Tag: Elections 2024

Elections 2024

  • Lok Sabha Election 2024: তৃণমূলের সন্ত্রাসে বুথে যেতে পারেননি, ১০ বছর পর ভোট দিলেন ভোটাররা

    Lok Sabha Election 2024: তৃণমূলের সন্ত্রাসে বুথে যেতে পারেননি, ১০ বছর পর ভোট দিলেন ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে গত ১০ বছর ভোট দিতে পারেননি। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিলেন আমডাঙার উলুডাঙার সাধনপুর নিম্নবুনিয়াদি বিদ্যালয়ের ৬৭ ও ৭২ নম্বর বুথের ভোটাররা। এদিন বুথের বাইরে লম্বা লাইন দেখা গেল আজ। ভোটারদের দাবি, তাঁরা ভোট দিতে পারতেন না। গ্রামে আটকে থাকতেন। ১০ বছর ধরে এমনই নাকি হত। গ্রামের এক মহিলা বললেন, “এই প্রথমবার লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছি। প্রায় ১০ বছর পর ভোট দিচ্ছি। এখানে এমনই হয়।” আরও এক মহিলা বলেন, “ভোট দিতে পেরেছি ভাল লাগছে। পঞ্চায়েত ভোটের সময় তো আমার ছেলেকে মেরে ছিল। আমরা শাক-ভাত খাওয়া মানুষ। অন্য লোকের মার কেন খাব?” গ্রামবাসীরা একযোগে বললেন, “আমরা তো ভয়ে বের হতেই পারতাম না। এবার কমিশনের তৎপরতায় ভোট দিতে পারলাম।”

    আঙুল কাটলো ভোটারের (Lok Sabha Election 2024)

    এবার আমডাঙায় এক ভোটারের আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগের তির তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। তিনি ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হয়েছিলেন। সেই সময়েই এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত ওই ব্যক্তিকে জখম অবস্থায় বারাসত জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসা করানোর জন্য। তৃণমূলের এক নেতা বলেন, ‘যা কিছু অভিযোগ, সব আমাদের দিকে? আমি জানি না এই অভিযোগের ভিত্তি কী আছে। অভিযোগ যদি করে থাকে, পুলিশ সেটা দেখবে।’

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    আমডাঙায় ভোটারদের হুমকি

    আমডাঙা বিধানসভার বোদাই সরদারপাড়া এলাকার ১৩০ নম্বর বুথে সাধারণ ভোটারদের  বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল বিরুদ্ধে। ঘটনায় বারাসাত পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কিউআরটি টিম পৌঁছায়। মানুষের অভিযোগ, ভোট (Lok Sabha Election 2024) দিতে গেলে রাতের বেলা বোম মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে হাত কেটে নেওয়া হবে। আর এই কারণে গ্রামের মহিলা থেকে পুরুষ কেউই ভোট দিতে যেতে পারছে না ভোট কেন্দ্রে। একই ভাবে দুই বিজেপি কর্মীকে মারধর করা হয় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের আমডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর, আবাসনে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Howrah: হাওড়ায় বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর, আবাসনে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার (Howrah) একাধিক এলাকায় ক্ষমতা দেখালো তৃণমূল। কোথাও বোমাবাজি করে ভোটারদের ভয় দেখিয়েছে। কোথাও আবার বিজেপির ক্যাম্প অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে পঞ্চম দফা নির্বাচনে হাওড়া জুড়়ে তৃণমূলের সন্ত্রাসের ছবি সামনে এসেছে।

    বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভাঙচুর (Howrah)

