Tag: ED Raid

ED Raid

  • ED Raid in Bengaluru: বেঙ্গালুরুতে জর্জ সোরসের সংস্থায় ইডি হানা, কী মিলল মার্কিন ধনকুবেরের অফিসে?

    ED Raid in Bengaluru: বেঙ্গালুরুতে জর্জ সোরসের সংস্থায় ইডি হানা, কী মিলল মার্কিন ধনকুবেরের অফিসে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরসের (George Soros) সংস্থা ওপেন সোসাইটি ফেডারেশনের (Open society Foundation) বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) অফিসে মঙ্গলবার সকাল থেকে তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বিদেশি অর্থ লেনদেনে (Foreign exchange management act) অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে এই অভিযান বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তদন্তকারীরা অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে চায়নি।

    কী অভিযোগ

    মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরসের ওই সংস্থা দেশে দেশে গণতন্ত্রের বিকাশে কাজ করে থাকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সময়ে ভারতে গণতন্ত্র বিপন্ন বলে সোরস অতীতে একাধিক বার সরব হয়েছেন৷ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সরাসরি কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করার প্রস্তাব দেন তিনি। বিজেপির অভিযোগ রাহুল গান্ধী আসলে সোরসের সংস্থার উসকানিতে দেশে-বিদেশে গণতন্ত্র বিপন্নতা নিয়ে সরব। মার্কিন এই ধনকুবেরের সংস্থা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নামে দেশে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে থাকে বলে নানা সময়ে অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশে পালা বদলের পিছনেও সোরসের সংস্থার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে্। সেই ধারণা আরও জোরদার হয় সোরস পুত্র বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করার পর। বাংলাদেশে পালা বদলের পর বাস্তব ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার বার বার খর্ব হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ধর্মীয় স্বাধীনতা বিপন্ন। সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চলছা।

    বিদেশি মুদ্রা আইন লঙ্ঘন

    ভারতে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারের কুনজরে রয়েছে ওএসএফ। বিদেশি মুদ্রা আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে ইডি। বছর তিন আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের (Amnesty International) দিল্লি ও মুম্বইয়ের দফতরে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। ওই সংস্থার বিরুদ্ধেও বিদেশি মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। তল্লাশির পর থেকে ভারতে ওই সংস্থার কাজকর্ম বন্ধ রয়েছে। এবার পালা ওপেন সোসাইটি ফেডারেশনের।

  •  ED Raid: ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণাকাণ্ডে হাওড়ায়, বেহালায় অভিযান ইডির

     ED Raid: ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণাকাণ্ডে হাওড়ায়, বেহালায় অভিযান ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুরে ইডি হানা (ED Raid)। জানা গিয়েছে, এর পাশাপাশি কলকাতার বেহালাতেও চলছে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, শিবপুরের (Howrah) এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ৬০০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলার তদন্তের কারণে এই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে দীপক জৈন নামক এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা।

    ডিসেম্বর মাসে সঞ্জয় সুরেখা নামক এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও চলেছিল তল্লাশি

    এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে সঞ্জয় সুরেখা নামক এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও চলেছিল তল্লাশি (ED Raid)। তখন ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ২ কোটি টাকা। বাজেয়াপ্ত করা হয় ২টি গাড়ি। আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সঞ্জয়কে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যাঙ্ক প্রতারণার সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবারের ইডি হানা।

    বিভিন্ন সংস্থার নাম করে আর্থিক লেনদেন চালানো হত

    স্টিল কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ৬০০০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণার (ED Raid) অভিযোগ রয়েছে। এই কোম্পানি বিভিন্ন সংস্থার নাম করে আর্থিক লেনদেন চালাত বলে অভিযোগ। সেই মামলার তদন্তেই আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অভিযানে নামে ইডি। হাওড়ার (ED Raid) পাশাপাশি বেহালার একটি আবাসনে পৌঁছে গিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলছে তল্লাশি।

