Tag: election news

election news

  • Lok Sabha Election 2024: বেআইনি কালো টাকার ব্যবহারকে আটকাতে কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    Lok Sabha Election 2024: বেআইনি কালো টাকার ব্যবহারকে আটকাতে কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ভোটে বেআইনি অর্থ বা কালো টাকার ব্যবহারকে আটকাতে এবার কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, অবৈধ লেনদেন আটকাতে এখন থেকে ব্যাঙ্কের গাড়িতে নজরদারি চালানো হবে। এটিএমে টাকা পাঠানোর গাড়িকেও পরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অপর দিকে বাংলায় নির্বাচন কমিশন এখনও পর্যন্ত ৮১ কোটি টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    কমিশনের বক্তব্য (Lok Sabha Election 2024)

    গত শনিবার লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশের সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেন, “এইবারের ভোটে ৪ ‘ম’ বা ‘এম’ বিষয়ে অপব্যবহার আটকাতে কড়া নজর রাখবে কমিশন। এই ৪ ‘এম’ বা ‘ম’-এর মধ্যে একটি হল মানি পাওয়ার বা আর্থিক ক্ষমতা। দেশের রাজনৈতিক দলগুলি আর্থিক ক্ষমতার জোরে ভোট কিনে থাকে। তাই এই প্রবণতাকে কড়া হাতে দমন করবে কমিশন।” এই দমন করার অন্যতম কৌশল হল এটিএম ভ্যানে নজরদারি। গাড়িতে নজরদারি, ব্যাঙ্কের গাড়ি বা এটিএমের টাকা পাঠানোর গাড়িতে ‘কিউআর কোড’ ব্যবহার করা হবে।

    ৮১ কোটি টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত

    লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে নগদ, মদ ও মাদক মিলিয়ে ৮১ কোটি টাকার সামগ্রী বাংলায় নির্বাচন কমিশন বাজেয়াপ্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১ মার্চ থেকে বেআইনি মদ বাতিল হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৭২৬ টি এমসিসি ভঙ্গের ঘটনার তথ্য জমা পড়েছে। ১৯ শে এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলপুরদুয়ারে এখনও পর্যন্ত ১০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। এরমধ্যে কোচবিহারেই ৬ হাজারের বেশি। একই সঙ্গে দার্জিলিং, উত্তর মালদা, দক্ষিণ মালদা, আসানসোল, বনগাঁ, কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণ, এই ৬ কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে কমিশন। এইসন জায়গায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মনে করে বাড়তি নজর রাখবে কমিশন। বেআইনি টাকা উদ্ধারের ঘটনা ২০১৪ সালে যেমন হয়েছে, ঠিক ২০২১ সালেও হয়েছে। ফলে বাংলায় কমিশনের নজর যে বিশেষভাবে রয়েছে, সেকথা বলা বাহুল্য।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Lok Sabha Election 2024: ভোটে সন্ত্রাস রুখতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ভোটে সন্ত্রাস রুখতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) সন্ত্রাস রুখতে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল নির্বাচন কমিশন। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার জানিয়েছেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে বেশ কিছু বাধা তাঁদের পেরোতে হবে বলেও জানান রাজীব কুমার। তার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, যারা ২৪ ঘণ্টাই দায়িত্ব পালন করবে। হিংসা বা রক্তক্ষয় কোনওভাবেই হতে দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন রাজীব কুমার। তিনি আরও জানিয়েছেন, কারও কোনও অভিযোগ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে কমিশনকে জানানো যাবে। সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করবে কমিশন। ১৯৫০ নম্বরে ফোন করলেই ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। কমিশন এদিন বার্তা দিয়েছে , 4M-এর। এগুলি হল- muscle, money, misinformation ও model Code violations. অর্থাৎ পেশিশক্তি, বেআইনি অর্থ, ভুল তথ্য ও আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গকারী সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের। জেলাশাসকদের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগও করা হয়েছে। কোনওরকম অস্থায়ী এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের দায়িত্বে না রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন।

