Tag: Electoral Bond

Electoral Bond

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bond) নম্বর প্রকাশ্যে আনতে হবে। সেই মতো রবিবার নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত বাকি তথ্যও ওয়েবসাইটে আপলোড করল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়েছিল প্রথম দফার কিছু তথ্য।

    দ্বিতীয় দফায় কোন তথ্য প্রকাশ (Electoral Bond) 

    দ্বিতীয় দফায় যে তথ্য আপলোড করা হয়েছে, তা থেকে জানা যাচ্ছে কত টাকার নির্বাচনী বন্ড কেনা হয়েছে, তা থেকে কতগুলি বন্ড ভাঙিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি ইত্যাদি। বন্ড কেনার তারিখ, বন্ডের সংখ্যা, এসবিআইয়ের কোন শাখা থেকে বন্ড কেনা হয়েছিল, সেই বন্ড কোন রাজনৈতিক দল ভাঙিয়েছে, সব তথ্যই আপলোড করা হয়েছে কমিশনের তরফে দেওয়া দ্বিতীয় দফার তথ্যে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ১২ মার্চ মুখবন্ধ খামে নির্বাচন কমিশনের হাতে এসব (Electoral Bond) তথ্য তুলে দিয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    মমতার দলের আয় কত?

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে সব চেয়ে বেশি আয় হয়েছে সর্বভারতীয় দল বিজেপির। আঞ্চলিক দল হওয়া সত্ত্বেও বন্ড বাবদ রোজগারের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ড থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল আয় করেছে ১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর একটি সর্বভারতীয় দল কংগ্রেস। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে লাভবান হয়েছে আরও কয়েকটি আঞ্চলিক দল।

    আরও পড়ুুন: বাকি আসনের প্রার্থী ঘোষণা শীঘ্রই? রাজ্যের ৪ শীর্ষ নেতাকে দিল্লি তলব বিজেপির

    তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এসবিআইকে বিভিন্ন বন্ডের ইউনিক নম্বর জানাতে বলেছে। যাতে করে দল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানতে পারে। মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ড থেকে তারা কোনও অনুদান পায়নি। সিপিএম এবং সিপিআইও জানিয়েছে, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোনও অনুদান পায়নি তারা। তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে পেয়েছে ৬৫৬.৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে লটারি কিং সান্তিয়াগো মার্টিনের সংস্থা ফিউচার গেমিংয়ের দেওয়া ৫০৯ কোটি টাকাও। কংগ্রেস জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে এসবিআই যে তথ্য দিয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনবে তারা। কংগ্রেসের গোয়া ইউনিট জানিয়েছে, ভাস্কো দা গামা ভিত্তিক কোম্পানি ভিএম সালগাওকরের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা অনুদান (Electoral Bond) পেয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Santiago Martin: নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে বেশি টাকা দিয়েছেন সান্তিয়াগো, তিনি কে জানেন?

    Santiago Martin: নির্বাচনী বন্ডে সব চেয়ে বেশি টাকা দিয়েছেন সান্তিয়াগো, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শি দেশ মায়ানমারে তিনি গিয়েছিলেন শ্রমিকের কাজে। সেখান থেকেই তিনি হয়েছেন লটারি কিং। সেই সান্তিয়াগো মার্টিনের (Santiago Martin) সংস্থাই নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে সব চেয়ে বেশি টাকা দান করেছে। ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সান্তিয়াগোর সংস্থা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে দিয়েছে ১ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে লটারি কিংয়ের কেরামতি!

