Tag: ECI

ECI

  • Suvendu Adhikari: ভুয়ো প্রেস কার্ড দিয়ে ছদ্মবেশী সাংবাদিকদের বুথে ঢোকানোর ছক তৃণমূল, আইপ্যাকের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ভুয়ো প্রেস কার্ড দিয়ে ছদ্মবেশী সাংবাদিকদের বুথে ঢোকানোর ছক তৃণমূল, আইপ্যাকের! বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল তৃণমূলের নির্বাচনী পরামর্শদাতা সংস্থা ‘আইপ্যাক’ (I-PAC)-এর বিরুদ্ধে এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, ভোটকেন্দ্রে অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে তৃণমূল কর্মীদের হাতে সুপরিকল্পিতভাবে ‘ভুয়ো’ প্রেস কার্ড বা সাংবাদিক পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে।

    বাহিনীর নজর এড়িয়ে স্পর্শকাতর বুথে ঢুকবে আইপ্যাক (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে দাবি করেছেন, “আইপ্যাক (I-PAC) সুসংগঠিতভাবে এমন ব্যক্তিদের সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দিচ্ছে যারা প্রকৃতপক্ষে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত নন।” তাঁর আশঙ্কা, এই ‘ছদ্মবেশী সাংবাদিকরা’ প্রেস কার্ডের বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজর এড়িয়ে বুথ এবং স্পর্শকাতর প্রশাসনিক দফতরে প্রবেশ করবে। সেখানে গিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা বা ভোট প্রক্রিয়ায় কারচুপি করার মতো বেআইনি পরিকল্পনা রয়েছে শাসকদলের। তিনি একে তৃণমূলের একটি সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক কৌশল বা ‘প্লে-বুক স্ট্র্যাটেজি’ বলে মন্তব্য করেছেন।

    পরিচয়পত্র পুনরায় যাচাই

    এই বিষয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে (ECI) দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে তিনি বেশ কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছেন। নতুন পরিচয়পত্রধারী সাংবাদিকদের গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো উচিত বলে দাবি করেছেন। শুধুমাত্র স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদেরই ভোটকেন্দ্রের নির্দিষ্ট পরিধির মধ্যে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার দাবি করেছেন। সেই সঙ্গে সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র পুনরায় যাচাই বা ‘সেকেন্ডারি ভেরিফিকেশন’-এর (I-PAC) ব্যবস্থা করার কথাও বলেন।

    শাসকদলের ওপর বাড়তি চাপ

    ভোটের মাত্র কয়েক দিন আগে এই ‘ভুয়ো প্রেস কার্ড’ ইস্যু রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের অন্যতম শীর্ষকর্তা ভিনেশ চান্ডেলের গ্রেফতারি (I-PAC) এবং সংস্থার অন্যান্য আধিকারিকদের ইডি-র তলব নিয়ে ইতিমধ্যেই চাপানউতোর চলছে। এই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর নতুন এই অভিযোগ শাসকদলের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • Bengal Assembly Polls 2026: বিধাননগরের নতুন পুলিশ কমিশনার নিযুক্ত হলেন ত্রিপুরারি অথর্ব, ভোটের মুখে আবার বড় রদবদল

    Bengal Assembly Polls 2026: বিধাননগরের নতুন পুলিশ কমিশনার নিযুক্ত হলেন ত্রিপুরারি অথর্ব, ভোটের মুখে আবার বড় রদবদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Assembly Polls 2026) প্রাক্কালে প্রশাসনিক রদবদলে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার পদ থেকে মুরলীধরকে সরিয়ে সেই স্থলাভিষিক্ত করা হল প্রবীণ আইপিএস আধিকারিক ত্রিপুরারি অথর্বকে। শনিবারই তাঁর নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করার কথা। অপরদিকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের কারণে পাঁচ বিএলও-কে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। দায়ের করা হয়েছে এফআইআর।

    সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে রদবদল (Bengal Assembly Polls 2026)

    নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে রদবদল শুরু করেছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই মুরলীধরকে বিধাননগর থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে মুরলীধরকে অন্য রাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও পরে তা স্থগিত করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত পর্যায়ে তাঁকে কমিশনার (Election Commission India) পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে ত্রিপুরারি অথর্বকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল।

    কে ত্রিপুরারি অথর্ব?

