Tag: elephant

elephant

  • Cooch Behar: দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল! প্রাণ কাড়ল চারজনের, বন দফতরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Cooch Behar: দাপিয়ে বেড়াচ্ছে হাতির দল! প্রাণ কাড়ল চারজনের, বন দফতরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতির হানায় বেঘরোরে প্রাণ গেলে চারজনের। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের (Cooch Behar) শীতলকুচি ও মাথাভাঙা এলাকায়। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, হাতির হামলায় যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা হলেন বুদেশ্বর অধিকারী (৫৯), আনন্দ বিশ্বাস (৬৫), জয়ন্তী সরকার (৪৬) এবং রেখারানি রায় (৬৮)। বুদেশ্বর ও আনন্দের বাড়ি শীতলকুচির টাউরিকাটা ও ভানুরকুঠিতে। বাকি দু’জনের বাড়ি মাথাভাঙা ২ নম্বর ব্লকের উনিশবিশায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    বন দফতরের অনুমান, জলদাপাড়া বা চিলাপাতার জঙ্গল থেকে বেরিয়ে তোর্সা নদী পেরিয়ে কোচবিহারে (Cooch Behar) ঢুকে পড়ে হাতির দলটি। রাতভর চেষ্টা চালিয়েও হাতিগুলিকে ফেরাতে পারেননি বনকর্মীরা। পরে, দিনহাটা থেকে শীতলকুচিতে পৌঁছয় হাতির দলটি। সাতসকালে শীতলকুচি ব্লকের বড় গদাইখোড়া এলাকায় জমিতে কাজ করতে গিয়ে হাতির হামলার মুখে পড়েন আব্দুল মজিদ মিয়া নামে এক ব্যক্তি। শিবপুরে হাতির হামলায় মহম্মদ আলি নামে এক ব্যক্তি জখম হন । প্রত্যেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর পরে, গদাইখোড়া থেকে গাংধর হয়ে মাথাভাঙা ১ ব্লকের শিবপুরে ধরলা নদীর কাছে ছ’টি হাতির দল তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এক সঙ্গে চারটি হাতি এক দিকে যায়। বাকি দু’টি দু’দিকে চলে যায়। এর পরেই মাথাভাঙা ২ ব্লকে ওই হাতির হামলায় দু’জনের মৃত্যু হয়। সূত্রের খবর, রেখারানি বাড়ির সামনে কাজ করছিলেন। সে সময় হাতি তাঁকে পিষে দেয়। জয়ন্তী সরকার ছেলেকে ডাকতে বাইরে বেরিয়ে হাতির মুখে পড়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। হাতির হামলায় এক জন বনকর্মীও জখম হয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    হাতির তাণ্ডবের কারণে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এমনভাবে হাতি কোচবিহারের (Cooch Behar) গ্রামে ঘুরে বেড়ানোর ঘটনা খুব কম। তাই আরও পরিকল্পিত ভাবে মাঠে নামতে হত বন দফতরকে। পাশাপাশি, হাতির গতিপথ ধরে গ্রামে-গ্রামে সতর্কবার্তা দিতে হত। তা হলে বিপদ এড়ানো সম্ভব হবে। কিন্তু, বন দফতর তা করেনি। এই মৃত্যুর জন্য বন দফতরের গাফিলতি দায়ী।

    কী বললেন কোচবিহারের এডিএফও?

    কোচবিহারের এডিএফও বিজন নাথ বলেন, আচমকাই হাতির দলটি ঢুকে পড়ে কোচবিহারের (Cooch Behar) গ্রামে। অল্প সময়ে সব রকম চেষ্টা চালানো হয়েছে। তার পরেও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। হাতিগুলিকে জঙ্গলে ফেরানোর সব রকম চেষ্টা চলছে। নিয়ম মেনে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: হাতির হামলা থেকে প্রাণে বাঁচতে অভিনব কৌশল বাঁকুড়ার গ্রামবাসীদের, কী তা জানেন?

