Tag: East Midnapur

East Midnapur

  • Tamralipti: মহাভারতেও মেলে উল্লেখ, প্রাচীন ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর তাম্রলিপ্ত, জানুন ইতিহাস

    Tamralipti: মহাভারতেও মেলে উল্লেখ, প্রাচীন ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর তাম্রলিপ্ত, জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিন্ধু সভ্যতার বন্দর হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত ছিল লোথাল, সোপারা প্রভৃতি। সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে এই বন্দরগুলির মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশের বাণিজ্য চলত পশ্চিমের বিভিন্ন দেশগুলির সঙ্গে। একইভাবে প্রাচীন ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ছিল তাম্রলিপ্ত। তাম্রলিপ্ত (Tamralipti) বর্তমানে পরিচিত তমলুক শহর হিসেবে যা পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে অবস্থিত। গবেষকদের মতে, তাম্রলিপ্ত নামটি এসেছে তামা থেকে। অনেকের ধারণা সে সময় বিহারের সিংভূম জেলার ঘাটশিলা থেকে তামা খনন করা হত এবং তাম্রলিপ্ত বন্দরের মাধ্যমেই তা রফতানি করা হত। মহাভারতেও তাম্রলিপ্তের উল্লেখ পাওয়া যায়। তাম্রলিপ্ত ছিল রাজা তাম্রধ্বজ্যের রাজধানী। অশ্বমেধযজ্ঞের সময় পাণ্ডবদের অশ্ব এই তাম্রধ্বজ ধারণ করেন এবং অর্জুনের সঙ্গে তাঁর ভয়ানক যুদ্ধ হয়। রাজার বীরত্বে মুগ্ধ হয়ে কৃষ্ণ ও অর্জুন তাঁর সঙ্গে সখ্যসূত্রে আবদ্ধ হন বলে জানা যায়। 

    কোন কোন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চলত?

    তাম্রলিপ্ত বন্দর (Tamralipti) থেকে জাহাজগুলি পশ্চিমবঙ্গ, বর্তমান বাংলাদেশ ও মায়ানমারের উপকূল ধরে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াতে বাণিজ্যে যেত। পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরের মাধ্যমে বিদেশের ব্যবসায়ী, নাবিক এবং ধর্মপ্রচারকরাও আসতেন বলে জানা যায়। এই বন্দর থেকেই নীল, সিল্ক এবং তামা বোঝাই জাহাজগুলি শ্রীলঙ্কা, আফ্রিকার উপকূল, আরব সাগরের অন্যান্য দেশেও পৌঁছে যেত।

    খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী থেকে অষ্টম খ্রিষ্টাব্দ শতাব্দী পর্যন্ত বিকাশ লাভ করেছিল

    ঐতিহাসিকদের মতে তাম্রলিপ্ত (Tamralipti) বন্দরটি খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী থেকে অষ্টম খ্রিষ্টাব্দ শতাব্দী পর্যন্ত বিকাশ লাভ করেছিল। ভারতের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল কলিঙ্গ যুদ্ধ। অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, তাম্রলিপ্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্দরের দখল নেওয়ার জন্যই অশোক কলিঙ্গ আক্রমণ করেছিলেন। সে সময়ে মৌর্য রাজাদের রাজধানী বিহারের পাটলিপুত্রের সঙ্গে তাম্রলিপ্ত সড়কপথে যুক্ত হয়ে উঠেছিল।

    দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্মের প্রসারেও তাম্রলিপ্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল

    দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্মের প্রসারেও তাম্রলিপ্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল বলে মনে করেন ঐতিহাসিকরা। বৌদ্ধ সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হল জাতকের কাহিনী। এখানে তাম্রলিপ্তের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই বন্দরের মাধ্যমে তৎকালীন সুবর্ণভূমি অর্থাৎ বর্তমান দিনের মায়ানমার ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে ঘনঘন সমুদ্রযাত্রার উল্লেখ পাওয়া যায়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী অশোক তাঁর ছেলে মহেন্দ্রকে তাম্রলিপ্ত বন্দরের (Tamralipti) মাধ্যমে শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার করতে পাঠিয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কার ইতিহাস নিয়ে রচিত গ্রন্থ মহাবংশ দ্বিতীয় খ্রিস্টপূর্বাব্দে লেখা হয়েছিল, এখানে উল্লেখ মেলে তাম্রলিপ্ত বন্দরের।

    অনেক নামেই পরিচিত ছিল তাম্রলিপ্ত

    পশ্চিমী দুনিয়ার বিভিন্ন দার্শনিকের গ্রন্থেও উল্লেখ রয়েছে তাম্রলিপ্ত বন্দরের উল্লেখ মেলে। যেমন রোমান দার্শনিক ও পরিব্রাজক প্লিনি দ্বিতীয় শতাব্দীতে তাঁর লেখা বই ‘ন্যাচারাল হিস্টরি’তে তাম্রলিপ্তকে একটি সমৃদ্ধ বন্দর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফা-হিয়েন, হিউয়েন সাং প্রভৃতি বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজকরা তাম্রলিপ্ত বন্দর পরিদর্শন করেছিলেন বলে জানা যায়। পরিব্রাজকদের বিবরণ থেকে তাম্রলিপ্তের অনেক নাম মেলে। যেমন, তাম্রলিপ্ত, তাম্রলিপ্তি, তালুক্তি, তমালিকা, তমালিশি, দামলিপ্ত, তমলিটিস, তমোলিত্তি ইত্যাদি।

