Tag: ED Raid

ED Raid

  • ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    ED Raids Arpita Properties: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে মঙ্গলবার দিনভর শহরের মোট ৬টি জায়গায় ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। মঙ্গলবার সকালেই ফের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স (CGO complex) থেকে ইডি (ED) আধিকারিকদের চারটি দল অভিযানে বেরিয়ে পড়ে। একটি দল যায় গড়িয়াহাট (Gariahat) এলাকার পণ্ডিতিয়া রোডে (Panditia Road)। দ্বিতীয় দলটি মাদুরদহ (Madurdaha) এবং তৃতীয় দল বরানগরে (Baranagar) যায়। চতুর্থ দলটি যায় পাটুলিতে (Patuli)। 

    দক্ষিণ কলকাতার পণ্ডিতিয়া এলাকার ফোর্ট ওয়েসিস (Fort Oasis) নামের অভিজাত আবাসনে অভিযান চালায় ইডি-র একটি দল। ইডি সূত্রে খবর, ওই আবাসনের ছ’নম্বর ব্লকের ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটটি অর্পিতাকে ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও খাতায়কলমে ফ্ল্যাটটি অন্য এক ব্যক্তির নামে। ইডি সূত্রে খবর, ওই ফ্ল্যাটটি ওম ঝুনঝুনওয়ালা নামে এক ব্যক্তির নামে নথিভুক্ত করা আছে। 

    তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, কলকাতার কোনও এক নামজাদা শিল্পপতির কাছ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এই ফ্ল্যাটটি উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন ২০১৫-১৬ সাল নাগাদ, যে সময়ে তিনি আসীন ছিলেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রীর পদে। দক্ষিণ কলকাতার এই বন্ধ ফ্ল্যাটটিতেও কোটি কোটি টাকা লুকিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    দীর্ঘ চেষ্টা করেও ঝুনঝুনওয়ালা নামে সেই ব্যক্তির কোনও হদিস পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের খবর। স্বাভাবিকভাবেই ইডি এখন তাঁর খোঁজ শুরু করেছে। ওই ফ্ল্যাট বেনামে কেনা হয়েছিল বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী জানিয়েছে, কয়েকমাস ধরে তালাবন্ধ ওই ফ্ল্যাটের মালিক। যদিও ইডি সূত্রে দাবি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সূত্রে পণ্ডিতিয়া রোডের এই ফ্ল্যাটটি ব্যবহার করতেন অর্পিতা। আপাতত, ফ্ল্যাটটি সিল করে দিয়েছে ইডি।

    এই আবাসনের পাশাপাশি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা একাধিক নেল আর্টের (nail art) দোকানে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অর্পিতা ও পার্থর নামে থাকা বেলঘরিয়ার (Belghoria) ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে এই সব নেইল আর্ট শপ সম্পর্কে জানতে পারেন ইডি আধিকারিকরা৷ সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এ দিন ৬টি জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা৷ 

    একটি দল আসে দক্ষিণ কলকাতার পাটুলিতে পালকি রেস্টুরেন্টের উল্টো দিকে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারে। এদিন পাটুলির ‘ম্যাজিক টাচ, দ্য নেল প্লেস’ দোকানটিতে অভিযান করেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন সেই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর প্রসেনজিৎ দাসকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের ধারণা, নেল আর্টের দোকান কিনতে বা ভাড়া নিতে সাহায্য নেওয়া হয়েছিল কাউন্সিলরের। যদিও প্রসেনজিতের দাবি, দোকান কেনা বা লিজের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। তবে কিছু নথিপত্র সম্ভবত পাওয়া গিয়েছে। প্রয়োজনে সেটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যেতে পারেন তদন্তকারীরা। 