    এদিন হাওড়ার (Howrah) উনসানি ষষ্ঠীতলা এলাকা বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপিও প্রতিহত করার চেষ্টা করে। হামলার জেরে জখম হয়েছেন দু-পক্ষের বেশ কয়েকজন। উনসানি ষষ্ঠীতলা এলাকায় বিজেপির ক্যাম্প ভাঙচুর হয়। সেই খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী। তিনি যেতেই পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বিজেপির কর্মী সমর্থকরা তাঁকে সামনে পেয়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। রবিবার রাত থেকেই তারা এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। অন্যদিকে, হাওড়ার ডোমজুড়ের বাঁকরা হাই ইসলামিয়া হাই স্কুলের বুথের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে জমায়েত করার অভিযোগ উঠেছে। পরে, ভিড় সরিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পরে ওই স্কুলে পৌঁছন। তাঁর অভিযোগ, যেখানে সংখ্যালঘু ভোট বেশি, সেখানে ইচ্ছা করে বাহিনী সব করছে। এই নিয়ে বিজেপি-সিপিএমকেও দোষেন তৃণমূল প্রার্থী। শ্রীরামপুর লোকসভার ডোমজুড়ে বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। দেবীপাড়ায় বিজেপির ওই কার্যালয়ে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি উঁচিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের দিকে তেড়ে যায় পুলিশ। দু’দলেরই বেশ কয়েক জন সমর্থককে আটক করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    হাওড়ার আবাসনে বোমাবাজি

    হাওড়ার (Howrah) আবাসনে বোমাবাজি! ভোটারদের আটকাতে তৃণমূল আবাসনের মূল গেট বন্ধ করিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। গেট খুললে নিরাপত্তা কর্মীকে গুলি করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা গেট বন্ধ ছিল। খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশ ওই আবাসনে গিয়ে গেট খুলে দেয়। হাওড়ায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ জ্যাম করার অভিযোগ। গন্ডগোলে জড়িয়ে পড়ে দু-পক্ষ। মারধরে মাথা ফাটে দু-পক্ষের বেশ কয়েকজনের। ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর পুলিশ এবং র‍্যাফ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি বড় কিছু পেতে চান, তাহলে আপনার চিন্তাভাবনাটাও বড় করতে হবে।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, এমন পরিকল্পনা করতে হবে যা হাজার বছর পরেও লোকে মনে রাখে। তিনি বলেন, “এটা ভারতের সুসময়। এ সুযোগ হেলায় হারানো উচিত হবে না।” এ প্রসঙ্গে তিনি স্বাধীনতার পরে ভারতের একশো বছরের পরিকল্পনার প্রসঙ্গও টানেন। তাঁর মতে, এটা ভারতের ভিত পোক্ত করে দিতে পারে।

    হাজার বছর…(PM Modi)

    উদাহরণ স্বরূপ তিনি উল্লেখ করেন দেশের আমলাতন্ত্রের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “কেবল প্রমোশনই লক্ষ্য হতে পারে না। নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা এবং অফিসারদের প্রশিক্ষণে বদল জরুরি। তাঁদের জানা উচিত, তাঁদের জীবনের উদ্দেশ্য কী।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি আবারও বলছি, জীবনে কিছু ঘটনা ঘটে, যেগুলি আমাদের বেঁচে থাকতে বাধ্য করে আগামী হাজার বছর। আজ যা কিছু করা হচ্ছে, সেটা ভারতকে আগামী হাজার বছর ধরে একটা উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ উপহার দেবে। এটা ভারতের সময়। তাই সুযোগ হাতছাড়া করা আমাদের উচিত হবে না।” তিনি বলেন, “মানুষের জীবনেও যেমন টার্নিং পয়েন্ট থাকে, তেমনি থাকে রাষ্ট্রের জীবনেও। আমি মনে করি, এটাকে কাজে লাগাতে হবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা একটা বড় কাজ করছি, একটা বড় বুদ্ধিমত্তার অনুশীলন করছি। আমি এটা দীর্ঘদিন ধরে করছি। এবং সেই সব আধিকারিক, যাঁরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা অবসর নিয়েছেন। আমরা মন্ত্রী, সচিব এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছি।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমি বিভিন্ন ধাপ অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি – ২৫ বছর, ৫ বছর, ১ বছর এবং ১০০ দিন। এর সঙ্গে আরও যুক্ত কিছু হবে, এক-দু’টো বাদও যেতে পারে। কিন্তু আমাদের সামনে একটা বড় পরিকল্পনা ছকা রয়েছে।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরে আমরা পরিকল্পনা করতে শুরু করেছি। দেশের বয়স যখন একশো হবে, তখন পর্যন্ত তা কার্যকরী হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরের কথা ভাবছি না, ভাবছি একশো বছরের কথা। আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন? আপনাদের প্রতিষ্ঠান থাকবে কোথায়? রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নব্বই বছরের পরিকল্পনা রয়েছে। আমি বলেছিলেন, ঠিক আছে, তবে দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন?”

