Tag: ED

ED

  • Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিস (Look Out Notice on Shantanu) জারি করল ইডি। জাল নথির মাধ্যমে জমি দখল এবং ওই জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় তাঁকে একাধিক বার তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি। গড়িয়াহাটে তাঁর দু’টি বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। শুধু এই মামলা নয়। ২০২০ সালের কয়লা পাচারের মামলা এবং অনাবাসী ভারতীয় কোটায় বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের দুর্নীতির মামলাতেও শান্তনুকে দফায় দফায় নোটিস (ED against Shantanu Singh Biswas) পাঠিয়ে তলব করা হয়েছিল।

    বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন আশঙ্কা

    ইডি সূত্রে খবর, একাধিকবার তলব করা হলেও তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি শান্তনু। রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখাশোনার জন্য তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে পারছেন না বলে চিঠি দিয়ে সময় প্রার্থনা করেছিলেন। ইডির তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে ওই বিষয়টি জানানো হয়। শান্তনুর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভিবাসন দফতরের তরফে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। তবে শান্তনুর খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দর, বন্দর, রাজ্যের সর্বত্র রেল স্টেশন এবং বাসস্ট্যান্ডে শান্তনুর ছবি-সহ লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।

     সোনা পাপ্পু মামলার সূত্রেই তলব

    রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের দিন, গত ২৮ এপ্রিল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত মামলার সূত্রেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল ওই দিন। বালিগঞ্জের সমাজবিরোধী সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করছে ইডি। ওই মামলাতে জয় কামদার নামে বেহালার এক ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু হাজিরা দেননি। তাঁর কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। তারপরই এদিন লুক আউট নোটিস জারি করল ইডি।

  • India: রেকর্ড গড়ল ইডি, গত অর্থবর্ষে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি, পরিমাণ জানেন?

    India: রেকর্ড গড়ল ইডি, গত অর্থবর্ষে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি, পরিমাণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড গড়ল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। গত অর্থবর্ষে আর্থিক তছরুপ রোধে আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী (India), ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ইডি মোট ৮১ হাজার ৪২২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, যা সংস্থার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে এই একই সময়ে গ্রেফতারির সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ইডির রেকর্ড (India)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশজুড়ে মোট ২ হাজার ৮৯২টি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। এই সময়সীমায় গ্রেফতার করা হয়েছে মাত্র ১৫৬ জনকে। অথচ ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে গ্রেফতার করা হয়েছিল ২১৪ জনকে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই সংখ্যাটাই ছিল ২৭২।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, এখন তারা ‘প্রমাণভিত্তিক ও লক্ষ্যভিত্তিক তদন্তে’র ওপর জোর দিচ্ছে। সেই কারণেই গ্রেফতারির সংখ্যা কমেছে, বেড়েছে তদন্তের কার্যকারিতা (ED)। জানা গিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৭১২টি নির্দেশের ভিত্তিতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৮১ হাজার ৪২২ কোটি টাকার সম্পত্তি। যা গত বছরের তুলনায় ১৭১ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ সালে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৩৬ কোটি টাকা।

    ইডির দাবি

    প্রতারিতদের অর্থ ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি ইডির। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বিভিন্ন মামলায় প্রতারিতদের ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৫ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি (India)। ইডির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, মামলা নিষ্পত্তির সময়ও আগের চেয়ে কমেছে ঢের বেশি। আগে যেখানে একটি মামলা শেষ হতে গড়ে ৩ থেকে ৪ বছর লাগত, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ থেকে দেড় বছরে। ইডির দাবি, ২০২৫-২৬ সালে ৮১২টি চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবর্ষে এর সংখ্যা ছিল ৪৫৭টি। ১ হাজার ৮০টি নতুন ইসিআইআর (ECIR) রুজু হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এর সংখ্যা ছিল ৭৭৫টি। তদন্তে শুধু তল্লাশি নয়, আর্থিক নথি, ডিজিটাল লেনদেন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত তথ্যও (ED) খতিয়ে দেখা হয়েছে (India)।