    আরও পড়ুন: মাথায় লাগলে শান্তি পেতাম, পার্থকে জুতো ছুড়ে বললেন মহিলা

    পাটুলির পাশাপাশি বরানগর, লেক গার্ডেন্স এবং লেক ভিউ রোডের নেল আর্ট স্টুডিওতেও তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, মাঝে মধ্যেই এই শপগুলিতে যেতেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়৷ বরানগর ও লেক ভিউ-র পার্লার থেকেও নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। লেকভিউ পার্লারটি বেশ কয়েকদিন ধরে বন্ধ ছিল। দুপুরে ইডি আধিকারিকরা পৌঁছলেও পার্লার বন্ধ থাকায় তাঁরা অপেক্ষা করতে থাকেন। এরপর পার্লারের ম্যানেজার এসে পার্লারটি খুলে দেন। বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথির পাশাপাশি সিসিক্যামেরার হার্ডডিস্কও বাজেয়াপ্ত করেন তাঁরা। 

    বরানগরে অর্পিতার নেল আর্ট পার্লারেও চলে তল্লাশি। সেখান থেকেও গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করেন ইডি আধিকারিকরা। ইডির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশ কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে৷ যেগুলি তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে৷ সেই সব কাগজগুলিকে কেন্দ্রীয় সংস্থা বাজেয়াপ্ত করেছে৷ তবে, নেইল আর্ট শপগুলিতে কোনও টাকা বা মূল্যবান সামগ্রী এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে৷ 

    অন্যদিকে, মাদুরদহের ওম ভিলা আবাসনেও তল্লাশি অভিযানে যান ইডি-র আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, এখানে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের একটি জমি ছিল। যেখানে কয়েকজন ফ্ল্যাটও কেনেন বলে খবর। সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতেই তল্লাশি অভিযান চালানো হয় মাদুরদহে। ফ্ল্যাটের পরিচারিকা এবং কেয়ারটেকারের সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা। একইসঙ্গে কেন্দুয়া মেন রোড সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটেও হানা দেয় ইডি।

    আরও পড়ুন: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

  • Arpita Chatterjee: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

    Arpita Chatterjee: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মুখে বলতে শোনা গিয়েছিল, “টাকা আমার নয়…।” রবিবার জোকা ইএসআই (Joka ESI) হাসপাতালের সামনে এই মন্তব্য করেছিলেন এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) ইডি-র (ED) হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের (TMC) সাসপেন্ডেড নেতা। এবার মঙ্গলবার, মুখ খুললেন পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। আর প্রথমেই করে বসলেন বিস্ফোরক অভিযোগ। 

    আদালতের নির্দেশে এদিন নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পার্থ-অর্পিতাকে নিয়ে আসা হয়েছিল জোকা ইএসআই হাসপাতালে। সেখানেই মুখ খোলেন তিনি। এতদিন মুখ না খুললেও, প্রকাশ্যে কাঁদতে ও হাত-পা ছুড়তে দেখা গিয়েছে অর্পিতাকে। কিন্তু, এদিন তিনি বললেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতে টাকা ঢোকানো হয়েছে’। 

    আরও পড়ুন: পার্থ-অর্পিতার পর এবার কাকে জেরা করতে চলেছে ইডি, জানেন?

    এদিন সাংবাদিকরা অর্পিতার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, টাকা কার? জবাবে তিনি বলেন, “এই টাকা আমার নয়। আমার অনুপস্থিতিতে এবং আমার অজান্তে এই টাকা ঘরে ঢোকানো হয়েছে।” অর্থাৎ তাঁর ডায়মন্ড সিটি ও বেলঘরিয়ার ক্লাব টাউনের ফ্ল্যাট থেকে যে টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়েছে তা তাঁর অজ্ঞাতসারে সেখানে কেউ বা কারা ঢুকিয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করলেন অর্পিতা।

    এর আগে জেরা চলাকালীনও অর্পিতা একই কথা জানিয়েছিলেন। ইডি সূত্রের খবর, অর্পিতা জানিয়েছিলেন, বন্ধ ঘরে প্রবেশাধিকার ছিল না তাঁর। উল্লেখ্য, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছে ২১ কোটি টাকা। আর বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ২৯ কোটি টাকা এবং সোনা পেয়েছে ইডি।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের হয়ে প্রচার অর্পিতার, প্রকাশ্যে ছবি, এর পরেও অস্বীকার করবে শাসক দল?

