Tag: electric vehicle

electric vehicle

  • West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নতুন শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও জোরালো হতে পারে। প্রায় তিন দশক পর ফের পশ্চিমবঙ্গে বড় বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাল জাপানের বিশ্বখ্যাত সংস্থা মিৎসুবিশি কেমিক্যাল। সংস্থাটি রাজ্যে সেমিকন্ডাক্টর এবং ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) শিল্পের জন্য উৎপাদন ইউনিট গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়ে বুধবার নবান্নে রাজ্যের শিল্প ও অর্থ দফতরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকরা।

    নবান্নে বৈঠক, জমি চিহ্নিত করার প্রস্তুতি

    বুধবার নবান্নে মিৎসুবিশি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তেরুয়ো ফুজিতা এবং তোমাফুমি কোয়ামা। তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বৈঠকে মূলত রাজ্যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এবং জমি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জাপানি প্রতিনিধিদল আবার কলকাতায় আসবে। সেই সফরে সম্ভাব্য শিল্পাঞ্চল ও জমি সরেজমিনে দেখানো হবে।

    কেন ভারতের দিকে ঝুঁকছে মিৎসুবিশি?

    বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেইন পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে দেখছে বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিশেষ করে চিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎপাদন ঘাঁটি তৈরির কৌশলের অংশ হিসেবে ভারতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে মিৎসুবিশি কেমিক্যালও। সংস্থাটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ব্যবহৃত আল্ট্রা-পিওর কেমিক্যাল এবং ইভি ব্যাটারির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তৈরিতে বিশ্বস্ত নাম। দেশে একের পর এক চিপ উৎপাদন প্রকল্প এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পের সম্প্রসারণের ফলে এই বাজারে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় জাপানি সংস্থাটি। সেই কারণেই ভারতে একটি বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার সম্ভাব্য গন্তব্যগুলির তালিকায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ।

    ১৯৯৭-এর পর ফের বাংলায় প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা

    মিৎসুবিশি কেমিক্যালের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৯৭ সালে হলদিয়ায় সংস্থাটি পিউরিফায়েড টেরেফথ্যালিক অ্যাসিড (PTA) প্ল্যান্ট স্থাপন করেছিল। এরপর দীর্ঘ সময় নতুন কোনও বড় বিনিয়োগ হয়নি। প্রায় ৩০ বছর পর আবার বাংলায় উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার আগ্রহকে শিল্পমহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে।

    বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অসম

    তবে এই প্রকল্পের দৌড়ে পশ্চিমবঙ্গ একা নয়। সূত্রের খবর, কলকাতায় আসার আগে মিৎসুবিশির প্রতিনিধিরা অসম সরকারের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। ইতিমধ্যেই অসমে টাটা গোষ্ঠীর সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প এগোচ্ছে, ফলে সেই রাজ্যও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পবান্ধব নীতি, জমি, পরিকাঠামো, কর-সুবিধা এবং দ্রুত অনুমোদনের মতো বিষয়গুলিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কোন রাজ্যে মিৎসুবিশি তাদের বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

    জুলাইতেই বাংলায় একাধিক বড় বিনিয়োগের ঘোষণা

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু মিৎসুবিশি নয়, চলতি জুলাই মাসেই আরও কয়েকটি বড় শিল্প প্রকল্পের ঘোষণা হতে চলেছে।

    • লাক্স কোজি: আগামী ১১ জুলাই ডানকুনিতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নতুন উৎপাদন কেন্দ্রের ঘোষণা হতে পারে।
    • আমূল: ১৮ জুলাই হাওড়ার সাঁকরাইলে নতুন দই উৎপাদন ইউনিটের শিলান্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
    • শ্যাম স্টিল: ২৭ জুলাই বাঁকুড়ার মেজিয়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ইস্পাত প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ার কথা।

    শিল্পমহলের একাংশের মতে, যদি এই ঘোষণাগুলি বাস্তবায়নের পথে এগোয় এবং মিৎসুবিশির প্রকল্পও পশ্চিমবঙ্গে আসে, তাহলে রাজ্যের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তা একটি বড় মোড় ঘোরানো পদক্ষেপ হতে পারে।

  • Elon Musk: ইতিহাসের সামনে মাস্ক! ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় টেসলার সিইও

