Tag: election news

election news

  • PM Modi: দিল্লি জয় অতীত, এবার ভোটমুখী বিহার, তামিলনাড়ুতে নজর মোদির, জনসভা চলতি মাসেই

    PM Modi: দিল্লি জয় অতীত, এবার ভোটমুখী বিহার, তামিলনাড়ুতে নজর মোদির, জনসভা চলতি মাসেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিজয় হয়েছে। বিজেপির (BJP) দাবি, তাঁর মিস্টার ক্লিন ইমেজ এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দক্ষতার জেরে আপ দুর্গে বিজেপির ধস নামানো হয়েছে অনায়াস। এ সবই হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কল্যাণে। সেই কারণেই ফের প্রধানমন্ত্রীকেই নির্বাচনী প্রচারে চাইছেন চলতি বছর যে দুই রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন হবে, সেখানকার নেতা-কর্মীরা। এ বছর বিধানসভা নির্বাচন হবে বিহার এবং তামিলনাড়ুতে। এই দুই রাজ্যেই চলতি মাসেই দুটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী বছর ভোট রয়েছে অসমে। সেখানেও একটি জনসভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভাগলপুরে জনসভা (PM Modi)

    ২৪ ফেব্রুয়ারি বিহারের পূর্বাঞ্চলের ভাগলপুরে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই তাঁর অসম সফরেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে পদ্ম শিবির। বিহারে চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর অসমে ভোট হবে এক বছর পরে। সম্ভবত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম সফরে যাবেন। যেখানে তিনি উদ্বোধন করবেন নতুন পামবান সেতুর। এই সেতু রামেশ্বরম দ্বীপ শহরকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করবে।

    ভিড় টানতে শুরু সলতে পাকানোর কাজ

    গত এক দশক ধরে অসমের ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। আর বিহারে নীতীশ কুমারের সঙ্গে জোট বেঁধে ক্ষমতায় রয়েছে তারা। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, নীতীশ মাঝেমধ্যেই শিবির বদলে বিপাকে ফেলে গেরুয়া শিবিরকে। তাই বিজেপি একাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাইছে সে রাজ্যে। জানা গিয়েছে, ২৪ ফেব্রুয়ারি ভাগলপুরে নির্বাচনী জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঞ্চে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির শীর্ষ নেতারা। অসমেও জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও সে রাজ্যে নির্বাচন হবে আগামী বছর, তবুও এখন থেকেই সলতে পাকানোর কাজ শুরু করেছেন অসমের বিজেপি নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জনসভায় রেকর্ড সংখ্যক ভিড় টানতে জোর কদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন এই দুই রাজ্যের বিজেপি নেতারাই।

    প্রধানমন্ত্রী ভাগলপুর থেকে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির পরবর্তী কিস্তি প্রদান করবেন। তিনি এদিন কিছু কৃষককে সম্মানিতও করবেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ভাগলপুরে একটি নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের। ভাগলপুর থেকে প্রধানমন্ত্রী রওনা দেবেন অসমের উদ্দেশে। দুদিনের সফরে অসম যাবেন তিনি। সেখানে তিনি ‘অ্যাডভান্টেজ অসম ২.০’ বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন (BJP)। সারুসজাই স্টেডিয়ামে এক জনসভায় ভাষণও দেবেন। এই অনুষ্ঠানে ৮ হাজারেরও বেশি শিল্পীর অংশগ্রহণে একটি বিশাল ঝুমুর নৃত্য পরিবেশিত হবে (PM Modi)।

  • Jammu & Kashmir Assembly Election: উৎসবের মেজাজেই নির্বাচন ভূস্বর্গে, শেষ দফায়ও রেকর্ড ভোট

    Jammu & Kashmir Assembly Election: উৎসবের মেজাজেই নির্বাচন ভূস্বর্গে, শেষ দফায়ও রেকর্ড ভোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মেজাজেই শেষ হল ভূস্বর্গের নির্বাচন (Jammu & Kashmir Assembly Election)। ১ অক্টোবর ছিল শেষ দফার নির্বাচন। ইতিমধ্যেই দুদফার নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। ১০ বছর পরে বিধানসভার নির্বাচন হল জম্মু-কাশ্মীরে। এদিন নির্বাচন হয়েছে ৪০টি আসনে। আগের দুদফায় নির্বাচন হয়েছে ৫০টি আসনে।

