Tag: election

election

  • One Nation One Election: সোমবার লোকসভায় পেশ হবে এক দেশ, এক নির্বাচন বিল

    One Nation One Election: সোমবার লোকসভায় পেশ হবে এক দেশ, এক নির্বাচন বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার লোকসভায় পেশ হবে এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election) বিল। বৃহস্পতিবারই এক দেশ, এক নির্বাচনের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে মোদি মন্ত্রিসভা। সোমবার বিলটি লোকসভায় (Lok Sabha) পেশ করবেন আইনমন্ত্রী অর্জুন কাম মেঘওয়াল। পরে আলোচনার জন্য বিলটি পাঠানো হবে জেপিসিতে (জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি)। দীর্ঘ আলোচনা ও ঐক্যমত তৈরির জন্য বিলটিকে জেপিসিতে পাঠাবে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদের দুই কক্ষে বিলটি পাশ হওয়ার পর সেটা পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর মিললেই বিলটি পরিণত হবে আইনে।

    এক দেশ, এক নির্বাচনের সুবিধা (One Nation One Election)

    দীর্ঘদিন ধরেই এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। মোদি সরকারের যুক্তি, এক দেশ, এক নির্বাচন হলে লাগাম টানা যাবে নির্বাচনের বিপুল ব্যয়ে। একদিকে যেমন সরকারের খরচ কমবে, তেমনি অন্য দিকে ঝামেলা পোহাতে হবে না সরকারি কর্মীদের। নির্বাচন ঘোষণা হলে লাগু হয় আদর্শ আচরণবিধি। তার জেরে ব্যাহত হয় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। খাটুনি কমবে ভোটকর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদের। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, একই সঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন হলে, বাড়তে পারে ভোট দানের হারও। বারবার ভোটপ্রচারের ঝক্কি না থাকায় রাজনৈতিক দলের নেতারা আরও বেশি করে মনোনিবেশ করতে পারবেন মানুষের কাজে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ঢুকেছে বাংলাদেশের দুই ‘হুত’ জঙ্গি, গড়ছে স্লিপার সেল, মডিউল! সতর্কবার্তা গোয়েন্দাদের

    খসড়া বিলের প্রস্তাব

    খসড়া বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, লোকসভা নির্বাচনের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি এক দেশ, এক নির্বাচনের (One Nation One Election) তারিখ নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। এই হিসেবে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর নয়া সরকার গঠিত হলে, তার পরেই শুরু হবে প্রসেস। এর পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে চলবে একই সঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি। সেক্ষেত্রে ২৯ সালের পর যে যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে, ২০৩৪ এর লোকসভা নির্বাচনের সময় সেই সরকার ভেঙে দেওয়া হবে। ওই নির্বাচন হবে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই। যদি কোনও বিধানসভা বা লোকসভা মেয়াদ শেষের আগেই (Lok Sabha) ভেঙে যায়, তাহলে অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনে গঠিত সরকারের মেয়াদ থাকবে অবশিষ্ট সময়ের জন্যই (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • One Nation One Election: উদ্যোগী এনডিএ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিল পেশ শীতকালীন অধিবেশনেই?

    One Nation One Election: উদ্যোগী এনডিএ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিল পেশ শীতকালীন অধিবেশনেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই পেশ হতে পারে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) বিল। সরকারি সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বর মাসেই ইঙ্গিত মিলেছিল, বিলটি পেশ হতে পারে শীতকালীন অধিবেশনে। সম্প্রতি এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Parliament Session)।

    পেশ হতে পারে বিল (One Nation One Election)

    জানা গিয়েছে, সরকার এই বিলটি পেশ করবে। পরে সেটি পাঠানো হবে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। সূত্রের খবর, জেপিসি সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে। সরকার আলোচনায় বিভিন্ন স্তরের অংশীদারদেরও যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। সমস্ত রাজ্য বিধানসভার স্পিকারদের মতামত নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বুদ্ধিজীবী, বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের সদস্যদেরও যুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের খবর, যদি শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পেশ করা নাও হয়, তাহলে বিলটি পেশ হবে বাজেট অধিবেশনে।

    এক দেশ, এক নির্বাচন

    এক দেশ, এক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটিও গঠন করেছিল মোদি সরকার। এই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। চলতি বছরের মার্চ মাসেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেয়। তার পরেই কোবিন্দ কমিটির প্রস্তাব পাশ হয় মোদির মন্ত্রিসভায়। এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election) ব্যবস্থা চালু করতে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্যোগী বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। এই ব্যবস্থা চালুর ব্যাপারে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। বিলটি পাশ হয়ে আইনে পরিণত হলে সারা দেশে এক সঙ্গে হবে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে হিন্দুরা, ঢাকার সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট জানাল ভারত

    এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। মোদি সরকারের যুক্তি, এই ব্যবস্থা চালু হলে নির্বাচন করতে যে বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়, তা কমে যাব। তাছাড়া, আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হওয়ায় বারবার থমকে যাবে না উন্নয়নমূলক কাজ। সরকারি কর্মীদেরও চাপ কমে যাবে। নির্বাচন হলে ভোটার তালিকা প্রস্তুত থেকে নানা কাজে যুক্ত হন সরকারি কর্মীরা। তাঁদের ওপর চাপ পড়ার পাশাপাশি, ব্যাহত হয় (Parliament Session) সরকারি কাজকর্মও। দেশজুড়ে এক সঙ্গে নির্বাচন (One Nation One Election) হলে, বন্ধ হবে এসবই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্রই ছ’মাসের। এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে যে রাজ্যে পদ্মের হাল (Mahayuti) মলিন হয়ে গিয়েছিল, মাত্র ছ’মাস পরেই সেই রাজ্যই পদ্মময়। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে মহা বিকাশ অঘাড়ী জোটকে ধরাশায়ী করে জয়ডঙ্কা বাজাচ্ছে বিজেপি। এ রাজ্যে গেরুয়া শিবির বলে বলে গোল দিয়েছে বিরোধীদের। লোকসভা নির্বাচনের পর মহারাষ্ট্রের কুর্সি দখলের যে স্বপ্ন বিরোধীরা দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই বিধানসভা নির্বাচনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেল আরব সাগরের জলে। প্রশ্ন হল, কোন মন্ত্রবলে বিজেপির এই ঘুরে দাঁড়ানো আর বিরোধীদের অধঃপতন? আসছি সেই আলোচনায়ই।

    নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল (Maharashtra Assembly Elections)

    বিজেপি সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনের পর হাতে যে ছ’মাস ছিল, সেই সময় নিজেকে গড়েপিটে নিয়েছে মহারাষ্ট্র বিজেপি। শত্রুর ঘরে (পড়ুন বিরোধী শিবিরে) যখন নিত্য বয়ে গিয়েছে অশান্তির চোরাস্রোত, তখন বিজেপি নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল। যারই সুফল গেরুয়া শিবির কুড়িয়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। গত ছ’মাসে একের পর এক সাহসী এবং জনকল্যাণকর পদক্ষেপ নিয়েছেন গৈরিক নেতারা।

    জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ

    নীতিগত সংশোধনের পদক্ষেপের পাশাপাশি কৃষক, নারী ও অনগ্রসর শ্রেণির জন্যও বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে মহরাষ্ট্র সরকার। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহাযুতি সরকারের এসব পদক্ষেপই ফলপ্রসূ হয়েছে। মহাযুতি সরকারের তিন শরিক— বিজেপি, শিবসেনা এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পরে পরিস্থিতি পাল্টাতে সক্ষম হয়েছে এই জোট। মহারাষ্ট্রে লোকসভা আসন রয়েছে ৪৮টি। তার মধ্যে (Maharashtra Assembly Elections) বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ১৭টি আসন (Mahayuti)। বাকি কেন্দ্রের রাশ গিয়েছে মহা বিকাশ অঘাড়ী (MVA) জোটের ঝুলিতে। শনিবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়া শুরু হতেই চওড়া হতে থাকে বিজেপি নেতাদের মুখের হাসি। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১২৪টি আসনে জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। বিভিন্ন আসনে এগিয়ে রয়েছে মহাযুতি সরকারের জোট শরিকরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা

    মহারাষ্ট্রবাসীর দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সুফল যেমন বিজেপি কুড়িয়েছে, তেমনি আরএসএসের প্রচারও গৈরিক শিবিরের ঘরে তুলে দিয়েছে লাভের কড়ি। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে আদাজল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছিল আরএসএস। বিজেপি এবং রাজ্যের শাসক জোটের হয়ে ব্যাপক প্রচারও করেছে তারা। যার জেরে হতাশা কাটিয়ে উঠে বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ভোটারদের একটা বড় অংশ। বিজেপিও তাদের কঠোর হিন্দুত্ববাদী অবস্থান জোরালো করে তোলে। বিজেপির স্লোগানের মধ্যে ছিল ‘এক হো তো সেফ হো’, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ (ভাগ হলেই পতন)-এর মতো ঝাঁঝালো স্লোগান। এগুলোও ভোটারদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এসবই জুগিয়েছে বিজেপির পালে হাওয়া। বিজেপি এবং আরএসএসের যুগলবন্দির মোকাবিলা করতে পারেনি মহা বিকাশ অঘাড়ী জোট। যার জেরে মহারাষ্ট্রে পানি পায়নি এই মহাজোট।