    যে কারণে ফের একবার চর্চায় ইডি

    আন্তর্জাতিক তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন দেশে লেটার্স রেগাটোরি এবং মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি (Letters Rogatory ও Mutual Legal Assistance Treaty)-এর মাধ্যমে তথ্য চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৩৫৩টি মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৯টি মামলা ঝুলে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। এদিকে, বিদেশি তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতার অনুরোধ এসেছে ব্রিটেন থেকে। সব মিলিয়ে, একদিকে ইডি যেমন বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তিতে রেকর্ড গড়েছে, তেমনি অন্যদিকে কমেছে গ্রেফতারির সংখ্যা (India)। তদন্ত পদ্ধতির এই পরিবর্তন ফের একবার চর্চায় নিয়ে এসেছে ইডিকে (ED)।

     

  • Church Network Conversion: খ্রিস্টান মিশনারীর বিরুদ্ধে ধর্ম পরিবর্তন করার অভিযোগ! ৯৫ কোটি টাকার বিদেশি আর্থিক লেনদেন, ছত্তিশগড়ে তদন্তে ইডি 

    Church Network Conversion: খ্রিস্টান মিশনারীর বিরুদ্ধে ধর্ম পরিবর্তন করার অভিযোগ! ৯৫ কোটি টাকার বিদেশি আর্থিক লেনদেন, ছত্তিশগড়ে তদন্তে ইডি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) খ্রিস্টান চার্চ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাপক হারে ধর্মান্তকরণ এবং বিপুল পরিমাণ বিদেশি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগে তদন্ত শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আতশ কাচের তলায় এখন ‘দ্য টিমোথি ইনিশিয়েটিভ’ নামক একটি সংস্থা। অভিযোগ, এই সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার বিদেশি তহবিল ভারতে এসেছে, যার একটি বড় অংশই আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় ধর্মান্তকরণের (Church Network Conversion) কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, এই সংস্থার কার্যপ্রণালী অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইডি এই মামলার গভীরে গিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে। এগুলি হল-

    বিপুল বিদেশি তহবিল (Chhattisgarh)

    ছত্তিশগড় রাজ্যে (Chhattisgarh) তদন্তে দেখা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা বিভিন্ন বিদেশি উৎস থেকে এই খ্রিস্টান চার্চ (Church Network Conversion) কর্তৃপক্ষের অ্যাকাউন্টে এসেছে। এফসিআরএ (FCRA) বা বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের নিয়মাবলী লঙ্ঘন করে এই টাকা আনা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে ইডি।

    চার্চ নেটওয়ার্ক ও ‘মাল্টিপ্লিকেশন’ মডেল

    অভিযোগ, ‘দ্য টিমোথি ইনিশিয়েটিভ’ (Church Network Conversion) একটি বিশেষ ‘চার্চ প্লান্টিং’ (Chhattisgarh) মডেল অনুসরণ করে। অর্থাৎ, দ্রুত হারে ছোট ছোট চার্চ তৈরি করা এবং স্থানীয় লোকজনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে নতুন করে সদস্য সংগ্রহ করা। এই মডেলকে তারা ‘মাল্টিপ্লিকেশন’ বা সংখ্যাবৃদ্ধি বলে অভিহিত করে।

    টার্গেট ছত্তিশগড়ের আদিবাসী এলাকা

    বস্তার এবং সংলগ্ন আদিবাসী প্রধান জেলাগুলিতে এই সংস্থার সক্রিয়তা সব থেকে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে। দরিদ্র ও সরল আদিবাসীদের আর্থিক প্রলোভন বা অন্য কোনও উপায়ে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

