Tag: Education

Education

  • Afghanistan: মেয়েদের পড়াশোনার পক্ষে সওয়াল, আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হলেন মন্ত্রী!

    Afghanistan: মেয়েদের পড়াশোনার পক্ষে সওয়াল, আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হলেন মন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপরাধ’ বলতে তিনি মেয়েদের পড়াশোনার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তার জেরে তালিবান (Taliban) সরকারের মন্ত্রী মহম্মদ স্তানিকজাইকে বাধ্য করা হল আফগানিস্তান (Afghanistan) ছাড়তে। তালিবানরা যখন আফগানিস্তান দখল করে, তখন এই স্তানিকজাই হয়ে উঠেছিলেন তাদের মুখ। এখন দেশছাড়া হওয়ার পর তিনি দুবাইতে রয়েছেন বলে খবর।

     কী বললেন তালিবান সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী? (Afghanistan)

    ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ জানুয়ারি। ওই দিন আফগানিস্তান-পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী খোস্ত প্রদেশে ‘গ্র্যাজুয়েশন’ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন তালিবান সরকারের ওই মন্ত্রী। সেই সময় তিনি মেয়েদের পড়াশোনার ওপর তালিবানি নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছিলেন। তালিবান সরকারের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী স্তানিকজাই বলেছিলেন, “মেয়েদের শিক্ষার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষেত্রে কোনও অজুহাত দেওয়া যায় না। বর্তমানেও না এবং ভবিষ্যতেও না। আমরা দু’কোটি মানুষের প্রতি অন্যায় করছি। হজরত মহম্মদের সময়ও ছেলে-মেয়ে সবার জন্য খোলা ছিল জ্ঞানের দরজা। এমন কিছু অসাধারণ মহিলা ছিলেন, যাদের অবদান আমি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করলে তা যথেষ্ট সময় নেবে।”

    মহিলাদের জন্য শিক্ষা বন্ধ করেছিল তালিবান সরকার 

    ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তালিবান সরকার মহিলাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকে নিষিদ্ধ করেছিল। আফগানিস্তানে তালিবান রাজত্বে মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশাধিকার স্থগিত রয়েছে। আফগানিস্তানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিয়াউল্লাহ হাশিমি কর্তৃক জারি করা একটি চিঠিতে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহিলা শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার স্থগিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল (Afghanistan)।

    ওই দিনই বক্তৃতার সময় স্তানিকজাই তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদারও সমালোচনা করেছিলেন বলে অভিযোগ। শিক্ষানীতি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে এই তালিবান নেতা সরাসরি আখুন্দজাদার কাছে আবেদন জানিয়ে বলেছিলেন, “আমরা নেতৃত্বকে আবার শিক্ষার দরজা খোলার আহ্বান জানাচ্ছি।” এরপরেই তাঁকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর। এর পরেই আফগানিস্তান ছাড়েন তিনি। যদিও স্তানিকজাইয়ের দাবি, শারীরিক সমস্যার কারণেই দেশ ছেড়েছেন তিনি।

    জানা গিয়েছে, ভারতের দেরাদূনের ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমির ১৯৮২ ব্যাচ ছিলেন স্তানিকজাই (Taliban)। ব্যাচমেটদের কাছে ‘শেরু’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন স্তানিকজাই (Afghanistan)।

  • Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য (Vice Chancellor) হওয়ার যোগ্যতা মানে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। নয়া বিধিতে বলা হয়েছে, সমাজের যে কোনও পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিই হতে পারবেন উপাচার্য। একই সঙ্গে নয়া বিধি অনুযায়ী, উপাচার্য নিয়োগে ক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে আচার্যদের। নতুন বিধি অনুসারে, সার্চ কমিটির তৈরি প্যানেল থেকে একজনকে বেছে নিতে পারবেন আচার্যরা। মানে অন্য কোনও পক্ষের মতামত দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া, অধ্যাপক, চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের নিয়মেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে ইউজিসি। সেই সংক্রান্ত খসড়াও প্রকাশ করা হয়েছে।