    ‘নো ইওর ক্যান্ডিডেট’ নামে নতুন একটি অ্যাপ চালু করা হচ্ছে 

    রাজীব কুমার এদিন আরও জানান, কয়েকটি রাজ্যে ভোটে টাকার ব্যবহার বেশি হয়। সেগুলির দিকেও কমিশন সর্বদা নজর রাখবে। টাকার অপব্যবহার কোনওভাবেই হতে দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। এর জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে ইতিমধ্যে কথাও বলেছে কমিশন। ভোটের আগে কোনওরকম উপঢৌকন যাতে না দেওয়া হয়, সেবিষয়েও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত বিমানবন্দরগুলির দিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে সকলকে ভোট দিতে আসার আবেদনও জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও জানান, ‘নো ইওর ক্যান্ডিডেট’ নামে (Lok Sabha Election 2024) নতুন একটি অ্যাপ চালু করা হচ্ছে, যেখানে প্রার্থীদের বিষয়ে বিশদে জানা যাবে।

    কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে?

    ১. মনিটরিংয়ের জন্য প্রতিটি জেলায় কন্ট্রোল রুম তৈরি হবে।
    ২. ড্রোনের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চালানো হবে।
    ৩. চুক্তিভিত্তিক এবং অস্থায়ী কর্মীরা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের কাজে ব্যবহার করা হবে না
    ৪. ভোটের আগে এবং ভোটের পরের কোনও সন্ত্রাস বরদাস্ত করা হবে না।
    ৫. যে কোনও অভিযোগ পেলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে
    ৬. সন্ত্রাস-মুক্ত ভোট করাতে ডিএম এবং এসপি-দের দায়িত্ব নিতে হবে
    ৭. মোট ৩৪ হাজার কোটি টাকা ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
    ৮. বিএসএফ, আইটি, নারকোটিক্স, জিএসটি সহ একাধিক এজেন্সিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হবে।
    ৯. ব্যাঙ্কের তরফে সমস্ত তথ্য নিয়মিত পাঠানো হচ্ছে।
    ১০. দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে।
    ১১. হেলিকপ্টার এবং ব্যক্তিগত বিমান নামলে ভিতরে থাকা সমস্ত সামগ্রী তল্লাশি করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Assembly Elections 2024: লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্টও ঘোষিত

    Assembly Elections 2024: লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্টও ঘোষিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নির্বাচন কমিশন দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে দেশের লোকসভা এবং কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। এই সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। চার রাজ্যেের বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কে বলা হয়, ওড়িশা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হবে ৪ দফায়। একই ভাবে অরুণাচল প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সিকিমের বিধানসভা নির্বাচন হবে ১ দফায়। তবে এই রাজ্যগুলিতে একইসঙ্গে হবে লোকসভার নির্বাচনও। সেই সঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভার ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ জুন।

    ওড়িশা রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    ওড়িশা রাজ্যের মোট বিধানসভার (Assembly Elections 2024) আসন সংখ্যা হল ১৪৭। এখানে ম্যাজিক ফিগার হল ৭৪। এই রাজ্যের মোট ৪ দফায় নির্বাচন হবে। প্রথম দফায় হবে ১৩ মে, দ্বিতীয় দফায় হবে ২০ মে, তৃতীয় দফায় হবে ২৫ মে এবং চতুর্থ দফায় হবে ১ জুন। ২০১৯ সালের বিধানসভায় ১১২ টি আসনে জয়ী হয়ে ছিল বিজেডি। ২৩টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। বিপুল সংখ্যা নিয়ে ক্ষমতায় বসেন নবীন পট্টনায়ক। এই সরকারের মেয়াদ শেষ হবে ২ জুন।