    ওবিসি সম্প্রদায়

    মারাঠা আন্দোলন (Maharashtra Assembly Elections) ওবিসি সম্প্রদায়গুলিকে মেরুকরণ করবে বলে আশা করা হয়েছিল। বিজেপি তার জনসংযোগ পরিকল্পনার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন ৩৫৩টি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নেমেছিল। মহারাষ্ট্র নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের শীর্ষ নেতারা অঞ্চলভিত্তিকভাবে ওবিসি সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিজেপির সংযোগ স্থাপনের জন্য সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেছিলেন। বিজেপি কেন্দ্রীয় ওবিসি তালিকায় সাতটি জাতি বা উপজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও রেখেছিল ওবিসি কমিশনের কাছে। ওবিসি সম্প্রদায়ের এই সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা মহাযুতির পক্ষে মাঠ পর্যায়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮টি। এর মধ্যে ১৭৫টি আসনে নির্ণায়ক শক্তি ওবিসি সম্প্রদায়। তার একটা বড় অংশই এবার গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। যার জেরে আরব সাগরের তীরের লোনা মাটিতেও ফুটেছে পদ্ম।

    ‘কৃষি আমাদের ভিত্তি’

    মহারাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর কৃষকদের ভোট পদ্ম-ঝুলিতে টানতে একাধিক পদক্ষেপ করে মহারাষ্ট্রের মহাযুতি সরকার। এর মধ্যে ছিল রাজ্য বাজেটে সরকার ৭.৫ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত কৃষি পাম্প ব্যবহারকারী কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘোষণা। নির্বাচনী ইশতেহারে, মহাযুতি ফসল ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। ‘ভাবান্তর যোজনা’র মাধ্যমে এমএসপি এবং প্রকৃত ক্রয়মূল্যের পার্থক্য পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। এছাড়াও গুচ্ছ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। বিধানসভা নির্বাচনে এসবই ডিভিডেন্ট দিয়েছে বিজেপিকে। তার জেরেই আরব সাগরের তীর হয়েছে (Mahayuti) পদ্মময়। মহারাষ্ট্রের কুর্সির রং হয়েছে গেরুয়া (Maharashtra Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে ফের তৃণমূলকে গোল দিলেন শুভেন্দু, সমবায়ে জয়ী বিজেপি

    Nandigram: নন্দীগ্রামে ফের তৃণমূলকে গোল দিলেন শুভেন্দু, সমবায়ে জয়ী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) তৃণমূলকে ফের দাঁড়িয়ে গোল দিলেন রাজ্যের বিরোধিতা দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সমবায় সমিতির নির্বাচনে তৃণমূলকে কার্যত ‘একঘরে’ করে দিলেন তিনি। সমবায় সমিতির ১২টি আসনের মধ্যে বিজেপি (BJP) পেয়েছে ১১টি। ঘাসফুলের ঝুলিতে গিয়েছে একটি আসন। রবিবারের এই নির্বাচন নিয়ে সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনা ছিল নন্দীগ্রামে। ফল প্রকাশ হতেই দেখা গেল, শেষ হাসি হাসলেন সেই শুভেন্দুই। উচ্ছ্বাসে মাতলেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

    শুভেন্দু হারিয়েছিলেন মমতাকে (Nandigram)

    এই নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রেই খোদ তৃণমূল নেত্রীকে ঘোল খাইয়ে ছেড়েছেন শুভেন্দু। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯০০ এরও বেশি ভোটে তাঁকে পর্যুদস্ত করেছিলেন শুভেন্দু। সেই হার নিয়ে কত কাণ্ডই না হল! শেষমেশ কলকাতার একটি কেন্দ্রে জিতে মুখরক্ষা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। হন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সেই নন্দীগ্রামেই আরও একবার তৃণমূলকে পর্যুদস্ত করে ছাড়লেন শুভেন্দু।