    রেকর্ড ভোট (Jammu & Kashmir Assembly Election)

    এদিন যে ৪০টি আসনে নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে ২৪টি আসন রয়েছে জম্মুতে (Phase 3 Poll)। আসনগুলি রয়েছে জম্মুর চারটি জেলায়। বাকি ১৬টি আসন কাশ্মীরের দুই জেলায়। এই দফায় প্রার্থী ছিলেন ৪১৫ জন। ভোটার প্রায় ৩৯ লাখ। এদিন দুপুর তিনটে পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে ভোট পড়েছে প্রায় ৫৬ শতাংশ। ভূস্বর্গে এবার নির্বাচন হয়েছে নির্বিঘ্নেই। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছিল ১৮ সেপ্টেম্বর। সেই দফায় ভোট পড়েছিল ৬১ শতাংশ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হয়েছিল ২৫ সেপ্টেম্বর, ভোটদানের হার ৫৭.৩ শতাংশ। মঙ্গলবারও কার্যত উৎসবের মেজাজে ভোট দিয়েছেন উপত্যকাবাসী।

    কোথায় কোথায় ভোট

    এদিন উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন পিপলস কনফারেন্সের প্রধান তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সাজ্জাদ লোন, প্যান্থারস পার্টির সভাপতি দেব সিংহ এবং কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রী চৌধরী লাল সিংহ। এদিন ভোট হয়েছে, কাশ্মীরের কারনা, ত্রেগাম, কুপওয়াড়া, লোলাব, হান্দওয়ারা, লাঙ্গাতে, সোপোর, রাফিয়াবাদ, উরি, বারমুল্লা, গুলমার্গ, ওয়াগুরা-কৃরি, পাট্টান, সোনাওয়ারি (Jammu & Kashmir Assembly Election), বান্দিপোরা এবং গুরেজে। নির্বাচন হয়েছে জম্মুর উধমপুর পূর্ব ও পশ্চিম, চেনানি, রামনগর, বানি, বিল্লাওয়ার, বাসোলি, জাসরোতা, কাঠুয়া, হিরানগর, রামগড়, সাম্বা, বিজয়ুর, বিষ্ণা, সুচেতাগড়, আরএস পুরা, জম্মু পূর্ব ও দক্ষিণ, বাহু, নাগ্রোতা, জম্মু উত্তর ও পশ্চিম, মাড়, আখনু এবং ছাম্বে।

    আরও পড়ুন: ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, রিপোর্ট গেল শাহের মন্ত্রকে

    জম্মু-কাশ্মীরে লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে ন্যাশনাল কংগ্রেস, কংগ্রেস, পিডিপি এবং বিজেপি। বেশ কিছু ছোট দলও রয়েছে লড়াইয়ের ময়দানে। ন্যাশনাল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ছে কংগ্রেস। ‘একলা চলো’ নীতি নিয়েছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উপত্যকায় উন্নয়ন যজ্ঞ এবং জম্মুতে পোক্ত সংগঠন এই জোড়া কারণে ভোট বৈতরণী অনায়াসে পার হয়ে যাবে বিজেপি। তবে ভূস্বর্গের রাশ কার হাতে যাবে, তা জানা (Phase 3 Poll) যাবে ৮ অক্টোবর, ভোটের ফল বেরনোর দিন (Jammu & Kashmir Assembly Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Election Result 2024: সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জঙ্গিপুর বিধানসভার ভোটে থাবা বসিয়ে ‘লিড’ বিজেপির

    Election Result 2024: সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জঙ্গিপুর বিধানসভার ভোটে থাবা বসিয়ে ‘লিড’ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল (Election Result 2024) বিচারে জঙ্গিপুর বিধানসভার দখল নিয়েছে বিজেপি। এই বিধানসভায় ২০২১ সালে তৃণমূলের হয়ে জয়যুক্ত হয়েছিলেন জাকির হোসেন। সেই সময় ৯২৪৮০ ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে হারিয়েছিলেন তিনি। এইবার লোকসভায় তৃণমূলকে পেছনে ফেলে ‘লিড’ দিয়েছে বিজেপি। রাজ্যে ২৯টা আসন পেয়েছে তৃণমূল, আবার এই জঙ্গিপুর লোকসভায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। কিন্তু বিধানসভায় ধরাশায়ী হয়েছে ঘাস ফুল। কিন্তু এই বিপর্যয়ের কারণ কী? দলের কোন্দলে এমনটা ঘটেনি তো? প্রশ্ন অনেক উঠছে।

    কত ভোটে এগিয়ে বিজেপি (Election Result 2024)?

