Tag: Education news

Education news

  • Pariksha Pe Charcha: স্ট্রেস সামলাতে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ টিপস মোদির

    Pariksha Pe Charcha: স্ট্রেস সামলাতে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ টিপস মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার আগে (Pariksha Pe Charcha) ছাত্রছাত্রীদের চ্যালেঞ্জ নিতে বললেও চাপ না-নেওয়ার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মোদির অষ্টম বার্ষিক ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ সম্প্রচারিত হয় সোমবার ৷ আজ,১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষা ৷ ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে সিবিএসসি দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা ৷ আর আইসিএসই বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারি ৷ তার আগে শারীরিক পুষ্টি, চাপ আয়ত্ত করা এবং নেতৃত্বের মতো বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    পরীক্ষা পে চর্চা

    জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা (Pariksha Pe Charcha) দিতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের ভীতি কাটাতে, উৎসাহ দিতে প্রতিবছরই পরীক্ষা পে চর্চা করেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির পরীক্ষা পে চর্চার PPC 2025) এবার অষ্টম সংস্করণ। পরীক্ষা পে চর্চায় প্রতি বছরের মতোই প্রধানমন্ত্রী উত্তর দিলেন ছাত্রছাত্রীদের নানা প্রশ্নের। এই বছর ব্যাপক সাড়া ফেলেছে পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মোদির সেশন। “পরীক্ষা পে চর্চা”য় রেজিস্টার করিয়েছেন, ৩.৩০ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী। থাকছেন ২০.৭১ লক্ষ শিক্ষক । সাড়ে ৫ লক্ষ অভিভাবকও অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন।

    ব্যাটারের মতো ফোকাস

    পরীক্ষার আগে ফোকাস বাড়াতে ক্রিকেট ম্যাচের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেখান ব্যাটারের টোটকা। পরীক্ষার সময়ে হই-হট্টগোলের মাঝে নিজের ফোকাস যাতে না নড়ে তার জন্য মোদি তুলে ধরেন ক্রিকেট মাঠে ব্যাটারের উদাহরণ। তিনি বলেন, সারা স্টেডিয়ামের চিৎকার সব কিছুর মাঝেও ব্যাটারের ফোকাস থাকে শুধু বলের উপর। সে আর কিছু শুনতে পায় না। পরীক্ষাতেও পরীক্ষার্থীদের এরকমই মনযোগ দিতে হবে। মোদির কথায়, চিন্তা-উদ্বেগ ভুলে শুধু পরীক্ষাতেই নয়, জীবনেও হতে হবে ওয়ারিয়র অর্থাৎ যোদ্ধা।

    প্রকৃতির মাঝে থাকা ও শরীর চর্চা

    পরীক্ষার চাপ সামলে সুস্থ থাকতে পড়ুয়াদের প্রকৃতির মাঝে থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতি আমাদের চাপ কমাতে সাহায্য করে। সূর্যোদয়ের পরেই গাছের নীচে দাঁড়িয়ে লম্বা নিঃশ্বাস নিলে অনেকটাই কমে মানসিক চাপ।’ এছাড়া পড়ার ফাঁকে নিয়মিত শরীর চর্চারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সময়ের সঠিক ব্যবহার

    প্রধানমন্ত্রী মোদি সবসময় সময়ের সঠিক ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেন। সময়কে কাজে লাগানোর কৌশলটা ঠিক করার উপর জোর দিতে বললেন পড়ুয়াদের। পরীক্ষার হলে কীভাবে সময়টাকে ভাগ করে নেবে, কীভাবে নির্দিষ্ট সময়ে নিজেকে উজাড় করে দেবে, তার মহড়া নিতে হবে আগে থেকেই। রণকৌশল ঠিক করে নিতে হবে আগে থেকেই।

    পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপে উৎসাহ

    পরীক্ষার (Pariksha Pe Charcha) প্রয়োজনীয়তা তো আছেই। তবে প্রধানমন্ত্রী পাশাপাশি জোর দিলেন, সিলেবাসভিত্তিক পরীক্ষা আর জীবনের সত্যিকারের শিক্ষাটা আলাদা। সেটা গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।শিক্ষার্থীদের কেবল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলে হবে না, জ্ঞান অর্জনের উপর মনোনিবেশ করা দরকার, মনে করেন মোদি। পরীক্ষার সিলেবাসের বাইরে পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপেও উৎসাহ জোগান প্রধানমন্ত্রী। অভিভাবকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির টিপস, পড়াশোনা তো আছেই, কিন্তু শিশুদের বিশেষ আগ্রহের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিজেদের পছন্দ খুঁজে বের করার স্বাধীনতা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ, শিক্ষার্থীদের কেবল বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয় এবং তাদের শখের দিকটিও নজর দিতে হবে। কারণ তা শিশুর সামগ্রিক বিকাশে সাহায্য করে।

    রিল নয় প্রযুক্তির সাহায্য

    পড়ুয়াদের রিল দেখার বিষয়েও সাবধান করেন নরেন্দ্র মোদি। বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল না দেখে পড়ুয়ারা যদি সে সময়ে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে নতুন কিছু জানার চেষ্টা করেন তা হলে উপকার হবে। এ ছাড়া নিজেদের লক্ষ্য স্থির রাখতে রোজ একটা কাগজে পড়ুয়াদের উচিত নিজের পরিকল্পনা লিখে রাখা এবং দিন শেষে কতটুকু বাস্তবায়ন হল তা টিক চিহ্ন দিয়ে মার্কিং করা।

    বাবা-মা-শিক্ষককে টিপস

    পড়ুয়াদের সঙ্গে সঙ্গে এদিন বাবা-মা ও শিক্ষকদের উদ্দেশেও বিশেষ টিপস প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)। পরীক্ষা বলে পড়ুয়াদের বাড়তি চাপ না দেওয়ার পরামর্শ। শুধু পড়ার বইয়ে মুখ গুঁজে থাকলে হবে না। নিজেদের ভালো লাগার কাজও পড়ুয়াদের করতে দেওয়া উচিত। তাতে শারীরিক-মানসিক বিকাশ কোনওটাই আটকাবে না। মোদি ছাত্রছাত্রীদের বলেন ‘জ্ঞান’ এবং পরীক্ষা দু’টি ভিন্ন জিনিস। পরীক্ষাকে জীবনের সর্বস্ব হিসেবে দেখা উচিত নয়। দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্রছাত্রীদের কোনও কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।

    পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম আহার

    ভালো করে পরীক্ষা দিতে সুষম খাদ্য খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমও দরকার বলে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর। খাবার খাওয়ার সময়ে যেমন চিবিয়ে ভালো করে খেতে হবে তেমনি আট ঘণ্টা ঘুমিয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম না দিলে শরীর-মন তরতাজা হবে না। ফলে পরীক্ষার সময়ে পড়ুয়াদের মনসংযোগে সমস্যা হতে পারে।

  • NEET Row: নিট-ইউজি মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন, স্কোর কমতে পারে অনেকের

    NEET Row: নিট-ইউজি মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন, স্কোর কমতে পারে অনেকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজি (NEET-UG) মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন করছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি, সংক্ষেপে এনটিএ (NEET Row)। এই পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের পর যদি গ্রেস মার্কস সরিয়ে নেওয়া হয় ৬৭ জন টপ স্কোরারের মধ্যে ৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। গ্রেস মার্কস সরিয়ে নেওয়া হলে স্কোর কমে যাবে ৬০ থেকে ৭০ পয়েন্ট। এর প্রাথমিক প্রভাব পড়বে হরিয়ানার ঝাজ্জিরের একটি সেন্টারের পরীক্ষার্থীদের ওপর।

    উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত

    উত্তরপত্র (NEET Row) পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির আগেই। এই শুনানি হওয়ার কথা ৮ জুলাই। এনটিএ আগেই সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিল, যে ১ হাজার ৫৬৩ পরীক্ষার্থীকে গ্রেস মার্কস দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের তা দেওয়া যাবে না। ২৩ জুন তাঁদের ফের পরীক্ষা দিতে হবে। অনিয়মের জন্য সমালোচনার মুখেও পড়ে এনটিএ। ছটি সেন্টারে ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়ায় যেহেতু সময় নষ্ট হয়েছে, তাই এজেন্সির তরফে ক্ষতিপূরণ বাবদ গ্রেস মার্কস দেওয়া হয়েছিল। সুপ্রিম নির্দেশেই তাঁদের ফের পরীক্ষায় বসতে হবে।

    ব্যবস্থা নিচ্ছে এনটিএ!

