Tag: Eden Gardens

Eden Gardens

  • Suvendu Adhikari: মহালয়ায় দুর্গাপুজোর বর্ণাঢ্য সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে, ড্রোনের আলোয় দেবী বন্দনা

    Suvendu Adhikari: মহালয়ায় দুর্গাপুজোর বর্ণাঢ্য সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে, ড্রোনের আলোয় দেবী বন্দনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও উজ্জ্বল করে তুলে ধরতে মহালয়ার দিন বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Suvendu Adhikari)। শনিবার কলকাতার রেড রোড থেকে ইডেন গার্ডেন্স পর্যন্ত খোলা জিপে শোভাযাত্রায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার আগে রেড রোডে আয়োজিত পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। বাংলার লোকসংস্কৃতি, নাচ-গান, কয়েক হাজার ঢাকির বাদ্যি, শঙ্খধ্বনি এবং প্রায় তিন হাজার ড্রোনের বিশেষ আলোক প্রদর্শনীতে উঠে আসে দেবী দুর্গার আগমনের ছবি (Mahalaya 2026)। ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রবিবার থেকেই পুজো কমিটিগুলি অনুদান বাবদ এক লাখ টাকা করে পেতে শুরু করবে।

    এদিন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ রেড রোড থেকে শুরু হয় মুখ্যমন্ত্রীর খোলা জিপে শোভাযাত্রা। রেড রোড থেকে ইডেন গার্ডেন্স পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে বাংলার বিভিন্ন জেলার শিল্পীরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরেন। ছৌ নাচ, বাউল গান, ভাওয়াইয়া-সহ নানা লোকসংগীত ও লোকনৃত্যের পরিবেশনায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ইডেন গার্ডেন্সে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান।

    ড্রোনের আলোয় দেবীর আগমনী (Suvendu Adhikari)

    ইডেন গার্ডেন্সে কয়েক হাজার ঢাকির একযোগে ঢাক বাজানো এবং শঙ্খধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরপর আকাশে প্রায় তিন হাজার ড্রোনের বিশেষ প্রদর্শনীতে ফুটিয়ে তোলা হয় দেবী দুর্গার আগমনের নানান দৃশ্য। রাজ্য প্রশাসনের দাবি, বাংলায় এই ধরনের ড্রোন প্রদর্শনী নজিরবিহীন। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিল্পীদের পুজোর গান পরিবেশনেরও আয়োজন করা হয়।

    রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের অন্যতম লক্ষ্য দুর্গাপুজোর ঐতিহ্য, বাংলার সংস্কৃতি এবং শিল্পকলাকে দেশ-বিদেশের মানুষের সামনে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরা। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান

    ইডেন গার্ডেন্সের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রবিবার থেকেই দুর্গাপুজো কমিটিগুলির জন্য রাজ্য সরকারের আর্থিক অনুদান দেওয়ার কাজ শুরু হবে। প্রতিটি পুজো কমিটি এক লাখ টাকা করে অনুদান পাবে। নতুন পুজো কমিটিগুলিকেও অনুদান দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, এবার রাজ্যে মোট ১২ হাজার ৪০০-রও বেশি দুর্গাপুজো হচ্ছে। তবে তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতার ২০০-রও বেশি পুজো কমিটি সরকারি অনুদান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি (Suvendu Adhikari)।

    দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার উদ্যোগ

    মহালয়া উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দুর্গাপুজো বাংলার সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব আজ বিশ্বের মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে।” দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিত করে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলার ঐতিহ্য ও পরম্পরার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজ্য মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, পিতৃপক্ষের পরিবর্তে মাতৃপক্ষের সূচনাকে কেন্দ্র করেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। মহালয়ার সকালে গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণের পাশাপাশি মহিষাসুরমর্দিনী শোনানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করার জন্য রাজ্যপালকেও ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    আগামী চার দিন ধরে মালদহ, দিঘা, দুর্গাপুর, কোচবিহার, বিষ্ণুপুর-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। ষষ্ঠীর আগে পর্যন্ত এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানে প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানোর কথাও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    বিসর্জনেও বাংলার ঐতিহ্য বজায় রাখার আবেদন

    দুর্গাপুজোর বিসর্জন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২৪ তারিখের মধ্যে প্রতিমা নিরঞ্জন সম্পন্ন করার জন্য তিনি আবেদন জানিয়েছেন। বাংলার ঐতিহ্য ও পরম্পরা মেনে বিভিন্ন ঘাটে বিসর্জনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি। পুজো কমিটিগুলিকে পুরস্কৃত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

    বক্তব্যের শেষে সকলকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এবারের দুর্গাপুজো সকলের কাছে মধুময় হয়ে উঠুক।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতবিরোধী শক্তিকে পরাস্ত করে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যের কথাও তুলে (Mahalaya 2026) ধরেন তিনি।

     

  • Mahalaya 2026: মহালয়ার ভোরে গঙ্গার পাঁচ ঘাটে বাজবে বীরেন্দ্রকৃষ্ণের ‘চণ্ডীপাঠ’, বসানো হবে বিশাল রেডিয়োর প্রতিকৃতি

    Mahalaya 2026: মহালয়ার ভোরে গঙ্গার পাঁচ ঘাটে বাজবে বীরেন্দ্রকৃষ্ণের ‘চণ্ডীপাঠ’, বসানো হবে বিশাল রেডিয়োর প্রতিকৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের আমলে প্রথম দুর্গাপুজোয় একাধিক চমকের আয়োজন। মহালয়ায় (Mahalaya 2026) ইডেন গার্ডেন্সে বিরাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এবার বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলা হবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাট (Ganga Ghats)। ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে বাবুঘাট-সহ পাঁচটি ঘাটে মাইকে শোনা যাবে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’। শুধু চণ্ডীপাঠই নয়, বিশেষ আলোকসজ্জার পাশাপাশি ঘাটগুলিতে তৈরি করা হবে অতিকায় রেডিয়োর প্রতিকৃতিও।

    মহালয়ার ভোরে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ করতে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতে ভিড় করেন হাজার হাজার মানুষ। সেই সময় গঙ্গার পাড়জুড়ে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠের আবহ তৈরি করতে চাইছে রাজ্য সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে এই বিশেষ আয়োজনের জন্য কলকাতার পাঁচটি ঘাটকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট।