    এই লোকসভা কেন্দ্রে ৮টি অঞ্চল ও জঙ্গিপুর পুরসভা মিলিয়ে ৩২৬৬ ভোটে তৃণমূলের থেকে এগিয়ে (Election Result 2024) রয়েছে বিজেপি। এই কেন্দ্রে মুসলিম ভোট ৫৪ শতাংশ। এমনটা অবশ্য অতীতে কখনও ঘটেনি। তৃণমূলের স্থান এখানে দ্বিতীয় স্থানে এবং তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস-বাম জোট প্রার্থী। বিজেপি এখানে তৃণমূল এবং কংগ্রেস প্রার্থীকে প্রায় ১৬৪০০ ভোট বেশি পেয়ে বাজিমাত করেছে। পাল্টা তৃণমূল নিজের জয়ী বিধানসভায় পিছিয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য, মির্জাপুরে ১৬৬০, দফরপুরে ৮০০, কানুপুরে ১৪০০ এবং রানীনগরে ২৩৭৪ ভোটে এগিয়ে থাকলেও রঘুনাথগঞ্জের জামুয়ার, জরুর, সুতির আহিরণ ও বংশবাটীতে একচেটিয়া ‘লিড’ পেয়েছে বিজেপি। আবার জঙ্গিপুর পুরসভা এলাকার ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে রঘুনাথগঞ্জ শহরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুনঃ পূর্ব মেদিনীপুরের মুসলিম অধ্যষিত অঞ্চলেও লিড দিয়ে বাজিমাত বিজেপির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    সুতি ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সেরাজুল ইসলাম এই বিষয়ে বলেন, “এই এলাকায় ৬টি অঞ্চল রয়েছে। তার দু’টি হল জঙ্গিপুর বিধানসভার অন্তর্গত। আমাকে বলা হয়েছিল এই দুই অঞ্চল বিধায়ক ও ব্লকের সভাপতিরাই দেখবেন।” আবার তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন বলছেন, “দলের পক্ষ থেকে এলাকার প্রাপ্ত ভোট (Election Result 2024) নিয়ে বিশ্লেষণ করব আমরা। আর তা করলেই সামনে আসবে সব তথ্য। কাদের বিরোধিতায় বিজেপির ভোট বৃদ্ধি হয়েছে তা আমরা দেখব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    Gopal Rai: কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নয়! পরবর্তী বিধানসভায় একাই লড়বে আপ, সাফ জানালেন গোপাল রাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪এর লোকসভা ভোটের ফলাফল। আর লোকসভা ভোট মিটতেই এবার বড় ঘোষণা করলেন আপ নেতা গোপাল রাই (Gopal Rai)। পরবর্তী বিধানসভায় কংগ্রেসের (Congress) সঙ্গে জোট নয়, বরং একাই লড়বে আপ (Aam Aadmi Party), বৃহস্পতিবার একথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন গোপাল রাই।  

    আপ নেতার মন্তব্য

    এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনে দলীয় বিধায়ক ও প্রবীণ নেতাদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গোপাল রাই (Gopal Rai) বলেন, ,”এটা শুরু থেকেই পরিষ্কার যে লোকসভা নির্বাচনের জন্য ইন্ডি জোট (INDIA) গঠিত হয়েছিল। আমরা একসঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে লড়েছি। কিন্তু দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে কোনোও জোট নেই। আমরা দিল্লির জনগণের সঙ্গে একসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন লড়ব।” 
    তিনি (Gopal Rai) আরও বলেন, “আমরা সবচেয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নির্বাচনে লড়েছি। আমাদের শীর্ষ নেতারা জেলে। সব আসনেই জয়ের ব্যবধান কমেছে। কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর দলের কর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও কঠিন পরিস্থিতিতেও দল ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং ‘একনায়কতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে ভাল লড়াই করেছে। অন্যদিকে জোটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল দিল্লিতে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের ব্যবধান কমেছে।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে সংসদ ভবনে ঢোকার চেষ্টা! গ্রেফতার ৩