    Bankura: হাতির হামলা থেকে প্রাণে বাঁচতে অভিনব কৌশল বাঁকুড়ার গ্রামবাসীদের, কী তা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতির তাণ্ডব রুখতে রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই। এমনই অভিযোগ বাঁকুড়়ার (Bankura) সিমলাপালের দুবরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের। এই অবস্থায় রাতের অন্ধকারে গ্রামে ঢুকে পড়া হাতির উপস্থিতি টের পেতে অভিনব কৌশল নিয়েছেন সিমলাপালের নেকড়াতাপল গ্রামের বাসিন্দারা।

    কী কৌশল নিলেন গ্রামবাসীরা? (Bankura)

    মাস খানেক আগেই পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে বাঁকুড়ার (Bankura) গ্রামে ঢোকে ৪০টি হাতির দল। একটি বাচ্চা হাতির মৃত্যু হওয়ায় আক্রমণাত্মক ভাবে গ্রামে ঢোকে দলটি। জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে দুই পুলিশ কর্মীকে আহত করে হাতির দল। তাঁদেরকে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ৪০টি হাতির দল একবারে বাঁকুড়া জেলায় ঢুকে পড়ায় চিন্তায় পড়ে যায় বন বিভাগ। বৈঠক করে জেলা প্রশাসন। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, জঙ্গল লাগোয়া গ্রামবাসীদের পুজোর মধ্যেও হাতি আতঙ্ক রয়েছে। তাই, হাতির হামলার আগে সতর্ক হতে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে নিজেদের হাতে তৈরি ঘণ্টা দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছেন। স্থানীয়ভাবে ওই ঘণ্টা ‘ঠরকা’ নামেই পরিচিত। সেই ঘণ্টা ঝুলিয়ে রেখেছেন গ্রামবাসীরা। ওই ঠরকা বিশালাকার হাতির শরীরে লেগে বেজে উঠবে। ফলে, গ্রামের মানুষ সতর্ক হওয়ার সুযোগ পাবেন। এর ফলে হাতির হানায় বাড়ি বা সম্পত্তি হানির ঘটনা ঘটলেও প্রাণহানির আশঙ্কা অনেকখানি কমানো সম্ভব বলে ওই গ্রামের মানুষ জানিয়েছেন। এমনিতেই খাবারের খোঁজে হাতির দল গ্রামে হানা দেবে জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলিতে। পুজোর মধ্যেও হাতির আতঙ্কে আতঙ্কিত এলাকাবাসী। কারণ, হাতির দল এসে ঘর বাড়ি, চাষের জমি নষ্ট করে দেয়। ক্ষয়ক্ষতি হয় গ্রামবাসীদের। হাতির তাণ্ডবে অতিষ্ট গ্রামবাসী। তাই, হাতির হাত থেকে বাঁচতে এই অভিনব কৌশল নিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

    গ্রামবাসীরা কী বললেন?

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য, একটি আবাসিক হাতি বাঁকুড়ার (Bankura) এই এলাকায় রয়েছে। তবে, বিগত একমাস তার দেখা নেই। পুজোর দিন গুলোতে হাতির আক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রাম জুড়ে আমরা ‘ঠরকা’ বেঁধে রেখেছি। হাতির হামলা হয়েছে জানতে পারলে আমরা সকলেই সতর্ক হয়ে যাব। এতে প্রাণে রক্ষা পাওয়া যাবে।

    বন দফতরের এক আধিকারিক কী বললেন?

    বন দফতরের দুবরাজপুর বিট অফিসার বৈদ্যনাথ টুডু বলেন, ইতিমধ্যে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারি নিয়মানুযায়ী ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। নতুন করে আবেদনকারীরাও ক্ষতিপূরণ পাবেন। তবে, পুজোর সময় হাতির আক্রমণ ঠেকাতে গ্রামবাসীরা নিজেদের মতো উদ্যোগ নিতে পারেন। আমরাও দফতরের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jhargram: সন্তানকে হারিয়ে উন্মাদ মা হাতি, কেড়ে নিল দুটি প্রাণ, চতুর্থীর দিন বিষাদের সুর ঝাড়গ্রামে