    গঙ্গার ঘাটে ‘চণ্ডীপাঠ’ (Mahalaya 2026)

    দীর্ঘদিন ধরে মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ শোনা বাঙালির অন্যতম ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাঁচটি ঘাটেই বসানো হবে বড় আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলা হবে ঘাট চত্বর। তর্পণ করতে আসা মানুষ যাতে মহালয়ার চিরপরিচিত আবহ উপভোগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

    এদিকে, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত হতে চলেছে রাজ্য সরকারের বিরাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১০ অক্টোবর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। ইডেন থেকেই কলকাতার পাঁচ বড় দুর্গাপুজোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর।

    মেগা অনুষ্ঠান ইডেনে

    প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইডেনে যাওয়ার আগে রেড রোডে শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে ইডেনে পৌঁছনোর পর উলুধ্বনিতে তাঁদের বরণ করে নেওয়া হবে (Mahalaya 2026)। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ইডেনে থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর।

    বিকেল ৫টা থেকে ইডেনে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রায় ৬ হাজার শিল্পী অংশগ্রহণ করবেন। তাঁদের মধ্যে থাকবেন শান্তনু মৈত্র, শান, অন্তরা মিত্র, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং বাংলা লোকগানের দল ‘দোহার’। লগ্নজিতার অংশগ্রহণেরও কথা। এক সঙ্গে ঢাক বাজাবেন প্রায় ৩ হাজার ঢাকি (Mahalaya 2026)।

     

  • PM Modi: মহালয়ায় ইডেনে মোদি-শুভেন্দুর মেগা শো, পাঁচ পুজোর উদ্বোধন থেকে ড্রোন প্রদর্শনী, দেখুন পুজোর জাঁক

    PM Modi: মহালয়ায় ইডেনে মোদি-শুভেন্দুর মেগা শো, পাঁচ পুজোর উদ্বোধন থেকে ড্রোন প্রদর্শনী, দেখুন পুজোর জাঁক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর কার্নিভালের পরিবর্তে এবার মহালয়াতেই বিশেষ আয়োজন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের। ১০ অক্টোবর ইডেন গার্ডেন্সে দুর্গোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হাজার হাজার ঢাকির পরিবেশনা, পুজোর উদ্বোধন থেকে ড্রোন শো—সব মিলিয়ে বড় আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। শুক্রবার সেই প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের (সিএবি) কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য প্রশাসনের (Eden Gardens Mahalaya) শীর্ষ আধিকারিকরা।

    সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে, পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা এবং পর্যটন ও তথ্য-সংস্কৃতি দফতর-সহ একাধিক বিভাগের আধিকারিকরা। অনুষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার প্রতিনিধিরাও বৈঠকে যোগ দেন। মহালয়ার অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সূচি ও সামগ্রিক আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    রেড রোডে রোড শো (PM Modi)

    প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর বিকেল ৫টা থেকে ইডেনে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রায় ৬ হাজার শিল্পীর অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ স্টেডিয়ামে পৌঁছনোর কথা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর। রাত ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত তাঁদের সেখানে থাকার সম্ভাবনা। তবে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে অনুষ্ঠানের সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে। ইডেনের মূল অনুষ্ঠানের আগে রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর রোড শো করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখান থেকে তাঁরা পৌঁছবেন স্টেডিয়ামে। উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনি ও ঢাকের তালে তাঁদের স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্য ইডেনের হোম ড্রেসিংরুম এবং মুখ্যমন্ত্রীর জন্য অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেখান থেকে মাঠে প্রবেশ করবেন তাঁরা। গলফ কার্টে চেপে প্রধানমন্ত্রীর মাঠ প্রদক্ষিণের কথাও রয়েছে।

    পাঁচ পুজোর উদ্বোধন

    সূত্রের খবর, মহালয়ার সন্ধ্যায় ইডেন গার্ডেন্স থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কলকাতার পাঁচটি নামী দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। প্রাথমিক তালিকায় রয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব, সুরুচি সংঘ, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার, চেতলা অগ্রণী এবং ত্রিধারা সম্মিলনী। চূড়ান্ত তালিকা অবশ্য এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    পুজো কমিটিগুলির উদ্দেশেও বক্তব্য রাখার কথা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় পাঁচ হাজার পুজো কমিটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

    ঢাকের তালে…

    মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রায় ৬ হাজার শিল্পীর অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। সংগীত পরিবেশনের সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন শান্তনু মৈত্র, শান, অন্তরা মিত্র, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, দেবর্ষি ভট্টাচার্য ও কৌশিকী চক্রবর্তী। অংশ নেওয়ার কথা বাংলা লোকসংগীতের দল দোহারেরও।

    অনুষ্ঠানের সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন শান্তনু মৈত্র। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় তিন হাজার ঢাকির একযোগে পরিবেশনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সংখ্যাটা আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই নিশ্চিত হবে (Eden Gardens Mahalaya)।

    শ্রেয়া ঘোষাল ও সুরকার প্রীতম এই অনুষ্ঠানে থাকছেন না বলেই আপাতত খবর। দু’জনেই দেশের বাইরে থাকায় তাঁদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কম।

    ড্রোন শো ও আতসবাজি

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ও মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের পর রাত ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁদের ইডেন ছাড়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁদের উপস্থিতিতে লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথাও রয়েছে। এরপর স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে বিশেষ ড্রোন শো ও আতসবাজির প্রদর্শনীর।

    আমেদাবাদের টি-টোয়েন্টি ফাইনালের ধাঁচে আলোকসজ্জা ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রদর্শনীর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। দুর্গাপুজোর বিভিন্ন বিষয়কে তুলে ধরা হতে পারে ড্রোনের মাধ্যমে।

    দর্শক, ভিভিআইপির ভিড়

    ইডেনের এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৩৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতির পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে আড়াই হাজার আসন ভিভিআইপিদের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথা। প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের বসার ব্যবস্থাও করা হতে পারে।

    ক্লাব হাউসের দু’পাশের গ্যালারি সংলগ্ন এলাকায় মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিদের বসার জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হবে।