    এছাড়াও এদিন আপ নেতা জানান, আগামী ৮ জুন তাদের  কাউন্সিলরদের সঙ্গে একটি বৈঠক হওয়ার কথা আছে এবং ১৩ জুন দিল্লির সমস্ত দলীয় কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক হবে। বর্তমানে কেজরিওয়াল যেহেতু জেলে রয়েছেন, তাই তাদের লড়াই চলবে। অন্যদিকে নির্বাচনের পরে আদর্শ আচরণবিধি উঠে যাওয়ায় উন্নয়নের কাজে গতি আনতে শনি ও রবিবার কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলের সব বিধায়ক।  
    উল্লেখ্য, দিল্লির লোকসভা ভোটে এবারে কংগ্রেস (Congress) জোট শূন্য ড্র করেছে, অন্যদিকে বিজেপি তৃতীয়বারের জন্য সাতটি সংসদীয় আসনে ক্লিন সুইপ করেছে। আর এরই মধ্যে এবার পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে জোট ছাড়া একাই লড়ার কথা জানিয়ে দিল আপ নেতা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohamed Muizzu: দুই মন্ত্রীকে নিয়ে মোদির শপথ গ্রহণে আসছেন মুইজ্জু?

    Mohamed Muizzu: দুই মন্ত্রীকে নিয়ে মোদির শপথ গ্রহণে আসছেন মুইজ্জু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সন্ধ্যেয় তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ (PM Modis Oath Ceremony) নেবেন নরেন্দ্র মোদি। আর মোদির এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছেন ৫ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছেন মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জুও (Mohamed Muizzu)। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। জানা গিয়েছে রবিবার তিনি সম্ভবত তাঁর মন্ত্রিসভার আরও ২ শীর্ষস্থানীয় সদস্যের সঙ্গে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে চলেছেন। 

    মুইজ্জুকে আমন্ত্রণ জানানো কতটা তাৎপর্যপূর্ণ ? (Mohamed Muizzu)

    উল্লেখ্য, মুইজ্জুর সরকার ক্ষমতায় আসার পর মলদ্বীপের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খারাপ হয়েছে। প্রতিবেশি দেশটির সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা ক্রমশ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মোদির শপথগ্রহণে মলদ্বীপের ‘চিনপন্থী’ প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানো তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। অনেকের মতেই মুইজ্জুকে আমন্ত্রণ চিনকে চাপে রাখার কৌশল। 

    আরও পড়ুন: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    আর কারা কারা আমন্ত্রিত? 

    তবে শুধু মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতিই নন, নমোর অভিষেকে (PM Modis Oath Ceremony) আমন্ত্রিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের তালিকায় আছেন, ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোগবে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক-সহ আরও অনেকে। 

    মোদিকে শুভেচ্ছাবার্তা মুইজ্জুর

    প্রসঙ্গত, তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তাঁর এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহম্মদ মুইজ্জুও (Mohamed Muizzu)। 

    তবে যে পাঁচ দেশের রাষ্ট্রনেতারা আসছেন তাঁদের সঙ্গে মোদি বৈঠকে বসবেন কি না তা এখনও জানা যায়নি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে ভারতের প্রভাব বা গুরুত্ব কতখানি তা সকলের জানা। বিভিন্ন সংঘাতে দিল্লি (Delhi) যেভাবে শান্তির পথ তুলে ধরেছে তা রাষ্ট্রসঙ্ঘেও প্রশংসিত হয়েছে। ফলে এখন কমবেশি সব দেশই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে চাইছে। যার প্রমাণ মিলেছে মোদিকে পাঠানো বিভিন্ন দেশের শুভেচ্ছাবার্তায়। ফলে আগামীদিনে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ কী হয় সেদিকেই নজর সকলের।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    Abhijit Gangopadhyay: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (NDA 3.0)। তবে বদল হয়েছে শপথ নেওয়ার দিন। আগে শনিবারে এই অনুষ্ঠানের দিন ধার্য করা হলেও পরে সেই দিনের বদল ঘটেছে। জানা গিয়েছে, রবিবার ৯ জুন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মোদি। কিন্তু শপথ গ্রহণের আগে শুক্রবার দিল্লিতে নব নির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপির (NDA 3.0) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, শুক্রবার বৈঠক হবে। সাংসদদের নিয়ে ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন বাংলা থেকে নির্বাচিত সাংসদরা। শুক্রবারের সভায় উপস্থিত থাকবেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, এবারও সাংসদের মধ্যে কয়েকজনকে নিয়ে আলাদা বৈঠক করতে পারেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    বাংলা থেকে কারা পেতে পারেন মন্ত্রিত্ব?   

