Tag: educational news

educational news

  • JEE Advanced: ২০২৩ সালের  জেইই অ্যাডভান্সডের দিন ঘোষিত, জানুন বিস্তারিত

    JEE Advanced: ২০২৩ সালের জেইই অ্যাডভান্সডের দিন ঘোষিত, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেন পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা (এনটিএ)। বৃহস্পতিবার রাতে পরের বছরের জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সড (JEE Advanced) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করল আইআইটি গুয়াহাটি। এই বছর জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষার দায়িত্বে রয়েছে আইআইটি গুয়াহাটি। আইআইটিতে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা হল আইআইটি অ্যাডভান্সড।  দিনক্ষণ, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, রেজিস্ট্রেশনের সময়সূচি-সহ নানা তথ্য প্রকাশ করেছে আইআইটি গুয়াহাটি। পরীক্ষার্থীরা জেইই অ্যাডভান্সড-এর ওয়েবসাইটি jeeadv.ac.in-এ গিয়ে সমস্ত তথ্য বিস্তারিত দেখতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: ন্যাজাল ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র সরকার, জেনে নিন ইনকোভ্যাকের অ আ ক খ…

    জেনে নিন এই বিষয়ে কিছু তথ্য: 

    কবে নেওয়া হবে পরীক্ষা

    পরের বছর জেইই অ্যাডভান্সড- এর (JEE Advanced) দুটি পেপারেই হবে কম্পিউটার-ভিত্তিক পরীক্ষা হবে। আগামী ৪ জুন সকাল ও দুপুরে দুটি পর্বে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার সকালের পর্বটি ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং দুপুরের পর্বটি ২.৩০টে থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত চলবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া  

    পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার জন্যে অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ করতে হবে।

    আবেদনের শেষ তারিখ 

    অনলাইন রেজিস্ট্রেশন চলবে ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ৪ মে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মে বিকেল ৫টা। 

    আবেদন ফি 

    মহিলা, এসসি, এসটি এবং পিডব্লিউডি ক্যাটেগরিভুক্ত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশনের জন্য ১,৪৫০ টাকা এবং অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের ২,৯০০ টাকা জমা দিতে হবে। বিদেশি নাগরিকরা এই পরীক্ষা দিতে চাইলে তাঁদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৯০ মার্কিন ডলার জমা দিতে হবে।

    যোগ্যতা

    যে পরীক্ষার্থীরা ২০২৩-এর জেইই মেন পরীক্ষার বিই বা বিটেক পেপারে পাশ করবেন, তাঁরাই এই জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় বসতে পারবেন। এ ছাড়া, পরীক্ষার্থীদের ২০২২ বা ২০২৩-এ প্রথম বার পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও অঙ্ক-সহ দ্বাদশ বা এর সমতুল পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।

    বয়ঃসীমা

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীদের জন্মতারিখ হতে হবে ১ অক্টোবর, ১৯৯৮ বা তার পরে। 

    জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষাটি পর পর দুবছর সর্বাধিক দুবার দিতে পারবেন। পরীক্ষার্থীদের এর আগে আইআইটিতে ভর্তির কোনও রেকর্ড থাকা চলবে না। পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডটি ডাউনলোড করা যাবে ২৯ মে সকাল ১০টা থেকে ৪ জুন দুপুর আড়াইটের মধ্যে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Darul Uloom Deoband: দারুল উলুম দেওবন্দ সহ উত্তর প্রদেশের ৩০৬টি মাদ্রাসার রেজিস্ট্রেশন নেই!

    Darul Uloom Deoband: দারুল উলুম দেওবন্দ সহ উত্তর প্রদেশের ৩০৬টি মাদ্রাসার রেজিস্ট্রেশন নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাহারানপুর জেলার ইসলামিক সেমিনারি দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) এবং ৩০৫টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তর প্রদেশ মাদ্রাসা (Madrasa) এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়। উত্তর প্রদেশ (UP) সরকারের সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, যেসব মাদ্রাসা মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়, তারা স্কলারশিপ, শিক্ষকদের বেতন সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার ভরতলাল গৌর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সাহারানপুরে সব মিলিয়ে ৭৫৪টি নথিভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে।

    সাহারানপুরে প্রচুর মাদ্রাসা রয়েছে। এগুলির মধ্যে মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড স্বীকৃত মাদ্রাসা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্বীকৃত নয় এমন মাদ্রাসাও। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার জানান, জেলায় এডুকেশন বোর্ড স্বীকৃত নয় এমন মাদ্রাসার সংখ্যা ৩০৬। জেলায় মাদ্রাসার প্রকৃত সংখ্যা কত, তা জানতে হয়েছিল সমীক্ষা। সেই সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য, জানান তিনি। সরকারি ওই আধিকারিক জানান, দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) মাদ্রাসা এডুকেশন বোর্ড দ্বারা স্বীকৃত নয়। সাহারানপুর জেলা মাইনরিটি ওয়েলফেয়ার অফিসার জানান, সরকার ১২টি পয়েন্ট বেঁধে দিয়েছিল। সেই পয়েন্টগুলির ভিত্তিতেই চালানো হয়েছে সমীক্ষা।

    আরও পড়ুন: অবৈধ নির্মাণ না জঙ্গি-যোগ! অসমে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মাদ্রাসা

    দারুল উলুম দেওবন্দ (Darul Uloom Deoband) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সোসাইটি অ্যাক্টে দারুল উলুমের সুরা সোসাইটিতে নথিভুক্ত রয়েছে এই মাদ্রাসা। সংবিধানের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার বলে চলে এই মাদ্রাসা। তাঁরা জানান, দারুল উলুম দেওবন্দ শিক্ষামূলক কাজকর্ম করে আসছে। দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশকে সেবা করে আসছে। তা সত্ত্বেও এই মাদ্রাসা কোনও সরকারের কাছ থেকেই কোনওরকম সাহায্য কিংবা অনুদান নেয়নি। প্রসঙ্গত, সাহারানপুরের দেওবন্দের এই ইসলামিক প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছিল ১৮৬৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ইসলাম পণ্ডিত এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এঁদের প্রধান ছিলেন মহম্মদ কাসেম নানুতুবি। এখান থেকেই দেওবন্দি আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share