    ইডির পরবর্তী পদক্ষেপ

    ইতিমধ্যেই ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছেন গোয়েন্দারা। এই বিশাল অঙ্কের টাকার উৎস কী এবং তা কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে পৌঁছেছে, সেই যোগসূত্র খোঁজার চেষ্টা চলছে। প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA)-এর অধীনে মামলা রুজু করে তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    খ্রিস্টান মিশনারির এই তদন্ত (Church Network Conversion) শুরু হতেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের দাবি, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের দাবি, এই তদন্তের ফলে ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত ধর্মান্তকরণ চক্রের পর্দা ফাঁস হবে। উল্লেখ্য, ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং জনবিন্যাসের পরিবর্তনের আশঙ্কায় বিদেশি তহবিলের মাধ্যমে পরিচালিত এই ধরনের সংস্থাগুলির ওপর কেন্দ্রীয় সরকার গত কয়েক বছর ধরেই কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।

  • ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    ED Raids: চাল ব্যবসাতেই কালো টাকা সাদা! রেশন দুর্নীতিতে হাবড়া-সহ মোট ১৭ জায়গায় ইডি-অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের (Assembly Election 2026) আগে ফের সক্রিয় ইডি। শনিবার সাতসকালে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় (ED Raid Habra) পৌঁছে গেল ইডি। রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলার শিকড় খুঁজতে এবার এলাকার একাধিক প্রভাবশালী চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এদিন ভোররাতেই অভিযানে (Enforcement Directorate) নামেন গোয়েন্দারা, যা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় চলছে অভিযান। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় অনেকের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    দুই চাল ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ

    ইডি সূত্রে খবর, শনিবার সকালে গোয়েন্দাদের বিশেষ টিমটি প্রথম হানা দেয় হাবড়ার জয়গাছি নেতাজি রোডের বাসিন্দা সমীর চন্দের বাড়িতে। পেশায় চাল ব্যবসায়ী সমীরবাবু দীর্ঘদিন ধরেই হাবড়া চালপট্টি এলাকায় কারবার চালান। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে। এদিন সকালে যখন আধিকারিকরা তাঁর দরজায় কড়া নাড়েন, তখন বাড়ির সকলে ঘুমে আচ্ছন্ন। বারবার ধাক্কা দেওয়ার পর অবশেষে দরজা খোলা হলে ভিতরে প্রবেশ করেন ইডি আধিকারিকরা। হাবড়ার আরও এক ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়িতেও চলে ইডি অভিযান। হাবড়া শ্রীনগর রোডে সাগর সাহার বাড়িতে শনিবার ভোর হতে না হতেই আসেন ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে। এদিন সকালে ব্যবসায়ী সাগর সাহার বাড়ির বাইরে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারকদের। তবে অবশেষে ভিতরে ঢুকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছেন তাঁরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজনদের।

    এলাকায় মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিন সকালে ইডির আধিকারিকদের সঙ্গেই ময়দানে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের। তাঁরা গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে।  তল্লাশি চলাকালীন কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ব্যবসায়ীদের বাড়ির গেট ও আশপাশের এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিয়ে। বাড়ির ভেতরে ব্যবসায়ীদের নথিপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি বয়ান রেকর্ড করছেন ইডি আধিকারিকরা। এদিন হাবড়ায় চার জায়গায় যায় ইডির দল। দক্ষিণ হাবড়ার সুভাষ রোডে চাল ব্যবসায়ী রাজীব সাহা ও পার্থ সাহার বাড়িতেও হানা দেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।

    কেন চাল ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডি

    রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় মূলত অভিযোগ উঠেছিল যে রেশনের সামগ্রীর কালোবাজারি করা হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার মতো অভিযোগও উঠেছে। রেশন বণ্টন দুর্নীতির তদন্তে এর আগেও রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি ও সিবিআই। মূলত রেশনের সামগ্রী খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা, কালোবাজারি এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে এখন চালের উৎস এবং তার লেনদেনের গতিপ্রকৃতি। ব্যবসায়ী সমীর চন্দ অনেকদিন ধরেই চাল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে ইডি সূত্রে খবর। কোথা থেকে তিনি চাল কেনেন, কী দামে কেনেন, মান্ডিতে কী দামে যায় – এই সবকিছুই খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।