    Jhargram: সন্তানকে হারিয়ে উন্মাদ মা হাতি, কেড়ে নিল দুটি প্রাণ, চতুর্থীর দিন বিষাদের সুর ঝাড়গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চতুর্থীর দিনই বিষাদের সুর জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রাম (Jhargram) জেলা। এক হস্তি শাবকের মৃত্যুর পর হাতির হানায় মৃত্যু হল দুজনের। হাতির দল সুবর্ণরেখা নদী পার হওয়ার সময় বালিখাদানের গর্তে পড়ে জলে ডুবে মৃত্যু হল এক হস্তি শাবকের। শাবক হারা মা হাতির আক্রমণে মৃত্যু হল দু’জন গ্রামবাসীরও। ঘটনাটি বুধবার সকালে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম থানার দেউলবাড় এলাকায় রামেশ্বর মন্দির সংলগ্ন এলাকার ঘটনা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jhargram)

    স্থানীয় ও বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ভোর রাতে ২ টি শাবক সহ ১৪ টা হাতির একটি দল খড়গপুর বন বিভাগের সাঁকরাইল রেঞ্জের রোহিনীর দিক থেকে সুবর্ণরেখা নদী পেরিয়ে নয়াগ্রাম এলাকার চাঁদাবিলা রেঞ্জে ঢোকে। সেই সময় একটি ছোট্ট হস্তি শাবক বালিখাদানের গর্তে পড়ে যায়। প্রচুর জল থাকায় জলে ডুবে মারা যায় হস্তি শাবকটি। দীর্ঘ চেষ্টার পর মা হাতি শাবককে উদ্ধার করে ডাঙ্গায় নিয়ে আসে। ঝাড়গ্রামের (Jhargram) রামেশ্বর মন্দির সংলগ্ন এলাকায় মৃত হস্তি শাবকটিকে কোনওক্রমে নিয়ে যায় মা হাতিটি। অন্যান্য হাতিগুলি সেখান থেকে এগিয়ে গিয়ে তপবনের জঙ্গলের দিকে চলে যায়। কিন্তু, মা হাতি তার সন্তানকে ছেড়ে যেতে চায়নি। সন্তান হারানোর দুঃখে পাগলের মত গর্জন করে বিক্ষিপ্তভাবে ছোটাছুটি করতে থাকে মা হাতিটি। এই অবস্থায় হাতি মৃত্যুর খবর চাউর হতেই বহু মানুষ হাতি দেখার জন্য জমায়েত করে রামেশ্বর মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। সেই সময় হঠাৎ করে মা হাতি গ্রামবাসীদের তাড়া করে। ঘটনায় দু’জন গ্রামবাসী কে ধরে ফেলে এবং শুঁড়ে তুলে আছাড় মারে। ঘটনাস্থলেই তাদের দু’জনের মৃত্যু হয়। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দেউলবাড় গ্রামের আনন্দ জানা (৭৩) এবং বিরিবেড়িয়া গ্রামের শশধর মাহাত (৬০) নামের দুই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও একটি বাইক ভেঙে ফেলেছে হাতিটি এবং রামেশ্বর-কর্টক রুটের একটি বাসকে ধাক্কা দেয় বলেও জানা  গিয়েছে।

    খড়গপুর বন বিভাগের ডিএফও?

    খড়গপুর বন বিভাগের ডিএফও শিবানন্দ রাম বলেন, প্রাথমিকভাবে দেখে যা মনে হচ্ছে নদী পারাপারের সময় জলে ডুবে একটি হস্তি শাবকের মৃত্যু হয়েছে এবং হস্তি শাবকটির মা হাতির হানায় ঝাড়গ্রামে (Jhargram) দু’জন গ্রামবাসীরও মৃত্যু হয়েছে। সরকারি নিয়মনীতি মেনে বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ তুলে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parbati Barua: প্রাণী কল্যাণে বিশেষ অবদান, মাহুত বন্ধু অসমের পার্বতীকে পদ্ম সম্মান

    Parbati Barua: প্রাণী কল্যাণে বিশেষ অবদান, মাহুত বন্ধু অসমের পার্বতীকে পদ্ম সম্মান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ও মোর মাহুত বন্ধুরে… ছোট্টবেলা থেকে হাতিদের বন্ধু হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন তিনি। হাতিরাও শোনে তাঁর কথা। গত প্রায় পাঁচ দশক নিজের সুখ দুঃখ সবটা হাতিদের সঙ্গেই ভাগ করে নিয়েছেন আসামের গৌরীপুরের কন্যা পার্বতী বড়ুয়া। দেশের প্রথম মহিলা মাহুত হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এবার পদ্মশ্রী পাচ্ছেন পার্বতী। 

    বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে পুরোধা পার্বতী

    ওয়াইল্ড লাইফ ফোরাম তাঁকে কুইন অফ এলিফ্যান্ট বলেই চেনে। জন্মেছিলেন ১৯৫৩ সালে। শুনতে আশ্চর্য মনে হলেও ১মাস ১৭ দিন বয়স থেকে হাতির সঙ্গে সাক্ষাৎ পার্বতীর। বাবা প্রকৃতীশ বড়ুয়াও ছিলেন হস্তিবিশারদ। আর মেয়ে পার্বতী দেশের প্রথম মহিলা মাহুত হিসাবে পরিচিত। ফাঁদ পেতে হাতি ধরার ক্ষেত্রে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ছোটবেলা থেকেই মেয়ে দেখত বাবার সারা দিন কাটে জীবজন্তুদের সঙ্গে। গদাধর নদীর ধারে বিরাট বাড়িতে থাকতেন প্রকৃতীশ বড়ুয়া তথা লালজী। সেই বাবার মেয়ে পার্বতী ছোটবেলা থেকেই খেলনা নয় খেলেছেন জীবজন্তুদের সঙ্গে। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে সারা দেশে বার বার ডাক পড়েছে তাঁর। বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে একেবারে সামনের সারিতে অসমের বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সি পার্বতী। প্রাণী কল্যাণে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।

    পদ্ম-প্রাপকদের তালিকায় আর কারা

    শুক্রবার, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে বৃহস্পতিবার রাতে এবছরের পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের নাম ঘোষণা করল কেন্দ্র। এবারে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ৩৪ জন ব্যক্তিত্বকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হবে। যার মধ্যে বাংলার ৪ জন, দেশের প্রথম মহিলা মাহুত পার্বতী বড়ুয়া-সহ জাগেশ্বর যাদব, চার্মি মুর্মু, সোমান্না, সর্বেশ্বর, সাংথামের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। প্রসঙ্গত, দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন-এর পর অন্যতম সম্মান হল পদ্ম পুরস্কার। এই পুরস্কার তিনটি বিভাগে দেওয়া হয়- পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: কয়েকশো কোটি টাকার হাতির দাঁত পুড়িয়ে দিল বাঁকুড়া বন দফতর!

    Bankura: কয়েকশো কোটি টাকার হাতির দাঁত পুড়িয়ে দিল বাঁকুড়া বন দফতর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট বড় ৫৭ টি বিভিন্ন আকারের এবং ওজনের হাতির দাঁত পুড়িয়ে দিল ফেলল বাঁকুড়া বন দফতর। বিগত ১০ বছর যাবৎ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃত হাতির দাঁতগুলিকে সংরক্ষণ করে রেখেছিল বাঁকুড়া (Bankura) বন দফতর। কয়েকশো কোটি টাকার মূল্যের হাতির দাঁত ছিল বলে জানা গিয়েছে।

    উল্লেখ্য, হাতির দেহ পোড়াতে যত তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় সেই সঙ্গে দাঁত পোড়াতে আরও বেশি তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। তাই চোরাকারবারিরা হাতিকে পোড়ানোর আগেই দাঁত কেটে নিয়ে পালিয়ে যায়। উল্লেখ্য গত তিন দশক ধরে দলমা পাহাড় থেকে দলে দলে হাতিরা খাবারের খোঁজে বাঁকুড়ায় আসে। হাতির দলের মধ্যে অসুস্থ এবং বৃদ্ধ হাতিও থাকে প্রচুর। ফলে অনেক সময় জঙ্গলেই মারা যায় তারা। বন দফতরের নিয়ম অনুযায়ী মৃত হাতিগুলির দেহকে জঙ্গলেই পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এবার পোড়ানো হল সেই দাঁতগুলি।

    বাঁকুড়ার কোথায় পোড়ানো হল (Bankura)?

