Tag: Elon Mask

Elon Mask

  • Sunita Williams: ন’মাসের অপেক্ষার অবসান, পৃথিবীতে ফিরলেন সুনীতারা

    Sunita Williams: ন’মাসের অপেক্ষার অবসান, পৃথিবীতে ফিরলেন সুনীতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ৯ মাসের অপেক্ষার অবসান। নিরাপদেই পৃথিবীতে ফিরলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাসার মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং তাঁর সঙ্গী বুচ উইলমোর। আজ, ১৯ মার্চ বুধবার, ভোর ৩টে ২৭ মিনিট নাগাদ (ভারতীয় সময়) তাঁদের নিয়ে ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্সের মহাকাশযান ফ্লরিডার সমুদ্রে অবতরণ করে। মহাকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সুনীতাদের এই প্রত্যাবর্তনে কোনও রকম ত্রুটি হয়নি বলেই জানিয়েছে নাসা। সুনীতাদের (Sunita Williams) সঙ্গে একই মহাকাশযানে ফিরেছেন নাসার নিক হগ এবং রুশ নভশ্চর আলেকজান্ডার গর্বুনভ। প্রসঙ্গত, গত বছর জুন মাসে সুনীতারা মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। সেসময় সফর ছিল ৮ দিনের। পরে মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ায়, আটকে পড়েন সুনীতারা। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে (ভারতীয় সময়) সুনীতাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) ছাড়ে স্পেসএক্সের ড্রাগন যান। পরে বুধবার অতলান্তিক মহাসাগরের ফ্লোরিডা উপকূলে মহাকাশচারীরা নিরাপদে অবতরণ করেন। তাঁদের জন্য আগে থেকেই রাখা ছিল মার্কিন নৌসেনা বাহিনীর বোট।

    পরিবারের সঙ্গে এখনই দেখা নয় (Sunita Williams)

    এর পরেই মডিউল-সহ সুনীতাদের একেবারে জাহাজের কাছে নিয়ে আসে নৌবাহিনী। মহাকাশচারীদের হাইড্রলিক পদ্ধতিতে তোলা হয় জাহাজের ভিতর। সেখানে ড্রাগন ক্যাপসুলের দরজা খোলা হয়। প্রথমে বেরিয়ে আসেন নিক হগ। তার প্রায় ৫ মিনিট পরে ভারতীয় সময় ভোর ৪টে ২২ নাগাদ হাসিমুখে বেরিয়ে আসেন সুনীতা উইলিয়ামস। এর পরেই জাহাজ পাড়ি দেয় স্থলভাগের উদ্দেশে। জানা যাচ্ছে, পৃথিবীতে ফিরলেও এখনই নিজেদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন না মহাকাশচারীরা। তাঁদের থাকতে হবে ক্রু- কোয়ার্টারে। সেখানেই বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলবে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। তার পরে সুনীতা (Sunita Williams) ও বুচের সঙ্গে দেখা করার সম্মতি মিলবে পরিবার ও আত্মীয়দের। সুনীতাদের অবতরণের পরেই ভারতের বিভিন্ন জায়গাতেও দেখা দিয়েছে উন্মাদনা।

    নাসার সাংবাদিক বৈঠক

    মহাকাশচারীদের অবতরণের পরেই এদিন নাসার পক্ষ থেকে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ভারতীয় সময় ভোর ৫টা ৫ মিনিট নাগাদ এই সাংবাদিক বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। নাসার উপ সহযোগী প্রশাসক জোয়েল মনটালবানো ও কার্যক্রম সমন্বয় ব্যবস্থাপক বিল স্পিচ বলেন, ‘‘নাসার গর্বের সঙ্গীরা নিরাপদ ভাবে অবতরণ করেছেন। ৯ মাসে ৯০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ১৫০টি বিষয়ের গবেষণা করা হয়েছে।’’

    কীভাবে ফেরত মহাকাশ থেকে

    নিরাপদে ফিরে এসেছেন সুনীতারা। প্রথমেই তাঁদের স্পেসক্রাফটের (SpaceX Crew 9) ইঞ্জিন চালু করা হয়। তা পৃথক হয় আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে। এরপর তা ধাপে ধাপে নীচের কক্ষপথে নেমে আসে। এর গতিবেগকে কমিয়ে দেওয়া হয়। তার কারণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে এই যানের গতি এমনিতেই বেশি হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই এই মহাকাশযানের সর্বোচ্চ গতি হয়ে যায় প্রতি ঘণ্টায় ২৮ হাজার ৮০০ কিলোমিটার। এই বিপুল গতিতে ফিরতে স্বাভাবিকভাবে তীব্র ঘর্ষণ শুরু হয় মহাকাশযানে। এর ফলে এর তাপমাত্রাও বেড়ে যায়। এই কারণে তাপ প্রতিরোধক ব্যবস্থাও করা হয় যন্ত্রে। এই সময়ে মহাকাশচারীরা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির পাঁচগুণ বেশি টান অনুভব করেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এরপরে মহাকাশযান থেকে ক্যাপসুল ও বড় প্যারাসুটের মাধ্যমে সমুদ্রে সফট ল্যান্ডিং করানো হয় স্পেসএক্স-র যানকে।

