Tag: egra blast

egra blast

  • North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিকাই সার! রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বাজির কারবার

    North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিকাই সার! রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বাজির কারবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডের পরই অবৈধ বাজির কারবার বন্ধ করতে উদ্যোগ শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একগুচ্ছ নির্দেশিকাও জারি করেন। যেখানে বেআইনি বাজি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তা নিষ্ক্রিয় করার উদ্যোগ যেমন নিতে বলা হয়েছে, তেমনই সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তারপরও কি পরিস্থিতি আদৌ বদলেছে? অভিযোগ উঠছে, এখনও উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বহু জায়গায় রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বাজির কারবার। দত্তপুকুরের ইছাপুর-নীলগঞ্জ পঞ্চায়েত এলাকা হোক, কিংবা বারাসত পুরসভার টালিখোলা অথবা আরিফবাড়ি এলাকা। সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বেআইনি বাজির কারবার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, বাজি ব্যবসায়ীদের একাংশ একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন এই কারবারের কথা৷ ফলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুলিশের ভূমিকা। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও কীভাবে অবৈধ এই বাজির কারবার চলতে পারে! পুলিশ-প্রশাসন কি আদৌ তৎপর বেআইনি বাজির কারবার বন্ধ করতে? তা না হলে কেন এই অবৈধ কারবার বন্ধ করা যাচ্ছে না? তাহলে কি এর পিছনে কারও মদত রয়েছে? এমনই সব প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই পুলিশ এবং শাসকদলকে একযোগে দুষেছে বিরোধীরা। যদিও অবৈধ বাজির ব্যবসা বন্ধ করতে পুলিশ যাবতীয় পদক্ষেপ করছে বলে দাবি করেছেন জেলার পুলিশ সুপার।

    অবৈধ বাজির কারবারের আঁতুড়ঘর

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) ইছাপুর-নীলগঞ্জ পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নারায়ণপুর এলাকা অবৈধ বাজির কারবারের আঁতুড়ঘর। পঞ্চায়েতের একেবারে নাকের ডগায় এখনও চলছে বেআইনি এই বাজির কারবার। কখনও লুকিয়ে চুরিয়ে, আবার কখনও প্রকাশ্যে। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক বাজির গুদাম এবং দোকানঘর রয়েছে। তাতে যুক্ত রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। বেশিরভাগেরই বৈধ অনুমতি নেই বলে অভিযোগ। তা সত্ত্বেও কীভাবে চলছে এই অবৈধ কারবার? স্থানীয়দের একাংশের মত, সবটাই হচ্ছে পুলিশ এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের মদতে। বিনিময়ে পকেটে ঢুকছে মোটা টাকা। টাকার বিনিময়ে বৈধতার লাইসেন্স মিলছে অবৈধ কারবারে। বছর চারেক আগে এই নারায়ণপুরেই অবৈধ বাজির গুদামে বিস্ফোরণে ঝলসে মৃত্যু হয়েছিল দু’জনের। তারও আগে মজুত বাজিতে আগুন লেগে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। ফলে, বাজি বিস্ফোরণের পুরনো ইতিহাস রয়েছে নারায়ণপুরে। এগরা ও মালদা বিস্ফোরণের পর সেখানেও যে আবার কোনও অঘটন ঘটবে না, তা জোর গলায় এখন কেউই বলতে পারছেন না। সবসময় আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

    “ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের পথে বসতে হবে”

    এই পেশাই যে তাঁদের একমাত্র অবলম্বন, তা কার্যত মেনে নিয়েছেন বাজির ব্যবসায়ীরাও (North 24 Parganas)। এই বিষয়ে আলি নামে এক বাজি ব্যবসায়ী বলেন, “২৫ বছর ধরে আমি এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। আগে ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও বর্তমানে তা আর নেই। করোনা কালের পর থেকে আর আমাদের ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে বেআইনিভাবেই এই বাজির কারবার চালাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়েই আমাদের এই পেশা বেছে নিতে হয়েছে। পরিবারের মুখে দু-মুঠো অন্ন তুলে দেবার জন্যই এই পথ বেছে নিতে হয়েছে। এই ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের পথে বসতে হবে। সরকার বিকল্প ব্যবস্থা করলে আমাদের সকলেরই উপকার হবে।

