Tag: egra

egra

  • Bomb Blast: এগরার পর কোলাঘাট! বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত ঘর, ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি বাড়ি

    Bomb Blast: এগরার পর কোলাঘাট! বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত ঘর, ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরার খাদিকুল, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পর এবার পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট। বেআইনি বাজি কারখানায়  বিস্ফোরণে (Bomb Blast) উড়ে গেল আস্ত বাড়ি। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের আরও বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট থানার পয়াগ গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    সোমবার সকাল থেকে পয়াগ গ্রামে পুলিশ পিকেট রয়েছে। যাচ্ছে ফরেন্সিক টিমও। এদিন সকাল থেকে থমথমে রয়েছে এলাকা। জানা গিয়েছে, আনন্দ মাইতি নামে এক ব্যক্তির একটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত (Bomb Blast) হয়ে গিয়েছে। বাড়ির লোকজন ছুটে পালিয়েছেন। এই ঘটনার জেরে স্থানীয় আরও বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোলাঘাট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দমকলের দু’টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও পর্যন্ত কতজন জখম হয়েছেন, সেই সংখ্যা পরিষ্কার নয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত সেই শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। গ্রামবাসীরা বলেন, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাড়িটিতে অবৈধ বাজি কারখানা ছিল। বহুবার পুলিশকে বলার পরও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তারপরই এই বিস্ফোরণের জেরে গোটা বাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। অবিলম্বে যারা এই কারবারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের গ্রেফতার করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    খাদিকুল থেকে কোলাঘাট, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    ২০২৩ সালের ১৬ মে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটেছিল। মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ৯ জনের। সেই ঘটনার এক বছরের মাথায় আবার পূর্ব মেদিনীপুরের বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটল। খাদিকুলের বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছিল প্রশাসন। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, সেই ঘটনার এক বছর কাটতে না কাটতেই আবারও বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট। বার বার এই ধরনের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: এগরায় রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, আটক ৪ রামভক্ত, প্রতিবাদে সরব অগ্নিমিত্রা

    Ram Navami 2024: এগরায় রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, আটক ৪ রামভক্ত, প্রতিবাদে সরব অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরের মতো পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় রাম নবমীর (Ram Navami 2024) শোভাযাত্রায় হামলা চালানোর ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। দুষ্কৃতী হামলার জেরে ৪ জন রামভক্ত জখম হন। এরপরই এলাকায় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ram Navami 2024)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার এগরায় রাম নবমীর (Ram Navami 2024) শোভাযাত্রার আয়োজন করে উদ্যোক্তারা। শোভাযাত্রায় ব্যাপক জমায়েত হয়েছিল। শোভাযাত্রা যখন এগরার কলেজ মোড় দিয়ে যাচ্ছিল, তখন মিছিল লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। আর শোভাযাত্রার মধ্যে পাথর ছোড়ার কারণে চারজন রাম ভক্ত জখম হন। এরপরই দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধার উপক্রম হয়। এদিকে শোভাযাত্রায় হামলার খবর পেয়ে দ্রুত স্থানীয় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে, উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। এরই সঙ্গে কাঁদানের গ্যাসে শেল ফাটানো হয় সেখানে। এদিকে হিংসার অভিযোগে শোভাযাত্রায় সামিল চারজন রামভক্তকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় এগরা থানায়।

    হামলাকারীদের আটক না করে রামভক্তদের আটক!

