Tag: ec

ec

  • Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। গণনা চলছে ৭৭টি কেন্দ্রে (Counting Stations)। রবিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে জানিয়ে দেওয়া (Election Commission) হয়েছিল কোন বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে কোন কেন্দ্রে। সোমবার গণনা শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। ধারণা, বেলা ১২টা নাগাদই স্পষ্ট হয়ে যাবে নবান্নের ১৪ তলায় মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসছেন পদ্ম না ঘাস – কোনও ফুলের প্রতিনিধি।

    গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা (Election Commission)

    মোট গণনাকেন্দ্র ৭৭। জেলা সদরে ৩৫, মহকুমা সদরে ৪২। কমিশনের তরফে রীতিমতো তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা। কলকাতার ১১টি আসনের ভোট গণনা হচ্ছে ৫টি গণনাকেন্দ্রে। এর মধ্যে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র লাগোয়া নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে চৌরঙ্গী, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা এবং কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। ভবানীপুরের ভোট গণনা হবে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে, কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের গণনা হবে ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট টমাস বয়েজ স্কুলে, রাসবিহারীর ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে এবং বালিগঞ্জ কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব আম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজে ভাঙড়, সোনারপুর উত্তর এবং সোনারপুর দক্ষিণ, আলিপুর জাজেস কোর্টের বিহারীলাল কলেজে বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম এবং কসবা বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে। মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ, বজবজ, যাদবপুর এবং টালিগঞ্জের ভোট গণনা হবে আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সে।

    কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে শুরু গণনা

    কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা। জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারে ১, বাঁকুড়ায় ৩, বীরভূমে ৩, কোচবিহারে ৫, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২, দার্জিলিঙে ৩, হুগলিতে ৫, হাওড়ায় ৪, জলপাইগুড়িতে ২, ঝাড়গ্রামে ১, কালিম্পঙে ১, কলকাতায় ৫ (উত্তরে ১, দক্ষিণে ৪), মালদায় ২, মুর্শিদাবাদে ৫, নদিয়ায় ৪, উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ (Election Commission), পশ্চিম বর্ধমানে ২, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩, পূর্ব বর্ধমানে ৪, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪, পুরুলিয়ায় ৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৬ এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ২টি গণনাকেন্দ্রে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে (Counting Stations) উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। সেখানকার ৩৩টি আসনের ভোট গোনা শুরু হয়েছে সাতটি কেন্দ্রে। তার মধ্যে রয়েছে বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ অ্যান্ড হাইস্কুল, বসিরহাট হাইস্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু কলেজ, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ (Election Commission)।

    গণনার নিয়ম যেমন…

    প্রতি গণনা কেন্দ্রে সর্বাধিক ২০টি টেবিল বসানো হবে। আয়তনে বড় ১৬৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনার কাজ দু’টি ঘরে হবে। সব মিলিয়ে ৪৫৯টি ঘরে গণনার কাজ চলবে। বুথের সংখ্যার নিরিখে ১২ থেকে ২৩ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা। প্রথমে আলাদা ঘরে শুরু হবে পোস্টাল ব্যালট। তার ৩০ মিনিট পরে শুরু হবে ইভিএম-কাউন্টিং। ইভিএমের গণনা দু’রাউন্ড বাকি থাকতে বাধ্যতামূলক ভাবে শেষ করতে হবে পোস্টাল ব্যালট গণনার কাজ। অর্থাৎ, কোনও কেন্দ্রে মোট ১২ রাউন্ড গণনা হলে ১০-ম রাউন্ডের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট গণনা শেষ করতে হবে। তা না-হলে ১১-১২ রাউন্ডের গণনা শুরু করা যাবে না। প্রতি কেন্দ্রের অন্তত ৫ শতাংশ ইভিএম এবং তার সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাট কাউন্টিং মেলাতে হবে। কোথাও ইভিএম বিকল হলে সেটির সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাটের কাউন্টিংই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বেলা ১২টার পরে রেজাল্টের প্রাথমিক ট্রেন্ড মিলতে পারে।

  • Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    Assembly Election 2026: দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর ঘাটতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে একাধিক জেলায় ভোটকর্মীর তীব্র ঘাটতির কথা প্রকাশ্যে এসেছে (Assembly Election 2026)। পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবিলা করতে প্রথম দফায় দায়িত্ব পালন করা কেন্দ্রীয় সরকারি ও কেন্দ্রীয় পাবলিক সেক্টর ইউনিটের কর্মীদের দ্বিতীয় দফার (ECI) জেলাগুলিতে পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ জারি করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।

    নির্দেশিকা জারি কমিশনের (Assembly Election 2026)

    নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির মধ্যে কর্মীদের তথ্য বিনিময় ও নিয়োগপত্র জারির কাজ ‘ইএমএমএস’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, কর্মীদের বদলি ও নিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। দ্রুত নিয়োগপত্র জারি করে নির্দিষ্ট জেলায় রিপোর্ট করার নির্দেশও দিতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। কমিশন সূত্রে খবর, আসন্ন নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জেনারেল অবজারভার ১৪২ জন, পুলিশ অবজারভার ৯৫, এবং আয়-ব্যয় হিসেব পর্যবেক্ষক ১০০ জনের ঘাটতি রয়েছে।

    পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন

    এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটে পুলিশ জেলা ভিত্তিক বাহিনী মোতায়েন চূড়ান্ত করল কমিশন। জানা গিয়েছে, বারাসত পুলিশ জেলায় ১১২ কোম্পানি, বনগাঁ পুলিশ জেলা ৬২ কোম্পানি, বসিরহাট পুলিশ জেলায় ১২৩ কোম্পানি, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৫০ কোম্পানি, বারাকপুর (ECI) পুলিশ কমিশনারেটে ১৬০ কোম্পানি, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৬১ কোম্পানি (Assembly Election 2026), ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় ১৩৫ কোম্পানি, হাওড়া গ্রামীণে ১৪৭ কোম্পানি, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটে ১১০ কোম্পানি, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি, রানাঘাট পুলিশ জেলায় ১২৭ কোম্পানি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটে ৮৩ কোম্পানি, হুগলি গ্রামীণে ২৩৪ কোম্পানি, পূর্ব বর্ধমানে ২৬০ কোম্পানি, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১৩ কোম্পানি, কলকাতা পুলিশের অধীনে ২৭৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আরও কড়াকড়িভাবে ভোট করাতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Assembly Election 2026)।

  • BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    BJP: প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা! খাড়্গের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত বিজেপি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কমিশনে চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাল বিজেপি (BJP)। মঙ্গলবার এই দাবি জানানো হয় পদ্মশিবিরের তরফে। কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে “সন্ত্রাসবাদী” আখ্যা দিয়েছিলেন। গৈরিক শিবিরের দাবি, কংগ্রেস নেতার এহেন মন্তব্য অত্যন্ত অবমাননাকর এবং আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

    বিজেপির অভিযোগ (BJP)

    নির্বাচনী সংস্থার কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিজেপি লিখেছে, “বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে একটি সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘তিনি একজন সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ করেছেন। এই মন্তব্যটি প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।”  বিজেপির যুক্তি, এই ধরনের মন্তব্য চরম ব্যক্তিগত আক্রমণ এবং এমসিসি অনুযায়ী নির্ধারিত প্রচারের শালীনতার মানদণ্ড লঙ্ঘন করে, যা বর্তমানে ভোটমুখী তামিলনাড়ুতে কার্যকর রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ আক্রমণ

    এর আগেও খাড়গে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তামিলনাড়ুতে এআইএডিএমকে-বিজেপি জোটের সমালোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। যদিও পরে তিনি ব্যাখ্যা করেন, তিনি বলতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলিকে ভীত করছেন। তিনি আক্ষরিক অর্থে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলেননি (BJP)।

    ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

    এরপরেই বিজেপি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাঁচ দফা দাবি-সহ নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে। পদ্ম-শিবির নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেছে “এই মন্তব্য এমসিসি লঙ্ঘনের প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে” এবং খাড়গেকে “সর্বসমক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা বা বক্তব্য প্রত্যাহার” করার নির্দেশ দিতে, নচেৎ তাঁর প্রচার কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে। বিজেপি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের সাফ কথা, “একজন প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা শুধু নীতিগত সমালোচনা নয়, এটি তাঁর ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর গুরুতর আঘাত।”