    তবে এবার বাংলা থেকে মন্ত্রিসভায় কারা থাকবে তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। এর মধ্যে তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নাম নিয়ে চর্চা চলছে। সূত্রের খবর, বাংলা থেকে এবার মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন ২ জন। জানা যাচ্ছে এই নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন অমিত শাহ। সেখানেই বাংলা থেকে ২ জনকে মন্ত্রী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ থেকে মনোজ টিগ্গা ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijit Gangopadhyay) মন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বঙ্গ বিজেপির অন্দরে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রের আইন প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন অভিজিৎবাবু। অন্যদিকে আবার এও শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রী সভায় স্থান পেতে চলেছেন শান্তনু ঠাকুর।  

    এছাড়াও মালদা উত্তর কেন্দ্রের দুবারের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর নাম নিয়ে চলছে আলোচনা। আলোচনায় রয়েছেন জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়ও। আরও একটি নাম নিয়ে চর্চা চলছে। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে আবার রাজ্য বিজেপির (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদারেরও মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। তবে সবই রয়েছে জল্পনার মধ্যে। কারণ, দিন শেষে সব সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ফলে সিদ্ধান্তে যে কোনও রদবদল যে কোনও সময় আসতেই পারে তা বলাই বাহুল্য। 

    আরও পড়ুন: সাংসদ কঙ্গনাকে চড় মারায় নিন্দার ঝড়, অভিযুক্ত জওয়ানকে সাসপেন্ড

    তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে মোদি (NDA 3.0) 

    প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের ফল বেরতেই এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিজেপির ঝুলিতে ছিল ২৪০ আসন যা ম্যাজিক ফিগারের অনেক নীচে। তবে এনডিএ-এর ঝুলিতে রয়েছে ২৯২ আসন। ফলে সরকার গড়তে বিজেপি এখন শরিক নির্ভর। তাই লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর বুধবারই বৈঠকে বসে এনডিএ শিবির। এনডিএ বৈঠকে (NDA 3.0) নরেন্দ্র মোদি সর্বসম্মতিক্রমে নেতা নির্বাচিত হন। তাই শরিকদের সমর্থন পেতেই তৃতীয়বারের জন্য মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে আর কোনও বাধা রইল না। 

    তবে চন্দ্রবাবু নায়ডুর টিডিপি এবং নীতীশ কুমারের জেডিইউ উভয়েই লোকসভার স্পিকার পদের দাবিদার। পাশাপাশি, মন্ত্রিসভায় নিজের দলের কমপক্ষে ৪ জনকে দেখতে চেয়েছেন চন্দ্রবাবু নায়ডু। ওদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে জেডিইউ-র মোট ৫ জনকে রাখার দাবি জানিয়েছেন নীতীশ কুমারও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Delhi Lok sabha election: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