    এগরা বিধানসভা মেদিনীপুর লোকসভার অধীনে। এই ঘটনার খবর পেয়ে বিজেপির মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল থানায় যান। এগরা থানার পুলিশের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই কর্তব্যরত পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেত্রী। তিনি বলেন, ‘পুলিশ দুষ্কৃতীদের আটক না করে রামভক্তদের আটক করেছে।’ এরপর ধৃতদের ছাড়ার দাবিতে এগরার ত্রিকোণ পার্কে অগ্নিমিত্রা পালের নেতৃত্বে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত অবরোধ চলে। বেলদা-কাঁথি রাজ্য সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Egra: জলসায় নর্তকীদের সঙ্গে নাচতে দিতে বাধা, বন্দুক উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়ালেন যুবক

    Egra: জলসায় নর্তকীদের সঙ্গে নাচতে দিতে বাধা, বন্দুক উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়ালেন যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সাধারণ মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে আগ্নেয়াস্ত্র। এটা বিরোধীদের কোনও অভিযোগ নয়। এই ঘটনার জ্বলন্ত প্রমাণ মিলল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় (Egra)। প্রকাশ্যেই জলসার মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে দাপিয়ে বেড়ালেন এক যুবক। আর এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Egra)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এগরা (Egra) থানার বাথুয়াড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের রামচক গ্রামে এক জলসার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই জলসায় নৃত্য শিল্পীদের সঙ্গে নাচ করতে চেয়েছিল। কিন্তু আয়োজক কমিটির সদস্যরা তাতে রাজি হননি। আর এরপরই প্রকট হল যুবকের আসল রূপ। বন্দুক উঁচিয়ে তাণ্ডব শুরু করে দেয় জলসার মঞ্চের সামনে। আর তাতেই একেবারে হুলুস্থুল কাণ্ড। দর্শক আসনে যাঁরা বসে ছিলেন, তাঁরা সব ভয়ে ছুটে পালান। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে এগরা থানার পুলিশ। ধৃত যুবকের নাম গোপাল মাঝি। তাঁর বাড়ি এগরা থানা এলাকাতেই। যুবকের থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও বেশ কয়েক রাউন্ডগুলি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কীভাবে ওই যুবকের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র এল, ওই জলসায় ঠিক কী ঘটেছিল, সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন পুলিশকর্মীরা। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে এগরা থানার আইসি অরুন কুমার খান জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোথা থেকে ওই বন্দুক এল, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এর থেকে বেশি কিছু মুখ খুলতে রাজি হননি তিনি।

    আয়োজক কমিটির সদস্যরা কী বললেন?

    আয়োজক কমিটির সদস্যদের বক্তব্য,ওই যুবক জলসার অনুষ্ঠান মঞ্চের সামনে যখন চলে আসেন, তখন আমরা তাঁকে পিছনে গিয়ে বসার জন্য অনুরোধ করি। আর সেখান থেকেই শুরু হয় বিপত্তি। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ওই যুবক তাতে উত্তেজিত হয়ে পকেট থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে উঁচিয়ে ধরে। এভাবে ওই যুবক পকেট থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বের করবে তা ভাবতে পারিনি।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: শুভেন্দুর জেলায় রাম মন্দির নিয়ে সঙ্ঘের বৈঠক, হাজির তৃণমূল নেতারাও!

    Ram Mandir: শুভেন্দুর জেলায় রাম মন্দির নিয়ে সঙ্ঘের বৈঠক, হাজির তৃণমূল নেতারাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) দরজা সাধারণের জন্য খুলে যাবে আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি। বলা বাহুল্য, লোকসভা ভোটের আগে এই রাম মন্দির বিজেপি’র বড় অস্ত্র হতে চলেছে। কারণ, বিষয়টি শুধু উদ্বোধনেই থেমে থাকবে না। একে ঘিরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস) একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। লক্ষ্য, এই বিরাট সাফল্যের বার্তা মানুষের দরজায় দরজায় পৌঁছে দেওয়া। বিজেপির এইসব কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই সিঁদূরে মেঘ দেখতে শুরু করেছে তৃণমূল। আর তাই বাঙালির পর্যটনের প্রিয় সমুদ্রসৈকত দিঘায় শাসক দল জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের কাজও জোর কদমে চালিয়ে যাচ্ছে। 
    ঠিক এরকম একটা সময়েই ঘটে গেল এমন একটি ঘটনা, যা তৃণমূলকে স্পষ্টতই বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছে। আবার বিড়ম্বনার একশেষ হওয়ার আরও একটি কারণ হল, সেই ঘটনাটি ঘটেছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরেই।

    কী সেই ঘটনা?