    যারা প্রকৃত বোমা বানাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, দাবি বিজেপির

    এ নিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার বারাসত (North 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পিকলু শর্মা বলেন, “রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই বলেই সাধারণ মানুষ এই পেশার সঙ্গে যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন। আর এই অবৈধ কারবার চলছে তৃণমূল এবং পুলিশ-প্রশাসনের মদতে। সাধারণ বাজি ব্যবসায়ীদের না ধরে পুলিশের উচিত, এর আড়ালে যারা প্রকৃত বোমা বানাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া”।

    অধিকাংশরই বৈধ অনুমতি রয়েছে, দাবি তৃণমূল প্রধানের

    বিরোধীদের অভিযোগকে আমল দিতে চাননি ইছাপুর (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান নরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি বলেন, “নীলগঞ্জের একটি এলাকায় অল্পবিস্তর বাজির ব্যবসা চলছে। তবে আমরা সজাগ রয়েছি। নিয়ম মেনে বৈধভাবে যাতে বাজির ব্যবসা হয় সেখানে, দেখা হচ্ছে। যদি কেউ অবৈধভাবে বাজির ব্যবসা করে থাকেন, সেটা দেখা উচিত পুলিশ-প্রশাসনের। এ ব্যাপারে চাইলে পুলিশ-প্রশাসনকে সবরকমের সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত। ওখানে অধিকাংশরই বৈধ অনুমতি রয়েছে, এটুকু বলতে পারি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra Blast: এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

    Egra Blast: এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এগরা বিস্ফোরণ (Egra Blast) কাণ্ডে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। শুক্রবার এই রিপোর্ট তলব করা হয়। জানা গেছে, পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামের ওই ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির কাছ থেকে তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিশন। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যে স্পষ্ট, এগরায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। তাই আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ওই ঘটনার রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্যকে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘১৭ মে ২০২৩ এর ওই ঘটনায় উত্তেজিত জনতার সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। জনতা এও দাবি করে, পুলিশের সঙ্গে সমঝোতা করেই অভিযুক্তরা অবৈধভাবে বাজি কারখানা চালাত।’’

    মঙ্গলবারই এগরায় অবৈধ বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে

    চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবারই এগরায় বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের (Egra Blast) ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ভানু বাগ বৃহস্পতিবার রাতে ওড়িশার কটকের একটি হাসপাতালে মারা যান। বিস্ফোরণে ভানু বাগ ব্যাপকভাবে জখম হয়েছিলেন। তাঁর শরীরের আশি শতাংশই পুড়ে যায়। কিন্তু তদন্তকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি পড়শি রাজ্য ওড়িশাতে গা ঢাকা দেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। ছেলে এবং ভাইপোর সঙ্গে সিআইডি গ্রেফতার করে তাঁকেও। ভানু বাগের শেষকৃত্যের পরেই তাঁর ছেলেকে সিআইডি হেফাজতে নেবে বলে  জানা গেছে।

    কোন কোন ধারায় হল মামলা?

    আইপিসি ৩০২ (খুন), আইপিসি ৩০৭ (খুনের চেষ্টা), এই দুটির পরেও দ্য এক্সপ্লোসিভ অ্যাক্ট ১৮৮৪-এর ৯বি ধারা যোগ হয়। কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক্সপ্লোসিভ সাবস্টেন্সেস অ্যাক্ট ১৯০৮-এর কোনও ধারা দেওয়া হয়নি। যা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিশেষজ্ঞ মহল। মামলা হালকা করতেই কি প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত? যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এর কোনও সদুত্তর মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: এগরায় বিস্ফোরণের পর লাভপুরে ১০০ কেজি বাজির মশলা উদ্ধার! গ্রেফতার ৪