    যুবশক্তির সদ্ব্যবহার করা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ছোট ছোট করে ভাবি না। মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যও আমি কাজ করি না। আগামিদিনে আমি জোর দিতে চাই কীভাবে যুবকদের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করতে পারি, তাঁদের মধ্যে কীভাবে বড় কোনও স্বপ্নের বীজ বপন করতে পারি এবং সেই স্বপ্ন সফল করতে তাঁদের অভ্যাসে কী ধরণের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, তা তাঁদের বোঝাতে পারি। আমি বিশ্বাস করি (PM Modi), এই সব প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হবে।”

    দুয়ারে জয়

    ২০ মে, সোমবার দেশের ৪৯টি লোকসভা কেন্দ্রে চলছে নির্বাচন। অষ্টাদশতম লোকসভার নির্বাচন হবে সাত দফায়। এদিন চলছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। তার আগে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও তৃতীয়বার জয়ের বিষয়ে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এবার ৪০০ আসনে জিতে রেকর্ড গড়বে এনডিএ।” চারশো আসন পেলে এনডিএ সরকার সংবিধান বদলে দেবে বলে বিরোধীরা যা প্রচার করছেন, তা মিথ্যা বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    আর পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    তিনি বলেন, “চারশো আসন পাওয়ার সঙ্গে সংবিধান বদলে দেওয়ার ভাবনাটা বোকা বোকা। ওরা আসলে এসব ইস্যুতে গোলমাল পাকিয়ে হাউসের কাজকর্ম বন্ধ করে দেবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ৪০০ আসন পাবই। ২০১৯ থেকে ২০২৪ এই পাঁচ বছর বিজেপির নেতৃত্বে সরকার চলছে। গত নির্বাচনে এনডিএ জিতেছিল ৩৬০টি আসন। আর এবার চারশোর বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরব আমরা (PM Modi)।” প্রসঙ্গত, সাত দফার লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। ফল ঘোষণা হবে ৪ জুন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: বিজেপি কর্মীদের ওপর ধারালো অস্ত্রের কোপ, বিক্ষিপ্ত অশান্তি পঞ্চম দফায়

    Lok Sabha Election 2024: বিজেপি কর্মীদের ওপর ধারালো অস্ত্রের কোপ, বিক্ষিপ্ত অশান্তি পঞ্চম দফায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম দফা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিন রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর। কোথাও বিজেপি এজেন্টকে মেরে বুথ থেকে বের করা দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুথ জ্যাম করার অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। সব মিলিয়ে সোমবার সকাল থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির সাক্ষী থাকলেন ভোটাররা।

    বিজেপি কর্মীদের ওপর ধারালো অস্ত্রের কোপ  (Lok Sabha Election 2024)

    ভোট (Lok Sabha Election 2024) দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে স্বরূপনগরের নবাব কাটি ১২৭ নম্বর বুথ। অভিযোগ সকালবেলা ভোট দিতে যাচ্ছিলেন কয়েকজন বিজেপি কর্মী। ঠিক সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা অতর্কিতভাবে বাস লোহার রড মিটিয়ে বিজেপি কর্মীদের ওপরে হামলা চালায়। এমনকী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মীদের মাথা ফেটে যায়। পরে, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের গয়েশপুর বেদিভবনের কাছে রাস্তার ওপর বিজেপির গয়েশপুর শহর মণ্ডল সাধারণ সম্পাদক সুবীর বিশ্বাসকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মী জয়ন্ত জয়ধর। আক্রান্ত সুবীর বিশ্বাসের অভিযোগ, ভোটারদের ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। এছাড়াও বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ঘটে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা। বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মী সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করার জন্য এইমস হাসপাতালে যান বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    বারাকপুরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি

