Tag: election

election

  • Murshidabad: ঠিক ভোটের আগের দিন হিংসা কবলিত নবগ্রামে কেন গেলেন রাজ্যপাল?

    Murshidabad: ঠিক ভোটের আগের দিন হিংসা কবলিত নবগ্রামে কেন গেলেন রাজ্যপাল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস মুর্শিদাবাদ ঘুরে মানুষের কাছ থেকে পঞ্চায়েতের যে সন্ত্রাস চলছে সেইসব আক্রান্ত পরিবারদের বাড়িতে খোঁজখবর নেয়ার জন্য আজ মুর্শিদাবাদ জেলায় কলকাতা থেকে হাজার দুয়ারী এক্সপ্রেসে গিয়ে পৌঁছান। হিংসা কবলিত এলাকা এবং আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পঞ্চায়েত নির্বাচন হিংসা মুক্ত করার আহ্বান জানান রাজ্যপাল।

    কেন গেলেন রাজ্যপাল (Murshidabad)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের পূর্বে রাজ্যজুড়ে শাসক-বিরোধী, শাসক-নির্দল এবং শাসক দলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের সংঘর্ষে হিংসা কবলিত এলাকা হিসাবে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) পৌঁছালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। প্রথমে বহরমপুর রোড স্টেশনে নামেন এবং সেখান থেকে নবগ্রামে নিহত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বাড়িতে যান। রাজ্যপাল মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে গিয়ে নিহত তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর ঘটনার বিবরণ শোনেন, কীভাবে গত ১৫ ই জুন পঞ্চায়েত ভোটের নমিনেশন করে বাড়ি ফেরার সময় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতিকে কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা রড বাঁশ লাঠি দিয়ে মারধর করে হত্যা করেছিল। পরিবার রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ করেন, দোষীদের যেন অবিলম্বে শাস্তি দেওয়া হয়। সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন রাজ্যপাল এবং পরিবারকে সবরকম সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দেন। কোনও সমস্যা হলে রাজ্যপালকে অবশ্যই যেন জানান পরিবার।

    রাজ্যপাল কী বললেন? 

    পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ক্যানিং, ভাঙর, বাসন্তী, দিনহাটা, সীতাই, শীতলকুচিতে হিংসা কবলিত এলাকায় পরিদর্শন করেন। সর্বত্র রাজ্য প্রশাসন, নির্বাচন কমিশনকে বার বার আইনের শাসন প্রয়োগের কথা বলেন। দোষীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের কথা বলেন। ঠিক একই ভাবে নবগ্রামে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হিংসা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস এবং হিংসা চলছে। বুলেটের জবাব ব্যালটে দিতে হবে এবং গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনকে পদে থেকে বাংলার মানুষের জন্য কর্তব্যের কথা মনে করিয়ে দেন রাজ্যপাল।   

    নির্বাচন কতটা সুরক্ষিত?

    এক দিকে যেমন রাজ্যের জুড়ে বোমা, বন্দুক ও গুলি উদ্ধার হচ্ছে তেমনি উত্তর থেকে দক্ষিণ হচ্ছে রক্তাক্ত। নির্বাচন ঘোষণা থেকে মনোনয়ন, মনোনয়ন প্রত্যহার থেকে নির্বাচনের প্রচার পর্যন্ত সময়ের মধ্য দিয়ে এখনও পর্যন্ত শাসক-বিরোধী মিলিয়ে ১৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে। আগামীকাল নির্বাচন, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় সবথেকে বেশী স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত হয়েছে। ভোট পূর্ববর্তী কালে সবথেকে বেশী ৫ জন মানুষের প্রাণ গেছে বলে জানা গেছে এই জেলায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগের দিন মুর্শিদাবাদে রাজ্যপালের যাত্রা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। আইন শৃঙ্খলা ঠিকঠাক রাখা, প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা এবং শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজ্যপালের এই যাত্রা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে গুলি সহ দেশি পাইপগান উদ্ধার! কতটা সুরক্ষিত নির্বাচন?