    Birbhum: এগরায় বিস্ফোরণের পর লাভপুরে ১০০ কেজি বাজির মশলা উদ্ধার! গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতির পরেই অতিসক্রিয় হয়ে উঠল পুলিশ। বীরভূম (Birbhum) জেলা জুড়ে যৌথভাবে তল্লাশি চালাল পুলিশ ও সিআইডি। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর বাজি তৈরির মশলা এবং সরঞ্জাম। পুলিশ একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করছে। শাসক দল একে পুলিশের সাফল্য বললেও বিরোধীদের দাবি, সবটাই লোক দেখানো।

    বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার (Birbhum) 

    এগরার ঘটনার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাজি কারখানার উপর নজর রাখতে শুরু করেছে প্রশাসন৷ বেআইনি কারখানাগুলিতে তল্লাশি চলবে বলেও জানানো হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে সমালোচনা শুরু হতেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসন। এদিন বীরভূমের (Birbhum) লাভপুর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ তল্লাশি চালায় সিআইডি৷ লাভপুরের (Lavpur) পূর্ণা গ্রামে একটি বাজি তৈরির কারখানা থেকে ১০০ কেজির বেশি বাজি তৈরির মশলা উদ্ধার করা হয়৷ পাশাপাশি, বাজি তৈরির প্রচুর সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা যায়৷ বেআইনি ভাবে প্রচুর বারুদ মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে৷ এই ঘটনায় ৪ জন অভিযুক্তকে আটক করেছে সিআইডি৷ আরও জানা গেছে, বাজি তৈরির মশলাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    বিরোধীদের অভিযোগ

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার খাদিকুল গ্রামে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ইতিমধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাজি তৈরির আড়ালে বোমা তৈরি হত, এই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই ঘটনায় এনআইএ তদন্তে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী নেতার অভিযোগ ছিল, পুলিশের কাছে এই বাজি কারখানার খবর ছিল এবং রীতিমতো ওই কারখানা থেকে তোলা আসত। বিরোধী দলের আরও অভিযোগ, বগটুই হত্যাকাণ্ডের পরও অবৈধ অস্ত্র এবং বোমা কারখানায় তল্লাশির কথা পুলিশকে বলেছিলেন স্বয়ং পুলিশমন্ত্রী। যার ফলস্বরূপই লোক দেখানো মাত্র কয়েকটি জায়গাতে তল্লাশি (Birbhum) হচ্ছে। আসল অপরাধীরা শাসক দলের আশ্রয়েই রয়েছে। রাজ্যে সিংহভাগ অবৈধ বাজি কারখানার মালিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারাই, এমন অভিযোগও উঠেছে। সমানে পঞ্চায়েত ভোট আসছে। তাই দেশি বাজির কারখানায় দেশি বোমা তৈরি হচ্ছে কি না, তা সাধারণ মানুষকে রীতিমতো ভাবাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ফাঁসির দড়ি পরার দরকার নেই, তদন্তে সহযোগিতা করুক’’! অভিষেক প্রসঙ্গে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘ফাঁসির দড়ি পরার দরকার নেই, তদন্তে সহযোগিতা করুক’’! অভিষেক প্রসঙ্গে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘কোর্টে গিয়ে অনেক চেষ্টা করেছেন, আটকাতে পারেন নি। ফাঁসির দড়ি পরার দরকার নেই, তদন্তে সহযোগিতা করুক।’’ শুক্রবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে এসে অভিষেক প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আদালত থেকে কোনও রক্ষাকবচ পাননি। শনিবার বেলা ১১ টায় সিবিআই নিজাম প্যালেসে হাজিরার ব্যাপারে নোটিশ দিয়েছে তাঁকে। এ প্রসঙ্গে কালিয়াগঞ্জে এসে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী৷

    এগরা বিস্ফোরণ নিয়ে মমতাকে আক্রমণ বিরোধী দলনেতার

    অন্যদিকে ভানু বাগের মৃত্যু প্রসঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান বিরোধী দলনেতা৷ তিনি বলেন, ‘‘ভানু বাগের মৃত্যুতে পরিবারের যা ক্ষতি হয়েছে তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷’’ উল্লেখ্য ক’দিন আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এগরা। মৃত্যু হয় ৮ জনের। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ভানু বাগ এলাকা থেকে গা ঢাকা দেয়। যদিও ওড়িশায় পালিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ধরা পড়ে সিআইডির হাতে। কিন্তু ঘটনার সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যাওয়ায় সেখানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয়৷ 

