Tag: electricity

electricity

  • RG Kar Case: ‘আলো নিভিয়ে’ প্রতিবাদ, কর্মসূচিতে শুধু সিইএসসি এলাকায় সামিল প্রায় ৪৪ লক্ষ মানুষ!

    RG Kar Case: ‘আলো নিভিয়ে’ প্রতিবাদ, কর্মসূচিতে শুধু সিইএসসি এলাকায় সামিল প্রায় ৪৪ লক্ষ মানুষ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Case) প্রতিবাদে ডাক্তার সমাজ রাতের ‘আলো নিভিয়ে’ মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদে নামার ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৪৪ লক্ষ মানুষ। এমনকী যোগদান করেছিলেন সমাজের নানাস্তরের মানুষ। অনেকে রাস্তার প্রতিবাদ মিছিল বা জমায়েতেও যোগ দিয়েছিলেন। আবার কেউ কেউ বাড়িতে মোমবাতি, প্রদীপ জ্বালিয়ে মৌন প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। চারদিকে একটাই আওয়াজ উঠেছিল ‘অভয়ার খুনিদের ফাঁসি চাই, ন্যায় বিচার চাই’। উল্লেখ্য এই দিনে অন্যান্য রাতের থেকে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা সিইএসসি-র পরিসংখ্যানেই এমনটা জানা গিয়েছে।

    বিদ্যুৎ খরচ হয়েছিল মোট ১,৭৯৬ মেগাওয়াট (RG Kar Case)

    গত ৪ সেপ্টেম্বর অভয়ার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Case) আলো বন্ধ করে প্রতীকী প্রতিবাদ করেন ডাক্তাররা। আঁধার নেমে এসেছিল সর্বত্র। সিইএসসি-র দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গত বুধবার রাত ৯টা ৪৫মিনিট নাগাদ মোট বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে ১,৬৭৭ মেগাওয়াট। অন্যান্য দিনের চেয়ে যা উল্লেখ্যযোগ্যভাবে কম। তার ঠিক আগের দিনই অর্থাৎ, মঙ্গলবার রাতে ওই সময়ে সিইএসসি এলাকায় বিদ্যুৎ খরচ হয়েছিল মোট ১,৭৯৬ মেগাওয়াট। সোমবার রাতে পৌনে ১০টা নাগাদ বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ ১,৭৮৯ মেগাওয়াট। অঙ্কের হিসেবে ১ মেগাওয়াট আসলে ১০ লক্ষ ওয়াটের সমান। ফলে বুধবার রাতে ১১ কোটি ৯০ লক্ষ ওয়াট বিদ্যুৎ কম খরচ হয়েছে শুধু সিইএসসি এলাকায়।

    ৪৪ লক্ষ মানুষ ঘরের আলো নিভিয়েছিলেন

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি টিউবলাইটে ২৫ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয়। ১১ কোটি ৯০ লক্ষ মেগাওয়াটের হিসেব করলে দেখা গিয়েছে, ৪ সেপ্টেম্বর রাতে কলকাতা এবং শহরতলির প্রায় ৪৪ লক্ষ মানুষ ঘরের আলো নিভিয়ে প্রতিবাদ (RG Kar Case) করেছিলেন। ফলে এই সংখ্যাটা কম নয়। বোঝা যায়, তা সমাজে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি রয়েছে। ঠিক তার আগে রবিবার রাতে আবার ‘রাত দখল’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন আন্দোলনরত পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুনঃ অভয়ার খুনের দিন রক্ত ধুতে হাসপাতালের রুমে স্নান করেন জুনিয়র ডাক্তার! বিস্ফোরক তথ্য

    মেয়েরা রাত দখল করেছিল

    নির্যাতিতার (RG Kar Case) জন্য ন্যায়বিচারের দাবিতে গত ১৪ অগাস্ট মেয়েদের রাত দখলের ডাক দিয়েছিলেন প্রতিবাদী মানুষ। জুনিয়র ডাক্তার, সাধারণ ছাত্র সমাজ, শিক্ষক, অধ্যাপক, আইনজীবী, ইঞ্জিনিয়ার, ইউ টিউবার-সহ সামজের একাধিক বর্গের মানুষ, বিভিন্ন সামজিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল, স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আন্দোলন করছেন। কলকাতার সঙ্গে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, মুম্বই-সহ একাধিক শহরে আন্দোলনের প্রভাব ব্যাপক ভাবে পড়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই! চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আট জেলায়

    Weather Update: কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই! চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আট জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহ শেষের ছুটিতেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারবে না দক্ষিণবঙ্গবাসী (Weather Update)। আপাতত তীব্র গরম, লু-এর মতো পরিস্থিতি, আর্দ্রতা ভোগাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গকে। পশ্চিমের শুকনো হাওয়ায় গরম ও অস্বস্তি আরো বাড়বে বলেই ধারণা আবহাওয়া দফতরের। আজ, শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এই আট জেলায় চরম তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের।