    আইপিএস ত্রিপুরারি অথর্ব পুলিশ মহলে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ আধিকারিক হিসেবে পরিচিত। বিধাননগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই এখন তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জ। বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Assembly Polls 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন কমিশন রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনিক স্তরে একাধিক বদলি কার্যকর করেছে। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলার ওপর আধিপত্য বজায় রাখতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে কমিশন এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি (Election Commission India) গ্রহণ করেছে। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এই পরিবর্তন বিধাননগর এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ৫ বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অপরদিকে নির্বাচন (Bengal Assembly Polls 2026) চলাকালীন নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে সরাসরি প্রচার বা দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে রাজ্যের পাঁচজন বুথ লেভেল অফিসারকে (BLO) সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, তাদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অভিযোগ ওঠে যে, সরকারি দায়িত্বে থাকা বেশ কয়েকজন বিএলও (BLO) সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। কারো বিরুদ্ধে দেওয়ালে চুনকাম করা বা দেওয়াল লিখনের অভিযোগ উঠেছে, আবার কেউ কেউ রাজনৈতিক সভায় উপস্থিত থেকে দলীয় পতাকা হাতে প্রচার করেছেন বলে জানা গেছে।

    অভিযুক্তদের নাম ও কাজের নমুনা

    উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্রে অভিযুক্ত তিন বিএলও হলেন অভিজিৎ দে (পার্ট নম্বর ২৮১), তপন কুমার সাহা (পার্ট নম্বর ২৮২) এবং কুমারজিৎ দত্ত (পার্ট নম্বর ২০৫)। অভিযোগ, সরকারি দায়িত্ব ভুলে এঁরা তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে সক্রিয় প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন। অপর দিকে দুবরাজপুরের ১১২ নম্বর পার্টের বিএলও মঞ্জুরি চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে ভোটার স্লিপ বিলি করছেন। একই ভাবে ময়ূরেশ্বরের এক বিএলও ভোটার স্লিপ বিলি করতে বেরোন সাইকেলে চেপে। এই সাইকেলে লাগানো ছিল তৃণমূলের দলীয় পতাকা। এই ঘটনায় দুই ক্ষেত্রে কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    ফৌজদারি মামলা রুজু করার নির্দেশ

    নির্বাচনী আচরণবিধি (Bengal Assembly Polls 2026) লঙ্ঘনের এই অভিযোগগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করেছে কমিশন। প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ার পরেই পাঁচজন বিএলও-কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সরকারি বেতনভুক্ত কর্মচারী (Election Commission India) হয়ে কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের স্বার্থে কাজ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই বার্তাকে কঠোর করতে অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপি ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলোর (Bengal Assembly Polls 2026) দাবি, শাসকদল প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি কর্মীদের নিজেদের ভোটযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, নির্বাচনের আগে ভয় দেখাতেই কমিশন (Election Commission India) এ ধরনের একতরফা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

    প্রতিটি স্তরে কড়া নজরদারিতে ভোট করাবে কমিশন

    অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে কমিশন যে বিন্দুমাত্র আপস করবে না, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তা আবারও স্পষ্ট করে দেওয়া হলো। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন (Bengal Assembly Polls 2026) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে কড়া নজরদারি বজায় রাখতে কমিশন (Election Commission India) ইতিমধ্যেই একাধিক আমলা ও পুলিশ আধিকারিককে বদলি বা অপসারণ করেছে।

  • West Bengal Elections 2026: বুথের ১০০ মিটারে চকের ‘লক্ষ্মণরেখা’ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ভোটকেন্দ্রে কড়া নজরদারি কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: বুথের ১০০ মিটারে চকের ‘লক্ষ্মণরেখা’ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ভোটকেন্দ্রে কড়া নজরদারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ করতে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকারে আমূল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটগ্রহণের দিন বুথের বাইরের ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবার ১০০ মিটারের একটি নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বলয় বা ‘লক্ষ্মণরেখা’ তৈরি করা হচ্ছে।

    বুথের ভেতর মোবাইল ফোনে না (West Bengal Elections 2026)

    কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের প্রবেশদ্বার থেকে ১০০ মিটার ব্যাসার্ধের এলাকাকে ‘রেস্ট্রিক্টেড জোন’ বা নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হবে। এই সীমানার ভেতর ভোটার এবং অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। বুথের ভেতর মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ওপরও কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের কর্মী যাতে জমায়েত করে ভোটারদের (Election Commission) প্রভাবিত করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ