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফর ঘিরে নিরাপত্তার বিশেষ বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানের কয়েক দিন আগে থেকেই ইডেনের নিরাপত্তার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে চলে যেতে পারে। অনুষ্ঠান চলাকালীন ক্লাব হাউসের দু’টি তলা এবং প্রেস বক্সে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সিএবি কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাসও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    সঞ্জয় বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের আয়োজন আগে কখনও করিনি আমরা। তাই অভিজ্ঞতা নেই। যেভাবে প্রশাসন চাইবে আমরা সেরকমই ব্যবস্থা করে দেব। প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী ইডেনে আসছেন।”

    মহালয়ার অনুষ্ঠানের জন্য ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ইডেন গার্ডেন্স ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে (PM Modi) রাজ্য সরকারের। মূল অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে অস্থায়ী মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামো সরানোর জন্যও অতিরিক্ত সময় রাখা হয়েছে (Eden Gardens Mahalaya)।

     

  • Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের ক্রিকেট প্রেম নতুন নয়। এর আগেও তাঁকে বহুবার দেখা গিয়েছে ইডনের বক্সে। বুধবারও ইডেনে কেকেআর-মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের খেলা দেখতে হাজির ছিলেন দিলীপ (Dilip Ghosh at Eden)। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক তাপস রায়-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। বর্তমানে সদ্য ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন, মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন, কাজের চাপও অনেক বেড়েছে আগের তুলনায়। তবু আইপিএল দেখতে ইডেনে হাজির দিলীপ। তাঁকে বরণ করে নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ম্যাচ দেখতে এসে সিএবির তরফ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে। সিএবির অফিসে রাজ্যের নতুন মন্ত্রীকে গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে, ফুলের স্তবক দিয়ে স্বাগত জানান সিএবি সভাপতি।

    দিলীপ-বরণ ইডেনে

    রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বাইশ গজেও। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে এক মঞ্চে দেখা গিয়েছিল আগে, এবার দিলীপ ঘোষের সঙ্গে খোশ মেজাজে গল্প করতে দেখা গেল মহারাজ-কে। দিলীপ ঘোষ ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মধ্যে খানিক কথাও হয়। তবে দুজনের মধ্যে কোন বিষয়ে কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। দিলীপ ঘোষকে অভ্যর্থনা জানাতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ছাড়া অন্য সিএবি কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বুধবারই শিলিগুড়িতে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তারপরও শহরে ফিরেই নিজের প্রিয় খেলা ও প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে ইডেনে হাজির হন তিনি। এদিন মুম্বইকে ৪ উইকেটে হারিয়ে দেয় কলকাতা।

    ইডেনে ঝালমুড়ি সংস্কৃতি

    ভোটের প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যে ছবি, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তারপর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বারবার উঠে এসেছে ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ। এবার ইডেন গার্ডেন্সেও ঝালমুড়ি সংস্কৃতি! ঝালমুড়ি খেতে খেতে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (KKR vs MI) ম্যাচ দেখলেন রাজ্যের মন্ত্রী। ঘড়িতে তখন কাঁটায় কাঁটায় ৮.১৫ । ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায় বৃষ্টিতে । প্রথমে ব্য়াট করে তখন মুম্বইয়ের স্কোর ৫৭/৪ । খেলা বন্ধ রইল এক ঘণ্টা। ঠিক সেই সময়ই ইডেনে এলেন দিলীপ। ক্লাব হাউসে বিধায়ক ও বিধানসভার স্পিকার তাপস রায়, বৈশালী ডালমিয়া, তমোঘ্ন ঘোষদের সঙ্গে বসে খেলা দেখলেন। হাতে ঝালমুড়ির ঠোঙা। বললেন, ‘উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলাম। খানিক আগেই সেখান থেকে ফিরেছি। ফিরেই খেলা দেখতে চলে এলাম। আমি কেকেআরের সমর্থক। ওরা এখনও প্লে অফে যেতে পারে। শেষ দুই ম্যাচ জিততে হবে। শুরুর দিকে কয়েকটা ম্যাচ ভালো যায়নি। শুরুটা ভালো হলে এতদিনে আমরা প্লে অফে পৌঁছে যেতাম।’

  • KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েও চোখে জল আসেনি, কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম জয় কাঁদিয়ে দিল রিঙ্কু-বরুণদের। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় চলতি আইপিএলে অবশেষে জয় পেয়ে ম্যাচের সেরা বরুণ চক্রবর্তী বললেন, ‘‘২০২৪-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে আমি ড্রেসিংরুমে কাউকে খুব একটা কাঁদতে দেখিনি। কিন্তু আজ জয়ের পরে অনেকের চোখেই জল দেখলাম। চোটের জন্য মরসুমের শুরু থেকে একের পর এক ক্রিকেটার ছিটকে গিয়েছে। সেই দলকে ছন্দে ফেরানো সহজ নয়। এমনই একটি জয় আমাদের প্রয়োজন ছিল। আশা করি, এই জায়গা থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’’

    কাঁদলেন রিঙ্কু

    টানা ব্যর্থ। অবশেষে ২ পয়েন্ট এল ঝুলিতে। কেকেআর যেন কিছুটা অক্সিজেন পেল এই জয়ের পর। তবে এতগুলো ম্যাচের পর একটা জয় যেন আবেগের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দিল। ছ’টা ম্যাচের মধ্যে পাঁচটায় হার। একটামাত্র পয়েন্ট এসেছিল, সেটাও বৃষ্টির দৌলতে! সাত নম্বর ম্যাচের পর জয় এল। তার পরই কেকেআর ড্রেসিংরুমে অনেকেই কাঁদলেন। ২৫ কোটির গ্রিন রান পাচ্ছিলেন না। একটা ম্যাচে বড় রান করলেন। তার পর আবার সেই এক পরিস্থিতি। ক্যাপ্টেন রাহানেকে নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যায় নাইটরা। মিডল অর্ডার দলকে ভরসা দিতে পারছে না। রাজস্থানের বিরুদ্ধেও ১৫৫ রান করতে গিয়েও কেকেআরের কালঘাম ছুটল। রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচের নায়ক রিঙ্কু। সেই রিঙ্কু সিং অঝোরে কাঁদলেন এদিন। অফ ফর্ম চলছে। রান পাচ্ছিলেন না। রবিবার সেই রিঙ্কুই জেতালেন। তার পর আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি।