    রাজ্যপাল ছাড়া অন্যান্যরাও হতে পারেন উপাচার্য (Vice Chancellor) 

    নতুন বিধিতে সাফভাবে জানানো হয়েছে, আচার্য বলতে শুধুমাত্র রাজ্যপালদেরই বিবেচনা করা হবে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আচার্য করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উপাচার্য (Vice Chancellor) পদে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে রবীন্দ্রভারতী এবং আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা জগতের বাইরের মানুষ রয়েছেন। রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। আলিয়ার উপাচার্য একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁর বিশেষ ক্ষমতাবলে ওই দুই উপাচার্যকে নিয়োগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা জাহির করতে বিল পেশ বিধানসভায় (Vice Chancellor)

    সাধারণভাবে রাজ্যপালই রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যের ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই আবহে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Education) রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের আশায়, রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে উপাচার্য করার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিলও পেশ করেছে শাসক দল। যদিও রাজ্যপাল বিলটিতে সম্মতি না দেওয়ায় সেটি কার্যকর করা যায়নি। এরই মধ্যে কেন্দ্রের এই নয় খসড়া বিধি সামনে এল। সমাজের নানা পেশার গুণিজনদের উপাচার্য করার প্রস্তাবটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, এরফলে উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সমাজের সব অংশের সম্পৃক্ততা বাড়বে। নতুন নতুন ধারণায় সমৃদ্ধ হবে উচ্চশিক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madrasa Education: প্রকৃত শিক্ষার অনুপযোগী মাদ্রাসা, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন

    Madrasa Education: প্রকৃত শিক্ষার অনুপযোগী মাদ্রাসা, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত শিক্ষার জন্য উপযুক্ত নয় মাদ্রাসা। মাদ্রাসার (Madrasa Education) মতো প্রতিষ্ঠান শিশু শিক্ষা অধিকারের বিরোধী। সুপ্রিম কোর্টে একথা জানাল জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। মাদ্রাসার কর্মপদ্ধতিও বিধিবহির্ভূত বলে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) জানাল ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস বা এনসিপিসিআর (NCPCR)। 

    কেন একথা বলল এনসিপিসিআর?

    কয়েকদিন আগেই একটি রায়ে এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানায়, মাদ্রাসা (Madrasa Education)  শিক্ষা আইন, ২০০৪ ‘অসাংবিধানিক’। কারণ তা ‘ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি’কে লঙ্ঘন করে। সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদের অধীনে মৌলিক অধিকার বিরোধীও। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা জমা পড়ে। যার পর গত ৫ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। ওই মামলা সূত্রেই জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন মাদ্রাসা সম্পর্কে নিজেদের লিখিত বক্তব্য জমা দিয়েছে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court)।

    কী বলল কমিশন?

    ২০০৯ সালের রাইট টু এডুকেশন অ্যাক্ট বা শিক্ষার অধিকার আইনের এক্তিয়ারে পড়ে না মাদ্রাসা (Madrasa Education)। ফলে মিড ডে মিল, ইউনিফর্ম, প্রশিক্ষিত শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা পাওয়ার অধিকার ইত্যাদি আইনি সুযোগ থেকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়ে চলেছে। দেশের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য চালু বিধিবদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার সুযোগও তারা পাচ্ছে না। কমিশনের মতে, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মূল স্রোতের খুব অল্পই মাদ্রাসায় শেখানো হয়। মূলত ধর্মীয় শিক্ষাই প্রাধান্য পায়। সেখানে শিক্ষক নিয়োগ হয় বেসরকারি পরিচালক দ্বারা। মূলত তিন ধরনের মাদ্রাসার উল্লেখ করেছে এনসিপিসিআর। 

