Tag: ED Raid

ED Raid

  • ED Raid: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ, মরুরাজ্যে ২৫ জায়গায় তল্লাশি ইডির

    ED Raid: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ, মরুরাজ্যে ২৫ জায়গায় তল্লাশি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে একযোগে রাজস্থানের ২৫টি জায়গায় হানা দিল ইডি (ED Raid)। রাজ্যের এক আইএএস আধিকারিক সহ রাজ্য প্রশাসনের বেশ কয়েকজন পদাধিকারীর বিরুদ্ধে এই তল্লাশি অভিযান করে ইডি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজ্যের শাসক দল কংগ্রেস এনিয়ে বেশ অস্বস্তিতে রয়েছে।

    জলজীবন মিশন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    অভিযোগ, প্রত্যন্ত গ্রামে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প রয়েছে জলজীবন মিশন। কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানে এই প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে সে রাজ্যের শাসক দলের নেতা তথা প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। রাজস্থানের জনস্বাস্থ্য এবং কারিগরি দফতরের অতিরিক্ত প্রধান সচিব সুবোধ আগরওয়ালের বাড়িতেও চলে তল্লাশি অভিযান। জানা গিয়েছে, আরও বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক আধিকারিক রয়েছেন ইডির (ED Raid) আতস কাঁচের তলায়। তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। কেন্দ্রীয় জলজীবন মিশন ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে রাজস্থানের ‘অ্যান্টি করাপশন ব্যুরো’ প্রথম  অভিযোগ দায়ের করে।

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে এসেছে ৫০ হাজার কোটি টাকার এফডিআই

    চাকরির পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগও রয়েছে কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে 

    প্রসঙ্গত, জলজীবন মিশন ছাড়া রাজস্থানে চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগও উঠেছে। ইডির (ED Raid) দাবি, এখানেও বিপুল আর্থিক কেলেঙ্কারি হয়েছে। চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে মরুরাজ্যের শীর্ষ কংগ্রেস নেতা তথা একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে গত ২৬ অক্টোবর প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি গোবিন্দ সিং এর বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের পুত্র বৈভব গেহলটকে। রাজস্থানের ভোট রয়েছে আগামী ২৫ নভেম্বর। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে ইতিমধ্যেই সে রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নির্বাচনের আগে দুর্নীতির অভিযোগে বেসামাল কংগ্রেস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gaming App Scam: সাত সকালে ভবানীপুরে হানা ইডি-র! চলছে জোর তল্লাশি, জানেন কেন?

    Gaming App Scam: সাত সকালে ভবানীপুরে হানা ইডি-র! চলছে জোর তল্লাশি, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত সকালে ভবানীপুরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Gaming App Scam)। মঙ্গলবার মোবাইল অ্যাপ গেম তদন্তে ৫৬ শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটে হানা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ভবানীপুরে বহু নিম্ন মধ্যবিত্তের অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করে ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেন হতো বলে আগেই খবর ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, অ্যাকাউন্টগুলিতে বিপুল টাকা লেনদেন করা হয়েছে। গার্ডেন রিচে আমির খানকে জেরা করেই এই তথ্য সামনে এসেছে। এর আগে আমিরের বাড়ি থেকে ১৭ কোটি টাকা উদ্ধার করেছিলেন গোয়েন্দারা। এদিন শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালের ঠিক উল্টোদিকে একটি বস্তিতে হানা দেয় ইডি। সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত চলছে তল্লাশি।

    আরও পড়ুন: সাত সকালে ভবানীপুরে হানা ইডি-র! চলছে জোর তল্লাশি, জানেন কেন?

    দুর্নীতির নেপথ্যে গেমিং অ্যাপ 

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বস্তির নিম্নবিত্ত বহু মানুষদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বিপুল অঙ্কের ক্রিপ্টোকারেন্সির (Gaming App Scam) লেনদেন হয়েছে। আরও খবর, এই এলাকার এক যুবক অঙ্কিত শা-এর বাড়িতে এর আগে ২০ তারিখ গিয়েছিল ইডি। রোহন নামে পাড়ার আরও এক যুবকের মোবাইল ফোনও ইডির নজরে ছিল। রোহন বা অঙ্কিত একেবারেই নিম্নবিত্ত পরিবারের ছেলে। অঙ্কিতের বাবা বেসরকারি সংস্থার পিওন হিসেবে কাজ করে। ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেনের জন্যে অঙ্কিত-রোহনদের অ্যাকাউন্ট ভাড়া করা হত। আমির খানের ই-নাগেটসের সঙ্গে এই ঘটনার যোগ রয়েছে বলেই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর।