    Murshidabad: ভোটের আগেই মুর্শিদাবাদে গুলি সহ দেশি পাইপগান উদ্ধার! কতটা সুরক্ষিত নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য বলছেন, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সামান্য এক-দুটো জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা এবং দেশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় সমালোচনায় বিদ্ধ মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার প্রশাসন। আর মাত্র মাঝে তিন দিন! তারপর ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন। বেলডাঙা, কান্দি, হরিহরপাড়া, খড়গ্রামে বোমা উদ্ধার এবং ভাঙ্গনপাড়ায় গুলিসহ দেশি বন্দুক উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় গোটা জেলা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তদন্তে নেমেছে জেলার পুলিশ। সাধারণ মানুষ ভোটের আগে ব্যাপক আতঙ্কিত।

    বেলডাঙা, হরিহরপাড়া এবং খড়গ্রামে (Murshidabad) বোমা উদ্ধার!

    পঞ্চায়েত ভোটের মুখে ফের মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিভিন্ন জায়গায় বোমা উদ্ধার হয়। বেলডাঙার কাজিশা এলাকায় মাঠের মধ্যে থেকে উদ্ধার হল ৩ ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা। এই এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। খবর দেওয়া হয়েছে বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে। তবে কে বা কারা বোমা মজুত করেছিল, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আবার মঙ্গলবারই সাত সকালে হরিহরপাড়াতেও বোমা উদ্ধার হয়েছে। কলাবাগান পাড়া এলাকায় পাটের জমির পাশে ঝোপের মধ্যে রাখা ছিল এক ব্যাগ ভর্তি বোতল বোমা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বোমার হদিশ পায় এই পাটের জমিতে। এছাড়া খড়গ্রামেও উদ্ধার হয়েছে আরও প্রচুর বোমা। এই এলাকার সাদল অঞ্চলের শঙ্খপুর গ্রামে মাঠের ধারে বালতির মধ্যে বোমাগুলি রাখা ছিল বলে জানা গেছে। বোমা নিষ্ক্রিয় করতে খবর দেওয়া হয় বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে।

    কান্দিতে বোমা উদ্ধার

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কান্দি (Murshidabad) মহকুমার খড়গ্রাম ব্লকের অন্তর্গত শংকরপুর গ্রামের একটি ফাঁকা মাঠ থেকে এক ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। আবার লালগোলা থানার ডিহিপাড়ারের ভুট্টার ক্ষেত থেকে একটি ব্যাগে ছটি সকেট বোমা উদ্ধার করা হয়। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

    দেশি পাইপ গান উদ্ধার

    সোমবার রাতে গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে, কাটাবাড়ি ভাঙ্গনপাড়া (Murshidabad) এলাকা থেকে ফরিদুল শেখ ও সাজিরুল সেখ নামে দুই দুষ্কৃতীকে আটক করে পুলিশ। এই ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি দেশি পাইপ গান এবং দু রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। আজ তাদেরকে বহরমপুর আদালতে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কী কারণে তারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘুরছিল সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে সাগরপাড়া থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী  নিয়ে এরকম হাতাহাতি! কোথায় জানেন?

    Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে এরকম হাতাহাতি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রস্তুতি হিসেবে মালদহ জেলায় শাসক দলের নেতারা বুথে বুথে যোগ্য প্রার্থীর (Candidate) খোঁজে বৈঠক শুরু করেছেন। আর এই সব বৈঠকেই তৃণমূলের কোন্দল একেবারেই সামনে চলে আসছে। কয়েকদিন আগেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের থানাপাড়া বুথ কমিটির তৃণমূলের বৈঠকে প্রার্থী (Candidate)  ঠিক করা নিয়ে দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই বুধবার রাতে মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকায় শিব মন্দির বুথে দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে। প্রার্থী (Candidate)  বাছাইকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নিজেদের মধ্যেই বচসা এবং হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল কর্মীরা। কর্মীরা  উপস্থিত নেতৃত্বের দিকে রীতিমতো তেড়ে যান। দলীয় নেতৃত্বকে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়।

