িয়ে রয়েছে। এই ভাবে এই পাচার চক্র, অনেক দিন ধরে চলছিল এলাকায়। ইতিমধ্যে সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে যুক্ত এক সাপুড়ে এবং তার সঙ্গীকে গ্রেফতার করে তমলুক আদালতে তোলা হয়েছে। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, “ধৃতেরা হল জ্যোৎস্না রানি সিং (৬৫) ও সুকুমার বর (৫৫)। তাদের আপাতত জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে বনদফতরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, যাদের ধরা হয়েছে তারা আসলে চুনো পুঁটি। আসলে ওরা সাপ্লাই লাইন, তবে তাদের লিঙ্কম্যান কারা, সেই মাথাদের খুঁজে বের করতে হবে।” জীববৈচিত্র দলের সদস্য দেবগোপাল মণ্ডল বলেছেন, “ধৃতেরা এলাকায় বহু বছর ধরে বিষাক্ত সাপ ধরার কাজ করে থাকে। সাপের গতিবিধি তাদের নখদর্পণে। বেইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত তারা।”

    আরও পড়ুনঃ মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    পঞ্চাশ বছর ধরে বিষের কাজে যুক্ত ধৃতরা

    ধৃতদের কাছ থেকে তদন্তকারী অফিসারেরা জানতে পেরেছেন, গত পঞ্চাশ বছর ধরে সাপের বিষ বের করার কাজ করছিলেন জ্যোৎস্না রানি সিং। সাপ ধরার পর তাদের দাঁত চেপে অতিরিক্ত বিষ বের করে নেওয়া হতো। মোটামুটি ১০-১০০মিলিলিটার বিষ একটি সাপের থেকে বের হয়। আবার চাপ বেশি দিলে দাঁত ভেঙেও যায়। তবে সাপ (Snakes) খেলা দেখানো সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ হলেও, এই এলাকায় অনেক দিন ধরে চলছিল এই খেলা। আর এই সব কিছুর আড়ালে চলছে বিষ পাচারের চক্র। বিষ ভেনম পাউডার করেই চালান দেওয়া হতো। একবার একটি সাপ থেকে বিষ বের করলে ফের দাঁতে বিষ তৈরি হতে সময় লাগে এক মাস। আবার বিষ বের করার সময় সাপের দাঁত ভেঙে গেলে, ভাঙা জায়গায় নতুন দাঁত গাজতে সময় লাগে সাত দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেম দিবসের দিনে মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুরবাসী। বুধবার সকাল থেকে বাড়িতে বাড়িতে যখন সরস্বতী পুজো নিয়ে সবাই আনন্দে আত্মহারা, কচিকাঁচারা নতুন জামা-প্যান্ট পরে পাড়ার মণ্ডপে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার জন্য ব্যস্ত, সেই সময় স্যান্ডো গেঞ্জি আর বারমুডা পরে এক যুবক হাতে কাটা মুণ্ডু নিয়ে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় হাঁটছেন। মুন্ডু বেঞ্চে রেখে পাশে বসলেনও। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে হতবাক হয়ে যান এলাকাবাসী। শিহরিত হয়ে ওঠেন রাজ্যবাসী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুর থানার চিস্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা গৌতম গুছাইতের সঙ্গে স্ত্রী ফুলরানি গুছাইতের বেশ কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়। গৌতম হকারি করেন।  তাঁদের এক সন্তান রয়েছে। সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই পারিবারিক অশান্তি চলছিল। তার জেরেই বুধবার স্ত্রীকে তিনি খুন করেছেন বলে মনে করছেন তাঁরা। খুন করেন কাটারি দিয়ে। তার পর সেই কাটা মুন্ডু হাতে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। বেশ কিছুক্ষণ মুণ্ডু হাতে নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করার পর একটি বেঞ্চে গিয়ে বসেন তিনি। পাশে রেখে দেন স্ত্রীর কাটা মুণ্ডু। সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি এবং বারমুডা পরিহিত মারমুখী গৌতমকে দেখে শোরগোল শুরু হয়ে যায় ওই এলাকায়। হাতে রাখা ছিল কাটারি। স্থানীয় কয়েক জন চেষ্টা করেও ওই যুবকের কাছে ঘেঁষতে পারেননি ভয়ে। ওই ভাবে রক্তমাখা অস্ত্র হাতে নিয়ে ঠায় বসে থাকেন গৌতম। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর যায় পটাশপুর থানায়। এর পর পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি কাটা মুণ্ডু উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গৌতমের মানসিক সমস্যা রয়েছে। এক বার তিনি আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েছিলেন। এর আগেও স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। তবে, এতবড় মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত নেবে, তা ভাবতেই পারছি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) কাঁথি শহর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূলের এক ছাত্র নেতা। এমনকী মন্ত্রী অখিল গিরির ছেলে তথা যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরির সঙ্গে সরস্বতী পুজো খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছে। আর এতেই আতঙ্কিত নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন।