    দফায় দফায় উত্তেজনা

    এদিন নন্দীগ্রামের ওই সমবায় সমিতি নির্বাচন নিয়ে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের শুরু থেকে একে অন্যের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলতে থাকে। তৃণমূলের নন্দীগ্রাম-১ ব্লক সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গের অভিযোগ, সমবায় নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিজেপি গন্ডগোলের চেষ্টা করছে। বিজেপির সহ সভাপতি সাহেব দাস বলেন, “আমাদের শিবির থেকে ১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যেই তৃণমূল ক্যাম্প করেছিল। এ নিয়ে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। তাই উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অশান্তিতে ইন্ধন দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদলই।”

    আরও পড়ুন: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    ভোটের ফল বেরলে দেখা যায়, ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতেই জয়ী হয়েছে বিজেপি। বিজেপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে হইচই করতে থাকে ঘাসফুল শিবির। পাল্টা (Nandigram) সন্ত্রাসনের অভিযোগ তোলে পদ্ম শিবির। তমলুক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মেঘনাথ পাল বলেন, “নন্দীগ্রামজুড়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চায় তৃণমূল। ওদের লাগামছাড়া দুর্নীতিতে মানুষ বীতশ্রদ্ধ। মহেশপুর সমবায় নির্বাচনে অকারণে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে তৃণমূল। বিজেপির ক্যাম্প অফিসের কাছে গিয়ে ক্যাম্প করেছে তৃণমূল। সেখান থেকে লাগাতার প্ররোচনার চেষ্টা (BJP) করা হয়েছে। কিন্তু আমরা জানতাম, জয় আমাদের হবেই (Nandigram)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “ভূস্বর্গে যে পরিবর্তন হয়েছে, এই নির্বাচনই তার প্রমাণ”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “ভূস্বর্গে যে পরিবর্তন হয়েছে, এই নির্বাচনই তার প্রমাণ”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ জম্মু-কাশ্মীরে পরিবর্তনের প্রতীক এবং রাজ্যে গণতন্ত্রের শক্তিশালীকরণের প্রমাণ।” শনিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্র শাসিত এই অঞ্চলের দুর্দশার জন্য যে কংগ্রেস, ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) এবং পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিডিপি) দায়ী, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন (Jammu Kashmir Polls) তিনি।

    বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী তিন দল! (Amit Shah)

    শাহ বলেন, “কংগ্রেস, ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং পিডিপি বছরের পর বছর এখানে নির্বাচন না করে মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের সমস্ত বিশৃঙ্খলা ও সমস্যার জন্য কংগ্রেস, এনসি এবং পিডিপি দায়ী।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গুজ্জর ও বাকারওয়াল সম্প্রদায়ের জন্য কোনও সংরক্ষণ ছিল না। ওবিসি ও দলিতদেরও সংরক্ষণ দেওয়া হয়নি। উন্নয়নের কোনও চিহ্ন ছিল না। গান্ধী এবং আবদুল্লাহরা রাজ্যে শুধু অসন্তোষ ও অবনতি এনেছিল।”

    শাহের নিশানায় তিন পরিবার

    এদিন শাহি (Amit Shah) ভাষণের চাঁদমারি ছিল কংগ্রেস, এনসি এবং পিডিপি। তিনি বলেন, “ওরা গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক পরিষদ বা জেলা পরিষদের জন্য নির্বাচন করতে দেয়নি। তিনটি পরিবার এখানে তাদের শাসন চালাত। কিন্তু মোদিজি আসার পর তাদের স্বপ্ন ভেঙে পড়ে। আজ, সরপঞ্চ, ব্লক ও জেলা প্রতিনিধি নির্বাচন করে ৩০ হাজার যুবক গণতন্ত্রের সুবিধাভোগী হয়ে উঠেছে। এটা একটা বিরাট সাফল্য।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস, এনসি এবং পিডিপি উপত্যকাবাসীকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছিল। গণতন্ত্র থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল।” জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর এই প্রথম সেখানে হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: কোয়াড সামিটে বিশ্বনেতা মোদি, বার্তা দিলেন প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষার

    জম্মু-কাশ্মীরে তিন দফায় নির্বাচন হচ্ছে। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন। প্রথম দফায় নির্বাচন হয়েছে রাজ্যের ২৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ভোট দিয়েছেন ৬১.১৩ শতাংশ মানুষ। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে কিশতওয়ার জেলায়। এখানে ভোটদানের হার ৮০.১৪ শতাংশ। রামবানে ভোট পড়েছে ৭০.৫৫ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে ডোডা। এখানে ভোটদানের হার ৭১.৩৪ শতাংশ (Jammu Kashmir Polls)। কুলগাম, অনন্তনাগ এবং শোপিয়ানে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৬২.৬০, ৫৭.৮৪ ও ৫৫.৯৬ শতাংশ (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ চালু হচ্ছে মোদি সরকারের এই মেয়াদেই!