    কমিশনের কাছে বিজেপির অনুরোধ

    বিজেপির আরও অনুরোধ, নির্বাচন কমিশন যেন এই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে এমন বিষয়বস্তু সরিয়ে নিতে বলে (BJP)। কমিশনের কাছে তাদের অনুরোধ, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মর্যাদা রক্ষা এবং একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ, বিষয়ভিত্তিক প্রচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে।” চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই ধরনের বক্তব্য প্রচারের মান কমিয়ে দেয়, উত্তেজনা বাড়ায় এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে দুর্বল করে।” পদ্ম শিবিরের আরও দাবি, “ভোটারদের সামনে কোনও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে অপরাধমূলক বা সন্ত্রাসবাদী হিসেবে উপস্থাপন করা ভয়, অপপ্রচার এবং ব্যক্তিগত অপমানের মাধ্যমে ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা (BJP)।” এই অভিযোগটি তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই করা হয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

  • ECI: ভোটগ্রহণের দুদিন আগেই মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর জারি একাধিক বিধিনিষেধ জারি কমিশনের

    ECI: ভোটগ্রহণের দুদিন আগেই মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর জারি একাধিক বিধিনিষেধ জারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট (Bengal Elections 2026) করাতে পণ করেছে ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। কোনও রাজনৈতিক দলই যাতে ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে, তাই নির্বাচন শুরুর দুদিন আগে থেকেই মোটরসাইকেল (Motor Bike) ব্যবহারের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে। জানা গিয়েছে, নির্বাচনের দুদিন আগে থেকে মোটরসাইকেল র‍্যালি বা শোভাযাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে না। সন্ধে ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ৷ তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক অনুষ্ঠান বা অনুরূপ বিশেষ কোনও প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করা হতে পারে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত মোটর সাইকেলে আরোহী বসানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷

    যেসব ক্ষেত্রে মিলবে ছাড় (ECI)

    তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক অনুষ্ঠান কিংবা স্কুল পড়ুয়াদের আনা-নেওয়ার মতো অত্যাবশ্যকীয় বিভিন্ন প্রয়োজনে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। ভোটদানের উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের মতো অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেলে পরিবারের সদস্য নিয়ে যাওয়া যাবে। উপরোক্ত বিধিনিষেধ থেকে কোনও বিশেষ ক্ষেত্রে অব্যাহতি বা ছাড়ের প্রয়োজন হলে, স্থানীয় থানা থেকে লিখিত অনুমতি নেওয়া যেতে পারে (ECI)। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক বা সোশাল মিডিয়া-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের প্রচারের মাধ্যমে উপরোক্ত বিধিনিষেধগুলি সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে প্রয়োজনীয় আদেশ বা নির্দেশাবলী জারি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এই বিধিনিষেধগুলি কঠোরভাবে কার্যকর ও তদারকি করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এমন কোনও প্রকার বিধি-লঙ্ঘন যেন না ঘটে, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ভীতি প্রদর্শন বা বিঘ্ন সৃষ্টির কারণ হতে পারে৷ সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Motor Bike)।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর আস্থা বাড়াতে ব্যবস্থা

    এদিকে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করতে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আস্থা বাড়াতে প্রয়োজনে নির্দেশ ছাড়াই পদক্ষেপের ইঙ্গিত নির্বাচন কমিশনের। সূত্রের খবর, এবার ভোটে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী অনেকটাই স্বাধীনভাবে কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনে সরাসরি পদক্ষেপ করতে পারবে বাহিনী (ECI)। এদিকে, প্রথম দফার নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে একাধিক বৈঠক হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের। সেখানে প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় কমান্ড্যান্টের নেতৃত্বে বাহিনী মোতায়েন থাকবে এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করলেও, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে স্বাধীন ভূমিকা নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষা নয়