    ২০২২ সাল থেকে তদন্তে ইডি

    এই মামলায় আদালতে ইডি আগেই অভিযোগ করেছিল, ১০ বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক আমানত তছরুপ করা হয়েছে। অভিযুক্ত সঞ্জয় সুরেখাকে বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করে ইডির দাবি ছিল, ২০০৮ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১৬টি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে ৬২০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে ব্যবসায় লোকসান দেখিয়ে শতাধিক ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। ২০২২ সালে সিবিআইয়ের এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ২৭টি ব্যাঙ্ককে ঠকিয়ে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়েছিলেন, ইডির হাতে গ্রেফতার সঞ্জয় সুরেকা

    ED Raid: ২৭টি ব্যাঙ্ককে ঠকিয়ে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়েছিলেন, ইডির হাতে গ্রেফতার সঞ্জয় সুরেকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক থেকে টাকা নিয়ে বিদেশে পালানোর ছক কষছিলেন তিনি। ২৭টি ব্যাঙ্ককে ঠকিয়ে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়েছিলেন ব্যবসায়ী সঞ্জয় সুরেকা। এবার আর্থিক দুর্নীতির দায়ে তাঁকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা সহ রাজ্যের আট জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি (ED Raid)। তারপর তাঁকে আটক করা হয়।

    একাধিক কোম্পানির ডিরেক্টর ব্যবসায়ী (ED Raid)

    ইডি (ED Raid) সূত্রে জানা গিয়েছে, “ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক সহ ২৭টি ব্যাঙ্কে আর্থিক সংস্থাকে ঠকিয়েছেন এই ব্যবসায়ী। আনুমানিক প্রায় ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই ব্যবসায়ীর সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে সিবিআই-ও। ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন শাখাতেও মামলা রয়েছে সংস্থার বিরুদ্ধে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই ব্যাক্তি বর্তমানে একাধিক কোম্পানির ডিরেক্টর এবং অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর পদে রয়েছেন। বিপুল পরিমাণ টাকা নিয়ে ব্যাঙ্কের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা করছেন। তবে তদন্তকারি অফিসারদের অনুমান এই টাকা বিদেশে পাচার হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এখন এই টাকা দিয়ে অভিযুক্ত কী করতেন, কোথায় বিনিয়োগ করেছেন ইত্যাদি বিষয় খতিয়ে দেখছে ইডির অফিসাররা।

    আরও পড়ুনঃ শিব-হনুমান মন্দিরের পর সম্ভলে উদ্ধার প্রাচীন রাধাকৃষ্ণ মন্দির, শুরু হয়েছে আরাধনা

    বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ব্যবসায়ী

    জানা গিয়েছে, এই ব্যক্তি হলেন কনকাস্ট স্টিলের মালিক। ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ, নিউ আলিপুর থেকে শহরতলির দমদম ক্যান্টনমেন্ট, বৈদ্যবাটি, বেলুড়, ঘুসুড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি চালালেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালায় তদন্তকারি অফিসাররা। ইডি (ED Raid) দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কয়েক কোটির সোনা উদ্ধার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থা। এই বিপুল পরিমাণ সোনার কোনও রকম বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ব্যবসায়ী। তিনি একই ভাবে আরও বেশ কিছু সংস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে একাধিক নথি এবং জমির কাগজ তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছে। এখন সব কিছুকে ভালো করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের তিহাড় যাত্রা! ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের তিহাড় যাত্রা! ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) ইডি হফাজতের মেয়াদ শেষ হয়। এদিন তাঁকে আদালতে হাজির করানো হয়। সোমবার নতুন করে ইডি কেজরিওয়ালকে নিজেদের হেফাজতে চায়নি। জেল হেফাজতের আর্জিই জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে এদিন। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    জেলে বই নিয়ে যেতে আর্জি 