    পতনের কারণ

    সপ্তম শতাব্দী থেকে তাম্রলিপ্ত বন্দরের পতন শুরু হয়। তবে এর কারণ কী তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে জানা যায় না। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মতে, তাম্রলিপ্ত বন্দরের পতনের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক কারণ রয়েছে। অনেকে মনে করেন নদী বন্দরের পলি ও নদীর গতিপথের পরিবর্তনের কারণেই এই বন্দরের পতনের হয়। আধুনিক যুগে ১৮৮৯ সাল পর্যন্ত এই বন্দরের অস্তিত্বের ব্যাপারে সেভাবে কিছু জানা যায়নি। সে সময়ে বাঙালি লেখক এবং গবেষক গৌর দাস কিছু খনন কার্য চালিয়েছিলেন এবং ১৮৮৯ সালে ‘প্রসিডিংস অফ দ্য এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল’-এ তাঁর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন। তারপর থেকেই সারা দেশে প্রাচীন ভারতের অন্যতম বন্দর হিসেবে তাম্রলিপ্তের (Tamralipti) নামও উঠে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটের মুখে পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মী খুন, শোরগোল

    BJP: ভোটের মুখে পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মী খুন, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে এক বিজেপি (BJP) কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দীনবন্ধু ওরফে ধনঞ্জয় মিদ্যা। তাঁর বাড়ি ময়নার বাকচা এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার রাতে পানের বরোজের ভিতর থেকে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীনবন্ধুবাবু বিজেপির (BJP) সক্রিয় কর্মী। এবারও লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে মিটিং, মিছিলে যেতেন। বুথ কর্মী হিসেবে দেওয়াল লিখনও করেছেন। দীনবন্ধুর বাবার নাম সুদর্শন। তিনিও গ্রাম গোড়া মহাল বিজেপির সক্রিয় কর্মী। বুধবার থেকে রহস্যজনকভাবে দীনবন্ধুবাবুর আর খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারা দীনবন্ধুর খোঁজে এলাকায় তল্লাশি চালাতে থাকেন। মাঝ রাতের সময় একটা পানের বোরজ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, যুবকের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, দেহের বেশ কিছুটা অংশ মাটির সঙ্গে স্পর্শ করা ছিল। হাঁটু মাটিতে লেগেছিল। খবর পেয়ে ময়না থানার পুলিশ এলাকায় পৌঁছয়। তবে, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে, পুলিশ বুঝিয়ে তাঁদের থেকে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের জেলা বিজেপি সভাপতি ও বিধায়ক হলদিয়া তাপসী মণ্ডল অবশ্য দাবি করেছেন, “এটা একটা পরিকল্পিত খুন। কারণ, যে ভাবে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে, তাতে আত্মহত্যার ঘটনা নয়। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আমরা ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। শাসক দলের ভূমিকাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে, পুলিশের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্ত আমরা করাতে চাই না। সেখানে সেন্ট্রাল ফোর্স লাগবে।”রাজ্য যুব তৃণমূল সহ সভাপতি পার্থ সারথি মাইতি বলেন, “ময়নাতদন্ত হলে বোঝা যাবে, খুন না আত্মহত্যা। নিজেরা বিজেপি কর্মীকে মেরে তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar Case: প্ররোচনা ছাড়াই সেদিন হামলা হয়েছিল ভূপতিনগরে, বিবৃতি দিয়ে জানাল এনআইএ

    Bhupatinagar Case: প্ররোচনা ছাড়াই সেদিন হামলা হয়েছিল ভূপতিনগরে, বিবৃতি দিয়ে জানাল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওরকম প্ররোচনা ছাড়াই সেদিন হামলা হয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ওপর। রবিবার প্রেস (Bhupatinagar Case) রিলিজে একথা জানাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের এক সকালে আচমকাই বিস্ফোরণ ঘটে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে।

    এনআইএর ওপর হামলা (Bhupatinagar Case)

    বিস্ফোরণের অভিঘাতে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চারজনের। এঁরা হলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি রাজকুমার মান্না, তাঁর ভাই দেবকুমার ও জনৈক বিশ্বজিৎ গায়েনের। আরও একজনের পরিচয় মেলেনি। ওই ঘটনায় নাম জড়ায় স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতার। এঁদের মধ্যে দুজনের খোঁজে শনিবার তল্লাশিতে যান এনআইএর আধিকারিকরা। অভিযোগ, এর পরেই সন্দেশখালির কায়দায় তাঁদের ওপর (Bhupatinagar Case) হামলা চালায় স্থানীয়দের একাংশ। যারা এলাকায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। হামলায় জখম হন এনআইএর তদন্তকারীরা। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁদের গাড়ির কাচ।