    প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষা না করেই বিক্ষোভ বা গোলমালের পরিস্থিতিকে তৎক্ষণাৎ নিয়ন্ত্রণে আনতে নিজের এক্তিয়ারের মধ্যে থেকে যা পদক্ষেপ করা যায় সেটা করতে পারবে কমিশন। ভোটের সময় নিয়মিত রুট মার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ ভোটারদের সঙ্গে (ECI) সরাসরি যোগাযোগও রাখার পাশাপাশি কোথাও কোনও সমস্যা বা অশান্তির আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত হস্তক্ষেপও করবে বাহিনী। এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে কুইক রেসপন্স টিম তৈরি করা হয়েছে৷ এদের গাড়িতে ক্যামেরা লাগানো থাকবে এবং সর্বক্ষণ সেই ক্যামেরাগুলি লাইভ মোডে থাকবে। এছাড়াও থাকছে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম (Motor Bike)।

    বাইক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত

    পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত পৌঁছতে বা যেসব জায়গায় গাড়ি ঢোকে না, সেখানে যাতে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া যায়, তাই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বাইক ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে নির্বাচনী কমিশনের। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বাইক ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনাও করেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা ও হাওড়া জেলায় এই ব্যবস্থা বিশেষভাবে কার্যকর করা হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনার কথা মাথায় রেখে এবার কেবল আগ্নেয়াস্ত্র নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের হাতে লাঠিও তুলে দেওয়া হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ লাঠি সরবরাহের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে খবর (ECI)।

    যদিও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, জারি করা হয়নি কোনও বিজ্ঞপ্তিও (Motor Bike)। তবুও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় তাঁদেরও দায়িত্ব পালনে অনেকটা সুবিধা হবে। আইনশৃঙ্খলাও থাকবে আঁটসাঁট।

     

  • EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    EC: ‘বুথ দখল, বুথ জ্যামিং-সহ কোনও অনিয়ম চলবে না’, তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন (EC)। তার আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কড়া সতর্কবার্তা দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ (Violence Less Vote) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন নির্বাচন হতে হবে সম্পূর্ণভাবে অবাধ এবং সুষ্ঠু। কমিশন এও জানিয়েছে, কোনও ধরনের নির্বাচনী অনিয়ম—যেমন বুথ দখল, বুথ জ্যামিং, এবং ‘সোর্স জ্যামিং’ (অর্থাৎ ভোটারদের সংগঠিত হওয়া বা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছনোয় বাধা)—সহ্য করা হবে না। নির্বাচন হতে হবে ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত এবং কোনও প্রলোভন বা জোরজবরদস্তি ছাড়াই।

    ভয়মুক্ত ভোটের বার্তা কমিশনের (EC)

    এক্স হ্যান্ডেলে নির্বাচন কমিশন লিখেছে, “এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন অবশ্যই হবে—ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতি প্রদর্শনমুক্ত, প্রলোভনমুক্ত এবং কোনও রেড, বুথ জ্যামিং বা সোর্স জ্যামিং ছাড়াই।” কমিশনের এহেন মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী ও আঞ্চলিক বিভিন্ন দলের নেতারা। তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র এই সতর্কবার্তাকে একপ্রকার আল্টিমেটাম বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি একে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তৃণমূলের আর এক সাংসদ সাকেত গোখলে মুণ্ডপাত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। জানতে চান, একই ভাষা কি বিজেপির ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হবে?

    পশ্চিমবঙ্গে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো

    পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসার ইতিহাস বহু পুরানো। বাম জমানা তো বটেই, তৃণমূলের আমলেও নানা স্তরের নির্বাচনকে ঘিরে অনেক ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রের উৎসব শেষ হয়েছে শোকের আবহে। তাই কমিশনের এই সতর্কবার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে (ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল) ১,৩০০-এরও বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ২৫ জনের। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছিলেন। এনিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছিল অভিযোগ (Violence Less Vote)। বস্তুত, গত দু’দশক ধরে নির্বাচনী সংঘর্ষ ও ভীতি প্রদর্শন এ রাজ্যে একটি বড় সমস্যা হিসেবেই রয়ে গিয়েছে (EC)। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হল নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    অগ্নিপরীক্ষা