    রেকর্ড বুকে বরুণ

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই খারাপ ফর্ম চলছিল। আইপিএলের শুরু থেকে খুব একটা ভাল খেলতে পারছিলেন না। উইকেট পেলেও প্রচুর রান দিচ্ছিলেন। রাজস্থানের বিরুদ্ধে অবশেষে প্রত্যাবর্তন হল ‘আসল’ বরুণ চক্রবর্তীর। রানও কম দিলেন। তুলে নিয়েছেন তিনটি উইকেটও। ম্যাচের পর বরুণ জানালেন, হাড়ে চিড় নিয়েই তিনি আইপিএলে খেলছেন। তাঁর মতে, এখনও ট্রফি জিততে পারে কেকেআর। এ দিন দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০০টি উইকেট নিলেন বরুণ। ১৫১টি ইনিংসে ২০০তম উইকেট পেয়েছিলেন অর্শদীপ সিং। বরুণ পেলেন ১৫৫তম ইনিংসে। কুলদীপ যাদব (১৬০), জয়দেব উনাদকাট (১৬২) এবং মহম্মদ শামি (১৬৫) রয়েছেন বরুণের পরে। রবিবার ম্যাচের সেরাও হন বরুণ। তিনি বলেন, “পিচ খুব একটা আলাদা ছিল না। আইপিএলে যেমন পিচ হয় তেমনই হয়েছে। আজ একটু মন্থর গতির ছিল, যা আমরা কাজে লাগিয়েছি। প্রথম কয়েকটা ম্যাচে আমি চোট পেয়েছিলাম। দুটো হাড়ে চিড় ধরেছিল। এখনও বাঁ হাতে চিড় দুটো রয়েছে। সেটা সামলেই খেলার চেষ্টা করছি। কাজটা কঠিন, তবু চেষ্টা তো করতেই হবে।” সাফল্যের নেপথ্যে গোটা কোচিং স্টাফকে কৃতিত্ব দিয়েছেন বরুণ।

  • IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    IPL 2026: বরুণে-বিশ্বাস নায়ারের, নারিনের মিস্ট্রির অপেক্ষায় নাইটরা! ঘরের মাঠে জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের কাছে হার দিয়ে আইপিএল ২০২৬ (IPL 2026) অভিযান শুরু করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবার ঘরের মাঠে নামতে চলেছে কেকেআর। ২ এপ্রিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (KKR vs SRH) বিরুদ্ধে নামবে ৩ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা। ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে টানা তিনটি হোম ম্যাচ নাইটদের। টুর্নামেন্টে নিজেদের ভালো জায়গায় রাখতে এই তিন ম্যাচই পাখির চোখ কলকাতার। নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি হচ্ছে দলের ক্রিকেটাররা।

    ব্যর্থ বোলিং বিভাগ

    প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ব্যাটাররা ভালো পারফর্ম করলেও বোলিং ডিপার্টমেন্ট কেকেআরের পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। যা দ্বিতীয় ম্যাচ শক্তিশালী ব্যাটিং সমৃদ্ধ হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামার আগে চিন্তায় রেখেছে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম ম্যাচে কেকেআরের বোলিং অ্যাটাকের ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ম্যাচে একাদশে কেমন কম্বিনেশন হবে তা জল্পনা রয়েছে। মুজারবানি প্রথম ম্যাচে ফ্লপ। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে ৩ বিদেশি নিয়েও খেলতে পারে নাইটরা। নারিন বাদে সকল বোলাররাই ভারতীয় হতে পারে।

    নারিন-বরুণ কেমিস্ট্রি উধাও

    প্রথম ম্যাচে হারের পর স্বভাবতই চাপে কেকেআর। নতুন দল। নতুন ভাবে শুরু করতে চাইলেও, অভিষেক নায়ারের সমস্যা বোলিং নিয়েই। আর সেটা কীভাবে কাটাতে পারেন সেটাই হাতড়ে বেড়াচ্ছেন কেকেআর কর্তারা। তবে সমস্যা আরও বাড়িয়েছে বরুণ চক্রবর্তী ও সুনীল নারিনের পারফরম্যান্স। বরুণ টি২০ বিশ্বকাপে সেভাবে ছন্দে ছিলেন না। আইপিএল-এও সেই ছন্দ প্রথম ম্যাচে খুঁজে পাননি। সুনীল নারিনের যে মিস্ট্রি ছিল সেটাও উধাও। এখন পিচ থেকেও যদি সাহায্য সেভাবে না পাওয়া যায় তবে কলকাতার ভাগ্য ফেরানো কঠিন হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বরুণে আস্থা নায়ারের

    গ্রিনের বোলিং প্রসঙ্গে নায়ার জানান, নিলামের সময় কোনও প্লেয়ারকে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের সব দিক সবসময় জানা সম্ভব হয় না। তাঁর কথায়, ‘নিলামে প্লেয়ার নেওয়ার সময় ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটা সবসময় বোঝা যায় না। গ্রিন যেমন ভালো ব্যাটার, তেমনই অলরাউন্ডার। তবে আমাদের সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।’ বরুণ চক্রবর্তীর পারফরম্যান্স নিয়ে আস্থা রেখেছেন কেকেআর কোচ। তিনি বলেন, ‘বরুণ মানসিকভাবে খুব শক্তিশালী অবস্থায় আছে। আমরা জানি ও কতটা দক্ষ বোলার। ভারতের হয়ে যেমন পারফর্ম করেছে, সেভাবেই আবার ফিরে আসবে। ওয়াংখেড়ের পিচটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবুও আমরা ওর উপর ভরসা রাখছি। শ্রীলঙ্কার পেসার মথিশা পাথিরানার ফিটনেস নিয়েও আপডেট দিয়েছেন নায়ার। তিনি জানান, পাথিরানা এখনও ফিটনেস টেস্টের মধ্যে রয়েছেন এবং ফিজিও টিমের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই তিনি দলে যোগ দেবেন।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    কলকাতা দল মুম্বইয়ের কাছে পরাজিত হয়েছে, অন্যদিকে হায়দ্রাবাদও বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছে। ফলে এই ম্যাচে জয় পেয়ে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করবে দুই দলই। শুরুতেই পরপর হার কোনও দলই চাইছে না, তাই লড়াইটা জমজমাট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মরশুমে দুই দলের ব্যাটিং শক্তি বেশ ভালো। তবে বোলিং বিভাগে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। চোট সমস্যাও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কলকাতা তাদের প্রধান পেসারের জন্য অপেক্ষা করছে, আর হায়দরাবাদ দলের অধিনায়কও পুরোপুরি ফিট নন। এই অবস্থায় দলের ভারসাম্য ঠিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।