    ঘটনাস্থল ওই জেলার এগরা। সেখানকার ভবানীচক বসুন্ধরা বাজার ভবনে আরএসএস-এর একটি বৈঠক ছিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। যার উদ্যোক্তা এগরা ২ খণ্ডের রাম মন্দির উদযাপন কমিটির বাসুদেবপুর শাখা। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন দেশ ব্যাপী বাড়ি বাড়ি ভোগ বিলির কর্মসূচি নিয়েছে সঙ্ঘ। এর লক্ষ্যমাত্রাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের প্রতিটি শাখা এই কর্মসূচি সফল করতে নিজেরা আলাদা আলাদা বৈঠক করছে। সেরকমই বৈঠক ছিল এটি (Ram Mandir)। সেখানে বিজেপি নেতৃত্বের পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ মানুষও হাজির হয়েছিলেন। বৈঠক সবে মিনিট পনেরো হয়েছে। এমন সময় সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেখানে উদয় হন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য চন্দ্রশেখর জানা, বুথ সদস্য বিকাশ সাহু সহ তিন তৃণমূল নেতা। সঙ্ঘ সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হতে পারে, এরকম একটা আশঙ্কা করেই বোধহয় সভা শেষ হওয়ার আগে তাঁরা বেরিয়ে যান। কিন্তু তাঁদের মূল প্রতিপক্ষের বৈঠকে জেনেবুঝে তাঁরা গেলেন কেন, এই প্রশ্নটা থেকেই গেল। আর স্বাভাবিকভাবেই জেলায় এই ঘটনা চাউর হতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন ওই নেতারা?

    চন্দ্রশেখর জানার যুক্তি, তিনি জানতেন এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক বৈঠক। আর সেই কারণেই গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর যখন বিজেপি নেতাদের দেখতে পান, তখনই বৈঠকে না থাকার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও সূত্রের খবর, এই ব্যক্তি আগে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। তাই পুরনো টান কি উপেক্ষা করতে পারলেন না? 

    কী বলছেন বিকাশ সাহু। তিনি আবার আর এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, সঙ্ঘের মিটিংয়ের গোপন খবর (Ram Mandir) নিতেই নাকি তিনি গিয়েছিলেন। যদিও এই যুক্তি শুনে অনেকেই হাসাহাসি করছেন। সবাই বলাবলি করছেন, প্রকাশ্যে এবং সশরীরে হাজির হওয়ার পরও কি গোপন কথাটি গোপন রবে?

    সব খবর যাঁর কাছে আগেই চলে আসে এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দিতে যিনি অভ্যস্ত, তৃণমূলের সেই রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বেগতিক বুঝে ছোট্ট প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন, খোঁজ নেবেন।

    কী প্রতিক্রিয়া বিজেপি’র?

    বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক সম্পাদক তন্ময় হাজরা বলেছেন, রাম (Ram Mandir) তো কারও একার নয়, সবার। এই ঘটনা প্রমাণ করে দিল, রামকে সবাই যেমন হৃদয়ে রাখেন, তৃণমূল নেতা-কর্মীরাও তার বাইরে নন। তিনি এর জন্য সাধুবাদ জানাতেও ভোলেননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: সরকারি শিবিরে বস্তাপিছু ৬ কেজি করে ধান কম! সরব চাষিরা, প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    Egra: সরকারি শিবিরে বস্তাপিছু ৬ কেজি করে ধান কম! সরব চাষিরা, প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই মালদায় সরকারি শিবিরে ধান বিক্রি করতে এসে অনেক চাষি ফিরে যেতে বাধ্য হন। এই ঘটনায় চাষিরা প্রকাশ্যেই বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় কারচুপি করার অভিযোগ উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা-১ (Egra) ব্লক কৃষক বাজারে। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাষিরা রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে মহকুমা শাসক উদ্যোগী হন। এগরার মহকুমাশাসক মনজিৎকুমার যাদব বলেন, কৃষক বাজারে ওজন নিয়ে সমস্যা হয়েছিল। কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