    রেশন দুর্নীতির সূত্র

    কোভিডকালে ১৭১ ট্রাক গম ধরা পড়েছিল তার রেশ ধরেই নতুন করে তদন্তে গতি এসেছে। অভিযোগ, পাচার করা হচ্ছিল ৫ হাজার টনের বেশি গম। সেই সময় শুল্ক দফতর প্রত্যেকটি ট্রাককে আটক করে। পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশের থেকে তদন্তভার নেয় ইডি। সূত্রের খবর, ওই সময় ধরা পড়ে প্রায় ১৬ কোটি টাকার গম। অভিযোগ এফসিআই থেকে যে গম পাঠানো হয় সেই গম হিসাবে কারচুপি করে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল বাংলাদেশে। ওই কেসে এক্সপোর্টার হিসাবে যাঁদের নাম উঠে এসেছিল তাতেই এই চার ব্যক্তির নাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। পুরো কাণ্ডে প্রত্যেকেই মোটা টাকা কামিয়েছে বলে অভিযোগ। সেই এক্সপোর্টারদের চিহ্নিত করেই তাঁদের বাড়ি অফিস, বিভিন্ন সংস্থায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

    জ্যোতিপ্রিয়-যোগ, ১৭ জায়গায় ইডির তল্লাশি

    আগামী ২৯ এপ্রিল হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ানোয় আগেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। তিনি মন্ত্রী থাকাকালীন সময়েই এই এই গম এক্সপোর্টের জল গড়িয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। ফলে ভোটের মুখে ফের এই কেসের তদন্ত যে বিশেষভাবে তাৎপর্যন্তপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন কলকাতা এবং বর্ধমানের কিছু জায়গাতেও ইডি গিয়েছে। সব মিলিয়ে অন্তত ন’টি জায়গায় শনিবার সকাল থেকে তল্লাশি চলছে বলে খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতি মামলার সূত্রে এই তল্লাশি অভিযান। আর্থিক তছরুপের সূত্রেই চাল ব্যবসায়ীদের বাড়িতে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ভোরে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ইডি-র একাধিক দল রওনা দেয়। ৯ ব্যবসীয়র বাড়ি ছাড়াও একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অফিস, সংস্থা সহ মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

  • Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত হলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার, ২২শে এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করে। চলতি বছরের শুরুতে কলকাতার একটি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থায় ইডি (Supreme Courts) পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরে ভর্ৎসিত হন তিনি। বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের আচরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধ নয়, বরং একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির কাজ। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এটি রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে কোনও বিরোধ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের মাঝখানে ঢুকে পড়তে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়…।” বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এই ধরনের আচরণ গোটা গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।”

    বিচারপতিদের বক্তব্য (Supreme Courts)

    বিচারপতিরা আরও বলেন, “বিআর আম্বেদকর এবং এইচএম সীরভাইয়ের মতো সাংবিধানিক চিন্তাবিদরাও এমন পরিস্থিতি কল্পনা করতে পারেননি।” শুনানির সময় বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনি আমাদের সীরভাই, আম্বেদকর সম্পর্কে বলছেন, কিন্তু তাঁদের কেউই ভাবতে পারেননি যে একদিন কোনও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটি অফিসে ঢুকে পড়বেন…।” আদালত সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে ইডির দায়ের করা আবেদনে এই হস্তক্ষেপের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মেনেকা গুরুস্বামীর যুক্তি, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় (Mamata Banerjee)।