    ইডেনে হাই স্কোরিং ম্যাচ

    ইডেন গার্ডেন্সে সাম্প্রতিক সময়ে বড় রানের ম্যাচ বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই এই ম্যাচেও চার-ছক্কার বন্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যাটাররা সুবিধা পেলে সহজেই বড় রান তুলতে পারে, তবে বোলারদের সঠিক সময়ে ভালো পারফরম্যান্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। পিচের দিক থেকেও এই মাঠে রান তাড়া করা তুলনামূলক সহজ। শিশিরের প্রভাব থাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দল সুবিধা পেতে পারে। শুরুতে কিছুটা সুইং থাকলেও পরে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। তাই টস জেতা দল আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচ অপেক্ষা করছে।

    কেকেআরের সম্ভাব্য একাদশ: অজিঙ্কে রাহানে (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, ক্যামেরন গ্রিন, আংক্রিশ রঘুবংশী (উইকেটকিপার), রিঙ্কু সিং, রমনদীপ সিং, অনুকুল রয়, সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তী, বৈভব অরোরা, উমরান মালিক

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাব্য় একাদশ: ট্রেভিস হেড, অভিষেক শর্মা, ইশান কিশান (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), নীতিশ কুমার রেড্ডি, হেনরিক ক্লাসেন, সলিল অরোরা, অনিকেত বর্মা, হর্শ দুবে, হার্শল প্যাটেল, জয়দেব উনাদকাট, ইশান মালিঙ্গা

  • IPL 2026: মাঠে নামতে তৈরি পাথিরানা! আইপিএল শুরুর আগে স্বস্তি নাইটদের শিবিরে, হর্ষিতের বিকল্প খুঁজছে কেকেআর

    IPL 2026: মাঠে নামতে তৈরি পাথিরানা! আইপিএল শুরুর আগে স্বস্তি নাইটদের শিবিরে, হর্ষিতের বিকল্প খুঁজছে কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৮ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএল (IPL 2026)। তার আগে স্বস্তি শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) শিবিরে। বোলিং আক্রমণ নিয়ে চিন্তা অনেকটাই কমল অভিষেক নায়ারদের। শ্রীলঙ্কার জোরে বোলার মাথিশা পাথিরানা চোট সারিয়ে মাঠে নামার জন্য তৈরি। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট তাঁকে ফিট ঘোষণা করেছে। তবে দেশের তারকা ক্রিকেটার হর্ষিত রানাকে চোটের জন্য পুরো আইপিএল থেকেই বাদ যেতে হচ্ছ। টি-২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। অস্ত্রোপচার করা হয়েছে হর্ষিত রানার হাঁটুতে। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে অন্তত প্রথম চার ম্যাচ খেলতে পারবেন না তিনি। এমনকী, গোটা আইপিএল থেকেই তাঁর ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সুস্থ পাথিরানা, কবে যোগ দেবেন!

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় চোট পেয়েছিলেন পাথিরানা। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান তিনি। তার পর থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর আইপিএল খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছিল আশঙ্কা। তবে সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সচিব বান্দুলা দিশানায়েকে সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘‘পাথিরানার রিহ্যাব সম্পূর্ণ। ও এখন সম্পূর্ণ ফিট। আইপিএল খেলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ওঁকে। বাকিটা ওঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি সিদ্ধান্ত নেবে। ম্যাচ খেলার মতো জায়গায় রয়েছে মনে করলে, ওঁকে খেলাতেই পারে। আমরা শুধু বলতে পারি, এই মুহূর্তে পাথিরানা ফিট এবং আইপিএল খেলতে কোনও সমস্যা নেই।’’ পাথিরানা কবে কেকেআর শিবিরে যোগ দেবেন, তা জানা যায়নি। আইপিএলে কেকেআরের প্রথম ম্যাচ ২৯ মার্চ মুম্বইয়ে। তার আগে ২৫ মার্চ অজিঙ্ক রাহানেরা মুম্বই চলে যাবেন। মনে করা হচ্ছে, পাথিরানা সেখানেই দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। আইপিএলের গত নিলামে ২৩ বছরের পাথিরানাকে ১৮ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিলেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ।

    হর্ষিতের জায়গায় কে?

    আইপিএল মরশুম শুরুর আগে নাইটদের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা হল হর্ষিত রানার না থাকা। যা খবর, তাতে গোটা মরশুমেই হর্ষিতকে পাওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে পরিবর্ত হিসাবে কয়েকজনের নাম ভেসে আসছে। যদিও কেকেআর এখনই কোনও পরিবর্ত চাইবে না। কিছুদিন অপেক্ষা করা হবে। নিতান্তই যদি হর্ষিতের না খেলাটা নিশ্চিত হয়ে যায় তাহলে পরিবর্তের কথা ভাবা হবে। তবে সরকারিভাবে নাম ঘোষণা না করলেও কয়েক জন পেসারকে পরিবর্ত হিসাবে ভেবে রাখছে নাইটরা। সিমারজিৎ সিং, নভদীপ সাইনির মতো জনা কয়েক পরিচিত পেসারকে ইতিমধ্যেই ট্রায়ালে ডাকা হয়েছে। যা শোনা গেল, আরও কিছুদিন পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে আরও কয়েকজনকে দেখে নেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার ইডেন গার্ডেন্সে আচমকা হাজির দুই ফাস্টবোলার। নভদীপ সাইনি ও আকাশ মাধওয়াল। ইডেন গার্ডেন্সের এল ব্লকের সামনে যে দুই নেটে বুধবার থেকে প্র্যাক্টিস সেশন চালাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স, সেখানে দুজনই বল করলেন। সঙ্গে বোলিং করলেন সিমারজিৎ সিংও। গত আইপিএলে যিনি চেন্নাই সুপার কিংসে খেলেছেন। তিন বোলারকেই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জরিপ করে নিচ্ছিলেন অভিষেক নায়ার, শেন ওয়াটসন, ডোয়েন ব্রাভোরা।