    বারাকপুর লোকসভায় (Lok Sabha Election 2024) আমডাঙ্গা বিধানসভার ১৯৮ ,১৯৯ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্টকে ঢুকতে বাধা। তিনি জানান তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা তাকে বুথে ঢুকতে বাধা দেয়। এরপর দত্তপুকুর থানার পুলিশ এবং পুলিশের উচ্চ আধিকারিকরা এসে সেই বুথ কর্মীকে বুথে ঢুকতে  সহায়তা করেন। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা অস্বীকার করেন। কাশিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান মেঘনাদ দাস পুরো ঘটনাটিকে অস্বীকার করেন এবং তিনি জানান সুষ্ঠুভাবে ভোট চলছে। অন্যদিকে, জোর করে বুথে ঢোকার চেষ্টা নির্দল এজেন্টদের। বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় টিটাগড়ে। নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বসতে দেওয়া হয়নি বলে ওই নির্দল এজেন্ট এর অভিযোগ প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে। বুথে ভুয়া এজেন্ট বসানো হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে চানকিয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় আসেন আইএসএফের বারাকপুরের প্রার্থী জামিল হোসেন। কিন্তু তার আসার আগেই সেই ভুয়া এজেন্ট ভোট কেন্দ্র ছেড়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন আইএসএফ প্রার্থী। বীজপুর বিধানসভার তিন নম্বর বুথে উত্তেজনা বুথ জাম করার অভিযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। এই ঘটনার উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূল কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ।

    হাওড়ায় প্রিসাইডিং অফিসারকে চড়

    হাওড়ার লিলুয়ায় ভারতী স্কুল ১৭৬ নম্বর বুথে ভোট বন্ধ রয়েছে। প্রিসাইডিং অফিসারকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে বুথে বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী গেলে তাঁর কাছে সমস্ত বিষয়টি জানা প্রিসাইডিং অফিসার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: রাত পোহালেই পঞ্চম দফার নির্বাচন, ভাগ্য পরীক্ষা কাদের জানেন?  

    Lok Sabha Elections 2024: রাত পোহালেই পঞ্চম দফার নির্বাচন, ভাগ্য পরীক্ষা কাদের জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই পঞ্চম দফার লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। এদিন ভাগ্য নির্ধারণ হবে দেশের ৪৯টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের। এর মধ্যে যেমন উত্তরপ্রদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসন রয়েছে, তেমনি নির্বাচন হবে বাংলার কয়েকটি আসনেও। ভোট হবে বিহার, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র এবং ওড়িশায়ও। এই ছয় রাজ্যের পাশাপাশি সোম-সকালে ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হবে দেশের দুই কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের দুটি লোকসভা কেন্দ্রেও। এর একটি আসন জম্মু-কাশ্মীরে, অন্যটি লাদাখে।

    রাজনাথ-রাহুল-স্মৃতি (Lok Sabha Elections 2024)

    অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) হচ্ছে সাত দফায়। নির্বিঘ্নে পার হয়েছে চারটি দফার ভোট। ২০ মে রয়েছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। এদিন উত্তরপ্রদেশে ভাগ্য পরীক্ষা হবে কেন্দ্রের পাঁচ মন্ত্রীর। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং স্মৃতি ইরানি। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীরও কপাল-লিখনও এদিন হয়ে যাবে ইভিএমে। এদিনই ভাগ্য পরীক্ষা হবে করণ ভূষণ সিং ও চিরাগ পাশোয়ানের। রাজীব প্রতাপ রুডি, পীযূষ গোয়েল, উজ্জ্বল নিকম, ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ওমর আবদুল্লা এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা রোহিণী আচার্যের ভাগ্যও নির্ধারিত হবে এদিন।