    এই দুর্নীতির মাথাকে খুঁজছে ইডি। ইডি মনে করছে, এই দুর্নীতির পিছনে রয়েছে বড় কোনও নাম (Gaming App Scam)। কারণ যে কারও কথায় কেউ ভাড়া দেবে না অ্যাকাউন্ট। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে কোনও প্রভাবশালীর প্রভাব থাকতে পারে বলেই তারা মনে করছে। এদিন অঙ্কিতদের ব্যাঙ্কের নথি থেকে অন্যান্য তথ্য দেখতে চাইতে পারেন গোয়েন্দারা।

    এর আগে আমির খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী আধিকারিকরা (Gaming App Scam) জানতে পারেন, বিভিন্ন জায়গায় টাকা বিনিয়োগ করতেন আমির। যার মধ্যে অন্যতম ছিল ক্রিপ্টোকারেন্সি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবসা করে এমন সংস্থার অ্যাকাউন্টেও টাকা যায়। ইডির তখনই সন্দেহ ছিল, এভাবে টাকা বিদেশেও গিয়েছে। আমিরের নামে থাকা ১৪৭টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পায় পুলিশ। এই সব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণা চালানো হতো। অন্যের অ্যাকাউন্টও ভাড়া করা হত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

          

     

  • ED Raid: শেখ শাহজাহানের ডেরায় ইডি, সকাল থেকেই সন্দেশখালির নানা প্রান্তে চলছে তল্লাশি

    ED Raid: শেখ শাহজাহানের ডেরায় ইডি, সকাল থেকেই সন্দেশখালির নানা প্রান্তে চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) ডেরায় চলছে ইডির তল্লাশি (ED Raid)। বৃহস্পতিবার সকালে সন্দেশখালির একাধিক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন ইডি অফিসাররা। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলার তদন্তের জন্যই নাকি এই তল্লাশি অভিযান বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে সন্দেশখালির ধামাখালিতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা (Enforcement Directorate)। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন তাঁরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনজনের বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। প্রথমজন রিন্টু মোল্লা, দ্বিতীয় জন হলেন আইনুর মোল্লা ও তৃতীয় জন জামালউদ্দিন মোল্লা। জানা গিয়েছে, আইনুর ও জামালউদ্দিন মোল্লা সম্পর্কে দু’জন ভাই। অপরদিকে, রিন্টু হলেন শেখ শাহজাহানের মাছের ব্যবসার ম্যানেজারের শ্যালক।  শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ী নজরুল মোল্লার বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। 

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    বৃহস্পতিবার সকালে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) একাধিক জায়গায় পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। সন্দেশখালির রাস্তাঘাট, দোকান বাজার ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, তিনটি জায়গায় তল্লাশি চলছে। ‘শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ’ বেশ কয়েকজন মাছ ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি অফিসাররা (ED Raid)। শাহজাহান উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। মাছের ভেড়ির ব্যবসাও ছিল তাঁর। ধামাখালির কাছে একটি মাছের পাইকারি বাজার ঘিরে রেখে এদিন তল্লাশি চলছে। এই বাজারের অন্যতম অংশীদার নজরুল মোল্লার বাড়িও পৌঁছে গিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। এদিন, প্রথম থেকেই সতর্ক ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইডি-র তল্লাশি অভিযান শুরুর আগে থেকেই সন্দেশখালির মূল রাস্তা ঘিরে ফেলে বাহিনী। নদীর পাড়ও ঘিরে ফেলেন বিএসএফ জওয়ানেরা। 

    আরও পড়ুন: সিএএ-র প্রভাব পড়বে ৮ আসনে! রাজ্যের উদ্বাস্তু ভোট যাবে বিজেপির ঝুলিতে, দাবি রিপোর্টে

    কেন ইডির তল্লাশি

    ইডি (ED Raid) সূত্রে জানা যাচ্ছে, শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত একটি মামলায় তদন্তের জন্যই নাকি সেখানে হানা দিয়েছেন গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন মামলাতেও শাহজাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, এই ব্যবসায়ীদের কয়েক জন শাহজাহানের সঙ্গে চিংড়ি মাছের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ, মাছের ব্যবসায় দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। কিছুদিন আগেই হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা মিলিয়ে মোট ছ’টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। শাহজাহানের সূত্র ধরেই এই জায়গার সন্ধান মিলেছে বলে খবর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: হাজার কোটির সাইবার ‘প্রতারণা’! ‘কিংপিন’ কুণালের একাধিক ডেরায় হানা ইডির