    রবিবার মহাকাশে পৌঁছায় ইলন মাস্কের যান (SpaceX Crew 9)

    প্রসঙ্গত, ৫ জুন সুনীতাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বোয়িং স্টারলাইনার। কিন্তু পরে এই মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে সেখানেই আটকে পড়েন সুনীতারা। তার পর থেকে একাধিক বার তাঁদের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু বার বার তা নানা কারণে পিছিয়ে গিয়েছে। আট দিনের সফর দীর্ঘায়িত হয়েছে ন’মাসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেন গত জানুয়ারিতে। এরপরেই তিনি ইলন মাস্ককে সুনীতাদের বিষয়টি দেখার অনুরোধ করেছিলেন। তার পর মহাকাশে স্পেসএক্সের যান পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করা হয়। গত শনিবার ভোরে (ভারতীয় সময়) ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন ৯ রকেটকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে রকেটটি মহাকাশ স্টেশনে ডকিং করে। তাতে ছিলেন নাসার অ্যান ম্যাক্লেন, নিকোল আইয়ার্স, জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সার প্রতিনিধি টাকুয়া ওনিশি এবং রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমসের প্রতিনিধি কিরিল পেসকভ। তাঁদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে এরপর পৃথিবীতে ফিরে এলেন সুনীতারা (Sunita Williams)।

  • Donald Trump: ধর্মান্তকরণ, মাওবাদীদের ফান্ডিং করত মার্কিন সংস্থা, কড়া পদক্ষেপ ট্রাম্পের

    Donald Trump: ধর্মান্তকরণ, মাওবাদীদের ফান্ডিং করত মার্কিন সংস্থা, কড়া পদক্ষেপ ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) বিতর্কিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (USAID) এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। এই সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মীদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদারদের বরখাস্ত করা হয়েছে এবং বিদেশ থেকে যে সাহায্য এরা পেত, সেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ইলন মাস্ক ইতিমধ্যেই এই সংস্থাকে একটি অপরাধী সংস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এ বিষয়ে এক্স মাধ্যমে তিনি পোস্টও করেছেন।

    ষাটের দশকে প্রতিষ্ঠা (Donald Trump)

    প্রসঙ্গত, ইউএসএআইডি ছয়ের দশকে গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি পালন করা। যদিও এরই আড়ালে চলছিল নানা রকমের অ্যাজেন্ডা। গোপনে তহবিল সংগ্রহ, যে কোনও দেশের সার্বভৌমত্ব হরণ করা, সরকার ফেলার ষড়যন্ত্র করছিল তারা। এই সংস্থা যেসব সার্বভৌম দেশগুলির ওপর নজর রাখত, তার মধ্যে ভারতও ছিল। এদেশে মাওবাদীদের ফান্ডিং করা থেকে, খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তকরণে ফান্ডিং এসবও করত তারা।

    মোদির জনসমর্থন কমাতে চক্রান্ত

    শুধু তাই নয়, এই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে বিভিন্ন সমাজ মাধ্যম ব্যবহার করে, তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসমর্থন কমানোর চেষ্টাও করছে। এ বিষয়ে নাম উঠে আসে জর্জ সোরোসের, যিনি ফান্ডিং করতেন এই সংস্থায় ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো নেতাদের প্রতিহত করতে। এজন্য তিনি এক বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিলও গঠন করেছিলেন বলে জানা যায়।

    কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি যোগ

    এই সংস্থার সঙ্গে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসেরও একটি যোগসূত্র রয়েছে। রাহুল গান্ধীর অন্যতম পরামর্শদাতা এবং কংগ্রেসের বিদেশ বিভাগের চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা- সরাসরি এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যাচ্ছে। তাই এটা বলাই যায় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই সংস্থা অর্থাৎ ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট সরাসরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কাজ করত। সবচেয়ে বড় কথা, মার্কিন করদাতাদের অর্থের একটি বড় অংশই এই সংস্থার কাজে ব্যয় করা হত বাইডেনের জমানায়। রিপোর্ট বলছে, ২০২৩ সালেই ৪০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি তহবিল গঠন করা হয়েছিল এই সংস্থার জন্য। কিন্তু সেসব এখন অতীত। আপাতত এই সংস্থার লম্ফঝম্ফে রাশ টানছেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