    আগের দিন যখন জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থবাবুকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেই সময়ে টাকার ব্যাপারে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার টাকা নয়।’ এবার একই কথা বললেন অর্পিতাও। অর্থাৎ, দু’জনের দু’দিনের বয়ান অনুযায়ী, অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া টাকা পার্থর নয়, অর্পিতারও নয়। এখন প্রশ্ন হল, তাহলে টাকাটা কার? যদিও, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের কোনও উত্তর এদিন দেননি অর্পিতা।

  • Partha Chatterjee: পার্থর বাড়িতে নথির ফাইলটি তল্লাশির  আগে রেখে এসেছিলেন কে?  ‘ষড়যন্ত্র’?

    Partha Chatterjee: পার্থর বাড়িতে নথির ফাইলটি তল্লাশির  আগে রেখে এসেছিলেন কে?  ‘ষড়যন্ত্র’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) ফ্ল্যাট থেকে ৫০ কোটি টাকা নগদ উদ্ধারের পর তৃণমূলের সদ্য প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ষড়যন্ত্রের কথা বলেছেন। সময় এলে তিনি যে সব জানাবেন তাও জানিয়েছেন মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদ্য প্রাক্তন ভারী মন্ত্রী। কিন্তু কেন পার্থবাবু ষড়যন্ত্রের কথা মুখে আনলেন? প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর অন্দরের খবর রাখা একটি বিশেষ সূত্র জানাচ্ছেন, অর্পিতার নামে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা সম্পত্তি বা অর্থের হদিশ সংক্রান্ত নথি পার্থবাবুর নাকতলার বাড়িতে আগে ছিল না। গত ২২ জুলাই ইডি পার্থবাবুর বাড়িতে তল্লাশি চালায়, ঠিক তার দিন সাতেক আগে ওই সংক্রান্ত একটি ফাইল পার্থবাবুর বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি যদিও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর একেবারে বিশ্বাসভাজন ব্যক্তি। নথিপত্র বাড়িতে রেখে আসার দিন সাতেকের মধ্যেই যে ভাবে ইডি তল্লাশি শুরু হয় তাতে ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পোক্ত হচ্ছে বলে পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ মহল জানাচ্ছে।

    আরও পড়ুন : ‘অপা’-য় হানা ইডির, শান্তিনিকেতনে পার্থ-অর্পিতার সম্পত্তির খোঁজে তল্লাশি

    সূত্রের খবর, ইডি তল্লাশি শুরু হওয়ার পর তদন্তকারীরা নথিপত্রের ফাইলটি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করেন। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠদের দাবি, যেন মনে হচ্ছিল ইডি ফাইলটি যে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে পাওয়া যাবে তা জানতেন। সেই নথি পেতেই পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর মতো তদন্তের কাজ এগিয়েছে। অর্পিতার নিয়ন্ত্রণে থাকা সম্পত্তি গুলির খোঁজ পেতেই দেখা যাচ্ছে, নানা জনের নামে সে সব কেনা রয়েছে। সে সব খুঁজতে গিয়ে দুর্নীতি চক্রের জালে জড়িয়ে পড়েছে বহু রাঘববোয়ালও। 