    এবারের নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি স্পর্শকাতর বুথে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকছে। এই প্রথমবার কমিশন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনও বুথে নিয়মবহির্ভূত জমায়েত বা সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা গেলেই এআই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কন্ট্রোল রুমে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেবে। এর ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে কমিশন।

    অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত

    নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের (Election Commission) মতে, ভোটদানের প্রক্রিয়া চলাকালীন বুথ চত্বরকে সম্পূর্ণ এজেন্টমুক্ত ও নিরাপদ রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। ১০০ মিটারের এই গণ্ডি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণ ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) মনে আস্থা জোগাবে এবং নির্ভয়ে ভোটদানে উৎসাহিত করবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে এই নতুন বিধি লঙ্ঘন করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কমিশন।

    সমন্বিত নজরদারি ও প্রযুক্তির ব্যবহার

    কমিশন সূত্রে খবর, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার প্রতিটি বুথেই ‘ওয়েবকাস্টিং’-এর ব্যবস্থা করা হবে। এর ফলে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন কমিশনের আধিকারিকরা। সেইসঙ্গে নজরদারিতে কোনও ফাঁক না রাখতে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরাগুলোর নিয়ন্ত্রণও কমিশনের হাতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এই ক্যামেরাগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হবে, যাতে কোনও গন্ডগোল বা অশান্তির খবর পাওয়া মাত্রই ফুটেজ খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

    আরও ব্যবস্থা কমিশনের

    নিরাপত্তার পাশাপাশি ভোটারদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখে কমিশন বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে। যেমন—

    মোবাইল রাখার সুব্যবস্থা

    • ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোটারদের অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয়। এবার সেই অসুবিধা দূর করতে প্রতিটি বুথের বাইরে নিরাপদে মোবাইল ফোন জমা রাখার জন্য নির্দিষ্ট কাউন্টার বা জায়গার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    পরিকাঠামো উন্নয়ন

    • বয়স্ক ও বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের কথা বিবেচনা করে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে ভবনের নিচতলায় (Ground Floor) রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    মৌলিক পরিষেবা

    • প্রতিটি বুথে পরিচ্ছন্ন শৌচাগার এবং পর্যাপ্ত পানীয় জলের সুনিশ্চিত ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

    কমিশনের এই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপগুলো কতটা বাস্তবায়িত হয় এবং এর ফলে নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় এবং ভোটার-বান্ধব এই উদ্যোগগুলো সচেতন মহলে বিশেষ ভাবে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

  • West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ট্রাইবুনালে পাস করে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে কীভাবে জানবেন ভোটাররা, বলল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকাকে অনুসরণ করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে। কমিশনের (Election Commission India) তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে যদি কোনও আইনি জটিলতা থাকে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুনাল যদি কোনও ব্যক্তিকে ভোট দেওয়ার অনুমতি প্রদান করে, তবে তিনি নির্বিঘ্নে নিজের ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করতে পারবেন।

    সিইও-র বক্তব্য

    রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘বিএলওদের দায়িত্ব রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। এছাড়া ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন ভোটাররা, এছাড়া বিডিওর কাছেও সব তথ্য দেওয়া থাকবে। নির্বাচন কমিশনকে  সেতু বন্ধনের মতো একটা সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে যেখানে নামের নিষ্পত্তি হতেই ভোটারদের নাম তালিকায় যুক্ত হতে থাকবে।’’

    আদালতের নির্দেশনাকে অগ্রাধিকার (West Bengal Elections 2026)

    সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ বা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাইবুনালের রায়ই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) জানিয়েছেন, যদি কোনও ভোটারের (West Bengal Elections 2026) নাম নিয়ে আপত্তি থাকে কিন্তু ট্রাইবুনাল তাকে ‘ক্লিয়ারেন্স’ বা ছাড়পত্র দিয়ে থাকে, তবে তাকে ভোটদান থেকে বিরত রাখা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে যাতে কোনও প্রকার বিভ্রান্তি না তৈরি হয়, সেইজন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মূলত আইনি লড়াইয়ে জয়ী বা ট্রাইবুনাল থেকে বৈধতা পাওয়া ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুনিশ্চিত করতেই নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এটি যেমন আদালতের রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, তেমনি প্রকৃত ভোটারদের অধিকার রক্ষার একটি বলিষ্ঠ ধাপ। আসন্ন নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন বা নতুন নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে অনেক সময় কৌতূহল ও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও আইনি কাঠামো গঠন হয়েছে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ভোটার তালিকা সংশোধন করার প্রক্রিয়া একটি নিরবিচ্ছিন্ন কাজ হলেও, নির্বাচনের ঠিক আগে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার পর আর নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা যায় না। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে যে, নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখের পর ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলা বা কোনও বড় পরিবর্তন করা আইনত সম্ভব নয়।