     প্রার্থী ঠিক করা নিয়ে ঠিক কী হয়েছিল? Candidate

     বুধবার রাতে তৃণমূলের বুথ কমিটির বৈঠক ছিল। উপস্থিত ছিলেন, তৃণমূল হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের সভাপতি মোশারফ হোসেন, ব্লকের সহ- সভাপতি সাগর দাস, হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সেখানেও এবার পঞ্চায়েতে কে প্রার্থী (Candidate)  হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।এই বুথে প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী নন্দ রজক, উত্তম ভাস্কর এবং নব মণ্ডলের নাম। এই তিন জনের মধ্যে মূলত নন্দ রজক এবং উত্তম ভাস্করকে প্রার্থী (Candidate)  করার জন্য জোরালো দাবি উঠতে থাকে। দুইজনের অনুগামীদের মধ্যে শুরু হয় বচসা। বচসা থেকে হাতাহাতি। উত্তেজিত তৃণমূল কর্মীরা তেড়ে যায় উপস্থিত নেতৃত্বের দিকে। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। নন্দ রজকের অনুগামী মিলন কর্মকার বলেন, দলীয় প্রার্থী (Candidate) হিসেবে নন্দ রজক যোগ্য। তাই, তাঁকে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী করতে হবে। আমরা দলীয় নেতৃত্বের কাছে সেই দাবি জানিয়েছি। উত্তম ভাস্করের অনুগামী বাসন্তী দাস বলেন, বহু বছর ধরে আমি দল করছি। কেউ কিছু দেয়নি। শেষবারের মতো আমি উত্তমকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। কারণ, উত্তম ভোটে জিতলে এলাকায় উন্নয়ন হবে। ও সব সময় গ্রামবাসীদের পাশে থাকে। তাই, এবার আমরা ওকে প্রার্থী (Candidate)  হিসেবে চাইছি।

    যদিও এই ঘটনার মধ্যে শুভ সংকেত দেখছে তৃণমূল নেতৃত্ব। হরিশ্চন্দ্রপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা বলেন, আসলে দল বড় হয়েছে, তাই এক বুথে একাধিক দাবিদার। এটা মানুষের মমতা ব্যানার্জির প্রতি ভালোবাসার উত্তেজনা। দলীয় কোনও কোন্দলের বিষয় নয়। আর কোনও কর্মী তেড়ে আসেনি। তাঁরা আমাদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। বিজেপির উত্তর মালদহ সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক রূপেশ আগরওয়াল বলেন, তৃণমূল দলে অনুশাসন বলে কিছু নেই। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আগামী পাঁচ বছর ধরে কে লুটেপুটে খাবে তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি চলছে। ওদের দলে এসব ঘটনা যত হবে, তত ওরা মানুষের থেকে দূরে চলে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Election: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    One Nation One Election: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ ভারতের গণতন্ত্রের জন্য ঐতিহাসিক দিন।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন রাষ্ট্রপতির হাতে ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র (One Nation One Election) রিপোর্ট তুলে দেন মোদি সরকারের গড়া কমিটির প্রধান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। সেই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়েই এমনতর মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ‘ঐতিহাসিক দিন’ (One Nation One Election)

    এক্স হ্যান্ডেলে মোদির সেনাপতি (Amit Shah) লিখেছেন, “এটি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। আজ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র জন্য উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়েছিল মোদি সরকার। কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন রামনাথ কোবিন্দজি। তিনিই (One Nation One Election) মাননীয় রাষ্ট্রপতির হাতে রিপোর্টটি তুলে দেন।” এদিন কোবিন্দ যখন রাষ্ট্রপতির হাতে রিপোর্টটি তুলে দেন, তখন সেখানে শাহের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস ছেড়ে আসা প্রাক্তন সাংসদ গুলাম নবি আজাদও।

    কমিটির সদস্য

    রাষ্ট্রপতির হাতে যে রিপোর্টটি (One Nation One Election) তুলে দেওয়া হয়েছে, তার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৮ হাজার ৬২৬। ১৯১ দিন ধরে কমিটির সদস্যরা স্টেকহোল্ডার, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন। করেছেন রিসার্চ ওয়ার্কও। উল্লেখ্য, উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি গঠিত হয়েছিল গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর। কমিটিতে শাহ (Amit Shah) ও গুলাম নবি ছাড়াও ছিলেন ১৫তম ফিনান্স কমিশনের ভূতপূর্ব চেয়ারম্যান এনকে সিং, লোকসভার ভূতপূর্ব সেক্রেটারি জেনারেল সুভাষ সি কাশ্যপ, প্রবীণ আইনজীবী হর্ষ সালভে এবং প্রাক্তন মুখ্য ভিজিল্যান্স কমিশনার সঞ্জয় কোঠারি। বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন নিতিন চন্দ্র।