    আরও পড়ুন : অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠসূত্রের দাবি, অর্পিতার নিয়ন্ত্রণে থাকা নথিগুলি নাকতলার বাড়িতে রেখে এসেছিলেন এক আইনজীবী। সেই আইনজীবী পার্থবাবুর কাছের হলেও ইদানীং তৃণমূলের এক অতীব প্রভাবশালীর কাছেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। এছাড়া যে ভাবে নির্দিষ্টভাবে পর পর দুদিনে ৫০ কোটি নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে তাতে এক সিনিয়র পুলিশ অফিসারের নামও উঠে আসছে। সিনিয়র ওই পুলিশ অফিসার তৃণমূলের অন্দরের খবর রাখতেন। তবে ইদানীং নবান্নর বিরাগভাজন হয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন : অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন, চাকরি দুর্নীতির মূল টাকা উঠেছিল  ২০১৪ সাল নাগাদ।সেই টাকা এখন আর মজুত নেই। ঘরবাড়ি, জমি জায়গা কিনে তা শেষ হয়ে গিয়েছে। সদ্য উদ্ধার হওয়া টাকা তা হলে কিসের টাকা? অনেকের মতে, এখানেই লুকিয়ে আছে পার্থবাবুর ষড়যন্ত্র তত্ত্বের আসল কাহিনী। কেন তিনি উদ্ধার হওয়া টাকা নিজের নয় বলে উল্লেখ করলেন? ইডি সেই পথেই হাঁটছে বলে জানা যাচ্ছে।

  • SSC Scam: পার্থর ‘আপনজনের’ ঘরে চাকরি বিক্রির ২০ কোটি, ইডির তল্লাশিতে ফাঁস রাঘব বোয়ালদের যোগ

    SSC Scam: পার্থর ‘আপনজনের’ ঘরে চাকরি বিক্রির ২০ কোটি, ইডির তল্লাশিতে ফাঁস রাঘব বোয়ালদের যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) তল্লাশিতে নেমে চক্ষু চড়কগাছ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate)। শিল্প মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ২০ কোটি টাকা। এক প্রেস বার্তায় ইডি (ED) জানিয়েছে, বিপুল নগদ উদ্ধারের জন্য টাকা গোনার মেশিন (Note counting machine) আনা হয়েছে। এগুলি এসএসসির চাকরি বিক্রির টাকা হতে পারে।

    [tw]


    [/tw]
     
    ইডি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার দিনভর শিল্পমন্ত্রী তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী (Paresh Adhikary), তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের সদ্য প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, পার্থের ‘আপনজন’ অর্পিতা, প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়, সুকান্ত আচার্য, চন্দন মণ্ডল, পার্থবাবুর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য, কৃষ্ণা অধিকারী, এসপি সিনহা, কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সৌমিত্র সরকার, অলোক কুমার সরকারের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এঁদের সবার সঙ্গে এসএসসি দুর্নীতির যোগ আছে বলে ইডির দাবি।

    আরও পড়ুন: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    ইডি জানিয়েছে, অর্পিতাদেবীর বাড়ি থেকে ২০টি ফোন পাওয়া গিয়েছে। কেন এগুলি ফোন তিনি ব্যবহার করতেন তাও তদন্ত করে দেখছে ইডি। নগদ টাকা গোনার জন্য ইডি ব্যাঙ্ককর্তাদের সহায়তা নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু শেল কোম্পানি, বিদেশি মুদ্রা (Foreign Exchange), ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করেছে ইডি। কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) স্কুল শিক্ষক নিয়োগ (Teacher recruitment) নিয়ে লাগাতার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সিবিআইকে (CBI) । গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি, নবম-দ্বাদশ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের তদন্ত করছে সিবিআই। ইডি দাবি করেছে, সিবিআইয়ের তদন্তের সূত্রেই বেআইনি লেনদেনের তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এসএসসি-টেট দুর্নীতি (Primary TET scam) মামলায় আরও চমকপ্রদ ঘটনা ঘটতে চলেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?