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হবে দু’দফায়—২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা কড়া হওয়ায়, আসন্ন  নির্বাচন শাসক দল ও নির্বাচন কমিশন—উভয়ের পক্ষেই হয়ে উঠেছে আক্ষরিক অর্থেই অগ্নিপরীক্ষা। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল কমিশনের। সেই বৈঠকও বেশ উত্তপ্ত হয়েছিল বলে খবর। যার জেরে দু’পক্ষের মধ্যেই অবিশ্বাস আরও বেড়ে গিয়েছে (Violence Less Vote)।তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের আগে ৪৮৩ জন প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিককে  বদলি করা হয়েছে। এটি প্রভাবিত করতে পারে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে। কমিশন অবশ্য এই বদলিকে সমর্থন করে জানিয়েছে, নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং হিংসা বা পক্ষপাত এড়ানোর জন্য এটি প্রয়োজনীয়। আরও একটি বড় বিতর্কের বিষয় হল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (EC)। তৃণমূলের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অসমভাবে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে বিজেপিকে। তৃণমূলের দাবি, পর্যালোচনার জন্য থাকা ৬০ লাখ নামের মধ্যে প্রায় ২৭ লাখেরই নাম বাদ গিয়েছে। তাই রাজ্যের মোট ভোটারের সংখ্যা কমে গিয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

     

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা, অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বাড়ছে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা। আরও ৪,৬৬০টি অতিরিক্ত বুথ (Auxiliary Polling Stations) তৈরির অনুমতি দিল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার (West Bengal Assembly Election) আসনসংখ্যা ২৯৪টি, বুথের সংখ্যা ৮০৬৮১। অতিরিক্ত বুথ তৈরি হয়ে গেলে সংখ্যাটা বেড়ে হবে ৮৫৩৭৯। কিছু বুথের স্থান পরিবর্তন হবে বলেও কমিশন সূত্রে খবর।

    অতিরিক্ত সহায়ক বুথ (West Bengal Assembly Election)

    জানা গিয়েছে, যেসব বুথে ভোটারের সংখ্যা ১২০০-এর বেশি, সেসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সহায়ক বুথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। ৪৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির অনুমতিও দিয়েছে কমিশন। ভোটদাতাদের সুবিধার্থে অন্যত্র সরানো হচ্ছে ৩২১টি বুথকে। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করার অনুমতি দিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে শুক্রবারই চিঠি দিয়েছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। বলা হয়েছে, নতুন বুথ তৈরির ক্ষেত্রে কমিশনের যে সব নিয়মকানুন রয়েছে, তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। ২০২০ সালের নিয়মাবলী মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। যেসব ভোটকেন্দ্রের ঠিকানা বদলাচ্ছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট বুথের প্রত্যেক ভোটারকে এই পরিবর্তনের কথা ব্যক্তিগতভাবে জানাতে হবে কমিশনের আধিকারিকদের। কমিশনের নির্দেশ, একজনের ক্ষেত্রেও যেন এর অন্যথা না হয় (Auxiliary Polling Stations)।

    নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, অতিরিক্ত বুথ তৈরির কথা এবং বুথের ঠিকানা পরিবর্তন করার কথা সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভালভাবে প্রচার করতে হবে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে লিখিতভাবে বুথ সংক্রান্ত নতুন তথ্য জানিয়ে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও বিষয়টি সম্বন্ধে অবগত করতে হবে সিইও দফতরকে (West Bengal Assembly Election)। প্রসঙ্গত, ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল শনিবার থেকেই জেলা সফর শুরু করছেন। ভোটের প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় ঘুরবেন তিনি। মনে রাখতে হবে, ভোটের নিয়ম এবার আগের চেয়েও কঠোর। কোনও ভোটকেন্দ্রেই মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি এবং ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও (West Bengal Assembly Election)।

     