    মঙ্গলবার দুপুর বারোটা নাগাদ বাঁকুড়া (Bankura) জেলার বড়জোরার একটি বেসরকারি ভস্মকারী সংস্থার মাধ্যমে এই দাঁত পোড়ানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাঁকুড়ার তিনটি বনবিভাগ যৌথ উদ্যোগে এই কাজ সম্পন্ন হয়। জেলার বন দফতরের ডিএফও নর্থের অধিকারিক উমর ইমাম, ডিএফও পাঞ্চেতের আধিকারিক অঞ্জন গুহ এবং কেন্দ্রের মুখ্য বনপাল এস কুলান ডাইভেলের তত্ত্বাবধানে এই দাঁতগুলি পুড়িয়ে ফেলা হল। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে না পারার মতো ঘটনা। প্রায় পঁচিশ কেজি ওজনের হাতির দাঁতগুলিকে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াসের চুল্লিতে। এরপর সব একদিনেই শেষ হয়ে গেল।

    বন দফতরের বক্তব্য

    এই ঘটনায় বাঁকুড়া (Bankura) বন দফতরের বিশেষ বার্তা হল, জঙ্গলের বন্যপ্রাণকে বাণিজ্যিকরণ করা যাবে না। এই দাঁত পোড়ানোর কাজ ভারতের বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইন অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়েছে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত এপ্রিল মাসে পাস হওয়া একটি আইন অনুযায়ী কোনও পরিস্থিতিতেই হাতির দাঁত ব্যবহার করা যাবে না। ফলে বন দফতরের সংগ্রহে থাকা দাঁতের নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় বন দফতর। ঘটনায় জেলা জুড়ে বেশ শোরগোল পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Viral Video: সাফারি জিপের পিছনে দৌড়চ্ছে মত্ত হাতি, রোমহর্ষক ভিডিও শেয়ার আইএএস অফিসারের 

    Viral Video: সাফারি জিপের পিছনে দৌড়চ্ছে মত্ত হাতি, রোমহর্ষক ভিডিও শেয়ার আইএএস অফিসারের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গলে সাফারি(Jungle Safari) করতে অনেকেই পছন্দ করেন। কারণ এতে আপনি প্রকৃতির আরও কাছাকাছি পৌঁছতে পারেন। কিন্তু বন্যপ্রাণীরা (wild life) তাদের এলাকায় মানুষের অনুপ্রবেশ যে ভালোভাবে নেবে, তা নাও হতে পারে। সম্প্রতি এমনই কিছু ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন কিছু পর্যটক। আইএএস অফিসার সুপ্রিয়া সাহু (IAS Officer Supriya Sahu) তাঁর ট্যুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেই ভিডিওতে একটি রাগী হাতিকে (Elephant) একটি সাফারি জিপের (Safari Jeep) দিকে দৌড়াতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটি দেখে আপনার মেরুদণ্ড বরাবর শীতল স্রোত বয়ে যেতে পারে। ক্লিপটিতে দেখা যাচ্ছে, সাফারি জিপটিকে তাড়া করার সময় হাতিটি জোরে জোরে গর্জন করছে। চালক দ্রুত গতিতে জিপটিকে পেছন দিকে চালাচ্ছেন। বেশ খানিকক্ষণ পর হাতিটি হাল ছেড়ে দেয় ও বনে ফিরে যায়। বহুক্ষণের টান টান উত্তেজনার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন পর্যটকরা। 

    আরও পড়ুন: এ কি অদ্ভুত কাণ্ড! পোল্যান্ডের গ্রাম থেকে উদ্ধার মহিলা ‘ভ্যাম্পায়ার’-এর কঙ্কাল!

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির (Viral Video) ক্যাপশনে সুপ্রিয়া লেখেন, “আমাকে বলা হয়েছে এটি কর্নাটকের কাবিনী জঙ্গলের। ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় চালকের দক্ষতা প্রশংসনীয়। এই ভিডিওটি একজন বন্ধু শেয়ার করেছেন।”  

    আরও পড়ুন: অবাক কাণ্ড! লন্ডন থেকে চুরি হওয়া গাড়ি পৌঁছে গেল পাকিস্তানের করাচিতে! ভাইরাল ভিডিও

    ৩২ সেকেন্ডের ভিডিওটি ট্যুইটারে দেড় হাজারের বেশিবার রিট্যুইট করা হয়েছে। ভিডিওটি দেখেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ। প্রায় সকলেই চালকের উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করেছেন।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
LinkedIn
Share