    Elon Musk: ইতিহাসের সামনে মাস্ক! ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় টেসলার সিইও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ার পথে ইলন মাস্ক। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকার শীর্ষে থাকা টেসলার সিইও এবার ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন। টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা সম্প্রতি মাস্কের জন্য এক বিশাল বোনাস পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন, যা তাঁকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যক্তি করে তুলতে পারে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রায় ৭৫ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন। বৈঠকে মাস্ক বলেন, “আমরা যে পর্যায়ে পৌঁছতে যাচ্ছি, তা শুধু টেসলার ভবিষ্যতের একটি নতুন অধ্যায় নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ নতুন বই।”

    কর্পোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্যাকেজ

    টেসলার এই নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, যদি মাস্ক কোম্পানির নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতা লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন, তাহলে তিনি ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাস্ক কোনো নিয়মিত বেতন গ্রহণ করেন না — তার আয় পুরোপুরি স্টক অপশনের ওপর নির্ভরশীল। নতুন এই প্যাকেজের আওতায় আগামী দশকে তিনি টেসলার প্রায় ৪২৩.৭ মিলিয়ন শেয়ার পেতে পারেন। যদি কোম্পানির বাজারমূল্য ৮.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে মাস্কের আয় প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।

    টেসলার কাছে চ্যালেঞ্জ

    চলতি আর্থিক বছরে (পড়ুন ২০২৫-’২৬) এখনও পর্যন্ত টেসলা যে দুর্দান্ত ব্যবসা করেছে, এমনটা নয়। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে কমেছে ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা ইভির চাহিদা। এর প্রভাব টেসলার ব্যবসায় পড়েছে। সেখান থেকে সংস্থাকে কী ভাবে মাস্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান, সেটাই এখন দেখার। বিশেষজ্ঞদের মতে, টেসলার এই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে কোম্পানির শেয়ারমূল্য বর্তমান স্তর থেকে প্রায় ৪৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে হবে। যদি সেটাই ঘটে, তাহলে টেসলা এনভিডিয়াকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানির আসনে বসবে। অর্থাৎ, মাস্কের সম্পদও নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে। অনুমান করা হচ্ছে, যদি মাস্ক এই প্যাকেজের ১২টি কিস্তির সবকটিই পান, তাহলে তার দৈনিক আয় হবে প্রায় ২৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বেতন পরিকল্পনাকে ইতিমধ্যেই কর্পোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্যাকেজ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    লগ্নিকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা

    গত বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর স্টকে লগ্নিকারীদের নিয়ে বার্ষিক সভার আয়োজন করে টেসলা। সেখানে মাস্কের স্টক-ভিত্তিক ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনার পক্ষে ভোট দেন ৭৫ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার। বাকি ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা অবশ্য রয়েছে টেসলার সিইও-র হাতেই। এই ভোটাভুটির পর তাঁর বিপুল বেতনে সংস্থার পরিচালন গোষ্ঠীর যে সিলমোহর পড়তে চলেছে, তা একরকম স্পষ্ট হয়ে যায়। ভোটাভুটি শেষ হতেই মাস্কের নামে জয়ধ্বনি দেন টেসলার শেয়ার হোল্ডারেরা। আর তাই সভাশেষের ভাষণে তাঁদেরও কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দেন মার্কিন ধনকুবের।

    আগামী এক দশকে আরও কয়েকজন ট্রিলিয়নিয়ার

    বিশ্বে আগামী এক দশকে আরও কয়েকজন ট্রিলিয়নিয়ার উঠে আসতে পারেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলো হল—

    এনভিডিয়া সিইও জেনসেন হুয়াং, যার কোম্পানি সম্প্রতি ৫ ট্রিলিয়ন ডলার মার্কেট ক্যাপ ছুঁয়েছিল,

    ভারতের গৌতম আদানি,

    ইন্দোনেশিয়ার প্রাজোগো পাংগেস্তু,

    অ্যামাজনের জেফ বেজোস,

    অরাকলের ল্যারি এলিসন,

    মেটার মার্ক জাকারবার্গ,

    এবং এলভিএমএইচের বার্নার্ড আরনল্ট।

     

  • PM Modi: ১০০-র বেশি দেশে যাবে ভারতে তৈরি গাড়ি, “‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হল ‘মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড”, বললেন মোদি