    অন্যদিকে, কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) জেলে বই নিয়ে যেতে চেয়ে আদালতের কাছে অনুমতি চান তাঁর আইনজীবী মারফত। তিনটি বই তিনি চেয়েছেন। ভগবত গীতা, রামায়ণ এবং সাংবাদিক নীরজা চৌধুরির লেখা প্রধানমন্ত্রীদের সম্পর্কে একটি বই। প্রসঙ্গত, দু’দফায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আইনজীবী এসভি রাজু এদিন আদালতে ইডির হয়ে সওয়াল করেন। সোমবার আদালতে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) হাজিরার সময় উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুনীতা। এছাড়া দিল্লির দুই মন্ত্রী অতিশী মারলেনা এবং সৌরভ ভরদ্বাজও এদিন হাজির ছিলেন আদালতে।

    তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেজরিওয়াল

    আদালতে ইডির তরফে সোমবার অভিযোগ জানানো হয়, তদন্তে কোনওভাবে সহযোগিতা করছেন না কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। অনেক প্রশ্নের উত্তর ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। এমনকি, তদন্তের স্বার্থে নিজের মোবাইলের পাসওয়ার্ড দিতেও অস্বীকার করছেন তিনি। সেই সঙ্গে ইডি আরও জানিয়েছে কেজরিওয়ালের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধও তাঁকে দেওয়া হচ্ছে। দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব এদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘দিল্লিকে কে লুট করেছে, আশা করি মানুষ এবার দেখতে পাবে।’’ প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত ২১ মার্চ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করে ইডি। টানা ৮ বার সমন এড়িয়ে যান তিনি। নবম বার সমন পাঠায় ইডি। কিন্তু সেসময় রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে যান কেজরিওয়াল। আদালতে তাঁর আর্জি খারিজ হয়। ২১ মার্চ রাতেই নিজের বাড়িতে ইডির হাতে গ্রেফতার হন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে কেজরিওয়ালের মন্ত্রীকে ৫ ঘণ্টা জেরা ইডির

    Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে কেজরিওয়ালের মন্ত্রীকে ৫ ঘণ্টা জেরা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ক্রমশই জাল গুটিয়ে আনছে ইডি। গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এ বার দিল্লির আপ সরকারের (Delhi Liquor Policy Case) মন্ত্রী কৈলাস গেহলটকে ৫ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ প্রশ্নেরই সদুত্তর দিতে পারেন নি গেহলট। ইডির দাবি, মোবাইলের সিম একটা ব্যবহার করলেও, কৈলাসের ফোনে তিনবার বদল করা হয়েছে IMEI নম্বর।

    আবগারি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কৈলাস

    জানা গিয়েছে, দিল্লি সরকারের বিতর্কিত আবগারি দুর্নীতিতে (Delhi Liquor Policy Case) যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কৈলাস গেহলট। এর আগেও তাঁকে এই মামলায় জেরা করতে করতে চেয়ে সমন পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু দিল্লি বিধানসভার অধিবেশন চলছে, এই যুক্তি দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। তার পর কৈলাসের কাছে যায় ইডির দ্বিতীয় সমন। শনিবার সেই সমনের ভিত্তিতেই হাজিরা দিলেন কৈলাস।

    কী বললেন কৈলাস

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় ২০২২ সালেই গ্রেফতার হয়েছিলেন আপ নেতা বিজয় নায়ারকে। তখনই অভিযোগ ওঠে, দিল্লির সিভিল লাইনে কৈলাসের জন্য বরাদ্দ করা বাংলোয় থাকতেন বিজয়। এবিষয়ে কৈলাস বলেন, “আমি সর্বদাই বলে এসেছি যে, আমি কখনও সরকারের (Delhi Liquor Policy Case) দেওয়া বাংলোয় থাকিনি। কারণ, আমার স্ত্রী এবং সন্তানেরা বসন্ত কুঞ্জ থেকে সিভিল লাইনে আসতে চায়নি। আমি সিবিআইকেও এই কথা জানিয়েছিলাম। আজও একই কথা জানালাম।” এর পাশাপাশি কৈলাস জানিয়েছেন, বিজয় যে তাঁর বাংলোয় থাকতেন, সে কথা তিনি জানতেন না।