    সাধারণ ঘটনা নয়

    তিনি বলেন, “আমি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলছি… এখানে কোনও অপরাধমূলক কাজ বা ভয় দেখানো হয়নি। তাই এত গুরুতর হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। যদিও আদালত এই যুক্তির সঙ্গে একমত হয়নি। তাদের বক্তব্য, প্রতিটি আইনি প্রশ্ন বড় বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি প্রশ্নেই কিছু আইনি দিক থাকবে। তাই বলে প্রতিটি ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আবেদন ৫ বিচারপতির বেঞ্চে যাবে না (Supreme Courts)।” বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করে এবং বলে এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির উল্লেখ করে, যেখানে আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়েছে, এবং জানায় যে, আদালত এসব উপেক্ষা করতে পারে না। আদালত বলে, “আমরা বাস্তবতা থেকে চোখ বন্ধ করতে পারি না… এটি রাম ও শ্যামের মধ্যে মামলা নয়। এটি এক অসাধারণ পরিস্থিতি, যেখানে বিষয়ের পরিধি সম্পূর্ণ আলাদা।”

    তল্লাশিতে বাধা

    এই মন্তব্যগুলি এসেছে প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরার যুক্তির প্রতিক্রিয়ায়, যেখানে তিনি বলেন, ইডি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে পারত। এদিকে, ৮ই জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইডি আই-প্যাকের অফিস এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশি চালায়। এই অভিযানটি ২০২০ সালের কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের তদন্তের অংশ ছিল, যেখানে ব্যবসায়ী অনুপ মাজির নাম জড়িত (Mamata Banerjee)। তল্লাশির সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টিএমসি নেতৃবৃন্দ এবং রাজ্য পুলিশ-সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযানে বাধা দেন। তাঁরা আধিকারিকদের সঙ্গে তর্ক করেন এবং নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন একটি ল্যাপটপ এবং একটি আইফোন সরিয়ে নেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি দলীয় তথ্য বিজেপির হাতে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এই কাজ করেছিলেন (Supreme Courts)।

     

  • ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    ED: বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই আরও দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই ফের দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। রাজ্যের দুই বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু (Sujit Bose) এবং রথীন ঘোষকে চলতি সপ্তাহেই হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৪ এপ্রিল শুক্রবার তাঁদের তলব করা হয়েছে বলে খবর। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। সেদিনই ভাগ্য নির্ধারণ হবে সুজিত এবং রথীনের।

    নির্বাচনের আবহে দুই তৃণমূল প্রার্থীকে তলব ইডির (ED)

    বিধাননগর কেন্দ্র থেকে লড়ছেন সুজিত, আর মধ্যমগ্রাম কেন্দ্র থেকে লড়ছেন রথীন। এই প্রথম নয়, আগেও একাধিকবার ইডি তলব করেছিল তাঁদের। সেই মতো ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরাও দিয়েছিলেন তাঁরা। পরে ইডির তলব পেয়ে যাবতীয় নথিপত্র নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে গিয়েছিলেন সুজিতের ছেলে। বৃহস্পতিবার ২৩ তারিখে হবে প্রথম দফার নির্বাচন। এই আবহে তৃণমূলের আরও এক প্রার্থী দেবাশিস কুমারকেও একাধিকবার তলব করেছে ইডি। তাঁর বাড়িতে আয়কর দফতরে হানা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

    মমতার প্রতিক্রিয়া 

    লাগাতার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তলব পেয়েছেন দলের একের পর এক নেতা। তার প্রেক্ষিতে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় ইডি-সহ কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, বারবার তলবের মাধ্যমে প্রার্থীদের ব্যস্ত রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে ইডির এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Sujit Bose)।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বেআইনি জমি দখলের মামলায় তদন্ত শুরু করেছে ইডি (ED)। শহরের একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে ইডির তরফে। ইডির দাবি, অমিত গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক ব্যবসায়ী শহরের একাধিক জমি অবৈধভাবে দখল করতেন। পরে পুরসভা থেকে নথি তৈরি করে বিক্রি করতেন অন্যদের কাছে। সম্প্রতি রাজারহাটে ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রবীণ নাগরিকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেত্রী নুসরত জাহানের বিরুদ্ধে (Sujit Bose)। তার জেরে তলব করা হয়েছিল নুসরতকেও (ED)।

     

  • Nusrat Jahan: বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় অভিনেত্রী নুসরতকে তলব ইডির, কবে হাজিরা?

