Tag: education scam

education scam

  • Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    Tet Scam: কলকাতা হাইকোর্টের দুই সিদ্ধান্তে চাপ বাড়ল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Tet Scam) মামলায় এবার নতুন মোড়। ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট নিয়ে জটিলতার মাঝে ২০১৭ সালের প্রাথমিক টেটের উত্তরপত্র বা ওএমআর শিটের সমস্ত ডিজিটাইজড কপি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (High Court) নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৪ আগস্ট। সেদিন পর্ষদকে ওএমআর শিটের কপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  

    ওএমআর শিট নষ্টের রহস্য (Tet Scam)

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের টেটে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। টিনা মুখোপাধ্যায় নামে এক মামলাকারীর অভিযোগ, ২০১৭ সালের টেটে অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি পর্ষদের কাছে ওএমআর শিটের কপি চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু তাঁকে আসল ওএমআর শিটের বদলে একটি ফটোকপি দেওয়া হয়। অন্যদিকে (Tet Scam) মামলার আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত এবং বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওএমআর শিটের যে কপি দেওয়া হয়েছিল। সেটি আদৌ তাঁর ছিল না বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত এই মামলায় আগে পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছিল, পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওএমআর শিটের সমস্ত আসল কপি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল রেজুলেশনের ভিত্তিতে।

    প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে (High Court)

    অন্যদিকে ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি দিয়েছে, কলকাতা হাইকোর্ট বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, “চলতি শিক্ষাবর্ষে ওই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে। ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে প্রাথমিকের দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছিল। ২০১৬ সালের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনেকেই ডিএলএড কোর্স না করেই চাকরি পেয়েছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, পাঁচ বছরের মধ্যে তাঁদের প্রশিক্ষণ করিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এতদিনেও সেই প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য পর্ষদ আগ্রহ দেখায়নি।

    আরও পড়ুন: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    পরে (Tet Scam) এ নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে (High Court)। রাজ্যে কয়েক হাজার এমন প্রশিক্ষণ চাকরি প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক চাকরি করছেন। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানান, প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অনুমতি ও ব্যবস্থা ব্যবস্থা করতে হবে পর্ষদকে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI in NEET: যে আবাসনে বাংলাদেশের সাংসদ খুন, সেখানেই নিট কাণ্ডে সিবিআই

    CBI in NEET: যে আবাসনে বাংলাদেশের সাংসদ খুন, সেখানেই নিট কাণ্ডে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেই আবাসনে বাংলাদেশের সাংসদ খুন হয়েছিলেন সেই আবাসনেই এবার সিবিআইয়ের হানা। তবে সাংসদ খুন কাণ্ডে নয়, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে অভিযুক্ত অমিত কুমারের নিউটাউনের ফ্ল্যাটে এদিন হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অমিতের নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনে ফ্ল্যাট রয়েছে। বুধবার দুপুরে তল্লাশি চালায় সিবিআই।

    নিট কাণ্ডের কলকাতা যোগ

    সিবিআই সূত্রের খবর, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে ঝাড়খণ্ড থেকে ধৃত পাঁচজনকে জেরা করে অমিত কুমারের নাম জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রেই এদিনের তল্লাশি অভিযান। আবাসনের ১২ নম্বর ব্লকের দোতলায় অমিতের রুম ছিল তালাবন্দি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, অমিতের ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে নিটের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের একাধিক তথ্য মিলতে পারে। যদিও ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ ছিল। সেই তালা ভাঙতে সিবিআই আধিকারিকেরা এক জন চাবিওয়ালাকেও নিয়ে যান। নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিহার, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট থেকে বেশ কয়েক জন গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত এই কাণ্ডে ৩৩ জন গ্রেফতার হয়েছেন। ২২ জুন সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়। তদন্তভার হাতে পাওয়ার পর বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্র থেকে মোট সাত জনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। ধৃতদের জেরা করে এই প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দুই চক্রীর নাম উঠে এসেছে। তাঁদের মধ্যে সিকন্দর যাদব আগেই গ্রেফতার হয়েছেন। অন্য চক্রী সঞ্জীব মুখিয়ার এখনও হদিস পায়নি সিবিআই।

    আরও পড়ুন: গোয়েন্দার চাকরি ছেড়ে ধর্মগুরু! হাথরসের সেই ‘ভোলেবাবা’ পলাতক

    সূত্রের খবর, এই সঞ্জীবই প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের মূল চক্রী। তদন্তে জানা গিয়েছে, সঞ্জীব বেশ কয়েকটি রাজ্যে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে তাঁর নিয়মিত যাতায়াত ছিল।

    হাজারিবাগ থেকে প্রশ্ন ফাঁস

    নিটের প্রশ্ন প্রথমবার ফাঁস হয়েছিল হাজারিবাগের একটি প্রস্তুতি সেন্টার থেকে। সেখান থেকেই অন্যান্যদের হাত ধরে তা বাকি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।  একেকটি প্রশ্ন পত্র বিক্রি হয়েছিল ৩৫-৪০ লক্ষ টাকায়। সিবিআই মনে করছে এই ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে নথি পেতে পারে। সেই কারণেই এই তল্লাশি অভিযান। প্রসঙ্গত এই সঞ্জীবা গার্ডেনের একটি ফ্ল্যাটেই খুন হয়েছিলেন বাংলাদেশের ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম। সেই আবসনেই বুধবার নিট কাণ্ডে সিবিআই হানা দিল।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share