    প্রতি বস্তা পিছু প্রায় ৬ কেজি করে ধান কম (Egra)  

    রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একাধিক ব্লকে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনা শুরু হয়েছে। অনলাইনে নাম নথিভুক্ত করার পর নিয়ম মেনে চাষিরা এগরা-১ (Egra) কৃষক বাজারে ধান বিক্রি করতে যান। কৃষক বাজারে খাদ্য দফতরের উদ্যোগে সরকারি সহায়ক মূল্যে কৃষকদের থেকে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। এগরা, কুদি-সহ অন্য এলাকার চাষিরা ধান নিয়ে বাজারে যান। যদিও চাষিরা বাজারে যাওয়ার আগে থেকেই ধানের বস্তা ওজন করে আনেন। পরে কৃষক বাজারেও সরকারি ডিজিটাল যন্ত্রে ধানের বস্তা ওজন করা হয়। দেখা যায়, সেই যন্ত্রে ধান ওজন করার সময় বস্তা পিছু প্রায় ৬ কেজি করে ধান কম দেখাচ্ছে। চাষিদের সন্দেহ হয়। বাইরে থেকে নতুন একটি যন্ত্রে ধান ওজন করতেই গন্ডগোলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপরই কৃষক বাজারের যন্ত্রে কারচুপির অভিযোগে কৃষকেরা বিক্ষোভ দেখান। খাদ্য দফতরের এক কর্মীকে অফিসের মধ্যে আটকে রাখা হয়।

    চাষিরা কী বললেন?

    চাষিদের বক্তব্য, বাড়ি থেকে প্রত্যেকে আমরা ধান ওজন করে কৃষক বাজারে নিয়ে এসেছি। এখানে সেই ধান ওজনে কমে যাচ্ছে। সরকারি যন্ত্রে কেন ওজনে কমছে, তা জানতে চেয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিক্ষোভের জেরে ধান বিক্রি বন্ধ হয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে আসে এগরা থানার পুলিশ। পরে, কৃষক বাজারের অদূরে থাকা মহকুমাশাসকের অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানান চাষিরা। এগরা (Egra) মহকুমাশাসকের নির্দেশে মহকুমা খাদ্য আধিকারিক এবং অন্য কর্মীরা কৃষক বাজারে যান। নতুন যন্ত্রে ওজন করে ফের ধান বিক্রি শুরু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: এগরায় পুকুর থেকে উদ্ধার ১৫ বস্তা বাজি ও বিস্ফোরক! কে ফেলে দিয়ে গেল? 

    Egra: এগরায় পুকুর থেকে উদ্ধার ১৫ বস্তা বাজি ও বিস্ফোরক! কে ফেলে দিয়ে গেল? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা রাজ্য কি বারুদ আর বোমার স্তূপে পরিণত হল? এগরার খাদিকুলের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর যে হারে বিভিন্ন জায়গায় বোমা ও বাজির মশলা উদ্ধার হচ্ছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন মহল থেকে এই প্রশ্নটা ভেসে আসছে। আরও প্রশ্ন উঠছে, এতদিন পুলিশ কি ঘুমিয়ে ছিল? এগরার (Egra) ঘটনায় তো পুলিশের বিরুদ্ধেই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে, তারা মোটা টাকার বিনিময়ে জেনেবুঝেও এই ধরনের কাজে কোনও বাধা দেয়নি। পুলিশ ঘটনার পর গ্রামে গেলে তাদের ঘিরে ধরে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভও দেখিয়েছিল। আরও মজার বিষয় হল, পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের তোলা অভিযোগ যে মিথ্যা নয়, তা এগরা থানার আই সি-কে সরিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। 