    সিকিম বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    সিকিম বিধানসভার (Assembly Elections 2024) মোট আসন ৩২। ম্যাজিক ফিগার হল ১৭। এক দফায় ১৯ এপ্রিল ভোট হবে এই রাজ্যে। আপাতত সিকিমের কুর্সিতে আছে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা (এসকেএম)। মুখ্যমন্ত্রী হলেন প্রেম সিং তামাং। তাঁর কাছে রয়েছে মোট ১৭ জন বিধায়ক।

    অন্ধ্রপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    অন্ধ্রপ্রদেশে মোট বিধানসভা আসনের (Assembly Elections 2024) সংখ্যা হল ১৭৫। কমিশনের সূত্রে বলা হয়েছে, এই রাজ্যে একটি দফায় ভোটগ্রহণ হবে। আগামী ১৩ মে ভোটগ্রহণ হবে। ২০১৯ সালে এই রাজ্যের মোট আসনের ১৫১টিতে জয় হয়েছিল ওয়াইএসআরসিপি। তেলেগু দেশম পার্টি পেয়েছিল ২৩ টি। উল্লখ্য কংগ্রেস এবং বিজেপি কোনও আসন পায়নি। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাজ করেছেন ওয়াইএস জগনমোহন রেড্ডি। ২০২৪ সালে বিজেপির সঙ্গে জোটসঙ্গী হয়েছে টিডিপি এবং পবন কল্যাণের জনসেনা পার্টি।

    অরুণাচল বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections 2024)

    অরুণাচল প্রদেশে মোট বিধানসভা আসনের (Assembly Elections 2024) সংখ্যা হল ৬০। এই রাজ্যে একটি দফায় ১৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে। ২০১৯ সালে বিধানসভার নির্বাচনে ৪১ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। জনতা দল পেয়েছিল ৭ টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি পেয়েছিল ৫ টি, আর কংগ্রেস ৪ টি। পিপলস পার্টি অফ অরুণাচল একটি আসনে এবং নির্দলরা দুটি আসনে জিতেছিল। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন পেমা খান্ডু। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৩টি তে জয়ী হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড? ব্যাখ্যা দিতে হবে দলকে, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড? ব্যাখ্যা দিতে হবে দলকে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। তার মধ্যে অন্যতম হল অপরাধের ‘রেকর্ড’ থাকা ব্যক্তিকে কোনও দল (Lok Sabha Election 2024) যদি প্রার্থী হিসাবে বাছে, তাহলে ওই পার্টিকে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে, কেন এমনজনকে প্রার্থী হিসাবে বাছা হল। এর পাশাপাশি প্রার্থীকে নিজের সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিতে হবে সংবাদমাধ্যমে। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। রাজীব কুমার বলেন, ‘‘সব রাজনৈতিক দলকে অপরাধের ‘রেকর্ড’ থাকা প্রার্থীদের টিকিট দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে। প্রার্থীদের অন্তত তিন বার সংবাদমাধ্যমে নিজেদের তথ্য প্রকাশ করতে হবে।’’

    cVigil App-এর মাধ্যমে ভোটাররা প্রার্থীর অপরাধের রেকর্ড দেখতে পাবেন

    শনিবার দিল্লির বিজ্ঞানভবনে বিকাল ৩টে নাগাদ নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের সময় এই মন্তব্য করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশবার রাজীব কুমার। তিনি জানিয়েছেন, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের (Lok Sabha Election 2024) প্রার্থীর হলফনামা দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষও। দেখা যাবে তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অপরাধ মামলার রেকর্ডও। জানা গিয়েছে,  cVigil App-এর মাধ্যমে ভোটাররা প্রার্থীর অপরাধের রেকর্ড দেখতে পাবেন। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের কোনও রেকর্ড থাকলে, তাও দেখা যাবে। জানা যাবে তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণও।