    One Nation One Election: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ চালু হচ্ছে মোদি সরকারের এই মেয়াদেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা। আর তৃতীয় মেয়াদে চালু হতে চলেছে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election)। জানা (NDA) গিয়েছে, এনডিএ সরকারের চলতি মেয়াদেই কার্যকর হয়ে যাবে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’। সূত্রের দাবি, অবশ্যই এটি চলতি মেয়াদেই কার্যকর হবে। এটি বাস্তব রূপ নেবে। এই সংস্করমূলক পদক্ষেপকে সব দলই সমর্থন জানাবে বলেও আশাবাদী ওই সূত্র।

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election)

    দীর্ঘদিন ধরেই ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর পক্ষে সওয়াল করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর যুক্তি, এতে লাভ হবে দুভাবে। এক, বারবার নির্বাচন করতে যে বিপুল খরচ হয়, তা কমবে। আর দুই, আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার কারণে বারবার যে উন্নয়নমূলক কাজকর্ম থমকে থাকে, তা আর হবে না। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বারংবার ভোট করাতে গিয়ে সরকারি কর্মী এবং প্রশাসনকে যে হ্যাপা পোহাতে হয়, তাও আর হবে না। দেশের রাজনৈতিক দলগুলিকেও ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর প্রস্তাব সমর্থন জানানোর আহ্বানও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে বিরোধীদের দাবি, মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ও সংসদীয় গণতান্ত্রিক ভাবনার পরিপন্থী। তাঁদের মতে, মোদি সরকার ঘুরপথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ধাঁচের ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে এ দেশে।

    আরও পড়ুন: অন্য কাশ্মীর! ৩৭ বছর পর দোরে দোরে ঘুরে প্রচার করছেন প্রার্থীরা

    কমিটির রিপোর্ট

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) ব্যবস্থা চালু করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা খতিয়ে দেখতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিল সরকার। গত মার্চ মাসেই সেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে। সূত্রের দাবি, ওই কমিটিও মত দিয়েছে এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে। ৪৭টিরও বেশি রাজনৈতিক দল কোবিন্দ কমিটির কাছে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছিল। এর মধ্যে ৩২টি দলই ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর ধারণাকে সমর্থন করেছে। সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছিল। সেখান থেকেও প্রতিক্রিয়া এসেছে ২১ হাজার ৫৫৮টি। এর মধ্যেও ৮০ শতাংশ সায় দিয়েছে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর (One Nation One Election) পক্ষেই (NDA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: মোদির ১০ বছরে কাশ্মীরের ভাগ্য বদলে গিয়েছে, জানালেন দলের রাজ্য সভাপতি

    Jammu and Kashmir: মোদির ১০ বছরে কাশ্মীরের ভাগ্য বদলে গিয়েছে, জানালেন দলের রাজ্য সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) ভাগ্য এবং রাজনৈতিক চালচিত্র পরিবর্তন করে দিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সবটাই উন্নয়নের ফলেই সম্ভব হয়েছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনিই বার্তা দিলেন উপত্যকার বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি রবিন্দ রায়না। এদিন এই সম্মেলনে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিশেন রেড্ডি, জিতেন্দ্র সিং। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই এই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, তাই এখন থেকেই বিজেপির প্রচারকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা শুরু হয়েছে।

    অনন্তনাগ-কুলগাম-শোপিয়ান-পুলওয়ামায় ব্যাপক সমর্থন (Jammu and Kashmir)

    জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি রায়না বলেন, “এই বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নিজেদের পূর্ণশক্তি দিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে লড়াই করবে। ভোটের আগেই বিজেপির প্রার্থীরা বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন পেতে শুরু করে দিয়েছেন। দলের প্রার্থীরা অনন্তনাগ, কুলগাম, শোপিয়ান এবং পুলওয়ামায় বিশেষ সমর্থন পেতে চলেছেন। আমি এই জন্য আমাদের রাজ্যের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রধানমন্ত্রীর জনমুখী নীতি আমাদের মানুষের সঙ্গে সংযোগকে আরও দৃঢ় করেছে। গত দশ বছরের গঠনমূলক উন্নয়নে কাশ্মীরের প্রত্যেক শিশু বলতে শিখেছে, “হর হর মোদি, ঘর ঘর মোদি।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের বিগত সরকার বিশেষ করে কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিডিপি যুগে মানুষের জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছিল। পাথর ছোড়া এবং বন্দুকের গুলি ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। রাজ্যের উন্নয়নে তাঁরা কোনও কাজ করেননি। কিন্তু কেন্দ্রে মোদিজির নেতৃত্বে বিরাট উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে এই রাজ্য। ধারা ৩৭০ বাতিল করা হয়েছে। এক বিধান, এক নিশান এবং এক প্রধানের মূল মন্ত্র এখন কাশ্মীরে মানুষ গাইছেন।”