    Delhi Lok sabha election: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে লোকসভা (Delhi Lok sabha election) আসনের সংখ্যা মাত্র সাতটি। কিন্তু দেশের ক্ষমতায় থাকার জন্য রাজধানীতে নিজেদের অবস্থান ভালো রাখতে চায় যে কোনও রাজনৈতিক দলই। সে ধারাবাহিকতায় কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির (আপ) জোটকে পেছনে ফেলে এবারের লোকসভা ভোটে দিল্লির ৭ আসনেই জয়ী হল বিজেপি। দেশের বেশির ভাগ রাজ্যে ইন্ডি জোট ভালো ফল করলেও দিল্লিতে (Delhi) কিন্তু দাঁত ফোটাতে পারেনি তারা। ফলাফল এতটাই হতাশা জনক হয় যে ৯১ শতাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। অর্থাৎ রাজধানীতে অবস্থান ধরে রাখার লড়াইয়ে এবার এগিয়ে গেল বিজেপি।  
    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাতটি আসনের ১৬২ জনের মধ্যে ১৪৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত (security deposits) হয়েছে। এর মধ্যে চাঁদনি চক থেকে ২৩ জন, নিউ দিল্লি থেকে ১৫ জন, দক্ষিণ দিল্লি থেকে ২০ জন, পূর্ব দিল্লি থেকে ১৮ জন, পশ্চিম দিল্লি থেকে ২২ জন, উত্তর পূর্ব দিল্লি থেকে ২৬ জন এবং উত্তর পশ্চিম দিল্লি থেকে ২৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।    

    কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? (Delhi Lok sabha election)  

    নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে, একজন প্রার্থীকে তাঁর জামানত রক্ষার জন্য নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটের কমপক্ষে এক-ষষ্ঠাংশ অর্থাৎ ১৬.৬৭ শতাংশ ভোট অর্জন করতে হবে। তা না হলে সাধারণের জন্য ২৫,০০০টাকা এবং তফসিলি জাতি প্রার্থীদের জন্য ১২,৫০০ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে। আসলে নির্বাচনী আইনে প্রার্থী হওয়াতে কোনও সংখ্যা বেঁধে দেওয়া নেই। তবে ইচ্ছামতো বা সখে প্রার্থী হওয়া আটকানোর একমাত্র উপায় হল, জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা অর্থ ফেরত না পাওয়া। এবার নির্বাচন কমিশনের সেই আইনেই দিল্লির ৯১ শতাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: উত্তরে ভারী বৃষ্টি আর দক্ষিণে চরম অস্বস্তি! আবারও ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ

    সাত আসনেই জয়ের ধারা অব্যাহত বিজেপির

    প্রসঙ্গত, এ বার দিল্লিতে (Delhi) ৪-৩ সমীকরণে আসন সমঝোতা হয়েছিল আপ এবং কংগ্রেসের মধ্যে। তা-ও আবার একেবারে শেষ মুহূর্তে। ছাড়বে না, ছাড়বে না করেও আপ শেষমেশ কংগ্রেসকে ৩টি আসন দিয়েছিল। আপ লড়েছিল ৪টি আসনে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল আপ এবং কংগ্রেস কেউই খাতা খুলতে পারল না। সবকটি আসনে (Delhi Lok sabha election) জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপিই।
    উল্লেখ্য, সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের (Delhi Lok sabha election) মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে বিজেপি, দ্বিতীয় স্থানে ইন্ডি জোট আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন বিএসপির প্রার্থীরা। ১৪ জন বিজয়ী এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী ছাড়া অন্য প্রার্থীদের কেউই ২০,০০০ ভোটের সংখ্যা অতিক্রম করতে পারেনি। চাঁদনি চক থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অশোক কুমার গুপ্ত মাত্র ১৪০ ভোট পান, যা সাতটি আসনে ভোটের সংখ্যার মধ্যে সর্বনিম্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: অভব্যতার চূড়ান্ত নিদর্শন! জয়ের আগেই রেখা পাত্রকে তাড়া তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের

    Lok Sabha Elections 2024: অভব্যতার চূড়ান্ত নিদর্শন! জয়ের আগেই রেখা পাত্রকে তাড়া তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবে গণনার কিছু ঘণ্টা পেরিয়েছে। আর এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এগিয়ে থাকার খবরে বিজয় উৎসব শুরু করেছে তৃণমূল। একাধিক এলাকা থেকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠে আসছে। শুধু তাই নয় এবারের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Elections 2024) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী সন্দেশখালির রেখা পাত্রকে দেখা মাত্রই তেড়ে গেলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। সাময়িকভাবে এলাকায় তৈরি হয় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। রেখাকে তাড়া করে গণনাকেন্দ্রের পাশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলে। 