    ১৮তম লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন

    পূর্ব ঘোষণা মতোই শনিবার ১৮তম লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। এদিন বিকাল ৩টে থেকে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। কমিশনের সাংবাদিক বৈঠকে জানা গিয়েছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোট ভোটার ৯৬.৮ কোটি (৪৯.৭ কোটি পুরুষ – ৪৭.১ কোটি মহিলা)। বুথের সংখ্যা ১০.৫ লাখ। দেশে মোট ৭ দফায় ভোট হবে, পশ্চিমবঙ্গেও তাই। একইসঙ্গে, রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করা হয়েছে এদিন। লোকসভা ভোটের সঙ্গেই ওই দুই কেন্দ্রে হবে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণও। লোকসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে ১৯ এপ্রিল থেকে, চলবে ১ জুন পর্যন্ত। ভোট গণনা হবে ৪ জুন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ কমিশনের, বাংলায় ভোট ৭ দফায়, কবে কোন আসনে?

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ কমিশনের, বাংলায় ভোট ৭ দফায়, কবে কোন আসনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব ঘোষণা মতোই শনিবার ১৮তম লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। এদিন বিকাল ৩টে থেকে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। কমিশনের সাংবাদিক বৈঠকে জানা গিয়েছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোট ভোটার ৯৬.৮ কোটি (৪৯.৭ কোটি পুরুষ – ৪৭.১ কোটি মহিলা)। বুথের সংখ্যা ১০.৫ লাখ। দেশে মোট ৭ দফায় ভোট হবে, পশ্চিমবঙ্গেও তাই। একইসঙ্গে, রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করা হয়েছে এদিন। লোকসভা ভোটের সঙ্গেই ওই দুই কেন্দ্রে হবে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণও। 

    কোন কোন তারিখে পশ্চিমবঙ্গে ভোট?

    প্রথম দফা – ১৯ এপ্রিল – কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে ভোট
    দ্বিতীয় দফা – ২৬ এপ্রিল – রায়গঞ্জ, বালুরঘাট, দার্জিলিঙে ভোট
    তৃতীয় দফা – ৭ মে – মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুরে ভোট
    চতুর্থ দফা – ১৩ মে – বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বোলপুর, বীরভূম, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোলে ভোট 
    পঞ্চম দফা – ২০ মে – শ্রীরামপুর, ব্যারাকপুর, হুগলি, বনগাঁ, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, আরামবাগে ভোট   
    ষষ্ঠ  দফা – ২৫ মে – পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, কাঁথি, তমলুক, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, বিষ্ণুপুরে ভোট
    সপ্তম  দফা – ০১ জুন – উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর, জয়নগর, বসিরহাট, বারাসত, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, দমদমে ভোট

    দুই বিধানসভায় উপ-নির্বাচন

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রেও উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন৷ মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ও উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু। ৭মে ভগবানগোলা ও ১ জুন বরানগরে উপনির্বাচন হবে। ভগবানগোলার তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিশ আলি কিছু দিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন৷ অন্যদিকে বরানগরের তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ওই আসনটিও খালি হয়েছে৷ সেই কারণেই এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন করাতে হচ্ছে৷ 

    ভোট গণনা ৪ জুন

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ভোট গণনা ৪ জুন। অর্থাৎ মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হল, পুরো ভোট প্রক্রিয়া চলবে জুন মাস পর্যন্ত। বাংলায় ভোটার সংখ্যা ৭.৫৮ কোটি। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৩.৮৫ কোটি এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৩.৭৩ কোটি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ১০ মার্চ ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছিল। গতবারও সাত দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল নির্বাচন। ১১ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভোট এবং ২৩ মে হয় ভোটগণনা। বিজেপি পেয়েছিল ৩০৩টি আসন এবং কংগ্রেস পেয়েছিল ৫২টি আসন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    Shamik Bhattacharya: সুবক্তা, দলের একনিষ্ঠ সৈনিক শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সুবক্তা। দলের প্রতি আনুগত্য অটুট। দল বিরোধী কথা বলেননি কখনওই। তাঁর (Shamik Bhattacharya) প্রতি বরাবরই খুশি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রয়েছেন দলের মুখপাত্র হিসেবে। এহেন একনিষ্ঠ নেতা শমীক ভট্টাচার্যকেই রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে বিজেপি।