    ED Raid: হাজার কোটির সাইবার ‘প্রতারণা’! ‘কিংপিন’ কুণালের একাধিক ডেরায় হানা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার প্রতারণা (Cyber Scam) মামলায় অভিযানে নামল ইডি (ED Raid)। বুধবার সকাল থেকে বেনিয়াপুকুর, বাগুইআটি সহ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালাচ্ছে। সূত্রের খবর, হাজার কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা মামলায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ইডি জানতে পেরেছে, ইকো স্পেসের ভিতরে ‘MET’ নামের কল সেন্টার চলছিল। এই কোম্পানির কর্ণধার ছিলেন কল সেন্টার প্রতারণা চক্রের কিংপিন কুণাল গুপ্ত। এদিন, কুণালের একাধিক পরিচিতের ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান করেছেন আধিকারিকরা। 

    কোথায় কোথায় তল্লাশি

    ইডির (ED Raid) সূত্রে খবর, সাতসকালে  ১১ নম্বর বেনিয়াপুকুরের তাঁতিবাগান লেনে হানা দেন ইডির অফিসাররা। ভুয়ো কল সেন্টার খুলে প্রতারণা করার অভিযোগে কুণাল গুপ্তকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, এই কুণালই নানা জায়গায় ভুয়ো কল সেন্টার খুলে সাইবার প্রতারণা করত। হাজার হাজার কোটি টাকা লুঠ করেছে সে। তাকে জেরা করেই এদিন বেনিয়াপুকুর, বাগুইআটি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বেনিয়াপুকুরে কুণাল গুপ্তর ঘনিষ্ঠ শোয়েব আলমের বাড়িতে আজ হানা দেয় ইডি। তদন্তকারী আধিকারিকদের এক দল পৌঁছৈ যায় বাগুইহাটি দেশবন্ধু নগরে গৌতম গুপ্তের বাড়ি। ইডি সূত্রে খবর, এই গৌতম গুপ্ত আবার কুণাল গুপ্তের আত্মীয়। 

    আরও পড়ুন: ‘বিরুষ্কা’র কোলে দ্বিতীয় সন্তান, ছেলেন নাম ‘অকায়’, জানালেন কোহলি

    সাইবার প্রতারণায় কারা লাভাবান

    উল্লেখ্য, প্রথমে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম (Cyber Scam) থানা ভুয়ো কলসেন্টার চক্রের পর্দাফাঁস করে। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভের বেঙ্গল ইন্টেলিজেন্স পার্কের ১৩ তলায় বিনীত টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক কল সেন্টারের হদিশ মেলে। সেখানেই হানা দিয়ে বিরাট মাপের প্রতারণা চক্রের হদিশ পান তদন্তকারীরা। ইডি (ED Raid) অফিসাররা বলছেন, এই শোয়েব হল কুণালের ডান হাত। এর সঙ্গে মিলেই সাইবার প্রতারণার ব্যবসা খুলে বসেছিল কুণাল। বহু লোকজনকে ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা তুলেছিল। বিধাননগর সাইবার থানায় প্রথম এমন সাইবার প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্ত শুরু হয়। পরে সেই তদন্তভার এসে পৌঁছয় ইডির কাছে। কুণালকে দফায় দফায় জেরা করে গ্রেফতার করা হয়। ইডি সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, এই মামলায় কোনওরকম হাওয়ালা যোগ রয়েছি কি না, বা সাইবার প্রতারণায় কারা কারা লাভাবান হয়েছেন, সেই সমস্ত দিকগুলিও খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ৫০ কোটির লেনদেন, উদ্ধার ৪০০ ওএমআর শিট! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল

    SSC Scam: ৫০ কোটির লেনদেন, উদ্ধার ৪০০ ওএমআর শিট! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত শান্তনু ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় আজ, সোমবার আদালতে তোলা হবে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলকে। টানা ৩৭ ঘণ্টা তাঁর সল্টলেকের অফিসে ম্যারাথন তল্লাশি চালানোর পরে রবিবার রাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। রবিবার গভীর রাত ৩.৩০ মিনিট নাগাদ তাঁকে নিয়ে আসা হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। 

    অয়নের অফিসই কন্ট্রোল রুম

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে অয়নের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। এরপরেই ব্যাংকশাল কোর্টে নিয়ে যাওয়া হবে অয়নকে। নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানাবে ইডি। শনিবার শান্তনু ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের সল্টলেকের অফিসে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। দীর্ঘক্ষণ অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, একাধিক বিষয়ে সদুত্তর দিতে না পাওয়ায় অয়নকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ইডি সূত্রে খবর অয়নকে হেফাজতে নেওয়ার পর শান্তনুর মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। শনিবার হুগলির চুঁচুড়ায় গিয়ে প্রথম অয়নের ফ্ল্যাটের সন্ধান মেলে। সেখানেই সস্ত্রীক থাকতেন অয়ন। জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি জানতে পারে, সল্টলেকের এফডি ব্লকের ৩৮৮ নম্বর বাড়ির একতলায় অয়নের অফিস রয়েছে। ওইদিনই সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডি-র একটি দল ওই অফিসে হানা দেয়। শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টে থেকে তল্লাশি শুরু হয়। রাতেই অয়নকে নিয়ে আসা হয় সল্টলেকের অফিসে।