  • Sunita Williams: সুনীতাদের আনতে রওনা নাসা ও স্পেসক্রাফটের মহাকাশযানের, ফেরা ফেব্রুয়ারিতে

    Sunita Williams: সুনীতাদের আনতে রওনা নাসা ও স্পেসক্রাফটের মহাকাশযানের, ফেরা ফেব্রুয়ারিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) ও তাঁর সহযোগী বুচ উইলমোরকে পৃথিবীতে ফেরাতে উদ্যোগ নিল নাসা। শনিবার রাতেই রওনা হয়ে গিয়েছে নাসা (Nasa) এবং স্পেস ক্রাফটের মহাকাশযান। এদিন ফ্লরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে দু’জন মহাকাশচারীকে নিয়ে সেই যান মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেয়। অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্রিউ-৯’।

    সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে সুনীতারা (Sunita Williams) পৃথিবীতে ফিরে আসবেন

    যে দুই মহাকাশচারী রওনা হয়েছেন, তাঁরা ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন’ (আইএসএস)-এ থেকে গবেষণা চালাবেন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাঁরা সুনীতাদের সঙ্গে নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। প্রসঙ্গত, সুনীতারা (Sunita Williams) যে যানে করে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিলেন, সেটি বিগড়ে যায়। হিলিয়াম গ্যাস লিক হতে থাকে ওই যান থেকে। এর ফলে গত জুন মাস থেকেই তাঁরা ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন’-এ আটকে রয়েছেন। চলতি মাসের ৬ সেপ্টেম্বর সুনীতাদের না নিয়েই মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফিরে আসে স্টারলাইনার। এ বার তাঁদের ফেরাতে শুরু হল অভিযান।

    মহাকাশে পাঁচ মাসে হবে প্রায় ২০০টি গবেষণা

    জানা গিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবারই সুনীতাদের (Sunita Williams) ফেরাতে এই অভিযান শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে, ঘূর্ণিঝড় হেলেনের কারণে ফ্লরিডায় আবহাওয়া খুব খারাপ ছিল। সেই কারণে স্থগিত রাখা হয় অভিযান। নাসার (Nasa) তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে, ‘ক্রিউ-৯’ অভিযানটি পরিচালনা করবেন মহাকাশচারী নিক হগ, তার সঙ্গে বিশেষজ্ঞ হিসেবে সঙ্গে থাকবেন আলেকসান্দ্র গোরবুনভ। মহাকাশে পাঁচ মাস থেকে প্রায় ২০০টি গবেষণা করবেন তাঁরা।

    ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতীয় সময় রাত ৩টের সময় ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন’-এ অবতরণ করবে মহাকাশযানটি

    প্রসঙ্গত, নাসার বাণিজ্যিক প্রকল্পের অধীনে এই নিয়ে নবম বার অভিযানে নামল ইলন মাস্কের সংস্থার স্পেসক্রাফট। জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতীয় সময় রাত ৩টের সময় ‘ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন’-এ অবতরণ করবে স্পেসক্রাফটের ড্রাগন মহাকাশযান। এই মহাকাশযানে চার জনের যাতায়াতের ব্যবস্থা রয়েছে। পৃথিবী থেকে রওনা হয়েছেন ২জন। বাকি দুটি আসন ফাঁকা রাখা হচ্ছে, যাতে মহাকাশে আটকে থাকা সুনীতা এবং বুচকে সেখানে জায়গা দেওয়া যায়। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, ক্রিউ-৯ আইএসএসে পৌঁছনোর আগেই সুনীতা এবং বুচ ক্রিউ-৮ ড্রাগন ক্যাপসুলে গিয়ে উঠবেন। ওই ক্যাপসুল বর্তমানে আইএসএসের ভিতরেই রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jimmy Donaldson: ট্যুইটারের সিইও হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ, বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় ইউটিউবারের, কী বললেন এলন মাস্ক

    Jimmy Donaldson: ট্যুইটারের সিইও হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ, বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় ইউটিউবারের, কী বললেন এলন মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবে সব থেকে বেশি সাবস্ক্রাইবার কার আছে জানেন? এর উত্তরটা হলো, জিম্মি ডোনাল্ডসন (Jimmy Donaldson)। বিশ্বব্যাপী তার সাবস্ক্রাইবার রয়েছে মোট ১২ কোটি। এবার তিনি (Jimmy Donaldson) ইচ্ছা প্রকাশ করলেন  ট্যুইটারের সিইও হওয়ার! 