    Nusrat Jahan: বাংলাদেশে গম পাচার মামলায় অভিনেত্রী নুসরতকে তলব ইডির, কবে হাজিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগে রেশন দুর্নীতি মামলায় এবার নায়িকা নুসরত জাহানকে (Nushrat Jahan) তলব করল ইডি। ২২ এপ্রিল সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করার হয়েছে নায়িকাকে। বাংলাদেশে গম পাঠানো ঘিরে যে দুর্নীতি, সেই সময়ে বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নায়িকা। তব, এবার আর নির্বাচনে লড়ছেন না অভিনেত্রী। নুসরত ঘনিষ্ঠদের সূত্রে খবর, ইডি-র ডাকে সাড়া দেবেন অভিনেত্রী। কিন্তু তিনি কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে নয়, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার সদর দফতরে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

    কেন নোটিস পাঠানো হল

    করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে গম পাচারের অভিযোগে বেশ কিছু ট্রাক আটক হয়েছিল সীমান্ত এলাকায়। সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরত (Nushrat Jahan)। ইডি-র একটি সূত্রে খবর, রেশনের গম পাচারের ঘটনার তদন্তে নেমে বেশ কিছু নাম পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশে গম পাচার নিয়ে নুসরতকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তারা। নুসরত জাহানকে ২২ এপ্রিল কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তবে ইডি দফতর সূত্রে খবর, নুসরত কলকাতার দফতরে যেতে অনিচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সেই সময়ে তিনি দিল্লিতে থাকবেন। তাই নির্দিষ্ট দিনে যদি তাঁকে দিল্লির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে ভাল হয়। তবে নুসরতের এই আর্জি মানা হয়নি ইডির তরফে। জানানো হয়েছে, এই মামলা কলকাতার। তদন্তকারী অফিসার ও থাকবেন কলকাতাতেই। ফলে নুসরতকে কলকাতাতেই হাজিরা দিতে হবে। ২২ এপ্রিল কলকাতার ইডি দফতরেই হাজির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নুসরতকে।

    আগেও নুসরতকে জেরা

    এর আগে ফ্ল্যাট-প্রতারণা মামলায় নুসরতকে (Nushrat Jahan) জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। ২০২৩ সালে বসিরহাটের তৎকালীন তৃণমূল সাংসদকে প্রায় ৬ ঘণ্টা সিজিও কমপ্লেক্সে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তদন্তকারীরা। সাংসদ-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট-প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। ইডির কাছে সরাসরি অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছিল, ২০১৪-১৫ সালে ৪০০-র বেশি প্রবীণ নাগরিকের থেকে সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিল একটি সংস্থা। তাঁদের এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের কেউ-ই ফ্ল্যাট পাননি। টাকাও ফেরত পাননি। ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে ছিলেন নুসরত।

  • ED: রবি-সকালে ইডির হানা কলকাতা পুলিশ কর্তার বাড়িতে

    ED: রবি-সকালে ইডির হানা কলকাতা পুলিশ কর্তার বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন হওয়ার কথা ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। তার আগে রবিবার সাতসকালে ইডির (ED) হানা কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (Kolkata Police DC) শান্তনু সিং বিশ্বাসের বাড়িতে। বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে এই পুলিশ কর্তার বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। তার পরেই শুরু হয় তল্লাশি। সূত্রের খবর, বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর মামলার জেরে ইডির এই অভিযান। এই শান্তনু একসময় কালীঘাট থানার ওসি ছিলেন। রবিবার সকালে বেহালার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দেন ইডির আধিকারিকরা।

