Tag: education system

education system

  • Dattatreya Hosabale: “প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে”, বললেন হোসাবলে

    Dattatreya Hosabale: “প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে”, বললেন হোসাবলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যখন শিক্ষাব্যবস্থা পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে একটি সভ্যতার বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি সঠিকভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তখনই জন্ম হয় কুসংস্কারের (Superstitions)।” কথাগুলি বললেন আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। সান ফ্রান্সিসকোয় গ্লোবাল সায়েন্স ইনোভেশন ফোরাম আয়োজিত এক ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে অংশ নিয়ে হোসাবলে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানকে পুনরুজ্জীবিত করে শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে তা প্রচারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিকতা আলাদা নয় (Dattatreya Hosabale)

    তিনি বলেন, “আমাদের ঐতিহ্যে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং আধ্যাত্মিকতা আলাদা নয়, বরং তারা গভীরভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।” হোসাবলে এও বলেন, “বিশ্বে এমন একটি সময় ছিল যখন ধর্ম এবং বিজ্ঞানকে পরস্পরবিরোধী হিসেবে দেখা হত। কিন্তু ভারতীয় সভ্যতার ঐতিহ্যে একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রায়ই বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আধ্যাত্মিক চর্চা—দুটিতেই যুক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, “এই বৌদ্ধিক ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের সভ্যতার জ্ঞানের অংশ। তাই শাসনব্যবস্থায়ও এই ভিত্তির প্রতিফলন থাকা উচিত।”

    শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়লে বিপদ!

    হোসাবলে মনে করিয়ে দেন, প্রাচীন ব্যবস্থা ছিল নৈতিক এবং বৈজ্ঞানিক উভয়ই, যা নিরাপত্তা, জীবিকা এবং দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব দিকগুলির সমাধান করত। তিনি বলেন, “যদি আমরা মানবজাতি ও নাগরিকদের জন্য সুযোগ এবং ক্ষমতায়ন বাড়াতে চাই, তাহলে এই উপাদানগুলিকে শিক্ষার মাধ্যমে পরিচালিত করতে হবে। প্রযুক্তি এগিয়ে চললেও যদি শিক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে, তবে সমাজে বৈষম্য বাড়ার ঝুঁকি থাকে। সমাজের কিছু অংশ শিক্ষা বা বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে পিছিয়ে পড়লে বৈষম্য আরও গভীর হয়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিক্ষা এবং জীবনমান—সবই পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।” আরএসএসের এই কর্তা বলেন, “এই কারণেই সরকারগুলিকে এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। একদিকে আমাদের সমাজের বৈষম্য, পক্ষপাত এবং কুসংস্কার দূর করতে হবে। অন্যদিকে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিও অব্যাহত রাখতে হবে। যদি শিক্ষা এই বিষয়গুলি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়, তবে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলিকে কুসংস্কার হিসেবে ভুল বোঝা হতে পারে (Dattatreya Hosabale)।”

    কী বললেন হোসাবলে?

    হোসাবলে বলেন, “শিক্ষাব্যবস্থার একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ (Superstitions) হল মানুষকে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং কুসংস্কারের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করতে সক্ষম করা। আমাদের সমাজ দীর্ঘদিন ধরে এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তবে একই সঙ্গে এমন প্রচেষ্টাও চলেছে যা দেখায় যে অতীতের বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিক্ষায় এবং পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখন সেই জ্ঞানব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, যেখানে ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা থাকবে অগ্রভাগে।”

    স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি ক্লাবে অনুষ্ঠিত জিএসআইএফ থ্রাইভ-২০২৬ সম্মেলন একটি বৈশ্বিক মঞ্চ, যেখানে একটি উন্নত বিশ্বের লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন এবং প্রাচীন জ্ঞানের মিলন ঘটে। সম্মেলনটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিনোদ খোসলার অংশগ্রহণে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। এতে (Superstitions) প্রাক্তন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ আর ম্যাকমাস্টার-সহ একাধিক চিন্তাবিদ  অংশ নেন (Dattatreya Hosabale)।

     

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) এবং অনলাইনে প্রোগ্রামের মাধ্যমে কোনও বিষয়ে পঠনপাঠন শুরু করার জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনই জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (UGC)।

    ইউজিসির বক্তব্য (UGC)

    এর আগে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন বা এআইসিটিই (AICTE )-এর অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সবিস্তার একটি চিঠি পাঠানো হয় ইউজিসিকে (UGC)। এবার ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইউজিসি-র জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এবার থেকে এআইসিটিই-এর অনুমোদন ছাড়াই কোনও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ্ধতিতে পড়াতে পারবে।” এছাড়াও ইউজিসি-র (University Grants Commission) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি হোক বা বেসরকারি, যেকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এবার থেকে এআইসিটিই (All India Council of Technical Education)-এর অনুমোদন ছাড়াই টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয়ে দূরশিক্ষা এবং অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে পারবে পড়ুয়াদের।” জানা গেছে এই সুবিধার আওতায় রয়েছে ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ও ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমের মত বিষয়গুলি। অর্থাৎ উল্লিখিত বিষয়গুলি নিয়ে অনলাইন (online mode) প্রোগ্রাম কিংবা দূরশিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনা করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুনঃশাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিশ জারি করল ইডি

    ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠনে সতর্কতা

    তবে ইউজিসির (UGC) তরফে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ‘ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটিজ’-এর ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন ছাড়া উল্লিখিত বিষয়ে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা যাবে না। উল্লেখ্য, দূরশিক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠন নিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল ইউজিসি। এবার কোন কোন বিষয় দূরশিক্ষা কিংবা অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে পড়ানো যাবে এবং তার জন্য আলাদা করে কোনও অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কী না, সেই বিষয়ে ইউজিসি-র ওয়েবসাইটে সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share