Tag: ED

ED

  • Abhishek Banerjee: ‘১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে যাবে’! প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিষেককে জেরা ইডির

    Abhishek Banerjee: ‘১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে যাবে’! প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিষেককে জেরা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিজিও কমপ্লেক্সে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। রক্ষাকবচ ছাড়াই ইডি দফতরে হাজির হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (Primary Recruitment Case) মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোমবার তলব করেছে ইডি। এই মামলায় সিবিআইয়ের দেওয়া তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিটের সূত্র ধরেই অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, বলে খবর। সেখানে ১৫ মিনিটের একটি কথোপকথনের উল্লেখ রয়েছে। তাতে একাধিক বার জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম এসেছে। চাকরি বিক্রি, ঘুষের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের কথা শোনা গিয়েছে সেই কথোপকথনে। সে বিষয়ে অভিষেককে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

    কেন ইডির তলব অভিষেককে?

    ২০১৭ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানহাত বলে পরিচিত ছিলেন। সিবিআই সূত্রে খবর, তাঁর বাড়িতেই একটা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে একাধিক বিস্ফোরক বিষয় আলোচনা করা হয়েছিল, তারই উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। বৈঠকে কী কী আলোচনা হয়েছিল? চার্জশিট সূত্রে খবর, সুজয় বৈঠকে কুন্তল, শান্তনুদের জানিয়েছিলেন, অভিষেক জানতে পেরেছেন যে প্রাথমিক নিয়োগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মোটা টাকা নিচ্ছেন। পার্থ যে টাকা নিয়েছেন, তার ভাগ তিনি কেন পাননি, সেই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন অভিষেক। এমনকী, টাকা ভাগাভাগি নিয়ে পার্থ ও অভিষেকের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধে গিয়েছিল। সিবিআই চার্জশিট সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই যে বেআইনি নিয়োগ হয়ে গিয়েছিল, তার জন্য ১৫ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অভিষেক। টাকা না পেলে প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থীকে গ্রেফতারির হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এমনকী, জয়েনিং আটকানোরও হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

     অভিষেকের আর্থিক লেনদেন ইডির নজরে?

    ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির (Primary Recruitment Case) ১৫ মিনিটের ওই অডিও ক্লিপে যে অভিষেকের কথা বলা হচ্ছে, সেই অভিষেকই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কি না, স্পষ্ট নয়। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এ ছাড়া, কথোপকথনে এসেছে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামও। অভিষেকের সংস্থা লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের কর্মচারী ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। সেই সংস্থার আর্থিক লেনদেনও ইডির নজরে রয়েছে। তা নিয়ে এর আগে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেকের অন্য সংস্থাগুলিকেও ইডি এ বার তদন্তের আওতায় আনতে চাইছে। সোমবার তা নিয়েও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

  • Madan Mitra: সিআইডির পর এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল ইডি! কেন কামারহাটির বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি?

    Madan Mitra: সিআইডির পর এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল ইডি! কেন কামারহাটির বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে মদন মিত্রর (Madan Mitra) বাড়িতে পৌঁছল ইডি। এদিন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের কামারহাটি, ভবানীপুরের ঠিকানায় যায় ইডি আধিকারিকরা। সন্তোষপুরের একটি ক্লাব ও বেলেঘাটার একটি ফ্ল্যাটেও পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। এখনও পর্যন্ত খবর মোট ৮টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছ ইডি (ED Raid)। শুক্রবারই মদন মিত্রের বাড়িতে যায় সিআইডি-র একটি দল। বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডের জন্যই তাঁর বাড়িতে গোয়েন্দারা এসেছিলেন বলে জানান মদন।

    কেন মদন মিত্রর বাড়িতে ইডি

    সিআইডি-র পর রাত পোহাতেই আবার মদন মিত্রের বাড়িতে হানা দিল ইডি। পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেই তাঁর বাড়িতে অভিযান চলছে বলে জানা যাচ্ছে। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রচণ্ড সক্রিয় ইডি। তারা ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছে। আর সেই মামলাতেই আবার মদন মিত্রের বাড়িতে গেল ইডি। তারা সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। শনিবার সকাল থেকেই কলকাতা ও তার আশপাশের ৬ থেকে ৭টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছে ইডি। মদনের ভবানীপুর এবং কালীঘাটের বাড়িতে সকাল থেকে তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর। মদন কোন বাড়িতে আছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জানা গিয়েছে, অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মদন মিত্রের বাড়িতে এই অভিযান।