    ৪৯টি আসনে নির্বাচন

    এদিন ভোট হবে ঝাড়খণ্ডের ৩, ওড়িশার ৫, উত্তরপ্রদেশের ১৪, বিহারের ৫, মহারাষ্ট্রের ১৩ এবং পশ্চিমবঙ্গের ৭টি আসনে। লাদাখ ও জম্মু-কাশ্মীরের একটি আসনেও ভোট হবে এদিনই। ৪৯টি আসনে নির্বাচন হলেও, গোটা দেশের নজর রইবে হাতে গোণা কয়েকটি আসনের দিকে। এর মধ্যে রয়েছে রায়বরেলি এবং আমেঠি। রায়বরেলিতে হাত চিহ্নে লড়ছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। এই আসনে দীর্ঘদিন জিতে আসছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। বয়সের কারণে তিনি এবার প্রার্থী হতে রাজি হননি। তাই প্রার্থী হয়েছেন রাহুল।

    আর পড়ুন: “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু-দিলীপের কর্মভূমি”, খড়্গপুরে বললেন মোদি

    প্রসঙ্গত, রায়বরেলির পাশাপাশি রাহুল লড়ছেন কেরলের ওয়েনাড় কেন্দ্র থেকেও। উত্তরপ্রদেশের আমেঠির দিকেও নজর রইবে দেশবাসীর। কংগ্রেসের দখলে থাকা এই আসন ছিনিয়ে নিয়েছিলেন বিজেপির স্মৃতি ইরানি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে স্মৃতির কাছে গোহারা হারেন রাহুল। উত্তরপ্রদেশেরই লখনউ আসনে প্রার্থী হয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেদিকেও নজর রইবে দেশবাসীর। উত্তরপ্রদেশেরই ফৈজাবাদ কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে অযোধ্যা মন্দির। এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী লাল্লু সিং। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজবাদী পার্টির আওধেশ প্রসাদ (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু-দিলীপের কর্মভূমি”, খড়্গপুরে বললেন মোদি

    PM Modi: “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু-দিলীপের কর্মভূমি”, খড়্গপুরে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের কর্মভূমি।” রবিবার খড়্গপুরের নির্বাচনী জনসভায় বিজেপির দুই নেতাকে এক পঙতিতে বসিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দিলীপ ঘোষ ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আর শুভেন্দু এখন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। গেরুয়া শিবিরে যে দুই নেতার গুরুত্বই সমান, কেউ বড় কিংবা কেউ ছোট নয়, এদিনের সভায় প্রধানমন্ত্রী সেই বার্তাই দিলেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    মোদির মুখে দিলীপ স্তুতি (PM Modi)

    মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ দিলীপ। তাঁকে এবার পদ্ম-পার্টি প্রার্থী করেছে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে। দিলীপকে মেদিনীপুরে প্রার্থী না করায় দলের অন্দরে যদি কোনও অসন্তোষ দানা বেঁধেও থাকে, তার প্রভাব যেন ইভিএমে না পড়ে, সেই বার্তা দিতেই প্রধামমন্ত্রী (PM Modi) দিলীপ ও শুভেন্দুকে বসালেন একাসনে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মেদিনীপুর আমাদের শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের কর্মভূমি। আমি দিলীপকে রাজনীতির অনেক আগে থেকে চিনি। পরিশ্রম করা তাঁর স্বভাব। উনি শান্তিতে দু’দণ্ড বসতে পারেন না। পার্টির সভাপতি হিসেবে দিনরাত এক করে পরিশ্রম করেছিলেন।” প্রসঙ্গত, দিলীপের কেন্দ্র বর্ধমান-দুর্গাপুরে দিলীপকে ‘বড় নেতা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    শোনা গেল শুভেন্দু প্রশস্তিও

    দিলীপের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর মুখে এদিন শোনা গিয়েছে শুভেন্দু-প্রশস্তিও। তিনি বলেন, “শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই করে যাচ্ছেন। তাই আমি বলব, মেদিনীপুরে বিজেপির কার্যকর্তাদের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। মেদিনীপুর থেকে অগ্নিমিত্রা পাল ও ঘাটালে হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়কে জেতাতেই হবে।”