    PM Modi: ১০০-র বেশি দেশে যাবে ভারতে তৈরি গাড়ি, “‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হল ‘মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হল ‘মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ডে’র সূচনা।” মঙ্গলবার গুজরাটে মারুতি সুজুকির বৈদ্যুতিক গাড়ি (Electric Vehicle) ই-ভিটারার উৎপাদনের শুভারম্ভ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা সংস্থা মারুতি সুজুকি। তাদের প্রথম ব্যাটারি-চালিত এসইউভি ই-ভিটারার উৎপাদন শুরু করেছে। গুজরাটের হানসালপুর প্ল্যান্ট থেকে গাড়িটির প্রথম ইউনিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারতের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে গাড়িটির।

    ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া যাত্রায় নয়া অধ্যায় (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং ভারতের জাপানি রাষ্ট্রদূত কেইচি ওনো। এই অনুষ্ঠানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণেশ উৎসবের এই আবহে আজ ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া যাত্রায় একটি নয়া অধ্যায় যুক্ত হচ্ছে। ভারত এখন মেক ইন ইন্ডিয়া ছাড়িয়ে মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ থেকে ভারতে তৈরি বৈদ্যুতিক গাড়ি রফতানি করা হবে ১০০টি দেশে। এর সঙ্গে সঙ্গে হাইব্রিড ব্যাটারি ইলেক্ট্রোলাইট উৎপাদনও আজ থেকে শুরু হচ্ছে।” তিনি বলেন, “আমরা এখানেই থামব না এবং ভারত সেমি-কন্ডাক্টর সেক্টরে এগিয়ে যাচ্ছে। একে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি আগামী সপ্তাহে জাপান সফরে যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। মারুতি দিয়ে শুরু হওয়া যাত্রা এখন বুলেট ট্রেনে পৌঁছেছে। ২০ বছর আগে গুজরাট-জাপান সম্পর্ক এখান থেকেই শুরু হয়েছিল।”

    ভারত-জাপান বন্ধুত্বে নয়া মাত্রা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণেশ উৎসবের আবহে ভারত-জাপান বন্ধুত্ব এক নয়া মাত্রা পেয়েছে। ভারতের গণতন্ত্রের শক্তি আছে। ভারতের জনসংখ্যার সুবিধা আছে। আমাদের দক্ষ কর্মী রয়েছে। আজ সুজুকি জাপান ভারতে উৎপাদন করছে। এখানে তৈরি গাড়ি ফেরত পাঠানো হচ্ছে জাপানে। এটি কেবল ভারত ও জাপানের সম্পর্কের শক্তির প্রতীক নয়, বরং ভারতের প্রতি বিশ্বব্যাপী আস্থার প্রতিফলন।” তিনি বলেন, “এক অর্থে, মারুতি সুজুকির মতো (Electric Vehicle) কোম্পানিগুলি মেক ইন ইন্ডিয়ার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়ে উঠেছে। এখন বিশ্বের কয়েক ডজন দেশে যে ইভিগুলি চলবে, সেগুলির গায়ে লেখা থাকবে – মেড ইন ইন্ডিয়া। আজ, সমগ্র বিশ্ব ভারতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। এমন সময়ে কোনও রাজ্যেরই পিছিয়ে থাকা উচিত নয়। এই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত প্রতিটি রাজ্যেরই। যার ফলে ভারতে আসা বিনিয়োগকারীরা এতটাই বিভ্রান্ত হয়ে ভাবতে শুরু করেন যে – আমি কি এই রাজ্যে যাব নাকি ওই রাজ্যে (PM Modi)।”

    এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজকের দিনটি ভারতের আত্মনির্ভরতার অভিযাত্রা এবং সবুজ পরিবহণের কেন্দ্র হওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ দিন। হানসালপুরের অনুষ্ঠানে ই-ভিটারা উদ্বোধন করা হবে। এই ব্যাটারি ইলেকট্রিক ভেহিকল সম্পূর্ণভাবে ভারতে নির্মিত এবং এটি একশোরও বেশি দেশে রফতানি করা হবে। আমাদের ব্যাটারি ইকোসিস্টেমকে (Electric Vehicle) আরও শক্তিশালী করতে, গুজরাটের একটি কারখানায় হাইব্রিড ব্যাটারি ইলেকট্রোড উৎপাদনও শুরু হবে (PM Modi)।”

  • Hindustan motors: নয়া অবতারে ফিরতে চলেছে হিন্দুস্তান মোটর্সের “আইকনিক” কন্টেসা!