    সই-জাল কাণ্ডে মদনের বাড়িতে সিআইডি

    বাড়িতে সিআইডি প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, ‘‘আমার বাড়িতে এসেছিল সিআইডি। সই জাল কাণ্ড নিয়ে আমাকে সহযোগিতা করতে বলে। আমাকে নোটিস নিতে বলেছে। আমাকে বলেছে আপনি এই নোটিসটা শুধু রিসিভ করে নিন। আমি রিসিভ করলাম। আমাকে একটা নোটিস দিয়ে চলে গেছে। দেড় মিনিট ছিল।’’ শুক্রবার বিধায়কদের সই জালিয়াতি কাণ্ডে কুণাল ঘোষকেও তলব করে সিআইডি। রবিবার বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার বেলা ১২টায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ফের সিআইডি দফতরে যেতে বলা হয়েছে।

  • Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নগদ টাকার সন্ধান (Cash Recovered from School) মিলল স্কুল থেকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার একটি বেসরকারি স্কুল থেকে উদ্ধার হল ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। বুধবার গভীর রাতে ইংরেজি মাধ্যমের ওই বেসরকারি স্কুলে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে পর্যন্ত চলে তল্লাশি। কিছু দিন আগে কলকাতায় সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ছাত্র সংসদের কার্যালয়ের আলমারি থেকে সুটকেস ভর্তি উই-ধরা টাকা উদ্ধার হয়েছিল। মিলেছিল অস্ত্র এবং গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও। এ বার কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) স্কুলেও মিলল নগদ টাকা এবং কন্ডোমের প্যাকেট।

    টাকা গোনার যন্ত্র এনে তল্লাশি

    বুধবার গভীর রাতে বীজপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাঁচরাপাড়ার ফোরম্যান কলোনি এলাকার হারনেট বিদ্যালয়ে তল্লাশি অভিযান চালায়। রাতভর খোঁজাখুঁজির পর বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে তা গোনার জন্য তিনটি টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে আসতে হয়। ভোর পর্যন্ত চলে গণনার কাজ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে টাকা গণনা শেষে নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের সিক রুমের একটি আলমারি থেকে গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে।

    কীভাবে মিলল টাকার হদিশ

    রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে বীজপুরের নতুন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস তাঁর বিধানসভা এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির ‘ডেটা ব্যাঙ্ক’ তৈরির কাজ শুরু করেছেন। সেই কাজের সূত্র ধরেই এই স্কুলের বিষয়ে খবর পান বিধায়কের প্রতিনিধিরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাতেই স্কুলে পৌঁছে যান বিধায়ক। খবর দেওয়া হয় থানাতেও। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং স্থানীয় থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। নগদ উদ্ধারের পর রাতেই টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয় স্কুলে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং স্কুলে এত বিপুল পরিমাণ নগদ কী ভাবে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, এই টাকা উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে কথাবার্তায় অসঙ্গতি মেলায় স্কুলের ক্যাশিয়ার অভীক নাথ, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট সায়ন ঘোষকে আটক করেছে বীজপুর থানা পুলিশ।

    কালো টাকা লুকনো হত স্কুলে

    টাকা উদ্ধারের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘর থেকে যেমন টাকা পাওয়া গিয়েছিল, সে রকম টাকা। এমন ক্যাশ টাকা স্কুলের মধ্যে আছে মানে… স্কুলে তো বেনিয়মের পর বেনিয়মের অভিযোগ। তার পরে আজকে এই ঘটনা ধরা পড়েছে।” বিধায়ক আরও বলেন, “এই টাকা স্কুলের টাকাও নয়। এটা কমল অধিকারী, সুবোধ অধিকারী, পার্থ ভৌমিকের ব্ল্যাক মানি। এখন যা বোঝা যাচ্ছে, এত টাকা তারা ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে এই স্কুলে লুকোত। স্কুলে এত টাকা কোথা থেকে থাকবে!” বিধায়কের দাবি, এই স্কুলের পরিচালন সমিতির প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশচন্দ্র পালের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থ ছাত্রভর্তির ফি বাবদ জমা পড়া টাকা। তাঁর বক্তব্য, কয়েক মাস ধরে সেই অর্থ জমা ছিল এবং তা ব্যাঙ্কে পাঠানোর কথা ছিল। তবে অসুস্থদের বিশ্রামকক্ষে গর্ভনিরোধকের প্যাকেট কীভাবে এল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।