    তিন ধরনের মাদ্রাসা

    স্বীকৃত মাদ্রাসা– যেখানে ধর্ম শিক্ষার পাশাপাশি বিধিবদ্ধ শিক্ষার কিছুটা শেখানো হয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলি রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত। যাদের ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন কোড আছে। 
    অস্বীকৃত মাদ্রাসা– যেখানে বিধিবদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার অস্তিত্ব নেই। পরিকাঠামোর ঘাটতি থাকায় রাজ্য সরকারের অনুমোদন নেই।
    ভুয়ো মাদ্রাসা– যারা কখনওই রাজ্য সরকারের অনুমোদন নেওয়ার আবেদন করেনি। এনসিপিসিআর-এর নথি অনুযায়ী দেশের সর্বত্র এমন মাদ্রাসার সংখ্যা বিপুল। এখানে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছে। এইসব প্রতিষ্ঠানে কেমন শিক্ষা দেওয়া হয়, শিক্ষা দেওয়ার পরিবেশ ও পরিকাঠামো আছে কিনা, তা জানা কঠিন। এখানকার শিক্ষার্থীদের তাই অশিক্ষিত হিসেবেই ধরা হয়।

    সাংবিধানিক ধারা লঙ্ঘন

    কমিশনের তরফে দাবি করা হয়েছে, মাদ্রাসায় (Madrasa Education) অন্য ধর্মের পড়ুয়াদের ইসলামিক ধর্মীয় রীতি মেনে যে শিক্ষা প্রদান করা হয়, সেটা ভারতীয় সংবিধানের বিরোধী। সেই বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ২৮ (৩) ধারার সম্পূর্ণ বিরোধী বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, একটি মাদ্রাসা ‘সঠিক’ শিক্ষা গ্রহণের জন্য একটি ‘অযোগ্য স্থান’। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষার পক্ষে সন্তোষজনক জায়গা নয় তো বটেই, এমনকী সেখানে শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯-এর ধারা ২৯ এর অধীনে নির্ধারিত পাঠ্যক্রম এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিও অনুপস্থিত। এই প্রতিষ্ঠান সাংবিধানিক আদেশের সামগ্রিক লঙ্ঘন…এবং জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট, ২০১৫-এর লঙ্ঘন করছে। কমিশনের দাবি, আদতে সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের প্রকৃত শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। এছাড়াও মৌলিক অধিকার–কোনও শিশুর ধর্ম, জাতি, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য না করা , শিশুদের সুস্থভাবে এবং স্বাধীনতা ও মর্যাদার সঙ্গে বিকাশের সুযোগ দেওয়া হয়, তাদের শোষণ থেকে দূরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এনসিপিসিআর-এর দাবি, এমন একাধিক শর্ত পূরণ হয় না মাদ্রাসায়।

    আরও পড়ুন: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    কমিশনের যুক্তি

    ধর্মীয় শিক্ষার জন্য সরকারের কোষাগার থেকে কীভাবে অর্থ খরচ করা হয়, তা ব্যাখ্যা করার জন্য গত মার্চে কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই বিষয়টি ভারতীয় সংবিধানের ১৪ ধারা, ২৫ ধারা, ২৬ ধারা, ২৯ ধারা এবং ৩০ ধারার বিরোধী কিনা, তাও ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতে হাইকোর্টে জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন জানিয়েছে, মাদ্রাসায় (Madrasa Education) শিশুদের যে শিক্ষা প্রদান করা হয়, সেটা উপযুক্ত নয়। যা ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইনের ধারার বিরোধী। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, মাদ্রাসার ক্ষেত্রে ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন প্রয়োজ্য হয় না। সাধারণ স্কুলের পড়ুয়ারা যে সুযোগ-সুবিধা পায়, তা থেকে বঞ্চিত হয় মাদ্রাসার পড়ুয়ারা। শিক্ষার অধিকার আইনের আওতায় যে কোনও স্কুলকে মৌলিক শিক্ষা প্রদান করতে হয়। সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষার অধিকার আইনের বিরোধী কোনও কর্মকাণ্ডে সমর্থন করতে পারে না রাষ্ট্র, বুধবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এমনই অভিমত প্রকাশ করে এনসিপিসিআর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Budget 2024: নামমাত্র সুদে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ, বাজেটে বিশেষ ঘোষণা নির্মলার