    কলকাতা ও শহরতলির তাপমাত্রা

    বৃহস্পতিবারই কলকাতার সল্টলেকে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। সেখানে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। দমদমে দিনের তাপমাত্রা ৪০-এর একটু আগেই থেমে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৩৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আজ, শুক্রবার শহরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি পেরোতে পারে বলে আশঙ্কা। এদিন আকাশ সারাদিন পরিষ্কার থাকবে। গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। শহরে সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৫ থেকে ৮৯ শতাংশ। 

    লোডশেডিংয়ের ভয়

    দিনভর ঝলসানো গরমে পাখার নীচেও ঘেমে স্নান করে যেতে হচ্ছে। তারই মধ্যে শহরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ভুক্তভোগীদের দাবি, কাউকে জানিয়েই লাভ হচ্ছে না। উত্তর-দক্ষিণ দমদম, সিঁথি, রাজারহাট-নিউটাউন চত্বরে বারবার লোডশেডিং হচ্ছে। সিইএসসি-র তরফে যদিও দাবি করা হয়েছে, বিদ্যুতের চাহিদা ও জোগানে সমস্যা নেই। কিছু জায়গায় ফিউজের গন্ডগোল হয়েছে। রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা আবার এই বিভ্রাটের জন্য দায়ী করছে বেআইনি সংযোগ ও আবেদনহীন এসি-র ব্যবহারকে। সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “বেআইনি বিদ্যুৎ সংযোগ ও বিদ্যুতের বরাদ্দ বাড়ানোর আবেদন না করে এসি বসানোয় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। বেআইনি সংযোগ নিয়ে গ্রাহকেরা সচেতন হোন, এই প্রত্যাশা করব।”

    জেলার তাপমাত্রা

    বৃহস্পতিবারও রাজ্যের ১৪টি জায়গায় দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সব থেকে বেশি তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল মেদিনীপুরে। সেখানে বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস! স্বাভাবিকের থেকে ৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। পানাগড়ে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। মেদিনীপুরের পাশাপাশি, হলদিয়ায় দিনের তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের থেকে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। সেখানে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    আরও পড়ুন: প্রতি বুথে কড়া নিরাপত্তা, দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল কমিশন

    বাঁকুড়ায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কলাইকুন্ডা, বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া, ব্যারাকপুর, সিউড়ি, ঝাড়গ্রামে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। পিছিয়ে নেই উপকূলবর্তী জেলাগুলিও। ডায়মন্ড হারবারে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দিঘায় দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাগরদ্বীপে ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। ক্যানিংয়েও ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়েছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: অভিনব কায়দায় বিদ্যুৎ চুরি! তিন গ্রাহকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

    North 24 Parganas: অভিনব কায়দায় বিদ্যুৎ চুরি! তিন গ্রাহকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনব কায়দায় বিদ্যুতের মিটার থেকে বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়ছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) ব্যরাকপুরের তালপুকুরে। বিল ফাঁকি দিয়ে মারাত্মক অভিনব কায়দায় বেলাগাম চলছিল বাড়িতে বিদ্যুৎ চুরির ঘটনা। বিদ্যুৎ যা খরচ হবে তার ১০ শতাংশ বিল হওয়ায় সন্দেহ করেন বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকেরা আর এরপর থেকেই শুরু করেন অভিযান। এরপর তাল্লশি করতেই মিটারে কারচুপির কথা ধরা পড়ল। ঘটনায় এলাকার তিনজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে, জরিমানা করে টিটাগড় থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    কীভাবে করা হয়েছে চুরি (North 24 Parganas)?

    স্থানীয় (North 24 Parganas) সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদ্যুতের মিটারে যে সরকারি সিল রয়েছে তা গরম জলে ডুবিয়ে সেগুলির ফুটোকে আরও বড় করে বাইরে বের করে ফেলা হয়। এরপর মিটারের সার্কিটে একটা প্রতিরোধক বা রেজিস্টেন্স লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে যে পরিমাণে বিদ্যুৎ ব্যয় হচ্ছে সেই পরিমাণে খরচের রিডিং উঠছেনা। ১০০ ইউনিটের বিদ্যুৎ যদি খরচ হয় তাহলে মিটারে উঠে মাত্র ১০ ইউনিট। এইভাবেই অভিনব কায়দায় করা হচ্ছে বিদ্যুতের চুরি। যাদের বিল হয় ২০০-২৫০০ টাকা তাদের এই চুরির ফলে বিলের পরিমাণ হচ্ছে মাত্র ২০০-২৫০ টাকা। এই ভাবেই জানা যায় বিদ্যুৎ চুরির বিরাট চক্র চলছে এলাকায়। এরপর অভিযান চালায় বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকেরা।

    বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির বক্তব্য

    এই ঘটনায় জোনাল ম্যানেজার বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানি লিমিটেড উৎপল ঢালী জানিয়েছেন, “এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরপর তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ চুরিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রত্যকের বিরুদ্ধে জালিয়াতির ধারা আরোপ করে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে টিটাগড় (North 24 Parganas) থানায়। যাদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ উঠেছে তারা হল, মহম্মদ সেলিম আনসারী, তাকে জরিমানা করা হয়েছে ২১৭৪৫৯ টাকা, আসলাম আনসারী, তাকে জরিমানা করা হয়েছে ১৬৫০১৬ টাকা এবং মহম্মদ মুস্তাফা, তাকে জরিমানা করা হয় ২৪০৫৬ টাকা।” বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court DA case: ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court DA case: ডিএ বকেয়া থাকায় ২ রাজ্য সরকারি কর্তার বেতন বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে একাধিকবার। তার পরেও মেটানো হয়নি কর্মীদের ডিএ (DA)। সেই কারণে এবার রাজ্যের দুই বিদ্যুৎ (electricity) সংস্থা পিডিসিএল (PDCL) এবং এসিডিএসএলের (ACDSL) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ওই দুই সংস্থার কর্তাদের বেতন বন্ধের নির্দেশ দিল উচ্চ আদালত। যতদিন না কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র পাঁচভাগের একভাগ মেটানো হচ্ছে, ততদিন বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যের দুই বিদ্যুৎ সংস্থা পিডিসিএল এবং এসিডিএসএলের কর্মীরা তাঁদের বকেয়া ডিএ দেওয়া হচ্ছে না বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানাচ্ছিলেন। তার পরেও মহার্ঘ ভাতা না মেলায় আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কর্মীদের ডিএ মেটানোর সময় বেঁধে দিয়েছিল আদালত। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় এবার কর্তাদের বেতন বন্ধের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

    আরও পড়ুন : হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, রক্ষাকবচের জন্য ছুটছেন মন্ত্রী পার্থ, কিন্তু পাবেন কি?

    এই মামলায় আদালতের নির্দেশ ছিল, বকেয়া ডিএ-র পাঁচভাগের এক ভাগ মিটিয়ে দিতে হবে কর্মীদের। তা না মেটানোয় রাজ্য বিদ্যুৎ নিগমের জেনারেল ম্যানেজার ও দুই সংস্থার সিএমডি-র বেতন বন্ধের নির্দেশ দেয় আদালত। এদিন আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, যতদিন না কর্মীদের বকেয়া ডিএর পাঁচ ভাগের একভাগ মেটানো হচ্ছে, ততদিন বেতন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে নির্দেশ পালনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে।

    আদালতের নির্দেশে ২০১৯ ও ২০২০ সালের বকেয়া ডি এ-র পাঁচ ভাগের এক ভাগ মিটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না দিয়ে শুধু ২০১৯ সালের বকেয়ার এক পঞ্চমাংশ দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের নতুন রোপা রুল (রিভিশন অব পে অ্যান্ড অ্যালাওয়েন্সেস) অনুযায়ী বকেয়া ডিএ হিসাব করে তার এক পঞ্চমাংশ দেওয়া হল না কেন, সে প্রশ্ন তোলে আদালত।

    আরও পড়ুন : বেনজির বিক্ষোভের সাক্ষী হাইকোর্ট, এবার তৃণমূলের রোষে খোদ বিচারপতি

    এর পরেই এদিন দুই সংস্থাকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি বলেন, টাকার জন্য কাঁদছে। অবাক লাগে। তাঁর প্রশ্ন, বাদাম খাওয়ার টাকা দিয়েছেন নাকি? সংস্থার কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর্মীরাও মানুষ। তাঁরা এন্ট্রি খাতা নন। তাঁদের ছাড়া সংস্থা চলে না। ঠিক মতো ব্যবহার করুন।

    এর আগের শুনানিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, ২৩ জুনের মধ্যে দুই সংস্থার প্রায় ২০ হাজার কর্মীর বকেয়া ডিএ-র পাঁচভাগের একভাগ মিটিয়ে দিতে হবে। বকেয়া মেটানোর পরের দিন আদালতে এসে নির্দেশ পালন হয়েছে কিনা, তাও জানাতে বলা হয়েছিল। সময় দেওয়া হয়েছিল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। সেই কারণেই শুক্রবার হয় ওই মামলার শুনানি।

     

LinkedIn
Share