  • Kaliachak Incident: আজই রাজ্যে তদন্তকারী দল! কালিয়াচকের ঘটনায় এনআইএ-কে তদন্তভার দিল নির্বাচন কমিশন

    Kaliachak Incident: আজই রাজ্যে তদন্তকারী দল! কালিয়াচকের ঘটনায় এনআইএ-কে তদন্তভার দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (NIA Kaliachak Incident) বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাওয়ের ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে এনআইএ-কে (National Investigation Agency)। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এনআইএ-র একটি দল রাজ্যে আসার কথা।

    এনআইএ-র মাধ্যমে তদন্ত

    বুধবার রাতে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) চলাকালীন কালিয়াচকে (NIA Kaliachak Incident) তিন মহিলা-সহ সাতজন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে ঘেরাও করে রাখা হয়। অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে এমন লোকজনও ছিলেন, যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তারা এসআইআর-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন, বলে খবর। গভীর রাতে বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছে আধিকারিকদের উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার অভিযানের সময় তাদের গাড়িতে হামলার চেষ্টা এবং রাস্তা অবরোধের ঘটনাও ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট কড়া অবস্থান নেয়। এটি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতির স্পষ্ট প্রমাণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য বিপজ্জনক, বলে দাবি শীর্ষ আদালতের। সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে নির্দেশ দেয়, সিবিআই বা এনআইএ-র মতো স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করাতে হবে। সেই অনুযায়ী এনআইএ তদন্ত শুরু করবে। এই ঘটনা বিচারকদের উপর ভয়ের প্রভাব ফেলবে বলে মামলার শুনানিতে জানান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।

    এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ

    এই ঘটনায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)-এর পক্ষ থেকেও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) এই নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। ঘটনায় জড়িত সকলকে চিহ্নিত করে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন তিনি। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত এবং মালদার পুলিশ সুপার অনুপম সিং। নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। এছাড়া, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রয়োজনে তাঁদের পরিবারের সুরক্ষার বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

  • West Bengal Assembly Election: ‘দ্রুত দায়িত্ব বুঝে নিন’, বৈঠকে নবনিযুক্ত আধিকারিকদের বলল কমিশন

    West Bengal Assembly Election: ‘দ্রুত দায়িত্ব বুঝে নিন’, বৈঠকে নবনিযুক্ত আধিকারিকদের বলল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দফায় বঙ্গে হবে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। এই নির্বাচন যাতে ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ হয়, তাই চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না নির্বাচন কমিশন (ECI)। শুক্রবার রাজ্যের সদ্য নিয়োজিত ডিএম, এসপি, ডিজি এবং সিপির সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। এই বৈঠকে তাঁদের দ্রুত দায়িত্বভার গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট জেলায় গিয়ে দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে। কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, ডিএম-এসপিদের বাংলো এবং সংশ্লিষ্ট লজিস্টিক ব্যবস্থাও যথা শীঘ্র সম্ভব নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বলা হয়েছে।

    বাংলোর দখল নিন (West Bengal Assembly Election)

    জানা গিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিদায়ী আধিকারিকরা বাংলো ছাড়তে দেরি করে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার প্রয়োজনীয় লজিস্টিক ঠিকঠাক হস্তান্তর করেন না। কখনও কখনও এই প্রক্রিয়ায় ইচ্ছে করে দেরি করার অভিযোগও ওঠে। এই পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সেই জন্যই কড়া নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনের আধিকারিকরা। বৈঠকে কমিশনের তরফে নবনিযুক্ত আধিকারিকদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দায়িত্বভার গ্রহণ থেকে শুরু করে ফিল্ড পর্যায়ের কাজ, সব ক্ষেত্রেই দ্রুত এবং স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করতে হবে। কমিশন জানিয়েছে, সদ্য বদলি হওয়া ডিএম এবং এসপিরা যাতে নির্বিঘ্নে কাজ শুরু করতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট বাংলোগুলি তাড়াতাড়ি খালি করে দিতে হবে। প্রশাসনিক বৈঠক, সমন্বয় এবং অন্যান্য সরকারি কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সব পরিকাঠামোও প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। এজন্য ২২ মার্চের মধ্যেই আবিশ্যকভাবে বাংলোগুলি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বদলি হওয়ার পরেও বাংলো আটকে রেখেছেন জেলাশাসকরা। তাঁদের দ্রুত বাংলো খালি করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কোনওভাবেই দখল করে রাখা যাবে না বাংলো।