    এদিকে, যে ছটি সেন্টারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে এনটিএ (NTA)। এই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলির বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগও উঠেছে। এনটিএ জানিয়েছে, অধিকাংশ পড়ুয়া ৫০০-র নীচে স্কোর করেছে। মেডিক্যাল পড়ার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারেননি তাঁরা। যদিও তাদের দাবি, এই পরীক্ষার্থীরা বিহার এবং গুজরাটের গোধরায় যে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে, তা থেকে এঁরা কোনওভাবেই উপকৃত হননি। উল্লেখ্য, বিহার এবং গুজরাটে দোষীদের খুঁজে বের করতে চলছে ধরপাকড়। সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে পড়তে গেলে ৬৫০ কিংবা তার বেশি স্কোর করতে হয়। দেশের শীর্ষে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ভর্তি নেয় ৬৯০ এর ওপর স্কোর পাওয়া ছেলেমেয়েদের।

    আর পড়ুন: স্বচ্ছতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিল করল শিক্ষামন্ত্রক

    বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, আপাতত নিটের (NEET-UG) কাউন্সেলিং বন্ধ রাখা হোক। কাউন্সেলিং ফের শুরু হবে ৬ জুলাই। অবিলম্বে সিবিআইয়ের দাবিও প্রত্যাখান করেছে শীর্ষ আদালত। পরীক্ষার্থীরা যে পিটিশন ফাইল করেছেন, আদালতের তরফে তার উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র এবং এনটিএকে (NEET Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • UGC NET: স্বচ্ছতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিল করল শিক্ষামন্ত্রক

    UGC NET: স্বচ্ছতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিল করল শিক্ষামন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল হয়ে গেল ইউজিসি নেট পরীক্ষা (UGC NET)। বুধবার রাতে শিক্ষামন্ত্রকের তরফে এই মর্মে জারি করা হয়েছে বিবৃতি। তাতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ২০২৪ সালের ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    পরীক্ষা পদ্ধতিতে অনিয়ম

    এই পরীক্ষা পদ্ধতিতে অনিয়ম হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশের সাইবার বিভাগ। তাই আবারও নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই হয়েছিল ইউজিসি নেট পরীক্ষা (UGC NET)। পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১০ লাখ পরীক্ষার্থী। শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, অনিয়মের তদন্ত করবে সিবিআই। এই পরীক্ষাটি ফের নেওয়া হবে। তবে কবে সেই পরীক্ষা হবে, সে সংক্রান্ত তথ্য আলাদা করে জানাবে শিক্ষা মন্ত্রক। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি ১৮ জুন হওয়া পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত করবে সিবিআই।

    শিক্ষামন্ত্রকের বিবৃতি

    শিক্ষামন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৮ জুন ওএমআর মোডে ইউজিসি নেট পরীক্ষা নেয় এনটিএ। দেশজুড়ে দুটি ধাপে এই পরীক্ষা হয়। কিন্তু ১৯ জুন, বুধবার ইউজিসি জানতে পারে স্বচ্ছতার সঙ্গে আপোশ করা হয়েছে ওই ইউজিসি নেট পরীক্ষায়। ভারতের সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের অধীনে ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম থ্রেট অ্যানালিটিক্স ইউনিট, ইউজিসিকে এই পরীক্ষা সংক্রান্ত কিছু খবর দেয়। তাতে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত মেলে, এ বছরের ইউজিসি নেট পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে।

    সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে, সেজন্য আলাদা করে নির্দেশিকা জারি করা হবে। অনিয়মের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্য তদন্তভার তুলে দেওয়া হবে সিবিআইয়ের হাতে। পরীক্ষার পবিত্রতা এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে সরকার দায়বদ্ধ।

    আর পড়ুন: রেলে প্রচুর নিয়োগ, অতিরিক্ত ১৩ হাজার অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট পদের বিজ্ঞপ্তি

    জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করিয়েছিলেন ১১ লাখ ২১ হাজার ২২৫ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষায় বসেছিলেন ৯ লাখ ৮ হাজার ৫৮০ জন। শতাংশের বিচারে ৮১। দেশের ৩১৭টি শহরের ১২০৫টি কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা (UGC NET)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Online classes: এবার থেকে গরম ও পুজোর ছুটিতেও করাতে হবে অনলাইন ক্লাস! নির্দেশিকা জারি শিক্ষা সংসদের

    Online classes: এবার থেকে গরম ও পুজোর ছুটিতেও করাতে হবে অনলাইন ক্লাস! নির্দেশিকা জারি শিক্ষা সংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের ছুটি হোক কিংবা পুজোর ছুটি। ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষক শিক্ষিকা-সকলের অপেক্ষায় থাকে বছরের এই দুটি সময়ের জন্য। যে সময় পড়াশোনা থেকে ছুটি পেয়ে সকলেই নিজের মত করে সময় কাটায়, অথবা ঘুরতেও যায়। কারন বছরের এই সময়টাতেই প্রায় একটানা অনেকগুলো দিন ছুটি পাওয়া যায়। তবে এবার থেকে আর নিস্তার নেই গরম ও পুজোর ছুটিতে। গরমের ছুটি হোক বা পুজোর ছুটি, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের এ বার করাতে হবে ক্লাস। তবে স্কুলে গিয়ে নয়, ক্লাস হবে অনলাইনে (Online classes)। সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (WBCHSE) তরফ থেকে দেওয়া বার্ষিক কর্মসূচি তালিকায় এমনই উল্লেখ করা হয়েছে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Online classes)

    দেখা যায় দুর্গাপুজো কেটে যাওয়ার পর লক্ষ্মী পুজো থেকে কালীপুজো পর্যন্ত একটা লম্বা ছুটি থাকে। বিশেষত এই সময় যাতে অনলাইনে ক্লাসগুলি (Online classes) করানো যায় তার জন্য স্কুল গুলির কাছে আবেদনে জানিয়েছে শিক্ষা সংসদ। কারণ এই সময় প্রায় ১২ থেকে ১৩ দিনের একটানা ছুটি থাকে। মূলত দীর্ঘ গরমের ছুটি বা পুজোর টানা ছুটি যাতে সিলেবাস শেষের পথে বাধা না হয়ে ওঠে তাই জন্যই শিক্ষা সংসদের তরফে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  

    চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের বক্তব্য 

    এ প্রসঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (WBCHSE) সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমে মাধ্যমিকের তুলনায় বিষয় সংখ্যা অনেক বেশি। সেমেস্টার পদ্ধতিতে প্রথম পরীক্ষা হবে সেপ্টেম্বর মাসে। সময়ের মধ্যে পাঠ্যক্রম শেষ না হলে ছাত্রছাত্রীরা কী ভাবে শিখবে? পরীক্ষাই বা দেবে কী করে? তাই ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে সুবিধা মতো অনলাইন ক্লাস (Online classes) নেওয়ার কথা বলা হয়েছে স্কুলগুলিকে।”
    শিক্ষা সংসদের তরফ থেকে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের সমস্ত উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির বার্ষিক কর্মসূচির সবিস্তার তালিকা পাঠানো হয়েছে। আর তাতে সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে ‘টিচিং লার্নিং-এর’ উপর। সেই সূত্রেই ছুটি চলাকালীন অনলাইন ক্লাসের (Online classes) কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। স্কুলগুলি চাইলে এই ক্লাস করাতে পারে।

    আরও পড়ুন: ৫২৫০ নাকি ৮৮৬১! এসএসসি দুর্নীতিতে অযোগ্য প্রার্থী কতজন? সুপ্রিম কোর্টে সংখ্যা বদল কমিশনের

    সেমিস্টার পদ্ধতিতে পড়াশোনা 

    উল্লেখ্য এ বছর থেকে চালু হয়েছে সেমিস্টার পদ্ধতি। প্রথম সেমিস্টারের জন্য ১০০ ঘন্টা আর দ্বিতীয় সেমিস্টারের জন্য ৮০ ঘন্টা দেওয়া হয়েছে স্কুলগুলিকে। অর্থাৎ প্রত্যেক বিষয় ভিত্তিক ১৮০ ঘণ্টা করে ‘কন্টাক্ট আওয়ার’ ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও ২০ ঘন্টা দেয়া হয়েছে হোম অ্যাসাইনমেন্ট, টিউটোরিয়াল এবং রেমেডিয়াল ক্লাসের জন্য। যদিও স্কুলগুলোর জন্য এই নিয়ম (Online classes) বাধ্যতামূলক নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CISCE Board: ২০২৪ আইসিএসই, আইএসসি-র সময়সূচি ঘোষিত, কবে শুরু পরীক্ষা?