    Union Budget 2024: নামমাত্র সুদে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ, বাজেটে বিশেষ ঘোষণা নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চ শিক্ষার জন্য পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার কথা বাজেটে (Union Budget 2024) ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। মঙ্গলবার তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এই প্রস্তাব রাখেন অর্থমন্ত্রী। নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, উচ্চ শিক্ষায় এই ঋণ প্রতি বছর ১ লাখ পড়ুয়াকে দেওয়া হবে। আর এই ঋণ মিলবে খুবই অল্পসুদে। মাত্র ৩ শতাংশ সুদের হারে এই ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে পড়ুয়াদের। 

    শিক্ষা ক্ষেত্রে বরাদ্দ (Union Budget 2024)

    এবারের বাজেটে (Union Budget 2024) শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের জন্য মোট ১.৪ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০২৩-২৪ সালের শিক্ষার বাজেটে কেন্দ্র বরাদ্দ করেছিল মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা। শিক্ষাই দেশের ভিত্তি তাই বাজেটে শিক্ষার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে, বলে মনে করছে শিক্ষামহল।

    কেন্দ্রের আশা (Union Budget 2024)

    দেশে রমরম করে বাড়ছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। চাকরিক্ষেত্রে নিজেদের পরিসর বাড়াতে ম্যানেজমেন্ট ছাড়াও একাধিক কোর্সের ওপর ঝুঁকছেন ছাত্রছাত্রীরা। স্কুল জীবন শেষ করার পরই ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়াও, প্রযুক্তিগত শিক্ষার ওপরেই বেশি নজর দিচ্ছেন বর্তমান যুব সমাজ। এক্ষেত্রে মধ্যবিত্ত পরিবারের ভরসা শিক্ষা ঋণ (Education Loan)। তাতে বিশেষ নজর দিল কেন্দ্রীয় সরকার। উল্লেখ্য, বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কগুলো ৬.৮৫ থেকে ৯.৩৫ শতাংশের বিচারে শিক্ষাঋণ দিয়ে থাকে। সেত্রে ৩ শতাংশ সুদে ঋণ মিললে ছাত্রছাত্রীদের অনেকটাই সুবিধা হবে বলে আশাবাদী কেন্দ্র।

    বাজেটে শিক্ষা নিয়ে ঘোষণা 

    দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে উচ্চশিক্ষার জন্য ৩ শতাংশ সুদে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ (Education Loan)দেওয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার সাহায্য করবে। এর জন্য প্রতি বছর ১ লক্ষ পড়ুয়াদের ই-ভাউচার দেওয়া হবে। কেন্দ্রের অর্থ সাহায্যে রাজ্য সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কেন্দ্র একটি প্রকল্প আনার কথা বলেছে এই বাজেটে (Union Budget 2024)। সেখানে পাঁচ বছর ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে পড়ুয়াদের। প্রতি বছর ২৫ হাজার পড়ুয়াকে সাহায্য করার জন্য মডেল স্কিল স্কিমের সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও কেন্দ্র সরকার ৫০০টি প্রথমসারির সংস্থায় ১ কোটি যুবকে ইন্টার্নশিপের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য একটি প্রকল্প চালু করবে। যার মাধ্যমে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা ইন্টার্নশিপ এবং ৬ হাজার টাকার এককালীন সহায়তা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET UG Result out: সুপ্রিম নির্দেশে নিট ইউজির রেজাল্ট আউট! প্রকাশিত হল শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল

    NEET UG Result out: সুপ্রিম নির্দেশে নিট ইউজির রেজাল্ট আউট! প্রকাশিত হল শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস, বেনিয়ম-সহ একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় দেশ। এরই মধ্যে এবার নিট ইউজি পরীক্ষার শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল (NEET UG Result out) প্রকাশ করল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এভাবে নিট ইউজি ফল প্রকাশ করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছিল এনটিএ-কে। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার শনিবার, ২০ জুলাই অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে মেডিক্যাল প্রবেশিকার ফল নতুন ভাবে প্রকাশ করল কর্তৃপক্ষ।  

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে ফলপ্রকাশ (NEET UG Result out) 

    উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার এনটিএ-কে নিট ইউজি-র ফলাফল আপলোডের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে রেজাল্ট আপলোড করতে বলে শীর্ষ আদালত। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ করেছে এনটিএ। তবে ওয়েবসাইটে পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করলেও, তাদের পরিচয় গোপন রাখার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এই পরীক্ষায় যাঁরা অংশ নিয়েছেন তাঁরা এনটিএ নিট-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট – exams.nta.ac.in/NEET/-এ ফলাফল দেখতে পারেন। এছাড়াও neet.ntaonline.in-এ ফলাফল চেক করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: ওড়িশার দিকে এগোচ্ছে নিম্নচাপ, রবিতে কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৫ মে স্নাতক স্তরের মেডিক্যালের প্রবেশিকার আয়োজন করে এনটিএ। এবার মোট ২৩.৩৩ লাখ পড়ুয়া সর্বভারতীয় এই পরীক্ষায় বসেছিলেন। মোট ৪,৭৫০টি কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা। যা ছড়িয়েছিল ৫৭১টি শহরে। দেশের বাইরে মোট ১৪টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষার আয়োজন করেছিল এনটিএ। এরপর গত ৪ জুন নিট ইউজির রেজাল্ট প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু তার পরই এই সর্বভারতীয় প্রবেশিকায় কারচুপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় দেশ। গোটা পরীক্ষার বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় একাধিক মামলা। পাশাপাশি আদালতের নির্দেশে ফের ১৫৬৩ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিতে হয়েছিল এনটিএ-কে। আর এরপরেই শনিবার সুপ্রিম (Supreme Court) নির্দেশে প্রকাশিত হল নিট ইউজি পরীক্ষার শহর-সেন্টার ভিত্তিক ফলাফল (NEET UG Result out)। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jawaharlal Nehru University: হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন চর্চা হবে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে! কবে থেকে শুরু পঠনপাঠন?

    Jawaharlal Nehru University: হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন চর্চা হবে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে! কবে থেকে শুরু পঠনপাঠন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়ুয়াদের জন্য এক দারুণ খবর। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় এবার (Jawaharlal Nehru University) হিন্দু পঠনপাঠনের (Hindu Studies) পাশাপাশি বৌদ্ধ (Buddhist) ও জৈন পঠনপাঠনের (Jain Studies) কেন্দ্র খুলবে। নতুন এই বিষয়গুলো চালু করার জন্য এর আগে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠক হয়। জাতীয় শিক্ষা নীতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থার অন্বেষণ এবং সুপারিশ করার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এরপর গত ২৯ মে বৈঠকের সিদ্ধান্তটি অনুমোদন পেয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিষয়টি (JNU new centres) জানানো হয়েছে।

    জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগটি ঘোষণা করে, এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে জানানো হয়েছে যে, “এটি আমাদের আধুনিকতার সাথে ঐতিহ্য, পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা, অঞ্চলের সাথে রাজ্য এবং বাস্তবতার সাথে মিথকে একীভূত করার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।” 

    Delhi: JNU to establish Centres for Hindu Studies, Buddhist Studies and Jain studies pic.twitter.com/gcKK7ERD67

    — ANI (@ANI) July 12, 2024

    কবে থেকে শুরু হবে এই পঠনপাঠন? (Jawaharlal Nehru University)

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ২০২৫-২৬ সাল থেকে তিনটি নতুন পঠনপাঠন কেন্দ্র (JNU new centres) চালু করা হবে। যার মধ্যে থাকবে ‘হিন্দু, বৌদ্ধ এবং জৈন’ অধ্যয়নের সুযোগ। শিক্ষার্থীরা এই তিনটি পঠনপাঠন কেন্দ্র থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং পিএইচডি ডিগ্রি করতে পারবেন। কমন ইউনিভার্সিটি এন্ট্রান্স টেস্ট-এর মাধ্যমে বিষয়গুলোতে ভর্তি নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে তিনটি কেন্দ্রেই ২০টি করে আসন থাকবে। পরে সংখ্যা বাড়ানো হবে।

    আরও পড়ুন: জুনের শুরুতেই তীব্র প্রশাসনিক সংকট অন্ধ্রপ্রদেশে! ভারতের একমাত্র রাজ্য, যার রাজধানী নেই