    ভোটদানের অধিকার ও ট্রাইবুনাল

    যদি কোনও ব্যক্তির নাম নিয়ে ট্রাইবুনালে মামলা চলে এবং ট্রাইবুনাল তাকে বৈধ ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে সেই নির্দেশের ভিত্তিতে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে। আবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা (West Bengal Elections 2026) তৈরি করাই তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। মৃত ব্যক্তি বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে একটি ত্রুটিমুক্ত তালিকা প্রস্তুত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের তরফে সিইও মনোজ আগরওয়ালা  বলেন, “ট্রাইবুনাল স্বাধীনভাবে কাজ করছে, এরা নির্বাচন কমিশন (ECI) বা সিইও অফিসের অধীনে নয়। সুতরাং যতদিন না ড্যাশবোর্ড তৈরি হচ্ছে, তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করা যাবে না।’’

    কতজনের নিষ্পত্তি সম্ভব?

    সূত্রের তথ্য জানিয়েছে, রাজ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল কাজ করছে। ট্রাইবুনালগুলির মাথায় রয়েছেন ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতি। প্রতিদিন ১০টি করে আবেদন যাচাই করে পোর্টালে তুলছে। ১০টি নাম নিষ্পত্তি হলে, আরও ১০টি আবেদন জমা পড়ছে। যদি ধরেও নেওয়া হয় যে প্রতিদিন প্রত্যেক ট্রাইবুনাল ১০টি করে আবেদনের নিষ্পত্তি করছে, তাহলে একদিনে সংখ্যাটা হয় ১৯০। গত ১৩ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করেছে ট্রাইবুনাল। প্রথম দফার ক্ষেত্রে সময় রয়েছে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। এই ৯ দিনের মধ্য তিনদিন ছুটি। ছুটির দিন কোথাও কাজ হয়েছে, কোথাও হয়নি। ফলে ৯ দিনের প্রতিদিন ১৯০টি করে নিষ্পত্তি হলেও সংখ্যাটা দাঁড়ায় ১,৭১০। সুতরাং কোনও অবস্থাতেই প্রথম দফার আগে দু হাজারের বেশি নামের নিষ্পত্তি হওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেছে পরিসংখ্যান।  তাই ভোট কতজন দিতে পারবেন, সেই সংশয় রয়েই যাচ্ছে।

    কত নাম বাদ পড়েছে

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর প্রথম প্রকাশ হওয়া চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ পরে প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম। এরপর ৬০ লক্ষের কিছু বেশি নাম ছিল বিচারাধীন তালিকায়। মূলত তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে এই ৬০ লক্ষ নাম সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল। পরে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরনোর পর আরও ২৭ লক্ষ নাম বাদ পড়ে। এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯০ লক্ষের বেশি।

  • Shamik challenges Mamata: ‘পুরনো ভোটার লিস্টে ভোট করুন, তাও জিততে পারবেন না’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    Shamik challenges Mamata: ‘পুরনো ভোটার লিস্টে ভোট করুন, তাও জিততে পারবেন না’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করালেও বাংলায় চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Shamik challenges Mamata)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদল স্পষ্ট। এসআইআর মামলায় সুপ্রিম নির্দেশের পর সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইবুনাল যাঁদের ছাড়পত্র দেবে, তাঁরা প্রথম দফার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সংবিধানের ১৪২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রয়োগ করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ভোটের ২ দিন আগে ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হলেও দেওয়া যাবে ভোট।

    মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik challenges Mamata)। তাঁর সাফ কথা, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ভোট করাতে চাইছেন সেভাবেই করুন। পুরোনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করুন। তাও চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। তৃণমূল চলে গিয়েছে। তৃণমূল শেষ।” এদিন কমিশনের বিরুদ্ধেও খানিক ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে শমীককে। বলেন, “আমরা এই প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট নই। আমাদের ফর্ম ৭ এর শুনানি হয়নি। নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা পুরো শোনেননি। আমাদের অভিযোগ, আমাদের অভিমান কমিশনের বিরুদ্ধে। কিন্তু একটা সাংবিধানিক সংস্থা। আমরা তাঁদের আধিকারিকদের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি আমরা সন্তুষ্ট নই।”