    খোদ ডিসির বাড়িতেই অভিযান (ED) 

    বালিগঞ্জে অশান্তির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে প্রকাশ্যে আসতে এবং ‘লাইভ’ করতে দেখা গিয়েছে। এই ঘটনায় এর আগেও এক আইপিএস আধিকারিককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। আর এবার খোদ ডিসির বাড়িতেই চালানো হল তল্লাশি অভিযান। জানা গিয়েছে, বেহালায় ব্যবসায়ী জয় কামদারের বাড়িতে এদিন হানা দিয়েছে ইডি। স্থানীয়দের দাবি, তিনি মূলত প্রোমোটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশির সূত্রেই জয়ের নাম উঠে এসেছিল। বেশ কিছু নগদ অর্থ বেহালার এই বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই ব্যবসায়ীকে দু’বার তলবও করেছিল ইডি। কিন্তু দু’বারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তার পর ফের রবিবার তাঁর বাড়িতে অভিযান তদন্তকারীদের (ED)।

    বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তদন্ত ইডির আধিকারিকদের

    এদিন ভোরেই সিজিও কমপ্লেক্স থেকে রওনা দেয় ইডির একাধিক দল। সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বেহালায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। অভিযোগ, বার বার ডাকাডাকি করা সত্ত্বেও বাড়ির দরজা খুলছিলেন না কেউ (Kolkata Police DC)। অনেকক্ষণ পরে দরজা খোলা হয়, এবং ইডি ঘরে ঢোকে। বালিগঞ্জেও ভোরেই পৌঁছে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আধিকারিকরা। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যের ২৯৪টি আসনে দু’দফায় ভোট হবে। ফল প্রকাশ হবে ৪ মে। নির্বাচনী প্রচার বন্ধ হওয়ার আগেই জোরকদমে প্রচার করছে রাজনৈতিক দলগুলি। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মামলায় খাস কলকাতায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইডি।

    প্রসঙ্গত, বেআইনি নির্মাণ মামলায় শুক্রবার শহরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। দিন কয়েক আগে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও হানা দিয়েছিল তারা (Kolkata Police DC)। রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর (ED)।

     

  • ED Summons: ইডির নজরে প্রতীক জৈনের পরিবার, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার ভাই ও স্ত্রীকে তলব

    ED Summons: ইডির নজরে প্রতীক জৈনের পরিবার, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার ভাই ও স্ত্রীকে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থ পাচার মামলায় ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের স্ত্রী এবং ভাইকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Summons)। মঙ্গলবারই সংস্থার অন্যতম কর্ণধার ভিনেশ চান্ডেলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, আইপ্যাক মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগের তদন্তে নেমে ইডি প্রতীকের ভাই পুলকিত জৈন এবং স্ত্রী বার্বি জৈনকে ১৫ এপ্রিল, অর্থাৎ বুধবার ডেকে পাঠিয়েছে। দিল্লিতে সংস্থার সদর দফতরে যেতে বলা হয়েছে আইপ্যাক কর্তার স্ত্রী এবং ভাইকে।

    অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে জিজ্ঞাসাবাদ

    জানুয়ারিতেই কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলায় কলকাতায় প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি (ED Summons)। এরপর ফের একবার ইডি হানা। একই মামলায় হায়দরাবাদ, দিল্লি এবং বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের বিভিন্ন অফিসে তল্লাশি চলে এপ্রিল মাসের শুরুতে। হায়দরাবাদ, দিল্লি এবং বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের বিভিন্ন অফিসে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। পাশাপাশি, সংস্থার আরেক ডিরেক্টর ঋষি রাজ সিং-এর বেঙ্গালুরুর বাড়িতেও হানা দিয়েছে সংস্থা। উল্লেখ্য, পুলকিতও আইপ্যাকের সঙ্গে যুক্ত। ওই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ইডি-র সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, বুধবার অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর মামলায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    শীর্ষ আদালতে পিছোলো শুনানি