    আর পড়ুন: উন্নততর ভারত গড়তে কী করণীয়, ‘ফাঁস’ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    শুভেন্দুর ঢের আগে থেকেই দিলীপকে চেনেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনীতিতে আসার আগে দিলীপ ছিলেন আরএসএসের প্রচারক। প্রধানমন্ত্রীও তা-ই ছিলেন। নানা সময় তাঁদের দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে। রবিবার খড়্গপুরের জনসভায় সেই প্রসঙ্গই উত্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী। কেবল তা-ই নয়, এদিন সভা শেষে দিলীপের সঙ্গে আলাদা করে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। দিলীপের কেন্দ্রে যেহেতু ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে, তাই তাঁকে আরও বেশি করে মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে সময় দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: উন্নততর ভারত গড়তে কী করণীয়, ‘ফাঁস’ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: উন্নততর ভারত গড়তে কী করণীয়, ‘ফাঁস’ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে উন্নততর করতে কী করণীয়, সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তা ফাঁস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “আজকাল আমার মন্ত্রিসভায় একটা ট্র্যাডিশন শুরু হয়েছে। যখনই কোনও বিল সংসদে পেশ হয়, তার আগেই সেটি আসে মন্ত্রিসভায়। এর সঙ্গে আসে একটা গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড নোট। এই নোটে উল্লেখ করা থাকে বিলটি যে বিষয়ে, সেই বিশেষ ক্ষেত্রটিতে বিশ্বের কোন দেশ সব চেয়ে ভালো পারফর্ম করছে। সেখানে কী নিয়ম আছে, আমরা কীভাবে সেখানে পৌঁছতে পারি। তাই আমাদের মন্ত্রিসভায় প্রত্যেকবারই গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড ম্যাচ করতে হয়।” 

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা (এই নোট দেওয়া) এখন আমলাতন্ত্রের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। কেবল বললাম, আমাদেরটাই বিশ্বে শ্রেষ্ঠ, এটাই যথেষ্ট নয়। বলতে হবে, বিশ্বের কোন দেশ এই ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পারফর্ম করছে, আমাদের অবস্থান ঠিক কোথায়, আমরা কীভাবে সর্বোত্তম স্থানটিতে পৌঁছতে পারি।”

    চার ‘এস’ মন্ত্র

    চলতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি যে রেকর্ড গড়তে চলেছে, সে বিষয়েও প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী। সাত দফায় হবে লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে চতুর্থ দফার ভোট। এই চার দফায়ও বিজেপি বিপুল সংখ্যক আসনে জিতবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এবাবের নির্বাচনের সুর যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর পক্ষেই বাঁধা হয়ে গিয়েছে, তা সবাই জানেন।” দেশের উন্নতির জন্য চার ‘এস’ মন্ত্রের উল্লেখও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আর পড়ুন: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতেই সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    তিনি বলেন, “সুযোগটা খুব বড় হওয়া উচিত। এটা ভেঙে ভেঙে হলে হবে না। দ্বিতীয় মন্ত্রটি হল স্কেল। এটাও বড় হওয়া উচিত। এই দুয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে স্পিড বা গতি। সুতরাং, প্রথম তিনটি মন্ত্র হল স্কোপ, স্কেল এবং স্পিড। এই তিনটির সঙ্গে থাকা উচিত স্কিল বা দক্ষতা। আমরা যদি এই চারটিকে এক সঙ্গে পাই, আমি বিশ্বাস করি আমরা অনেক কিছুই লাভ করতে পারব।” প্রসঙ্গত, এবার বিজেপি একাই ৩৭০টি আসন নিয়ে ফিরতে চাইছে কেন্দ্রে। সব মিলিয়ে এনডিএ পেতে চাইছে ৪০০টি আসন (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Drugs Seized: ভোটের আবহেই উদ্ধার মাদক, বেআইনি নগদ, টাকার অঙ্ক জানেন?