    আরও পড়ুনঃহিন্দু মহিলাকে ইসলামে ধর্মান্তকরণের চেষ্টা, স্বামীর অভিযোগে গ্রেফতার অভিযুক্ত

    গতবারের বিধানসভায় ফলাফল কেমন ছিল?

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) ভোটগ্রহণ হবে ১৮ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর। গণনা হবে ৮ অক্টোবর। মোট আসনের ৭টি আসন তফশিলি জাতি, ৯টি আসন তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। মোট ভোটার ৮৮.০৬ শতাংশ। গতবারের নির্বাচনে মোট আসনের পিডিপি পেয়েছিল ২৮টি, বিজেপি ২৫টি, ন্যাশনাল কনফারেন্স ১৫টি, এবং কংগ্রেস ১২টি। পিডিপি এবং বিজেপি মিলে মুফতি মহম্মদ সাঈদের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়। পড়ে মুফতি মারা গেলে মেয়ে মেহবুবা মুফতি মুখ্যমন্ত্রী হন। পরবর্তী সময়ে বিজেপি মেহবুবার থেকে সমর্থন তুলে নেয়। ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট ধারা ৩৭০ বাতিল হয়।  এরপর এবার হবে নির্বাচন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা খড়কুটোর মতো উড়ে গেল! বিজেপির জয়জয়কার

    Tripura: ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা খড়কুটোর মতো উড়ে গেল! বিজেপির জয়জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন দশকের বাম শাসনে ইতি টেনে ২০১৮-র মার্চে ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভা ভোটে আগরতলার কুর্সি দখল করেছিল বিজেপি। সেই জয়ের ধারা ২০২৪ সালেও অব্যাহত। এবার গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্ম ঝড়ের কাছে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গেল বাকি সব দল। রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল গত ৮ অগাস্ট। সোমবার থেকে শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার গণনার শেষ পর্যায়ের ফল জানাচ্ছে, গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি একাই জিতেছে ৫৯৪০টি আসনে! তাদের সহযোগী তিপ্রা মোথা ১০২টিতে। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র দুই সহযোগী কংগ্রেস এবং সিপিএম যথাক্রমে ১৪১ এবং ১৪৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। পশ্চিম ত্রিপুরায় তো প্রায় সব আসনই এসেছে বিজেপির খাতায়। শুধু দুকলি রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্লকে কয়েকটা আসন জিতেছে ত্রিপা মোথা পার্টি। পঞ্চায়েত ভোটে দলের জয়জয়কারে চাঙ্গা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

    ভোটদানের হার ছিল ৭৯.০৬ শতাংশ (Tripura)

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, রাজ্যে ১০,৮৭,৪৯৫ জন ভোটার। এর মধ্যে ৫,৩০,৯৪৯ জন পুরুষ, ৫,২০,১০১ জন মহিলা এবং ১০ জন তৃতীয় লিঙ্গ রয়েছে। ৮ অগাস্ট বিকাল ৪টে পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৭৯.০৬ শতাংশ। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটে যে তাঁর দল মারাত্মক ভাল ফল করতে চলেছে সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এবার ভোটের ফল প্রকাশের পর তাই একেবারে অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়ায় খুশির হাওয়া পদ্ম সমর্থকদের মধ্যে। এদিকে ভোটের আগেই আবার বড়সড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সে রাজ্যের সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Gram Panchayat Election) মিটলেই ১০ হাজার চাকরির কথা বলা হয়েছিল। ত্রিপুরা পুলিশ, জুনিয়র রিক্রুটমেন্ট বোর্ড থেকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ সহ নানা ক্ষেত্রে চাকরির কথা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    এক নজরে ফলাফল