    প্রসঙ্গত, এর আগে গত বছর, দিল্লি ইউনিভার্সিটি (DU) হিন্দু পঠনপাঠনের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছে, যেটি বর্তমানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করে এবং ভবিষ্যতে স্নাতক কোর্স চালু করার পরিকল্পনা করছে। পাশাপাশি বৌদ্ধ পঠনপাঠনের জন্যও একটি বিভাগের চিন্তা ভাবনা চলছে। জানা গিয়েছে, এবছর মার্চ মাসে, ৩৫ কোটি টাকার বাজেটে বৌদ্ধ ধর্মে উন্নত পঠনপাঠন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারী অনুমোদন পেয়েছে।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET Controversy: পরীক্ষা বিতর্কে গর্জে উঠলেন শিক্ষামন্ত্রী! ‘কেউ রেহাই পাবে না’, আশ্বাস ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    UGC NET Controversy: পরীক্ষা বিতর্কে গর্জে উঠলেন শিক্ষামন্ত্রী! ‘কেউ রেহাই পাবে না’, আশ্বাস ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নিটে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই দুর্নীতির অভিযোগ এবং ইউজিসি নেট (UGC NET Controversy) বাতিল করার প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানেই জাতীয় টেস্টিং এজেন্সি বা এনটিএ-তে যে গলদ রয়েছে, তা মেনে নিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। জানালেন, ‘ভুল’ সংশোধন এবং উন্নত পরিষেবার জন্য উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হবে। 

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য (Dharmendra Pradhan) 

    এ প্রসঙ্গে ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘নিটে দুর্নীতি (UGC NET Controversy) প্রমাণিত হলে দোষীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে। নেটের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাই। কাউকে কোনও অবস্থাতেই রেয়াত করা হবে না। আমি তার গ্যারান্টি দিচ্ছি। পরীক্ষা পদ্ধতির উপর বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আমার।’’ এরপর নেট পরীক্ষার এক দিন পর তা বাতিল করে দেওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘পরীক্ষার পরের দিন বিকেল ৩টে নাগাদ আমরা জানতে পারি, ডার্ক নেটে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছিল পরীক্ষার আগেই। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হয় এবং ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে তা মিলে যায়। এর পরেই আমরা পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেলিগ্রামের মতো অ্যাপগুলির উপর নজরদারি চালানো কঠিন। প্রশ্নফাঁসে সেই ধরনের অ্যাপই ব্যবহৃত হয়েছে। তবে স্বচ্ছতার সঙ্গে আমরা আপস করব না। একথা বলতে পারি, জোরালো প্রমাণ পেলে কোনও অপরাধীই নিষ্কৃতি পাবে না। পড়ুয়াদেরই ভবিষ্যতে আমাদের অগ্রাধিকার।’’ 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (UGC NET Controversy) 

    গত বুধবার নেট পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ সম্প্রতি নিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে বিহার থেকে। সেখানে এক জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। জেরায় যিনি স্বীকার করেছেন, পরীক্ষার আগের দিন তিনি প্রশ্ন পেয়ে গিয়েছিলেন। তা মুখস্থ করে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় সিবিআই এর তদন্ত করবে বলে আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। তবে এরপর বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় এফআইআর করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: কালিম্পঙে রাস্তায় ধস, ফুঁসছে তিস্তা

    ইউজিসি-নেট পরীক্ষা বাতিল

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ইউজিসি-নেট (UGC-NET) পরীক্ষা নেয়। প্রায় ৯ লক্ষের উপর পরীক্ষার্থী তাতে অংশ নেয়। কিন্তু নিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষার মাত্র একদিন পরই বুধবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JEE 2024 Toppers: জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় সাফল্যের চাবিকাঠি কী? জানাল এছরের দুই কৃতি ছাত্র