    আরও পড়ুুন: নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা, তরুণদের বার্তা অমিত শাহের

    কালো টাকা সাদা করেছেন অয়ন

    ইডি-র দাবি, অয়নের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই শান্তনুর টাকা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়েছে। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) ৫০ কোটি টাকারও বেশি লেনদেন হয়েছে অয়ন শীলের অ্যাকাউন্ট থেকে। ইডি-র দাবি, ওই লেনদেন নিয়ে প্রোমোটার অয়নের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর মেলেনি। এছাড়াও, অয়নের সল্টলেকের অফিস থেকে ৩৫০-৪০০ ওএমআর শিট, অ্যাডমিট কার্ড, চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা এবং রাজ্যের ৭০টি পুরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত নথি ও ডিজিটাল নথি মিলেছে। ইডি সূত্রে খবর, অয়নের অফিসে ৭টি কম্পিউটারের মধ্যে কয়েকটির অ্যাকসেস পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর অয়নকে এনে সেগুলি খোলা হয়। অয়নকে গ্রেফতারের পাশাপাশি, ২টি ট্রলি ব্যাগে করে প্রচুর নথি নিয়ে যাওয়া হয়েছে ইডি অফিসে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam ED: কোভিডকালে নির্মাণ-শিল্পে উল্কাবেগে উত্থান শিকারিয়ার! কীভাবে সম্ভব? খোঁজ করছে ইডি

    Coal Scam ED: কোভিডকালে নির্মাণ-শিল্পে উল্কাবেগে উত্থান শিকারিয়ার! কীভাবে সম্ভব? খোঁজ করছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলার তদন্তে গতকাল দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি নির্মাণ সংস্থার অফিস ও কর্ণধারের দফতরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হানা দেওয়ার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ওই ব্যবসায়ী ও তাঁর এক ‘পলাতক’ সহযোগীর সঙ্গে এরাজ্যের এক ‘অতি-প্রভাবশালী’ রাজনৈতিক পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের কথা এখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। কয়লা পাচারের কালো টাকা যে ওই সংস্থার মাধ্যমে সাদা করা হত, সেই তত্ত্বও উঠে আসছে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে।

    কে এই বিক্রম শিকারিয়া?

    তবে এ সবের মধ্য থেকে জনমানসের মনে অনেক প্রশ্নও উঠে আসছে। তা হল, কে এই বিক্রম শিকারিয়া, যার দফতরে হানা দিয়ে গতকাল প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। কীভাবে কয়লা পাচারের টাকা আসত ওই সংস্থায়? সবচেয়ে বড় কথা, এই শিকারিয়ার খোঁজ কীভাবে পেল ইডি?

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি টাকা ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত ম্যাডক্স স্কোয়ার সংলগ্ন ৫এ আর্ল স্ট্রিটে শিকারিয়ার বাড়ি ও লাগোয়া তাঁর সংস্থা গজরাজ গ্রুপের দফতর। গজরাজ গ্রুপের মালিক এই বিক্রম শিকারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও ধাবা। বিক্রম নিজে বেশ কয়েকটি সংস্থার ডিরেক্টর। বাকিগুলির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। 

    শিকারিয়ার উত্থান শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গজরাজ গ্রুপের উত্থান হয়েছিল কোভিড পরিস্থিতিতে। সেসময় বাকি সমস্ত জায়গায় যেখানে নির্মাণ ব্যবসার মন্দা চলছিল, সেই কোভিডকালের মধ্যে কীভাবে গজরাজ গ্রুপ এতটা ফুলে ফেঁপে উঠল, সেটাই ইডি-র স্ক্যানারে। ইডি জানতে পেরেছে, গজরাজ গ্রুপ মূলত নির্মাণ ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ করত। বেশিরভাগ প্রজেক্টই দক্ষিণ কলকাতার। জানা গিয়েছে, গত চার বছরে ৪২টি নির্মাণ করেছে এই গ্রুপ। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    এখানেই সাদা করা হত কয়লা পাচারের কালো টাকা?

