Tag: ED Summon

ED Summon

  • Pratik Jain: কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় আইপ্যাক যোগ! প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লিতে তলব ইডির

    Pratik Jain: কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় আইপ্যাক যোগ! প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লিতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় আইপ্যাকের (I-PAC) যোগ থাকার অভিযোগে তদন্ত জোরদার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন এবং ঋষিরাজ সিংকে দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। কলকাতায় সিবিআই এবং ইডির অফিস তদন্তের জন‍্য সুরক্ষিত নয়। ছিনিয়ে নেওয়া হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ তথ‍্য প্রমাণ। তাই আইপ্যাকের কর্ণধার ও এক কর্তাকে জিজ্ঞসাবাদের জন্য দিল্লিতে ডাকা হয়েছে, বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কেন দিল্লিতে তলব, জানাল ইডি

    গত ৮ জানুয়ারি ইডি আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই উপস্থিতিকে ‘তদন্তে বাধা’ হিসেবে দেখিয়ে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে ইডি, যার শুনানি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে চলছে। এরই মধ্যে দিল্লি হাইকোর্টে ইডি দাবি করেছে যে কলকাতায় সিবিআই ও ইডির অফিস তদন্তের জন্য নিরাপদ নয়। তাদের আশঙ্কা, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রমাণ ছিনিয়ে নেওয়া হতে পারে। এই সংক্রান্ত একটি মামলা বুধবার বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভামবানির বেঞ্চে ওঠে। শুনানিতে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল এস.ভি. রাজু আইপ্যাক অফিসে অভিযানের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ‘বাধা দেওয়ার’ অভিযোগ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

    নথির গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা

    অন্যদিকে, প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিং দিল্লিতে হাজিরার সমনের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। তাঁদের দাবি, তাঁরা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনী কৌশল তৈরির কাজে ব্যস্ত, তাই দিল্লিতে না গিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বা কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ দেওয়া হোক। তবে ইডি এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে জানায়, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করলে নথির গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, পাঁচ বছর ধরে চলা এই তদন্তে এখনই কেন জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। পাশাপাশি কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ সম্ভব নয় কেন—এই বিষয়ে ইডিকে হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, ২ এপ্রিলের পর কোনও একদিন প্রতীক জৈনকে দিল্লির অফিসে হাজিরা দিতে বলা হতে পারে।

  • ED: এবার ইডির তলব অভিনেতা-সাংসদ দেবকে, ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ

    ED: এবার ইডির তলব অভিনেতা-সাংসদ দেবকে, ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দেবকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। জানা গিয়েছে, ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ বা আর্থিক তছরুপের মামলাতেই অভিনেতাকে এই সমন পাঠানো হয়েছে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে দেবকে।

    ই-মেল মারফত সমন পাঠানো হয়েছে দেবকে

    বুধবার রাতেই ই-মেল মারফত একটি চিঠিতে (ED) তাঁকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁকে বেশ কিছু নথিপত্র নিয়ে যেতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেই গরু পাচারকাণ্ডে সাক্ষী হিসেবে দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এবার দেবকে ডেকে পাঠালো ইডি (ED)। নিজের ঘনিষ্ঠ মহলে দেব জানিয়েছেন, ইডি দফতরে (ED) হাজিরা দেবেন তিনি। 