  • Partha Chatterjee Arrested: এসএসসি কাণ্ডে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়, আজই তোলা হবে আদালতে

    Partha Chatterjee Arrested: এসএসসি কাণ্ডে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়, আজই তোলা হবে আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শেষে অবশেষে শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিজিও কমপ্লেক্সে। আজই তাঁকে সম্ভবত তোলা হবে আদালতে। সেখানে পার্থকে নিজেদের হেফাজতে চাইতে পারে ইডি। একইসঙ্গে আটক করা হয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। গতকাল অর্পিতার ফ্ল্যাটে থেকে নগদ ২১ কোটির বেশি টাকা ও প্রায় ৭৯ লক্ষাধিক টাকার গয়না উদ্ধার করেছন তদন্তকারীরা। প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রাও উদ্ধার হয় ফ্ল্যাট থেকে।

    শুক্রবার, সকাল ৭টা নাগাদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়, এই দুর্নীতিকাণ্ডে আরেক অভিযুক্ত পরেশ অধিকারী সহ একসঙ্গে ১৩টি জায়গায় হানা দেয় ইডি। পরে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে চিরকূটে লেখা অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নাম দেখে সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের। পরে, দুপুর তিনটে নাগাদ সেখানে হানা দেয় ইডি। তখনও ইডি আধিকারিকরা জানেন না, তাঁদের জন্য সেখানে অপেক্ষা করছে ‘জ্যাকপট’। একেবারে, ২ হাজার ও ৫০০-র নোটের ২ বস্তা ভর্তি বাণ্ডিল বাণ্ডিল টাকা উদ্ধার করা হয়। 

    একদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি, অন্যদিকে অর্পিতার ফ্ল্যাট– রাতভর জেরাপর্ব চলে। ইডি সূত্রে দাবি, তদন্তে নেমে অর্পিতার সম্পত্তির যে খতিয়ান উঠে এসেছে, তাতে তদন্তকারীদের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! সূত্রের খবর, অর্পিতা এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তিক হদিশও মিলেছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, কলকাতা শহরেই অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাট এবং একটি বাড়ির হদিশ মিলেছে। বেলঘরিয়া রথতলা এলাকায় অভিজাত ক্লাবটাউন হাইটসে ১১০০ ও ১৬০০ স্কোয়ার ফিটের অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাট রয়েছে। একটি ব্লক টু-য়ে, অন্যটি ব্লক ফাইভে। এর মধ্যে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের সঙ্গে রয়েছে টেরেস। 

    এত বিপুল সম্পত্তি কোথা থেকে এল? সেই প্রশ্ন করা হয় অর্পিতাকে। কিন্তু, কোনও সদুত্তর মেলেনি। ইডি সূত্রে দাবি, জনের কেউই নাকি তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। এরপরই , এর পরই সকালে পার্থকে গ্রেফতারির প্রক্রিয়া শুরু হয়। সাক্ষী ডেকে এনে সই করানো হয় গ্রেফতারি মেমোয়। একইসঙ্গে আটক করা হয় অর্পিতাকেও। পরে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুকান্ত আচার্যকে আটক করে ইডি। সুকান্ত এসএসসি-র উপদেষ্টা কমিটির সদস্য। নিউ ব্যারাকপুরের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে ইডি। নিয়ে যাওয়া হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। 

  • ED Raid Cash Recovery: অর্পিতার ২ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার নগদ ৫০ কোটি! এটাই কি ইডি-র সর্বকালীন রেকর্ড?

    ED Raid Cash Recovery: অর্পিতার ২ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার নগদ ৫০ কোটি! এটাই কি ইডি-র সর্বকালীন রেকর্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC scam) তল্লাশি চালিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) হরিদেবপুর ও বেলঘরিয়ার আবাসন থেকে যথাক্রমে ২২ কোটি ও ২৮ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। অর্থাৎ, এই দুজায়গায় হানা দিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি (ED)। 

    আর এই উদ্ধার হওয়া নগদের অঙ্ক নিয়ে এখন বিশ্লেষণ করছেন পরিসংখ্যানবিদরা। তাঁদের মতে, অতীতে ইডি একটি মামলায় এত বিপুল নগদ কখনও উদ্ধার করেনি। ফলে, অর্পিতার জোড়া ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৫০ কোটি হতে পারে ইডি-র ক্ষেত্রে একটা সর্বকালীন রেকর্ড।

