Tag: education system

education system

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) এবং অনলাইনে প্রোগ্রামের মাধ্যমে কোনও বিষয়ে পঠনপাঠন শুরু করার জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনই জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (UGC)।

    ইউজিসির বক্তব্য (UGC)

    এর আগে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন বা এআইসিটিই (AICTE )-এর অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সবিস্তার একটি চিঠি পাঠানো হয় ইউজিসিকে (UGC)। এবার ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইউজিসি-র জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এবার থেকে এআইসিটিই-এর অনুমোদন ছাড়াই কোনও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ্ধতিতে পড়াতে পারবে।” এছাড়াও ইউজিসি-র (University Grants Commission) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি হোক বা বেসরকারি, যেকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এবার থেকে এআইসিটিই (All India Council of Technical Education)-এর অনুমোদন ছাড়াই টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয়ে দূরশিক্ষা এবং অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে পারবে পড়ুয়াদের।” জানা গেছে এই সুবিধার আওতায় রয়েছে ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ও ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমের মত বিষয়গুলি। অর্থাৎ উল্লিখিত বিষয়গুলি নিয়ে অনলাইন (online mode) প্রোগ্রাম কিংবা দূরশিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনা করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুনঃশাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিশ জারি করল ইডি

    ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠনে সতর্কতা

    তবে ইউজিসির (UGC) তরফে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ‘ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটিজ’-এর ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন ছাড়া উল্লিখিত বিষয়ে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা যাবে না। উল্লেখ্য, দূরশিক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠন নিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল ইউজিসি। এবার কোন কোন বিষয় দূরশিক্ষা কিংবা অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে পড়ানো যাবে এবং তার জন্য আলাদা করে কোনও অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কী না, সেই বিষয়ে ইউজিসি-র ওয়েবসাইটে সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share