    JEE 2024 Toppers: জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় সাফল্যের চাবিকাঠি কী? জানাল এছরের দুই কৃতি ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কঠোর অধ্যয়ন এবং শিক্ষকদের পরামর্শ অনুসরণ’-এই নীতি মেনে চললে সাফল্য নিশ্চিত, জানালেন এবছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার কৃতি ছাত্র বেদ লাহোতি। গত ৯ জুন জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন (JEE) অ্যাডভান্সড ২০২৪-এর ফলাফল ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (IIT) মাদ্রাজ। আর সেই পরীক্ষাতেই শীর্ষস্থান অধিকার (JEE 2024 Toppers) করেছেন আইআইটি দিল্লির বেদ লাহোতি। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৩৫৫। আর তারপরেই দ্বিতীয় স্থানাধিকারী আদিত্য। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৩৪৬।  
    এবছর ২৬ মে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ৭,৯৬৪ জন মহিলা প্রার্থী সহ মোট ৪৮,২৪৮ জন পরীক্ষার্থী সফলভাবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। অর্থাৎ ৪৮,২৪৮ জন পরীক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে সফলতার শিখরে (JEE 2024 Toppers) পৌঁছেছেন বেদ ও আদিত্য। জানা গিয়েছে, ১৮০,২০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে যাঁরা পেপার ১ এবং পেপার ২ উভয়ের জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে বেদ প্রথম স্থানাধিকারী।    

    সফলতা নিয়ে বেদের মন্তব্য (JEE 2024 Toppers) 

    পরীক্ষায় সফলতার পর তাঁর কৃতিত্ব নিয়ে বেদ লাহোতি জানিয়েছিলেন, প্রথম প্রচেষ্টাতেই শীর্ষস্থান অর্জন করার খবরে বিস্মিত হয়েছিলেন তিনি।  তিনি বলেন, “আমি ভাল ফলাফল, ভাল নম্বরের আশা করছিলাম, কিন্তু অল ইন্ডিয়ায় ১ নম্বর র‍্যাঙ্ক আশা করিনি।” 

    আরও পড়ুন: পুজোয় বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান রয়েছে? এখনও টিকিট কাটা না হলে জেনে নিন রেলের এই নতুন উদ্যোগ

    পরীক্ষা প্রস্তুতির কৌশল ভাগ করে নিল শীর্ষ স্থানাধিকারীরা 

    এ প্রসঙ্গে (JEE Preparation Strategies) বেদ বলেন, ” আমার জেইই প্রস্তুতির জন্য, আমি ২ বছর আগে কোটায় এসেছিলাম। এখানে আমি আমার শিক্ষকদের নির্দেশনায় এবং মা বাবার বিপুল সমর্থনে প্রস্তুতি শুরু করি। শিক্ষকরা আমাকে যা কিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন আমি সেটাই করেছিলাম। তাই আজ আমি এখানে পৌঁছেছি।” অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্থানাধিকারী আদিত্য জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং-এর প্রতি তাঁর ভালোলাগা ছিল। পদার্থবিদ্যায় তাঁর অনুরাগ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং মডেল প্রস্তুতির প্রতি আকর্ষণ তাঁকে যথেষ্ট প্রেরণা জুগিয়েছে। আদিত্য জানান, তাঁর দিদির থেকে সে প্রভাবিত হয়েছিল। কারণ, তাঁর দিদি বর্তমানে আইআইটি দিল্লিতে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় বিটেক করছেন। তাই তাঁর থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে আদিত্যরও স্বপ্ন ছিল আইআইটি থেকে ডিগ্রি নেওয়ার।  তাই সকল পরীক্ষার্থীরা শুধু মন দিয়ে লক্ষ্য স্থির রেখে একাগ্র চিত্তে পড়াশোনা করে যাও। সফলতা ঠিকই আসবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। এবার এরই মধ্যে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকার কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া নিয়ে বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।নিট ইউজি কাউন্সেলিং (NEET UG counselling) প্রক্রিয়ায় কোনও স্থগিতাদেশ জারি করল না আদালত। এরআগে অতীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছে আদালত। তবে এবার এই মামলার রায়ে শীর্ষ আদালত কী নির্দেশ দেবে তা নিয়ে অনেকদিন ধরেই চর্চা চলছিল। অবশেষে এ বিষয়ে বিরাট নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের যে ঘটনা রয়েছে তা নিয়ে আয়োজক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) থেকে জবাব তলব করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি আহসানউদ্দিনের আমানুল্লার অবকাশকালীন বেঞ্চ। 

