Tag: Economic Survey 2025–26

  • Economic Survey 2025-26: গতি শক্তির প্রভাব স্পষ্ট! জিডিপির ৮ শতাংশের নিচে নামল লজিস্টিকস খরচ

    Economic Survey 2025-26: গতি শক্তির প্রভাব স্পষ্ট! জিডিপির ৮ শতাংশের নিচে নামল লজিস্টিকস খরচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ লজিস্টিকস খরচের সমস্যা অবশেষে কমতে শুরু করেছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ (Economic Survey 2025-26) জানিয়েছে, দেশের বৃহৎ পরিকাঠামোয় বিনিয়োগের সুফল এখন ভারতের অর্থনীতিতে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য উন্নয়ন দফতর (DPIIT) এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অব অ্যাপ্লাইড ইকনমিক রিসার্চ (NCAER)-এর যৌথ সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষে ভারতের লজিস্টিকস খরচ কমে জিডিপির ৭.৯৭ শতাংশে নেমেছে। আগের অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৮.৮৪ শতাংশ এবং ২০২১–২২ সালে ছিল ৮.৭৯ শতাংশ।

    উচ্চ লজিস্টিকস খরচ আর বাধা নয়

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে উচ্চ লজিস্টিকস খরচ ভারতের উৎপাদন ও রফতানি প্রতিযোগিতার পথে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। উন্নত অর্থনীতিগুলিতে যেখানে লজিস্টিকস খরচ সাধারণত জিডিপির ৬ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ, সেখানে ভারতে দীর্ঘদিন ধরে তা ১৩ শতাংশেরও বেশি ছিল। এর ফলে ব্যবসার খরচ বেড়েছে এবং দক্ষতা কমেছে। এই প্রেক্ষাপটে ৮ শতাংশের নিচে নেমে আসাকে সমীক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পিএম গতি শক্তি কমিয়েছে লজিস্টিকস খরচ

    সমীক্ষা অনুযায়ী, এই উন্নতির পিছনে একাধিক সমন্বিত পরিকাঠামো ও লজিস্টিকস উদ্যোগের ভূমিকা রয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে পিএম গতি শক্তি, ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর (DFC), ভারতমালা এবং সাগরমালা প্রকল্প। এর মধ্যে পিএম গতি শক্তিকে সবচেয়ে রূপান্তরমূলক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ২০২১ সালে চালু হওয়া পিএম গতি শক্তি এখন একটি সমন্বিত জিও-স্পেশাল পরিকল্পনা রূপে গৃহীত হয়েছে। এই ডিজিটাল কাঠামোর মাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রক ও সংস্থা একই প্ল্যাটফর্মে কাজ করতে পারছে, ফলে প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি কমছে, প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা সহজ হচ্ছে এবং বিনিয়োগ আরও কার্যকর হচ্ছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ৫৭টি মন্ত্রক ও দফতর এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছে। জাতীয় মাস্টার প্ল্যানে ১,৭০০-রও বেশি ডেটা লেয়ার সংযুক্ত হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন খাত ও অঞ্চলের পরিকাঠামো নেটওয়ার্ক একসঙ্গে দেখা সম্ভব হচ্ছে।

    পিএম গতি শক্তি পাবলিক’ প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব

    এর ফলে রাস্তা, রেল, বন্দর, বিদ্যুৎ এবং টেলিকম পরিকাঠামোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ছে, পণ্য পরিবহণের সময় কমছে এবং মূলধনী ব্যয়ের অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়ানো যাচ্ছে বলে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি পরিকাঠামোর পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্যও উদ্যোগের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি চালু হওয়া ‘পিএম গতি শক্তি পাবলিক’ প্ল্যাটফর্মে ২৩০টি কিউরেটেড ডেটাসেট বেসরকারি ডেভেলপার, লজিস্টিকস সংস্থা ও গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    গতি শক্তি ডিস্ট্রিক্ট মাস্টার প্ল্যান মডিউল

    রাজ্য স্তরেও সমন্বিত লজিস্টিকস পরিকল্পনার অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। ২৭টি রাজ্য ইতিমধ্যেই রাজ্য লজিস্টিকস নীতি ঘোষণা করেছে এবং ২৮টি আকাঙ্ক্ষিত জেলা গতি শক্তি ডিস্ট্রিক্ট মাস্টার প্ল্যান মডিউল ব্যবহার করছে। প্রযুক্তিনির্ভর সংযোগের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ইউনিফায়েড লজিস্টিকস ইন্টারফেস প্ল্যাটফর্ম (ULIP) বর্তমানে ১১টি মন্ত্রকের ৪৪টি সিস্টেমকে যুক্ত করছে, যেখানে ২,০০০-রও বেশি ডেটা ফিল্ডের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১,৭০০-র বেশি সংস্থা এই প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত হয়েছে।

     

     

  • Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    Economic Survey 2025-26: ইথানল ব্যবহারের কারণে ভারতে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকার অপরিশোধিত তেলে ব্যবহারে হ্রাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইকোনমিক সার্ভে (অর্থনৈতিক সমীক্ষা) ২০২৫–২৬ (Economic Survey 2025-26) অনুযায়ী, ভারতের ইথানল (Ethanol) মিশ্রণ কর্মসূচি দেশকে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে সাহায্য করেছে। আবার সেইসঙ্গে প্রায় ২৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেলের আমদানি কমিয়েছে।

    অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস (Economic Survey 2025-26)

    সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইথানল-মিশ্রিত জ্বালানি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। এই কর্মসূচির ফলে বহুমুখী সুবিধা পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে — অপরিশোধিত তেলের আমদানি হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রার বহির্গমন কমানো এবং ইথানল (Ethanol) উৎপাদনের কাঁচামাল সরবরাহকারী কৃষকদের আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি (Economic Survey 2025-26)।

    কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য

    ২০২৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত যে সাফল্যগুলি অর্জিত হয়েছে, তা পরিবহন জ্বালানিতে ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রাকেই প্রতিফলিত করে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে যে, মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা ই-২০ (E20)-এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কর্মসূচি এখন প্রথাগত চিনি-ভিত্তিক কাঁচামালের গণ্ডি পেরিয়ে খাদ্যশস্য, বিশেষ করে ভুট্টা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এই বৈচিত্র্যকরণের ফলে ইথানল (Ethanol) মিশ্রণের গতি ত্বরান্বিত হয়েছে এবং অপরিশোধিত তেলের বিকল্প ব্যবহারের মাত্রা আরও বেড়েছে।

    ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে

    সমীক্ষায় আরও লক্ষ্য করা গিয়েছে, সরকার নির্ধারিত ইথানলের মূল্য এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলির (OMCs) পক্ষ থেকে নিশ্চিতভাবে পণ্য ক্রয়ের প্রতিশ্রুতি উৎপাদন বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা পালন করেছে। ২০২২ থেকে ২০২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে ভুট্টা-ভিত্তিক ইথানলের নির্ধারিত দাম বার্ষিক ১১.৭ শতাংশ চক্রবৃদ্ধি হারে (CAGR) বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কৃষক ও উৎপাদকদের উৎসাহিত করেছে।

    তবে একই সঙ্গে, সমীক্ষায় (Economic Survey 2025-26) সতর্ক করা হয়েছে, ইথানল মিশ্রণের ক্রমবর্ধমান মাত্রার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। ইথানলের কাঁচামালের চাহিদার কারণে চাষাবাদের ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে, যা ফসলের বৈচিত্র্য এবং খাদ্য নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কর্মসূচিটি যত পরিপক্ক হচ্ছে, জ্বালানি নিরাপত্তার লক্ষ্যের সঙ্গে কৃষি খাতের স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

  • Economic Survey: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার থাকতে পারে ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    Economic Survey: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির হার থাকতে পারে ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে, বলছে অর্থনৈতিক সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ (Economic Survey) পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বৃহস্পতিবার সংসদে পেশ করা ওই সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়েছে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতির একটি আশাব্যঞ্জক ছবি । সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারত এখনও বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল (India Growth Rate) প্রধান অর্থনীতির দেশ। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে যেখানে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭.৪ শতাংশ হবে, সেখানে  বলে অনুমান করা হয়েছে, জিভিএ বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭.৩ শতাংশ। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, ভারতের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৬.৮ থেকে ৭.২ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতা 

    ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক বাণিজ্য বিঘ্নের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও সমীক্ষায় (Economic Survey) বলা হয়েছে, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, স্থিতিশীল কর্মসংস্থান এবং নিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির কারণে ভারতের অর্থনৈতিক পারফরম্যান্স আলাদা করে নজর কেড়েছে। কম মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে গৃহস্থালি ব্যয় দৃঢ় রয়েছে এবং গ্রামীণ ও শহুরে – উভয় ক্ষেত্রেই ভোগব্যয়ে ধারাবাহিক উন্নতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। সমীক্ষায় বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। পুঁজি গঠন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরকারি ব্যয় পরিকাঠামো সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উৎপাদন খাতে গতি সঞ্চার হয়েছে এবং পুনরুদ্ধারের স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে (Economic Survey) । পরিষেবা খাত এখনও প্রবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি, যা ভারতের জিডিপির অর্ধেকেরও বেশি অবদান রাখছে। ভারতের রাজস্ব অবস্থানেও উন্নতি হয়েছে। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে কেন্দ্রের রাজস্ব আদায় জিডিপির ৯.২ শতাংশে পৌঁছেছে। উন্নত কর ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কারের ফলে করদাতার পরিসরও বিস্তৃত হয়েছে। ২০২০ সালের পর থেকে সরকারি ঋণের পরিমাণ কমেছে, যদিও সরকারি বিনিয়োগ উচ্চ পর্যায়ে বজায় রয়েছে (India Growth Rate)।

    বড় ধরনের পরিবর্তন

    সমীক্ষা (Economic Survey) অনুযায়ী, ব্যাঙ্কিং খাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ খেলাপি ঋণের হার নেমে এসেছে ২.২ শতাংশে, যা বহু দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরও গভীর হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫৫ কোটিরও বেশি জনধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। একই সঙ্গে খুচরো বিনিয়োগকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যাদের প্রায় এক-চতুর্থাংশই মহিলা। বৈদেশিক ক্ষেত্রে ভারতের রফতানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যার প্রধান চালক পরিষেবা খাত। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৭০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি হয়েছে, যা বৈশ্বিক ধাক্কার বিরুদ্ধে শক্তিশালী সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছে (India Growth Rate)। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ছিল মাত্র ১.৭ শতাংশ, যা ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) চালু হওয়ার পর থেকে সর্বনিম্ন (Global Headwinds)। ভালো বর্ষার ফলে কৃষিক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং খাদ্যশস্য উৎপাদন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

    উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

    সমীক্ষায় (Economic Survey) পরিকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল সংযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথাও বলা হয়েছে। ভারত এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল বাজার। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও দেশটি বৈশ্বিক নেতৃত্বদানকারী দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে দারিদ্র্য, মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে (Indias Growth Rate)।সারসংক্ষেপে অর্থনৈতিক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সংস্কার, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও স্থিতিশীল সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোর জোরে ভারত ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার থেকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি ও ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক আস্থার ফলে ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের দিকে এগোতে ভারত সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।

LinkedIn
Share