     

     

     

     

     

  • ED Raid: কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের বাড়িতে ইডি, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ১০ জায়গায় অভিযান

    ED Raid: কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের বাড়িতে ইডি, আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ১০ জায়গায় অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) বাড়িতে বুধবার তল্লাশি অভিযানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid)। ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’ (সিএমআরএল) সংক্রান্ত এক দুর্নীতি মামলার সূত্র ধরেই এই তল্লাশি। ওই মামলায় জড়িত বিজয়নের কন্যা। শুধু বিজয়নের বাড়ি নয়, এই মামলায় কেরল জুড়ে আরও ন’জয়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ইডি।

    কেন বিজয়নের বাড়িতে ইডি

    এর আগে কেরল হাই কোর্ট সিএমআরএলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সিএমআরএল আবেদন করেছিল, ইডি তদন্ত যেন দু’সপ্তাহ স্থগিত থাকে। তদন্তে নেমে যেন ইডি সংস্থার কর্মকর্তাদের তলব না করে। পিনারাই বিজয়নের কন্যা টি বীণা-র নামে রয়েছে কোচি মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড (Cochin Minerals and Rutile Limited)। সেই সংস্থায় আর্থিক তছরুপ ও দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত করছে। ইডি কর্তাদের উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বিজয়নের কন্যা টি বীণার সংস্থা ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের অংশ হিসেবে পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে এই তল্লাশি অভিযান। অভিযোগ এই ‘এক্সালজিক সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড’ (Exalogic Solutions Pvt Ltd) -কে নাকি সিএমআরএল -এর পক্ষ থেকে নাকি নিয়মিত অর্থ দেওয়া হত। এই অভিযোগ ঘিরেই শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে কোনও পরিষেবা না নিয়েই ওই সংস্থাকে মাসিক অর্থ দেওয়া হয়। আর বিরোধীরা এই নিয়ে নিশানা করেন বিজয়ন পরিবারকে। একাধিকবার অভিযোগ ওঠে দুর্নীতির।

    বিজয়নের কন্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ দীর্ঘদিনের

    সম্প্রতি কেরালার পালাবদল হয়েছে। সরকারি বাসভবন ছেড়ে ভাড়া বাড়িতে চলে গিয়েছেন পিনারাই বিজয়ন। জানা গিয়েছে, বুধবার কেরালার ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন (PMLA) অনুসারে, তিরুবনন্তপুরমে বিজয়নের ভাড়া করা বাড়ি-সহ কেরালা জুড়ে মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বিজয়নের কন্যার মালিকানাধীন সংস্থা এক্সালজিক সলিউশনস (Exalogic Solutions)-কে অবৈধভাবে ১.৭২ কোটি টাকা দিয়েছিল সিএমআরএল বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও ওই আইটি সংস্থা সিএমআরএল-কে কোনও পরিষেবা দেয়নি। ওই অভিযোগের তদন্ত করার জন্য ২০২৪ সালে মামলা দায়ের করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির এই তদন্ত বাতিল করে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে কেরালা হাইকোর্টে আবেদন করেছিল সিএমআরএল। কেরালা হাইকোর্ট ওই পিটিশন খারিজ করে দেওয়ার একদিন পরে এই তল্লাশি চালানো হয়।

  • RG Kar Incident: ‘মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ’! আরজি কর কাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষের বিপক্ষে আইনি প্রক্রিয়া শুরুর বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    RG Kar Incident: ‘মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ’! আরজি কর কাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষের বিপক্ষে আইনি প্রক্রিয়া শুরুর বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত তথা সেখানকার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দোষী সাব্যস্ত করার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি ইডিকে (ED) দিল রাজ্য সরকার। সোমবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে নিজেই সে কথা জানালেন। পাশাপাশি, রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের বিশেষ সচিবের সই করা নিদের্শের প্রতিলিপিও সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। আরজি কর কাণ্ডের ‘ন্যায় বিচার’-এর লক্ষ্যে এটি একটি ‘মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ’ বলে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন।

    আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়

    সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আজ আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একটি মহতী ও সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।” তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ‘বোন অভয়া’র নৃশংস খুন ও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকেই রাজ্যবাসী ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিল। সেই মামলায় তৎকালীন সুপার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকার আনুষ্ঠানিক অনুমতি দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আগের সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এবং অনৈতিকভাবে এই মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন আটকে রেখেছিল। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তদন্তকে ধীরগতির করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়” এবং কোনওভাবেই সত্য চাপা দিয়ে রাখা যাবে না।

    কেন রাজ্যের অনুমতি প্রয়োজন

    যেহেতু সন্দীপ সরকারি কর্মচারী, তাই তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করার অনুমতি রাজ্য সরকারের থেকে নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে ইডি সেই প্রয়োজনীয় অনুমতি পায়নি। এত দিন তা আটকে ছিল। অবশেষে রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে সেই প্রয়োজনীয় অনুমতি সরকারের তরফ থেকে দিয়ে দেওয়া হল। সন্দীপকে দোষী সাব‍্যস্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতে কার্যত ইডির সামনে এখন আর কোনও বাধা রইল না। শুভেন্দু আরও লেখেন, ‘আমি চাই, বোন অভয়ার প্রকৃত দোষীরা দ্রুত চিহ্নিত হোক। কঠোরতম শাস্তি পাক এবং বাংলার মানুষ ন্যায়বিচার প্রত্যক্ষ করুক। বোন অভয়ার আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।’

    আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক গাফিলতি

    আরজি কর কাণ্ড রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল। ‘অভয়া’ নামে পরিচিত ওই তরুণীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল প্রশাসন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। তদন্ত চলাকালীন আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক গাফিলতি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই সময় থেকেই সন্দীপ ঘোষের নাম ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাসপাতালের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আর্থিক লেনদেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে একাধিক অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য সরকারের অনুমতি প্রয়োজন ছিল। এবার সেই ‘স্যানকশন অফ প্রসিকিউশন’ মঞ্জুর হওয়ায় তদন্ত আরও দ্রুত এগোবে বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

    কোন কোন ধারায় অভিযুক্ত সন্দীপ

    প্রতিলিপিতে উল্লেখ করা আছে, পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করা নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরীক্ষা করার পর, প্রাথমিক ভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, আরজি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং কর্তব্যে গাফিলতি, যা ভারতীয় ন‍্যায় সংহিতার ১২০বি ধারার সঙ্গে পঠিত ৪২০ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৮৮ (২০১৮ সালের সংশোধিত দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন)-এর ৭ ধারার অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি আর্থিক দুনীর্তি প্রতিরোধ আইন, ২০০২-এর ধারা ২(১)(য়)-এর অধীনে নির্ধারিত অপরাধের আওতাভুক্ত। এর ফলেই সন্দীপ-সহ মা তারা ট্রেডার্স, ইশান ক্যাফে এবং খামা লোহা-র বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    আরও কারা কারা জড়িত

    পানিহাটির সদ্যনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক তথা নির্যাতিতার মা তাঁর মেয়েকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন আরও অনেকে, এমন অভিযোগ এবং তাঁদের প্রত্যেককে তদন্তের আওতায় আনার জন্য নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি পাঠিয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। কর্তব্যরত অবস্থায় তাঁর মেয়েকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলে বন্দি রয়েছে সঞ্জয় রায়। কিন্তু সে একা নয়, আরও অনেকে ওই ঘটনায় যুক্ত ছিলেন বলে দীর্ঘ দিন ধরেই দাবি করছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। ওই তরুণীর মৃতদেহ তড়িঘড়ি নিয়ে এসে সৎকার করে তথ্য-প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, পুরপ্রধান সোমনাথ দে এবং প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাও সন্দেহজনক বলে অভিযোগ রয়েছে।

    অন্যায়ের বিরুদ্ধে নয়া সরকারের “জিরো টলারেন্স” নীতি

    শাসকদলের দাবি, সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুর্নীতি এবং প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি গ্রহণ করেছে। সেই ধারাবাহিকতাতেই আরজি কর মামলায় এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশের দাবি, এই ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও প্রশাসনের বক্তব্য, গোটা প্রক্রিয়া আইনি কাঠামোর মধ্যেই চলছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকরী, অভিযুক্ত সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের যে নির্দেশ দিয়েছেন, তার প্রতিলিপিটি রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব, সহকারী অধিকর্তা, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, সিজিও কমপ্লেক্স, এমএসও এবং ডিএফকেও পাঠানো হয়েছে। রাজ্যবাসীর একাংশ এই ঘোষণাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। কারণ দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় দ্রুত বিচার এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি উঠছিল।