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ (Supreme Court)

    মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া (NEET UG counselling) আমরা বন্ধ করব না। তবে মামলাকারীরা যদি আরও সওয়াল করেন, তাহলে মামলা খারিজ করে দেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা (Medical Entrance Exam) বাতিল করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েকটা মামলা হয়। মামলাকারীদের তরফ থেকে বলা হয়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গেই আরও বেনিয়ম হয়েছে। এদিন শীর্ষ আদালতে এই মামলারই শুনানি হয়।  

    আরও পড়ুন: জামাইষষ্ঠীর আগে আগুন দাম ফল-মিষ্টি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের! নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

    বিচারপতির মন্তব্য 

    মামলার শুনানিতে বিচারপতি আমানুল্লা এনটিএ-র আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, “যেহেতু পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ এসেছে তাই স্বচ্ছ ভাবেই যে পরীক্ষা হয়েছে এমনটা বলা যাচ্ছেনা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা কোথাও একটা প্রভাবিত হয়েছে। আমরা তার জবাব চাই।” উল্লেখ্য, ১৭ মে এই পরীক্ষা নিয়ে হওয়া অন্য একটি মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ নোটিশ জারি করেছিল। সেই মামলার শুনানি ৮ জুলাই। আর সেদিনই এই মামলাটিরও শুনানি হতে পারে, এমনটাই জানিয়েছেন জানান এনটিএ-এর আইনজীবী।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: পড়াশোনা শেষ হলেই ছাড়তে হবে হস্টেল! কড়া নির্দেশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

    Jadavpur University: পড়াশোনা শেষ হলেই ছাড়তে হবে হস্টেল! কড়া নির্দেশ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় এবার হস্টেল পড়ুয়াদের জন্য কড়া সিদ্ধান্ত নিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। সম্প্রতি একটি নির্দেশিকায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, এবার থেকে পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে ছাত্রদের হস্টেল (Hostel Students) ছাড়তে হবে। একইসঙ্গে গবেষণার কাজ শেষ হলে এক মাসের মধ্যে হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ দিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Jadavpur University)

    গতবছর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। অভিযোগ উঠেছিল, র‌্যাগিংয়ের জেরে ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছিল। প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়ার মৃত্যুতে বারবার অভিযোগ উঠেছিল ‘সিনিয়র দাদাদের’ বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার পর একাধিকবার সিনিয়রদের পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলে বেড়িয়ে যেতে বলেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তা মানা হয়নি। তাই এবার নতুন বর্ষ শুরুর আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে গবেষণার কাজ শেষ হলে বড়োজোড় একমাস। আর পড়াশোনা শেষ হলে সাতদিন। এর বেশি আর কেউ হস্টেল (Hostel Students) দখল করে থাকতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হল হস্টেলগুলিতে র‌্যাগিং প্রতিরোধ করা এবং নতুন ছাত্রছাত্রীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

    আরও পড়ুন: নারীশক্তির জয়! ভারতীয় সেনার মেজর রাধিকা সেনকে সম্মানিত করবে রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    র‌্যাগিং প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ 

    এছাড়াও র‌্যাগিং প্রতিরোধে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) কর্তৃপক্ষের তরফে। জানা গিয়েছে এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো কোনও পড়ুয়াকে পুরস্কৃত করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এই পুরস্কারটি র‌্যাগিংয়ে নিহত ওই ছাত্রের নামে দেওয়া হবে।
    উল্লেখ্য, পড়াশোনা শেষ হয়ে যাওয়ার পরও হস্টেল দখল করে পড়ুয়াদের থাকার ঘটনা শুধু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) নয়, রাজ্যের আরও একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ধরনের অভিযোগ উঠে আসে। তবে গত বছর যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসাবে ভাস্কর গুপ্ত পদে আসার পরই এই কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত পাশ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share