    কিছু দিন ধরেই চর্চা চলছে দেবকে নিয়ে

    কিছুদিন ধরেই বঙ্গ রাজনীতিতে জোর চর্চা চলছে অভিনেতা তথা সাংসদ দেবকে নিয়েই। প্রসঙ্গত, দেবের বিরুদ্ধেও কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ ওঠে। একটি অডিও ক্লিপ (এই অডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’) ভাইরাল হয়। যেখানে দেবের বিরুদ্ধে ‘কমিশন’ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কণ্ঠস্বর ঘাটালের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শঙ্কর দলুইয়ের বলে মনে করা হচ্ছিল। যদিও শঙ্কর দলুই এই অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর কণ্ঠস্বর ওই ক্লিপে ঢোকানো হয়েছে। এরপরেই লোকসভায় বাজেট অধিবেশনে দেব ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। আভাস দিয়েছিলেন ভোটে না দাঁড়ানোর। লোকসভার বাজেট অধিবেশনের শেষ হতেই তিনটি সরকারি কমিটি থেকে ইস্তফাও দিয়েছিলেন দেব। আর তা নিয়ে বঙ্গ রাজনীতির অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছিল। দেব সংসদে গিয়ে ভাষণে বলেছিলেন যে এটাই হয়তো সাংসদ হিসেবে তাঁর শেষ বক্তব্য। তারপর থেকে অভিষেক ও মমতার সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেন তিনি। পরে আবার রাজনীতিতে থেকে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি। এসবের মাঝেই তাঁকে সমন পাঠাল ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার সঙ্গী লালা-ও

    Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার সঙ্গী লালা-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (Coal Smuggling Case) ফের রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) দিল্লিতে ডেকে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জানা গিয়েছে, ২৬ জুন কয়লাকাণ্ডে তাঁকে দিল্লিতে ডাকা হয়েছে। মন্ত্রীর পাশাপাশি দিল্লিতে তলব করা হয়েছে কয়লা পাচারকাণ্ডে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকেও। তাঁকে ২৯ জুন তলব করা হয়েছে।

     বারবার হাজিরা এড়িয়েছেন রাজ্যের আইন মন্ত্রী!

    এর আগে একাধিকবার দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল মন্ত্রীমশাইকে (Moloy Ghatak)। কিন্তু, প্রতিবারই তিনি তা এড়িয়ে গিয়েছেন। চলতি মাসে মলয় ঘটককে দুবার তলব করেছিল ইডি। গত ৫ জুন কয়লা পাচার কাণ্ডে মলয় ঘটককে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেই ডাকে সাড়া দেননি রাজ্যের আইনমন্ত্রী। ১৯ তারিখ তাঁকে ডাকা হয়েছিল। সেটা তিনি এড়িয়ে যান। সূত্রের খবর, আইনজীবীর চিঠি মারফৎ মলয় জানিয়ে দেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিভিন্ন জেলায় প্রচারে ব্যস্ত থাকায় তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে পারছেন না। 

    এবার হাজিরা না দিলে কী পদক্ষেপ ইডি-র?

    এমনকি, ইডি যে তাঁকে দিল্লির বদলে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করুক, এই আবেদন নিয়ে এর আগে দিল্লি হাইকোর্টেও আবেদন করেছিলেন মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। যদিও তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় যে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দিল্লি সদর দফতরেই হাজিরা দিতে হবে মলয়কে। তবে, কমপক্ষে ১৫ দিন আগে তাঁকে নোটিশ পাঠাতে হবে বলেও জানিয়ে দেয় আদালত। ইডি সূত্রের দাবি, এবারও মলয় ঘটক তদন্তকারী অফিসারের সামনে হাজির না হন এবং এই সমনও এড়িয়ে যান, তাহলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা রাজ্যের আইন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বিষয়টি আদালতের নজরেও আনতে পারে।  সূত্রের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে এবার কড়া অবস্থান নিতে চলেছে ইডি। 

    মলয়ের দোসর অনুপ মাজি ওরফে লালা

    কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয়ের (Moloy Ghatak) পাশাপাশি এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকেও এবার দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা পাচার কাণ্ডে সরাসরি জড়িত লালা। এর আগে, অনুপের কলকাতা এবং পুরুলিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। পাশাপাশি, সিবিআই সূত্রের দাবি, অনুপের কিছু নথি থেকেই তাঁর সঙ্গে মলয়ের যোগাযোগের সূত্র মিলেছে। তার পরেই কয়লা পাচারকাণ্ডে নাম জড়ায় মলয়ের। এর পরই, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মলয় ঘটকের আসানসোল ও কলকাতার বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। মন্ত্রীর কলকাতার ডালহৌসির সরকারি আবাসনেও তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয় ঘনিষ্ঠ আরও এক তৃণমূল নেতাকে তলব ইডির

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share