    কে এই সান্তিয়াগো? (Santiago Martin)

    সান্তিয়াগো (Santiago Martin) একটি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট চালান। এই ট্রাস্টের ওয়েবসাইট থেকে জানা গিয়েছে, মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গনে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। ভারতে ফেরেন ১৯৮৮ সালে। শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা জমিয়েছিলেন, তা দিয়ে তামিলনাড়ুতে শুরু করেন লটারি ব্যবসা। পরে তাঁর এই ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে কেরল, কর্নাটক এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে। পরে নেপাল ও ভুটানেও ছড়িয়ে পড়ে তাঁর লটারি ব্যবসা। উত্তর-পূর্বে সরকারি লটারি স্কিমগুলি পরিচালনার ভারও নিয়েছিলেন সান্তিয়াগো। লটারি ব্যবসার টাকা তিনি বিনিয়োগ করেন নির্মাণ শিল্প, রিয়েল এস্টেট, বস্ত্র এবং হোটেল ব্যবসায়। অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন অফ লটারি ট্রেড অ্যান্ড অ্যালায়েড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্টও তিনি। তাঁরই প্রচেষ্টায় ওয়ার্ল্ড লটারি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হয়েছে ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড। এটাই তাঁর সংস্থার নাম।

    সান্তিয়াগোর (Santiago Martin) সংস্থায় তল্লাশি!

    যে ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসকে ‘দাতা’র ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে, সেই সংস্থার বিরুদ্ধেই তহবিল তছরুপ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৯ সালে এই অভিযোগের তদন্তে নামে ইডি। তার আগে সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। চার্জশিটে বলা হয়েছিল, সান্তিয়াগো মার্টিন (Santiago Martin) ও তাঁর সংস্থা ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১০ সালের অগাস্ট পর্যন্ত পুরস্কার বিজয়ীর টিকিটের সংখ্যা বাড়িয়ে ৯১০ কোটি টাকা ক্ষতি করেছে সিকিম সরকারের। সিবিআই চার্জশিট পেশ করার পরেই তদন্ত শুরু করে ইডি। গত মে মাসে সংস্থার কোয়েম্বত্তুর ও চেন্নাইয়ের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। ৯৬৬ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড কিনেছে হায়দরাবাদের মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার। এই তালিকায় রয়েছে ভারতী এয়ারটেল, ইন্ডিগো, আইটিসি সহ একাধিক সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গলাকাটা দামে বিক্রি হয়েছে চাকরি’’, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ডের উৎস জানার অধিকার নেই সাধারণ মানুষের, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র  

    Electoral Bond: নির্বাচনী বন্ডের উৎস জানার অধিকার নেই সাধারণ মানুষের, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে কালো টাকার খেলা বন্ধ করতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেজন্য তাঁর সরকার চালু করেছিল নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond)। ২০১৮ সালে এই বন্ডের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। বন্ড চালু হওয়ার ফলে যিনি রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতে চান, তাঁকে বন্ড কিনে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট পার্টিকে।

    নির্বাচনী বন্ড

    এক হাজার থেকে ১ কোটি টাকা মূল্যের বন্ড পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে বন্ড ভাঙিয়ে নিতে পারে রাজনৈতিক দলগুলি। তবে কে, কত টাকা দিচ্ছেন, তা জানা যায় না। এই নির্বাচনী বন্ডের তহবিল কোথা থেকে আসছে, সাধারণ মানুষের তা জানার অধিকার নেই বলেই সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দিল কেন্দ্র। সোমবার এই মর্মে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়েছে কেন্দ্র। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে মঙ্গলবার শুনানি হবে ওই মামলার। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন এই সাংবিধানিক বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআই গাভাই, বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।

    কেন্দ্রের হলফনামা

    এদিন হলফনামায় (Electoral Bond) অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি জানিয়ে দেন, নির্বাচনী বন্ডের উৎস সম্পর্কে জানার অধিকার সাধারণ মানুষের নেই। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে ভেঙ্কটরামানি বলেন, “সংবিধানের তিন নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিষয়টি ভারতীয় নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে না।” তাঁর দাবি, নির্বাচনী বন্ডে রাজনৈতিক দলগুলির তহবিলে ‘অনামা দাতা’ সম্পর্কে যে গোপনীয়তা রয়েছে, তা যুক্তিসঙ্গত। নির্বাচনী বন্ড সংবিধানের ১৯(২) ধারার অধীন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, “এ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ বলবতের ক্ষমতা রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের।”

    আরও পড়ুুন: সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা না হওয়ায় টাটাকে দিতে হবে গুণাগার, টাকার পরিমাণ জানেন?