    আরও পড়ুুন: “৩৫টি প্লটের মালিক যে পরিবার, তাদের খাওয়ার অভাব?” অভিষেককে তোপ সুকান্তর

    কমিটির সদস্যরা দেশের ৪৭টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলেছেন। এর মধ্যে ৩২টি রাজনৈতিক দল লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে বিধানসভার ভোট করানোর পক্ষপাতী। বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়েছে।

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) নিয়ে দেশবাসীর প্রতিক্রিয়া জানতে দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। অংশ নিয়েছিলেন ২১ হাজার ৫৫৮ জন। এঁদের ৮০ শতাংশই সব নির্বাচন এক সঙ্গে করানোর পক্ষপাতী। এই রিপোর্টে কমিটি বেশ কয়েকটি সুপারিশও করেছে। তার মধ্যে রয়েছে সব নির্বাচনের জন্য একটাই ইলেক্টোরাল রোল ও একটাই এপিকের ব্যবস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • One Nation One Election: চালু হচ্ছে ‘এক দেশ এক ভোট’! রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট কোবিন্দ কমিটির

    One Nation One Election: চালু হচ্ছে ‘এক দেশ এক ভোট’! রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট কোবিন্দ কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে চালু হয়ে যাচ্ছে এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election)! বৃহস্পতিবারই এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে তুলে দেন মোদি সরকারের গড়া কমিটির প্রধান তথা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির হাতে ওই রিপোর্ট তুলে দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া প্রাক্তন সাংসদ গুলাম নবি আজাদ।

    এক দেশ, এক নির্বাচন’

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনও সেরে ফেলতে চায় মোদি সরকার। তাদের যুক্তি, এতে নির্বাচনী ব্যয় কমবে। একটি ভোটার তালিকায়ই দুটি নির্বাচন হওয়ায় কাজের চাপ কমবে সরকারি কর্মীদের। বিভিন্ন সময় বিধানসভা নির্বাচন হওয়ায় লাগু হয়ে যায় আদর্শ আচরণ বিধি। তার জেরে উন্নয়ন যায় থমকে। লোকসভার সঙ্গে বিধানসভাগুলিরও নির্বাচন (One Nation One Election) হলে, উন্নয়নের চাকা গড়াবে তরতরিয়ে। মোদি সরকারের এই ভাবনাকে নীতিগতভাবে সমর্থন জানিয়েছে নীতি আয়োগ, আইন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশনও। নির্বাচনী খরচ বাঁচাতে ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র তত্ত্বের জয়গান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বলছে কেন্দ্র?

    প্রধানমন্ত্রীর ভাবনাকে বাস্তবে রূপদান করতে গত বছর ১ সেপ্টেম্বর প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটি গড়ে মোদি সরকার। এদিন ১৮ হাজার পাতার সেই রিপোর্টটিই রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, ঐক্যমত্যের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়েছে সুপারিশগুলি। ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’র স্বপক্ষে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল রাজ্যসভায় বলেছিলেন, “এর ফলে যে বিপুল পরিমাণ অর্থের সাশ্রয় হবে, তা রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রচারে ব্যয় হতে পারে। এই নীতি কার্যকর হলে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের গতিও বাড়বে।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা” অর্জুন সিং