    কী বলল দেশের শীর্ষ আদালত

    অবশেষে বাংলার এসআইআর মামলায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে পরিষ্কার বলা হয়েছে, যে লক্ষ লক্ষ ভোটার, যাঁরা ট্রাইবুনালে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, এবং তাঁদের মধ্যে যাঁদের প্রথম দফার ভোট (২৩ এপ্রিল) রয়েছে, এবং ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মধ্যে যাঁদের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং যাঁরা যাঁরা ট্রাইবুনালে পাশ করবেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম ভোটার লিস্টে উঠবে। তার জন্য সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করতে হবে এবং ২৩ এপ্রিল তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। একইভাবে, দ্বিতীয় দফার ভোট হচ্ছে ২৯ এপ্রিল। ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত, যাঁদের যাঁদের ভোটার লিস্টে নাম ওঠার জন্য সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, যাঁরা ট্রাইবুনালে পাশ করতে পারবেন, তাঁরা দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন। এই ২৭ এপ্রিল অবধি যাঁদের নাম উঠবে, তাঁদের জন্য আলাদা সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বের করা হবে।

  • West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন পুলিশ আধিকারিকদের বদলি সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কোনও আইনি জটিলতা তৈরি করার প্রয়োজন নেই। ফলে রাজ্য সরকারের ফের আরেকবার মুখ পুড়ল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন আবহে (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যে আবেদন করা হয়েছিল, তাতে আদালত কোনও সাড়া দেয়নি। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টও কমিশনের এই প্রশাসনিক এক্তিয়ারের পক্ষেই মত দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সেই নির্দেশকেই কার্যকর রাখল।

    বঙ্গে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে ৪৬ জন অফিসার বদল করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এই আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেছিল মমতা সরকারের তরফে। পাশাপাশি বিডিও, আইসি এবং ওসি বদলি নিয়ে দায়ের হয় আর একটি মামলা। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দুটি খারিজ করে দেন। তাঁদের সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের বদলি করার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত, অযৌক্তিক বা দুরভিসন্ধিপূর্ণ বলে মনে করা যায় না। কারণ গোটা দেশে এমন অফিসার বদলির ঘটনা ঘটেছে একাধিক জায়গায়।”

    আইনি যুক্তি

    শীর্ষ আদালতের মতে, নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও আধিকারিককে বদলি বা নতুন করে নিয়োগের ক্ষমতা রাখে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বিশেষ কোনও মৌলিক অধিকার খর্ব হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আধিপত্য আরও একবার আইনি শিলমোহর পেল। রাজ্যের বর্তমান নির্বাচনী আবহে কমিশনের নেওয়া বদলি সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই রায়ের ফলে পুরোপুরি দূর হয়েছে। এখন থেকে কমিশন (Supreme Court) তার নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক রদবদল চালিয়ে যেতে পারবে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট কথা নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

  • Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বড়সড় আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষমতায় এলে তারা ‘যুবশক্তি কার্ড’ চালু করবে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন বেকারদের (WB Assembly Polls 2026) প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

    যুবশক্তি কার্ড (Bharatiya Janata Party)

    বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে এবং কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত না হওয়া পর্যন্ত যুবকদের পাশে দাঁড়াতে এই কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে ভারতীয় যুব মোর্চার তরফে। এই প্রকল্পের অধীনে যোগ্য আবেদনকারীরা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাবেন। এর মূল উদ্দেশ্য হল, যুবক-যুবতীদের (WB Assembly Polls 2026) দৈনন্দিন খরচ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছলতা প্রদান করা। শিল্প হবে, বিনিয়োগ হবে। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান হবে। প্রতি বছর এসএসসি, টেট-সহ নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সরকারি চাকরির বয়স সীমায় ৫ বছরের ছাড়। স্টার্ট আপ করতে চাইলে আর্থিক সাহায্য করবে বিজেপি। ৫ লক্ষ যুবক-যুবতিদের ১০ লক্ষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে সহ আরও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

    বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান

    দলের নেতৃত্ব দাবি করছেন যে, রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব ঘোচাতে এবং বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরতেই এই জনমুখী প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুব সমাজকে স্বাবলম্বী করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কয়েক লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী সরাসরি উপকৃত হবেন বলে বিজেপি (Bharatiya Janata Party) শিবিরের আশা।

    এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে?