    আদালতের কী নির্দেশ রয়েছে? (East Medinipur)  

    গত বছর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) কাঁথির শাসকদলের এক ছাত্র নেতা শুভদীপ গিরির বিরুদ্ধে। পকসো আইনে মামলা রুজু করেছিল কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। প্রথমে অভিযুক্ত অধরা থাকলেও হাই কোর্টের নির্দেশে কাঁথি মহকুমা আদালতে ওই ছাত্র নেতা আত্মসমর্পণ করেন। পরে জামিনে ছাড়া পান। তবে তাঁকে জেলার বাইরে থাকার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশকে অমান্য করে সোমবার কাঁথি শহরের সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একটি ক্লাবের সরস্বতী পুজোর খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন শুভদীপ। আর তাঁর সঙ্গে সেখানে ছিলেন কাঁথি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা যুব তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি। অভিযুক্ত ছাত্র নেতার মোবাইল বন্ধ থাকায় তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আতঙ্কিত নির্যাতিতা পরিবারের লোকজন

    নির্যাতিতার বাবা বলেন, অভিযুক্ত যুবক বহাল তবিয়তে কাঁথিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শাসক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা করছেন। বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়ে সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে। বিষয়টি জানানোর পরও পুলিশ কিছু করেনি। খুব আতঙ্কে রয়েছি।

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই ছাত্র নেতার সঙ্গে থাকা ছবি ফেসবুকেও পোস্ট করেন তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ। আদলতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে যে এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁকে সমর্থন করছেন? প্রশ্ন করা হলে যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন,আইনি বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। কোনও মন্তব্য করব না।

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বিজেপি-র

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, তৃণমূল করে বলে সাত খুন মাফ। আদালতের নির্দেশকে মানছেন না। আসলে তৃণমূলের দৌলতে গোটা রাজ্য অপরাধীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: সরকারি অনুষ্ঠানে গিয়ে দলীয় বক্তব্য! বিতর্কে মন্ত্রী অখিল গিরি

    East Medinipur: সরকারি অনুষ্ঠানে গিয়ে দলীয় বক্তব্য! বিতর্কে মন্ত্রী অখিল গিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) ভগবানপুর ২ নম্বর ব্লকের গড়বাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বার্ষিক সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক! গ্রাম পঞ্চায়েতের বার্ষিক সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের প্রতীকে জেতা পঞ্চায়েত সদস্য, প্রধান থেকে বিজেপির প্রতীকে জেতা পঞ্চায়েত সদস্য ও পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা। সরকারি অনুষ্ঠানে সেখানেই দলীয় বক্তব্য রাখেন কারামন্ত্রী অখিল গিরি। বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভের জেরে কিছু সময়ের জন্য সভা বন্ধ হয়ে যায়। পঞ্চায়েত প্রধান জনগণের সামনে ভুল স্বীকার করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    ঠিক কী বলেছেন মন্ত্রী? (East Medinipur)

    পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) ভগবানপুর ২ নম্বর ব্লকের গড়বাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে মন্ত্রী অখিল গিরি মহুয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘যদি কোনও ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হয়, তাহলেও তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় আপনি কী চান? নির্লজ্জভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে আমাদের সাংসদ মহুয়া মৈত্রর সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। দু’মাস-ছ’মাস পর ভোট হবে, কৃষ্ণনগর থেকে আবার জিতে আসবে মহুয়া মৈত্র।’ পাশাপাশি তিনি হুমকির সুরে বলেন, ‘বিজেপি কেমন ভাবে জিতবে সেটা আমরা দেখব। এই বক্তব্যের পরেই উপস্থিত সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এই বক্তব্য থেকে বিতর্কের সূত্রপাত। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সরকারি অনুষ্ঠানে এই ধরনের বক্তব্য কেন তা নিয়ে বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। পরে নিজের বক্তব্যে অনড় থাকেন রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি। তাঁর দাবি, বিরোধীরা তাঁদের মতো বলবেন, আমরা আমাদের মতো বলব। মন্ত্রী মঞ্চ ছাড়তেই পুনরায় কার্যত জনগণের বিক্ষোভ শুরু হয়। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এর পরেই কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান স্বপন দাস ও প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতির্ময় কর। এদিনের সভায় উপস্থিত জনগণের সামনে ক্ষমা চান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান স্বপনকুমার দাস।

    তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা জ্যোতির্ময় কর বলেন, ‘এই মঞ্চে আমাদের পক্ষ থেকে দলীয় প্রচার করার কোনও ইচ্ছা নেই। গ্রাম পঞ্চায়েতের দল-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই থাকবেন এই বার্ষিক সভায়।’

    বিজেপি নেতা কী বললেন?

    গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা অনুপম জানা বলেন, ‘গ্রাম সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সভায় একাধিক মন্ত্রী উপস্থিত রয়েছেন। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। এলাকার উন্নয়নের জন্য বিরোধী দল হিসেবেও সহযোগিতা করব। এই সরকারি অনুষ্ঠানটি অন্যরকম হয়ে গেল মন্ত্রী অখিল গিরির বক্তব্যে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: সিভিক ভলান্টিয়ারকে বেঁধে রেখে পূর্ব মেদিনীপুরে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি

    Dacoits: সিভিক ভলান্টিয়ারকে বেঁধে রেখে পূর্ব মেদিনীপুরে সোনার দোকানে ভয়াবহ ডাকাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়া, রানাঘাট এবং খড়্গপুরের পর ফের সোনার দোকানে ডাকাতি। এবার সিভিক ভলান্টিয়ারকে বেঁধে রেখে সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতি (Dacoits)। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার চণ্ডীপুরের দিবাকরপুরে। দিনভর তল্লাশি করেও পুলিশ দুষ্কৃতীদের নাগাল পায়নি। ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তাঁরা বাজারে নিরাপত্তার দাবি তুলেছেন। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দুষ্কৃতীদের ধরতে জোরদার তল্লাশি শুরু হয়েছে। ওই এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে তল্লাশি চলছে।’

    ঠিক কী অভিযোগ? (Dacoits)