    জানা গিয়েছে, এদিন যে রিপোর্টটি পেশ করা হয়েছে, তাতে কমিটি সর্বসম্মতভাবে গোটা দেশে এক সঙ্গে সব নির্বাচন করানোর পক্ষে সায় দিয়েছে। প্রথম ধাপে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে রাজ্যের বিধানসভাগুলির নির্বাচন সেরে ফেলা হবে। পরবর্তী একশো দিনের মধ্যে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত স্তরের স্থানীয় নির্বাচনও সেরে ফেলার সুপারিশ করা হয়েছে রিপোর্টে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, এক সঙ্গে সব নির্বাচন করানো গেলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়ও যেমন রদবদল ঘটবে, তেমনি পরিবর্তন ঘটবে শাসনকার্যেও। রাজ্য নির্বাচন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জাতীয় নির্বাচন কমিটিকে দেশের সব নাগরিকের জন্য একটি মাত্র ইলেক্টোরাল রোল ও ভোটার কার্ড তৈরি করতে পারে (One Nation One Election)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ জানুয়ারি, রবিবার সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে (Bangladesh Election)। নির্বাচনী ময়দানে দেশের শাসক দল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ হাজির থাকলেও, খালেদা জিয়ার দল ডাক দিয়েছে ভোট বয়কটের। দেশের অন্য দলগুলি অবশ্য যথারীতি রয়েছে ভোট-ময়দানে। যেহেতু জিয়ার দল বিএনপি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না, তাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না অশান্তির আশঙ্কা। এহেন প্রেক্ষিতেই অবাধ, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাটাই কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সে দেশের নির্বাচন কমিশনের কাছে। সেই কারণে গুচ্ছ পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বুধবার থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।

    সেনা থাকবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত    

    নির্বাচনোত্তর (Bangladesh Election) অশান্তি এড়াতে বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই বাহিনী কীভাবে কাজ করবে, কী কী দায়িত্ব পালন করবে, তাও জানিয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য বিধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জারি করা বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এই সশস্ত্র বাহিনী। দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকার নোডাল পয়েন্ট সহ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনীর সদস্যদের। কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্য করতেই মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।

    কী বলছে কমিশন?

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাঙ্গির আলম বলেন, “রিটার্নিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শ করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনা। প্রতিটি আসনের বিভিন্ন নোডাল পয়েন্টে থাকবে তারা। কোনও ধরনের অশান্তির পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেই এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে তারা যাবে ঘটনাস্থলে। কাজ করবে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মতো।” তিনি জানান, কোন কেন্দ্রের কোথায়, কতগুলি নোডাল পয়েন্ট থাকবে, তা ঠিক করবে স্থানীয় প্রশাসন। আর সেনা কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা ঠিক করবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারি রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ সুপার-সহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুুন: “জ্যোতিপ্রিয়র জ্যোতি নিভে যাচ্ছে, রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই”, কটাক্ষ সুকান্তের

    ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের ৩৮৮টি উপজেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছিল। এবার নিয়োগ করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। জানা গিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় মহানগর এলাকা, এলাকার বাইরে ও পার্বত্য এবং দুর্গম এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৫-১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ফোর্স মোতায়েন থাকবে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়াতে পারবেন রিটার্নিং অফিসাররা (Bangladesh Election)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Venkatesh Prasad: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    Venkatesh Prasad: ‘‘সনাতন ধর্মকে সম্মান না জানানোর পরিণতি’’! কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ ভেঙ্কটেশ প্রসাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের চার রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ফলে গেরুয়া ঝড়। তিন রাজ্য রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তীসগড়ে বিজেপি বাজিমাত করেছে। গো-বলয়ের এই রাজ্যগুলিতে এক প্রকার পদ্ম-শিবিরের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে জাতীয় দল কংগ্রেস। এই জয়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মকে অসম্মান করার ফল ভোগ করছে কংগ্রেস, এমনই অভিমত প্রসাদের (Venkatesh Prasad)। 

    কী বলেছেন প্রাক্তিন ক্রিকেটার?

    প্রাক্তন ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ (Venkatesh Prasad) রবিবার বিধানসভা নির্বাচনে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরে কংগ্রেস এবং জোটের অংশীদারদের তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি কংগ্রেসের বেশিরভাগ রাজ্যে এই শোচনীয় অবস্থার জন্য দায়ী করেছেন কংগ্রেসের সঙ্গী উদয়নিধি স্ট্যালিনের ‘সনাতন ধর্ম এরিডিকেশন সম্মেলনে’-এ সামিল হওয়ার ঘটনাকে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রসাদ লিখেছেন, “সনাতন ধর্মকে সম্মান না করলে তার এমন পরিণতি হতে বাধ্য। এই বিপুল ব্যবধানে জয় পাওয়ার জন্য বিজেপিকে অনেক অভিনন্দন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের আশ্চর্যজনক নেতৃত্বর আরেকটি প্রমাণ এবং তৃণমূল স্তরে দলের ক্যাডাররা দুর্দান্ত কাজ করেছে।”