    ৬টি মূল লক্ষ্য স্থির করে দিল কমিশন

    আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে ৬টি মূল লক্ষ্যও স্থির করেছে কমিশন (West Bengal Assembly Election)। এগুলি হল বুথ দখল রোধ করা, ভুয়ো ভোট প্রতিরোধ করা, অশান্তিমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা, কোনও প্রভাব ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা, ভোটারদের জন্য ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা এবং রাস্তা আটকানো, ভোটারদের বেরতে বাধা বা ভয় দেখিয়ে বুথে যাওয়া থেকে আটকানো রোধ করা। এদিকে, এদিনই জানা গিয়েছে, দিন কয়েকের মধ্যেই দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। নির্বাচন (ECI) সংক্রান্ত প্রস্তুতি নিয়ে একাধিক বৈঠক করবেন তিনি। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (West Bengal Assembly Election) মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি।

  • SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর পর পশ্চিমবঙ্গে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে শুক্রবারই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) তালিকায় ‘বিবেচনাধীন’ নামের নিষ্পত্তির গতি বেড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার দিনে প্রায় দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে মোট ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার ‘বিবেচনাধীন’ নাম। হাইকোর্ট নিযুক্ত ৭০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এই কাজ করছেন। সিইও দফতর সূত্র জানা গিয়েছে, এই গতিতে চললে ভোটের আগে সমস্ত বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে।

    আজই উচ্চ-পর্যায়ে বৈঠক

    অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে বৈঠকে ডাকলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারদের নামের তালিকা প্রকাশের আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠক ডাকা হয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোথাও আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, বৈঠকে জানতে চাইতে পারেন প্রধান বিচারপতি। উল্লেখ্য, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদল আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ঘিরে যাতে কোনও উত্তেজনা না তৈরি হয়, সে দিকেই এখন নজর আদালতের।

    সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি!

    আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ভোটের আগে যদি সমস্ত বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি না হয়, ঝুলে থাকা ভোটারদের কী হবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, স্পষ্ট নয়। সুপ্রিম কোর্টকে এ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হবে। তবে সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি করে ফেলতে চান বিচারকেরা। এর পরেও যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাঁরা বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন।

    দ্রুত গতিতে কাজ করছে কমিশন

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ সফ্‌টঅয়্যার প্রয়োজন। তা তৈরি করার পর আদালতের ছাড়পত্র নিতে হবে। সেই সফ্‌টঅয়্যারের কাজ চলছে। শেষ হলেই তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া যাবে। এর মধ্যে প্রতি দিনই ‘বিবেচনাধীন’ নাম নিষ্পত্তির কাজ করে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিক ও বিচারকেরা। যে দিন কমিশন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করবে, সে দিন পর্যন্ত যত নামের নিষ্পত্তি হবে, সব নাম ওই তালিকায় রাখা হবে। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার নাম ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় ছিল। কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে ফের প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তাঁর নাম যাতে আগে নিষ্পত্তি করা হয়, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাছে তিনি সেই আবেদন জানিয়েছিলেন। বুধবার সিইও দফতর খোঁজ নিয়ে জানিয়েছে, মন্ত্রীর নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।

    সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ 

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আর সেই তালিকায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীনের তালিকায় রয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরনোর পর কেটে গিয়েছে ২ সপ্তাহের বেশি। বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এই নিয়ে কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বললেন, “সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা তা প্রকাশ করতে পারব। যে সব নামের নিষ্পত্তি হয়েছে, সেগুলি এক-দু’দিনের মধ্যে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এখন যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে শুক্রবার কিংবা শনিবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বেরিয়ে যাওয়ার কথা।”

    ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    অন্য দিকে, ভোটের কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশন ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটিতে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। এ ছাড়া থাকছেন ৮৪ জন পুলিশ অবজার্ভার এবং ১০০ জন এক্সপেনডিচার অবজার্ভার। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন। এই সমস্ত পর্যবেক্ষক রাজ্যে আসতে শুরু করেছেন বুধবার থেকেই। কমিশন জানিয়েছে, শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে নয়, বুথ সংলগ্ন এলাকাতেও ভোটারকে হুমকি, ভয় দেখানোর মতো ঘটনা ঘটলে পুনর্নির্বাচন হতে পারে। ছাপ্পা, অশান্তি, বুথ দখলের মতো ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। কমিশনের বক্তব্য, বাংলায় হিংসামুক্ত, রক্তপাতহীন, স্বচ্ছ ভোট করাই লক্ষ্য। তাই অতীতে ভোটের হিংসা যেখানে বেশি হয়েছে এবং স্পর্শকাতর অশান্তিপ্রবণ জেলাগুলিতেই বেশি করে পুলিশ অবজ়ার্ভার নিয়োগের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করা হয়। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। শুধু অশান্তি নয়, কমিশন ভোটকে সামনে রেখে টাকা, মদ–মাদক সমেত বিভিন্ন ধরনের উপহার দেওয়ার খেলা বন্ধ করতেও বদ্ধপরিকর।

  • Election Commission: ভোটের আগে রাজ্য-কমিশন সংঘাত চরমে, ভিন রাজ্যে সরানো হল ১৫ আইপিএসকে

    Election Commission: ভোটের আগে রাজ্য-কমিশন সংঘাত চরমে, ভিন রাজ্যে সরানো হল ১৫ আইপিএসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের তৃণমূল পরিচালিত সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সংঘাত চরমে। বঙ্গে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর পরই বিভিন্ন পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন আইপিএসকে (IPS)। বুধবার ১৯ জন অপসারিত আধিকারিককে সিআইডি, আইবি এবং এসটিএফের মতো শাখায় পুনর্বহাল করার নির্দেশিকা জারি করেছিল রাজ্য সরকার। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্য সরকারের সেই নির্দেশিকা বাতিল করে দিয়েছে কমিশন।

    কমিশনের নয়া নির্দেশিকা (Election Commission)

    এদিন রাতেই কমিশনের তরফে নয়া নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওই আধিকারিকদের মধ্যে ১৫ জনকে অবিলম্বে তামিলনাড়ু এবং কেরলে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দিতে হবে। বিধাননগরের অপসারিত পুলিশ কমিশনার মুরলী ধর এবং শিলিগুড়ির অপসারিত পুলিশ কমিশনার ওয়াকার রাজা-সহ মোট ১৫ জনকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে। ওই তালিকায় থাকা অন্য আধিকারিকরা হলেন আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া, আমনদীপ, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, সি সুধাকর, ধৃতিমান সরকার, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, মুকেশ, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, প্রিয়ব্রত রায়, সন্দীপ কাররা এবং রশিদ মুনির খানও।

    কমিশনের সিদ্ধান্তে গুঞ্জন

    নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে গুঞ্জন শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে। সাধারণত, পর্যবেক্ষক হিসেবে কোনও আধিকারিককে পাঠানোর আগে তাঁর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এই ১৫ জনের মধ্যে একমাত্র প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী ছাড়া বাকি আধিকারিকদের সেই প্রশিক্ষণ নেই। গুঞ্জনের কারণ এটাই। যদিও, কমিশন সূত্রে খবর, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক নয়। নবান্নের পুনর্বহালের নির্দেশিকা জারির ঠিক পরে পরেই নির্বাচন কমিশনের এই পাল্টা পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ (Election Commission)। নির্বাচনের মুখে রাজ্য পুলিশের এই শীর্ষ স্তরের আধিকারিকদের বাংলা থেকে দূরে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্বাচনী সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলে, এখন তা-ই দেখার।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু এবং কেরলেও দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। ওই দুই রাজ্যে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের একাধিক আধিকারিককে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার আগে পর্যন্ত (IPS) যিনি ছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে তামিলনাড়ুতে (Election Commission)।

     

LinkedIn
Share