    রাত তিনটে নাগাদ চণ্ডীপুরের দিবাকরপুরে মা তারা জুয়েলার্স নামে একটি সোনার দোকানে ছ-সাত জন দুষ্কৃতী (Dacoits) হানা দেয়। দোকানের শাটার কেটে ভিতরে ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। সেই সময় এলাকায় ডিউটি করছিলেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার। তিনি দুষ্কৃতীদের গতিবিধি দেখে বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেঁধে রাখে। তারপর দুষ্কৃতীরা ওই সোনার দোকানে ডাকাতি করে। অবাধে লুটপাট চালায়। দুষ্কৃতীদের মুখে কালো কাপড় বাঁধা ছিল। তাই তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। দোকান থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়না নিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চণ্ডীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চণ্ডীপুর থানার পুলিশ। রবিবার সকাল হতেই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দোকানের মালিক। পুলিশকে তিনি দোকান থেকে লুট হওয়া টাকা ও সোনার গয়নার বিবরণ জানিয়েছেন।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ডাকাতির ঘটনায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সিভিক থাকার পরও ডাকাতির (Dacoits) ঘটনা ঘটল। ফলে, দুষ্কৃতীরা সব কিছু জেনেই ডাকাতি করতে এসেছিল। অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এই এলাকায় এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। এবার থেকে আর শুধু সিভিক নয়, বাজারে রাতে উপযুক্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘করোনাকালে রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে,’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘করোনাকালে রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে,’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনাকালে রাজ্যে স্বাস্থ্য দফতরে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে  নন্দকুমারে ” বিজয়া সম্মিলনী”র আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা আগেই জেলে গিয়েছে, এবার গিয়েছে খাদ্য। এদের মাথায় রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব থেকে বড় চোর। তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। আসল চোরকে ধরতে হবে। এই চোরকে জেলে না পাঠানো পর্যন্ত আমাদের নিস্তার নেই। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন। সব তথ্য আমরা সংগ্রহ করছি। কোভিডের সময় কোটি কোটি টাকা মাস্ক সহ অন্যান্য জিনিসের টাকা লুট হয়েছে। কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। মৌসুমী বলে একজন ভাইপোর শ্যালিকার শ্বশুর পবন অরোরা মিলে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে। এই পবন অরোরা সবুজ সাথি সাইকেল রাজ্যে সরবরাহ করেন। প্রতিটি সাইকেলে ৪০০ টাকা করে কমিশন খান। তাই. শুধু শিক্ষা, খাদ্য নয় স্বাস্থ্যকে জেলে ঢোকাতে হবে।

    কুণাল ঘোষকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    শিশিরের সম্পত্তি নিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের মন্তব্যের পরিপেক্ষিতে এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, কে মন্তব্য করেছে? আমি ওর কথার উত্তর দিইনা। ও একটা নেড়ি। রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। ভাইপো এই সব বলার জন্য মাসে তিন লক্ষ টাকা দিয়ে থাকে। তাই এই সব বলছে। শিশির অধিকারী একজন লিজেন্ড। তাঁর বিরুদ্ধে যারা আঙ্গুল তুলবে তারা ধ্বংস হবে।

    বন দফতরে বালুর টাকা তোলা নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    এদিন  মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বন দফতরের আধিকারিকদের সাবধান করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, বালু জেলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বন দফতরের প্রতিটি রেঞ্জ থেকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হত। গত মাসেও এই টাকা দেওয়া হয়েছে। সব বন দফতরের আধিকারিকদের বলছি, এখনও সময় আছে বন্ধ করুন। না হলে খাপ খুলব। ডায়মন্ড হারবারে বিজেপির প্রার্থী দিয়ে ভাপোকে হারাবোই। পাশাপাশি  তমলুক ও কাঁথি লোকসভায় দেড় লক্ষের বেশি ভোটে জয়লাভ করবো কথা দিচ্ছি। আগামী ২৯ তারিখে কলকাতায় সমাবেশে জেলা থেকে বেশি সংখ্যক কর্মী সমর্থকদের যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MLA: মহিলা বিডিও-র বদলিতে প্রকাশ্যেই কান্নায় ভাসালেন তৃণমূল বিধায়ক, হতবাক সকলে