    CISCE Board: ২০২৪ আইসিএসই, আইএসসি-র সময়সূচি ঘোষিত, কবে শুরু পরীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিএসই এবং আইএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করল সিআইএসসিই বোর্ড (CISCE Board)। আইসিএসই  হল মাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষা এবং আইএসসি হল উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষা। প্রসঙ্গত বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভার ভোট। সে কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে এনেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চ মাস থেকেই শুরু হওয়ার কথা লোকসভা ভোট। সেই মতো দুটি (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক) পরীক্ষার রুটিন (CISCE Board) ঘোষণা করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে পরীক্ষা?

    তবে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলির পড়ুয়া ও অভিভাবকরা অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন। কবে সিআইএসসিই বোর্ড (CISCE Board) পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করবে! অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হল। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যরাত্রে বিজ্ঞপ্তি জারি করল সিআইএসসিই বোর্ড। আইসিএসই ও আইএসসি বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগ কাটল। জানা গিয়েছে, আইএসসি শ্রেণির পরীক্ষা অর্থাৎ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক শুরু হচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার। শেষ হবে ৩ এপ্রিল, বুধবার। অন্যদিকে আইসিএসই অর্থাৎ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হবে ২১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার এবং তা ২৮ মার্চ, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে।

    ফল বের হওয়ার ৪ দিনের মাথায় রিভিউ অথবা স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করা যাবে

    মে মাস নাগাদ দুটি পরীক্ষারই (CISCE Board) ফল বের হবে বলে জানা গিয়েছে। ফল বের হওয়ার চার দিনের মধ্যেই রিভিউ অথবা স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। ফল বের হওয়ার ৬০ দিন পর্যন্ত পড়ুয়াদের উত্তরপত্রগুলিকে সংরক্ষণ করে রাখবে বোর্ড। আরও জানা গিয়েছে, আইসিএসই পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১১টা থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশ্নপত্র বিলি করা হবে ঠিক ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ। অন্যদিকে আইএসসির পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ৯ টায় এবং বেলা ২টোয় দুটি ধাপে। অন্যদিকে আইসিএসই এবং আইএসসির পরীক্ষার্থীদের প্রাকটিক্যাল শেষ করানোর জন্য স্কুলগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩১ জানুয়ারি।  www.cisce.org -তে গিয়ে পরীক্ষার সময়সূচি ডাউনলোড করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Online College Admission: মধ্যরাত থেকেই খুলে গিয়েছে পোর্টাল, স্নাতকস্তরে ভর্তির অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু

    Online College Admission: মধ্যরাত থেকেই খুলে গিয়েছে পোর্টাল, স্নাতকস্তরে ভর্তির অনলাইন প্রক্রিয়া শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই চালু হয়েছে কলেজে কলেজে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া (Online College Admission)। পোর্টালের (College Admission Portal) মাধ্যমে রাজ্যের ৫০৯টি কলেজে স্নাতকস্তরে ভর্তির প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। এ বছর থেকেই এই পোর্টোলের মাধ্যমেই কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হল। তবে, এবার কেন্দ্রীয় পোর্টাল নয়, কলেজের নিজস্ব পোর্টালের মাধ্যমে এই ভর্তি প্রক্রিয়া চলছে। 

    অনলাইন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দিনক্ষণ

    মে মাসে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হয়। এর পর গত ২ জুন উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ২০২৩-২৪ সালে এবার অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া (Online College Admission) শুরু হবে। সেই মতো, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। জমা পড়া আবেদন পত্রের ভিত্তিতে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে ২০ জুলাই। উচ্চশিক্ষা দফতরে ইচ্ছা, সমস্ত প্রক্রিয়া ৩১ জুলাইেয়র মধ্যে শেষ করতে হবে, যাতে ১ অগাস্ট থেকেই কলেজগুলিতে প্রথম সেমেস্টার শুরু করে দেওয়া যায়।