  • T20 World Cup 2026: সুপার-সঞ্জুর ছন্দে ইডেনে উঠল মেক্সিকান ওয়েভ, ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো থামিয়ে সেমিফাইনালে ভারত

    T20 World Cup 2026: সুপার-সঞ্জুর ছন্দে ইডেনে উঠল মেক্সিকান ওয়েভ, ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো থামিয়ে সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিন আগে যে ব্যাটারকে দেখে মনে হচ্ছিল, বেঞ্চে বসেই বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) শেষ হয়ে যাবে, সেই ব্যাটারই ভারতকে সেমিফাইনালে তুললেন। ইডেনে সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারাল ভারত (India vs West Indies)। ৯৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন সঞ্জু। ভাঙলেন কিং কোহলির রেকর্ডও। ক্রিকেটের নন্দন কাননে সুপার এইটের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সমীকরণ স্পষ্ট ছিল। দুই যুযুধান প্রতিপক্ষের মধ্যে জয়ী দলই সেমিফাইনালের টিকিট পাকা করবে। সপ্তাহান্তের টানটান ম্যাচে সুপার সঞ্জুর দাপটে এই নিয়ে ষষ্ঠবার ভারত টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল।

    সঞ্জুর চওড়া ব্যাটেই শেষ চারে

    ১৯৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। টিম ইন্ডিয়ার হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন সঞ্জু স্য়ামসন এবং অভিষেক শর্মা। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ভারত হারায় অভিষেক শর্মার উইকেট। অভিষেক ১১ বলে ১০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। ৬ বলে ১০ রান করে ফেরেন ঈশান কিষানও। শুরুতেই জোড়া উইকেট হারিয়ে বেশ খানিকটা চাপে পড়ে যায় ভারত। ইডেনের গ্যালারিতে তখন নিস্তব্ধতা। ছোটদের মুখে হতাশা, বড়রা ব্যস্ত ভুল-ত্রুটি বাছতে। প্রশ্ন উঠছিল টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়া নিয়েও। কিন্তু অধিনায়ক সূর্য যে ফিল্ডিং নিয়ে ভুল করেননি তা প্রমাণ করলেন সূর্য। দেখালেন ক্রিজে টিকে থাকলে এই পিচে ব্যাট করা বেশ সহজ। ঈশান কিষান ফিরতেই দলের হাল ধরেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং সঞ্জু স্যামসন। ২৬ বলে ঝকঝকে হাফসেঞ্চুরি বেরিয়ে এল সঞ্জুর ব্যাট থেকে। এরপরই তৃতীয় ধাক্কা খেল ভারত। ১৬ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান সূর্যকুমার যাদব। তবে ভারতের রানের গতি থামেনি। ১১ ওভার শেষে ১০০ রান পূরণ করে ফেলে। মিডল অর্ডারে কিছুটা হলেও ভরসা দিয়েছিলেন তিলক বর্মা। ১৫ বলে ২৭ রান করে তিনিও ফিরে যান। ১৭ রান করে আউট হয়ে যান হার্দিকও। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেন সঞ্জু স্যামসন। তিনি ৯৭ রানে শেষপর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। চার বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে জেতালেন টিম ইন্ডিয়াকে।

    অনেককে জবাব দেওয়ার ছিল সঞ্জুর

    কয়েক দিন আগে এই সঞ্জুকে খেলানো নিয়ে প্রশ্নের জবাব অধিনায়ক সূর্য বলেছিলেন, “আপনি চাইছেন আমি অভিষেককে বসিয়ে সঞ্জুকে খেলাই।” সেই কথার মধ্যে কোথাও একটি তাচ্ছিল্য মেশানো ছিল। ফলে অনেককে জবাব দেওয়ার ছিল সঞ্জুর। বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে মঞ্চ করে তুললেন তিনি। বুঝিয়ে দিলেন, সুযোগ পেলে তা কীভাবে কাজে লাগাতে হয়। এই ম্যাচে প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগ দেননি সঞ্জু। ক্রিকেটের পরিভাষায় ক্লিনিক্যাল ইনিংস যাকে বলে। ঝুঁকি নিয়ে একটিও শট খেলেননি। যখন বড় শট খেলেছেন, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছেন। যত সময় গড়াচ্ছিল, তত ভারত জয়ের পথে এগোচ্ছিল। তার মধ্যে হার্দিকের ক্যাচ ফস্কান হোল্ডার। তত ক্ষণ ভাল ফিল্ডিং করছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু কঠিন সময়ে চাপ সামলাতে পারল না তারা। শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে দলকে জেতালেন সঞ্জু। ৫০ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকলেন। ১২ চার ও চার ছক্কা মারেন। ৩ রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হলেও এই ইনিংস শতরানের থেকে কম নয়। দলকে জিতিয়েও কোনও বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখাননি সঞ্জু। পিচে হাঁটু মুড়ে বসে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলেন। হাতজোড় করে প্রণাম করলেন। তার পর মাঠ ছাড়লেন।

    ‘‘এই ইনিংসটা আমার কাছে গোটা পৃথিবী’’

    সেরার পুরস্কারটা নিতে এসে বললেন, ‘‘এই ইনিংসটা আসলে আমার কাছে গোটা পৃথিবী। যেদিন থেকে আমি খেলা শুরু করেছি, সেদিন থেকেই দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। এমন একটা ইনিংসের জন্যই আমি এতদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। এই যাত্রাটা এককথায় অসাধারণ। রাস্তায় অনেক চড়াই-উতরাই এসেছে। কখনও নিজের উপর সন্দেহ হয়েছে। আশঙ্কা দানা বেঁধেছিল, আদৌ দায়িত্ব পূরণ করতে পারব কি না? তবে আজ ঈশ্বর যেভাবে আমাকে আশীর্বাদ করেছেন, সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ।’’ একইসঙ্গে, রোহিত-কোহলিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেন, ‘‘এই ফরম্য়াটে আমি অনেকদিন ধরে খেলছি। কোহলি, ধোনি, রোহিত শর্মাদের মতো কিংবদন্তীদের থেকে অনেককিছু শিখেছি। পরিস্থিতি অনুসারে কীভাবে খেলা বদলাতে হয়, তা জেনেছি। আজকের দিনটা আমার জীবনে অবশ্যই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। পরিস্থিতি অনুসারে ব্যাট করেছি। প্রত্যেকটা বলের মেরিট অনুসারে খেলেছি।’’