    কেন এমন ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন ডোনাল্ডসন (Jimmy Donaldson)

    আসলে ঘটনার সূত্রপাত ট্যুইটারের সিইও এলন মাস্কের একটি ট্যুইটার পোল কে কেন্দ্র করে। যে পোলটির মাধ্যমে তিনি জানতে চান, তাঁর ট্যুইটারের সিইও হয়ে থাকাটা উচিত কী উচিত নয়! চলতি সপ্তাহের সোমবারে এই পোলের রেজাল্ট বের হয় সেখানে দেখা যায় যে ৫৭ শতাংশ মানুষই চাননা এলন মাস্ক ট্যুইটারের সিইও পদে থাকুন। প্রায় এক কোটি ভোট পড়েছে এলন মাস্কের বিপক্ষে যে তিনি এই পদে না থাকলেই ভালো।
    পৃথিবীর দ্বিতীয় ধনকুবের এলন মাস্ক নিজের ট্যুইটারে ভোটের এই ফলাফলকে শেয়ার করেছেন এবং বলেছেন যে যদি আমি কোন বিকল্প পেলে এই কাজ ছেড়ে দেব এবং সফটওয়্যার এবং সার্ভারের উপর কাজ করবো। এরপরই বিশ্বের এক নম্বর ইউটিউবার ডোনাল্ডসনের (Jimmy Donaldson) ট্যুইট সামনে আসে। যেখানে তিনি বলছেন কী ভালোই না হত! যদি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার এই কোম্পানিকে চালাতে পারতেন! তাঁর আরও প্রশ্ন, তিনি কী হতে পারেন ট্যুইটারের পরবর্তী সিইও ? এটাও তিনি জানতে চেয়েছেন এলন মাস্কের কাছে। মাত্র ২৪ বছর বয়সী বিশ্বের জনপ্রিয় ইউটিউবারের (Jimmy Donaldson) এই প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে এলন মাস্ক জানিয়েছেন,  ডোনাল্ডসনের (Jimmy Donaldson) এই প্রশ্ন প্রসঙ্গের বাইরে নয়! প্রসঙ্গত চলতি বছরের অক্টোবর মাসে ট্যুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একের পর এক কর্মী ছাঁটাই করেছেন এলন মাস্ক। শুধু তাই নয় অ্যাপেলের মতো সংস্থার সাথেও তিনি বিতন্ডায় জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। ট্যুইটারে নতুন নতুন ফিচার আনার ব্যাপারেও তিনি উদ্যোগী হয়েছেন। ট্যুইটারে ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতেই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ট্যুইটার একাউন্ট পুনরায় চালু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Twitter Jobs: ট্যুইটারের দায়িত্ব পেয়েই ৩৭০০ কর্মী ছাটাইয়ের পথে ইলন মাস্ক

    Twitter Jobs: ট্যুইটারের দায়িত্ব পেয়েই ৩৭০০ কর্মী ছাটাইয়ের পথে ইলন মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি মাইক্রো ব্লগিং সাইট ট্যুইটার (Twitter) কিনেছেন ইলন মাস্ক (Elon Mask)। ট্যুইটার নিজের দায়িত্বে আসার পর থেকেই একের পর এক বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টেসলা কর্ণধার। এবার কর্মী ছাটাইয়ের পথে হাটতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই ব্যক্তি। কোম্পানি চালাতে ঠিক কত কর্মীর প্রয়োজন, সে বিষয়ে এখন চলছে হিসেব নিকেষ । এমনই খবর সামনে এসেছে। একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইলন মাস্ক প্রায় ৩,৭০০ কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছেন। সেই সঙ্গে ট্যুইটারের কর্মীদের যে ওয়ার্ক ফ্রম হোম পলিসি চলছিল, তাও এবার শেষ হতে চলেছে।  ট্য়ুইটারে যাঁরা চাকরি করেন তাঁদের এবার অফিসে এসে কাজ করতে হবে। 
     
    শুধু তাই নয়। সংস্থার অর্থনীতির হাল ফেরাতে এবার কর্মীদের বেতন কমানোর রাস্তাতেও হাঁটতে পারেন ট্যুইটারের নয়া মালিক। বিশেষ করে সেলস, প্রোডাক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং, লিগাল, ট্রাস্ট এবং সেফটি, এই দফতরগুলি থেকে একাধিক কর্মীর বেতন কমানো হচ্ছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: গুজরাট ডেঙ্গি ইস্যুতে বিজেপির পুরসভা অভিযানে ধুন্ধুমার, আটক অগ্নিমিত্রা, সজল সহ একাধিক নেতা

