Tag: ed investigation

ed investigation

  • DCP Shantanu Sinha Biswas: এবার বালি পাচার মামলায় ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব ইডির, কিন্তু কোথায় তিনি?

    DCP Shantanu Sinha Biswas: এবার বালি পাচার মামলায় ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব ইডির, কিন্তু কোথায় তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দুর্নীতির তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে আগেই তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এবার বালি পাচার মামলাতেও কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। তবে গত রবিবার ফার্ন রোডে তাঁর বাড়িতে ইডির তল্লাশির পর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফা ভোটের দিন বুধবার তাঁকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। একই মামলায় ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন জেলাশাসক সুনীল আগরওয়ালকেও তলব করা হয়েছে।

    হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের সূত্রে তলব!

    সাম্প্রতিক সময়ে বালি পাচার কাণ্ডে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়েছে ইডি। যদিও শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ও সুনীল আগরওয়ালকে ঠিক কোন মামলায় ও কী প্রেক্ষিতে তলব করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডি জানিয়েছে, তদন্তে একটি হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের সূত্র পাওয়া গেছে। সেখানে দেখা যায়, জয় কামদার শান্তনুকে তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসের একটি ছবি মুছে ফেলতে বলেন। প্রথমে মেসেজ পাঠিয়ে ‘ডিলিট’ করার অনুরোধ, পরে তাঁকে দু’বার হোয়াটসঅ্যাপ কলও করেন কামদার।

    প্রোমোটার জয় কামদারকে জমি পাইয়ে দিতেন শান্তনু!

    কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ধৃত জয় কামদারের সঙ্গে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের বিভিন্ন স্তরে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। সেই তালিকায় রয়েছেন ডেপুটি কমিশনার শান্তনুও। তদন্তকারীদের অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে প্রোমোটার জয় কামদারকে জমি পাইয়ে দিতে সাহায্য করতেন তিনি। এমনকি কামদারের কাছ থেকে একটি বেআইনি নির্মাণও নিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে, যা নিয়ে ২০১১ সাল থেকে মামলা চলছে। ইডির মতে, জয় কামদারদের মূল লক্ষ্য ছিল তিন ধরনের জমি— যৌথ মালিকানাধীন জমি, ভাড়াটিয়া সংক্রান্ত জটিলতায় জড়ানো জমি এবং যেসব জমির মালিক রাজ্যের বাইরে থাকেন। এই সংক্রান্ত অভিযোগ আগেও কালীঘাট, ফুলবাগান, রবীন্দ্র সরোবর ও উল্টোডাঙা থানায় দায়ের হয়েছিল।

    ২ ছেলেরও যোগ!

    এছাড়া তদন্তে উঠে এসেছে, শান্তনুর দুই পুত্র সায়ন্তন ও মনীশের সঙ্গেও জয় কামদারের যোগাযোগ ছিল। অভিযুক্তের ডায়েরি থেকে পুলিশ আধিকারিকদের দেওয়া বিভিন্ন উপহারের উল্লেখ পাওয়া গেছে, যেখানে ‘শান্তনু স্যার’-এর নামও রয়েছে। ফার্ন রোডের ৫এ নম্বর প্লটে জয় একটি বেআইনি নির্মাণ করছিলেন বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। আদালতে জমা দেওয়া নথিতে ইডি জানিয়েছে, ‘সান পাওয়ার রিয়েলটি এলএলপি’ নামের একটি সংস্থা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই সংস্থার মাধ্যমেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুই পুত্রের নামে দুটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে। যার মূল্য যথাক্রমে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ৮৫ টাকা এবং ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৬১ টাকা।

    ‘নিখোঁজ’ শান্তনু সিনহা!

    এদিকে, রবিবার থেকে কার্যত ‘নিখোঁজ’ শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। ওই দিন ভোরে বালিগঞ্জে তাঁর বাড়িতে ইডি তল্লাশি চালালেও তাঁকে খুঁজে পায়নি তদন্তকারীরা। যদিও তল্লাশির সময় তাঁর পুত্র দাবি করেছিলেন, তিনি বাড়িতেই রয়েছেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কিন্তু ইডি সূত্রের দাবি, অভিযানের সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। সোমবার তাঁকে ও তাঁর দুই পুত্রকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হলেও কেউই হাজির হননি। প্রভাবশালী পুলিশ কর্তার এই আকস্মিক অন্তর্ধান ও তলব এড়িয়ে যাওয়ায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে— তবে কি সত্যিই গা ঢাকা দিয়েছেন কলকাতা পুলিশের এই ডেপুটি কমিশনার?

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বিল্ডার তথা ব্যবসায়ী জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। নির্মাণ সংস্থা ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত সমাজবিরোধী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সম্পর্কের শিকড় অনেক গভীরে। দুজনের এই ‘অশুভ আঁতাত’ এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের আতস কাচের নীচে।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর বিদেশি পিস্তল-রহস্য

    সম্প্রতি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রাম্ত মামলায় তল্লাশি অভিযানের সময় সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস খুঁজতে গিয়ে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির হদিস পায় ইডি (ED)। ১ এপ্রিল বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ একটি ৭ এমএম বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে, যার গায়ে ‘মেড ইন ইউএসএ’ লেখা ছিল। তদন্তে জানা যায়, ১৫ জানুয়ারি ওই অস্ত্রটি সোনা পাপ্পুর স্ত্রী সোমা পোদ্দারের নামে কেনা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি কেনা হয়েছিল জয়ের সংস্থা থেকে। তদন্তে উঠে আসে, বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সংস্থার মাধ্যমেই অস্ত্রটি কেনা হয়েছিল। অশ্বিনী দত্ত রোডে জয়ের অফিস থেকেই এই কেনাবেচা হয় বলে অভিযোগ। যদিও সোমা পোদ্দার দাবি করেছেন, তিনি এই কেনাকাটা বা তাঁর নামে কোনও ব্যবসা সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রী-র নামে সংস্থা, অথচ তিনিই জানেন না!