    Hindustan motors: নয়া অবতারে ফিরতে চলেছে হিন্দুস্তান মোটর্সের “আইকনিক” কন্টেসা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া অবতারে হিন্দুস্তান মোটর্সের (Hindustan motors) আইকনিক (Iconic) কন্টেসা (Contessa)! পেট্রোল বা ডিজেল নয়, বৈদ্যুতিক গাড়ি হিসেবে পুনরায় আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে নষ্টালজিক এই গাড়ি।

    এক সময় হুগলি নদীর তীরে হিন্দমোটর রেলস্টেশন এলাকায় বিরাট কারখানা গড়ে তুলেছিল হিন্দুস্তান মোটর্স। কারখানায় কাজ হত দিনরাত। কারখানার সাইরেনে ঘুম ভাঙত গঙ্গাপারের বাসিন্দাদের। সাইরেনের শব্দ শুনেই কাজে যোগ দিতেন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের সুবিধার্থে তৈরি হয় আস্ত একটি রেলস্টেশন। কারখানার নামের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে স্টেশনের নাম হয় হিন্দমোটর। হিন্দমোটরের এই কারখানা থেকেই তৈরি হত বিখ্যাত গাড়ি অ্যাম্বাসাডর। মজবুত গাড়ি হওয়ায় গাড়িবিলাসীদের কাছে অত্যন্ত পছন্দের গাড়ি ছিল অ্যাম্বাসাডর। তৈরি হত কন্টেসাও। যাঁরা আর্থিকভাবে খানিকটা বেশি স্বচ্ছল, তাঁরাই হাওয়া খেতে বেরতেন কন্টেসা চড়ে। 

    আরও পড়ুন : লাদাখে নদীতে পড়ল সেনার গাড়ি, মৃত ৭ জওয়ান, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় মানুষের পছন্দ। অ্যাম্বাসাডরের বদলে বাজারে চলে আসে কম দামে হালকা গাড়ি। কমে যায় অ্যাম্বাসাডরের চাহিদা।  বন্ধ হয়ে যায় হুগলি নদীর পারের কারখানা। শোনা যাচ্ছে, এই কারখানাই ফের চালু হবে। এখানেই আবারও তৈরি হবে কন্টেসা। তবে পেট্রোল বা ডিজেল নয়, এবার কন্টেসা ছুটবে বিদ্যুৎ শক্তিতে। জ্বালানির দর ক্রমবর্ধমান। প্রত্যাশিতভাবেই বাড়ছে বৈদ্যুতিক গাড়ির মার্কেট। এই বাজার ধরতেই বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে আনার ভাবনা কর্তৃপক্ষের।  

    আরও পড়ুন : নজরে রহস্যময় গাড়ি, কাশীপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু-তদন্তে গঠিত ৪ সদস্যের সিট

    হিন্দুস্তান মোটর্সের এক কর্তা বলেন, ইউরোপীয় একটি সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে হিন্দুস্তান মোটর্স। প্রথমে বৈদ্যুতিক টু-হুইলার আনা হবে। পরে আসবে বৈদ্যুতিক চার চাকার গাড়ি। কন্টেসা এলেও, অ্যাম্বাসাডর ফেরার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এই নামে আর গাড়ি আনতে পারবেন না হিন্দুস্তান মোটর্স কারখানা কর্তৃপক্ষ। কারণ ফরাসি গাড়ি সংস্থা পিজোকে ২০১৭ সালে ৮০ কোটি টাকায় এই গাড়ির সত্ত্ব বেচে দেয় হিন্দুস্তান মোটর্স। তাই অ্যাম্বাসাডরের বদলে আটের দশকের প্রিমিয়াম গাড়ি কন্টেসাকেই নবকলেবরে বাজারে এনে ছোট গাড়ির বাজার মাত করতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ। তবে গাড়িটি ঠিক কবে বাজারে আসবে, সে ব্যাপারে রা কাড়েননি হিন্দুস্তান মোটর্স কিংবা ইউরোপীয় সংস্থার তরফে কেউই। অতএব, শুরু অপেক্ষার প্রহর গোণা!

     

LinkedIn
Share