    সোমবার আইপ্যাক-কর্তা ভিনেশের দিল্লির ঠিকানায় হানা দিয়েছিল ইডি (ED Summons)। ওই রাতেই তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতাকে তারা গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ভোরে পটীয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক (এএসজে) শেফালি বার্নালা ট্যান্ডন বিনেশের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। আদালতে ইডি জানিয়েছে, আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ৩৩ শতাংশের অংশীদার। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ)-এর অধীনে একটি মামলায় তিনি তদন্তাধীন রয়েছেন। দিল্লি পুলিশের দায়ের করা একটি এফআইআর থেকে এই মামলার সূত্রপাত। এই মামলার উত্তাপ ছড়িয়েছে কলকাতাতেও। গত ৮ জানুয়ারি যখন কলকাতার আইপ্যাক দপ্তর এবং প্রতীকের বাসভবনে ইডি তল্লাশি চালায়, তখন সেখানে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। ইডির অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী নথিপত্র এবং ল্যাপটপ সরিয়ে তদন্তে বাধা দিয়েছেন। এই অভিযোগে ইডি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও, মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত সেই শুনানি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দিয়েছে।

     

     

     

     

     

  • I-PAC Director Arrested: গ্রেফতার আই-প্যাকের ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল, ১০ দিনের ইডি হেফাজত

    I-PAC Director Arrested: গ্রেফতার আই-প্যাকের ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল, ১০ দিনের ইডি হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (coal scam case) গ্রেফতার হলেন আই-প্যাকের (I-PAC) অন্যতম ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেল (Vinesh Chandel Arrested)। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ১০দিন আগে এই গ্রেফতারি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার ভিনেশ চান্ডেল। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে দাবি।

    কেন গ্রেফতার

    ইডি সূত্রে খবর, ভোটের সঙ্গে এই গ্রেফতারির কোনও যোগ নেই। কয়লা পাচার মামলায় আগে থেকেই তদন্ত চলছিল। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। ইডি সূত্রে খবর, অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের অধীনে ভিনেশ চান্ডেলকে দিল্লিতে গ্রেফতার (I-PAC Director Arrested) করা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল দিল্লিতে চান্ডেলের বাড়ি ছাড়াও, বেঙ্গালুরুতে আই-প্যাকের আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ঋষি রাজ সিংয়ের বাসভবনে তল্লাশি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এর আগেই আইপ্য়াকের ২ কর্তা প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লির অফিসে তলব করে নোটিস দেওয়া হয়। ৩০ এপ্রিলের পরে হাজিরা দিতে চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে যান তাঁরা। ১৭ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি রয়েছে। ডির তরফে দাবি, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশির পরও তাঁদের তদন্ত চলছিল। তদন্তকারীদের হাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই গ্রেফতারি বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। ইডি সূত্রে খবর, আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টরের উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কে এই ভিনেশ চান্ডেল

    ভিনেশ চান্ডেল ভোটকুশলী হিসেবে কর্মরত। তিনি ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আই-প্যাক, এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। প্রশান্ত কিশোর, প্রতীক জৈন এবং ঋষিরাজ সিং এক সঙ্গে আই-প্যাক তৈরি করেন। এই মুহূর্তে চান্ডেল আইপ্যাকের স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকেন। ইডি কর্তারা জানিয়েছেন, ‘প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’ (PMLA)-এর বিধান অনুযায়ী দিল্লিতে চান্ডেলকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার গভীর রাতেই তাঁকে দিল্লির পাটিয়ালা কোর্টের বিচারকের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চলে শুনানি। ভোর পর্যন্ত শুনানি হয়। ভিনেশকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির দাবি, বাংলায় কয়লা পাচারের প্রায় ২০ কোটি টাকা ‘হাওয়ালা’র মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে।

LinkedIn
Share