    আরও পড়ুন: সোনার ‘সংসার’! গয়না থেকে সোনার বাট কী নেই অর্পিতার আলমারিতে

    অতীতে, একাধিক মামলায় হানা দিয়েছে ইডি। একাধিক জায়গায় স্থাবর-অস্থাবর সমেত বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। সাম্প্রতিককালে তেমন একটি ঘটনা হল চিনা ফোন প্রস্তুতকারী সংস্থা ভিভো মোবাইলের বিরুদ্ধে অভিযান। তাতে ১১৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৪৬৫ কোটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। কিন্তু এগুলি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ, বাড়িতে  রাখা নগদ নয়।

    বহু জায়গা থেকেই নগদ উদ্ধার করেছে ইডি। এর মধ্যে সাম্প্রতিককালে ইডি-র তল্লাশিতে বিপুল টাকা উদ্ধারের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ঝাড়খণ্ডের ঘটনা। সেখানে অবৈধ খনি মামলায় আইএএস অফিসার পুজা সিঙ্ঘলের বাড়ি ও দফতরে হানা দিয়ে প্রায় নগদ ২৫ কোটি টাকা উদ্ধার করে ইডি। সেটিই ছিল এযাবৎকালে সর্ববৃহৎ। এছাড়া, সত্যন্দ্র জৈনের বাড়ি থেকে নগদ ২.৮৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    কিন্তু, দুর্নীতিতে ঝাড়খণ্ডকে পিছনে ফেলে ‘এগিয়ে বাংলা’। অর্পিতার ২ ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েই উদ্ধার হল ৫০ কোটি। ইডি সূত্রের খবর, অর্পিতার নামে কলকাতা ও শহরতলিতে নামে ও বেনামে প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। একাধিক ফ্ল্যাট ও জমি-বাড়ি রয়েছে। সেগুলোতে এখনও তল্লাশি চালায়নি ইডি। সেখান থেকেও আরও বিপুল নগদ উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। 

    তবে, রেকর্ডের চেয়ে আরেকটি বিষয় আরও বেশি করে ভাবিয়ে তুলছে ইডি-কে। তা হল, মুম্বই বা দিল্লির মতো বড় শহর থেকে এই নগদ উদ্ধার হয়েছে এমন নয়। এই টাকা উদ্ধার হয়েছে কলকাতা থেকে। যা দেশের বাণিজ্য বা প্রশাসনিক রাজধানী নয়। ফলে, এসএসসি কাণ্ডে এই অর্থ উদ্ধার হওয়াটা একদিকে যেমন ইডি-র যেমন বড় সাফল্য, ঠিক তেমনই কলকাতা থেকে কেলেঙ্কারির এই বিপুল অর্থ উদ্ধার হলো— তা একটা অশনি সংকেতও বটে।

  • Partha Chatterjee: কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের ফ্ল্যাট? অবশেষে মিলল খোঁজ

    Partha Chatterjee: কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের ফ্ল্যাট? অবশেষে মিলল খোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই সকলের মুখে ঘোরাফেরা করছিল প্রশ্নটা। তা হল— কোথায় রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কুকুরের (Partha Chatterjee Pet Dogs) ফ্ল্যাট? এতদিনে তার খোঁজ মিলল।

    গত মে মাসে এই এসএসসি-কাণ্ডের (SSC Scam) শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) একটি মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে। মন্ত্রীর হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে বিচারপতির মন্তব্য ছিল, নাকতলায় পোষা কুকুরের জন্য ওনার একটা ফ্ল্যাট আছে জানেন তো? এত সম্পত্তির মালিক হলেন কী করে? ওনার সম্পত্তির হিসেব আদালতে পেশ করা হোক। এই সম্পত্তির পরিমাণ কত, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেই পর্যবেক্ষণ করেন বিচারপতি।

    এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডে (Teachers Recruitment Scam) পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পত্তির তদন্ত করতে গিয়েই প্রথম সিবিআইয়ের হাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছিল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছিলেন, কুকুরের নামে ওই ফ্ল্যাটের কথা। যদিও, কোথায় সেই ফ্ল্যাট রয়েছে, তা তখন প্রকাশ্যে আসেনি। এখন এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডের আর্থিক দিক খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। গতকাল, সেই সূত্রে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। সেখান থেকে ২০ কোটির বেশি নগদ ও বিপুল গয়না উদ্ধার হয়। ইডি সূত্রে দাবি, তল্লাশিতে উঠে এসেছে একাধিক চমকপ্রদ তথ্য। কী সেই তথ্য?

    ইডি (ED) সূত্রে দাবি, শুক্রবার টালিগঞ্জের অভিজাত ডায়মন্ড সিটি সাউথ (Diamond City South) আবাসনের টাওয়ার ২ ফ্ল্যাট ১এ-তে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। এই ফ্ল্যাটেই থাকেন অর্পিতা। কিন্তু, তদন্তে উঠে এসেছে, ওই একই টাওয়ারে আরও তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে পার্থ-অর্পিতার। সেগুলি হল— ১৮ডি, ১৯ডি ও ২০ডি। সূত্রের দাবি, এর মধ্যে ১৮ডি ফ্ল্যাটটি পার্থ চট্টোপাধ্যয়ায়ের কুকুরের জন্য বরাদ্দ। জানা গিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় মাঝেমধ্যেই এই আবাসনে আসতেন। অর্পিতার সঙ্গে দেখা করতেন। 

  • Arpita Mukherjee: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    Arpita Mukherjee: ডায়মন্ড সিটির পার্কিং লট থেকে ‘উধাও’ অর্পিতার ৪টে দামী গাড়ি! তাতেও ছিল টাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক এক সপ্তাহ আগে, গত শুক্রবার, এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের (SSC scam) তদন্তে নেমে প্রথম বড় সাফল্য পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। রাজ্যের শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Minister Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ মডেল-অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে পাহাড় প্রমাণ নগদ ও সোনা উদ্ধার করে। 

    টালিগঞ্জের হরিদেবপুর (Tollygunj Haridevpur) এলাকার ডায়মন্ড সিটি সাউথ (Diamond City South) আবাসনে টাওয়ার ২-এর ফ্ল্যাট নম্বর ১এ ফ্ল্যাটে থাকতেন অর্পিতা, যার বর্তমান ঠিকানা সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO complex) ইডি লক-আপ। ওই ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ২২ কোটি টাকা, ৭৯ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়না এবং প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে ইডি। 

    আরও পড়ুন: যকের ধন! অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার ২৮ কোটি নগদ, ৪ কোটি মূল্যের সোনা

    তবে, ইডি (ED) সূত্রের খবর, ওই টাওয়ারের পার্কিং লটে অর্পিতার চারটি দামী গাড়ি (Arpita luxury cars) থাকত। তদন্তে উঠে এসেছে, গাড়িগুলোর মধ্যে ছিল একটি অডি এ৪ সিরিজের মডেল যার নম্বর WB02 AB- 9561। একটি হন্ডা সিটি যার নম্বর হল WB06-T-6000। আরও একটি হন্ডার গাড়ি যার নম্বর WB06-T-6001 এবং WB02- AE- 2232 নম্বরের চতুর্থ গাড়ি।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের মতে, স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, দুসপ্তাহ আগেও দেখ যেত গাড়িগুলো। এও দাবি, ওই গাড়িতে অনেক হামেশাই দেখা যেত অর্পিতাকে। কিন্তু, এখন আচমকা উধাও হয়ে গেছে সেই গাড়িগুলো। কোথায় গেল গাড়িগুলো, তার খোঁজ চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    আরও পড়ুন: ঘরে টাকা থাকলেও তা ছোঁয়ার অধিকার ছিল না! জানুন ইডির জেরায় কী বললেন অর্পিতা