  • Sujit Bose: ইডি হেফাজতে তৃণমূলের সুজিত বসু, ‘রহস্যজনক’ লেনদেনে নজর ইডির

    Sujit Bose: ইডি হেফাজতে তৃণমূলের সুজিত বসু, ‘রহস্যজনক’ লেনদেনে নজর ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পেশ করা হয় তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে (Sujit Bose)। তদন্তকারী সংস্থা ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী জানিয়েছিলেন, সুজিত বসুকে ১০ দিনের হেফাজতে নেওয়ার জন্য (BKM Project) তাঁরা আবেদন করেছিলেন। আদালত সুজিতকে ২১ মে পর্যন্ত ইডি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।

    ইডি গ্রেফতার করে সুজিতকে (Sujit Bose)

    পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার রাতেই টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি গ্রেফতার করে সুজিতকে। মঙ্গলবার তোলা হয় আদালতে। ইডির আইনজীবী জানান, সুজিতের রহস্যজনক লেনদেনে নজর রাখছেন তাঁরা। ‘স্বভূমি প্রজেক্ট প্রাইভেট লিমিটেডে’র সঙ্গে লেনদেনের হদিশও মিলেছে। তাঁর দাবি, একাধিক ভুয়ো সংস্থা এবং জমিতে বিনিয়োগ করে কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা হয়েছে। আদালতে ধীরাজ জানান, নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগের মধ্যে দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন সুজিত। বিভিন্ন ভুয়ো সংস্থায় লগ্নিও করেছেন। করোনা অতিমারীর সময় লকডাউন চলাকালীন সুজিতের রেস্টুরেন্ট পুরোপুরি বন্ধ ছিল। তা সত্ত্বেও সেখান থেকে তিনি রোজগার করেন কোটি টাকা। ধীরাজ বলেন, “লকডাউনের সময় সুজিতের রেস্টুরেন্ট, বেঙ্গল ধাবা বন্ধ ছিল। তা সত্বেও সেখানে লেনদেন হয়েছে কোটি কোটি টাকা।”

    দুর্নীতির টাকা

    আইনজীবী জানান, দুর্নীতির টাকা চাইনিজ কুইজিনের রেস্টুরেন্ট, বেঙ্গল ধাবা এমনকি অন্য একটি রেস্টুরেন্টে ক্যাশ ডিপোজিটও করা হয়েছে। ইডির বক্তব্য, লকডাউনের সময় ১.১১ কোটি টাকার বিক্রি হয়েছে সুজিত বসুর রেস্টুরেন্টে! কোভিডের সময় রেস্টুরেন্ট বন্ধ ছিল। কর্মীরা ছুটিতে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও রোজগার বন্ধ হয়নি ওই রেস্টুরেন্ট থেকে। কোটি কোটি টাকার বিক্রি দেখানো হয়েছে। ইডির দাবি, এই গোটা বিষয়টিই মানি লন্ডারিংয়ের নজির। সওয়াল করতে গিয়ে আদালতে ধীরাজ বলেন, “করোনার সময় ধাবা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সুজিতের (Sujit Bose) ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল ২ কোটি ২০ লাখ টাকা। সুজিতের সঙ্গে একাধিক ব্যক্তির লেনদেনের হদিশ মিলেছে। একাধিক সংস্থার সঙ্গেও লেনদেন করেছেন তিনি।”

    সুজিতের আইনজীবী বলেন, “ওঁরা যে নথির ওপর ভিত্তি করে সুজিতকে গ্রেফতার করেছেন, সেসব ২০২২-২৩ সালের নথি। তাহলে ২০২৬ সালের মে মাসে এসে এখন কেন গ্রেফতার করা হল? ২০২২ সালে বয়ান নেওয়ার পর এখন গ্রেফতার করা হচ্ছে কেন?” যদিও তদন্তে মেলা একাধিক তথ্যপ্রমাণ সামনে রেখে (BKM Project) ইডির আইনজাবী বলেন, “সুজিত বসু প্রভাবশালী ছিলেন। তিনি ছাড়া পেলে অন্যদের সতর্ক করে দেবেন। এতে তদন্ত ব্যাহত হবে (Sujit Bose)।”

     

     

  • Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    Sujit Bose Arrested: গ্রুপ সি ও ডি কর্মী থেকে গাড়ির চালক, ঝারুদার নিয়োগেও কারচুপি! পুর-দুর্নীতিতে ইডির জালে সুজিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Municipality Recruitment Scam) গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose Arrested)। সোমবার প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার জিজ্ঞাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। ওএমআর শিটে কারচুপি থেকে অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া, এরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    কীভাবে ইডির জালে সুজিত

    ২০২৩ সালে নিয়োগ মামলায় অয়ন শীলকে (Ayan Shil) গ্রেফতার করেছিল গোয়েন্দারা। অয়নের বাড়িতেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির হদিশ পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরপর ইডি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোঁরায় তল্লাশি চালায়। গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল, কিচেন ছাড়াই রেস্তোরাঁ কীভাবে চলছে? সেই রেস্তোঁরার আড়ালে কালো টাকা সাদা করতেন মন্ত্রী, দাবি ইডির আধিকারিকদের। এখানেই শেষ নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছিল তিন কোটি টাকা।

    কী কী অভিযোগ সুজিতের বিরুদ্ধে

    দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ৩২৯ জন অযোগ্য প্রার্থীর নিয়োগ হয়েছিল। গ্রুপ সি (group c) ও গ্রুপ ডি কর্মী (group d) নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গেই দেখা যায় গাড়ির চালক, ঝারুদার, স্বাস্থ্য কর্মীর নিয়োগেও দুর্নীতি রয়েছে। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল এই নিয়োগে, এমনই দাবি ইডির। সংশ্লিষ্ট পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম‍্যান পাঁচু রায়কে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট দেওয়া হয়। অভিযোগ পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর মাধ‍্যমে অয়ন শীলের সংস্থার সাহায্যে ওএমআর শিটে নম্বর বিকৃত করা হয়েছিল। এমনকী, নিয়োগ সংক্রন্ত মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্র শূন্য পেলেও পাঁচু ও সুজিতের নির্দেশে অযোগ্যদের চাকরি পাকা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    শুধু সুজিতই নয়, অভিষেকই আড়ালে

    তবে, শুধু সুজিতই নয়, এরপর আরও বড় বড় চোর ধরা পড়বে। বাদ যাবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhishek Banerjee), সুজিত বসুর গ্রেফতারের পর এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। রোলের দোকান থেকে সুজিত কীভাবে কোটি টাকার মালিক হলেন, সেই অঙ্কটাও বুঝিয়েছেন তিনি। অর্জুন সিংয়ের দাবি, “আগুন লাগাতেন ফিরহাদ হাকিম, আর আগুন নেভাতেন সুজিত বসু। টাকা কালেকশন করে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরেকদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত। এটাই তো সবাই জানে।” অর্জুন সিং আরও বলেন, “আরও সব চোররা ধরা পড়বে। ৬২টি পুরসভার চেয়ারম্যানের জেলে যাওয়া উচিত। সবাই তাঁরা চাকরি চুরিতে জড়িত রয়েছেন। এটা শুরু হয়েছে। শেষ হবে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত যাবে। চিন্তার কোনও কারণ নেই।”

  • Akhilesh Yadav: বঙ্গ এবং তামিলভূমের ভোটে ধরাশায়ী সংস্থার ‘ক্লায়েন্ট’, আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অখিলেশ

    Akhilesh Yadav: বঙ্গ এবং তামিলভূমের ভোটে ধরাশায়ী সংস্থার ‘ক্লায়েন্ট’, আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন অখিলেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে মুখে রাজ্য থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালায় ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাক (Akhilesh Yadav)। এই সংস্থার সঙ্গেই গাঁটছড়া বেঁধেছিল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। আগামী বছর হওয়ার কথা উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন। বুধবার দুপুরেই অখিলেশ জানিয়ে দেন, আই-প্যাকের (I-PAC) সঙ্গে কাজ আর করবে না তারা। তিনি জানান, অর্থের অভাবে এই চুক্তি থেকে সরে এসেছেন।

    আই-প্যাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন অখিলেশের (Akhilesh Yadav)

    ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের হাতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছিল আই-প্যাকের। পরে অবশ্য সংস্থা থেকে সরে যান তিনি। এই সংস্থার সঙ্গেই কথা হয়েছিল অখিলেশের। কথা ছিল, ২০২২ সালের নির্বাচনে যেখানে অখিলেশের দলের পরাজয়ের ব্যবধান কম ছিল, সেই সব কেন্দ্রে কাজ করার। জানা গিয়েছে, অখিলেশ যাদবের দল আর একটি নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ‘শোটাইমে’র সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে, যা প্রায় দু’মাস আগে একটি চুক্তির মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। আই-প্যাকের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের কারণ জানতে চাইলে অখিলেশ রসিকতা করে বলেন, “আমাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। আপনারা (মিডিয়া) যদি আমাদের অর্থ দেন, তাহলে আমরা আর একটি সংস্থা নিয়োগ করতে পারি।”

    নেপথ্যের কারণ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অখিলেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গে তৃণমূল এবং তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, যাদের সঙ্গে আই-প্যাকের সম্পর্ক ছিল, পতনের পর। দুই রাজ্যেই আই-প্যাকের সঙ্গে কাজ করে গোহারা হারে সংস্থার দুই ‘ক্লায়েন্ট’। বঙ্গে বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয় তৃণমূল। ২৯৪টির মধ্যে ২০৭টি আসন জেতে বিজেপি। আর তামিলভূমে ডিএমকে পরাজিত হয় অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের নয়া দল টিভিকে-র কাছে। শুধু তাই নয়, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডিএমকে নেতা এমকে স্টালিন নিজেদের শক্ত ঘাঁটিতেই প্রার্থী হয়ে গোল খেয়ে যান। যদিও অখিলেশ এই জল্পনা উড়িয়ে দেন যে আই-প্যাকের (I-PAC) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত এই (Akhilesh Yadav) দুই রাজ্যে নির্বাচনী ফলের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমাদের তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। তারা কয়েক মাস আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে। কিন্তু আমরা সেভাবে অর্থ জোগাড় করতে পারছি না, তাই চালিয়ে যেতে পারছি না।”

    ভিনেশ চন্দেলের গ্রেফতারি

    এই বিচ্ছেদের পেছনে আর একটি কারণ হল ভিনেশ চন্দেলের গ্রেফতারি। ভিনেশ আই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত একটি অর্থ পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।  এপ্রিলের শুরুতে দিল্লিতে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থাটির অভিযোগ,  এক ‘হাওয়ালা’ অপারেটর, যে ওই পাচারকারীদের সঙ্গে যুক্ত, সে কোটি কোটি টাকা ইন্ডিয়ান প্যাক কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেডে পাঠাতে সাহায্য করেছে (I-PAC)। এই সংস্থাও পরিচালনা করে আই-প্যাক। ইডির আরও দাবি, আই-প্যাক এই অর্থ ঘোরানোর এবং কালো টাকা সাদা করার একটি মডেল তৈরি করেছিল। অভিযোগ, আই-প্যাক দুভাবে অর্থ পেত—অর্ধেক ব্যাঙ্কিং মাধ্যমে (চেক/অনলাইন ট্রান্সফার) এবং বাকি অর্ধেক নগদ বা নন-ব্যাঙ্কিং চ্যানেলে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চন্দেলের গ্রেফতারি এবং বাংলা ও তামিলনাড়ুর নির্বাচনী ফল বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে সমাজবাদী পার্টিকে (Akhilesh Yadav)।

    চন্দেলের গ্রেফতারির জেরে আই-প্যাকের নির্বাচনী প্রচার পরিচালনার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তের চাপের কারণে প্রচারের শেষ সপ্তাহগুলিতে আই-প্যাক বিভিন্ন রাজ্যে তাদের কার্যকলাপ কমিয়ে দিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের অফিসগুলিতেও তাদের টিম ছোট করা হয়েছে (I-PAC)।

     

  • Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    Look Out Notice on Shantanu: জমি দখল ও জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় কলকাতার পুলিশকর্তা শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিস (Look Out Notice on Shantanu) জারি করল ইডি। জাল নথির মাধ্যমে জমি দখল এবং ওই জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় তাঁকে একাধিক বার তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি। গড়িয়াহাটে তাঁর দু’টি বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। শুধু এই মামলা নয়। ২০২০ সালের কয়লা পাচারের মামলা এবং অনাবাসী ভারতীয় কোটায় বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের দুর্নীতির মামলাতেও শান্তনুকে দফায় দফায় নোটিস (ED against Shantanu Singh Biswas) পাঠিয়ে তলব করা হয়েছিল।

    বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন আশঙ্কা

    ইডি সূত্রে খবর, একাধিকবার তলব করা হলেও তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি শান্তনু। রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখাশোনার জন্য তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে পারছেন না বলে চিঠি দিয়ে সময় প্রার্থনা করেছিলেন। ইডির তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে ওই বিষয়টি জানানো হয়। শান্তনুর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এর পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভিবাসন দফতরের তরফে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। তবে শান্তনুর খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। অভিবাসন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দর, বন্দর, রাজ্যের সর্বত্র রেল স্টেশন এবং বাসস্ট্যান্ডে শান্তনুর ছবি-সহ লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে।

     সোনা পাপ্পু মামলার সূত্রেই তলব

    রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের দিন, গত ২৮ এপ্রিল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছিল ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে সম্পর্কিত মামলার সূত্রেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল ওই দিন। বালিগঞ্জের সমাজবিরোধী সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত করছে ইডি। ওই মামলাতে জয় কামদার নামে বেহালার এক ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করেছে। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু হাজিরা দেননি। তাঁর কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। তারপরই এদিন লুক আউট নোটিস জারি করল ইডি।

  • India: রেকর্ড গড়ল ইডি, গত অর্থবর্ষে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি, পরিমাণ জানেন?

    India: রেকর্ড গড়ল ইডি, গত অর্থবর্ষে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি, পরিমাণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড গড়ল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। গত অর্থবর্ষে আর্থিক তছরুপ রোধে আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী (India), ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ইডি মোট ৮১ হাজার ৪২২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, যা সংস্থার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে এই একই সময়ে গ্রেফতারির সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ইডির রেকর্ড (India)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশজুড়ে মোট ২ হাজার ৮৯২টি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। এই সময়সীমায় গ্রেফতার করা হয়েছে মাত্র ১৫৬ জনকে। অথচ ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে গ্রেফতার করা হয়েছিল ২১৪ জনকে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই সংখ্যাটাই ছিল ২৭২।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, এখন তারা ‘প্রমাণভিত্তিক ও লক্ষ্যভিত্তিক তদন্তে’র ওপর জোর দিচ্ছে। সেই কারণেই গ্রেফতারির সংখ্যা কমেছে, বেড়েছে তদন্তের কার্যকারিতা (ED)। জানা গিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৭১২টি নির্দেশের ভিত্তিতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৮১ হাজার ৪২২ কোটি টাকার সম্পত্তি। যা গত বছরের তুলনায় ১৭১ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ সালে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৩৬ কোটি টাকা।

    ইডির দাবি

    প্রতারিতদের অর্থ ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি ইডির। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বিভিন্ন মামলায় প্রতারিতদের ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৫ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি (India)। ইডির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, মামলা নিষ্পত্তির সময়ও আগের চেয়ে কমেছে ঢের বেশি। আগে যেখানে একটি মামলা শেষ হতে গড়ে ৩ থেকে ৪ বছর লাগত, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ থেকে দেড় বছরে। ইডির দাবি, ২০২৫-২৬ সালে ৮১২টি চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবর্ষে এর সংখ্যা ছিল ৪৫৭টি। ১ হাজার ৮০টি নতুন ইসিআইআর (ECIR) রুজু হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এর সংখ্যা ছিল ৭৭৫টি। তদন্তে শুধু তল্লাশি নয়, আর্থিক নথি, ডিজিটাল লেনদেন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত তথ্যও (ED) খতিয়ে দেখা হয়েছে (India)।

    যে কারণে ফের একবার চর্চায় ইডি

    আন্তর্জাতিক তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন দেশে লেটার্স রেগাটোরি এবং মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি (Letters Rogatory ও Mutual Legal Assistance Treaty)-এর মাধ্যমে তথ্য চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৩৫৩টি মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৯টি মামলা ঝুলে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। এদিকে, বিদেশি তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতার অনুরোধ এসেছে ব্রিটেন থেকে। সব মিলিয়ে, একদিকে ইডি যেমন বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তিতে রেকর্ড গড়েছে, তেমনি অন্যদিকে কমেছে গ্রেফতারির সংখ্যা (India)। তদন্ত পদ্ধতির এই পরিবর্তন ফের একবার চর্চায় নিয়ে এসেছে ইডিকে (ED)।

     

LinkedIn
Share