    রেখাকে দেখে তেড়ে গেলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা

    এখনও পর্যন্ত বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে কিছু ভোটে (Lok Sabha Elections 2024) পিছিয়ে রয়েছেন সন্দেশখালির রেখা পাত্র। জয়ের পথে এগিয়ে হাজি নুরুল ইসলাম। আর সেজন্যই বিজেপি প্রার্থীকে দেখে রে রে করে তেড়ে গেলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। 
    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাসে সন্দেশখালি জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। সন্দেশখালি আন্দোলন, নারী নির্যাতনের অভিযোগ রীতিমতো শোরগোল ফেলেছিল গোটা বাংলায়। সেসময় রেখা পাত্র বাচ্চা কোলে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে তৃণমূল নেতৃত্ব ও পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দেন। সেই রেখা পাত্রকেই টিকিট দেয় বিজেপি। গণনা শুরুর প্রথম দিকে রেখা এগিয়ে থাকলেও, পড়ে পিছিয়ে পড়েন তিনি। এরপর গণনাকেন্দ্র (Election Result) ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রেখার গাড়ির পেছনে কার্যত তাড়া করেন তৃণমূলের কর্মীরা। তাঁকে দেখে জয় বাংলা স্লোগানও দেওয়া শুরু হয়।

    একই ঘটনা দিলীপ ঘোষের সঙ্গেও  

    অন্যদিকে এই একই ছবি দেখা গেল বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রেও। সেখানেও তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের থেকে কিছু ভোটে (Lok Sabha Elections 2024) পিছিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। আর এদিন রাস্তায় দিলীপ ঘোষকে দেখেও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা।

    আরও পড়ুন: কুকুরে খুবলে খাচ্ছে মানবখুলি! হাড় হিম করা ঘটনা মালদায়

    বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ

    অন্যদিকে ফলাফল (Election Result) প্রকাশের আগেই সন্দেশখালির সড়বেড়িয়ায় বড় আজগরা, ভাটিদহ, ঝারিপাড়া, রামপুর বাগদি পাড়া-সহ একাধিক এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে সড়বেরিয়ার বড় আজগরায় চার জন বিজেপি সমর্থকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।  
    অর্থাৎ বলা যেতে পারে রাজ্যজুড়ে চলছে একেবারে চূড়ান্ত অরাজকতার বাতাবরণ। ফলাফল ঘোষণার আগেই এভাবে বিজয় উৎসব ও বিরোধীদলের প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর একের পরে হামলার ঘটনা রাজ্য জুড়ে সৃষ্টি করছে উত্তপ্ত পরিস্থিতির। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha election results: ভোটের ফল প্রকাশের আগে নাড্ডার বাসভবনে জরুরি বৈঠকে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব

    Lok Sabha election results: ভোটের ফল প্রকাশের আগে নাড্ডার বাসভবনে জরুরি বৈঠকে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই শুরু হবে ভোট গণনা (Lok Sabha election results)। আর তার আগে সোমবার বিজেপি (BJP) সভাপতি জেপি নাড্ডার বাড়িতে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে (BJP Meeting) বসলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। এদি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ আরও একাধিক বিজেপি নেতারা। উপস্থিত ছিলেন বিনোদ তাওড়ে, মনোহরলাল খট্টর, অশ্বিনী বৈষ্ণব, তরুণ চুঘ, শিবপ্রকাশ, মনসুখ মান্ডভিয়া এবং বিএল সন্তোষের মতো নেতারা।

    রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর্যালোচনা 

    এদিন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতারা পর্যালোচনা করেন বলে জানা গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপির দ্বিতীয় সরকার বিদায়ের পথে। তার আগে বিভিন্ন এক্সিট পোলের তরফে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের বড় জয়ের (Lok Sabha election results)ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। 
    অন্যদিকে রবিবার কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া ব্লকের এক প্রতিনিধিদল কমিশনের কাছে অভিযোগ করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অখণ্ডতাকে নষ্ট করা হচ্ছে। ভোট গণনার (Lok Sabha election results) সময় হিংসা ও অশান্তি রুখতে কমিশনের কাছে আর্জি জানায় বিরোধীরা। তবে এরপরেই বিজেপির তরফেও এক প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে কথা বলে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া ব্লকের তরফে ইভিএমের ফল ঘোষণার আগে পোস্টাল ব্যালট গণনা করা এবং তার ফলফল ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করা হয়। বিরোধীদের তরফে আরও দাবি করা হয়, গণনার (Election Result) ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করতে হবে এবং সেগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা তাও নিশ্চিত করতে হবে।

    আরও পড়ুন: চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত গণনা কেন্দ্র ছাড়বেন না! এজেন্টদের বিশেষ বার্তা বিজেপি নেতৃত্বের

    কেন এই বৈঠক? 

    বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা উপস্থিত থাকলেও সরকারিভাবে এই বৈঠক (BJP Meeting) নিয়ে কোনও কথা বলা হয়নি দলের তরফে। তবে সূত্রের খবর, নির্বাচনের ফল (Lok Sabha election results) ঘোষণার পরে বিরোধীদের মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় ওই বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: ‘চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত…’! এজেন্টদের বিশেষ বার্তা বিজেপি নেতৃত্বের

    Loksabha Election 2024: ‘চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত…’! এজেন্টদের বিশেষ বার্তা বিজেপি নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই শুরু ভোট (Loksabha Election 2024) গণনা। আর তার আগে প্রস্তুতি চালাচ্ছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। চূড়ান্ত ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত গণনা কেন্দ্র ছাড়বেন না বলে পোলিং এজেন্টদের (Bjp Prepare Counting Agent) বার্তা দিল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিজেপি নেতৃত্বের বার্তা

    কাউন্টিং এজেন্টদের বিজেপি নেতৃত্বের বার্তা, প্রত্যেক রাউন্ডের পরে হিসাব মিলিয়ে নিতে হবে। কোনও গুজবে কান দেওয়া যাবে না। গুজব শুনে গণনা (Loksabha Election 2024) কেন্দ্রের টেবিল ছাড়লে হবে না। যেমন, অমুক আসনে তৃণমূল জিতে গিয়েছে, তাই এখানেও জিতে যাবে, এখানে থেকে কী হবে?, এই ধরনের মানসিকতা যেন কোনওভাবেই না কাজ না করে। ভুয়ো কোনও খবর শুনে গণনা কেন্দ্র ছাড়া যাবে না। ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশন আধিকারিকদের জানানোর (Bjp Prepare Counting Agent) কথাও বলা হয়েছে বলে খবর। কোনও সন্দেহ হলে পুনরায় গণনার দাবি জানাতে হবে। গণনা কেন্দ্রের বাইরে কর্মী-সমর্থকদের জমায়েত সময়ের সঙ্গে বাড়াতে হবে। পাশাপাশি এজেন্টদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে চলার কথাও বলা হয়েছে। কোনও এজেন্ট সমস্যায় পড়লে পাশেরজন তাঁকে সাহায্য করবেন।

    এজেন্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ (Bjp Prepare Counting Agent) 

    উল্লেখ্য, প্রায় সব সংস্থারই বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে নরেন্দ্র মোদি। বাংলাতেও বিজেপির আসন বৃদ্ধির আভাস মিলছে একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট থেকে। তবে এ প্রসঙ্গে বিজেপির বক্তব্য, এগজিট পোলে বিজেপি জিতে গিয়েছে দেখে গণনাকেন্দ্রে ফুরফুরে মেজাজে থাকলে তৃণমূল শিবির শেষবেলায় খেলা ঘুরিয়ে দিতে পারে। তাই এজেন্টদের বারবার সতর্ক করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। এই উদ্দেশ্যেই চার ধাপে ভাগ ভাগ করে রবিবার জেলা সভাপতি, প্রার্থী, কেন্দ্র ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় সেখানে। সোমবারও আবার গণনা কেন্দ্রের কর্মীদের এলাকা ভিত্তিক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলেছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: চুরি করতে এসে এসি ঘরে ঘুমিয়ে গেল চোর! পুলিশের ডাকে ভাঙল ঘুম 

    সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশ 

    রবিবার সুকান্ত মজুমদার-সহ রাজ্য বিজেপির তাবড় নেতারা দফায় দফায় বৈঠক সারেন দলের কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মঙ্গলবার গণনা। কাউন্টিং এজেন্টদের আমরা বলেছি, এগজিট পোলে (Loksabha Election 2024)  কী দেখিয়েছে, তা নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গণনাকেন্দ্রগুলিতে মাটি কামড়ে পড়ে থাকতে হবে।” 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share