    MLA: মহিলা বিডিও-র বদলিতে প্রকাশ্যেই কান্নায় ভাসালেন তৃণমূল বিধায়ক, হতবাক সকলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়ম মেনেই হয়েছেন বিডিও বদলি। বিডিওকে ফেয়ারওয়েল জানানোর জন্য বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজনও করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষ, কর্মীর সংখ্যা কম ছিল না। সকলের সামনেই কেঁদে উঠলেন তৃণমূল বিধায়ক (MLA) সুকুমার দে। এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার ব্লকের বিডিও অফিসের কর্মীরা। প্রকাশ্যে এসেছে ভিডিও। তা নিয়েই এখন জোর চর্চা নন্দকুমারে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বিডিও হিসেবে শানু বক্সি বেশ কিছুদিন ধরেই নন্দকুমার বিডিও অফিসে ছিল। অন্যত্র বদলি হতেই কর্মীদের উদ্যোগে বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। স্থানীয় বিধায়ক (MLA) হিসেবে সেখানে আমন্ত্রিত ছিলেন সুকুমার দে। অনুষ্ঠানে সকলেই বিডিওকে নিয়ে কথা বলেন। বিধায়কও তাঁর গুণকীর্তন করেন। পরে, তিনি আচমকাই বিডিও-র পাশে বসেই কাঁদতে শুরু করেন। প্রকাশ্যে এভাবে বিধায়ককে কাঁদতে দেখে অনেকে হতবাক হয়ে গিয়েছেন। অনেকে আবার মহিলা বিডিও শানু বক্সি এবং বিধায়কের দুর্নীতির সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে, বিডিও-র বদলির জন্য বিধায়ককে এভাবে কাঁদতে দেখে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই অবাক হয়েছেন।

    বিডিও-র বদলিতে কান্না নিয়ে কী ব্যাখ্যা দিলেন বিধায়ক? (MLA)

    প্রকাশ্যে কান্নার ভিডিও সামনে আসতেই চরম বিড়ম্বনায় পড়েন বিধায়ক। যদিও এই বিষয়ে ব্যখ্যা দিয়ে সুকুমারবাবু বলেন, বিডিও-র আন্তরিকাতা, ভালবাসা সকলের মনেই দাগ কেটেছে। তাই আবেগতাড়িত হয়ে আমি আর চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। এর অন্য কোনও অর্থ খোঁজা ঠিক নয়।

    কী বললেন বিডিও?

    অন্যদিকে বিডিও শানু বক্সি বলেন, এখানে কাজ করার সময় কখনও অফিসে কাজ করছি বলে মনে করিনি। সবসময় বাড়ি বলে মনে করেছি। পরিবারে সঙ্গে যে ভাবে থাকি, সেভাবেই অফিসে থাকতাম। এদিন সকলের কাছে বিদায়ী সংবর্ধনা পেয়ে ভাল লাগছে।

    বিরোধীরা কী বলছে?

    যদিও ঘটনায় শোরগোল শুরু হয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলেও। সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য পরিতোষ পট্টনায়ক বলেন, ওরা তো দু’জনে মিলে দুর্নীতি করেছেন। এখন বিডিও চলে যাচ্ছেন। সঙ্গী চলে যাওয়ায় দুঃখেই কেঁদে ফেলেছেন বিধায়ক (MLA)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: বিজেপির ঘরছাড়া কর্মীরা বাড়ি ফিরতেই তৃণমূলের তাণ্ডব, বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি

    East Medinipur: বিজেপির ঘরছাড়া কর্মীরা বাড়ি ফিরতেই তৃণমূলের তাণ্ডব, বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের ঘরে ফেরানোর পরই তৃণমূলের বাইক বাহিনীর তান্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) খেজুরি-২ ব্লকের বোগা, আলিপুর, কয়ালচক এলাকায়। একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের সামনে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বোমাবাজিও করা হয়। যদিও জনরোষের মুখে পড়ে বাইক বাহিনীর একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উদয় শঙ্কর মাইতির গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে এলে কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছে। গন্ডগোলের কারণে শনিবার রসুলপুর ঘাটে ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (East Medinipur) 