    ১০০ কোটির আবগারি দুর্নীতি

    ইডির দাবি, বিতর্কিত আবগারি নীতিতে (Delhi Liquor Policy Case) নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দিতে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছিল আপ। সেই টাকার অনেকটাই খরচ করা হয় গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে। এই প্রসঙ্গে কৈলাসের দাবি, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। তাঁর কথায়, “আমি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না। কারণ, আমি গোয়ার নির্বাচনী প্রচার পরিকল্পনার অংশ ছিলাম না। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে ইডি। আবগারি নীতি এমনভাবে তৈরি করা হয় যে খুচরো ব্যবসায়ীদের ১৮৫ শতাংশ লাভের কথা বলা হয় সেখানে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ লাভের কথা বলা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: মধুর প্রত্যাঘাত! ইডির ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান এবার তাদের হাতেই গ্রেফতার

    Sheikh Shahjahan: মধুর প্রত্যাঘাত! ইডির ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান এবার তাদের হাতেই গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির ওপর হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহজাহান এবার তাদের হাতেই গ্রেফতার। ৫ জানুয়ারি সরবেড়িয়াতে আক্রান্ত হয় ইডির দল। মাথা ফাটে ৩ আধিকারিকের। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। তারপর থেকেই ফেরার ছিলেন শাহজাহান। এরপর একাধিক ঘটনাক্রম দেখা গিয়েছে সন্দেশখালিতে। মহিলাদের আন্দোলনের চাপে প্রথমে রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করে শাহজাহানকে। তার পরে তাঁকে হেফাজতে নেয় সিবিআই, এবার শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার হলেন ইডির হাতে।

    সোমবার শাহজাহানকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হবে

    সোমবার শাহজাহানকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তে অসহযোগিতার কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেশখালির শাহজাহানকে। সিবিআই হেফাজতের পরে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা ছিলেন বসিরহাট জেলে। চলতি সপ্তাহেই তাঁর সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়। গতকাল শনিবার তাঁকে জেলের ভিতরেই জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আদালতে আর্জি জানায় ইডি। বসিরহাট আদালত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সেই আবেদন মঞ্জুর করে। কোর্টের অনুমতি পেয়ে দুপুরেই শাহজাহানকে জেরা করতে বসিরহাট জেলে পৌঁছে যান ইডির গোয়েন্দারা। এরপর বিকেলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    ইডির দাবি, শাহজাহানের ৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সন্দেশখালির তৃণমূল নেতার কথায় অংসঙ্গতি ধরা পড়ে। ইডির দাবি, শাহজাহানের ৩২ কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গোয়েন্দারা শাহজাহানের কাছে এই কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির উৎসও জানতে চান। কিন্তু শাহজাহান এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব না দেওয়াতেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।

    ইডির হাতে গ্রেফতার হলেও জেলেই থাকবেন তিনি

    রেশন দুর্নীতির পাশাপাশি, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে আরও একটি দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। অন্তত এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ভেড়ির মাছ আমদানি রফতানির ব্যবসাতেও বিপুল দুর্নীতি করেছেন শাহজাহান। তবে ইডি তাঁকে গ্রেফতার করলেও শাহজাহানকে আপাতত ইডি হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে না। আপাতত জেলেই থাকবেন শাহজাহান। ইডি শ্যোন অ্যারেস্ট করে এদিন তাঁকে। তবে তাঁকে হেফাজতে নেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে ইডির, এমনটাই খবর সূত্রের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: ওয়াশিং মেশিনে লুকনো কোটি কোটি টাকা! ভোটের মুখে বিরাট সাফল্য ইডির