    ভাঙলেন কোহলির রেকর্ড

    ইডেনে রান তাড়া করতে নেমে একটি রেকর্ডও গড়লেন সঞ্জু। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এত দিন ভারতের হয়ে রান তাড়া করতে নেমে সবচেয়ে বেশি রান ছিল বিরাট কোহলির দখলে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৮২ রান করেছিলেন তিনি। সেই রেকর্ড এই ম্যাচে ভেঙে দিলেন সঞ্জু। টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন সূর্য। ব্রেন্ডন কিং না থাকায় এই ম্যাচে হোপের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন রস্টন চেজ। পাওয়ার প্লে-তে সাবধানি ব্যাটিং করেন দু’জনে। রান তোলার গতি খুব বেশি না থাকলেও উইকেট পড়েনি। তবে পড়তে পারত। জসপ্রীত বুমরার বলে ক্যাচ তোলেন চেজ। বলের নীচে পৌঁছেও গিয়েছিলেন অভিশেক শর্মা। কিন্তু সহজ ক্যাচ ফেলেন তিনি। সেই ক্যাচ ধরা নয়, ফস্কানো কঠিন। অভিষেক সেটাই করে দেখান। সুযোগ কাজে লাগান চেজ।

    বুমরার বলে বাজিমাত

    ওপেনিং জুটিতে ৬৮ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জুটি ভাঙেন বরুণ চক্রবর্তী। তাঁর বল পিছনের পায়ে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন হোপ। ৩৩ বলে ৩২ রান করেন তিনি। তিনটি চার ও একটি ছক্কা মারলেও ১৭টি ডট বল খেলেন তিনি। হোপ আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন শিমরন হেটমায়ার। চলতি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ব্যাটার। শুরু থেকেই হাত খুলে শট মারতে শুরু করেন তিনি। এক ধাক্কায় দলের রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেন তিনি। বাধ্য হয়ে বুমরার হাতে বল তুলে দেন সূর্য। অধিনায়ককে নিরাশ করেননি বুমরা। আউট করেন হেটমায়ারকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ব্যাটারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২৩ বল করেছেন বুমরা। আউট করেছেন ছ’বার। ১২ বলে ২৭ রানে আউট হন হেটমায়ার। দু’বল পরেই বুমরা ফেরান চেজকে। তিনি করেন ২৫ বলে ৪০ রান।

    সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি ভারতের সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়। এর আগে ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৭৩ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। ১২ বছর পর সেই নজির ভাঙল। ১০ বছর পর একটি বদলাও নিল ভারত। ২০১৬ সালে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারতের বিরুদ্ধে ১৯২ রান তাড়া করে জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিদায় নিয়েছিল ভারত। সেই হারের বদলা ইডেনে নিল ভারত।

    সেমিফাইনালে কারা

    বিশের বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) খেতাব জয়ের থেকে চার দলই কেবল দুই জয় দূরে দাঁড়িয়ে। একদিকে যেখানে ভারত আর ইংল্যান্ড রেকর্ড তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে, সেখানে নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমবার বিশের বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া। চার সেমিফাইনালিস্ট। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সুপার এইটে গ্রুপ ১-র শীর্ষে শেষ করা দল গ্রুপ ২-র রানার্সের বিরুদ্ধে খেলবে এবং আরেক সেমিফাইনালে গ্রুপ ২-র শীর্ষে থাকা দল খেলবে গ্রুপ ১-র রানার্স আপের বিরুদ্ধে। এই সমীকরণ অনুযায়ী বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুম্বইয়ে ভারত মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের, আর ইডেনে নিউজিল্যান্ড খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেমিফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইডেনও। তবে, রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ইডেন ছিল আপন ছন্দে। ক্যারিবিয়ান ক্যালিপসো থামিয়ে সঞ্জুর প্রতিটা শটে উঠেছে মেক্সিকান ওয়েভ। সূর্য-হার্দিকদের সঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার উল্লাসে মেতেছে ইডেনের গ্যালারি।

  • T-20 World Cup 2026: সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত! কবে, কোথায়, কাদের বিরুদ্ধে খেলবেন সূর্যরা?

    T-20 World Cup 2026: সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত! কবে, কোথায়, কাদের বিরুদ্ধে খেলবেন সূর্যরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (T-20 World Cup 2026) গ্রুপ পর্বে ভারতের শেষ ম্যাচ নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার কলম্বোর মাঠে পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করে ফেলেছে ভারত। সেখানে তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের। কবে কোথায় হবে সেই ম্যাচ হবে তা-ও জানা গিয়েছে। সুপার এইটে কঠিন গ্রুপে ভারত। লড়াই হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে। তার আগে বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচেও জয়ের ধারা বজায় রাখতে চায় গুরু গম্ভীরের ছেলেরা। সুপার এইট-এর লড়াইয়ের কলকাতায় একটি ম্যাচ খেলবে ভারত। তাই ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে মহানগরী।

    সুপার এইটে দু’টি গ্রুপ

    বিশ্বকাপের সুপার এইটে দু’টি গ্রুপ রয়েছে। গ্রুপ ‘এক্স’ ও গ্রুপ ‘ওয়াই’। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল থেকে যে দুই দল নক আউটে উঠবে, তাদের আলাদা আলাদা গ্রুপে রাখা হবে। তবে সুপার এইটে আটটি দল আগে থেকে ধরে রাখা হয়েছে। তারা গ্রুপ পর্বে যে স্থানেই শেষ করুক না কেন, নক আউটে নির্দিষ্ট জায়গাতেই খেলবে। সুপার এইটে ভারতের তিনটি ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। অন্য গ্রুপে রয়েছে, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও সম্ভাব্য পাকিস্তান।