    কমিটির মাথায় শমীক

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ৩৫টি আসন পাওয়ার লক্ষ্যে লড়ছে বিজেপি। এজন্য গঠন করা হয়েছে ৩৫টি কমিটি। এরই একটি কমিটিতে রয়েছেন শমীক। কোন বক্তা কী বলবেন, প্রচারে গুরুত্ব দেওয়া হবে কোন কোন বিষয়কে, এসব ঠিক করতে যে কমিটি গড়া হয়েছে পদ্ম শিবিরে, সেই কমিটিরই মাথায় বসানো হয়েছে শমীককে (Shamik Bhattacharya)। সব সময় দলের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। বিজেপিতে কোনও প্রশিক্ষণ হলেও, তলব করা হয় শমীককে।

    বাংলায় পদ্ম চিহ্নের প্রথম বিধায়ক

    এসব ছাড়াও শমীকের আরও একটি পরিচয় রয়েছে। পদ্ম চিহ্নে জিতে বাংলার প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল-বিজেপি জোটের প্রার্থী হিসেবে শমীকের আগে জয়ী হয়েছিলেন বাদল ভট্টাচার্য। তবে বিজেপি একাই লড়ে যে বার বিধানসভায় প্রতিনিধি পাঠাতে সক্ষম হয়, সেবারই জিতেছিলেন শমীক। জিতেছিলেন বসিরহাট থেকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য দমদম কেন্দ্রে হেরে যান তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শমীককে প্রার্থী করা হয় রাজারহাট নিউটাউনে। এবারও পরাস্ত হন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “হাজার টাকা দেবে লক্ষ্মীর ভান্ডারে, রাত কাটাতে হবে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে”, আক্রমণ সুকান্তর

    তাঁকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হচ্ছে শুনে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শমীক। বলেন, “দলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ, সংগঠনের কাছে কৃতজ্ঞ। সর্বোপরি, বাংলার মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য মনোনীত করেছেন। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে বাংলার মানুষ আমাদের সেই সংখ্যা দিয়েছেন যাতে আমরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় একজন সদস্য পাঠাতে পারি।”

    এদিন খানিকটা নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন শমীক। বলেন, “সেসব দিনের কথা খুব বেশি করে মনে পড়ছে, যখন আমি, রাহুলদা (রাহুল সিনহা) পার্টি অফিসে বসে থাকতাম। আটের দশক তখন। বুদ্ধদেববাবু বলতেন, যাঁদের বিধানসভায় কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই, সর্বদলীয় বৈঠকে আমরা তাঁদের ডাকি না। সেদিনের সেসব কথা খুব মনে পড়ছে। অনেকে হয়ত আমাদের মধ্যে নেই। থাকলে খুশি হতেন যে কলকাতা থেকে রাজ্যসভায় আমরা প্রতিনিধিত্ব করতে পারব। সেটাই বারবার মনে হচ্ছে (Shamik Bhattacharya)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    Mizoram Assembly Polls: রাত পোহালেই ভোট গণনা চার রাজ্যে, পিছল মিজোরামের ফল ঘোষণার দিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। হ্যাঁ, ছিল। তবে এখন আর তা হচ্ছে না। এতে অবশ্য হতাশ হওয়ার কিছু নেই। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে রবিবার ভোট গণনা হবে রাজস্থান সহ চার রাজ্যের। বাদ থাকবে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরাম (Mizoram Assembly Polls)। এ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা হবে সোমবার। আজ, শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানাল নির্বাচন কমিশন। রবিবারের পরিবর্তে সোমবার ফল ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিল মিজোরামের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন। তাদের সেই আর্জি মেনেই এ রাজ্যের ভোট গণনা হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    মিজো নাগরিক সংগঠনের দাবি