    গোয়েন্দা আধিকারিকদের অনুমান, কয়লা পাচারের কালো টাকা এই বাড়ি নির্মাণের মাধ্যমেই সাদা করা হয়েছে। এর আগেই ইডি আধিকারিকরা এই সংক্রান্ত বেশ কিছু সূত্র পেয়েছিলেন। তদন্ত করে ইডি জানতে পারে যে, কয়লা পাচারের বিপুল পরিমাণ টাকা দফায় দফায় ওই প্রোমোটিং সংস্থাটির হাতে পৌঁছয়। ইডির সন্দেহ, এই কোম্পানিগুলিতে কয়লা পাচারের টাকা ঘুর পথে এসেছে। জানা যায়, আসানসোল এবং পুরুলিয়া থেকে কয়লা পাচারকারীদের টাকা হাত বদল হয়ে এই নির্মাণকারী সংস্থার মাধ্যমে বাজারে খাটানোর চেষ্টা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা কাণ্ডে যে কালো টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছেছিল সেই টাকাই গিয়েছিল এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। 

    কীভাবে শিকারিয়ার ‘শিকার’?

    তদন্তের সূত্রেই কয়লা পাচারকাণ্ডের এই বেসরকারি সংস্থার নাম সামনে আসে। কয়লা পাচারের টাকা কোথায় কোথায় গিয়েছে, ‘মানি ট্রেল লিঙ্ক’-এর সূত্রে ধরেই ইডি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়। ইডি জানতে পারে, এই বেসরকারি সংস্থাটির মাধ্যমে কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকা বিনিয়োগ করা হত। কয়লাকাণ্ডের তদন্তে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হয়। বয়ান নেওয়া হয় সাক্ষীদের। কয়লা পাচারের কিংপিন অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী রত্নেশ ভার্মাকে জেরা করে বেশ কিছু নির্দিষ্ট সূত্র পায় ইডি। 

    আরও পড়ুন: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    এছাড়া, লালার লাল ডায়রিতেও ছিল এই শিকারিয়া ও গজরাজের নাম। সেখানে এই সংস্থায় টাকা দেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। ইসিএলের খনি থেকে পাচার হওয়া কয়লা কোথায় যাবে, কোন গাড়ি কোন গন্তব্যে যাবে, তা পুরোটাই দেখত রত্নেশ। তাকে জেরা করে এই পাচারকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বাকিদের হদিশ পাওয়ার চেষ্টা চালান তদন্তকারীরা। তা থেকে এই ‘গজরাজ গ্রুপ’ সম্পর্কে নিশ্চিত হয় ইডি। এরপর থেকেই ইডির রেডারে চলে আসেন শিকারিয়া। চলে তার ওপর নজর রাখার কাজ। অবশেষে বুধবার সেখানে হানা দেয় ইডি।

  • Coal Scam ED: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    Coal Scam ED: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা-পাচারকাণ্ডের শিকড় যে অনেক দূর ও অনেক দিকে বিস্তৃত, তা বালিগঞ্জে টাকা উদ্ধারের পর থেকেই বুঝতে পারছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। টাকা উদ্ধারের পর এক এক করে বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

    ইডি কী বলছে…

    গতকালের হানা-তল্লাশি নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দাদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য ছিল যে এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি কয়লা পাচারের টাকা তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী মনজিৎ সিং গ্রেওয়াল ওরফে জিট্টার মাধ্যমে সরাতে চাইছেন। সেই খবরের ভিত্তিতেই দক্ষিণ কলকাতায় গজরাজ গ্রুপের দফতর ও কর্ণধারের বাড়িতে হানা দেন আধিকারিকরা। যেখান থেকে ১.৪ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। 

    প্রপার্টি ডিলের টাকা…

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কয়লা পাচারের টাকায় একটি সম্পত্তি সংক্রান্ত ডিল করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে ওই টাকা। যদিও ইডির দাবি, এটা গোটা অর্থ নয়। সূত্রের খবর, একটি গেস্ট হাউস কেনার জন্য এই খরচ করা হয়। ইডির দাবি, বর্তমানে ওই প্রপার্টির বাজার দর আনুমানিক ১২ কোটি টাকা। তবে ওই সম্পত্তির ডিড বা চুক্তিপত্রে দাম দেখানো হয়েছে ৩ কোটি টাকা। বেআইনিভাবে, বাকি অর্থ অর্থাৎ ৯ কোটি টাকা নগদে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    গেস্ট হাউসের মালিক জিট্টা!

    সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, কালীঘাটের কাছে একটি ধাবা রয়েছে। তার ঠিক পিছনেই রয়েছে সালাসার নামে একটি গেস্ট হাউস। সম্প্রতি, ওই গেস্ট হাউসের আসল মালিক তাঁর এই অতিথিশালা বিক্রি করেন মনজিৎ সিং জিট্টার কাছে। এই জিট্টা হলেন গজরাজ গ্রুপের কর্ণধার বিক্রম শিকারিয়ার ঘনিষ্ঠ, যাঁর দফতরে গতকাল হানা দিয়েছিল ইডি। 

    ইডি সূত্রে এও জানা গিয়েছে, জিট্টার সঙ্গে কালীঘাট অঞ্চলের এক অতি-প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের এক সদস্যের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। ওই সদস্য নাকি জিট্টার ব্যবসায়িক পার্টনারও। শুধু তাই নয়, উঠে এসেছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর উপ-নির্বাচনের প্রচারের দায়িত্বেও ছিলেন এই মনজিৎ সিং ওরফে জিট্টা। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    গোয়েন্দাদের কাছে ছিল ডিলের খবর…

    ইডি সূত্রে খবর, গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল, যে ১২ কোটি টাকায় ওই গেস্ট হাউস কেনেন জিট্টা। অভিযোগ, সেখানেও ব্যবহার করা হয়েছিল কয়লা পাচারের টাকা। এভাবেই কালো টাকা সাদা করা হয়েছিল। এদিকে গেস্ট হাউস কিনে তা ভেঙে সেই জায়গায় নিজের ধাবা সম্প্রসারণ করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জিট্টা। আর এই কাজের বরাত পায় তাঁরই ঘনিষ্ঠ নির্মাণ ব্যবসায়ী শিকারিয়ার গজরাজ গ্রুপ। 

    ইডি সূত্রে খবর, গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল ওই প্রপার্টি ডিল হচ্ছে ম্যাডক্স স্কোয়ারে আর্ল স্ট্রেটে অবস্থিত গজরাজ গ্রুপের দফতরে। সেই মতো, সংস্থার দফতর ও বাড়ির ওপর সন্তর্পণে নজর রাখা শুরু হয়। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ একটি গাড়ি গজরাজের দফতরের সামনে এসে দাঁড়ায়। মিনিট পনেরোর পর তা চলে যায়। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সেখানে হানা দেয় ইডি। উদ্ধার হয় ডিলের ‘পার্ট-পেমেন্ট’ হিসেবে থাকা ১.৪ কোটি টাকা। বাকি টাকা কোথায়, তার খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

  • Coal Scam ED: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    Coal Scam ED: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাকাণ্ডের তদন্তে দক্ষিণ কলকাতার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হানা। রাতভর ইডির তল্লাশিতে প্রায় দেড় কোটি নগদ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তবে, তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই হানা-তল্লাশির মধ্য দিয়ে আরও চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ইডি-র রেডারে। কী সেই তথ্য?

    ইডি সূত্রে ঠিক কী উঠে এসেছে?

    কয়লাপাচার তদন্তে গতকাল দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত ম্যাডক্স স্কোয়ার সংলগ্ন ৫এ আর্ল স্ট্রিটের যে বেসরকারি নির্মাণকারী সংস্থার অফিস ও লাগোয়া ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি-র দল, সেখান থেকেই বান্ডিল বান্ডিল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার হয়। মোট ১.৪০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে। 

    গজরাজ গ্রুপ নামের সংস্থার কর্ণধার শিকারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও একটি ধাবা। বিক্রম শিকারিয়াকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলায় তাঁকে দিল্লিতেও তলব করেছে ইডি। পাশাপাশি, খোঁজ চলছে আরেক ব্যবসায়ী মনজিৎ সিং জিট্টার, যিনি এই মুহূর্তে ‘পলাতক’ বলে উঠে এসেছে। তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, জিট্টার সঙ্গে কালীঘাট অঞ্চলের এক অতি-প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের এক সদস্যের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    তবে, তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন একটি ধাবার কথা। ইডি জানতে পারে, এই বেসরকারি সংস্থাটির মাধ্যমে কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকা বিনিয়োগ করা হত। ইডি জানতে পেরেছে, এই জিট্টার একটি ধাবা রয়েছে। আবার সূত্রের দাবি, ধৃত বিক্রম শিকারিয়াকে গতকাল প্রায় ১০-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে কোনও এক ‘মিস্টার গ্রেওয়াল’-এর নাম জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গেও দক্ষিণ কলকাতার এক অতি-প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, এই ‘মিস্টার গ্রেওয়াল’-ও বর্তমানে ‘পলাতক’। উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল, হরিশ মুখার্জি রোডে তাঁরও না কি একটি রেস্তোরাঁ-ধাবা রয়েছে।  ইডি সূত্রে দাবি, ধাবা মারফৎ কয়লা পাচারের টাকা আসে মিস্টার গ্রেওয়ালের কাছে। পরে, সেই টাকা এসে পৌঁছয় বালিগঞ্জের গজরাজ গ্রুপের ডিরেক্টর অর্থাৎ শিকারিয়ার হাতে। 

    কে এই মিস্টার গ্রেওয়াল?