    টেনিস তারকা ও বিজেপি নেতা লিয়েন্ডার পেজ বলেন, “গত ১৫ বছরে রাজ্যের অর্থনীতি, শিক্ষা, চাকরির অবস্থা খুব খারাপ। পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে যুবসমাজ। কেউ কাজের জন্য যাচ্ছেন। কেউ আবার উচ্চশিক্ষার জন্য মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু চলে যাচ্ছে। এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে? নারীরা আদৌ কত সুরক্ষিত?” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এবং কর্মসংস্থানকে প্রধান নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতেই বিজেপি (WB Assembly Polls 2026) এই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে এই প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

  • West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ মজবুত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন।  ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যেরে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। জানা গেছে, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪০,৯২৮ জন রাজ্য পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ২৪০৭ কোম্পানি  কেন্দ্রীয় বাহিনীও প্রথম দফায় মোতায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের প্রস্তুতি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এই দফায় নিরাপত্তার (West Bengal Elections 2026) ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। প্রথম দফায় (West Bengal Elections 2026) উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাতেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কোচবিহারে ২,৩৭০ জন এবং মালদায় ২,৮১৮ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। পাহাড়ের জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে থাকছেন যথাক্রমে ১,১৭০ এবং ৬২৭ জন কর্মী। জেলাভিত্তিক পুলিশ মোতায়েনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় মোট ৫,৭৬৬ জন পুলিশকর্মী নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩,৩২৭ জন এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ৩,১২৭ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে।

    চার গুণ বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ওই জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে একটি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং অপরটি হল, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। আর এই দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলাতেই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন হবে জঙ্গিপুরে। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে থাকবে ৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে থাকবে ৪৪ কোম্পানি।

    বাড়তি নজর কোচবিহারে

    উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলাকে স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদায় ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

    অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূম জেলায় ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    অতিরিক্ত বাহিনী রিজার্ভে

    জেলাভিত্তিক মোতায়েনের পাশাপাশি ২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত সংখ্যক রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকবে। প্রতি বুথে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (Election Commission India) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল নিরাপত্তা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) মনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

  • SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২টি রাজ্য এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের কাজ শেষ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত বছর বিহার থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া, যা বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছিল, এখন একটি বৃহৎ পরিসরের ভোটার তালিকা পরিশোধন অভিযানে পরিণত হয়েছে।

    ইলেকশন কমিশনের তথ্য (SIR)

    ইলেকশন কমিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট বা যাচাইযোগ্য নয় এমন ভোটারদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫১ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪৫.৮ কোটির কাছাকাছি। যাচাইকরণের সময় ৭.২ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দাবি, আপত্তি এবং নতুন নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ভোটার যুক্ত হন, ফলে মোট ৫.২ কোটি বা প্রায় ১০ শতাংশ ভোটার কমে যায়।

    উত্তরপ্রদেশ
    জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের বৃহত্তম রাজ্য উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। এসআইআরের আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি, পরে কমে এটাই গিয়ে দাঁড়ায় ১৩.৩৯ কোটিতে। অর্থাৎ প্রায় ২.০৫ কোটি নাম বাদ পড়েছে। দাবি ও আপত্তির পর প্রায় ১৩.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে পড়ুয়ার সংখ্যাও।

    তামিলনাড়ু
    তামিলনাড়ুতে ভোটার সংখ্যা ৬.৪১ কোটি থেকে কমে ৫.৬৭ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বাদ গিয়েছে প্রায় ৯৭.৩৭ লাখ নাম।

    পশ্চিমবঙ্গ
    পশ্চিমবঙ্গে বাদ পড়েছেন প্রায় ৯০.৯৩ লাখ ভোটার। এ রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭.৬৬ কোটি থেকে কমে ৬.৭৫ কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়। বিচার প্রক্রিয়ায় ৬০ লাখের বেশি মামলা খতিয়ে দেখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করেন নির্বাচন কমিশনের। পরে চ্যালেঞ্জ করেন সুপ্রিম কোর্টে।

    গুজরাট
    গুজরাটে ভোটার সংখ্যা ৫.০৮ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪.৪০ কোটি।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশে বেড়া দিতে গিয়ে এসআইআরে বাদ পড়েছে প্রায় ৩৪.২৫ লাখ ভোটারের নাম। মোট ভোটার সংখ্যা ৫.৭৪ কোটি থেকে কমে হয় ৫.৩৯ কোটি।