    পুকুর থেকে উদ্ধার বাজি-বারুদ

    এগরার বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর কেটে গেছে এক সপ্তাহ। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে মূল অভিযুক্ত ভানু বাগ সহ ১২ জনের। কিন্তু সপ্তাহ ঘুরলেও এখনও এলাকার পুকুর থেকে উদ্ধার হচ্ছে বস্তার পর বস্তা নিষিদ্ধ বাজি এবং বাজি তৈরির সামগ্রী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ২নং ব্লকের (Egra) দেশবন্ধু অঞ্চলে সাহাড়দা গ্রামে রবিবার রাতে একটি পুকুর থেকে ৮ বস্তা বারুদ ও নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। তারপর সোমবার সকালেও ফের পুকুর থেকেই আরও ৭ বস্তা বাজি-বারুদ উদ্ধার হয়েছে। ১৫ বস্তা বারুদ ও বাজি জমা দেওয়া হয়েছে থানায়। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছেছে পুলিশ। পুরো এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    কী বলছেন গ্রামের মানুষ? কী বলছেন উপপ্রধান?

    এখানকারই বাসিন্দা অশোক কুমার মাইতি বললেন, কচুরিপানার ভিতর থেকে বারুদ, বোমা এবং বাজি বানানোর নানা সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষ ঘিরে রেখে প্রথমে পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম। তারা এসে এগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কীভাবে এল এসব? অশোকবাবুর মতে, কাছেই রুকনিপুরে আতশবাজির কারখানা আছে। এগরার ঘটনার পরই সেখানকার লোকজন এখানে এসে এসব ফেলে দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শান্ত গ্রামকে তারা অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়েই এসব করছে। এতে তৃণমূলের মদত আছে বলেই তিনি মনে করেন। ওই গ্রামে এর আগেও বাজি বিস্ফোরণে অনেকে মারা গিয়েছিল। অন্যদিকে, দেশবন্ধু গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আলোক মহাপাত্র বলেন, এটা চক্রান্ত ছাড়া কিছু নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করারই চেষ্টা। না হলে কেউ মাঠে-ঘাটে এভাবে ওসব ফেলে রেখে যায়? তিনি সরাসরিই বলে দেন, এটা বিজেপি করেছে। না হলে বিজেপির লোকজন ওখানে সকাল সকাল পৌঁছে যায় কী করে?

    পঞ্চায়েত ভোটেরই অশনি সঙ্কেত?