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনী বন্ডের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সব মিলিয়ে আবেদন জমা পড়েছিল চারটি। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস নেত্রী জয়া ঠাকুর এবং সিপিএম। বিজেপি বিরোধীদের দাবি, কেন্দ্র এবং অধিকাংশ রাজ্যে ক্ষমতায় থাকায় বিজেপি কার্যত অর্থ আমদানির স্থায়ী বন্দোবস্ত করে ফেলতে চাইছে। তাই নির্বাচনী বন্ড চালু রাখতে মরিয়া পদ্মশিবির। যদিও সরকারের যুক্তি, চাঁদা কারা দিচ্ছেন, তা প্রকাশ করতে গেলে এত দিনের মতো নগদেই হবে কালো টাকার লেনদেন (Electoral Bond)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: একবছরে তৃণমূলের আয়বৃদ্ধি ১২০০ শতাংশ! ‘তালিকা আছে’, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    Suvendu Adhikari: একবছরে তৃণমূলের আয়বৃদ্ধি ১২০০ শতাংশ! ‘তালিকা আছে’, বললেন শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তৃণমূলের অডিট রিপোর্ট। আর তাতেই সামনে এসেছে চোখে কপালে ওঠার মত তথ্য। চলতি বছর ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে তৃণমূলের ভাঁড়ারে জমা পড়েছে ৫২৮.১৪ কোটি টাকা। যেখানে ২০২১ সালেই এই পরিমাণ ছিল ৪২ কোটি টাকা। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আয় বৃদ্ধিতে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের সামনে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি প্রশ্ন করেন, কোন ‘জাদুবলে’ নির্বাচনী বন্ডে তৃণমূলের ১২০০ শতাংশ আয় বৃদ্ধি হয়েছে? শুভেন্দুবাবুর দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতিতে যুক্ত ব্যবসায়ীরাই তৃণমূলকে এই টাকা দিয়েছে। এর আগেও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, “তৃণমূল দল নয়, একটা চোরের কোম্পানি।” আজও এই নিয়ে ফের নতুন করে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

    শুভেন্দুবাবু আজ ত্রিপুরা যাওয়ার আগে বলেন, “একটা দল নির্বাচনী বন্ডে ১২০০ শতাংশ আয় বৃদ্ধি করেছে। কোন কোন ব্যবসায়ী দিলো, কোন কোন শিল্পপতি দিলো, আয়করে দেখাতে হবে ওদের। ২০২১ সালে যেখানে মাত্র ৪২ কোটি টাকা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে তুলতে পেরেছিল তৃণমূল, সেখানে কোন যাদুবলে এবছর ৫২৮ কোটি টাকা তুলল?” তিনি দাবি করেছেন, “যারা টাকা দিয়েছে আমরা তো তাদের তালিকা দিয়ে দেব। সব চোর। বালির খাদান যারা পেয়েছে, পাথরের খাদান যারা চালায়, বেআইনি কাজ যারা করে, যারা কেন্দ্রীয় সরকারের সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা খায়, স্কুলে নিম্নমানের ব্যাগ, জুতো, ইউনিফর্ম যারা সরবরাহ করে তারা সব টাকা দিয়েছে। আমি ধর্মেন্দ্র প্রধানজিকে বলব, অভিভাবকদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে টাকা না দিতে। তারা সব আপাদমস্তক চোর।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের এক বছরে আয় বৃদ্ধি ১২ গুণ! ‘চোরের কোম্পানি’ বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শাসকদলের আয়বৃদ্ধি

    প্রসঙ্গত, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে তৃণমূলের আয় ছিল ৪২ কোটি টাকা আর ২০২২-এ তৃণমূলের বার্ষিক আয় হয়েছে ৫৪৫.৭৪ কোটি টাকা। তৃণমূলের এই পরিমাণ আয় বৃদ্ধি দেখে চক্ষু চড়কগাছ রাজ্যবাসীর। অর্থাৎ এক বছরে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৬%। আর এই তথ্য সামনে আসতেই উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। ইলেক্টোরাল বন্ডে রোজগার বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে আগেই কটাক্ষ করেছে বিজেপি। আজ আবার শাসকদলকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

LinkedIn
Share