    পাশাপাশি, সোনা পাপ্পু ও জয়ের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্যও সামনে এসেছে। ইডির তদন্তে আরও জানা যায়, জয়ের সংস্থার সঙ্গে সোনা পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা একাধিক সংস্থার সঙ্গে বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে। ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামের সংস্থায় ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে জয়ের। এছাড়া ‘এসপি কনস্ট্রাকশন’ নামে আর একটি সংস্থা সোনা পাপ্পুর নামে রয়েছে। এসব সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য মিলেছে। পাশাপাশি, ‘হেভেন ভ্যালি’ নামে সোমা পোদ্দারের সংস্থার সঙ্গেও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে ইডি—যদিও তিনি সবকিছুই অস্বীকার করেছেন।

    ৪ মাসে ৫০০ কোটি নগদ জমা, মোট লেনদেন ১১০০ কোটি!

    তদন্তে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, জয়ের বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি ইডির। ‘ক্যালকাটা গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটি’-র অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ কোটি টাকা জয়ের ভুয়ো কোম্পানিতে স্থানান্তরের তথ্যও সামনে এসেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মাত্র চার মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা হয়েছে জয়ের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অন্তত ২৫টি ভুয়ো সংস্থার খোঁজ মিলেছে। বর্তমানে ইডি জয়ের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছে। সংস্থার আইনজীবীর কথায়, “তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ মিলেছে এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গেও অভিযুক্তের যোগ রয়েছে।”

    রবিবার দীর্ঘ জেরার পর বিকেল ৫টা নাগাদ জয় কামদারকে গ্রেফতার করে ইডি। কিন্তু গ্রেফতারির পরপরই তিনি অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে প্রথমে সল্টলেকের সেবা হাসপাতাল ও পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের কাছ থেকে ‘ফিট সার্টিফিকেট’ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে জয়কে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের জয় কামদারের মধ্যে হাজার কোটি টাকার লেনদেন! ইডির তলব ডিসিপি শান্তনুকে

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের জয় কামদারের মধ্যে হাজার কোটি টাকার লেনদেন! ইডির তলব ডিসিপি শান্তনুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সকালে বেহালার বাড়ি থেকে এক ব্যবসায়ীকে আটক করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) ঘনিষ্ঠ জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। যদিও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে এবং একের পর এক আর্থিক লেনদেনের তথ্য উঠে আসছে তদন্তকারীদের হাতে। পাশাপাশি জয় ও সোনা পাপ্পুর নতুন সংস্থার খোঁজও মিলেছে।

    জয় কামদার-সোনা পাপ্পুর মধ্যে কোটি কোটি টাকার লেনদেন!

    ইডির হাতে উঠে এসেছে সোনা পাপ্পু ও জয়ের একাধিক সংস্থার মধ্যে কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য। ধৃত ব্যবসায়ীর সংস্থার সঙ্গে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেন করেছে সোনা পাপ্পু। ইডি আদালতে জানিয়েছে, জয়ের নামে ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, আরেকটি কোম্পানির খোঁজ মিলেছে এস পি কনস্ট্রাকশন নামে, যার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। ইডির দাবি, সেই কোম্পানির অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর সংস্থার প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। শুধু তাই নয়। ইডির আরও দাবি, ‘ক্যালকাটা গুজরাটি এডুকেশন সোসাইটি’ নামে একটি ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে জয় কামদার প্রায় ৪০ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছেন। পাশাপাশি, ‘চিরাস এন্টারপ্রাইজ’ নামে আরও একটি ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার। কামদারের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে এই সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। অন্যদিকে, সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামেও একটি সংস্থার সন্ধান মিলেছে। যদিও জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি দাবি করেন, তাঁর নামে কোনও কোম্পানি রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

    কেন ইডির নজরে জয় কামদার?

    জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল এবং সেই সময় বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়, যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। সম্প্রতি কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে ‘সোনা পাপ্পু’-র বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আর্থিক লেনদেনের বেশ কিছু সূত্র পায় ইডি। সেই সূত্র ধরেই সামনে আসে জয়ের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোনা পাপ্পু মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জয় কামদারকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। এরপরই রবিবার সকালে বেহালায় তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    আরজি করে ভর্তি জয় কামদার

    গ্রেফতারের পর ব্যাঙ্কশাল আদালতে নিয়ে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন জয় কামদার। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যার জেরেই জয় অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা যাচ্ছে। আদালতে পেশ করতে না পারায় ইডির তরফে এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে ধৃত ব্যবসায়ীর জেল হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। পরে সুস্থ হলে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীনও জয়ের ওপর নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে মোতায়েন করার আবেদন জানানো হয় আদালতে। এদিকে, সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরে রবিবার বেহালার পাশাপাশি বালিগঞ্জেও অভিযান চালায় ইডি।

    কলকাতা পুলিশের ডিসিকে তলব ইডির

    একই দিনে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। শেষ খবর, শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুধু তা-ই নয়, পুলিশ আধিকারিকের দুই পুত্রকেও তলব করা হয়েছে। সোনা পাপ্পু এবং বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সঙ্গে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুর ‘যোগসূত্র’-এর ইঙ্গিত মিলেছে বলে দাবি করেছে ইডি। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে কাঁকুলিয়া রোডে গুলিচালনার ঘটনায় সোনা পাপ্পুর নাম জড়ায়। সেই ঘটনায় তাঁর কয়েকজন সহযোগী গ্রেফতার হলেও মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু এখনও অধরা।

LinkedIn
Share