    ED Raid: ওয়াশিং মেশিনে লুকনো কোটি কোটি টাকা! ভোটের মুখে বিরাট সাফল্য ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আবারও ইডির (ED Raid) হাতে বড় সাফল্য। এবার ১৮০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে তল্লাশি চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল ইডি। ওয়াশিং মেশিনে লুকানো আড়াই কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার করে বাজেয়াপ্ত করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    উল্লেখ্য কয়েকদিন আগেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করেছে ইডি। দিল্লি আফগারি মামলায় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক তোলপাড় হচ্ছে। অপর দিকে বঙ্গে রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক দুর্নীতি সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল নেতা, মন্ত্রী এবং বিধায়কদের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাকে ঘিরেও রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। তার মধ্যে, আর্থিক তছরুপ, গেমিং স্ক্যাম সহ একাধিক মামলাতেও তৎপর ইডি।

    কোথায় কোথায় তল্লাশি হয় (ED Raid)?

    জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার কলকাতা, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বই, কুরুক্ষেত্র সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি (ED Raid) চালিয়ে এই বিরাট অঙ্কের টাকা উদ্ধার হয়েছে। ক্যাপ্রিকর্নিয়ান শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিক প্রাইভেট লিমিটেড নামক একটি সংস্থার উপরে অনেক দিন ধরে নজর ছিল ইডির। জানা গিয়েছে, সিঙ্গাপুরের সংস্থায় পণ্য পাঠানোর নাম করে ভুয়ো হিসেব দেখানো হত। এভাবেই কালো টাকা সাদা করা হত। তদন্তের জন্য তাল্লশি চালিয়ে কোটি কোটি টাকা এবং প্রচুর নথি উদ্ধার হয়েছে। একইভাবে ৪৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে।

    কোম্পানির দায়িত্বে কে ছিলেন?

    ক্যাপ্রিকর্নিয়ান শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকস প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টরের পদে ছিলেন বিজয় কুমার শুক্লা এবং সঞ্জয় গোস্বামী নামের দুই ব্যক্তি। শুধু এই কোম্পানি নয়, একইসঙ্গে আরও একাধিক কোম্পানির নাম পাওয়া গিয়েছে যেমন- লক্ষ্মিতন মেরিটাইম, হিন্দুস্তান ইন্টারন্যাশনাল, রাজনন্দিনী মেটালস লিমিটেড, স্টুয়ার্ট অ্যালয়স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ভাগ্যনগর লিমিটেড, বিনায়ক স্টিলস লিমিটেড, বশিষ্ঠ কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। এই সব অফিসে তল্লাশি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সিঙ্গাপুরের গ্যালাক্সি শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকস এবং হরাইজন শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিকসের মাধ্যমে এই ওয়াশিং মেশিনে করে টাকা পাঠানো হতো। এই সংস্থার মালিক হলেন অ্যান্তনি ডি সিলভা। বিভিন্ন শেল কোম্পানি মারফৎ এই কালো টাকা সাদা করার খেলা চলত, যা এদিন ভেস্তে দিল ইডি।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালির রেখা পাত্রের পর এবার কৃষ্ণনগরের রানিমাকে ফোন মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ed Raid: শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ, সকাল থেকেই একাধিক জায়গায় ইডি’র তল্লাশি

    Ed Raid: শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ, সকাল থেকেই একাধিক জায়গায় ইডি’র তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ জানুয়ারি থেকে লুকিয়ে রয়েছেন সন্দেশখালির তথাকথিত বাঘ। সন্দেশখালিকাণ্ডের মূল হোতা শেখ শাহজাহান এখনও বেপাত্তা। ২৯ ফেব্রুয়ারি ইডি (Ed Raid) তাঁকে ফের তলব করেছে। এই আবহে এবার তাঁর বিরুদ্ধে নয়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সংস্থা। জানা গিয়েছে, শাহজাহানের বিরুদ্ধে ইডি ইসিআইআর দায়ের করেছে জমি দখল এবং পুরনো একটি খুনের মামলায়। শুক্রবার সকাল থেকেই শেখ শাহজাহানের খোঁজে তল্লাশিতে নামে ইডি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলছে। হাওড়া থেকে কলকাতার বিজয়গড় সহ ৬টি স্থানে চলছে তল্লাশি। সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয়েছে তল্লাশি। ইডি আধিকারিকদের (Ed Raid) সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