    সেখানকার বোর্ড অফ ডিরেক্টরটেও খুব শীগগির পরিবর্তন আনা হবে বলে জানা গিয়েছে।  

    এদিকে ইলন মাস্ক কোম্পানির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই চাকরি যাওয়ার ভয় পেতে শুরু করেছেন কর্মীরা। মানসিক চাপ বাড়ছে কর্মীদের। তাই কাজের চাপে অফিসের মেঝেতেই ঘুমিয়ে পড়লেন এক ট্যুইটার কর্মী। ভাইরাল সেরকমই এক ছবি। ছবিটি পোস্ট করেছেন ট্যুইটার স্পেসের প্রোডাক্ট ম্যানেজার ইভান জোন্স। ছবিটি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “যখন ইলনের ট্যুইটার থেকে আপনার কিছু পাওয়ার থাকে।” এই পোস্টে ট্যুইটার কর্মীদের মানসিক চাপের বিষয়টি তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Twitter on Elon Mask: চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত ‘অবৈধ’, ইলন মাস্কের ওপর ক্ষুব্ধ ট্যুইটার

    Twitter on Elon Mask: চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত ‘অবৈধ’, ইলন মাস্কের ওপর ক্ষুব্ধ ট্যুইটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৪,৪০০ কোটি মার্কিন ডলার দিয়ে মাইক্রো ব্লগিং সাইট ট্যুইটার (Twitter) কেনার কথা ছিল টেসলার (Tesla) মালিক ইলন মাস্কের (Elon Mask)। কিন্তু সেই চুক্তি (Agreement) বাতিল করেছেন বিশ্বের এই ধনীতম ব্যবসায়ী। ধনকুবেরের অভিযোগ, ভুয়ো ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট নিয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেখাতে পারেনি ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। তাই ট্যুইটার কেনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ইলন মাস্ক।

      আরও পড়ুন: “‘ট্যুইটার কিনেছেন এবার…”, ইলন মাস্ককে কোন পরামর্শ দিলেন আদর পুনাওয়ালা?

    গত ২৫ এপ্রিল ট্যুইটারের মালিকানা পান ইলন। প্রায় ৪,৪০০ কোটি মার্কিন ডলারে এই সংস্থাটি কেনেন তিনি। সংস্থাটি কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণও নেন। ঋণ পরিশোধ করতে শেষ পর্যন্ত কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটারও আভাস দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি, খরচ কমানোর জন্যে সংস্থার কিছু উচ্চপদস্থ কর্মীর বেতন কমানোও হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আদতে বানচাল হয় সব পরিকল্পনা। 

    আরও পড়ুন: ভুয়ো অ্যাকাউন্টের জের! ট্যুইটার কেনা আপাতত স্থগিত, জানালেন ইলন মাস্ক

    ইলন মাস্কের আইনজীবী জানান, ট্যুইটারকে তাদের প্ল্যাটফর্মে জাল বা স্প্যাম অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে একাধিক অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তাই এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছেন তাঁর মক্কেল। 

    ইলন মাস্কের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। সংস্থার চেয়ারম্যান ব্রেট টেইলো জানান, এ ব্যাপারে তাঁরা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। অর্থাৎ, এর ফলে আমেরিকার ধনকুবের এবং সান ফ্রান্সিসকোর সংস্থার মধ্যে দীর্ঘ আইনি লড়াই শুধু সময়ের অপেক্ষা।  

    ট্যুইটার অভিযোগ করে, ইলন মাস্ক ইচ্ছাকৃত চুক্তি বাতিল করেছেন। ট্যুইটারের তরফ থেকে ধনকুবেরকে কোনও রকম অসহযোগীতা করা হয়নি। 

    ট্যুইটারের তরফ থেকে একটি  চিঠিতে বলা হয়েছে, “ইলন মাস্কের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত ভুল এবং অবৈধ। নিয়ম মেনে চুক্তি বাতিল করা হয়নি। ব্যাঙ্কের ঋণ প্রতিশ্রুতি পত্র এবং ইক্যুইটি প্রতিশ্রুতি পত্র কার্যকর থাকবে। মাস্ক এবং তাঁর সহকারী সংস্থাগুলি যেন তা মেনে চলে।”  

     

LinkedIn
Share