    লড়াই কঠিন

    সুপার এইটে আগামী রবিবার ভারতের সামনে দক্ষিণ আফ্রিকা। গতবার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ভারত সেখানে দারুণ জয় পায়। সূর্যকুমারের দল দারুণ ছন্দে। ২৬ ম্যাচের মধ্যে ২৫টা ম্যাচ জিতেছে। ফলে সুপার এইটের লড়াইয়েও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভারতের সামনে জিম্বাবোয়ে। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দিয়েছে সিকান্দার রাজার দল। সেটাই কিছুটা হলেও চিন্তার কারণ। সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ১ মার্চ মুখোমুখি ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ম্যাচ হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। ক্যারাবিয়ানরা আপাতত দাপুটে ফর্মে। দক্ষিণ আফ্রিকাও সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক। ভারতও অবশ্য ছন্দেই রয়েছে। তবু সুপার এইট অন্য পরীক্ষা। এখানে ভুলের জায়গা কম। সামান্য স্খলনে গুনতে হতে পারে বিরাট মাশুল। তাই সদা সতর্ক ভারত। ঘরের মাঠে ট্রফি ধরে রাখতে মরিয়া সূর্যরা।

    টি-২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়ার ‘সুপার-৮’ সূচি

    ২২ ফেব্রুয়ারি – ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা (নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, আমেদাবাদ)

    ২৬ ফেব্রুয়ারি – ভারত বনাম জিম্বাবোয়ে (এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম, চেন্নাই)

    ০১ মার্চ – ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা)

  • T20 World Cup 2026: ইডেনে ৭টি ম্যাচ! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা

    T20 World Cup 2026: ইডেনে ৭টি ম্যাচ! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। মঙ্গলবার সন্ধ্যেয় আগামী টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (ICC)। আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে একাধিক বার মুখোমুখি হতে পারে দু’দেশ। গ্রুপ পর্ব ছাড়াও সেমিফাইনাল বা ফাইনালে সূর্যকুমার যাদবদের সঙ্গে দেখা হতে পারে সলমন আলি আঘাদের। প্রতিযোগিতার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন গত বারের চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। তাঁর নাম ঘোষণা করেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ।

    কোথায় কোথায় খেলা হবে

    আগামী বছর কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপে যুগ্ম আয়োজক, ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ভারতের ৫টি ভেনুতে হবে ম্যাচ। আর শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হবে তিনটি জায়গায়। জানা গিয়েছে, ইডেন গার্ডেন্সে হবে এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচ। ভারতের যে স্টেডিয়ামে হবে টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ সেগুলি হল – দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স, চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম, আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ও মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। শ্রীলঙ্কার যে স্টেডিয়ামে হবে টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) ম্যাচ সেগুলি হল – ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম ও কলম্বোর সিনহেলসে স্পোর্টস ক্লাব।

    বিশ্বকাপের গ্রুপ বিন্যাস

    প্রতিযোগিতার ২০টি দেশকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দু’টি করে দল উঠবে সুপার এইট পর্বে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্রমতালিকাকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রুপ বিন্যাস করেছে আইসিসি। সেই অনুযায়ী একই গ্রুপে রয়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। ক্রমতালিকায় শীর্ষে রয়েছেন সূর্যকুমারেরা। সাত নম্বরে পাকিস্তান। এই দু’দেশের সঙ্গে গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে ক্রমতালিকায় ১৩ নম্বরে থাকা নেদারল্যান্ডস, ১৫ নম্বরে থাকা নামিবিয়া এবং ১৮ নম্বরে থাকা আমেরিকা। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক শ্রীলঙ্কার গ্রুপে রয়েছে চারটি টেস্ট খেলিয়ে দেশ। ক্রমতালিকায় আট নম্বরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। তাদের সঙ্গে গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া (২), জিম্বাবোয়ে (১১), আয়ারল্যান্ড (১২) এবং ওমান (২০)। ক্রমতালিকায় তিন নম্বরে থাকা ইংল্যান্ডও সহজ গ্রুপে। তাদের সঙ্গে গ্রুপ ‘সি’-তে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় (৬), বাংলাদেশ (৯), নেপাল (১৭) এবং ইটালি। যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে আসা ইটালি ক্রমতালিকায় ২৮ নম্বরে রয়েছে। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রানার্স দক্ষিণ আফ্রিকা এ বার কিছুটা কঠিন গ্রুপে। ক্রমতালিকায় পঞ্চম স্থানে থাকা প্রোটিয়াদের গ্রুপ ‘ডি’-তে খেলতে হবে নিউ জ়িল্যান্ড (৪), আফগানিস্তান (১০), সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (১৬) এবং কানাডার (১৮) সঙ্গে।

    ভারতের খেলা কবে-কোথায়

    গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচ মুম্বইয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে। সূর্যকুমারদের দ্বিতীয় ম্যাচ দিল্লিতে ১২ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে। তৃতীয় ম্যাচ কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। চতুর্থ ম্যাচ ১৮ ফেব্রুয়ারি আমেদাবাদে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। আগামী বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ভারত এবং শ্রীলঙ্কায়। আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম দিন হবে ৩টি ম্যাচ। একদিকে মুখোমুখি পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস, অপর ম্যাচে মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ। আর সেদিনই আমেরিকার বিরুদ্ধে নামবে ভারত।

    ইডেনে বিশ্বকাপ ম্যাচের সূচি:

    ৭ ফেব্রুয়ারি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম বাংলাদেশ
    ৯ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ বনাম ইটালি
    ১৪ ফেব্রুয়ারি, ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ
    ১৬ ফেব্রুয়ারি, ইংল্যান্ড বনাম ইটালি
    ১৯ ফেব্রুয়ারি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইটালি
    ১ মার্চ, সুপার এইটের ম্যাচ
    ৪ মার্চ, প্রথম সেমিফাইনাল (শর্তসাপেক্ষে)

    অন্য খেলা ঠিক থাকলেও সেমিফাইনালটি ইডেনে না-ও হতে পারে। পাকিস্তান শেষ চারে উঠলে তারা প্রথম সেমিফাইনালে খেলবে। সে ক্ষেত্রে ম্যাচটি ইডেনের পরিবর্তে কলম্বোয় হবে। একই ভাবে ৮ মার্চের ফাইনালও আমেদাবাদ থেকে কলম্বোয় সরে যেতে পারে পাকিস্তান খেললে।

LinkedIn
Share