    কালিয়াগঞ্জ প্রসঙ্গে কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    এদিন কালিয়াগঞ্জে এসে নাবালিকা মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশকে কাঠগড়ায় তোলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনার প্রায় একমাস পর উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে মৃত নাবালিকা ও গুলিতে নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার দুপুরে  বিরোধী দলনেতা প্রথমে কুনোরে অবস্থিত ভারত সেবাশ্রমে যান এবং স্বামীজিদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর সাহেবঘাটা সংলগ্ন গাঙ্গুয়া এলাকায় মৃত নাবালিকার বাড়িতে যান। কথা বলেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ শোনেন তাঁদের কাছ থেকে। উল্লেখ্য গত ২১ এপ্রিল কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটা সংলগ্ন পালোই বাড়ি এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে উদ্ধার হয় এক দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর মৃতদেহ। ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। এই ঘটনায় দফায় দফায় উত্তাল হয় কালিয়াগঞ্জ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: এগরাকাণ্ডে এনআইএ-কে রিপোর্ট পাঠাবে সিআইডি, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Egra: এগরাকাণ্ডে এনআইএ-কে রিপোর্ট পাঠাবে সিআইডি, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরা (Egra) বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্ত করছে সিআইডি (CID)। তবে তদন্তের রিপোর্ট পাঠাতে হবে এনআইএকে (NIA)। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সিআইডির প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাই ঠিক করবে, তারা তদন্ত করবে কি না। এই মামলায় এনআইএকে পার্টি করতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    এগরা (Egra) বিস্ফোরণে গ্রেফতার ভানু

    মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামের এক বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ (Egra) ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় ৯ জনের দেহ। জখমও হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন বাজি শ্রমিক। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, বাজি কারখানার আড়ালে তৃণমূল নেতা ভানু বাগের বাড়িতে তৈরি হত বোমাও। বিস্ফোরণে জখম হয়েছিলেন ভানু নিজেও। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাইকে চেপে ওড়িশায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। ওড়িশার কটক হাসপাতালে চলছিল চিকিৎসা। তাঁর শরীরের ৭০ শতাংশই পুড়ে গিয়েছে। তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিছুটা সুস্থ হলেই ভানুকে কলকাতায় নিয়ে আসা হবে। রাজ্য সরকারের নির্দেশে ওই ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি।

    এনআইএ-র দাবি শুভেন্দুর

    যদিও এনআইএ তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ সিআইডি তদন্ত জারি রাখতে বলে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে আদালতের নির্দেশ, এনআইএ (Egra) আইনের ৬ নম্বর ধারার বিধানগুলি মেনে চলবে হবে। ওই বিধানে বলা হয়েছে, একটি নির্ধারিত অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্তের যাবতীয় কাগজপত্র এনআইএকে পাঠাতে হবে। সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এনআইএ সিদ্ধান্ত নেবে তারা তদন্ত করবে কি না।

    আরও পড়ুুন: “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড”! এগরায় গিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের বিপক্ষে বিস্ফোরক দিলীপ

    এদিন শুনানির সময় খাদিকুলের ওই বাজি কারখানার বিস্ফোরণে ছবি দেখে শিউরে ওঠেন প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম। তিনি বলেন, “হে ভগবান, কী হয়েছে? দেহগুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে”। ঘটনার পরে রাজ্য সরকার যে এফআইআর করেছে, তাতে বিস্ফোরক দ্রব্য সংক্রান্ত কোনও ধারা দেওয়া হয়নি। যদিও আদালত সেই ধারা যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। খাদিকুলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশও দিয়েছে আদালত। প্রসঙ্গত, ঘটনার(Egra) পর বিরোধীরা এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। সে প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এনআইএ তদন্ত করলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share