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) খেজুরি-২ ব্লক বার বার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি উদয় শঙ্কর মাইতি পঞ্চায়েত সমিতি নির্বাচনে বিজেপির হয়ে জয়লাভের পর তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। আর তারপরেই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছায় তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর খেজুরি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন উদয় শংকর মাইতি। এই নিয়ে উত্তেজনা ছিল এলাকায়। এলাকায় বোর্ড দখলের পরই তৃণমূল দাদাগিরি শুরু করে। তৃণমূলের অত্যাচারে বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া ছিলেন। শুক্রবার রাতে সেই কর্মীদের বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক সহ দলীয় নেতৃত্ব ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার পরই গন্ডগোল শুরু হয়। তৃণমূলের বাইক বাহিনী গ্রামে ঢুকে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক। তিনি বলেন, ঘর ছাড়া কর্মীদের বাড়িতে ঢোকানোর পরই তৃণমূলের বাইক বাহিনী তাণ্ডব চালায়। বোমাবাজি করে। পুলিশের সামনেই এসব ঘটানো হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের উপর কোনও হামলা হয়নি। নিজেরা বাইক, গাড়ি ভেঙে আমাদের উপর দায় চাপিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলার যুব সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, বিজেপি এলাকার পরিবেশ অশান্ত করেছে। বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে পঞ্চায়েচ সমিতির বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর গাড়ি, একাধিক কর্মীর বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। বিজেপি এসব করেছে। তৃণমূল কোনও হামলা করেনি।

     কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    খেজুরিতে গন্ডগোল ও বাড়ি, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকা পরিদর্শন করলেন পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) জেলা পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য। তাঁর নেতৃত্বেই খেজুরির আলিপুর থেকে কয়ালচক পর্যন্ত একটি রুট মার্চ করে পুলিশ। পুলিশ সুপার বলেন, গন্ডগোলের ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চন্দ্রযান-৩ এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে পাঁশকুড়ার পীযূষ, উচ্ছ্বসিত পরিবার

    Chandrayaan 3: চন্দ্রযান-৩ এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে পাঁশকুড়ার পীযূষ, উচ্ছ্বসিত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান -৩ (Chandrayaan 3) এর সাফল্যের নেপথ্যে এবার নাম জুড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার। মূলত, চন্দ্রযান ৩ এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিল পাঁশকুড়ার ঘোষপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর কাটাল গ্রামের বাসিন্দা পীযূষ পট্টনায়েকের হাতে। প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা পীযূষের বাবা পেশায় ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেচ দফতরের কর্মচারী, মা গৃহবধূ। ছোটবেলা থেকেই যৌথ পরিবারে বেড়ে ওঠেন তিনি। চন্দ্রযান -৩ এর সাফল্যে খুশি সকলেই।

    চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্য নিয়ে কী বললেন বিজ্ঞানী পীষূষ পট্টনায়েক? (Chandrayaan 3)

    পীষূষের হাতে খড়ি হয় গ্ৰামেরই একটি স্কুলে। ছোটবেলা থেকেই শান্ত ও মেধাবী। ২০০৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন পাঁশকুড়া ব্রাটলি বাট হাইস্কুল থেকে। এরপর, কল্যাণী সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি টেক পাশ করেন। ২০১৩ সালে খড়্গপুর আইআইটি থেকে এম টেক পাশ করে যোগ দেন ইসরোতে। চন্দ্রযান ২ ও ৩ এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিল তাঁর হাতে। পীযূষ বলেন, চন্দ্রযান-২ ব্যর্থ হতেই সাময়িক মুষড়ে পড়েছিলাম। তারপর এই ব্যর্থতাকে রসদ করে নতুন করে পুরোদমে নেমে পড়়েছিলাম। চার বছর ধরে আমাদের সকলের পরিশ্রম এই সাফল্য এনে দিয়েছে। আমার মূলত চন্দ্রযানের (Chandrayaan 3) তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ছিল। মহাকাশে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন তাপমাত্রা হয়ে থাকে। যন্ত্রপাতির কাজের জন্য প্রয়োজন সঠিক তাপমাত্রার। সেই বিষয়টি আমাদের টিমের দায়িত্ব ছিল। অবশেষে সাফল্য আসায় খুবই আনন্দ লাগছে।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) বুধবার চাঁদের মাটিতে অবতরণ করায় খুশির আমেজ নেমে এসেছে উত্তর কোটালের পীযূষকান্তি পট্টনায়েকের গ্রামের বাড়িতে। পীযূষের সফলতায় খুশি পরিবার, প্রতিবেশী সহ এলাকাবাসী। পীযূষের দাদা প্রদ্যুৎ পট্টনায়েক বলেন, ভাইয়ের সাফল্যে আমরা খুবই খুশি। চন্দ্রযান-২ এর ব্যর্থতার পর নতুন করে ওরা চেষ্টা চালিয়েছিল। বুধবার চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযান-৩ পা রাখতে গর্বে মন ভরে যায়। এমনিতেই দেশবাসী হিসেবে আমাদের গর্ব হচ্ছে। পাশাপাশি আমার ভাই এই অভিযানের অন্যতম শরিক জেনে খুবই ভাল লাগছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Migrant Labour: ফের মর্মান্তিক ঘটনা! বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল তেলঙ্গানায় 