    ইডির দাবি, শিকারিয়া ও তাঁর ওই সহযোগী মূলত এই কয়লা পাচারকাণ্ডে ‘ফ্রন্ট ম্যান’ হিসাবে কাজ করতেন। কয়লা পাচার মামলায় ওই দুই ব্যক্তির যোগাযোগ রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। এখন ইডি জানতে চাইছে, এই মনজিত জিট্টা ও মিস্টার গ্রেওয়াল— এঁরা কি একই ব্যক্তি না ভিন্ন? ওই ধাবার আসল মালিক কে? কয়লা পাচার মামলার তদন্তে টাকা হস্তান্তরের ঘটনায় এই দুটি নামের বিষয়ে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি।

  • Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জে একটি সংস্থার দফতরে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত তল্লাশি চালান তাঁরা। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দেড় কোটি নগদ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা পাচারের টাকা এই সংস্থার মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হতো। এই প্রেক্ষিতে শাসক দল ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খোঁজ চালানো হচ্ছে আরেক ব্যবসায়ীর, যিনি এই মুহূর্তে পলাতক বলে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কলকাতার অতি-প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক পরিবারের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনারও অতি প্রভাবশালী।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    কয়লা পাচারকাণ্ডে ঠিক কীভাবে টাকা হস্তান্তর হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। সেই প্রেক্ষিতে, মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ৩ সদস্যের একটি দল আসে কলকাতায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দিল্লির আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই দলটিতে। মোট ১০ থেকে ১২ জন আধিকারিক তল্লাশি অভিযান চালান। সূত্র মারফত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় বালিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও লাগোয়া অফিসে হানা দেয় ইডি। রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ব্যাগের মধ্যে বান্ডিল বান্ডিল নোট রাখা ছিল বলে খবর। ইডি-র আধিকারিক সূত্রে খবর, ১ কোটি ৪০ লক্ষ নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে ওই দফতর থেকে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু ডিজিটাল তথ্যও। এত টাকার উৎস সম্পর্কে যথাযথ উত্তর দিতে না পারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই সংস্থার কর্ণধার ব্যবসায়ী বিক্রম শিখারিয়াকে।

    ইডি কী জানাচ্ছে? 

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সাক্ষীর বয়ান, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি ঘেঁটে খোঁজ পাওয়ার পর বুধবারেই বালিগঞ্জের দফতরে হানা দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তৃণমূলের দক্ষিণ কলকাতার এক নেতা এবং তাঁর ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাদের মতে, এক্ষেত্রে কয়লা পাচারের টাকা ধৃত ব্যবসায়ীর কোম্পানিতে ঢুকেছে। 

    জানা গিয়েছে, গজরাজ গ্রুপের মালিক এই বিক্রম শিখারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও একটি ধাবা। ইডির সন্দেহ, এই কোম্পানিগুলিতে কয়লা পাচারের টাকা ঘুর পথে এসেছে। ইডির সন্দেহ, কয়লা পাচারের টাকা বিক্রম শিখারিয়ার মাধ্যমে সাদা করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা কাণ্ডে যে কালো টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছেছিল সেই টাকাই গিয়েছিল এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। 

    নজরে আরেক ব্যবসায়ী…

    ধৃত শিখারিয়ার পাশাপাশি আরও এক ব্যবসায়ী মনজিত্‍ সিং জিট্টার খোঁজও চালাচ্ছে ইডি। বর্তমানে, তিনি পলাতক বলে উঠে এসেছে। ইডি সূত্রে খবর, এই জিট্টার এক অতি প্রভাবশালী ব্যবসায়িক পার্টনার রয়েছেন। সেই পার্টনার থাকেন কালীঘাটে। কে সেই পার্টনার? কালীঘাটের কোথায় থাকেন তিনি? এখন এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত ইডি। তবে, অবশ্যই জিট্টাকে হাতে পেতে চাইছে তদন্তকারী দল। সূত্রের খবর, জিট্টার খোঁজ চারদিকে চালানো হচ্ছে। ইডির দাবি, জিট্টাকে হাতে পেলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। অনেক জট ছাড়বে। অনেক রহস্যের সমাধান হবে।

  • ED Raid Money: তিন মাসে ইডি হানায় উদ্ধার ১০০ কোটি, কোথায় যায় এই বিপুল ধনরাশি?