    তৃণমূলের উপপ্রধান যাই বলুন, অভিজ্ঞ মহল বলছে, এ যেন পঞ্চায়েত ভোটেরই অশনি সঙ্কেত। রাজ্যে যে সব জায়গা ঝামেলা-গণ্ডগোলে সবসময়ই খবরের শিরোনামে থাকে, সেই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা ভোটের আগেই খবরের শিরোনামে। বিরোধীরা বলছে, এখন যে সব বোমা ফাটছে (Egra), বোমার মশলা উদ্ধার হচ্ছে, সে সবই আসলে মজুত করে রাখা ‘সম্পদ’। ভোটে এসবের সদ্ব্যবহারের কথা থাকলেও পঞ্চায়েত ভোট পিছিয়ে যাওয়াটাই কাল হয়েছে। বিরোধীদের টাইট দেওয়ার জন্য তিল তিল করে জমানো এই সম্পদ নিয়ে বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে অনেকেই। এদের ‘যত্ন-আত্তি’ করে রাখতে গিয়েই ঘটে যাচ্ছে একের পর এক বিপত্তি। কোথাও ছাদে বোমার গায়ে রোদের তাপ লাগাতে গিয়ে তাতে বিস্ফোরণ ঘটছে, কোথাও তৈরির সময়ই প্রচণ্ড গরমের তাপে তাতে বিস্ফোরণ ঘটছে। আবার এগরার (Egra) ঘটনায় দেখা গেল, বিপদ আঁচ করে কেউ বা কারা বস্তা বস্তা বাজি, মশলা, বিস্ফোরক পুকুরে ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে। যে সব জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, সেখানে তো গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তৃণমূল। এখন গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ায় সিভিক পুলিশ। তাহলে এদের কেউই জানতে পারল না? এটা কি বিশ্বাসযোগ্য। এমন প্রশ্নও উঠছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Budge Budge Blast: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    Budge Budge Blast: এগরার পর বজবজ! বিস্ফোরণে বাজি কারখানার মালিকের স্ত্রী, মেয়েসহ তিনজনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ। বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Budge Budge Blast) কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। আগুনে ঝলসে কারখানার মালিক জয়দেব ঘাঁটির স্ত্রী, মেয়ে এবং শাশুড়ির মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম যমুনা দাস (৬০), জয়শ্রী ঘাঁটি (১০) ও পম্পা ঘাঁটি (৩০)। জয়দেববাবুর স্ত্রী পম্পাদেবী, মেয়ে জয়শ্রী এবং যমুনাদেবী তাঁর শাশুড়ি ছিলেন। ঘটনায় আরও একজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের খবর পেয়ে দমকলবাহিনী গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    কয়েকদিন আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Budge Budge Blast) হয়। তাতে কারখানার মালিকসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই রবিবার সন্ধ্যায় বজবজের চিংড়িপোতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নন্দরামপুর দাসপাড়ায় বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। তবে, আচমকা কীভাবে বিস্ফোরণ ( BudgeBudge Blast) ঘটল তা জানা যায়নি। ওই কারখানায় কতজন কাজ করছিলেন, বোমা তৈরি হচ্ছিল কি না তা এখনও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়নি। তবে, চিংড়িপোতা এলাকায় একাধিক বেআইনি বাজি কারখানা রয়েছে। এগরার ঘটনার পরও এই সব বেআইনি কারবার বন্ধে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। আর তার জেরেই অকালে তিনজনের প্রাণ গেল।

    বিস্ফোরণের তদন্তভার নিল সিআইডি

    বজবজ বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তভার নিল সিআইডি। সোমবার দুপুরে সিআইডি (এসএস) সায়ক দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে, সিআইডি কর্তা বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে বারুদের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। ফরেন্সিক টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে।

    বজবজে বেআইনি বাজি কারখানার বিস্ফোরণ নতুন নয়

    বজবজ এলাকায় এর আগেও একাধিক বিস্ফোরণের (Budge Budge Blast) ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, গত মার্চ মাসে মহেশতলা পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে পুঁটখালি মণ্ডলপাড়ায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে তিনজনের মৃত্যু হয়। এর আগে ২০২১ সালে ডিসেম্বর মাসে বজবজ-২ ব্লকের নোদাখালি থানার মোহনপুর আর্যপাড়ায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (BudgeBudge Blast) ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর পরিবেশ দফতর জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনকে দিয়ে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল। কমিটির কাজ ছিল, এই বিষয়ে নজরদারি করা। সেই কমিটি যে শুধু লোকদেখানো ছিল তা এদিনের ঘটনায় আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: এগরায় বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে সরিয়ে দেওয়া হল থানার আইসি-কে

    Egra: এগরায় বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে সরিয়ে দেওয়া হল থানার আইসি-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে যে কোনও ঘটনায় হইচই পড়ে গেলে যা হয়, এগরায় (Egra) বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডেও সেটাই হল। সরিয়ে দেওয়া হল এগরা থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তীকে। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হচ্ছেন হুগলি জেলার গ্রামীণ সাইবার ক্রাইম থানার আইসি স্বপন গোস্বামী। শুক্রবার রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই বদলির নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এগরার আইসি মৌসম চক্রবর্তীকে পাঠানো হয়েছে হুগলির গ্রামীণ সাইবার ক্রাইম থানায়। যদিও মঙ্গলবার ঘটনা ঘটলেও এখানে এটুকু ব্যবস্থা নিতেই প্রশাসনের সময় লেগে গেল তিন দিন।