    হাওড়া ও বিজয়গড়ে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলছে তল্লাশি

    হাওড়ার হালদারপাড়ায় পার্থপ্রতিম সেনগুপ্ত নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চলছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অন্যান্য ব্যবসার সঙ্গে পার্থপ্রতিম চিংড়ি মাছের ব্যবসাও করতেন। এর পাশাপাশি বিজয়গড়ে তল্লাশি চলছে আর এক ব্যবসায়ী অরূপ সোমের বাড়িতেও। ইডি (Ed Raid) সূত্রে জানা গিয়েছে, অরূপের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল শাহজাহানেরও।

    শাহজাহানের গ্রেফতারের দাবি জোরালো হচ্ছে

    শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি ক্রমশই জোরাল হচ্ছে। তাঁর ভাইয়ের ভেড়ি গতকালই জনরোষের মুখে পড়েছিল। এদিন শেখ শাহজাহানের আগাম জামিন মামলার শুনানি রয়েছে (Ed Raid)। আবার শাহজাহানকে চতুর্থবারের জন্য তলবও করেছে ইডি। এর আগে তিনবার ইডি তাঁকে তলব করলেও, প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। শুক্রবার বিজেপির মহিলা মোর্চার একটি প্রতিনিধি দলের যাওয়ার কথা রয়েছে সন্দেশখালিতে। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই দলে থাকবেন অগ্নিমিত্রা পাল, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা। পুলিশি বাধার মুখে বিজেপি দল যে পড়তে পারে, তা মনে করছেন অনেকেই।

    আরও পড়ুন: রেশন-দুর্নীতি মামলায় শাহজাহানকে ফের ইডির তলব, এই নিয়ে চতুর্থবার!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ফের উদ্ধার হল ডায়েরি! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ফের উদ্ধার হল ডায়েরি! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারদা কেলেঙ্কারি তদন্তে উঠে আসা লাল ডায়েরি নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল সারা রাজ্যে। ইতিমধ্যে রেশন কেলেঙ্কারিতে (Ration Scam) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেছে ইডি। ফের এক ডায়েরির সন্ধান পেল কেন্দ্রীয় সংস্থা, রেশন দুর্নীতির তদন্তে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, উদ্ধার হওয়া এই ডায়েরিগুলি গুরুত্বপূর্ণ নথি হতে পারে তদন্তে। জানা গিয়েছে, বাকিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই ওই ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে।

    বেআইনি কার্যকলাপের যাবতীয় হিসাব-নিকাশ নথিভুক্ত থাকতো উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতে

    প্রসঙ্গত, ইডির দাবি, ওই ব্যবসায়ী স্বীকারও করেছেন যে বাকিবুরের নির্দেশেই গমকল থেকে আটা তৈরি হওয়ার পর সরকারি খাদ্য সামগ্রীর ২০ থেকে থেকে ৩০ শতাংশ সরিয়ে ফেলা হতো। পরে তা খোলা বাজারে বিক্রি করা হতো। এই বেআইনি কার্যকলাপের যাবতীয় হিসাব-নিকাশ নথিভুক্ত থাকতো উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতে (Ration Scam)। কোথায় কোথায় সেই আটা প্যাকেট করা হতো, সেই সমস্ত জায়গারও সন্ধান মিলেছে ওই ডায়েরিতে। অন্তত এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার। শুধু তাই নয় ওই ডায়েরি থেকে মিলেছে বেশ কয়েকজন মিল মালিক এবং প্যাকেজিং সংস্থার নামও।

    রেশন দুর্নীতিতে ইডির তল্লাশিতে উদ্ধার হল বেআইনি ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা

    অন্যদিকে, রেশন দুর্নীতিতে ইডির তল্লাশিতে উদ্ধার হল বেআইনি ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তে ‘অঙ্কিত ইন্ডিয়া লিমিটেড’-এর অফিসে হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি টাকা। অন্যান্য জায়গায় তল্লাশিতেও মিলেছে নগদ ৪০ লাখ টাকা। রেশন দুর্নীতির তদন্তে শনিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় হানা দেয় ইডি। ২৭ ঘণ্টারও বেশি তল্লাশি চালিয়ে এই নগদ উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে। আবার পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে রেশন দুর্নীতিতে। রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির নজরে একাধিক ব্যবসায়ী রয়েছেন যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন অঙ্কিত চান্দকদর। তাঁর সূত্র ধরেই বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি যোগ পাওয়া গিয়েছে। চান্দকর পরিবারেরই সদস্য হলেন দীপেশ চান্দকর। ২০০৪ সালে বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন দীপেশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: ‘‘জ্যোতিপ্রিয়র নির্দেশেই মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করা হয় মা ও স্ত্রীকে’’, দাবি প্রাক্তন আপ্ত-সহায়কের

    Ration Scam: ‘‘জ্যোতিপ্রিয়র নির্দেশেই মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করা হয় মা ও স্ত্রীকে’’, দাবি প্রাক্তন আপ্ত-সহায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য (Ration Scam) উঠে এল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাসের বয়ানে। মূলত মন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁর মা এবং স্ত্রীকে জ্যোতিপ্রিয়র সংস্থার ডিরেক্টর পদে বসানো হয়েছিল। এমনই বিবৃতি দিয়েছেন প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাস। তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করতে তাঁর মা এবং স্ত্রীকে প্রস্তাব দেন জ্যোতিপ্রিয়, যে অনুরোধ তিনি ফেলতে পারেননি। তবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্ত-সহায়কের পদ ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি তাঁর মা এবং স্ত্রীকেও সরিয়ে এনেছেন বলে দাবি অভিজিৎ দাসের। প্রসঙ্গত, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় মেরুন ডায়েরির হদিশ পায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এই ডায়েরি রেশন দুর্নীতির তদন্তে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নথি হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে তাঁর স্ত্রী এবং মা সংস্থার ডিরেক্টর পদে থাকলেও ওই সংস্থাগুলি (Ration Scam) থেকে কোনও টাকা পাননি বলেই দাবি অভিজিতের।

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া অভিজিৎ দাসের বিবৃতি

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালেই ক্ষমতায় আসে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই বছর থেকে টানা ২০১৪ সাল পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের আপ্ত সহায়কের কাজ করতেন অভিজিৎ দাস। এদিন তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার মা এবং স্ত্রীকে সংস্থার ডিরেক্টর করা হয়েছিল। মন্ত্রী যখন নির্দেশ দেন, তা তো পালন করতেই হবে। তাঁর অনুরোধও এক প্রকার নির্দেশই। আমি ইডিকে সবই জানিয়েছি। ওই সংস্থায় কী লেনদেন হয়েছিল, জানি না। ২০১৪ সালেই আমার মা এবং স্ত্রী সংস্থা (Ration Scam) থেকে সরে আসেন।’’

    কোন দুটি সংস্থার ডিরেক্টর ছিলেন অভিজিতের মা ও স্ত্রী?

    জানা গিয়েছে ‘হনুমান রিয়েলকর্ন প্রাইভেট লিমিটেড’ এবং ‘গ্রেসিয়াস ইনোভেটিভ প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের দুটি সংস্থায় শেয়ারের মাধ্যমে টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল এবং এই দুটি সংস্থার (Ration Scam) ডিরেক্টর পদে ছিলেন অভিজিতের মা এবং স্ত্রী। এনিয়ে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘কোনও সাধারণ ব্যক্তি বা আপ্ত সহায়কের পক্ষে এভাবে কাউকে সংস্থার ডিরেক্টর পদে বসানো সম্ভব নয়। এটা আসলে আরও একবার প্রমাণ করে দেয়, রাজ্যে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share