    গ্রেফতার ২ তৃণমূল নেতা

    পরে এলাকার পাঁচ জায়গায় হানা দিয়ে গ্রেফতার করা হয় বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা নামে তৃণমূলের দুই অভিযুক্তকে। এনআইএর দাবি, বিস্ফোরণকাণ্ডের মূল চক্রী এঁরাই। এনআইএর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, বোমা তৈরির ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলাই ও মনোব্রত। এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতেই ঘটানো হয়েছিল বিস্ফোরণ। তাঁদের ধরতে গিয়েই বিনা প্ররোচনায় হামলা চালানো হয় এনআইএর আধিকারিকদের ওপর। বাধা দেওয়া হয় কর্তব্য করতে। রাজ্যের আর পাঁচটা ঘটনার মতো ভূপতিনগরকাণ্ডেও বিজেপির হাত দেখতে পান তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে বসেই তিনি দাবি করেন, বিজেপির হয়ে কাজ করছে এনআইএ। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের ধরতে সাত সকালে গিয়েছিল এনআইএ।

    আরও পড়ুুন: “আইন এবং সংবিধানকে নষ্ট করার দল হচ্ছে তৃণমূল”, তোপ মোদির

    অথচ মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করলেন, “কেন তাঁরা (এনআইএর আধিকারিকরা) মধ্যরাতে অভিযানে গিয়েছিল? তাঁদের কাছে কী পুলিশের অনুমতি ছিল? স্থানীয়রা ভেবেছেন বহিরাগত কেউ মধ্যরাতে এসেছে। তাই ওই রকম প্রতিক্রিয়া করেছেন। ঠিক নির্বাচনের আগে আগেই কেন তারা লোকজনকে গ্রেফতার করছে? বিজেপি কী মনে করে, তারা তৃণমূলের প্রত্যেক বুথ এজেন্টকে গ্রেফতার করবে? এনআইএর কী আধিকার আছে? তারা এসবই করছে বিজেপির মদতে। বিজেপির এই নোংরা রাজনীতির কথা আমরা গোটা বিশ্বকে জানাতে চাই।”মুখ্যমন্ত্রীর এহেন প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতেই এনআইএ জানিয়ে দিল, কোনওরকম প্ররোচনা ছাড়াই হামলা হয়েছে তাদের আধিকারিকদের ওপর (Bhupatinagar Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Digha: দিঘায় হাড়হিম করা ঘটনা! বন্ধুকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মার, মহিলা পর্যটককে গণধর্ষণ

    Digha: দিঘায় হাড়হিম করা ঘটনা! বন্ধুকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মার, মহিলা পর্যটককে গণধর্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় (Digha) প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক যান। পর্যটকদের ওপর ভিত্তি করেই ওই এলাকার অর্থনীতি অনেকটাই নির্ভর করে। সেই সৈকত শহরে পর্যটকদের কোনও নিরাপত্তা নেই! রবিবার রাতে দিঘার ঘটনা সেই প্রশ্ন উস্কে দিয়েছে। দিঘায় ঘুরতে গিয়ে গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মহিলা পর্যটক। আর এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সৈকত শহরে। প্রশ্নের মুখে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Digha)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিঘাতে (Digha) অনেকেই ফোনে বা অনলাইনে হোটেল বুক করে যান। অনেকে আবার দিঘায় গিয়ে হোটেল ঠিক করেন। ভাল হোটেল করে দেওয়ার জন্য এক শ্রেণির দালালও সেখানে গজিয়ে উঠেছে। অনেকে সস্তায় ভাল হোটেল পাওয়ার আশ্বাস তাঁদের দ্বারস্থ হন। অনেক সময় ভাল হোটেলও পান। তবে, নির্যাতিতা মহিলা বন্ধুদের সঙ্গে দিঘা ঘুরতে এসেছিলেন। তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেই। ফলে, আগে থেকে হোটেল বুক করে নিয়ে আসেননি। দিঘায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে হোটেল খোঁজা শুরু করেন তাঁরা। অভিযোগ, হোটেল ঠিক করে দেওয়ার নাম করে তাঁদেরকে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বন্ধুর সঙ্গে একটি বাইকে ছিলেন মহিলা। অভিযোগ, ফাঁকা জায়গায় বাইক আটকে জোর করে তাঁদেরকে নির্জন জায়গায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। যুবককে গাছে বেঁধে বেধরক মারধর করতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। পাশাপাশি মহিলাকে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা অপকর্ম করে ওই মহিলাকে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে, মহিলার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দিঘা থানার পুলিশ রতনপুর গ্রাম থেকে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। আরও একজন ফেরার বলে জানা গিয়েছে। তাদের এই চক্রের পিছনে আর কেউ রয়েছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share