    ২০১৯ সালের সাফল্যের পুনরাবৃত্তি এবারও! বিজেপি ত্রিপুরার (Tripura) গ্রাম পঞ্চায়েত আসনের ৭১ শতাংশ এবং পঞ্চায়েত সমিতির ৬৮ শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। ক্ষমতাসীন বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬,৩৭০টি আসনের মধ্যে (৭১ শতাংশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪,৫৫০টি জিতেছে। ৪২৩টি পঞ্চায়েত সমিতি আসনের মধ্যে ২৪৪টি বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে (৬৮ শতাংশ)। ১৮৯ টি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে, বিজেপি ১৮৮টিতে, সিপিএম ১৪৮টিতে, কংগ্রেস ৯৮টিতে এবং ত্রিপা মোথা ১১টিতে প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়াও, বিজেপি ১১৬টি জেলা পরিষদ আসনের মধ্যে ২০টি (১৭শতাংশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। আর ৯৬টি আসনে ভোট হয়েছে। সেখানে বেশিরভাগ আসন বিজেপির দখলে রয়েছে। রেজাল্ট বলছে, ত্রিপুরায় গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৪৮২৫টি আসন। তিপ্রা জিতেছে ৯৪টি আসন। কংগ্রেসের খাতায় ২৪টি আসন। সিপিএম দখল করেছে ২০টি আসন। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষেত্রে বিজেপি জিতেছে ২৯৫টি আসনে। সিপিএম পেয়েছে ২টি। নির্দল ১ টি। ১১৬টি জেলা পরিষদের আসনের ১১৩টি গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। কংগ্রেস ২ এবং সিপিএম ১টিতে জয়ী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raebareli: অমেঠিতে গান্ধি পরিবারের ওপর ভরসা নেই কংগ্রেসের, নিরাপদ বুঝেই কি রায়বরেলিতে রাহুল!

    Raebareli: অমেঠিতে গান্ধি পরিবারের ওপর ভরসা নেই কংগ্রেসের, নিরাপদ বুঝেই কি রায়বরেলিতে রাহুল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ জল্পনার অবসান। অবশেষে রায়বরেলি (Raebareli) থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল গান্ধি। রাহুলের পুরানো কেন্দ্র অমেঠি কেন্দ্রে তিনি যে এবার প্রার্থী হচ্ছেন না তা একেবারেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। কারণ, অমেঠি কেন্দ্রে কেএল শর্মাকে প্রার্থী করা হয়েছে। শুক্রবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    অমেঠিতে বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের কেএল শর্মা (Raebareli)

    সমাজবাদী পার্টির (এসপি) সঙ্গে আসন ভাগাভাগি অনুযায়ী উত্তর প্রদেশের ১৭টি লোকসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কংগ্রেস আমেঠি এবং রায়বরেলি (Raebareli) বাদে সমস্ত আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তাই, এই দুই আসনে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। জানা গিয়েছে,আগামী ২০ জুন পঞ্চম দফায় ভোট অমেঠি এবং রায়বরেলিতে। শুক্রবারই এই দুই কেন্দ্রের জন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশের শেষ দিন। তাই প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার দিনই মনোনয়ন পেশ করতে হবে রাহুল এবং কিশোরীলালকে। ইতিমধ্যেই অমেঠি থেকে বিজেপির বিদায়ী সাংসদ স্মৃতি ইরানি মনোনয়ন জমা দিয়ে দিয়েছেন। ২০০৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছর অমেঠির সাংসদ ছিলেন রাহুল। তাঁর বাবা এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধিও ১৯৮১ থেকে ১৯৯১ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত আমেঠির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। এর আগে ১৯৯৯ সালে সোনিয়া গান্ধী এখান থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ২০০৪ সালে রাহুলের অমেঠি থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন।

     নিরাপদ বুঝেই কী রাহুলকে রায়বরেলিতে প্রার্থী!

    ১৯৫২ সালের পর বিজেপি মাত্র দু’বার এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। আর এসপি, বিএসপি কখনও এই কেন্দ্রে জয়ের মুখ দেখেনি। পরিসংখ্যান মাথায় রেখে রায়বরেলি কেন্দ্রটিকে রাহুলের জন্য ‘নিরাপদ’ বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ, সেই জহরলাল নেহরুর আমল থেকেই রায়বরেলি (Raebareli) কংগ্রেসের গড় হিসাবে পরিচিত। ১৯৬২ এবং ১৯৯৯ সাল বাদ দিয়ে এই কেন্দ্রে সব সময়ই নেহরু-গান্ধি পরিবারের কেউ প্রার্থী হয়েছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি এই কেন্দ্র থেকে তিন বার জয়ী হয়েছেন। সনিয়া টানা পাঁচ বার এই কেন্দ্রে জিতে লোকসভায় গিয়েছেন। রাহুল গত লোকসভা ভোটের অমেঠির সঙ্গে কেরলের ওয়েনাড় কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ওয়েনাড়ে জিতলেও অমেঠিতে হেরে যান তিনি। এবারও ওয়েনাড় থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিনি। গত ২৬ এপ্রিল ওই কেন্দ্রে ভোট হয়ে গিয়েছে। এবার রায়বরেলি থেকে তিনি নির্বাচনে লড়াই করতে চলেছেন। আর তাঁর বিরুদ্ধে রায়বেরেলিতে বিজেপি প্রার্থী করেছে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী দীনেশ প্রতাপ সিংহকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ECI: প্রথম দু’দফাতেই ভোট পড়েছে ৬৬ শতাংশ, কেন কম? ব্যাখ্যা কমিশনের