    ED Raid Money: তিন মাসে ইডি হানায় উদ্ধার ১০০ কোটি, কোথায় যায় এই বিপুল ধনরাশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর বড় সাফল্যের মুখ দেখল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মাত্র তিন মাসে উদ্ধার ১০০ কোটি কালো টাকা (ED seizes Rs 100 crore in 3 months)। দেশজুড়ে ইডির সাম্প্রতিক তল্লাশি অভিযানে (ED Raid) বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার তালিকায় চমকে যাবেন অনেকেই। ইডি হানায় সম্প্রতি একাধিকবার উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) নাম।  গত সপ্তাহেই কলকাতার গার্ডেনরিচে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। ওই ব্যবসায়ী গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার কয়েক সপ্তাহ আগেই এসএসসি দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বিপুল ধনরাশি উদ্ধার হয়। টালিগঞ্জের একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২২ কোটি টাকা। এরপর বেলঘরিয়ার অপর একটি ফ্ল্যাট থেকে মিলেছিল আরও প্রায় ৩০ কোটি টাকা। ভেবেছেন কখনও উদ্ধার হওয়া এই ‘যকের ধন’ যায় কোথায়? শেষ ঠিকানা কোথায় হয় এই কালো টাকার? 

    আরও পড়ুন: কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! গার্ডেনরিচে কোন সূত্রে মিলল ১৭.৩২ কোটি টাকা?
      
    দেশজুড়ে আর্থিক তছরুপের মামলায় তদন্ত চলাকালীন বেআইনি সম্পত্তির খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় হানা (ED Raid In Kolkata) দেওয়ার অধিকার রয়েছে ইডির। বেআইনি নগদ সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করতে পারেন ইডি আধিকারিকরা। কিন্তু উদ্ধার হওয়ার পর বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারে না ইডি। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে অভিযুক্তকে উদ্ধার হওয়া টাকার সপক্ষে উপযুক্ত নথি দেখানোর জন্য সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ধার্য করা সময়ে অভিযুক্ত সেই নথি দেখাতে ব্যর্থ হলে সেই টাকাকে ‘কালো টাকা’ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। আর্থিক তছরুপ আইনে ওই টাকাকে বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াকে ওই টাকা গোণার বরাত দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গণনা শেষে বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে একটি তালিকা তৈরি করা হয়। কোন টাকার কতোগুলি নোটের বান্ডিল রয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা। ব্যাংক আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই এই তালিকা তৈরি করা হয়। 

    আরও পড়ুন: পুনরুদ্ধার ২৩ হাজার কোটি টাকা! কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মধ্যে এগিয়ে ইডি    
     
    প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে রেখে বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা ট্রাঙ্কে কিংবা বস্তায় ঢোকানো হয়। এরপর সেগুলি সিল করে দেওয়া হয়। তারপর তৈরি করা হয় সিজার মেমো। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কোনও একটি ব্রাঞ্চে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের নামে থাকা পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে ওই সমস্ত টাকা জমা করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের ট্রেজারিতে ওই টাকা জমা রাখা হয়। যদিও ইডি, স্টেট ব্যাংক কিংবা কেন্দ্রীয় সরকার, কেউই এই টাকা ব্যবহার করতে পারে না। এরপর বিচারাধীন মামলার বিচারপতিকে দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে এই বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকার পরিমাণ নিশ্চিত করাতে হয় ইডিকে। যতক্ষণ না পর্যন্ত বিচারপতি তা নিশ্চিত করছেন, ততক্ষণ ব্যাংকেই জমা থাকে সেটি। মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্টেট ব্যাংকের অ্যাকাউন্টেই থাকে সেই ‘যকের ধন’।   
     
    অভিযুক্ত যাতে কোনওভাবেই বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা ব্যবহার করতে না পারে, তার জন্যই এই কড়াকড়ি। কোনও আর্থিক তছরুপের মামলায় যখন অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হয় এবং তার সাজা ঘোষণা হয়ে যায়, তারপর বাজেয়াপ্ত হওয়া টাকা সরকারি সম্পত্তিতে পরিণত হয়। যদি অভিযুক্ত বেকসুর খালাস হয় তবে সেই উদ্ধার হওয়া টাকা তাকে আবার ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত ২০০৪-২০১৪ সালের মধ্যে মাত্র ১১২টি ইডি হানার খবর সামনে এসেছিল। ২০১৪ সালের পর তা ২৭ গুণ বেড়েছে। ২০১৪-২০২২ সালের মধ্যে ৩০১০ জায়গায় হানা দিয়েছে ইডি। এই মুহূর্তে ইডির হেফাজতে রয়েছে ১ লক্ষ কোটি টাকা। এরমধ্যে ৫৭,০০০ কোটি টাকাই ব্যাংক জালিয়াতির।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share