    Migrant Labour: ফের মর্মান্তিক ঘটনা! বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল তেলঙ্গানায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মর্মান্তিক ঘটনা। ফের প্রকাশ্যে এল রাজ্যের কর্ম সংস্থানের কঙ্কালসার চেহারা। স্রেফ পেটের টানে ভিন রাজ্যে কত আসহায় যুবক (Migrant Labour) যে ছুটছেন, বিপদে পড়ছেন, তা একটি ঘটনা থেকে আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল। তেলঙ্গানা রাজ্যের হায়দরাবাদ শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূর। সেখানকার রাঙ্গারেড্ডি জেলার শাদনগরের বারগুলা এলাকায় একটি প্রাইভেট পলিমার সামগ্রী তৈরির কারখানায় কাজ করতেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার বেতুলিয়াচক লালপুর গ্রামের মনোজিৎ দাস। ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কারখানায় কর্মরত অবস্থায় দেহ ঝলসে যায় মনোজিতের। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এইভাবে কতদিন আর রাজ্যের শিক্ষিত যুব সম্প্রদায়কে শুধুমাত্র সংসার প্রতিপালনে পড়ে থাকতে হবে বিদেশের মাটিতে, যেখানে পদে পদে বিপদের হাতছানি?

    কীভাবে অগ্নিকাণ্ড?

    জানা গেছে, ১৬ ই জুলাই রাতে কাজের সময় হঠাৎই আগুন লেগে যায় কারখানায়। মুহূর্তের মধ্যেই তাতে অগ্নিদগ্ধ হন ৯ জন শ্রমিক। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই রাতে মৃত্যু হয় মনোজিৎ দাসের। মনোজিৎ সহ চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এখনওপর্যন্ত। যাঁদের বাড়ি মহারাষ্ট্র, কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গে। আশঙ্কাজনক পাঁচজন এখনও চিকিৎসাধীন। ২৬ জুলাই রাতে দেহ (Migrant Labour) এসে পৌঁছয় ভগবানপুরে, নিজের বাড়িতে। রাতেই সম্পন্ন হয়েছে শেষকৃত্য। ২৯ বছরের তরতাজা যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার।

    কী বললেন বাবা ও প্রতিবেশীরা?

    মনোজিতের (Migrant Labour) প্রতিবেশী দাদা পবিত্র কুমার দাস বলেন, মনোজিৎ ওই কোম্পানিতে পাঁচ বছর কাজ করেছিল। আমিও ওই কোম্পানিতে ৯ বছর কাজ করেছি। এর আগে কোনওদিন এমন ঘটনা ঘটেনি। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। কোম্পানি চিকিৎসা করিয়েছে, পরিবারের পুরো দায়িত্ব কোম্পানি নিয়েছে। ছেলেকে বিয়ে করানোর কথা আলোচনা চলছিল। বাড়ি তুলেছেন নতুন। মনোজিতের বাবা বাদল চন্দ্র দাস দোষ দিচ্ছেন নিজের কপালকে। ভারী গলায় তিনি বললেন, ছেলে কি আর ফিরবে! 

    তরতাজা যুবকের কাজের জন্য ভিন রাজ্যে গিয়ে মৃত্যুর খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

LinkedIn
Share