    Drugs Seized: ভোটের আবহেই উদ্ধার মাদক, বেআইনি নগদ, টাকার অঙ্ক জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে লোকসভা নির্বাচন। ভোট গ্রহণ হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে চতুর্থ দফার নির্বাচন। ২০ মে, সোমবার হবে পঞ্চম দফার নির্বাচন। তার আগে শনিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচন-পর্বে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৮ হাজার ৮৮৯ কোটি টাকার সামগ্রী। এর ৪৫ শতাংশই মাদক (Drugs Seized)।

    কী জানাল কমিশন? (Drugs Seized)

    কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, নিয়মিত তল্লাশি অভিযান চালানোয় মাদক এবং সাইকোট্রপিক জিনিসপত্র মিলিয়ে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ জিনিসপত্র। এর সিংহভাগই মাদক। পয়লা মার্চ থেকে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা, চালাচ্ছে নজরদারিও। তার ফলেই বাজেয়াপ্ত হয়েছে মাদক-সহ বিপুল পরিমাণ জিনিসপত্র। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে মাদক, মদ, দুর্মূল্য ধাতু, খয়রাতির জিনিসপত্র এবং নগদ টাকা (Drugs Seized)।

    বাজেয়াপ্ত বিপুল পরিমাণ মাদক 

    জানা গিয়েছে, নির্বাচন শুরুর আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার, দুই নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং সুখবীর সিং সান্ধু বৈঠক করেন রাজ্যের ডিজির সঙ্গে। বৈঠকে ছিলেন ডিআরআই, ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড, রাজ্য পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর গত দু’মাসে বাজেয়াপ্ত হয়েছে বিপুল পরিমাণ জিনিসপত্র। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, গত তিন দফার নির্বাচনের প্রচারের ওপর কড়া নজর রেখেছিল নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে ভোটারদের প্রভাবিত করার কোনও চেষ্টা হচ্ছে কিনা, সেদিকেই নজর রাখা হয়েছিল। সিইও এবং এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলিকে এ ব্যাপারে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আর পড়ুন: “ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির স্বার্থে সব করতে পারে ইন্ডিয়া ব্লক”, তোপ মোদির

    মাদক এবং অন্যান্য জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করার এই অভিযান চলবে বলেও জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে। কমিশন জানিয়েছে, গুজরাট এটিএস, এনসিবি এবং ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ড একাধিকবার যৌথ অভিযান চালিয়েছে। গত তিন দিনের এই অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৮৯২ কোটি টাকা মূল্যের মাদক। এই নির্বাচন সাক্ষী হয়ে রইল মাদক পাচারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার। গুজরাট, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লি ছাড়াও দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকেও বাজেয়াপ্ত হয়েছে মাদক (Drugs Seized)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: শ্রীনগরে পড়ল রেকর্ড ভোট, কী প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর?

    PM Modi: শ্রীনগরে পড়ল রেকর্ড ভোট, কী প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঠাশ বছর পরে রেকর্ড ভোট পড়ল জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রে। সোমবার তারই প্রশংসা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায় (PM Modi)। এর আগে লোকসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০১৯ সালে। তখনও ভূস্বর্গে ছিল ৩৭০ ধারা।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই ৩৭০ ধারা রদ করে মোদি সরকার। তার পর এই প্রথম বড় কোনও নির্বাচন হল সেখানে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “৩৭০ ধারা রদের পর জনগণের আকাঙ্খা বেড়েছে। তাই দ্বিগুণ উৎসাহে ভোট দিয়েছেন উপত্যকার মানুষ।” ১৩ মে চতুর্থ দফায় নির্বাচন হয়েছে শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রে। ভোট পড়েছে ৩৮ শতাংশ। যা উনিশের নির্বাচনের ভোটদানের হারের দ্বিগুণ।

    অপ্রীতিকর ঘটনা কোনও ঘটনা ঘটেনি

    সোমবার শ্রীনগরের ২ হাজার ১৩৫টি ভোটকেন্দ্রের কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জনগণ ভোট (PM Modi) দিয়েছেন উৎসবের মেজাজে। জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, প্রায় তিন দশকে সর্বোচ্চ ভোট পড়ল। কোনও নেতিবাচক ঘটনা ঘটেনি। প্রচারও হয়েছে স্বাভাবিক ছন্দেই। নির্বাচনের দিনও অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেনি। জম্মু-কাশ্মীরের সার্বিক পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। তাই বেশি সংখ্যক মানুষ ভোট দিয়েছেন।