    ECI: প্রথম দু’দফাতেই ভোট পড়েছে ৬৬ শতাংশ, কেন কম? ব্যাখ্যা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) প্রথম দফায় ১৯ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফায় ২৬শে এপ্রিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোট হয়েছিল। কত শতাংশ নির্বাচক ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন সে সংক্রান্ত তথ্য মঙ্গলবার প্রকাশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৬৬ শতাংশ নির্বাচক ভোটদান করেছেন।

    (ECI) কমিশনের রিপোর্ট

    কমিশনের (ECI) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রথম পর্বে ১৯ এপ্রিল ৬৬.১৪ শতাংশ নির্বাচক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ২৬শে এপ্রিল দ্বিতীয় পর্বে ৬৬.৭১ শতাংশ নির্বাচক ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তালিকায় দেখা যাচ্ছে প্রথম পর্বে ৬৬.২২ শতাংশ পুরুষ ভোটার ৬৬.০৭ শতাংশ মহিলা ভোটার এবং ৩১.৩২ শতাংশ তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৬.৯৯ শতাংশ পুরুষ ৬৬.৪২ শতাংশ মহিলা এবং ২৩.৮৬ শতাংশ তৃতীয় লিঙ্গের (Third Gender) ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রসঙ্গত ৫৪৩ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম দফায় ১০২ টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৮৮ টি কেন্দ্রে নির্বাচন হয়। এরপর ৭, ১৩, ২৫ মে ও ১ জুন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচন হবে এবং ৪ জুন নির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে।

    আরও খবর: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    (ECI) কমিশন কী বলছে

    মনে করা হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তজুড়ে তীব্র দাবদাহের কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং ইলেকশন কমিশন (ECI) যতটা আশা করেছিল তার থেকে অনেকটাই কম ভোট পড়েছে এবারে নির্বাচনের প্রথম দুই দফায়। কমিশন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের প্রচারে ভোটারদের ভোটদানের উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ঠান্ডা পানীয় ও আইসক্রিম খাওয়ানো হচ্ছে। তা সত্ত্বেও প্রথম দুই দফায় ২০১৯ এর লোকসভায় তুলনায় অনেকটাই কম ভোট পড়েছে।

    তিনবার টানা ক্ষমতায় আসতে পারবে বিজেপি?

    এবার ক্ষমতায় এলে হ্যাটট্রিক করবে মোদি সরকার। অকংগ্রেসি দল হিসেবে তিনবার টানা ক্ষমতায় আসা মোদি সরকারের জন্য রেকর্ড হবে। কিন্তু কম ভোট দান বিজেপিকেও চিন্তায় ফেলেছে। তবে চিন্তায় রয়েছে বিরোধীরাও। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত বিজেপি জিতবে তাই ভোট নষ্ট করে লাভ নেই একথা ভেবে বিরোধী দলের ভোটাররা এগিয়ে আসছেন না। এটা হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কম ভোটদানে বিরোধীদের বাড়তি সুবিধা হবে এমনটা মনে করা ঠিক হবে না বলেই মনে করছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক কেন্দ্রীয় নেতার মতে, “এখন অবধি যা ট্রেন্ড তাতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী রয়েছে দলের উচ্চ নেতৃতে। কম ভোট হচ্ছে এর মানে এটাও হতে পারে যে যারা বিরোধীদের ভোট দিতে চাইছে তাঁরা ভোটদান থেকে বিরত থাকছে। গরমও একটা কারণ হতে পারে। আমাদের দলের কর্মীরা ভোটদানের উদ্বুদ্ধ করার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের ভোটাররা ভোট দিতে আসছেন এটুকু বলতে পারি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share