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, চার-চারটে গাড়ি রাতারাতি সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হলেও, কেন ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা সরাতে পারলেন না অর্পিতা-পার্থ? নাকি, ওই চারটে গাড়ি-ভর্তি করে আরও টাকা আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে? হতে পারে, যে টাকা উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো আর সরানোর সময় মেলেনি! সবদিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

     

  • SSC Scam ED raids: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    SSC Scam ED raids: পার্থ, পরেশের বাড়ি সহ ১৪ জায়গায় হানা ইডি-র, কী মিলল তল্লাশিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতিতে (SSC Scam) রাঘববোয়ালদের ধরতে এবার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chaterjee) নাকতলার বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। ৮-ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব চলেছে।  পাশাপাশি, পিংলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আত্মীয়ের বাড়িতেও ইডি অফিসাররা। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামাইয়ের মামার বাড়িতে যান ইডির ৭ অফিসার। কৃষ্ণ প্রসাদ অধিকারীর খিরিন্দার বাড়িতে পৌঁছয় ইডি। 

    একইসঙ্গে ইডি (ED) হানা দিয়েছে তৃণমূলেরই (TMC) মন্ত্রিসভার আর এক সদস্য শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারির (Paresh Adhikary) বাড়িতেও। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। পরেশ অধিকারীর স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি অফিসাররা।

    এছাড়াও এসএসসির প্রাক্তন কর্তা শান্তি প্রসাদ সিনহার (Shantiprasad Sinha) বাড়িতেও হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই তিন জায়গা ছাড়াও রাজ্যের আরও দশ জায়গায় এদিন হানা দেয় ইডি। এর মধ্যে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, টেট দুর্নীতি মামলায় অপসারিত পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর যাদবপুরের বাড়ি এবং পর্ষদ সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচীর বাড়িতেও যান ইডি অফিসাররা। 

    আরও পড়ুন : এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?

    রাজ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনে (School Service Commission) ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন চাকরি প্রার্থীদের কেউ কেউ। তার পরেই এই দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নামে সিবিআই (CBI)। কীভাবে দুর্নীতি হয়েছিল তা খুঁজে বের করাই প্রধান লক্ষ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তের গোড়ায় পৌঁছতে সিবিআই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করেছে। জেরা করা হয়েছে বাম দল থেকে তৃণমূলের আসা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারিকেও।

    এই মামলায় তদন্ত করছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও। তারা মূলত আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এজন্য দুটি এফআইআর রুজুও করেছে ইডি। এ ব্যাপারে একাধিক আবেদনকারী ও সাক্ষীর বয়ানও রেকর্ড করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। এ থেকেই ইডির ধারণা, এই মামলায় লেনদেন হয়েছে কোটি কোটি টাকা। এই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল, গেলই বা কোথায়, লাভের অঙ্ক কার ঘরেই বা উঠল, ঘটনার নেপথ্যে কোনও প্রভাবশালী যোগ রয়েছে কিনা এসবই খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা। গত কয়েক দিনে এনিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। তার পরেই এদিন রাজ্যের ১৩টি জায়গায় হানা দেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন : এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের ডাকে ফের নিজাম প্যালেসে পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    জানা গিয়েছে, এদিন এসএসসি দুর্নীতি মামলার তদন্তে পার্থের নাকতলার বাড়িতে হাজির হন ইডির আধিকারিকরা। ইডিরই আর একটি দল গিয়ে হাজির হন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেখলিগঞ্জের বাড়িতেও। ইডি সূত্রে খবর, প্রায় ৯০ জন আধিকারিক দুর্নীতির শেকড়ে পৌঁছতে হানা দিয়েছেন রাজ্যের ১৩টি জায়গায়। শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের বাড়িতেও এদিন হানা দেন তদন্তকারীরা। এদিন শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে যান এক মহিলা সহ ইডির সাতজন আধিকারিক। শান্তি প্রসাদের কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে, সেটাই জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

     

LinkedIn
Share