    আইসির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু

    খাদিকুলে বিস্ফোরণ কাণ্ডে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন এগরা (Egra) থানার আইসি মৌসম চক্রবর্তী। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতার হাতে মারধরের শিকার হয়েছিলেন তিনি। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইসিকে শোকজ করেছিলেন। ‘আগে পুলিশ এখানে দশ হাজার টাকা তুলতো। এখন এই আইসি আসার পরে ৫০ হাজার করে মাসে তোলা হয়েছে।’ এগরার আইসির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিরোধীরা কী অভিযোগ করল?

    বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ, এই বদলি আইওয়াশ ছাড়া কিছুই নয়। কারণ ওই গ্রামে পুলিশের জ্ঞাতসারেই বাজির নামে ওই কারখানায় (Egra) যে বোমা তৈরি হত, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু ওই বাজি কারখানার পিছনে ছিল শাসক দল তৃণমূলেরও প্রত্যক্ষ মদত। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, কারখানার মালিক রীতিমতো ভয় দেখিয়ে সেখানে গ্রামের মানুষকে কাজ করাতে বাধ্য করতেন। সে এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা বলেও পরিচিত। পুলিশ এবং তৃণমূলের পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই যে ওই কারখানা রমরমিয়ে চলত, তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। ফলে এত বড় ঘটনায় শুধুমাত্র একজন আইসিকে সরিয়ে কাজের কাজ কিছুই হবে না। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    এগরার (Egra) সাহারা অঞ্চলের খাদিকুল গ্রামে একটি বাড়িতে বাজি তৈরি হচ্ছিল। বেশ কয়েকজন ঘরের ভিতরে ছিলেন। আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। বাড়িটির ভিতর থেকে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে বাড়িটি শ্মশানভূমিতে পরিণত হয়। বাড়ির ভিতরে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের কয়েকজন গুরুতর জখম হন। বাকিদের মৃত্যু হয়। তবে, কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা স্পষ্ট করে সেইসময় এলাকাবাসী বলতে পারেননি। পরে ৯টি দেহ উদ্ধার হয়। অনেক দূর থেকে বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গিয়েছিল। আশপাশের গ্রামের মানুষও ছুটে এসেছিলেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP:  ভগবানপুরে বিজেপি-র মিছিলে বোমাবাজি, চলল গুলিও, জখম ৪