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই মিজোরামের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গির্জাগুলির যৌথমঞ্চ দাবি জানিয়েছিল, রবিবার যেন সেখানে ভোট গণনা না হয়। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল মিজো নাগরিক সংগঠন। কমিশনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পক্ষ থেকে গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের (Mizoram Assembly Polls) পরিবর্তে অন্য দিন করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কারণ রবিবার মিজোরামবাসীর কাছে বিশেষ দিন। এই অনুরোধ বিবেচনা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মিজোরামে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন ৩ ডিসেম্বর, রবিবারের পরিবর্তে হবে ৪ ডিসেম্বর, সোমবার।

    পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন

    চলতি মাসেই শেষ হয়েছে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, তেলঙ্গনা ও মিজোরাম বিধানসভার নির্বাচন। ফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল ৩ ডিসেম্বর। কিন্তু মিজো নাগরিক সংগঠনের আর্জি মেনেই বদল হয়েছে ফল ঘোষণার দিন। সংগঠনের দাবি, মিজোরামের ৮৮ শতাংশ মানুষই খ্রিস্টান। রবিবার গির্জায় প্রার্থনা করতে যান তাঁরা। তাই এদিন ভোট গণনা হলে, সমস্যায় পড়বেন তাঁরা। মিজোরামের ১৫টি গির্জার যৌথ মঞ্চও এ ব্যাপারে আলাদা করে বার্তা দিয়েছিল কমিশনকে। কমিশনকে করা আবেদন যাতে মঞ্জুর হয়, সেজন্য গত রবিবার বিশেষ প্রার্থনাও হয়েছে মিজোরামের (Mizoram Assembly Polls) বিভিন্ন গির্জায়। প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল রাজস্থানে। সেদিন ওই রাজ্যে প্রচুর বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান থাকায় দিন পরিবর্তনের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহলে। তার জেরেই ২৩ তারিখের পরিবর্তে রাজস্থানে নির্বাচন হয় ২৫ নভেম্বর।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে উচ্ছ্বসিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী, ভাইরাল ‘মেলোডি’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Civic Polls: চলছে দিল্লি পুরসভার ভোট, বিজেপি-কংগ্রেস-আপ, শেষ হাসি হাসবে কে?

    Delhi Civic Polls: চলছে দিল্লি পুরসভার ভোট, বিজেপি-কংগ্রেস-আপ, শেষ হাসি হাসবে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (Delhi) পুরসভাগুলির সংযুক্তিকরণের পর প্রথম বড় নির্বাচন (Delhi Civic Polls)। আজ, রবিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ পর্ব। মোট আসন ২৫০টি। লড়াই হচ্ছে ত্রিমুখী। বিজেপি (BJP), কংগ্রেস (Congress) এবং আপের (AAP)। ভোট গণনা হবে ৭ ডিসেম্বর। ২৫০টি ওয়ার্ডের প্রায় দেড় কোটি মানুষ অংশ নিচ্ছেন ভোটদানে। ভোট গ্রহণ পর্ব শুরু হয়েছে সকাল আটটায়। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বন্ধ করে দেওয়া হবে বুথের গেট। জনতা যাতে আরও বেশি করে ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য এদিন অন্যান্য রবিবারের তুলনায় দু ঘণ্টা আগেই চালু হয়ে গিয়েছে মেট্রো পরিষেবা। ২৫০টি আসনে লড়াই করছেন ১৩০০-র বেশি প্রার্থী। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে রাজ্য সরকার আম আদমি পার্টির। আর কেন্দ্রে রয়েছে বিজেপি। স্বাভাবিকভাবেই এ ভোটের দিকে নজর রয়েছে আম দিল্লিবাসীর।