    এই বছর থেকে স্নাতক স্তরের পাঠক্রম চার বছরের। উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যে ছাত্র যে কলেজে ভর্তি হতে চাইবেন তিনি সেই কলেজে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের পোর্টালে (College Admission Portal)  গিয়ে তিনি আবেদন করতে পারবেন। সেখানেই তাঁরা তাঁদের যাবতীয় নথি আপলোড করতে পারবেন। 

    ফর্ম ফিলআপের সময় মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

    অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া (Online College Admission) নিয়ে উচ্চশিক্ষা দফতর বেশ কিছু নির্দেশও দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে—

       ⁕ কেবলমাত্র মেধার ভিত্তিতেই পড়ুয়াদের ভর্তি নিতে হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াকে তাঁদের শংসাপত্র যাচাইয়ের জন্য ডাকা যাবে না। 

       ⁕ অনলাইনে পড়ুয়াদের শংসাপত্র আপলোড কিংবা যাচাইয়ের জন্য তাঁদের কাছ থেকে থেকে কোনও অর্থ আদায় করতে পারবে না সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। 

       ⁕ যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা কলেজে ভর্তির জন্য সুযোগ্য বলে বিবেচিত হবে, কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের ফোন অথবা ইমেল মারফত সে কথা জানাতে হবে।

       ⁕ কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কোনও ভাবেই পড়ুয়াদের থেকে নগদে ভর্তির ফি নিতে পারবে না। অনলাইনে অথবা নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবেন মেধাতালিকায় নাম থাকা পড়ুয়ারা।

       ⁕ শংসাপত্রে গরমিল পাওয়া গেলে পড়ুয়াদের আবেদনপত্র বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে উচ্চশিক্ষা দফতর (Online College Admission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBSE 10th Result: কবে জানা যাবে সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফলাফল? জেনে নিন

    CBSE 10th Result: কবে জানা যাবে সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফলাফল? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মে মাসের ২৪ তারিখে শেষ হয়েছে দশম শ্রেণির পরীক্ষা। সময়ে মধ্যেই ফল (CBSE 10th Result) ঘোষণা করতে কোমর বেঁধেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)। এর মধ্যেই খাতা দেখার প্রক্রিয়া চালু করে দিয়েছে সিবিএসই। শিক্ষকদের খাতা দেখা শেষ করে জমা দেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ২০ জুনের মধ্যে খাতা দেখা শেষ করতে হবে। মনে করা হচ্ছে জুনের শেষেই মার্কশিট হাতে পেয়ে যাবে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা। ফলাফল দেখতে পাওয়া যাবে  cbseresults.nic.in– এই লিঙ্কে।    

    দ্বাদশের পরীক্ষাও শেষ হয়েছে ১৫ জুন। জুলাইয়ের ১০ তারিখের মধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ফল ঘোষণার পরিকল্পনা নিয়েছে বোর্ড। 

    কোভিড অতিমারী ফের হানা দিতে পারে এই ভয়ে, শিক্ষাবর্ষকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি টার্মে ৫০ শতাংশ করে সিলেবাস সম্পূর্ণ করা হয়েছিল। তাই দুটি টার্মের আলাদা আলাদা ফল প্রকাশ করবে সিবিএসই। প্রথম টার্মের ফল ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। এবার দুই টার্ম মিলিয়ে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবে বোর্ড।    

    আরও পড়ুন: আইআইটিদের ছাপিয়ে বিশ্ব তালিকায় নজর কাড়ল আইআইএসসি ব্যাঙ্গালুরু

    চূড়ান্ত ফলে প্রথম টার্ম, দ্বিতীয় টার্ম এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন অন্তর্ভূক্ত হবে। পরীক্ষার্থীকে সবমিলিয়ে পাশ করতে হবে। সিবিএসই টার্ম ওয়ানে কেউ ফেল করেনি। তাই দ্বিতীয় টার্মের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়েছিল। কোন ভাগে কতটা গুরুত্ব দেওয়া হবে, সেটা এখনও জানা যায়নি। পড়ুয়াদের কোনও বিষয়ে পাশ করতে গেলে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে। যে সব বিষয়ে প্র্যাকটিক্যাল রয়েছে, সেখানে আলাদাভাবে থিওরি এবং প্র্যাকটিক্যালে পাশ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: বদলে যাচ্ছে পঠন-পাঠনের ধারণা? মডেল স্কুল তৈরির ভাবনা কেন্দ্রের