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বিশেষ করে শ্রীনগর লোকসভা কেন্দ্রের ভোটারদের অভিনন্দন জানাতে চাই। আগের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন তাঁরা। ৩৭০ ধারা রদ উপত্যকার জনগণের আকাঙ্খা বাড়িয়ে দিয়েছে। পূর্ণ উদ্যমে ভোট দিয়েছেন তাঁরা। এটি জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ করে যুবদের একটি বড় প্রাপ্তি।”

    আরও পড়ুুন: “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা পরাব”, ‘ইন্ডি’ নেতাদের জবাব মোদির

    শ্রীনগরে এবার লড়াই মূলত চতুর্মুখী। এই কেন্দ্রে লড়ছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স পার্টির অগা রুহুল্লা, পিডিপির ওয়াহিদ পারা, জেকে আপনি পার্টির আশরাফ মির এবং ডিপিএপির অমিত ভাট। যদিও এই কেন্দ্রে এবার প্রার্থী রয়েছেন ২৪ জন। উনিশের সাধারণ নির্বাচনে শ্রীনগরে প্রার্থী ছিলেন ১২ জন। কাশ্মীরি পণ্ডিতরা জম্মুর একটি বিশেষ বুথে গিয়ে প্রয়োগ করেছেন ভোটাধিকার। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পুরো ভোটগ্রহণ পর্বটিই লাইভ ওয়েব কাস্টিং করা হয়েছে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Asansol: তৃণমূল মন্ত্রীর ভাইয়ের ওয়ার্ডে চলেছে দেদার ছাপ্পা ও ভোট লুট, অভিযোগ বিজেপির

    Asansol: তৃণমূল মন্ত্রীর ভাইয়ের ওয়ার্ডে চলেছে দেদার ছাপ্পা ও ভোট লুট, অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের চতুর্থ দফা নির্বাচনে ছাপ্পার অভিযোগে ফের একবার শোরগোল পড়ল আসানসোলে (Asansol)। এলাকায় ভোটদানে বাধা দিয়ে বলা হয় ভোটদান হয়ে গিয়েছে। ঘটনা ঘটেছে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের চেলিডাঙা ব্যারট ক্লাব এলাকায়। এই এলাকার নেতা মন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটক। বিজেপির অভিযোগ তাঁর নেতৃত্বে এলাকায় দেদার ছাপ্পা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে পিসাইডিং অফিসার নিজে বলেছেন ভোট হয়ে গিয়েছে। এলাকায় ভুয়ো ভোটার এনে এলাকায় ভোট দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল বলেছে, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। এলাকায় বিজেপি অশান্তি সৃষ্টি করেছে।

    অপর দিকে নদিয়া, মুর্শিদবাদ এবং বর্ধমানের লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট লুট, বিরোধী এজেন্ট বসতে না দেওয়া, ছাপ্পা সহ একাধিক অভিযোগের কথা জানিয়েছে বিজেপি। ভোটের আগের দিন কেতুগ্রামে এক ব্যক্তিকে খুনের ঘটনা ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য (Asansol)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “এই বুথে (Asansol) মৃত লোকের ভোট দেওয়া হয়েছে। এলাকার সাধারণ ভোটার সুরেশ প্রসাদ বলেছেন তিনি ভোট দিতে এসে শুনেছেন তাঁর ভোট দেওয়া হয়ে গিয়েছে। আমাদের খবর দিলে আমরা এগিয়ে এসেছি এই বুথে। আমরা বলেছি টেন্ডার ভোট করাতে হবে। ইতিমধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার, সেক্টর অফিসারকে জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ৬৩ শতাংশ মুসলিম ভোটে কেন মুসলিম সাংসদ নয়? হুঁশিয়ারি হুমায়ুনের

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা এলাকার (Asansol) তৃণমূলেরে যুব নেতা পিন্টু কর্মকার বলেছেন, “বিজেপি শান্তিপূর্ণ ভোটকে নষ্ট করার চেষ্টা করেছে। বুথের মধ্যে ঢুকে ঝামেলা করছে তাই এই রকম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।” ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ালে ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে উপস্থিত হয়। উল্লেখ্য এই ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেন রাজ্যের তৃণমূলের নেতা তথা মন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটক। তাঁর নির্দেশেই এই ভোট লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share