    বিজেপি…

    গত আট বছরেরও বেশি সময় কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। তবে গত ২৪ বছরে তারা সরকার গড়তে পারেনি। ২০১৫ সালের নির্বাচনে ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টি আসন পায় আম আদমি পার্টি। তার দু বছর পরে পুরসভা নির্বাচনে (Delhi Civic Polls) ২৭২টি আসনের মধ্যে বিজেপির হাতে যায় ১৮১টি আসনের রশি। দ্বিতীয় হয় আপ। তাদের দখলে যায় ৪৮টি আসন। আর মাত্র ৩০টি আসন নিয়েই সন্তুষ্ট হতে হয় কংগ্রেসকে।

    প্রচারে এক ইঞ্চিও জমি কেউ কাউকে ছাড়েনি আপ কিংবা বিজেপি। বস্তি এলাকায় পুনর্বাসনে ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রচার নামেন অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কোমর কষে প্রচার করে আপও। মোদির ডাবল ইঞ্জিন সরকারের মোকাবিলায় আপ কেজরিওয়ালের সরকারকে হাতিয়ার করেছে। প্রচারে বিজেপি আবাসনের প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি মণীশ সিসোদিয়া সহ আপের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করে প্রচার চালিয়ে গিয়েছে। প্রচারে বেরিয়ে আপকে নিশানা করেছে কংগ্রেসও।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে ভোটদানের হার কম, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি?

    এদিকে, এদিন ভোট (Delhi Civic Polls) দিতে গিয়ে দিল্লি কংগ্রেস সভাপতি অনিল চৌধুরী দেখেন, ভোটার তালিকায় নাম নেই তাঁর। তাই ভোট না দিয়েই ফিরতে হয় তাঁকে। যদিও ভোট দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Himachal Pradesh Polls: ভোটের মুখে রামধাক্কা, কুপোকাত কংগ্রেস! হিমাচলে ‘হাত’ ছেড়ে ‘পদ্মে’ ২৬ নেতা

    Himachal Pradesh Polls: ভোটের মুখে রামধাক্কা, কুপোকাত কংগ্রেস! হিমাচলে ‘হাত’ ছেড়ে ‘পদ্মে’ ২৬ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম রাউন্ডেই কুপোকাত কংগ্রেস (Congress)! অ্যাডভান্টেজ বিজেপি (BJP)। ভোটের মুখে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে ভিড়লেন ২৬ জন নেতা। ঘটনায় হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনের (Himachal Pradesh Polls) আগে বেজায় বিপাকে পড়ল কংগ্রেস। এক সঙ্গে বিপক্ষের ২৬ জন নেতাকে পেয়ে যারপরনাই খুশি পদ্ম শিবির। প্রত্যাশিতভাবেই মুষড়ে পড়েছে কংগ্রেস।

    হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন (Himachal Pradesh Polls) হবে নভেম্বরের ১২ তারিখে। ৬৮ আসনের ওই বিধানসভার রশি রয়েছে বিজেপির হাতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারও ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি। এমতাবস্থায় নিজেদের শিবিরে এই ভাঙনে বিব্রত কংগ্রেস। সোমবার যে ২৬ জন কংগ্রেস নেতা হাতে তুলে নিয়েছেন গেরুয়া ঝান্ডা, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ধরমপাল ঠাকুর খাণ্দও।