    BJP: ভগবানপুরে বিজেপি-র মিছিলে বোমাবাজি, চলল গুলিও, জখম ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরায় বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যজুড়়ে সন্ত্রাস ও এগরার ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকালে পূর্ব মেদিনীপুরে ভগবানপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতির নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিজেপি মিছিল শুরু হওয়ার পর পরই তাতে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় গুলিও চলে বলে অভিযোগ। এদিন বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে  ভগবানপুরের পাঁউশি বাজার এলাকায়। এই ঘটনায় কয়েকজন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে বিজেপির (BJP) অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    এদিন বিকেলের দিকে পাঁউশি বাজারে মিছিল হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো ভগবানপুর বিধানসভার বিভিন্ন গ্রামপঞ্চায়েত এলাকা থেকে প্রচুর কর্মী-সমর্থক পাঁউশি বাজারে হাজির হয়েছিলেন। বিশাল জমায়েতের পরই বিজেপি (BJP) কর্মীরা মিছিল শুরু করেন। জানা গিয়েছে, বাজার থেকে কিছুটা দুরেই বেশ কয়েকজন জমায়েত হয়েছিল। অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা আগে থেকেই সেখানে জমায়েত হয়েছিলেন। মিছিলে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাজার এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই পুলিশ মিছিল থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা হয়। পরে, মিছিল কিছুটা যেতেই বিজেপির (BJP)  মিছিল লক্ষ্য করেই বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। চলে গুলিও। পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপির অভিযোগ।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, তৃণমূল সরকার নয়, রাজ্যে তালিবান সরকার চলছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর তৃণমূল বোমাবাজি করেছে। গুলি চালিয়েছে। বোমার আঘাতে ৪ জন বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছে। মহিলা কর্মীদের শ্লীলতাহানি করেছে। পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূল যদি মনে করে এভাবে সন্ত্রাস করে বিজেপি কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেবে তাহলে ওরা ভুল ভাবছে। কারণ, ওদের এসব কর্মকাণ্ড দেখে মানুষ ওদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সামনের পঞ্চায়েত ভোটে তারা টের পেয়ে যাবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা মানব পড়ুয়া বলেন, মিছিল করার নামে এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছিল বিজেপি (BJP)। প্রতিবাদ জানালে ওরা আমাদের উপর হামলা চালায়। গুলিও ছোঁড়া হয়। তৃণমূল কোনও হামলা চালায়নি। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh in Egra: “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড”! এগরায় গিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh in Egra: “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড”! এগরায় গিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধীকে সঠিক সাজা দেওয়া হচ্ছে না। “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড” দেওয়া হচ্ছে। তাই এগরায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এআইএ তদন্ত প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh in Egra)। এদিন তিনি কার্যত বিনা বাধাতেই এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। এরপরই গোটা ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি।

    এগরায় দিলীপ যা বললেন

    এদিন বিস্ফোরণস্থলে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh in Egra) বলেন, “যে ধরনের ধারা দেওয়া হয়েছে, আমরা বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখলাম, সাধারণ পাড়ায় মারপিট করলেও এর চেয়ে কঠিন ধারা দেওয়া হয়। আমরা কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি করলে এর থেকে কঠিন ধারা আমাদের দেওয়া হয়। পুরো সমাজবিরোধী কাজ হয়েছে।” স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বলেন, “স্থানীয়রা বলছে ২২ জন মারা গিয়েছেন। এর আগেও ওরা অপরাধ করেছে। এত বড় বিস্ফোরণ হল আর কোথাও বিস্ফোরণের ধারা নেই। দুমাস বাদে জামিন পেয়ে চলে আসবে। আবার বিজনেস শুরু হয়ে যাবে। আমার মনে হয় রাজ্য সরকার ও পুলিশ চাইছে এই ধরনের কাজ বন্ধ না হোক। পরোক্ষে ওরা সাপোর্ট করছে।”

    বিনা বাধায় ঘটনাস্থলে যান দিলীপ

    এদিন সংসদ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh in Egra) সঙ্গে ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য অনুপ কুমার চক্রবর্তী ও জেলা কমিটির সভাপতি সুদাম পন্ডিত। বোমা বিস্ফোরণে মৃত মাধবী বাগ ও অন্যান্য পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বুধবারই এগরায় গিয়ে গ্রামবাসীদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়া। শুনেছিলেন চোর চোর স্লোগান। কার্যত তাড়া খেয়ে এলাকা ছেড়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। তবে বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতাদের তেমন কোনও পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি। তাঁরা এলাকায় গিয়ে বিস্ফোরণস্থল ঘুরে দেখেন।

    আরও পড়ুন: অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক

    এগরায় বিস্ফোরণ স্থল ঘুরে দেখেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। জেলা পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন তিনিও।  এমনকি আগামী দিনে এগরা থেকে মহা মিছিলের ডাক দেন তিনি। উল্লেখ্য, গত বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ব্লকে খাদিকূল গ্রামে একটি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা এই ঘটনায় হতাহত হন। বাজি তৈরির নাম ওই কারখানায় বোমা তৈরি হতো বলে অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনা নথিতে কিভাবে দিনের পর দিন এভাবে বাজি তৈরি হতো তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share