    কোভিড অতিমারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় গত বছর দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির অফলাইন পরীক্ষা বাতিল করেছিল সিবিএসই। প্রায় সমস্ত ছাত্রছাত্রীকেই পরের ক্লাসে তুলে দেওয়া হয়। দ্বাদশ শ্রেণিতে পাশ করেছিল ৯৯.৩৭ শতাংশ পড়ুয়া। দশমের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ছিল ৯৯.০৪ শতাংশ। ২০২০ সালে সিবিএসই দশমের পরীক্ষায় পাশ করেছিল ৯১.৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৯.৩৭ শতাংশ। 

     

  • Madhyamik Results 2022: জুনের প্রথম সপ্তাহেই মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! উচ্চমাধ্যমিক, জয়েন্টের রেজাল্ট কবে? জানুন

    Madhyamik Results 2022: জুনের প্রথম সপ্তাহেই মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! উচ্চমাধ্যমিক, জয়েন্টের রেজাল্ট কবে? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই প্রকাশিত হতে পারে মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik Results 2022) ফল। সব ঠিক থাকলে ৩ জুন মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হতে পারে। চলতি বছরের ১৬ মার্চ মাধ্যমিক (Madhyamik) পরীক্ষা শেষ হয়েছে। প্রতি বছরের মত এবারও তিনমাসের মাথায় ফল প্রকাশিত হতে চলেছে। মাধ্যমিকের পরই জুনের মাঝামাঝি সময়ে উচ্চমাধ্যমিকের (HS Results 2022) ফলপ্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। তারপরই বেরোবে জয়েন্টের রেজাল্টও।
      
    সূত্রের খবর, আগামী ৩১ মে, ১ ও ২ জুন ফলপ্রকাশের বিষয়টি নিয়ে সংসদ বৈঠকে বসবে। সেখানেই স্থির হবে চূড়ান্ত দিনক্ষণ। উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার কথা জুনের ১৫ তারিখের মধ্যে। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে সংসদ। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যও বলেছিলেন আগামী জুন মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা করা হবে। তবে এখনও জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা হবে, বলে সূ্ত্রের খবর।  এরপর শিক্ষাদফতরের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই ফলঘোষণার দিনক্ষণ জানাবে সংসদ।

    কোভিডের (COVID-19) কারণে বহুদিন ক্লাস না হওয়ায় চলতি বছরে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে সিলেবাস কমানো হয়েছিল। ২০২০ সাল থেকে শুরু হয় কোভিডের দাপট। টানা বন্ধ ছিল স্কুল। পরের বছর মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক দু’টি পরীক্ষাই হয়নি। কিছুদিন ক্লাস হলেও শেষ হয়নি সিলেবাস। সেই কারণে চলতি বছরে দু’টি পরীক্ষাতেই সিলেবাসের বোঝা কমানো হয়। পর্ষদ এবং সংসদ প্রায় ৩০ শতাংশ করে কম সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়েছে এবার। ২০২৩-এ রাজ্যের দুই মেগা পরীক্ষা পূর্ণ সিলেবাসেই হওয়ার কথা। তারই প্রস্তুতি নিচ্ছে পর্ষদ এবং সংসদ। কিন্তু চলতি বছরে জানুয়ারির জায়গায় ক্লাস শুরু হয়েছে ফেব্রুয়ারি থেকে। গরমের ছুটি ২২ দিনের জায়গায় বেড়ে হয়েছে ৪৫ দিন। এর মধ্যে হোম সেন্টারে উচ্চমাধ্যমিক হওয়ায় ক্লাস হয়নি কিছুদিন। এর ফলে দশম এবং দ্বাদশের ক্লাস প্রায় তিনমাস অতিরিক্ত বন্ধ থেকেছে। সিলেবাস আদৌ শেষ করা যাবে কি না তা নিয়ে সন্দিহান শিক্ষকরা।

LinkedIn
Share