    এদিনের দলবদলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর এবং বিজেপির রাজ্য নির্বাচনের ইনচার্জ সুধান সিং। উপস্থিত ছিলেন সিমলার বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় সুদও। ধরমপাল ছাড়াও এদিন যাঁরা বিজেপির ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়েছেন, তাঁরা হলেন, প্রাক্তন সম্পাদক আকাশ সাইনি, প্রাক্তন কাউন্সিলর রাজন ঠাকুর, প্রাক্তন জেলা সভাপতি অমিত মেহতা, মেহের সিং কানওয়ার, যুব কংগ্রেসের রাহুল নেগি, জয় মা শক্তি সোশ্যাল সংস্থান সভাপতি যোগিন্দর ঠাকুর, নরেশ ভার্মা, ছাম্বায়ানা ওয়ার্ড সদস্য যোগেন্দ্র সিং, ট্যাক্সি ইউনিয়ন সদস্য রাকেশ চৌহান, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজের সিমলা প্রেসিডেন্ট ধর্মেন্দ্র কুমার, বীরেন্দ্র শর্মা, রাহুল রাওয়াত, সোনু শর্মা, অরুণ কুমার, শিবম কুমার এবং গোপাল ঠাকুর।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু’ পার্সিয়ান শব্দ! কংগ্রেস নেতার ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    এঁরা ছাড়াও এদিন পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়েছেন চমন লাল, জেলা কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক দেবেন্দ্র সিং, মহেন্দ্র সিং, যুব কংগ্রেসের প্রাক্তন সম্পাদক মুনিশ মান্দলা, বালকৃষ্ণণ ববি, সুনীল শর্মা, সুরেন্দ্র ঠাকুর, সন্দীপ সামতা এবং রবি। হিমাচল প্রদেশের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর তাঁদের স্বাগত জানান। বলেন, দলের ঐতিহাসিক জয়ের লক্ষ্যে এবার জোট বেঁধে কাজ করা যাক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rishi Sunak: সরে দাঁড়ালেন বরিস, ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঋষিই?

    Rishi Sunak: সরে দাঁড়ালেন বরিস, ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঋষিই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনকই (Rishi Sunak) হতে পারেন ব্রিটেনের (UK) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (PM) বরিস জনসন। তবে সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী পদে জয়ের ব্যাপারে পাল্লা ভারী হয়েছে ঋষিরই। আজ, সোমবারই ওই পদে বসতে পারেন তিনি। 

    বরিস সরে দাঁড়ানোর পর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে ঋষির (Rishi Sunak) জয় অনেকটাই অনায়াস হয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। কারণ এখন ঋষির প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁরই দল কনজারভেটিভ পার্টির পেনি মরডন্ট। পেনিকে প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসতে হল অক্টোবরের ২৪ তারিখের মধ্যে তাঁকে জোগাড় করতে হবে পার্লামেন্টের ১০০ জন সদস্যের সমর্থন। যা তাঁর নেই। এদিকে, পার্লামেন্টের ১৪২ জন সদস্য ইতিমধ্যেই ঋষিকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করেছেন। অথচ পেনির পাশে রয়েছেন মাত্র ২৯ জন সাংসদ।

    কেন প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন বরিস? ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিসের দাবি, পার্লামেন্টে একটা ঐক্যবদ্ধ দল না থাকলে কার্যকরীভাবে সরকার চালানো সম্ভব নয়। অন্য একটি কারণও রয়েছে। সেটি হল, ঋষি এবং পেনির সঙ্গে বোঝাপড়া করতে ব্যর্থ হয়েছেন বরিস। সূত্রের খবর, বরিসকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৫৭ জন সাংসদ। যদিও ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ১০২ জন সাংসদের সমর্থন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পরাজয় নিশ্চিত বুঝে মুখ পোড়াতে চাননি বরিস। তাই সরে দাঁড়িয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    এদিকে, সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ একটি ট্যুইট করেন ঋষি (Rishi Sunak)। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ব্রিটেন এক মহান দেশ। কিন্তু সম্প্রতি সে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে দাঁড়িয়ে। তাই আমি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও আপনাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য লড়তে চাই। আমি এই আর্থিক সঙ্কট কাটিয়ে দলকে নেতৃত্ব দিতে চাই। দেশের সেবা করতে চাই।

    প্রসঙ্গত, পার্টিগেট কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিসের। তার পরেই ইস্তফা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন লিজ ট্রাস। মাত্র পঁয়তাল্লিশ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন তিনি। এবার ফের একবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ চলে এসেছে ঋষির (Rishi Sunak) কাছে। প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলে দলের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবেন বলে জানান ঋষি। ব্রিটেনের মানুষকে দায়িত্বশীল, সৎ ও পেশাদার সরকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share