    মরু রাজ্যে বাদ পড়লেন কত

    রাজস্থান

    মরুরাজ্যে প্রায় ৩১.৩৬ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। ছত্তিশগড়
    ২৪.৯৯ লাখ নাম বাদ পড়ায় ভোটার সংখ্যা ২.১২ কোটি থেকে কমে হয়েছে ১.৮৭ কোটি। কেরল
    ৮.৯৭ লাখ নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২.৭১ কোটি।

    ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ

    গোয়া
    ১.২৭ লাখ ভোটার কমে গিয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে
    ৫২,৩৬৪ ভোটার কমেছে। পুদুচেরিতে
    ভোটার সংখ্যা ১০.২১ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৯.৪৪ লাখ।

    লাক্ষাদ্বীপ
    মাত্র ২০৬ ভোটার কমে মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭,৬০৭। প্রসঙ্গত, এই আপডেট করা ভোটার তালিকার উদ্দেশ্যই হল ভুয়ো ভোটার কমানো এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা।

     

  • West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে দুটি বিষয় উঠে এল সুপ্রিম কোর্টে। ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের প্রসঙ্গ (West Bengal SIR) এবং মালদাকাণ্ড। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রাজ্যে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    প্রধান বিচারপতির বক্তব্য (West Bengal SIR)

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে পারি না, যাতে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারপতিদের ওপর আরও বাড়তি চাপ পড়ে। আমাদের সামনে আর একটি আবেদনও রয়েছে, যেখানে আপিল প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি তোলা হয়েছে।” এদিনের শুনানিতে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ১৬ লাখ আবেদন করা হয়েছে। তাঁদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন জানান তিনি। কল্যাণের সওয়াল প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত বলে, “সেই প্রশ্নই ওঠে না। যদি আমরা এটা অনুমতি দিই, তা হলে যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকারও স্থগিত করতে হবে।”

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দিতে হবে। প্রধান বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিচারকদের নিরাপত্তা কোনওভাবেই প্রত্যাহার করা যাবে না। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, মোট ৬০ লাখ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এখনও প্রায় ২,০০০ মুলতবি রয়েছে।” মালদার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আমরা জানতে চাই, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র ছিল কি না। আমরা চাই না, বিষয়টি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকুক।”

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শ

    এদিকে, মালদাকাণ্ডে তদন্তের অন্তর্বতী রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। তদন্তের কত দূর অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়েও রিপোর্ট জমা দিয়েছে তারা। এজলাসে এনআইএ জানায়, মালদহকাণ্ডে মূল চক্রান্তকারীকে রবিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে (West Bengal SIR)। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মূল মামলা শুরুর আগে এক আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, ট্রাইবুনালে আবেদন শোনা হচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমায় জানিয়েছেন আজ সকাল থেকে ট্রাইবুনালে শুনানি শুরু হয়েছে। ট্রাইবুনালকে এ ভাবে ব্ল্যাকমেল করা যাবে না। আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নেব না, যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ট্রাইবুনালই নেবে।” মামলাকারীকে ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শও দেয় শীর্ষ আদালত।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী

    এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বলেন, “এক্ষেত্রে কোনও দায় ঠেলাঠেলি চলবে না। দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে ভুগতে হচ্ছে ভোটারদের।” কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই দেশে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধু সাংবিধানিকই নয়, এটি আবেগের বিষয়ও বটে (West Bengal SIR)।” তথ্যগত অসঙ্গতির মতো একটি বিষয় যে শুধু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই রয়েছে, অন্য কোনও রাজ্যে নেই, সে বিষয়ের উপরেও আলোকপাত করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি বলেন, “যত ক্ষণ না বিপুল সংখ্যক ভোটার বাদ পড়ছেন বা ভোটের ফলের ওপর তার বাস্তবিক কোনও প্রভাব পড়ছে, ততক্ষণ নির্বাচন বাতিল করা সম্ভব নয়।” বিচারপতি বাগচী বলেন, “এসআইআরের বিচারকাজে নিয়োজিত আধিকারিকদের ওপর অত্যধিক চাপ রয়েছে। তাই তাঁদের কাছ থেকে ১০০ শতাংশ নির্ভুলতা আশা করা যায় না। প্রতিদিন ১০০০টিরও বেশি নথি যাচাই করতে হলে ৭০ শতাংশ নির্ভুলতাকেও ‘চমৎকার’ বলা যেতে পারে।”

     

LinkedIn
Share