    রবিবার চার রাজ্যের ভোটের ফলে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি পদ্ম শিবির সরকার গড়তে চলেছে রাজস্থান ও ছত্তিসগড়েও। টানা ৫ বার মধ্যপ্রদেশে জিতেছে বিজেপি। রাজস্থান, ছত্তিসগড় থেকে কংগ্রেসকে হারিয়ে ফের ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। মোদি ম্যাজিকে একেবারে ধরাশায়ী কংগ্রেস শিবির। কংগ্রেস জিতেছে শুধুমাত্র তেলঙ্গানায়। চার রাজ্যের ফলের পর দেশে বিজেপির একক শক্তিতে চলা সরকারের সংখ্যা বেড়ে হল ১২।  বিশাল জয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়েছে ক্রীড়া মহলও।

    আরও পড়ুন: প্রবল বেগে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম! রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস, ল্যান্ডফল কখন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একই পরিবারের দুই গৃহবধূ, লড়াইয়ের ময়দানে দুই জা

    Purba Medinipur: প্রতিদ্বন্দ্বিতায় একই পরিবারের দুই গৃহবধূ, লড়াইয়ের ময়দানে দুই জা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুসম্পর্ক বজায় রেখে ভোটের ময়দানে এবার দুই জা। শুরু করেছেন তাঁরা নির্বাচনী প্রচার। এমনই ছবি ধরা পড়লো মহিষাদল (Purba Medinipur) ব্লকের সতীশ সামন্ত অঞ্চলের ২০ নম্বর বুথে। নির্বাচন নিয়ে দুজনেই দুই দলের থেকে জয় বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। 

    দুই জা, পরস্পর বিরোধী দলের প্রার্থী (Purba Medinipur)

    গ্রাম পঞ্চায়েত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন একই পরিবারের দু জা। একজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপির হয়ে, অন্যজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তৃণমূলের হয়ে। মহিষাদলের (Purba Medinipur) সতীশ সামন্ত অঞ্চলের ২০ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী দাস এবং তৃণমূল প্রার্থী পাপিয়া দাস। এঁরা দুজনে একই পরিবারেরে দুই ভাইয়ের স্ত্রী অর্থাৎ দুজনে সম্পর্কে জা। দুজনেই গৃহবধূ, দুজনেই এই প্রথমবার রাজনীতির ময়দানে। যদিও প্রত্যেকে এখন পৃথক ভাবে বসবাস করেন। তবে এই পরিবারের সবাইকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারের দুই বউমা হলেন এবারে নির্বাচনে দুই বিরোধী প্রার্থী। ইতিমধ্যে দুই রাজনৈতিক দল তৃণমূল ও বিজেপি উভয়েই প্রচার শুরু করে দিয়েছে।

    বিজেপি প্রার্থীদের বক্তব্য

    দুই জা-এর মধ্যে বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী দাস বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের যে যোজনা গুলি রয়েছে, সেগুলিকে নিয়ে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে (Purba Medinipur) গিয়ে প্রচার করব। সাধারণ মানুষ তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এই তৃণমূলের আমলে, এই কথাও বলেন তিনি। মানুষকে বোঝাবো ভোট দিয়ে বিজেপির হাত শক্ত করলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প গুলিকে দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। শ্রাবন্তী দেবী আরও বলেন, আমরা এলাকায় নির্বাচন নিয়ে ভীষণ আশাবাদী।

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী পাপিয়া দাস বলেন, পারিবারিক সম্পর্ক ঠিক রেখে আমরা রাজনৈতিক ময়দানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। তিনি আরও বলেন, আমরা ধীরে ধীরে নির্বাচনে প্রচার শুরু করেছি। এই অঞ্চলে (Purba Medinipur) তৃণমূলের জয় বিষয়ে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত জানিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক বিরোধিতা কখনই পরিবারে প্রভাব পড়বে না বলে জানান পাপিয়া দাস ।  

    এখন দেখার বিষয় কোন জা জনগণের আর্শীবাদ পেয়ে ভোটে জিতে আসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নির্বাচনে টাকা নিয়ে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করলেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    Murshidabad: নির্বাচনে টাকা নিয়ে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করলেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মিজানুর রহমান। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দলেরই নেতার অভিযোগে দলে চরম অস্বস্তি।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Murshidabad)

    ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী (Murshidabad) ব্লকের সাদিখাঁদেয়াড় অঞ্চলে। দলীয় কার্যালয়ে বসে অঞ্চল সভাপতির অনুগামীরা প্রার্থী হওয়ার টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমনকি যাঁরা দলের নির্দেশে নমিনেশন জমা করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই দলের বি ফর্ম না মেলায় নির্দল হয়ে গেছেন বলে জানা যাচ্ছে। আর তাতেই চাপে পড়ে যায় ব্লক সভাপতির অনুগামীরা। টিকিট না পাওয়া এক বিক্ষুব্ধু তৃণমূল নেতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, দলের কর্মীরা যাঁকে প্রার্থী হিসবে নির্বাচন করবেন, দল তাঁকেই প্রার্থী করবে। সুতরাং ব্লকের কর্মীরা যে ব্যাক্তিদের টিকিট দিলেন, তাঁরা কেন প্রার্থী হতে পারল না? সবটা মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল স্পষ্ট।

    কী বললেন অঞ্চল সভাপতি?  

    সাদিখাঁদেয়াড় অঞ্চল (Murshidabad) তৃণমূল সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, দলের মধ্যে অনেকদিন ধরে আমাদের একটা ক্ষোভ রয়েছে। দলের নির্দেশে আমরা নমিনেশন জমা করেছিলাম। কিন্তু কোনও প্রার্থীই বি ফর্ম দিতে পারলেন না। এইরকম ঘটনার যথার্থ কারণ কী, তাই বুঝতে পারছি না। নমিনেশন প্রত্যাহারের কথা কেন উঠছে বলেও দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক জেলার নেতৃত্বদের নিয়ে একসঙ্গে বসে টিকিট বণ্টন করেন। মন্ত্রী এবং জেলার নেতাদের সামনে যে প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, মনোনয়নের পর সেই মতন কাজ হয়নি। ষড়যন্ত্র করে তালিকা বদল করে বাইরের লোককে পার্টির টিকিট দেওয়া হল কীভাবে, তাই জানতে চেয়েছেন মিজানুর রহমান। অঞ্চল সভাপতি আরও বলেন, টাকার বিনিময়ে বিধায়ক টিকিট বিক্রি করেছেন। এই অবস্থায় দলের ভরাডুবি হলে সেই দায় তাঁরা নেবেন না জানান অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘না আছে লাজ, না আছে লজ্জা’’! কমিশন, রাজ্যকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘না আছে লাজ, না আছে লজ্জা’’! কমিশন, রাজ্যকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাহিনী ইস্যু হোক বা কমিশনের ভূমিকা, সবকিছু নিয়েই আদালত অসন্তুষ্ট, কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নির্লজ্জ। রাজ্য সরকারও তাই। কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত যেভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্তপাত বন্ধ করতে যেভাবে এগিয়ে এসেছে তা এক কথায় প্রশংসনীয়’।

    শুভেন্দুর দাবি

    নন্দীগ্রামে পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Election 2023) সামনে রেখে পদযাত্রায় অংশ নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে নিশানা করে শুভেন্দু বলছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও মনোনয়ন পেশ করছে তৃণমূল। আর এতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা এবং অন্যান্য বিডিও-রা যুক্ত। এদের “না আছে লাজ আর না আছে লজ্জা”। কমিশন ও সরকারের এই ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদেরকে শীঘ্রই সিবিআই তদন্তের আওতায় আনা উচিত বলেও দাবি জানাচ্ছেন তিনি। সামান্য লজ্জা থাকলেও তার চেয়ার থেকে সরে যাওয়া উচিত বলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

    সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আশা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ৫৩ টা বুথে আমাকে প্রচার করতে দেওয়া হয়নি। এবার সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। খেলা এবার আমি দেখাব।” কলকাতা হাইকোর্টের তরফে পঞ্চায়েত ভোটে নথি বিকৃত করার অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশকেও স্বাগত জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়,”মনোনয়ন পর্বে পুলিশ প্রশাসনের একাংশকে সাথে নিয়ে ব্যাপক কারচুপি করেছে কমিশন।”  প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের থেকেও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে হবে৷ রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট৷ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share